Category: প্রশাসন

  • চকলেট ও খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, শেবামেকের বাবুর্চি গ্রেফতার

    চকলেট ও খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, শেবামেকের বাবুর্চি গ্রেফতার

    আট বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজের (শেবামেক) বাবুর্চিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    আজ শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র‌্যাব।

    গ্রেফতার মো. হানিফ ওরফে নয়ন (৪৫) বরিশাল নগরের চরেরবাড়ি এলাকার মৃত আফাত উদ্দিন ফকিরের ছেলে। তিনি শেবামেকে বাবুর্চির কাজ করেন।

    র‌্যাব জানায়, অভিযোগ আছে, নয়ন আট বছরের এক শিশুকে প্রায় তিন মাস ধরে যৌন হয়রানি করে আসছেন। শিশুটির পরিবারের অনুপস্থিতিতে বিভিন্ন সময় চকলেট ও খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে বাসায় ডেকে ধর্ষণের চেষ্টা করতেন তিনি। বিষয়টি প্রতিবেশীদের নজরে পড়ে। আসামি ও বাদী শেবামেকের সামনে ৪র্থ শ্রেণী স্টাফ কোয়ার্টারে পাশাপাশি থাকতেন।

    গত বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) শিশুটি কোয়ার্টারের সামনে মাঠে খেলার সময় নয়ন তাকে আগের মতোই চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে বাসায় ডেকে নিয়ে স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন ও জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এসময় শিশুটি চিৎকার করলে অভিভাবকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়।

    এ ঘটনায় র‌্যাব-৮ সিপিএসসির একটি বিশেষ আভিযানিক দল শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) শেবামেকের সামনে থেকে অভিযুক্ত নয়নকে গ্রেফতার করে।

  • র‌্যাবকে ১০ লাখ টাকা দিতে গিয়ে তেল চোরের মূলহোতা আটক

    র‌্যাবকে ১০ লাখ টাকা দিতে গিয়ে তেল চোরের মূলহোতা আটক

    অনলাইন ডেস্ক ::

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ছয়হিষ্যা নদী ঘাট এলাকা থেকে ৩টি ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে থাকা ২২০ ড্রামে রক্ষিত ৪১ হাজার ৮০০ লিটার চোরাই পাম ওয়েল উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১১ এর একটি টিম। এসময় চোরাই তেলের বিষয়টি আইনের আওতায় না আনার জন্য চোরাই তেলের মূলহোতা মো. রফিকুল ইসলাম (৪২) র‌্যাব সদস্যদের ১০ লাখ টাকা ঘুষ দেয়ার চেষ্টা করে। পরে ঘুষের টাকাসহ তেল চোর রফিকুল ইসলামকে আটক করে র‌্যাব। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে এ অভিযানটি চলে এবং শুক্রবার অভিযানের বিষয় নিশ্চিত করে র‌্যাব।

    শুক্রবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সেন্ট্রাল খেয়াঘাটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক (সিও) কাজী শমসের উদ্দিন এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন র‌্যাব-১১ এর উপ-পরিচালক মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব, র‌্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

    আটক রফিকুল ইসলাম সোনারগাঁয়ের ছয়হিষ্যা গ্রামের মৃত আবুল কাসেম সরকারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

    সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক (সিও) কাজী শমসের উদ্দিন জানান, আটক রফিকুল ইসলাম জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে সে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে পাম ওয়েলসহ অন্যান্য ভোজ্য ও জ্বালানি তেল চোরাইভাবে বেচাকেনা করছে। এই চোরাই পাম ওয়েল নারায়ণগঞ্জসহ ঢাকার বিভিন্ন তেল ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করতো। সোনারগাঁয়ের ছয়হিষ্যা ঘাটে বেশ কয়েকটি চোরাই পাম ওয়েলের সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। ওই চোরাই পাম ওয়েলের সঙ্গে ভেজাল তেল মিশিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করা হতো। আর উদ্ধারকৃত চোরাই পাম ওয়েলের মূল্য আনুমানিক ২১ লাখ টাকা।

    তিনি আরো জানান, চোরাই তেল কারবারীদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান চলছে। চোরাই তেল ব্যবসায়ীরা ক্ষমতাসীন দলের হলেও তাদেরকে ছাড় দেয়া হবে না। মহাসড়কের পাশেও অনেক অবৈধ চোরাই তেলের দোকান রয়েছে। সেগুলোতেও হাইওয়ে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান পরিচালিত হবে।

  • প্রথম শ্রেণির ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই কিশোর আটক

    প্রথম শ্রেণির ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই কিশোর আটক

     

    অনলাইন ডেস্ক ::

    জয়পুরহাট সদর উপজেলার চকশ্যাম গ্রামে প্রথম শ্রেণির (৮) এক ছাত্রীকে দুই কিশোর পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে ওই দুই কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।

    আটককৃতরা হলো- গ্রামের মঞ্জিল হোসেনের ছেলে তারেক হোসেন (১৬) ও নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার মহিষবাথান গ্রামের মিঠুন হোসেনের ছেলে মারুফ হোসেন (১২)। মারুফ এই গ্রামে তার নানার বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করে।

    জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিদ্দিকুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে তারেক ও মারুফ মাছ ধরার কথা বলে ওই শিশুকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী ছোট যমুনা নদীতে নিয়ে যায়। পরে নির্জন নদীতীরে তারা মেয়েটির মুখ চেপে ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

    রক্তক্ষরণরত অবস্থায় শিশুটি বাড়ি গিয়ে তার মা-বাবাকে সবকিছু জানিয়ে দেয়। রাতে শিশুটির বাবা তাকে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করার পর থানায় এসে অভিযোগ দিলে পুলিশ তারেক ও মারুফকে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

  • ঝালকাঠিতে সেই দুই পুলিশ কর্মকতার আত্মরক্ষায় দৌড়ঝাপ

    ঝালকাঠিতে সেই দুই পুলিশ কর্মকতার আত্মরক্ষায় দৌড়ঝাপ

    নিজস্ব প্রতিবেদক::

    ঝালকাঠি জেলার নলছিটি থানা পুলিশ জড়িয়ে পরছে নানা অপর্কমে। সাম্প্রতিককালে কলেজ ছাত্র দ্বিপ্ত কর্মকারকে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার ঘটনা নিয়ে যখন তোলপাড় ঠিক সেই মুহূর্তে একজন ব্যবসায়ীর বস্তা সমেত জাল আত্মসাৎ করার নেপথ্যে উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজিজুল বারী ও এটিএসআই শ্যামল চন্দ্র জড়িত থাকায় নলছিটি পুলিশের কর্মকান্ড নিয়ে রীতিমত বিতর্ক দেখা দিয়েছে।

    একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, নারায়নগঞ্জ’র জাল ব্যবসায়ীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার অভিযোগ প্রত্যাহার করতে সক্ষম হলেও দিপ্ত কর্মকারের পরিবারকে সেই পুলিশ কর্মকর্তারা বাগে আনতে পরছে না। দিপ্তর মা নুপুর রানী কর্মকার ইতিমধ্যে পুত্রকে জোরপূর্বক ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার ঘটনার প্রতিকার চেয়ে পুলিশ মহা-পরিদর্শকসহ বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজিকে লিখিত ভাবে অবহিত করায় জল বহুদূর গড়িয়েছে। এরই মাঝে জাল ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেনকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল আত্মসাৎ করেন। এবং বেশ অর্থ লুটে নেয়।

    অভিযোগকারীর ভাষ্যমতে- গত ২৯ আগস্ট এই ঘটনার জন্ম দেয় পুলিশের সোর্স হিসাবে পরিচিত নলছিটির দুই যুবক। আওলাদ হোসেন জাল বিক্রির উদ্দেশে নলছিটি আসলে তার পণ্যের বৈধতার প্রশ্ন তুলে যুবকদ্বয় প্রায় এক লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকা মূল্যের জাল দুই পুলিশ কর্মকর্তার নামে জব্দ করে অন্যত্র নিয়ে যায়।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের দাব- স্থানীয় ব্যবসায়ী মনির হোসেন জাল ক্রয়ের সময় পুলিশের ওই সোর্স সেখানে উপস্থিত হয়ে গোটা কর্মকান্ডের ভূমিকা রাখে। পরে যুক্ত হয় নলছিটি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আজিজুল বারী ও এটিএসআই শ্যামল চন্দ্র। জব্দ করা সেই জাল থানায় জমা না দিয়ে তা বিক্রি করে দেয়। ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেনের দাবি তার আমদানি করা জালের বৈধ থাকা সত্বেও পুলিশ কর্মকর্তারা তাদের সোর্স মাধ্যম তাকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখায়। বিষয়টি তিনি জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তাদের নীপিড়ণের বর্ণনা দেন।

    পুলিশের একটি সূত্র যানায়, পুলিশের সদর সার্কেল অফিসার মাহামুদ হোসেন এ ঘটনা অবহিত হওয়ার পরপরই তিনি দুই সোর্সকে ৩১ আগস্ট তার কার্যালয় ডেকে নেন। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলে উভয়কে উত্তম মাধ্যম দেয়। কিন্তু রহস্যজনক কারনে মাঠপর্যায়ের ওই দুই কর্মকর্তার বিষয় কোন রূপ পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

    অপর একটি সূত্রের দাবি- পুলিশ কর্মকর্তারা আত্মরক্ষার তাগিদে জাল ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেনকে থানায় ডেকে নিয়ে পুনরায় চাপের মুখে ফেলে তার অভিযোগ প্রতাহারের বাধ্য করে। যে কারণে জেলা পুলিশ পর্যন্ত ওই ব্যবসায়ীর অভিযোগ পৌছাতে পারেনি। এরপরই পুলিশ কর্মকর্তাদ্বয় তাদের বিরুদ্ধে নুপুর রানীর অভিযোগ প্রত্যাহারে নানামুখি পদক্ষেপ নেয়। নুপুর রানী তার পুত্রের হয়রানির বিচারের দাবিতে অনড় থাকায় মামলার সাক্ষী আনোয়ার হোসেনকে বাগে আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। গত ১ সেপ্টেম্বর আনোয়ার হোসেনকে থানায় ডেকে পুলিশের পক্ষে অবস্থান নেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    আনোয়ার এ তথ্য স্বীকার করে বলেন- থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাখাওয়াত হোসেন তার মুখ থেকে ওই দিনের ঘটনার বর্ণনায় দিপ্তকে অহেতুক হয়রানির পিছনে ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তার অতি উৎসাহী ভুমিকা এবং তাদের র্সোস ফয়সাল আকনের সাজানো নাটক সম্পর্কে নিশ্চিত হন।

    উল্লেখ্য দিপ্তর বিরুদ্ধে ২ পিস ইয়াবা মামলার পুলিশের দেওয়া সাক্ষীর তালিকায় থাকা আনোয়ার হোসেন স্বপ্রনোদিত হয়ে আদালতে উপস্থিত থেকে পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতা এবং তাকে জোরপুর্বক সাক্ষী করার সমুদয় ঘটনা বিচারককে অবহিত করেন।

    সূত্রমতে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার রুম থেকে বেরিয়ে আসার প্রাক্কালে আনোয়ার হোসেনের পথ আগলে ধরে এসআই আজিজুল বারী দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। উল্টো আসামীদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আদালতে ঘটনা ফাঁস করে দেয়ার আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে। এসময় পুলিশের সোর্স ফয়সাল আকন সেখানে উপস্থিত ছিলো বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। যদিও মাঠ পুলিশের এই কর্মকর্তা এ তথ্য অস্বীকার করে ভিত্তিহীন বলে জানান। দীপ্তকে কেন আটক করা হলো? এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে পুলিশের সোর্সদের আক্রোশের আরেকটি বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। দিপ্ত আটকের মাস কয়েক পূর্বে তার পিতাকে অনুরুপ ভাবে ইয়াবা দিয়ে আটকের ক্ষেত্রে নাটক সাজানো হয়। একজন মাদক ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলার প্রাক্কালে তাকে আটক করা হয়েছিল।

    অভিযোগ রয়েছে, এক্ষেত্রে ভুমিকা রাখা উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি পলাশ সজ্জন থানা থেকে তাকে মুক্ত করে আনার সন্ধিচুক্তিতে দেড় লাখ টাকা গৌরঙ্গ কর্মকারের পরিবারের কাছ থেকে নিয়ে তা নিজেই হজম করে ফেলেন। এঘটনায় পুলিশ বিতর্কিত হলেও গৌরঙ্গ কর্মকারকে আদালতে সোপর্দ করে। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি টাকা ফেরত চাইলে পলাশের সাথে দ্বন্দ্বের জের ধরে তার পুত্রকে অনুরুপ ভাবে আটক করা হয়।

    পলাশ বিরোধী দলের রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকলেও থানা পুলিশের সাথে তার দহরম মহরম কম বেশি সর্বমহল অবহিত। তাকে পুলিশের সোর্স হিসেবেই এখন ভাবা হয়। এই যুবকের বিরুদ্ধে মাদক সেবন ও বিক্রয় অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। গৌরঙ্গ কর্মকারের স্ত্রী নুপুর রানী কর্মকার তার পুত্রের প্রতি পুলিশি নীপিড়নের অভিযোগ তুলে প্রশাসনের উচ্চ মহলে ঘটনার স্ববিস্তার অবহিত করেন।

    এ ঘটনা মিডিয়ায় প্রকাশিত হলে একদিকে পুলিশ অন্য দিকে তাদের সোর্সরা আত্মরক্ষায় নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করায় নলছিটি হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের একাংশের নেতা মিলন কান্তি দাসের মাধ্যমে ছাত্রদল নেতা পলাশ সজ্জন এ ঘটনা চেপে যেতে গৌরঙ্গ কর্মকারকে ডেকে নিয়ে একদফা চাপের মুখে রেখেছে বলে জানা গেছে। রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি ও ঝালকাঠি জেলা পুলিশ সুপার এই ঘটনার তদন্তে স্বোচ্চার হওয়ায় থানা পুলিশ ও তাদের সোর্সরা এখন আত্মরক্ষায় এধরনের কৌশল নিয়েছে বলে অনুমান করা যায়।

    সর্বশেষ জানা গেছে রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয় ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে তলব করা হয়েছে। পাশাপাশি ঝালকাঠি জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের থেকে নুপুর রানী কর্মকারের সাথে যোগাযোগ করে তার মৌখিক অভিযোগ তুলে ধরতে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।’

  • ঝালকাঠিতে গোপন বৈঠককালে জামায়াতের ১৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

    ঝালকাঠিতে গোপন বৈঠককালে জামায়াতের ১৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

    ঝালকাঠিতে গোপন বৈঠক চলাকালে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি, শিক্ষক ও ভূমি অফিসের কর্মচারিসহ ১৬ জামায়াত নেতাকর্মী এবং বাড়ির মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ  শুক্রবার সকালে শহরের শিতলাখোলা এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়।

    পুলিশ জানায়, শহরের শিতলাখোলা এলাকায় জেলা জামায়াত নেতা ও তারাবুনিয়া ওয়াহিদিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মনিরুজ্জামানের ভাড়া বাসায় গোপন বৈঠকে বসেন জেলার শীর্ষ জামায়াত নেতারা। সেখানে নাশকতার পরিকল্পনায় করা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফরিদুল হক, পৌর জামায়াতের আমীর আব্দুল হাই, জামাত নেতা ও ঝালকাঠি সদর ভ’মি অফিসের সার্ভেয়ার সাহাব উদ্দিন ও ঝালকাঠি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুসসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করে সদর থানা পুলিশের একটি দল। পরে ওই বাসার মালিক ও জনতা ব্যাংকের সাবেক এজিএম মহিউদ্দিন খোকনকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

    ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম মাহমুদ হাসান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জামায়াত নেতারা বৈঠকের কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। এ ব্যাপারে পুলিশ বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে। ওই মামালায় ১৬ জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হচ্ছে।

  • বরিশালে সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাত, প্রতারক আটক

    বরিশালে সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাত, প্রতারক আটক

    বরিশালে সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সদস্যরা   মো. মবিনুর রহমান (৫৩) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে ।

    মবিনুর রহমান বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম ভুতেরদিয়া এলাকার মৃত. আ. বারি আকনের ছেলে।

    আজ শুক্রবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে র‌্যাব-৮ এর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এরআগে বৃহস্পতিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে পিরোজপুরের নেছারাবাদ ‍উপজেলা থেকে তাকে আটক করা হয়।

    এতে বলা হয়, আটক মবিনুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে সেনাবাহিনীতে বিভিন্ন বেসামরিক পদে চাকরি দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছে হতে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলো। তিনি নিজেকে সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার বলে সাধারণ মানুষের কাছে পরিচয় দিতেন।

    এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি সৌরভ দাস, আকাশ পাল, রিয়াদুল ইসলাম, বিশ্বজিৎ দাস, অনুপ কুমার বসু ও আমিনুর রহমানের সেনাবাহিনীতে চাকরি হয়েছে জানিয়ে তাদের যশোরের ইবনে সিনা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মেডিকেল করায়। পাশাপাশি প্রত্যেকের কাছে টাকা দাবি করে। এতে মবিনুরের প্রতি অভিভাবকদের সন্দেহ হয়।

    এরপর অভিভাবকরা বিষয়টি র‌্যাবকে জানায়। পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে র‌্যাব। প্রথামিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন ওয়ারেন্ট অফিসার হিসাবে পরিচয় দিলেও পরে তিনি সব সত্য স্বীকার করেন।

  • বরিশাল নৌ-পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ যুবক আটক

    বরিশাল নৌ-পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ যুবক আটক

    নিউজ ডেস্ক ::

    বরিশালে যাত্রীবাহী লঞ্চ থেকে রাব্বী গাজী (২২) নামে এক যুবককে আধা কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করেছে নৌ-থানা পুলিশ। শুক্রবার ভোরে টার্মিনালে নোঙররত ঝালকাঠিগামী পুবালী ৭ লঞ্চ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তার রাব্বি বরিশাল বন্দর থানার চারকাউয়া ইউনিয়নের বরইতলায় গ্রামের বাসিন্দা।

    বরিশাল নৌ সদর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে লঞ্চ থেকে রাব্বিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার শরীরে তল্লাশি চালিয়ে ৫০০ গ্রাম গাঁজা পাওয়া যায়। কিন্তু রাব্বিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দেখা গেছে সে বাকপ্রতিবন্ধী। এই কারণে পুলিশ ধারনা করছে- মাদক বিক্রেতারা যুবককে ব্যবহার করে গাঁজা পাচারের সুযোগ নিতে চাইছিল।

    এ ঘটনায় গ্রেপ্তার রাব্বিকে অভিযুক্ত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান নৌ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।’

  • ঘুষ না দেয়ায় গণধর্ষণ, আলামত পেয়েছেন চিকিৎসকরা

    ঘুষ না দেয়ায় গণধর্ষণ, আলামত পেয়েছেন চিকিৎসকরা

    ৫০ হাজার টাকা ঘুষ না দেয়ায় যশোরের শার্শা উপজেলায় দুই সন্তানের জননীকে (৩২) গণধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষার পর বিষয়টি নিশ্চিত করেন চিকিৎসক।

    মঙ্গলবার গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে আলামত সংগ্রহ করে তা পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার পরীক্ষাগার থেকে জানানো হয়, গৃহবধূকে গণধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেন যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহমেদ। তিনি বলেন, ওই গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। গণধর্ষণে কে বা কারা জড়িত তা নিশ্চিত করতে ডিএনএ টেস্টের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

    ডা. আরিফ আহমেদ বলেন, মঙ্গলবার গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে আলামত সংগ্রহ করে তা পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। সেখান থেকে পাওয়া প্রতিবেদনে গণধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়। কিন্তু সেই বীর্য কার বা কাদের তা ডিএনএ টেস্ট ছাড়া বলা যাবে না। সিআইডির মাধ্যমে ডিএনএ টেস্ট করাতে হবে। সিআইডির পক্ষ থেকে আমাদের বলা হয়েছে, আলামত প্রস্তুত রাখতে। তারা ডিএনএ টেস্ট করবেন।

    গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূর ভাষ্য, ২৫ আগস্ট রাতে শার্শার লক্ষ্মণপুরের গ্রামের বাড়ি থেকে তার স্বামীকে মাদক ব্যবসার অভিযোগে তুলে নিয়ে যান এসআই খায়রুল। পরদিন তার কাছ থেকে ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার দেখিয়ে আদালতে চালান দেন। সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ২টার দিকে এসআই খায়রুল ও তার কয়েকজন সোর্স ওই নারীর বাড়িতে গিয়ে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। স্বামীকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়ার কথা বলে এসআই খায়রুল ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে খায়রুলের সঙ্গে ওই নারীর কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে খায়রুল ও তার সোর্সরা তাকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি কাউকে জানালে গৃহবধূকেও মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেয়া হয়।

    মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গৃহবধূ যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গেলে বিষয়টি প্রকাশ পায়। হাসপাতালে ডাক্তারকে গিয়ে গৃহবধূ বললেন গণধর্ষণের শিকার তিনি। এরপর পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনার সত্যতা জানতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেই সঙ্গে গৃহবধূ ও অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন তারা।

    এ ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) খায়রুলকে প্রত্যাহার করা হয়। তবে এ ঘটনায় মামলা হলেও এজাহারে নাম নেই এসআই খায়রুলের।

    এসআইকে বাদ দিয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে ও একজনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে মঙ্গলবার রাতে শার্শা থানায় মামলা করেন গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ। তবে গৃহবধূর অভিযোগ, গণধর্ষণে জড়িত ছিলেন এসআই খায়রুলও। তবে মামলার এজাহারে কেন এসআই খায়রুলের নাম নেই সে বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি গৃহবধূ।

    ঘুষের জন্য গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের সোর্সসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘটনা তদন্তে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাহ উদ্দিন শিকদারকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    গ্রেফতাররা হলো- শার্শা উপজেলার চটকাপোতা গ্রামের হামিজ উদ্দীনের ছেলে পুলিশের সোর্স কামারুল, লক্ষ্মণপুর গ্রামের মজিদের ছেলে কাদের ও মাজেদের ছেলে লতিফ।

    যশোরের পুলিশ সুপার মঈনুল হক বলেন, এসআই খায়রুলকে ওই নারীর সামনে হাজির করা হয়েছিল শনাক্তের জন্য। কিন্তু ওই নারী খায়রুলকে শনাক্ত করেননি। তবে তদন্তের স্বার্থে এসআই খায়রুলকে প্রত্যাহার করে যশোর পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    এদিকে, এসআই খায়রুল পরিচয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ করা ওই ব্যক্তির সন্ধানে মাঠে নেমেছে পুলিশ। বুধবার রাতে যশোর পুলিশের বিশেষ শাখার এক বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন শিকদার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যশোর জেলায় খায়রুল বা খায়রুল আলম নামে কোনো পুলিশ সদস্য আছে কিনা তা যাচাই করা হচ্ছে।

    তবে জানা গেছে, শার্শা থানার এসআই শেখ খায়রুল বাসার গত ২৫ আগস্ট থেকে ৩০ দিন মেয়াদী বিআইসি প্রশিক্ষণে এসবি ট্রেনিং স্কুল ঢাকায় অবস্থান করছেন। বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে এসআই খায়রুল ইসলাম কর্মরত আছেন।

    এছাড়া অন্য কোনো পুলিশ সদস্য ঘটনার সময় ওই স্থানে গেছেন কিনা তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে। অজ্ঞাত চতুর্থ ব্যক্তি পুলিশ সদস্য কিংবা অন্য যে কেউ হোক তাকে শনাক্তকরণসহ গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

    যেহেতু ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় সেহেতু এসআই খায়রুলকে কেন প্রত্যাহার করা হয়েছে- জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাহ উদ্দিন বলেন, যেহেতু এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্তে যেন নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে সে কারণে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এসআই দোষী সে কারণে প্রত্যাহার হয়েছে এমনটি নয়।

  • বরিশালে মাদক বিক্রেতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    বরিশালে মাদক বিক্রেতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    বরিশালে মাদক মামলায় ফারুক হোসেন নামে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বৃহষ্পতিবার (০৫) সেপ্টেম্বর বরিশালের জেলা ও দায়েরা জজ আদালতের
    বিচারক মোঃ রফিকুল ইসলাম এ রায় ঘোষনা করেন।

    দন্ডপ্রাপ্ত ফারুক হোসেন বরিশাল নগরের কাউনিয়া কালাখানবাড়ি এলাকার বাসিন্দা নান্না মিয়ার ছেলে।

    আদালত ও মামলা সূত্রে জানাগেছে, ২০১৬ সালের ২০ মে কাউনিয়া থানা পুলিশ সাধুর বটতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফারুক হোসেনকে ১২ বোতল ফেন্সিডিল ও ৩২ গ্রাম হেরোইনসহ আটক করে। এ ঘটনায় এসআই ভবেশ চন্দ্র পাল বাদী হয়ে মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। থানার এসআই এ আর মুকুল একই সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

    আদালত ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহন শেষে আসামীর অনুপস্থিতিতে রায় ঘোষানা করেন। রায়ে হেরোইন রাখার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, পাশপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

    এদিকে ফেন্সিডিলের জন্য ৬ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

    পাশাপাশি আসামী পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করা হয়েছে।

  • উজিরপুরে ওপেন হাউজ ডে সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

    উজিরপুরে ওপেন হাউজ ডে সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

    উজিরপুর প্রতিনিধি :

    বরিশালের উজিরপুরে ওপেন হাউজ ডে সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বরিশাল জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও (পদোন্নতি প্রাপ্ত) পুলিশ সুপার মোঃ রকিব উদ্দিন পি.পি.এম।

    বৃহষ্পতিবার বেলা ১১ টায় উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের মশাং বাজারে ওপেন হাউজ ডে সভায় উজিরপুর মডেল থানার ওসি শিশির কুমার পালের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহাদাৎ হোসেন, বাজার কমিটির সভাপতি হাবিবুর রহমান, তদন্ত ওসি মোঃ হেলাল উদ্দিন, প্রাক্তন চেয়ারম্যান দিলিপ খন্দকার প্রমূখ।

    এ সময় প্রধান অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিরসনে সমাজের সকল শ্রেণি মানুষ পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার অহবান জানান।

    ওসি শিশির কুমার পাল বলেন, স্থানীয়দের সহায়তায় ১ মাসের মধ্যে মাদকমূক্ত করা হবে এবং মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত ব্যাক্তি যতই প্রভাবশালী হোক কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা। তাদের ঠিকানা হবে জেল হাজতে। এ ছাড়াও উজিরপুর মডেল থানার উদ্যোগে স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের মাধ্যমে চকমান মাদ্রাসা ও হাবিবপুর ডিগ্রি কলেজে শিক্ষার্থীদের নিয়ে সভা করা হয় এবং ভবানীপুরে উঠান বেঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।