Category: প্রশাসন

  • রিফাত শরীফ হত্যা: ৬ অভিযুক্তকে শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ

    রিফাত শরীফ হত্যা: ৬ অভিযুক্তকে শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ

    বরগুনা প্রতিনিধি:

    বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারের পর জেলহাজতে থাকা ১৪ জন অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করেছে পুলিশ। মামলার দিন ধার্য থাকায় মঙ্গলবার সকালে বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে তাদের হাজির করা হয়। পরে আদালতের কার্যক্রম শেষে গ্রেফতার ৬ শিশুকে খুলনা শিশু কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত হয়।

    আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর এ মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে জানিয়ে এ বিষয়ে আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, আজ এ মামলার ধার্য তারিখ থাকায় রিফাত হত্যাকাণ্ড অভিযুক্ত আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে ৬ জনের বয়স ১৮ বছরের কম হওয়ায় আদালত তাদের খুলনার শিশু কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরা হলেন, রিশান ফরাজী, তানভীর, চন্দন, অলি, নাজমুল ও শ্রাবণ।

    আরো বলেন, এ মামলায় অভিযুক্ত চন্দন ও টিকটট হৃদয়ের জামিনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। তবে এই আদালতে মামলার মূল নথি না থাকায় কোন আদেশ দেননি। এছাড়া অভিযুক্ত শ্রাবণের স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের জন্য আদালতে আবেদন করেন। পরে আদালতে এজন্য কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করার আদেশ দেন।

  • মিন্নির জামিন আদেশ বরগুনা আদালতে পৌঁছেছে, কারামুক্তি মিলবে আজ

    মিন্নির জামিন আদেশ বরগুনা আদালতে পৌঁছেছে, কারামুক্তি মিলবে আজ

    বরগুনা প্রতিনিধি:

    বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় গ্রেফতারের পর কারাগারে থাকা ১৪ জন অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করেছে পুলিশ। মামলার দিন ধার্য থাকায় মঙ্গলবার সকালে বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে তাদের হাজির করা হয়।

    আদালতে হাজিরের জন্য একটি প্রিজন ভ্যানে করে বরগুনা জেলা কারাগার থেকে প্রথমে ১৩ পুরুষ অভিযুক্তকে আনা হয়। এরপর একই ভ্যানে করে রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ।

    প্রিজন ভ্যান থেকে নেমে আদালতে যাওয়ার পথে মিন্নির সঙ্গে দেখা হয় তার বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের। এ সময় মিন্নিকে তার বাবা কিশোর বলেন, ‘মিন্নি সবকিছু গুছিয়ে রাখিস।’

    এ সময় মিন্নি তার বাবাকে বলেন, ‘তুমি যাওয়ার সময় জামা কাপড় নিয়ে যাইয়ো।’

    এদিকে উচ্চ আদালত থেকে পাঠানো মিন্নির জামিনের আদেশ বরগুনার আদালতে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম।

    তিনি বলেন, মিন্নির জামিনের আদেশ দুপুর ১২টার পর বরগুনার আদালতে পৌঁছেছে। আইনি প্রক্রিয়ায় মিন্নির জামিনের আদেশ বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দাখিল করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া ও কিছু দাফতরিক কাজ শেষে বিকেল ৩টার দিকে মিন্নি কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন।

    এর আগে গত রোববার (১ সেপ্টেম্বর) রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয় পুলিশ। একই সঙ্গে রিফাত হত্যা মামলার ১ নম্বর আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। যার ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে দেশে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়।

    এ ঘটনায় রিফাতের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। তাতে প্রধান সাক্ষী করা হয় রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে। কিন্তু মিন্নির শ্বশুর মামলার ১৮ দিন পর গত ১৩ জুলাই এই হত্যাকাণ্ডে মিন্নি জড়িত এমন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করার পর মামলাটির তদন্ত নাটকীয় মোড় নেয়। পরে এ মামলায় গ্রেফতার করা হয় মিন্নিকে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত গ্রেফতার হওয়া সবাই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত ২ জুলাই এ মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

  • বিমান বাহিনীতে বিমানসেনা পদে চাকরির সুযোগ

    বিমান বাহিনীতে বিমানসেনা পদে চাকরির সুযোগ

    বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ‘বিমানসেনা’ পদে নন-টেকনিক্যাল ট্রেডে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

    প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ বিমান বাহিনী

    পদের নাম: বিমানসেনা
    ট্রেডের নাম: নন-টেকনিক্যাল ট্রেড
    শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি/সমমান

    বয়স: ২৯ মার্চ ২০২০ তারিখে ১৬-২১ বছর
    উচ্চতা: ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি
    ওজন: বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী
    বুকের মাপ: ৩০ ইঞ্চি, প্রসারণ ৩২ ইঞ্চি
    চোখ: ৬/৬

    নির্বাচনী পরীক্ষা: আইকিউ, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান, স্বাস্থ্যগত ও মৌখিক পরীক্ষা

    আবদেনপত্র সংগ্রহের স্থান: বিমান বাহিনীর সব ঘাঁটি ও ইউনিটসমূহ। এছাড়া বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর তথ্য ও নির্বাচনী কেন্দ্র, পুরাতন বিমানবন্দর, তেজগাঁও, ঢাকা।

    আবেদনের নিয়ম: বিমান বাহিনীর ওয়েবসাইটwww.joinbangladeshairforce.mil.bdথেকে আবেদন করতে পারবেন।

    আবেদন ফি: সেন্ট্রাল নন-পাবলিক ফান্ড, বিএএফের অনুকূলে ২০০ টাকা ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার করতে হবে।

    পরীক্ষার স্থান: বিভাগ ও জেলাভিত্তিক পরীক্ষার স্থান ও তারিখ-

    air-force-in.jpg
    air-force-in.jpg
  • বরগুনার পুলিশ বলছে মিন্নির নাম চার কারণে অভিযোগপত্রে

    বরগুনার পুলিশ বলছে মিন্নির নাম চার কারণে অভিযোগপত্রে

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তাঁর স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকার বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগ এনেছে পুলিশ। এই চার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই তাঁকে প্রধান সাক্ষী থেকে আসামি করা হয়েছে।

    জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, অভিযোগপত্রে চারটি অভিযোগ এনে আয়শাকে মামলার ৭ নম্বর আসামি করা হয়েছে। অভিযোগ চারটি হলো রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে সহায়তা ও হত্যার পরিকল্পনা করা, হত্যায় সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়া, এই মামলায় গ্রেপ্তার অপর চার আসামির জবানবন্দিতে আয়শার নাম উল্লেখ করা এবং হত্যার আগে ও পরে মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ডের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে কথা বলা।

    আয়শার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির আজ সোমবার  বলেন, ‘আয়শার আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তি এবং হত্যাকাণ্ডে সহায়তা, পরিকল্পনাসহ সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় আয়শাকে মামলার ৭ নম্বর আসামি করা হয়েছে। আমরা নিরবচ্ছিন্ন ও গভীর তদন্তের পর রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেছি।’

    গতকাল রোববার আয়শাসহ ২৪ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তবে আদালত এই অভিযোগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেননি। বরগুনা জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের জেনারেল রেজিস্ট্রার (জিআরও) মো. হান্নান বলেন, মামলার মূল নথি জামিন শুনানির জন্য জেলা ও দায়রা জজ আদালতে থাকায় অভিযোগপত্র উপনথিতে শামিল রাখা হয়েছে। মূল নথি নিম্ন আদালতে আসার পর অভিযোগপত্র পর্যালোচনা করা হবে।

    তবে আয়শার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে তাঁর পরিবার। আয়শার বাবা মোজাম্মেল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘একটি কুচক্রী মহলের ইন্ধনে পুলিশ আয়শাকে এই মামলায় আসামি করেছে। যাঁরা বরগুনা ও ঢাকায় গিয়ে আমার মেয়ের জামিনের বিরোধিতা করেছেন, তাঁদের ষড়যন্ত্রে আয়শাকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। সবাই দেখেছে আমার মেয়ে তাঁর স্বামীকে বাঁচাতে কীভাবে চেষ্টা করেছে। কারা রিফাতকে হত্যা করেছে সেটি স্পষ্ট। সব প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে আয়শাকে আসামি করেছে।’

    জেলা পুলিশের সূত্রটি জানায়, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত ২৭ জুন নিহত রিফাতের বাবা আবদুল হালিম বাদী হয়ে বরগুনা থানায় যে মামলা করেন, তাতে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগপত্রে ২৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে থাকা ২৪ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২৪ আসামির মধ্যে ১৪ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক, বাকি ১০ জন প্রাপ্তবয়স্ক। এ কারণে দুটি আলাদা অভিযোগপত্র তৈরি করা হয়েছে।

    ২৬ জুন সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে তাঁর স্ত্রী আয়শার সামনে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে সন্ত্রাসীরা। এরপর তাঁকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনার পর ওই দিন বিকেলে মারা যান রিফাত শরীফ। পরদিন ২৭ জুন রিফাতের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বাদী হয়ে বরগুনা থানায় ১২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি নয়ন বন্ড ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।

  • আমার মেয়েকে পুলিশ আসামি করেছে : মিন্নির বাবার

    আমার মেয়েকে পুলিশ আসামি করেছে : মিন্নির বাবার

    বরগুনা প্রতিনিধি:

    বরগুনায় রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে অভিযুক্ত করে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর কাছে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর।

    তিনি বলেন, আমার মেয়ে নির্দোষ। আমার মেয়ে তার স্বামীকে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাঁচাতে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রাণপণ চেষ্টা করেছে। তারপরও আমার মেয়েকে পুলিশ আসামি করেছে। এ থেকে বোঝা যায়, এ হত্যা মামলায় আমার মেয়েকে ফাঁসাতে কেউ পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে।

    মোজাম্মেল বলেন, মিন্নিকে চার্জশিটে ৭ নম্বর আসামি করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো স্ত্রীর সামনে যদি তার স্বামী হামলার শিকার হন, তাহলে আসামি হওয়ার ভয়ে আর কোনো স্ত্রী তার স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে যাবে না।

    প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। যার ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে দেশে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়।

    এ ঘটনায় রিফাতের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। তাতে প্রধান সাক্ষী করা হয় মিন্নিকে। কিন্তু মিন্নির শ্বশুর মামলার ১৮ দিন পর গত ১৩ জুলাই এই হত্যাকাণ্ডে মিন্নি জড়িত এমন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করার পর মামলাটির তদন্ত নাটকীয় মোড় নেয়। পরে এ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় মিন্নিকে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার হওয়া সবাই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত ২ জুলাই এ মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে নিহত হন।

  • আপত্তিকর অবস্থায় ধরা, পুলিশের সহায়তায় প্রেমিক যুগলের বিয়ে

    আপত্তিকর অবস্থায় ধরা, পুলিশের সহায়তায় প্রেমিক যুগলের বিয়ে

    অনলাইন ডেস্ক ::

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ার পর পুলিশের সহযোগিতায় এক প্রেমিক যুগলকে বিয়ে দেয়া দেয়া হয়েছে। উভয় পরিবারের সম্মতিতে সোমবার দুপুর ২টার দিকে কাজি ডেকে তাদের বিয়ে দেয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    জানা গেছে, আখাউড়া উপজেলার আখাউড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের হীরাপুর গ্রামের বাছির খন্দকারের ছেলে তোফাজ্জল খন্দকারের (২১) সঙ্গে একই ইউনিয়নের এক তরুণীর (১৮) পাঁচ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। প্রায়ই তারা বিভিন্ন স্থানে গিয়ে গোপনে দেখা করত। সম্প্রতি ওই তরুণী তার খালার বাড়িতে বেড়াতে যায়। পরে রোববার সন্ধ্যায় সেখানে তার সঙ্গে দেখা করতে যায় তোফাজ্জল। এ সময় তাদের দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরে ফেলে স্থানীয়রা।

    পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিরা রাত ১১টা পর্যন্ত তাদের দুইজনকে বিয়ের দেয়ার ব্যাপারে সমঝোতার চেষ্টা করে। কিন্তু তোফাজ্জলের পরিবারে বিয়ের ব্যাপারে রাজি না হওয়ায় রাতেই তোফাজ্জল ও তার প্রেমিকাকে আখাউড়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পরে দুই পক্ষ বিয়েতে সম্মত হলে তাদের পবিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    এ ব্যপারে জানতে চাইলে আখাউড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রসুল আহমেদ নিজামী জানান, দুই পক্ষের অভিভাবকরা থানায় আসার পর আমরা তাদেরকে বিয়ে দেয়ার জন্য বুঝিয়ে দিয়েছি। দুই পক্ষ এক হয়ে আজ দুপুরে তাদের বিয়ে দিয়েছে।

  • পিরোজপুরে উত্ত্যক্তের শিকার রূপার আত্মহত্যা, বখাটে তামিম রিমান্ডে

    পিরোজপুরে উত্ত্যক্তের শিকার রূপার আত্মহত্যা, বখাটে তামিম রিমান্ডে

    পিরোজপুর প্রতিনিধি ::

    পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় বখাটের উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে স্কুলছাত্রী রুকাইয়া আক্তার রূপার আত্মহত্যার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি তামিম খানকে সাত দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার পিরোজপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযুক্ত বখাটে তামিম খানের ১০ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করা হলে আদালত ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    জানা যায়, রোববার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাণ্ডারিয়া থানার এসআই মো. কাইয়ুম আসামি তামিমকে পিরোজপুরে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি এস এম মাকসুদুর রহমান জানান।

    এর আগে, গত শনিবার রাতে স্থানীয় মঞ্জু খানের বখাটে ছেলে তামিম খানকে (১৯) প্রধান আসামী করে ৫ জনকে চিহ্নিত এবং অপর ৪/৫ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে আত্মহত্যার প্ররোচণা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় ভাণ্ডারিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন নিহত রূপার বাবা মো. রুহুল আমিন মুন্সী। মামলার অন্য আসামীরা হচ্ছে- আ. মালেক হাওলাদারের ছেলে রাইয়ান, ইরিন (পিতা-অজ্ঞাত), আলম জোমাদ্দারের ছেলে ওয়ালিদ, মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে সাজিদ।

    মামলা দায়েরের পর পিরোজপুর ডিবি পুলিশ ও ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশ গত শনিবার সন্ধ্যায় যৌথ অভিযান চালিয়ে স্থানীয় জমাদ্দার বাড়ি থেকে (বখাটের বাড়ী থেকে) মামলার প্রধান আসামী তামিম খানকে গ্রেফতার করে। পরে রোববার তাকে বিচারিক আদালতে তোলা হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বাকী আসামীদের আটক করতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানান পিরোজপুরের পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান।

    উল্লেখ্য, জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার বখাটে তামিম খান স্কুলছাত্রী রূপাকে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। রূপা তা প্রত্যাখ্যান করায় এবং এর প্রতিবাদ করলে ওই বখাটে একটি নগ্ন ছবির সঙ্গে রূপার ছবি এডিট করে জুড়ে দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ায় স্কুলছাত্রী রূপা ও তার পরিবার চরম বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়েন। একপর্যায়ে শুক্রবার দিবাগত রাতে ক্ষোভ ও লজ্জায় ঘরে থাকা ঘুমের ওষুধসহ বিভিন্ন ধরণের ওষুধ সেবন করে আত্মহত্যা করে রূপা। সে স্থানীয় বন্দর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে লেখাপড়া করতো।

  • বিভাগ প্রতিষ্ঠার ২৯ বছর পর বরিশালে হচ্ছে শ্রম আদালত

    বিভাগ প্রতিষ্ঠার ২৯ বছর পর বরিশালে হচ্ছে শ্রম আদালত

    স্টাফ রিপোর্টার:

    বিভাগ প্রতিষ্ঠা হওয়ার ২৯ বছর পর শ্রম আদালতের সুবিধা পাবে বৃহত্তর বরিশাল বিভাগের বাসিন্দারা। শ্রম আইনে দায়ের হওয়া মামলা নিস্পত্তিতে বরিশালে স্থাপিত হচ্ছে শ্রম আদালত।
    ইতোমধ্যে আইন মন্ত্রণালয় বরিশাল শ্রম আদালতের জন্য চেয়ারম্যান পদমর্যাদায় একজন বিচারক নিয়োগ দিয়েছে। তবে কবে নাগাদ এ আদালতের কার্যক্রম শুরু হবে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ২০১৯ সালে আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে বরিশাল বিভাগ প্রতিষ্ঠা হওয়ার ২৯ বছর পর শ্রম আদালতের সুবিধা পাবে বৃহত্তর বরিশালের জনগোষ্ঠী।

    শ্রম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর বরিশালের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হিমন কুমার সাহা বরিশালে শ্রম আদালত স্থাপনের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মন্ত্রণালয় থেকে তার দফতরে প্রেরিত একটি চিঠির মাধ্যমে তিনি জানতে পেরেছেন বরিশাল শ্রম আদালতের জন্য চেয়ারম্যান পদমর্যাদায় একজন বিচারক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। অন্য জনবল এখনও নিয়োগ দেয়া হয়নি। আদালত স্থাপনের স্থানও নির্ধারণ করা হয়নি। ডিআইজি হিমন কুমার সাহা আরও জানান, আদালতের পুরো বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয় দেখভাল করে। জনবল নিয়োগসহ অন্য কার্যক্রম শেষ করে কবে এ আদালতের কার্যক্রম শুরু হবে তা পুরোটাই আইন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। তবে এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের কার্যক্রম শুরু করতে আরও কয়েকমাস সময় লাগতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    সূত্রমতে, বরিশাল শ্রম আদালতের জন্য নিযুক্ত চেয়ারম্যান হলেন জেলা ও দায়রা জজ পদধারী বেগম শাহনাজ সুলতানা। তিনি বাগেরহাট জেলায় নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক ছিলেন। তাকে বরিশাল শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রাণালয়। অবশ্য তিনি এখনও বরিশালে আসেননি।

    কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের ডিআইজি হিমন কুমার সাহা জানান, বর্তমানে তার দফতর থেকে দায়ের হওয়া ৫০টি মামলা খুলনা শ্রম আদালতে বিচারধীন রয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, চলমান মামলাগুলোর নিস্পত্তি খুলনা শ্রম আদালতেই হবে। বরিশালে আদালত কার্যক্রম শুরুর পর নতুন মামলার নিস্পত্তি হবে এখানকার আদালতে।

    উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে দক্ষিণাঞ্চলের ছয় জেলা নিয়ে বরিশাল বিভাগ গঠিত হয়। কয়েক বছর আগেও বরিশালের শিল্প প্রতিষ্ঠান মালিক ও ব্যবসায়ীদের শ্রম মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সব কাজের জন্য খুলনায় যেতে হতো। সস্প্রতি বরিশালে স্থাপিত হয়েছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর এবং শ্রম অধিদফতরের কার্যালয়। এখানে শ্রম আদালত না থাকায় ১০০ টাকা সমমানের জরিমানার একটি মামলা নিম্পত্তি করতে কয়েক হাজার টাকা ব্যয় করে কয়েকবার খুলনায় আসা-যাওয়ার খরচ গুণতে হয়। পদ্মা সেতু ও পায়রা সমুদ্রবন্দর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর পর এ অঞ্চলে শিল্প কলকারখানা বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে এখানে শ্রম আদালত স্থাপন করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো উল্লেখ করেছেন।

     

  • ডাবে ওষুধ মিশিয়ে যেভাবে সর্বস্ব লুটে নেয় ওরা ৪ জন

    ডাবে ওষুধ মিশিয়ে যেভাবে সর্বস্ব লুটে নেয় ওরা ৪ জন

    পরনে লুঙ্গি এবং গলায় থাকে গামছা। আগে থেকেই নেশা জাতীয় ওষুধ মিশিয়ে টার্গেট ঠিক করে ডাব বিক্রেতা বৃদ্ধ। পাশে চক্রের আরেকজন সদস্য ওঁৎ পেতে থাকে ডাব ক্রেতা সেজে। কোনো যাত্রী বা পথচারীকে ডাব কিনতে আসতে দেখলে ওই সদস্য ভালো ডাবটা কিনে পান করার অভিনয় করে যাতে পথচারী বা ওই ক্রেতা কোনো ধরনের সন্দেহ না হয়।

    এরপর টার্গেটকৃত ব্যক্তি কিংবা পথচারী ডাব পান করে বাসে/অটোরিকশায় উঠলে অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্য তাদের অনুসরণ করে। ওই যাত্রী যদি বাসে উঠে তাহলে পেছনের কিংবা পাশের আসনে বসে পড়ে অজ্ঞান পার্টির ওই সদস্যরা।

    যাত্রী অজ্ঞান হয়ে গেলে এ চক্রের সদস্যরা তাদের আত্মীয় কিংবা পরিচিত বলে হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলে সবার সামনে থেকে তুলে নিয়ে সুবিধামতো স্থানে মূল্যবান জিনিসপত্র ও টাকা ছিনিয়ে নেয় অথবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ব্যক্তির পাশে বসেই সর্বস্ব লুটে নেয়।

    মঙ্গলবার দুপুরে মোমিন রোডের চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) এসএম মেহেদী হাসান।

    এসময় অজ্ঞান পার্টির সদস্য- শহিদুল ইসলাম (৩০), মো. বাবুল (৩৬) রতন মিয়া (৮৫) এবং মো. হারুনের (৩১) কর্মকাণ্ড ও তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।

    সোমবার সন্ধ্যায় নতুন ব্রিজ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয় বিভিন্ন লোকজন থেকে ছিনিয়ে নেওয়া নগদ টাকা এবং  ১০০টি নেশাজাতীয় ওষুধ ও ১৫টি সিরিঞ্জ।

    সংবাদ সম্মেলনে এসএম মেহেদী হাসান বলেন, যাত্রী উঠানামার স্থানে চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি সক্রিয়। বাকলিয়াও কোতোয়ালী থানার যৌথ অভিযানে অজ্ঞান পার্টি চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের চারজনের একজন ডাব বিক্রেতা, একজন ক্রেতা ও বাকি দুজন টার্গেটের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের মূল্যবান জিনিসপত্র ও টাকা নিয়ে কৌশলে সটকে পড়ত।

    তিনি আরও বলেন, এ চক্রের প্রধান সদস্য বৃদ্ধ রতন মিয়া, তিনিই ডাব বিক্রেতা হিসেবে কাজ করেন। মেহেদী হাসান রকি নামে চবির এক শিক্ষার্থী ২৪ আগস্ট রাতে নিউমার্কেট ল টেম্পলের সামনে বাসে উঠে বসলে এক বৃদ্ধ তাকে ডাব কেনার জন্য অনুরোধ করেন।

    বৃদ্ধকে দেখে অসহায় মনে হওয়ায় রকি অনিচ্ছা সত্ত্বেও একটি ডাব কিনে খান। পরে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল সেট ও মূল্যবান জিনিস লুটে নিয়ে সরে পড়ে চারজনের এ চক্রটি।

    সর্বশেষ ২৫ আগস্ট সোমবার নতুন ব্রিজ এলাকা থেকে মামুনুর রশিদ নামে এক ফল বিক্রেতাকে অজ্ঞান করে তার কাছ থেকে নগদ টাকা লুটে নেয় চক্রটি।

    পরে ফল বিক্রেতার পরিবার থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এই চক্রটিকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে ফল বিক্রেতা মামুনুর চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    উপ-কমিশনার আরও জানান, বর্তমানে এই চক্রটির সদস্যদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নগরীতে অজ্ঞান পার্টির অন্য সদস্যদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    তিনি জানান, এসব অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা নগরীর বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করে। শহরের বাস-অটোরিকশা স্টেশনে টার্গেট ঠিক করে। বিশেষ করে একা ব্যক্তিকে বেশি অনুসরণ করে। সাধারণত ফার্মেসি থেকে ওষুধ সংগ্রহ করে তারা ডাবে মিশিয়ে মানুষকে অজ্ঞান করে।

    সংবাদ সম্মেলনে সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) শাহ মুহাম্মদ আবদুর রউফ, চকবাজার জোনের সহকারী কমিশনার মুহাম্মদ রাইসুল ইসলাম, বাকলিয়া থানার ওসি নেজাম উদ্দিন, কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীনসহ অভিযান পরিচালনাকারী টিমের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ডিএমপি’র নতুন কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম

    ডিএমপি’র নতুন কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ’র নতুন কমিশনার হচ্ছেন মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বিপিএম(বার)।

    আজ ২৮ আগস্ট, ২০১৯ রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ অধিশাখার উপসচিব স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বিপিএম(বার) কে ডিএমপি’র কমিশনার হিসেবে বদলী করে প্রজ্ঞাপন জারী করা হয়।

    ইতোপূর্বে জনাব শফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ পুলিশ’র অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এর অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    সুত্র-ডিএমপি নিউজ