Category: প্রশাসন

  • বরিশালে মাদক নিয়ে ভয়ংকর ‘আব্বা গ্রুপের’ সদস্যসহ আটক ২

    বরিশালে মাদক নিয়ে ভয়ংকর ‘আব্বা গ্রুপের’ সদস্যসহ আটক ২

    বরিশাল নগরীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ভয়ংকর ‘আব্বা গ্রুপের’ সদস্যসহ ২ জনকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

    বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে ডিবি পুলিশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা শাখার এসআই মো. মহিউদ্দিন তার সঙ্গীয় ফোর্সসহ নগরের সদর রোডের উত্তরা ব্যাংক সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায়।

    অভিযানে আব্বা গ্রুপের সদস্য মো. মিজানুর রহমান মিজান ওরফে রুবেল খানকে (৩০) ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয়।

    আটক রুবেল নগরের কাউনিয়া থানাধীন পুলজোড় মসজিদ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা আলাউদ্দিন খানের ছেলে।

    বরিশাল নগরের সদররোড এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আব্বা গ্রুপের সদস্যরা বিভিন্ন ব্যক্তির ছত্রছায়ায় থেকে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। সম্প্রতি সময়ে বরিশাল সিটি কলেজের অধ্যক্ষর ওপর হামলার ঘটনার পর এ গ্রুপটিকে নজরদারিতে রাখতে শুরু করে প্রশাসন। অধ্যক্ষকে মারধরের মামলায় সৌরভ বালাসহ এ গ্রুপের দুই সদস্য কারাগারে রয়েছেন। আর কয়েকজন জামিনে থাকলেও বেশিরভাগ গা ঢাকা দিয়ে রয়েছেন।

    অপরদিকে একই রাতে গোয়েন্দা শাখার এসআই মো. দেলোয়ার হোসেন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার সঙ্গীয় ফোর্সসহ নগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নবগ্রাম রোডে অভিযান চালায়।

    অভিযানে মো. নূরুজ্জামান রিপনকে (৩৫) ১৫ পিস ইয়াবাসহ আটক করে। এসময় তার কাজ থেকে মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইলসেটও জব্দ করা হয়। আটক নুরুজ্জামান নবগ্রাম রোড রাজু মিয়ার পোল সংলগ্ন এলাকার মৃত আ. মতিন মিয়ার ছেলে।

  • থানায় ধর্ষকের সঙ্গে গৃহবধূর বিয়ে : ওসি এসআই প্রত্যাহার

    থানায় ধর্ষকের সঙ্গে গৃহবধূর বিয়ে : ওসি এসআই প্রত্যাহার

    পাবনায় গৃহবধূকে গণধর্ষণ এবং থানায় ধর্ষকদের একজনের সঙ্গে বিয়ে দেয়ার ঘটনায় পাবনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুল হক ও উপপরিদর্শক (এসআই) একরামুল হককে বৃহস্পতিবার প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ আরও দুইজনকে গ্রেফতার করেছে। এ নিয়ে মোট পাঁচ আসামির চারজনকে গ্রেফতার করা হলো।

    পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইবনে মিজান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে পাবনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। এর আগে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ঘটনা তদন্ত করে তাদের শোকজ করা হয়েছিল।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে মিজান জানান, এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার হোসেন আলী ও সঞ্জুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে এ মামলার অন্যতম আসামি রাসেল আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম ঘন্টুকে গ্রেফতার হয়। এর মধ্যে এ মামলার প্রধান আসামি রাসেল আহমেদ বৃহস্পতিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, গত ২৯ আগস্ট রাতে পাবনা সদর উপজেলার সাহাপুর যশোদল গ্রামের আকবর আলীর ছেলে রাসেল আহমেদ চার সহযোগীকে নিয়ে একই গ্রামের এক গৃহবধূকে কৌশলে অপহরণ করে নিয়ে যান। টানা চারদিন অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে পালাক্রমে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে তারা। পরে নির্যাতিতা ওই গৃহবধূ কৌশলে পালিয়ে স্বজনদের বিষয়টি জানালে তারা গত ৫ সেপ্টেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। মেডিকেল পরীক্ষায় গণধর্ষণের আলামতও মেলে। পরে ওই গৃহবধূ নিজেই বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ রাসেলকে আটক করে। মামলা নথিভুক্ত না করে স্থানীয় একটি চক্রের মধ্যস্থতায় পূর্বের স্বামীকে তালাক ও অভিযুক্ত রাসেলের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে ঘটনা মীমাংসা করে দেন কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা।

    এ ব্যাপারে রোববার বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর জেলা পুলিশে তোলপাড় শুরু হয়। এ নিয়ে ওসি ওবায়দুল হককে কারণ দর্শাতে বলা হয়। এছাড়াও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পরে থানায় মামলা নেয়া হয়। ঘটনা তদন্তের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে পুলিশ।

  • ব‌রিশাল নগরে ইয়াবা কারবারি গ্রেফতার

    ব‌রিশাল নগরে ইয়াবা কারবারি গ্রেফতার

    বরিশাল নগরীতে অভিযান চালিয়ে ৪৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজনকে আটক করেছে থানা পু‌লিশ। মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বার ) রাতে নগরীর ভাটিখানা এলাকার মীরা বাড়ি গলি থেকে আটক করে কাউ‌নিয়া থানা পু‌লিশ।

    আটককৃত জামিল হাসান (৩৩) ওই এলাকার বাসিন্দা মো. আহসান হাবিবের ছেলে। কাউনিয়া থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, আটককৃতের বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    পাশাপাশি ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আজ বুধবার তাকে আদালতের কাছে সোপর্দ করা হয়। পরে বিচারক তাকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দিয়েছেন।

  • ৫ বছর ধরে ছাত্রীকে ধর্ষণ শিক্ষকের, বৃদ্ধের ধর্ষণে শিশু রক্তাক্ত

    ৫ বছর ধরে ছাত্রীকে ধর্ষণ শিক্ষকের, বৃদ্ধের ধর্ষণে শিশু রক্তাক্ত

    অনলাইন ডেস্ক ::

    পঞ্চগড়ে দুটি ধর্ষণের ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে জগদীশ চন্দ্র (৩০) নামে গৃহশিক্ষককে এবং সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আশরাফ আলী (৫৫) নামে এক রাজমিস্ত্রিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    এদের মধ্যে গৃহশিক্ষক জগদীশকে মঙ্গলবার এবং রাজমিস্ত্রি আশরাফকে বুধবার সকালে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণের শিকার শিশু ও কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

    পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, জেলা শহরের একটি মহল্লার এক ছাত্রীকে পাঁচ বছর ধরে প্রাইভেট পড়াতো গৃহশিক্ষক জগদীশ চন্দ্র (৩০)। সে পাশের জেলা ঠাকুরগাঁও এর রানীশংকৈল উপজেলার মহলবাড়ি এলাকার সুরেন চন্দ্রের ছেলে এবং পঞ্চগড় মকবুলার রহমান সরকারি কলেজে হিসাব বিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। লেখাপড়ার জন্য সে পঞ্চগড় জেলা শহরে বসবাস করতো।

    গৃহশিক্ষক জগদীশ মুসলিম হয়ে বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে সপ্তম শ্রেণি থেকে প্রাইভেট পড়ানোর আড়ালে ছাত্রীর সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। ছাত্রীর বাবা দ্বিতীয় বউ নিয়ে অন্য এলাকায় বাস করেন। ছাত্রীর মা এবং বড় ভাইসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা প্রতিদিন বাড়ির বাইরে কাজ করতে যান। এ সুযোগে ছাত্রীর সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক চালিয়ে যায় জগদীশ।

    সম্প্রতি কিশোরী বিয়ের কথা বললে টালবাহানা শুরু করে জগদীশ। ৪ সেপ্টেম্বর ওই কিশোরী দৈহিক সম্পর্কে আপত্তি জানালেও জোরপূর্বক ধর্ষণ করে জগদীশ। পরে বিষয়টি কিশোরী তার পরিবারকে জানায়। ৯ সেপ্টেম্বর রাতে জগদীশ আবারও তাকে ধর্ষণ করতে গেলে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় ছাত্রীর বড় ভাই বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।

    এদিকে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা শহরের পশ্চিম মোলানি এলাকার আশরাফ আলী নামে রাজমিস্ত্রিকে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আশরাফ শিশুটির সম্পর্কে প্রতিবেশী দাদা। প্রতিবেশী হওয়ায় শিশুটি আশরাফের বাড়িতে খেলতে যেত। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শিশুটিকে ধর্ষণ করে আশরাফ।

    পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকালে আশরাফ ওই শিশুকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। দুপুরে শিশুটির শরীরে রক্ত দেখে প্রাথমিকভাবে রক্ত আমাশয়ের ধারণা করে পরিবার। কিন্তু বিকেলে তাকে ফুসলিয়ে বাসায় নিয়ে আবারও ধর্ষণ করে আশরাফ। এ সময় চিৎকারে পরিবারের লোকজন শিশুটিকে উদ্ধার করে এবং আশরাফ আলীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে আশরাফের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন।

    সদর থানা পুলিশের ওসি আবু আক্কাছ আহমদ বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে পৃথক মামলায় অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। শিশু ও কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা ও ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।

    পঞ্চগড় জেলা পরিষদের সদস্য ও নারী নেত্রী আক্তারুন নাহার সাকী বলেন, ধর্ষণের খবর পেয়ে দুটি ঘটনায় নির্যাতিতদের সঙ্গে কথা বলেছি। ঘটনা শুনে মনে হলো সামাজিক অবক্ষয় চরম পর্যায়ে নেমেছে। এদের কঠিন সাজা হওয়া দরকার। পাশাপাশি আমাদের সামাজিক আন্দোলন শুরু করা প্রয়োজন।

  • জুতার ভেতর ২৫ লাখ, ব্যাগে ২১ লাখ টাকা!

    জুতার ভেতর ২৫ লাখ, ব্যাগে ২১ লাখ টাকা!

    অনলাইন ডেস্ক ::

    বেনাপোল-যশোর মহাসড়কের বেনাপোলের আমড়াখালী চেকপোস্ট এলাকা থেকে রাকেশ মণ্ডল (৫০) নামে ভারতীয় এক পাসপোর্ট যাত্রীর জুতার সোলের ভেতর থেকে ২৫ হাজার মার্কিন ডলারসহ অন্যান্য মালামাল উদ্ধার করেছে বিজিবি।

    গ্রেফতার রাকেশ মণ্ডল হুন্ডি পাচারকারী। বুধবার দুপুরে বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা শ্যামলী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী এসি বাসে তল্লাশি চালিয়ে এসব ডলার ও অন্যান্য মালামালসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার রাকেশ ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনার দত্তপুকুর থানার সোড়াখালী গ্রামের মৃত গোলাম মণ্ডলের ছেলে।

    যশোর ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল সেলিম রেজা বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় ভারত থেকে আসা এক যাত্রী বিপুল পরিমাণ মার্কিন ডলার ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। এ সময় বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা শ্যামলী পরিবহনের বাসটি আমড়াখালী চেকপোস্টে এলে তল্লাশি করা হয়।

    পরে বাসে থাকা রাকেশ মণ্ডল নামে এক ভারতীয় নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। সেই সঙ্গে তার পায়ে থাকা জুতার সোলের ভেতর থেকে ২৫ হাজার মার্কিন ডলার উদ্ধার করা হয়, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৫ লাখ টাকা। পাশাপাশি তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে ৩ হাজার ৭৭০ টাকা, দেড় কেজি ইমিটেশন, চারটি থ্রিপিস উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার মালামালের মূল্য ২১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৭০ টাকা। গ্রেফতার ভারতীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

    লে. কর্নেল সেলিম রেজা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাকেশ মণ্ডল জানিয়েছেন, একই পদ্ধতিতে এর আগে বহুবার ডলার পাচার করেছেন তিনি। মূলত হুন্ডি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সে।

  • হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, ৯০ হাজার টাকা জরিমানা

    হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, ৯০ হাজার টাকা জরিমানা

    অনলাইন ডেস্ক ::

    নোয়াখালীর মাইজদী হাসপাতাল রোডের তিনটি বেসরকারি হাসপাতালকে নানা অনিয়মের অভিযোগে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা ও একজনকে আটক করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    বুধবার সন্ধ্যায় জেলা শহরের নিরাময়, শমরিতা ও মডার্ন হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা ও একজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

    জেলা প্রশাসক তন্ময় দাসের নির্দেশে নোয়াখালী জেলা শহরের মাইজদি এলাকায় নিরাময় হাসপাতাল, শমরিতা হাসপাতাল ও মডার্ন হাসপাতালে অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

    এ সময় নিরাময় হাসপাতালকে ৬৫ হাজার, শমরিতা হাসপাতালকে ১০ হাজার টাকা ও মডার্ন হাসপাতালকে ১৫ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রোকনুজ্জামান খান বলেন, অভিযানের সময় হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক, নার্স না থাকা, টেকনিশিয়ান ছাড়া ল্যাব পরিচালনা, হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার অপরিচ্ছন্ন, ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ, অননুমোদিত ওষুধ বিক্রির উদ্দেশ্যে ফার্মেসিতে প্রদর্শন, হাসপাতাল-ল্যাব ও ফার্মেসি পরিচালনার লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকার দায়ে এসব হাসপাতালকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মাদকের লাইসেন্সব্যতীত পেথেডিন ও মরফিন নিজ অধিকারে সংরক্ষণ করার দায়ে নিরাময় হাসপাতাল থেকে মহিবুল্লাহ নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা হবে।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেছেন- জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিনিধি আরাফাত হোসেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহা, ড্রাগ সুপার মো. মাসুদৌজ্জামান খান ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. আনোয়ারুল হক প্রমুখ।

  • গৌরনদীতে আট জুয়ারী আটক

    গৌরনদীতে আট জুয়ারী আটক

    বরিশালের গৌরনদী উপজেলার নরসিংহলপট্টি এলাকা থেকে মঙ্গলবার বিকেলে আট জুয়ারীকে আটক করেছে পুলিশ।

    আটককৃতরা হলেন- নরসিংহলপট্টি এলাকার চিহ্নিত জুয়ারী কাইউম সরদার, জাহিদ সরদার, মাসুদ সরদার, মোর্সেদ খান, নাইম সরদার, মামুন সরদার, সাব্বির সরদার, মিলন সরদার।

    একইদিন বিকেলে আটককৃতদের গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নেয়া হলে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে তিনশত টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান।

  • পটুয়াখালীতে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

    পটুয়াখালীতে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

    পটুয়াখালী প্রতিনিধি : পটুয়াখালীতে দিনমজুর কাশেম হত্যা মামলায় মোমিন গাজী (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া দশ হাজার টাকার অর্থদণ্ড অনাদায়ে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ কে এম এনামুল করিম এ আদেশ দেন।

    জানা গেছে, ২০০৮ সালের ৩০ জানুয়ারি পটুয়াখালীর গলাচিপায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয় দিনমজুর কাশেম। পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ জানুয়ারি রাতে তিনি মারা যান।

    এ ঘটনার পরদিন ১ ফেব্রুয়ারি কাশেমের বাবা জেবল হক সরদার বাদী হয়ে মোমিন গাজীরসহ ৬ জনে নামউল্লেখ করে গলাচিপা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে গলাচিপা থানার তদন্ত কর্মকর্তা একই বছরের ৯ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে ৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস ও একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

    রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট কমল দত্ত ও আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুকুল।

  • ডিসির পর এবার ‘ওসির আপত্তিকর ভিডিও’

    ডিসির পর এবার ‘ওসির আপত্তিকর ভিডিও’

    অনলাইন ডেস্ক ::

    জামালপুরের জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নারী কেলেঙ্কারির ঘটনার পর এবার কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শামা মো. ইকবাল হায়াতের সঙ্গে এক নারীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও নিয়ে তোলপাড় চলছে। তবে ওসি আবু শামা মো. ইকবাল হায়াতের দাবি- এটি আসল ছবি নয়, কম্পিউটারে এডিট করে তার ছবির মতো করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় ওই নারী বাদী হয়ে স্থানীয় এক সাংবাদিকসহ দুইজনকে আসামি করে সোমবার রাতে কটিয়াদী মডেল থানায় জিডিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন। মামলা দায়েরের পর রাতেই মামলার প্রধান আসামি হিমেল এবং কটিয়াদী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বাংলা টিভির কটিয়াদী প্রতিনিধি সৈয়দ মুরসালিন দারাশিকোকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে রাতেই মুচলেকা নিয়ে সাংবাদিক দারাশিকোকে থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয়।

    মামলায় ওই নারী উল্লেখ করেন, তার ও কটিয়াদী মডেল থানার ওসির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে আপত্তিকর ছবিতে তাদের মুখমণ্ডল লাগানো হয়েছে। তবে মামলার এজাহারে ভিডিওর কথা উল্লেখ করা হয়নি।

    এদিকে থানার ওসির সঙ্গে ওই নারীর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা নিয়ে এলাকায় তোলপাড় চলছে। নানাজনের ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ছড়িয়ে পড়েছে এ অশ্লীল ভিডিও। এ ব্যাপারে কটিয়াদী মডেল থানার ওসি একটি জিডি করেছেন। বিষয়টি তদন্তের জন্য পুলিশ সুপারের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

    জানা গেছে, কটিয়াদী পৌর এলাকার ওই নারীর স্বামী দেশের বাইরে থাকেন। একই এলাকার হিমেল নামে এক যুবকের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। হিমেলের পরিবারের দাবি, হিমেলের কাছ থেকে ওই নারী মোটা অংকের টাকা ধার নেন। ওই নারীর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হলে হিমেল তার পাওনা টাকা আদায়ের জন্য কটিয়াদী থানা পুলিশের সাহায্য চায়। কটিয়াদী মডেল থানার ওসি আবুশামা মো. ইকবাল হায়াত ওই নারীকে থানায় ডেকে এ নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু হিমেল টাকা ফেরত পায়নি।

    তবে ওসির দাবি- থানায় বসে টাকার বিষয়টি ফায়সালা করে দেয়া হয়েছিল। এ ঘটনার কিছুদিন পর ওই নারীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেয়া হয় বিভিন্ন মাধ্যমে।

    এ ঘটনায় ওই নারী গত ৯ সেপ্টেম্বর রাতে কটিয়াদী মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। মামলায় কটিয়াদী পৌর এলাকার আসাদ মিয়ার ছেলে হিমেল ও সৈয়দ সামছুদ্দোহার ছেলে কটিয়াদী প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মুরছালিন দারাশিকোর নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামি করা হয়।

    মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে হিমেলের সঙ্গে ওই নারীর সম্পর্ক গড়ে উঠে। ২০১৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত হিমেলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। হিমেল গোপনে তার মোবাইল ফোন থেকে স্বামীর সঙ্গে মেলামেশার কয়েকটি ছবি নিজের মোবাইলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে সম্পর্ক করতে রাজি না হওয়ায় ২০১৭ সালের শেষের দিকে সাংবাদিক দারাশিকোর সহযোগিতায় হিমেল তার নগ্ন ছবি বিভিন্ন মোবাইলে দিয়ে ভাইরাল করে দেয়।

    গত ২৯ আগস্ট হিমেল তার মোবাইলের ইমু আইডি থেকে ওই নারীর এক দেবরের মোবাইলে এক পুরুষের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দুটি ছবি পাঠায়। ওই নারীর দাবি ছবির মুখমণ্ডল তার হলেও শরীর অন্য কারও। এতে বলা হয়, গত ৯ সেপ্টেম্বর প্রিয়া সুলতানা নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে আমাকেসহ ওসি সাহেবের নামে বিভিন্ন অপবাদ ছড়ানো হয়। আসামিরা আমার ছবি বিকৃত করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন ও আমার মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে। ওসি সাহেব একজন সরকারি কর্মচারী হওয়ায় তার সুনামও ক্ষুণ্ন করেছে।’

    এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শামা মো. ইকবাল হায়াত জানান, এ ঘটনায় একজন নারী বাদী হয়ে দুইজনের নামে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ মামলার প্রধান আসামি হিমেলকে গ্রেফতার করেছে। তাকে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করে মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    তিনি বলেন, হিমেলের সঙ্গে ওই নারীর দুই বছর সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক খারাপ হয়ে যাওয়ায় সে তার ছবি বিকৃত করে ছড়িয়েছে।

    ওই নারীর সঙ্গে থাকা পুরুষের ছবিটি তার নয় উল্লেখ করে ওসি বলেন, আমাকে এসবের সঙ্গে কেন জাড়ানো হচ্ছে। এর পেছনে কারা কাজ করছে সেটি তদন্তের পরই জানা যাবে।

    মামলার দ্বিতীয় আসামি সাংবাদিক সৈয়দ মুরছালিন দারাশিকোকে রাতে বাড়ি থেকে আটক করে এনে আবার থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হলো কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি আবু শামা মো. ইকবাল হায়াত বলেন, আসলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কোনো আসামি অপরাধের সঙ্গে জড়িত কি-না সেটা নিশ্চিত হয়েই তাকে গ্রেফতার করতে হয়। সাংবাদিক দারাশিকোকে গ্রেফতার করা হয়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

    এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ বলেন, এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। তদন্তের পর দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে যেহেতু ওসির বিষয় নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা আছে তাই বিষয়টি তদন্তের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে (ক্রাইম) তিনদিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • ঝালকাঠিতে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ, যুবকের ১৪ বছর কারাদণ্ড

    ঝালকাঠিতে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ, যুবকের ১৪ বছর কারাদণ্ড

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি ::

    ঝালকাঠিতে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের দায়ে শেখ খালেদ মোর্শেদ (২৯) নামে এক যুবককে ১৪ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

    আজ বুধবার দুপুরে ঝালকাঠির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক শেখ মো: তোফায়েল হাসান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

    তিনি বরিশাল শহরের আলেকান্দা এলাকার ‘করিম কুটির’ বাড়ির মালিক ইফতেখার রসুলের ছেলে।

    মামলার বিবরণে জনা যায়, ২০১২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি শহরের লঞ্চঘাট এলাকার নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বাসার সামনে থেকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যান শেখ খালেদ মোর্শেদ। ওই ছাত্রীকে বরিশালের একটি বাসায় সাতদিন আটকে রাখেন তিনি। পরে তাকে নিয়ে ঢাকা যাওয়ার পথে বরিশাল লঞ্চঘাট এলাকা থেকে ছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় অপহরণকারী পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ছাত্রীর ভাই বাদী হয়ে ওই বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি ঝালকাঠি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

    ঝালকাঠি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম মোস্তফা ৩১ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত নয়জন সাক্ষির সাক্ষ্যগ্রহণ করে রায় ঘোষণা করেন।

    রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি এম আলম খান কামাল ও আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট মঞ্জুর হোসেন।