Category: প্রশাসন

  • র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গিট্টু হৃদয় নিহত

    র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গিট্টু হৃদয় নিহত

    র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মো. হৃদয় ওরফে গিট্টু হৃদয় (৩০) নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের চেংড়াকান্দি এলাকায় এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

    ঘটনাস্থল থেকে একটি প্রাইভেট গাড়িসহ একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, ৫০০ পিস ইয়াবা, একটি চাপাতি ও তিনটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় তিনজনকে আটক করে র‌্যাব। আটককৃতরা হলেন- গাড়ি চালক, গিট্টু হৃদয়ের দুই সহযোগি জহিরুল ইসলাম ডলার ও সেলিম।

    গিট্টু হৃদয়ের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় খুন, ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসাসহ মোট ১৭টি মামলা রয়েছে। সে উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের হাবিবুর এলাকার মৃত সবুজ মিয়ার ছেলে।

    র‍্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন চৌধুরী পিপিএম বলেন, রাত ৩টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পিরোজপুর ইউনিয়নের চেংড়াকান্দি এলাকায় র‍্যাব-১১ এর চেকপোস্ট ছিল। এ সময় মহাসড়কের চেকপোস্টে একটি গাড়িকে থামার নির্দেশ দিলেও গাড়ি না থামিয়ে র‍্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি করে।

    এ সময় র‍্যাব পাল্টা গুলি ছুড়লে মাদক ব্যবসায়ী গিট্টু হৃদয় গুলিবিদ্ধ হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গুলি বিনিময়ের সময় র‍্যাবের ওবায়দুল নামে এক সদস্য আহত হন।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদক বিক্রেতা গিট্টু হৃদয় সোনারগাঁ থানার মাদক বিক্রেতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। তাকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পুলিশ ১০ হাজার টাকা ঘোষণা করেছিল।

  • পটুয়াখালীতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে আবাসিক হোটেলে উঠে গ্রেপ্তার ৪

    পটুয়াখালীতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে আবাসিক হোটেলে উঠে গ্রেপ্তার ৪

    পটুয়াখালীতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে একটি আবাসিক হোটেল থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    বুধবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের টাউন কালিকাপুরের মালয়েশিয়া আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

    মালয়েশিয়া আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার আমির হোসেন বলেন, আধাঘণ্টা আগে দুই মেয়ে ও দুই ছেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে আমাদের হোটেলের ২০৩ ও ২০৬ নাম্বার কক্ষ ভাড়া নেন। তারা জানান, রাজশাহী থেকে আসছেন, কুয়াকাটা ভ্রমণে যাবেন। আমরা খাতায় সে মোতাবেক এন্ট্রি করেছি। এই ছেলে দুটি প্রায়ই মেয়ে নিয়ে আসতো বলেও তিনি জানান।

    এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমি বাইরে আছি। আটকদের মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী রয়েছে বলে শুনেছি। থানায় ফিরে আটকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থ নেয়া হবে।

  • পটুয়াখালীতে বৃদ্ধা মাকে মারধর করায় ছেলে গ্রেফতার

    পটুয়াখালীতে বৃদ্ধা মাকে মারধর করায় ছেলে গ্রেফতার

    অনলাইন ডেস্ক :

    পটুয়াখালীর গলাচিপায় বৃদ্ধা মাকে মারধর করার অভিযোগে ছেলে মো. দুলাল প্যাদাকে (২৮) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতার দুলাল উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া এলাকার বাসিন্দা আলী মোহাম্মদ প্যাদার ছেলে।

    পটুয়াখালী র‌্যাব-৮ এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রইছ উদ্দিন জানান, দুলাল প্যাদা তার বৃদ্ধা মা রনজান বিবিকে (৬০) মারধর করতো। ছেলের মারধর সহ্য করতে না পেরে গত ৯ আগস্ট গলাচিপা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রনজান বিবি বাদী হয়ে ছেলে দুলাল প্যাদার বিরুদ্ধে মামলা করেন।

    এই মামলায় গ্রেফতার ছেলে দুলালকে গলাচিপা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা।

  • চতুর্থ শ্রেনীর স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষন, প্রধান আসামি র‌্যাব-৮ এর অভিযানে গ্রেপ্তার

    চতুর্থ শ্রেনীর স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষন, প্রধান আসামি র‌্যাব-৮ এর অভিযানে গ্রেপ্তার

    নিউজ ডেস্ক ::

    চতুর্থ শ্রেনীর স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষনের ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান আসামি রনি মজুমদার (২০) কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ান (র‌্যাব-৮)। মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) মাদারীপুর জেলার মডেল থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    আজ বুধবার দুপুরে র‌্যাব-এর সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি সাংবাদিকেদের জানান র‌্যাব-৮ এর কমান্ডিং অফিসার (সিইও) আতিকা ইসলাম।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, গত ৮ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ১০টার দিকে চতুর্থ শ্রেনীর স্কুল ছাত্রীকে আইসক্রীম খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে মাদারীপুর পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার মৃত মান্নান মোল্লার একতলা ভবনের ছাদে নেয় যায়। সেখানে স্কুল ছাত্রীকে জোর পূর্বক ধর্ষন করে রনি মজুমদার। এ সময় স্কুল ছাত্রী ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে ধর্ষক রনি পালিয়ে যায়।

    এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর পরিবার বাদি হয়ে মাদারীপুর জেলার সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করে। পাশাপাশি মামলার বাদি র‌্যাবের সহায়তা কামনা করে।

    এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৮ এর একটি আভিযানিক দল মাদারীপুর ডাসপার থানা এলাকায় মেদাকুল বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত রনি মজুমদারকে আটক করে।

    সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৮ এর সিও আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত রনি মজুমদার শিশু ধর্ষণের সাথে জড়িত থাকার কথা প্রাথমিক ভাবে স্বীকার করেছেন। পাশাপাশি আটক রনি মজুমদারকে মাদারীপুর সদর মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

  • গৃহবধূর নগ্ন ছবি ধারণ করে লাখ টাকা দাবি মেম্বারের

    গৃহবধূর নগ্ন ছবি ধারণ করে লাখ টাকা দাবি মেম্বারের

    ঘরে আটকে রেখে গৃহবধূর নগ্ন ছবি ধারণ করে লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে এক ইউপি সদস্যকে আটক করেছে ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশ।

    গৃহবধূর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের শাসলাপিয়ালা গ্রাম থেকে অশ্বিনী কুমার বর্মণকে (৩২) আটক করে পুলিশ। তিনি ওই ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও মৃত-বিজয় কুমার বর্মণের ছেলে।

    আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশিকুর রহমান (পিপিএম-সেবা)।

    গৃহবধূর লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০ দিন আগে আউলিয়াপুর ইউনিয়নের নারায়ণ চন্দ্র বর্মণের ছেলে জীবন চন্দ্র বর্মণ (২৬) ওই গৃহবধূকে ভুল বুঝিয়ে শহরে তার এক বাড়িতে নিয়ে যায়।

    সেখানে একটি ঘরে তাকে আটকে রেখে জীবন ও অশ্বিনী কুমার তার গলায় ছুরি ধরে পরিধেয় কাপড় খুলে নগ্ন করে কিছু ছবি ধারণ করে এবং গৃহবধূর শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। এ সময় বাড়ি পাহারা দেয় একই এলাকার বিলাতু (৪০) ও রাজেন্দ্র (৪০) নামে দুই ব্যক্তি। এক সময় জীবন ও অশ্বিনী গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে গৃহবধূর চিৎকারে তারা ব্যর্থ হয়।

    পরে জীবন ও অশ্বিনী মোটরসাইকেলযোগে গৃহবধূকে তার স্বামীর বাড়ির পাশে নামিয়ে দিয়ে বলেন, তোমার স্বামীর কাছ থেকে আমাদের এক লাখ টাকা না দিলে তোমার এই ছবি আমরা ইন্টারনেটে ছেড়ে দেব। লোকলজ্জার ভয়ে ওই গৃহবধূ তার স্বামীকেও এ ঘটনা জানায়নি।

    গত ২৫ আগস্ট বিকেলে গৃহবধূর স্বামীর অনুপস্থিতিতে তার বাসায় প্রবেশ করে ইউপি সদস্য অশ্বিনী কুমার ফের তার কাছে অশ্লীল ছবির বিনিময়ে এক লাখ টাকা দাবি করেন। এ সময় সেই গৃহবধূ ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তাৎক্ষণিক সেই ইউপি সদস্য অশ্বিনী কুমারকে তার স্বামীর গচ্ছিত ২০ হাজার টাকা দেয়। অশ্বিনী কুমার টাকা হাতে নিয়ে আগামী দুই দিনের মধ্যে বাকি আশি হাজার টাকা না দিলে এবং তার সাথে দৈহিক সম্পর্ক না করলে অশ্লীল ছবিগুলো ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে চলে যান।

    এ ঘটনায় বিচলিত হয়ে ওই গৃহবধূ সমস্ত ঘটনা তার স্বামীকে জানান। পরে তার স্বামী বিষয়টি এলাকার চেয়ারম্যান-মেম্বারদের জানালে একটি সালিশ বৈঠক হয়। সেখানে অভিযুক্তরা তাদের অপকর্মের কথা স্বীকার করে আবারও হুমকি দিয়ে বলে আমরা এটা ইন্টারনেটে ছেড়ে দেব, তোমাদের কিছু করার থাকলে কর।

    পরে উপায় না পেয়ে ওই গৃহবধূ ন্যায় বিচারের আশায় চারজনের নাম উল্লেখ করে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর থানার ওসি আশিকুর রহমান জানান, গৃহবধূর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে অশ্বিনী নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষী হলে আদালত ব্যবস্থা নেবেন।

  • বরগুনায় শতাধিক কিশোরকে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিলো পুলিশ

    বরগুনায় শতাধিক কিশোরকে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিলো পুলিশ

    বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাতে বখাটেদের উৎপাত ও স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের আড্ডা বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে এ পর্যন্ত শতাধিক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।

    গত এক সপ্তাহ ধরে চলমান এ অভিযানে প্রায় শতাধিক কিশোর আটক করে মুচলেখা আদায় করে তাদের অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।

    পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে প্রতিদিন রাত ৮টা থেকে তিন ঘণ্টা করে এ অভিযান চলছে। উপজেলার সব কয়টি ইউনিয়নসহ পৌর শহরের নতুন বাজার ব্রিজ, তালতলাবাস টার্মিনাল, স্টেডিয়াম এলাকা, কলেজ এলাকা, পাইকপাড়া, নতুন বাজার, বড় বাজার, ও শহরের বিভিন্ন ওলি-গলিতে এই অভিযান চালায় পুলিশ।

    কিশোর গ্যাং, মাদক ও কিশোর অপরাধ প্রতিরোধ করা ও শিক্ষার্থীদের সন্ধ্যার পর পড়ার টেবিলে রাখার জন্যই এ অভিযান পরিচালনা করা হয় বলেও জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

    অভিযান অব্যহত থাকবে জানিয়ে ওসি বলেন, অভিযানে কিশোরদেরকে আটকের পর অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ছাড়া নিয়মিত সব স্কুলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত কাউন্সিলিং করা হচ্ছে।

  • পুলিশকে সহজ শর্তে ঋণ দেবে ‘কমিউনিটি ব্যাংক’

    পুলিশকে সহজ শর্তে ঋণ দেবে ‘কমিউনিটি ব্যাংক’

    চালু হচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের মালিকানাধীন ‘কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (সিবিবিএল)’। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে ব্যাংকটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

    ব্যাংকটি পুলিশের অর্থায়নে গঠিত। তাই সুযোগ-সুবিধা দেয়ার ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। সহজ শর্তে গৃহঋণসহ অন্য ঋণ দেয়া হবে। এছাড়া বিশেষ ধরনের আমানত ও ঋণ পণ্য চালু করবে। থাকবে আকর্ষণীয় সব অফার।

    মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মশিউহুল হক চৌধুরী।

    কমিউনিটি ব্যাংকের এমডি বলেন, ব্যাংকটির মালিকানায় রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্ট। এ ব্যাংকের যে মুনাফা হবে তার বেশিরভাগ ব্যয় করা হবে পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে। অর্থাৎ তাদের চিকিৎসা, সন্তানদের শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে।

    তিনি বলেন, এখানে ব্যাংকিং সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়ার ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। তাদের সহজ শর্তে গৃহঋণ দেয়া হবে। সদস্যদের সক্ষমতা অনুযায়ী ঋণ পাবেন। এছাড়া অন্য ঋণও সহজ শর্তে দেয়া হবে। পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের জন্য বিশেষ ধরনের আমানত ও ঋণ পণ্য চালু করা হবে। যেখানে অন্য ব্যাংকের চেয়ে তারা বেশি সুবিধা পাবেন।

    এমডি মশিউহুল হক চৌধুরী বলেন, ইতিমধ্যে ব্যাংকের প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগসহ টেকনিক্যাল সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। বুধবার সকাল ৯টায় রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স অডিটোরিয়ামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ব্যাংকটির উদ্বোধন করবেন। এরপর থেকেই ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী যদি ইচ্ছা পোষণ করেন তাহলে তার হিসাব খোলার (অ্যাকাউন্ট) মাধ্যমে ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু করা হবে বলেও জানান তিনি।

    নতুন এ ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, যেহেতু কমিউনিটি ব্যাংক একটি তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাংক। তাই এখানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে শুরু করে শিল্পপ্রতিষ্ঠান সবাইকে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা দেয়া হবে। এখানে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবেন। কমিউনিটি ব্যাংক গ্রহককে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সর্বোত্তম সেবা প্রদান করবে বলে জানান তিনি।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয় হবে রাজধানীর গুলশান-১ নম্বরে হাতিরঝিল সংলগ্ন পুলিশ প্লাজায়। এ ছাড়া প্রিন্সিপাল শাখাসহ মোট ছয়টি শাখা দিয়ে প্রথমে এ ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে শাখা বাড়ানো হবে।

    জানা গেছে, বিদ্যমান ব্যাংকগুলোকে পুলিশ, সাংবাদিক ও অ্যাডভোকেটদের ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে অলিখিত বিধিনিষেধ রয়েছে। ফলে নিচের পদের পুলিশ সদস্যরা ব্যাংক ঋণ নিতে চাইলেও পান না। তবে এখন পুলিশের ঋণের চাহিদা সহজ শর্তে পূরণ করবে কমিউনিটি ব্যাংক।

    এদিকে ২০১৮ সালে রাজনৈতিক বিবেচনায় পুলিশ বাহিনীকে ‘কমিউনিটি ব্যাংক অব বাংলাদেশ’ দেয়া হয়। ওই বছর নভেম্বরে ব্যাংকটিকে তফসিলি ব্যাংক হিসেবে তালিকাভুক্ত করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে সরকারি-বেসরকারি মিলে দেশে তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৯টিতে।

    আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের টানা তিন মেয়াদে ১৩টি নতুন ব্যাংক অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে দেশি ও প্রবাসী উদ্যোক্তারা ১১টি এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) একটি ব্যাংক (সীমান্ত ব্যাংক) পেয়েছে। সর্বশেষ পেল পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের মালিকানায় কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ।

    গত বছরের মার্চে ব্যাংকটির অনুমোদন চেয়ে পুলিশ সদর দফতরের কল্যাণ ট্রাস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করে। পরে ২৮ আগস্ট ‘কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ’ নামে পুলিশকে ব্যাংকের অনুমোদন দিতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ২৯ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় কমিউনিটি ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

    এর আগে, বাংলাদেশ পুলিশ বাণিজ্যিকভাবে এ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে ২০১৭ সাল থেকে কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে মূলধনের ৪০০ কোটি টাকা সংগ্রহ শুরু করে। পুলিশ সদস্যদের কাছ থেকে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে মূলধন সংগ্রহ শেষ হয়। গুলশানে পুলিশ প্লাজা কনকর্ডে করা হয়েছে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়। মিডল্যান্ড ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি মশিউহুল হক চৌধুরীকে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

    কমিউনিটি ব্যাংকের মাধ্যমে সারা দেশে পুলিশ সদস্যদের বেতন দেয়া হবে। আপাতত পুলিশ সদস্যরাই হবেন এ ব্যাংকের শেয়ার হোল্ডার। এর লভ্যাংশ যাবে পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অ্যাকাউন্টে। ট্রাস্টের মাধ্যমে ওই টাকা ব্যয় হবে পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে। ব্যাংক লাভজনক হলে তিন বছর পর মূলধন জোগানের ওপর প্রত্যেকে নির্ধারিত হারে লভ্যাংশ পাবেন। এ ছাড়া পুলিশ সদস্যদের জমি ক্রয়, বাড়ি নির্মাণ, ব্যবসা উদ্যোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    ব্যাংকের মাধ্যমে পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের আয় বাড়লে সদস্য ও তাদের পরিবারের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা বর্তমানের চেয়ে বাড়ানো হবে। সদস্যরা অবসর সুবিধা, সন্তানের শিক্ষাবৃত্তি, কারিগরি শিক্ষাবৃত্তি, ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনসহ বিভিন্ন সুবিধা পাবেন এ ব্যাংকের মাধ্যমে। অন্য অনেক সংস্থার মতো পুলিশের নিজস্ব ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর সঠিক ও স্বচ্ছ লেনদেনের কারণে জনগণের মধ্যে পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে বলেও মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

    উল্লেখ, পুলিশ সদস্যদের জন্য একটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে প্রস্তাবনা দেন পুলিশের তৎকালীন আইজি একেএম শহীদুল হক। প্রধানমন্ত্রী তখন বলেছিলেন, মূলধনের টাকা জোগাড় করতে পারলে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এরপরই ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য মূলধন সরবরাহের কাজ শুরু করে পুলিশ সদর দফতর। পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে প্রায় এক লাখ ৬৬ হাজার পুলিশ সদস্যদের কাছ থেকে এ টাকা সংগ্রহ করা হয়।

  • পটুয়াখালীতে আদালতের নকল সীল বানিয়ে ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা

    পটুয়াখালীতে আদালতের নকল সীল বানিয়ে ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা

    অনলাইন ডেস্ক  ::

    পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় থানা পুলিশ ও আদালত পাড়ায় গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী দালাল চক্র। এরা আর্থিকভাবে লাভবান হতে নিরীহ সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে সর্বশান্ত করার পাশাপাশি ভুয়া গ্রেফতারী পরোয়ানা মূলে গ্রেফতা করিয়ে কারাগারে বন্দি করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    এমনকি পুলিশের হাতে আটক কিংবা গ্রেফতারকৃত আসামীকে আইনি সহায়তা প্রদানের নামে এরা সর্বশান্ত করে ফেলছে। এর নেপথ্যে রয়েছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। কারাগারেও এদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত। এরা আসামী গ্রেফতারের পর চালান মূলে আদালতে হস্তান্তর হয়ে কারাগারে প্রেরণের পূর্বে জামিন করিয়ে দেয়ার কথা বলে প্রভাবিত করে কৌশলে নির্দিষ্ট ল’চেম্বারের ওকালত নামায় স্বাক্ষর রেখে আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছে।

    আর এতে সহায়তা করছে দু’একটি ল’চেম্বারের সহকারী, থানা, কারাগার ও আদালত পাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে কর্তব্যরত কতিপয় পুলিশ সদস্য।

    নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, মুন্সীগঞ্জ জেলার দক্ষিন চরমুশুরী গ্রামের ফকিরা কান্দা এলাকার আবুল মৃধার পুত্র শাহেদ আলী তার জীবদ্দশায় কলাপাড়া আসেনি। অথচ ২২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে প্রতারনা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের একটি মামলায় নিজ বাড়ী থেকে ১০ আগষ্ট গ্রেফতার হয়ে ১৭দিন মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে হাজতবাস করতে হয় তাকে। পরিবারের সদস্যরা ধার-দেনা করে তার মামলা খূুঁজতে গিয়ে জানতে পারে কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের (সি.আর-২৮০/২০১৯) মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানা মূলে মুন্সীগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে আটক করে।

    এরপর জামিন নিতে আইনজীবির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আদালতে দরখাস্ত করে তার পরিবারের সদস্যরা। বিজ্ঞ আদালতে মামলার নথি উপস্থাপনের পর তারা জানতে পারে আসামীর কলামে শাহেদ আলী’র নাম নেই এবং মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। গ্রেফতার কিংবা সমন কিছুই আদালত ইস্যু করেনি। এরপর বিজ্ঞ আদালত গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যুর স্মারক নম্বর, রেজিষ্ট্রার ও পরোয়ানায় ব্যবহৃত সীল-মোহর যাচাই করে মামলার দায় থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়ায় বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয় শাহেদ আলী।

    কারাগার থেকে মুক্তির পর এখন একটাই তার জিজ্ঞাসা এর কি কোন প্রতিকার নেই? একই মামলায় আদালতের সীল-মোহর, পরোয়ানা ইস্যুর স্মারক নম্বর জাল জালিয়াতি করে মুন্সীগঞ্জ জেলার দক্ষিন চরমুশুরী গ্রামের ফকির কান্দা এলাকার লাল মিয়ার পুত্র মহসিন, অলি হাওলাদারের পুত্র অলু এবং আলী মিয়া’র পুত্র মাসুমের নামে অপর ৩টি পৃথক গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যু করা হয়েছে মুন্সীগঞ্জ থানায়। পুলিশী অভিযানে তারা এখনও পালিয়ে বেড়াচ্ছে। ভুক্তভোগী শাহেদ আলী’র মত তারাও মুক্তি চায় এই হয়রানী থেকে।

    সূত্রটি আরও জানায়, কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে স্থানীয় একটি ব্রীক ফিল্ডের শ্রমিক সর্দার হিসেবে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার আটুলিয়া ইউনিয়নের বিরালক্ষী গ্রামের শামসুর রহমান’র পুত্র জাহাঙ্গীর হোসেন গত ২৪ এপ্রিল ২০১৯ তার নিজ জেলার ৪৯জন শ্রমিক’র বিরুদ্ধে ২২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করে।

    বিজ্ঞ আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য ওসি কলাপাড়ায় প্রেরণ করেন, যা এখনও তদন্তাধীন রয়েছে। অথচ এ মামলায় হাজত বাস করতে হয়েছে শাহেদ আলীকে এবং এখনও পালিয়ে বেড়াচ্ছে মাসুম, অলু এবং মহসিন।

    এদিকে এক ল’চেম্বার সহকারীর গোপন চিরকুট সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর জেলার দক্ষিণ মতলব থানার পূর্ববাড়ী গাঁও ও পাঁচ গুড়িয়া গ্রামের গৌরাঙ্গ চন্দ্র, পিতা-মৃত জিনেস চন্দ্র, গোবিন্দ চন্দ্র, পিতা-গৌরাঙ্গ চন্দ্র, শাহ আলম, পিতা-সিরাজ উদ্দীন, গাফ্ফার, পিতা- সামাদ মিয়া এদেরকে যেকোন মামলায় আসামী দেয়ার কন্ট্রাক্ট নিয়েছেন তিনি।

    এভাবে আসামীর তালিকায় অন্তর্ভূক্তির জন্য জনপ্রতি ২ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সুবিধা নিয়ে নিরপরাধ মানুষকে মামলায় জড়িয়ে হয়রানী করছে এ চক্রটি। টাকার পরিমান ২০ থেকে ৫০ হাজার হলে ধর্ষণ, ডাকাতির মত জামিন অযোগ্য ধারার মামলায় আসামী অন্তর্ভূক্তির কন্ট্রাক্ট নেয় চক্রটি।

    কলাপাড়া জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো: ফেরদৌস জানান, ভুয়া পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত মুন্সীগঞ্জের আসামীকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। অপর ৩টি ভুয়া পরোয়ানার বিষয়ে কিছুই করা হয়নি। আদালত থেকে কোন পরোয়ানা সংশ্লিষ্ট মামলায় ইস্যু করা হয়নি বলে জানান তিনি।

    পটুয়াখালী গোয়েন্দা বিভাগের ওসি মো: জাকির হোসেন জানান, কোন পোষ্ট অফিস ব্যবহার করে ভুয়া পরোয়ানা ইস্যু করা হয়েছে? মুন্সীগঞ্জ থানা এটি কিভাবে পেলো? ভুক্তভোগীর নিযুক্তীয় কৌশুলী বিজ্ঞ আদালতে দরখাস্ত দাখিল করে এর প্রতিকার চাইতে পারে। এছাড়া সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে এটি তদন্ত করা যেতে পারে।

  • বিকাশে প্রতারণা করে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিলেন তারা

    বিকাশে প্রতারণা করে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিলেন তারা

    অনলাইন ডেস্ক ::

    ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মিয়াপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে বিকাশ প্রতারণা চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৮। এ সময় প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত মোবাইল, সিমকার্ড এবং ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

    মঙ্গলবার দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন ফরিদপুর র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর শেখ নাজমুল আরেফিন পরাগ।

    মেজর শেখ নাজমুল আরেফিন পরাগ বলেন, একটি চক্র প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে এমন অভিযোগ আসে র‌্যাব ক্যাম্পে। এ বিষয়ে ফরিদপুর র্যাব ক্যাম্প গোয়েন্দা তথ্যসংগ্রহ ও ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য গভীর অনুসন্ধান চালায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিতের পর র্যাবের একটি বিশেষ দল মঙ্গলবার ভোরে ভাঙ্গা উপজেলার মিয়াপাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বিকাশের মাধ্যমে প্রতারণা চক্রের সক্রিয় সদস্য মো. রুবেল মাতব্বর (৩০), মো. ঠান্ডু শেখ (২৮), মো. কামাল হাওলাদার (৩১), সামাদ মাতব্বর (২৬) ও মো. ইমরান খানকে (১৯) গ্রেফতার করে র্যাব। এদের সবার বাড়ি ভাঙ্গা উপজেলার মিয়া পাড়া গ্রামে।

    তিনি আরও বলেন, বিকাশ প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ১৬টি মোবাইল, ৪৬টি সিমকার্ড, নয় পিস ইয়াবা এবং ১ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে জনসাধারণের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে স্বীকার করেছে তারা। তাদের বিরুদ্ধে ভাঙ্গা থানায় মামলা করা হয়েছে।

  • ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট ও সাংবাদিকসহ গ্রেফতার ৭

    ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট ও সাংবাদিকসহ গ্রেফতার ৭

    অনলাইন ডেস্ক ::

    মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট ও ভুয়া সাংবাদিকসহ সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার নাগেরহাট বাজার থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো চ ১৫-১৬৯৮) জব্দ করা হয়েছে।

    আটকরা হলেন ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট মো. লোকমান হোসেন (৫৮), কথিত সাংবাদিক নাজমুল হক (৩৬), সুমন শেখ (২২), মো. রাজ্জাক (৪০), শহিদুল ইসলাম সোহেল (৩৫), ক্যামেরাম্যান মো. কবির (৪২) ও গাড়িচালক মো. কবীর হোসেন (২৮)।

    এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই পুলিশ বাদী হয়ে লৌহজং থানায় তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে।

    মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেফতার প্রত্যেকের ৫ দিন করে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। তবে রিমান্ড শুনানি না হওয়ায় বিকেলে তাদের মুন্সীগঞ্জ জলো কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    নাগেরহাট বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, ওই সাতজন একটি মাইক্রোবাসে করে এসে বাজারের কয়েকটি মিষ্টির দোকানে ভেজালবিরোধী অভিযান চালায়। এ সময় তারা মিষ্টিতে ভেজাল আছে বলে দোকান মালিকদেরকে জেল-জরিমানার ভয় দেখায়। দোকানিদের সন্দেহ হলে তারা বাজারের লোকজনকে জড়ো করে। অবস্থা বেগতিক দেখে ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট ও সাংবাদিকরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে দোকানদাররা তাদের আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের আটক করে।

    লৌহজং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসাইন একজন ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট ও কয়েকজন ভুয়া সাংবাদিকসহ সাতজনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।