Category: ফুটবল

  • জার্মানি, আর্জেন্টিনার পর ব্রাজিলকেও বিদায় করল ‘অভিশপ্ত কাজান’

    জার্মানি, আর্জেন্টিনার পর ব্রাজিলকেও বিদায় করল ‘অভিশপ্ত কাজান’

    কাজান এরেনাকে বিশ্বকাপের ফেবারিটরা ‘অভিশপ্ত’ হিসেবে আখ্যায়িত করতে পারে এবার। একের পর এক দর্শক নন্দিত এবং জায়ান্ট ফুটবল দলগুলোর বিদায় করার জন্য বিশ্বকাপের শুরু থেকে পণ করে নিয়েছে রাশিয়ার অন্যতম এই ভেন্যুটি। না হয়, এখানে এসেই কেন একের পর এক জায়ান্টরা হোঁচট খাবে?

    প্রথমে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন জার্মানি, এরপর বিশ্বকাপে সবচেয়ে দর্শক নন্দিত এবং বিশ্ব সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা এবং সর্বশেষ নেইমারের ব্রাজিলকে বিদায় করলো এই কাজান এরেনা।

    রাশিয়া বিশ্বকাপ ‘অঘটনে’র এটা শুরু থেকেই। বড় দলগুলো যেভাবে একের পর এক হোঁচট খেতে শুরু করেছিল, তাতে এই বিশ্বকাপের ভাগ্যে কী লেখা, সেটা কেউ বলতে পারছিল না। গ্রুপ পর্বের শেষ দিকে এসে কোনো না কোনোভাবে ফেবারিটরা উঠে আসছিল। যে কারণে, প্রথম ম্যাচ হারলেও ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন জার্মানির আশা ছিল দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠবে তারা।

    কিন্তু কাজান এরেনায় সব উল্টে গেলো। জার্মানি গোল বের করা তো দুরে থাক, দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে উল্টো দুটো গোল খেয়ে গেলো। ১৯৩৮ সালে সর্বশেষ প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিয়েছিল জার্মানি। ৮০ বছরের ঐতিহ্য ভেঙে দক্ষিণ কোরিয়ার মত দলের কাছে হেরে বিদায় নিতে হলো জার্মানদের। অথচ, এই কোরিয়ার সঙ্গে ২০ ম্যাচ খেললে, ২০টিতেই জিতবে জার্মানি।

    ‘বলি’ দেয়ার জন্য কাজান এরেনার অপেক্ষা যেন আরও বেড়ে গেলো। দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম ম্যাচটিই কাজান এরেনায়। মুখোমুখি আর্জেন্টিনা এবং ফ্রান্স। দুটিই ফেবারিট দল। নিশ্চিতভাবেই একটি দলকে বিদায় নিতে হবে। দুটিকে তো আর বিদায় করা যায় না। যে কারণে সবচেয়ে ফেবারিট আর সমর্থকপুষ্ট দল আর্জেন্টিনাকে বেছে নিল কাজান। হারিয়ে দিলো ৪-৩ গোলের ব্যবধানে।

    কাজান এরেনার আশে-পাশে প্রতিটি বাড়ির দেয়ালে ম্যুরাল বা প্রতিকৃতি আঁকা হয়েছিল বিখ্যাত ফুটবলারদের। সেখানে সবচেয়ে বেশি শোভা পাচ্ছিল জার্মানি আর আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের ছবি। মেসি, ক্রুস, মুলারদের। সঙ্গে ছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোরও।

    রোনালদোর পর্তুগালের খেলা কাজান এরেনায় না থাকলেও, সেই ম্যুরালই যেন অভিশপ্ত হয়ে উঠলো। দ্বিতীয় রাউন্ডেই বিদায় করে দিলো রোনালদোকে। বিদায় নিলো পর্তুগাল। মেসির সঙ্গে বিদায় নিলেন রোনালদোও।

    বিশ্বসেরা তারকাদের মধ্যে মেসি-রোনালদো ব্যর্থ। বাকি ছিলেন নেইমার। তিনি ব্রাজিলকে ফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে যাবেন। জিতবেন শিরোপা। ব্রাজিলকে উপহার দেবেন হেক্সা। কিন্তু কি দুর্ভাগ্য, কোয়ার্টার ফাইনালে নেইমারদের খেলা পড়লো অভিশপ্ত কাজানেই। যে ভেন্যুটি ফেবারিটের বিদায় ঘটাতেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে।

    jagonews24ধারা অক্ষুণ্ন রাখলো কাজান এরেনা। ফেবারিটকে টিকতে দিলো না। বেলজিয়ামের কাছে ব্রাজিলকে হারিয়ে দিলো ২-১ গোলের ব্যবধানে। ব্রাজিল এতগুলো গোলের সুযোগ পেলো। তার অর্ধেক হলো, কমকরে ৫টা গোল হয়। শুরুতেই বল বারে লেগে ফিরে আসা, পওলিনহো ফাঁকা পোস্ট পেয়েও শট করতে না পারা, কৌতিনহো, ফিরমিনো, হেসুসরা ফাঁকা পেয়েও সঠিকভাবে শট নিতে না পারা, এগুলো সবই দুর্ভাগ্যের ফসল। হয়তো বা অভিশপ্ত কজান এরেনারও কোনো কারসাজি!

    শেষ পর্যন্ত জার্মানি, আর্জেন্টিনার মত ট্র্যাজেডির শিকার হয়েই হেক্সা মিশনের সমাপ্তি টেনে দিতে হলো তিতের ব্রাজিলকে। নেইমারকেও পথ ধরতে হলো মেসি-মুলার-আগুয়েরোদের মত। অভিশপ্ত কাজান এরেনায় এবারের বিশ্বকাপের আর কোনো ম্যাচ নেই। না হয়, এরপর কোন জায়ান্টকে বধ করতো, সেটাই ছিল দেখার।

  • ম্যারাডোনাকে কড়া জবাব ফিফার

    ম্যারাডোনাকে কড়া জবাব ফিফার

    রাশিয়া বিশ্বকাপের উন্মাদনায় ভাসছে ফুটবল জগত। এরইমধ্যে শেষ আট নিশ্চিত করেছে দলগুলো। প্রতি ম্যাচেই চলছে তীব্র প্রতিযোগিতা। তবে কিছু বিষয় জন্ম দিয়ে বিতর্কের। যার মধ্যে নক আউট পর্বের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের পাওয়া পেনাল্টিকে পুরোপুরি অযৌক্তিক বলে দাবি করেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার ডিয়েগো ম্যারাডোনা।

    টেলেসুরকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ম্যারাডোনা বলেন, ‘রেফারির পেনাল্টি আদেশ সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে। এটি পেনাল্টি ছিল না। নিজের ভুলেই পড়ে গেছেন হ্যারি কেন। কলম্বিয়া আপিল করা সত্ত্বেও রেফারি কেন ভিএআর ব্যবহার করেননি তা আমার বোধগম্য হচ্ছে না। এ রকম পরিস্থিতিতে সঠিক সিদ্ধান্তের জন্যই ভিএআর প্রযুক্তির সংযোজন ঘটেছে বিশ্বকাপে। কিন্তু রেফারি এড়িয়ে গেলেন। এ ধরনের ঘটনা দেখার পর চুপ থাকলে চলবে না। প্রতিবাদ করতে হবে।’

    এদিকে এ ঘটনার পর আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ম্যারাডোনাকে জবাব দিয়েছে ফিফা। জানিয়েছে, ‘কলম্বিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচটি ছিল খুবই কঠিন ও আবেগপূর্ণ। এমন ম্যাচে রেফারির পারফমেন্স নিয়ে সমালোচনা করা পুরোপুরি অমূলক ও বাহুল্য। যেখানে ফিফা সর্বাত্মক চেষ্টা করছে বিশ্বকাপটি সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে আয়োজন করতে, সেখানে ম্যারাডোনার মতো ইতিহাস সৃষ্টিকারী একজন খেলোয়াড়ের এমন মন্তব্য সত্যিই হতাশাজনক।’

  • হলুদ কার্ডের জেরে ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’ বঞ্চিত ৪ ফুটবলার

    হলুদ কার্ডের জেরে ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’ বঞ্চিত ৪ ফুটবলার

    ফিফার নতুন নিয়ম অনুযায়ী কোয়ার্টার ফাইনালের আগে দুটি হলুদ কার্ড  দেখলে ঠিক পরের ম্যাচে বাইরে বসে থাকতে হবে খেলোয়াড়কে। যার ফলে রাশিয়া বিশ্বকাপে শেষ ষোলো রাউন্ড পর্যন্ত যারা দুটি হলুদ কার্ড দেখে ফেলেছেন তারা কোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে পারবেন না।

    বেলজিয়ামের বিপক্ষে ব্রাজিলের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে আজ কাসেমিরো কেবলই দর্শক। চার ম্যাচে দুই হলুদ কার্ড নিয়ে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পোহাচ্ছেন কাসেমিরো। শেষ ষোলো রাউন্ডে মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখার কারণে খড়গ নামে তার উপর।

    আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখার কারণে কোয়ার্টার ফাইনালে নিষেধাজ্ঞা পোহাচ্ছেন ফরাসি ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ব্লেইস মাতুইদি। আজ ফ্রান্স একাদশে তার পরিবর্তে জায়গা নিতে পারেন উইংগার নাবিল ফেকির।

    ক্রোয়েশিয়ার মার্সেলো ব্রোজোভিচও দুই হলুদ কার্ড  দেখার কারণে আজ রাশিয়ার বিপক্ষে দর্শক হয়ে থাকছেন ব্রজোভিচও। তার জায়গায় আজ একাদশে আসতে পারেন মিলান বাদেল বা মাতেও কোভাচিচের একজন।

    সুইডেনের কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত যাওয়ার পেছনে রাইটব্যাক মিকায়েল লাসতিগের অবদান পরিষ্কার। দুই হলুদ কার্ডের কারণে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে পারছেন না লাসতিগও।

  • ম্যারাডোনা বলছেন ব্রাজিল

    ম্যারাডোনা বলছেন ব্রাজিল

    প্রতিবেশী দেশের ফুটবল সমর্থক হওয়ার কোনো কারণ নেই ডিয়েগো ম্যারাডোনার। তবে রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকে প্রিয় দলের হতাশাজনক বিদায়ের পর মাঠের ফুটবলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী সেলেসাওদেরই হট ফেভারিট মনে করছেন এই ফুটবল কিংবদন্তি।

    আর্জেন্টিনা যত দিন বিশ্বকাপে ছিল, তত দিন সমান আকর্ষক ছিলেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা। মাঠে তাঁর উচ্ছল উপস্থিতি মাতিয়েছে গোটা বিশ্বকেই। লিওনেল মেসিরা এবারের আসর থেকে বিদায় নিলেও ‘উপস্থিত’ আছেন তাঁদের পূর্বসূরি ম্যারাডোনা। ভেনিজুয়েলার টিভি টেলেসুরে নিয়মিত অনুষ্ঠান করছেন তিনি। মেক্সিকোর বিপক্ষে ব্রাজিলের জয় দেখার পর ম্যারাডোনার মন্তব্য, ‘ব্রাজিলের এই দলটা খুব শক্তিশালী। আমার তো মনে হচ্ছে ওরাই শিরোপা জিতবে। ট্রফি বড় দলই জেতে। তিতেকে (ব্রাজিলের কোচ) আমার খুব পছন্দ, ব্রাজিল দলটাকে কী দারুণ গুছিয়েছে। মেক্সিকোর এই হারে মুষড়ে পড়ার কোনো কারণ নেই।’ তবে ব্রাজিলের মহাতারকা নেইমারের ‘অভিনয়’ বিরক্ত করেছে ম্যারাডোনাকে, ‘তুমি (নেইমার) হয় আমাদের কাঁদাও নয়তো হাসাও—যেকোনো একটা করো। তুমি মাঠে পড়ে গড়াগড়ি খেলে আমরা উদ্বেগে কেঁপে উঠি। কিন্তু একটু পরই তুমি যখন স্বাভাবিক দৌড় দাও, তখন হাসি পায়। এমন নাটকের মানে কী?’

    তবে সর্বান্তঃকরণে তিনি তো আর্জেন্টাইনই। তাই এত দিন পরও টিভি শোতে ঘুরে-ফিরে আসে আলসেবেলিস্তেদের বিদায়ের শোক। মাঠে বসে আর্জেন্টিনার প্রতিটি খেলা দেখা ম্যারাডোনার আক্ষেপ, ‘ওরা (নিজ দেশের সমালোচকরা) ভাবে আমি হয়তো খুব আনন্দে আছি। কিন্তু আমার মনের কষ্ট তো কাউকে দেখাতে পারি না। ঈশ্বর যদি আমাকে মাঠে নামার শক্তি ফিরিয়ে দিতেন…৫৭ বছর বয়সে এসে চোখের সামনে এ কোন আর্জেন্টিনাকে দেখছি? আমাদের জাতীয় দল এমন একটা মানের, যে দলটাকে আমি টুর্নামেন্টের সেরা বলে মনে করি না। এটা যে আমার কতটা পীড়া দেয়, বলে বোঝাতে পারব না।’

    ম্যারাডোনার এই কষ্ট হয়তো লাঘব হবে যদি বিশ্বমঞ্চে আবার দোর্দণ্ডপ্রতাপে ফেরে তাঁর আর্জেন্টিনা। চার বছর পরে অনুষ্ঠেয় কাতার বিশ্বকাপের জন্য সে রকম একটি দল গড়ার কাজে নিজে থেকে হাত বাড়িয়েও দিয়েছেন ম্যারাডোনা, ‘আর্জেন্টিনা ফুটবলের উন্নতির জন্য যেকোনো দায়িত্ব পালন করতে আমি রাজি, ফ্রি করে দেব।’ টেলেসুর

  • কোয়ার্টার ফাইনালে কে কার মুখোমুখি

    কোয়ার্টার ফাইনালে কে কার মুখোমুখি

    ৩২টি দল নিয়ে শুরু হয়েছিল রাশিয়া বিশ্বকাপ। ইতোমধ্যেই বিদায় নিয়ে ফেললো মোট ২৪টি দল। রইল বাকি আর ৮টি। এই ৮টি দল নিয়েই ৬ জুলাই শুরু হবে কোয়ার্টার ফাইনালের খেলা। হবে সেমি ফাইনালে ওঠার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। দ্বিতীয় রাউন্ড শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে গেল কোয়ার্টারে কে কার মুখোমুখি হচ্ছে।

    দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম দিন মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্স এবং উরুগুয়ে ও পর্তুগাল। আর্জেন্টিনাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে দিয়ে শেষ আট নিশ্চিত করে ফ্রান্স। অন্যদিকে পর্তুগালকে ২-১ গোলে হারিয়ে দিয়ে কোয়ার্টারে উঠে যায় উরুগুয়ে। কোয়ার্টারে মুখোমুখি হওয়ার কথা ফ্রান্স এবং উরুগুয়ের।

    দ্বিতীয় দিন মাঠে নামেন স্পেন-রাশিয়া এবং ক্রোয়েশিয়া-ডেনমার্ক। ওইদিন নাটকীয়ভাবে টাইব্রেকারে স্পেনকে বিদায় করে দেয় স্বাগতিক রাশিয়া এবং একই নাটকীয় টাইব্রেকারে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে যায় ডেনমার্ক। শেষ আটে মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই ম্যাচের বিজয়ী দল।

    তৃতীয়দিন মুখোমুখি হয় ব্রাজিল-মেক্সিকো এবং বেলজিয়াম-জাপান। মেক্সিকোর বিপক্ষে নেইমার জাদুতে ২-০ গোলের দারুণ জয় পায় ব্রাজিল। অন্য ম্যাচে নাটকীয়ভাবে শেষ মুহূর্তে জাপানের স্বপ্ন ভেঙে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে যায় বেলজিয়াম। শেষ আটে মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল এবং বেলজিয়াম।

    দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষ দিনের দুই ম্যাচের প্রথমটিতে মুখোমুখি সুইজারল্যান্ড এবং সুইডেন। এই ম্যাচে সুইজারল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষ আটে উঠে যায় সুইজারল্যান্ড। শেষ ম্যাচে মুখোমুখি ইংল্যান্ড এবং কলম্বিয়া। এই ম্যাচেও নাটকীয়তার পর নাটকীয়তা। রেফারির বদান্যতায় পেনাল্টিতে গোল পেল ইংল্যান্ড। খেলার নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার খানিক আগ মুহূর্তে হঠাৎ গোল দিয়ে বসে কলম্বিয়া।

    শেষ পর্যন্ত খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়েও আরও কেউ গোল করতে পারেনি। ফলে ফল নির্ধারে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই কলম্বিয়ার স্বপ্ন ভেঙে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইডেনের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড।

    কোয়ার্টার ফাইনালের সূচি
    ৬ জুলাই, রাত ৮টা, ফ্রান্স-উরুগুয়ে, নিঝনি নভগোরদ স্টেডিয়াম
    ৬ জুলাই, রাত ১২টা, ব্রাজিল-বেলজিয়াম, কাজান এরেনা
    ৭ জুলাই, রাত ৮টা, সুইডেন-ইংল্যান্ড, সামারা এরেনা
    ৭ জুলাই, রাত ১২টা, রাশিয়া-ক্রোয়েশিয়া, ফিশ্ট স্টেডিয়াম।

    *সূচি বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী।

  • রাশিয়ানদের নজর এবার ব্রিটিশ ফুটবলারদের স্ত্রী-গার্লফ্রেন্ডদের ওপর

    রাশিয়ানদের নজর এবার ব্রিটিশ ফুটবলারদের স্ত্রী-গার্লফ্রেন্ডদের ওপর

    রাশিয়া এবং ইংল্যান্ড ফুটবল ভক্তদের মধ্যের বিবাদ বেশ পুরানো৷ খেলার মাঠ ছেড়ে এবার সে বিবাদ স্পর্শ করল ইংল্যান্ড ফুটবলারদের স্ত্রী এবং গার্লফ্রেন্ডদের৷ সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে রাশিয়ান সমর্থকরা ট্রোল করছেন ব্রিটিশ সুন্দরীদের৷

    তাদের দামি, রাশিয়ান ফুটবলারদের সঙ্গে বিশ্বকাপ সফরে আসা স্ত্রী এবং গার্লফ্রেন্ডরা নাকি দেখতে খারাপ৷ এই ব্রিটিশ সুন্দরীদের থেকে রাশিয়ার যে কোনও সাধারণ মেয়েও সুন্দরী৷ আর এতেই চটেছেন ব্রিটিশ সমর্থকরা৷

    রাশিয়ান সমর্থকদের মধ্যে অনেকে সোজাসুজি জানালেন, ‘ব্রিটিশ মহিলারা জঘন্য৷ ওরা এখানে আসলে রাশিয়ান পুরুষদের ওদের হাত থেকে বাঁচার জন্য গার্ড নিতে হবে৷’

    সোশ্যাল মিডিয়াতে একজন রাশিয়ান বৃদ্ধার ছবিও ভাইরাল করা হয়েছে রাশিয়ানদের পক্ষ থেকে৷ যার সঙ্গে ব্রিটিশ ফুটবলারদের সুন্দরী গার্লফ্রেন্ডদের তুলনা করে লেখা হচ্ছে, ‘ইনিও ব্রিটিশ মহিলাদের থেকে সুন্দরী’৷

    বিশ্বকাপের ফুটবল যুদ্ধ দেখার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষের ঢল নামে গ্যালারিতে৷ ফুটবলের টানে মাঠে উপস্থিত থাকেন নানা দেশের সুন্দরীরাও৷ ফুটবলারদের গার্লফ্রেন্ড এবং স্ত্রীদেরও মাঠে দেখা যায় খেলোয়াড়দের উৎসাহ দিতে৷

    উল্লেখ্য, ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ স্কোয়াডের কয়েকজন ফুটবলার তো জানিয়েও দিয়েছিলেন নিজের স্ত্রী কিংবা গার্লফ্রেন্ডকে রাশিয়া নিয়ে যেতে সাহস পাচ্ছেন না৷ কিন্তু এত সব সত্ত্বেও ফুটবলের অমোঘ টান উপেক্ষা করতে পারননি  ফার্ন হকিন্স, অ্যানাবেল পাইটনরা৷ মাঠে উপস্থিত থেকে এই ব্রিটিশ সুন্দরীরা উৎসাহ দিয়েছেন ইংল্যান্ড দলকে৷

  • উরুগুয়ে-পর্তুগাল ম্যাচে কার পক্ষে পরিসংখ্যান

    উরুগুয়ে-পর্তুগাল ম্যাচে কার পক্ষে পরিসংখ্যান

    রাশিয়া বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম খেলায় শনিবার উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে ৪-৩ গোলে হারিয়েছে ফ্রান্স। রাশিয়ার কাজান অ্যারেনা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় মুখোমুখি হয় ম্যাচটি। দ্বিতীয় রাউন্ডের দ্বিতীয় খেলায় শনিবার সোচির ফিশৎ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় মুখোমুখি হবে পর্তুগাল-উরুগুয়ে। এই ম্যাচে বড় আকর্ষণ রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড লুইস সুয়ারেস। আন্তর্জাতিক ফুটবলে প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হবেন সময়ের অন্যতম সেরা এই দুই ফুটবলার।

    পরিসংখ্যানে দেখে নেওয়া যাক কোন দল খেলার আগেই এগিয়ে থাকবে :

    ১. উরুগুয়ে-পর্তুগাল এর আগে দুইবার মুখোমুখি হয়েছে। এক জয় ও এক ড্র নিয়ে এগিয়ে পর্তুগাল। অবশ্য দুই দলের শেষ দেখা হয়েছিল ১৯৭২ সালে।

    ২. উরুগুয়ে ১৯৩০ ও ১৯৫০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। এরপর ২০১০ সালে চতুর্থ স্থান অর্জন করে দলটি। অন্যদিকে, পর্তুগাল কখনোই বিশ্বকাপ জিতেনি। ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে সেরা অর্জন- ১৯৬৬ সালে তৃতীয় ও ২০০৬ সালে চতুর্থ হওয়া।

    ৩. চলতি বিশ্বকাপের একমাত্র দল হিসেবে এখনও কোনো গোল হজম করেনি উরুগুয়ে।

    ৪. ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে ফের্নান্দো সান্তোস কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ২৭টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মাত্র একটিতে হেরেছে পর্তুগাল। শেষ ১২ বছর ধরে উরুগুয়ের কোচের দায়িত্ব পালন করছেন অস্কার তাবারেজ। এই সময়কালে এটি তার তৃতীয় বিশ্বকাপ। আগে আরও এক মেয়াদে উরুগুয়ে জাতীয় দলের কোচ ছিলেন তাবারেজ। সে সময় তার অধীনে ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে অংশ নেয় দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

  • ফরাসি বিপ্লবে মেসির স্বপ্নভঙ্গ

    ফরাসি বিপ্লবে মেসির স্বপ্নভঙ্গ

    ইতিহাসে ফরাসি বিপ্লবে পতন হয়েছিল বাস্তিল দুর্গের। আর শনিবার সন্ধ্যায় বিশ্ব সাক্ষী থাকল এক অন্য ফরাসি বিপ্লবের। যেখানে পতন হল আর্জন্টিনার। স্বপ্নভঙ্গ মেসির।

    সম্প্রতি বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নের কথা জানিয়েছিলেন মেসি। তিনি বলেন, আমি বিশ্বকাপ না জিতে অবসর নিতে চাই না। এই কথা থেকেই অনেক কিছু বোঝা যায়। আর্জেন্টিনার জন্য বিশ্বকাপ কেমন তা এটা থেকেই বুঝে নেওয়ার কথা। আমার জন্যও তাই। বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন আমার মধ্যে সব সময়ই ছিল। শিরোপাটা জয়ের অনুভূতি কেমন আমি তা ছুঁয়ে দেখতে চাই।

    কিন্তু সেটা আর হলো। মাঝ পথেই পতন ঘটল নক্ষত্রের। যার হাতে কাপ দেখার স্বপ্নে বুঁদ ছিল গোটা দুনিয়া, সেই মেসি আর বিশ্বকাপেই নেই। সেই মেসি জ্বলে ওঠার আগেই নিভে গেলেন। সেই মেসি আজ দেশের জার্সি গায়ে আরও একবার ব্যর্থ। সেই মেসি আজ হেরে গেলেন একজন ফুটবলার, অধিনায়ক এবং সর্বোপরি একজন আর্জেন্টাইন নাগরিক হিসেবে। জীবনের কোনও পর্বে এসে ঈশ্বরকেও হয়তো পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়। আর সেই পরীক্ষাতেই এদিন মাথা নত হল ফুটবল ঈশ্বরের। ভক্তকূলের দীর্ঘদিনের প্রার্থনায়, প্রত্যাশায় ছেদ টানলেন এলএম টেন।

    চারটি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েও নক-আউটে কখনও গোলের দেখাই পাননি আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। সমর্থকদের জন্য সান্ত্বনা পুরস্কারও যে রইল না। মার্কাডোকে দিয়ে একটা গোল করালেন। কিন্তু তা তো যথেষ্ট ছিল না মেসির জার্সি গায়ে ফুটপাতে শুয়ে থাকা সেই ছেলেটার জন্য। যে ঈশ্বরের বাঁ-পায়ের শটের অপেক্ষায় ছিল।

    দ্বিতীয়ার্ধে মেসির গোলমুখী শটও তো পারল না নীল-সাদা জার্সি গায়ে তোলা ওই সমর্থকদের চোখের জল আটকাতে। আজ তো গোটা আকাশ যেন ভেঙে পড়ল মাথার উপর। হাজার গঞ্জনা, হাজার অপমান সহ্য করেও যে ভক্তদের বিশ্বাস ছিল, দেশকে ঠিক ট্রফি এনে দেবেন মেসি। তাদের তো আর তর্ক করার কিছু রইল না। একরাশ শূন্যতাই দিয়ে গেলেন মেসি। নিজেকে ও তার ভক্তদের।

  • জ্বলে উঠা আর্জেন্টিনাকে ভয় পাবে না কে!

    জ্বলে উঠা আর্জেন্টিনাকে ভয় পাবে না কে!

    তিনি মিডিয়াকর্মীদের হাতের নাগালে ধরা দেন না পারত পক্ষে। প্রেস কনফারেন্স থেকে কয়েকশগজ দূর দিয়ে তিনি চলে যান মার্সিডিজ বেঞ্জে করে। কিন্তু ম্যাচসেরা হলে যে সাংবাদিকদের সামনে আসতেই হবে। এটা নিয়ম। তাই তিনি এলেন। সাংবাদিকদের সামনে মুখ খুললেন। লিওনেল মেসির মুখে হাসি দেখে স্বস্তি ফিরল আর্জেন্টাইনদের মধ্যেও। গত দুই ম্যাচে মলিন মুখে মাঠ ছাড়া মেসি সেদিন অনেকটা সময় ব্যয় করলেন জয়ের উৎসবে।

    এ ম্যাচ দিয়ে সত্যিকার অর্থে বিশ্বকাপ শুরু হলো আর্জেন্টিনার। মেসিরও। প্রথমার্ধে দুর্দান্ত এক গোল করেছেন; আরেক ফ্রি-কিকে বল লেগেছে বারে। আরও কয়েক পাস দিয়েছেন। বিরতির সময় মাঠে নামার ঠিক আগ মুহূর্তে টানেলে সতীর্থদের শেষ উজ্জীবনী কথাও বলেছেন অধিনায়ক। কোচ নন।

    আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়া ম্যাচের অর্ধেক সময় শেষ। দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হবে। টানেলে দাঁড়িয়ে সতীর্থদের উদ্দেশ্যে একটা ছোটখাটো বক্তব্য দিলেন লিওনেল মেসি। কী বলেছিলেন তিনি! ‘রোহো, তুমি উপরে উঠে আক্রমণে আসবে। মাসকারেনো, তুমিও উপরে উঠে যাবে। ভয়ঙ্কর আক্রমণ করবে। যাই ঘটুক, আক্রমণের চিন্তা থেকে কখনোই সরে যাবে না।’ মেসির এই একটা বক্তব্যই গোটা দলকে বদলে দিয়েছিল। আক্রমণের চিন্তাটা কখনোই বাদ দেননি আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা। রোহো-মাসকারেনোরা ডিফেন্স লাইন ছেড়ে বার বারই বেরিয়ে আসছিলেন। যোগ দিচ্ছিলেন মেসিদের সঙ্গে।

    রোহো ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘মেসির মতো অধিনায়ক কেউ নয়। সে বিশ্বসেরা ফুটবলারই কেবল নয়, অধিনায়কও। তার বক্তব্যই আমাকে গোল করতে উৎসাহিত করেছে।’ রোহো গোল করার পর মেসি যেভাবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন, তা ছিল সত্যিই ফ্রেমে বাঁধাই করে রাখার মতো।

    নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ জিতে মেসি বললেন, ‘ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞ আমরা। তিনি আমাদেরকে কখনোই ভুলে যাননি।’ মেসির এই ঈশ্বর প্রীতির কথাও কী খুব বেশি মানুষের জানা ছিল! লিওনেল মেসি অবশ্য আরও একটা কথা খুব জোর দিয়ে বলেছেন। ‘বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্টিনা ছিটকে যাবে, তাই কী হয়!’ তা হয় না বলেই লিওনেল মেসি সব ভুলে নিজেকে উজাড় করে খেললেন। গ্রুপ পেরিয়েছে। আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে আর্জেন্টিনা। অতীত ভুলে এখন শুধু সামনে এগিয়ে যাওয়ার পালা। জ্বলে উঠা আর্জেন্টিনাকে ভয় পাবে না কে!

    এতে পুরনো প্রশ্ন নতুন করে উঠতে পারে—এই আর্জেন্টিনা কি সাম্পাওলির দল নাকি মেসির দল?

    এসব নিয়ে সাম্পাওলির অবশ্য কোনো মাথাব্যথা নেই। মেসির স্বস্তিতে থাকা যে তার দলের সাফল্যের পূর্বশর্ত, সেটি ঘোষণা দেন অকপটে, ‘যে কোচ লিওকে অনুশীলন করায়, সে জানে, ও যেন স্বস্তিতে থাকে—সেটি নিশ্চিত করতে হবে। আমরা যদি লিওকে পাস দিতে পারি, তাহলে গোলের সুযোগ তৈরি হবে। নইলে ভুগতে হবে আমাদের। বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় আমাদের সঙ্গে আছে। বাকিদের এর ফায়দা নিতে হবে। সেটি ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে করতে পারিনি। এ কারণেই ওই ম্যাচের পর বলেছিলাম, এটি আমাদের সমস্যা, লিওর না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘প্রতি ম্যাচের সময়ই মেসি দেখায় ও কী অসাধারণ খেলোয়াড়! অন্য সবার চেয়ে কত এগিয়ে। তবে সতীর্থদের কাছ থেকে ওর সমর্থন প্রয়োজন। তাহলেই শুধু ও নিজের সেরাটা খেলতে পারে। মেসির মানসিক দিক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর্জেন্টিনার জার্সিতে খারাপ সময়ে অন্যদের মতো ও কাঁদে; ও ভোগে। আবার জেতার পর আনন্দ করে। এই অনুভূতিগুলো সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়াটাও বড় ব্যাপার। অনেকে বলে, আর্জেন্টিনার হয়ে খেলা লিও উপভোগ করে না। আমি এর সঙ্গে একমত নই।’

    ম্যাচ শেষে মেসি গিয়ে জড়িয়ে ধরেন সাম্পাওলিকে। সেটি আবেগে ভাসিয়ে নিয়ে যায় কোচকে, ‘লিও যখন ম্যাচ শেষে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরল, সেটি আমাকে খুব আনন্দিত ও গর্বিত করেছে। কারণ ও জানে, কত আবেগ দিয়ে আমি প্রতিদিন আর্জেন্টিনা কোচের দায়িত্ব পালন করি। ও আমাকে ভালোভাবে জানে। জানে, আমরা কী স্বপ্ন নিয়ে রাশিয়ায় এসেছি। স্বপ্নটা হচ্ছে, আর্জেন্টিনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু অর্জনের। আমাদের ফুটবলাররা হৃদয় দিয়ে খেলে। ওরা সত্যিকারের বিপ্লবী।’

    হাভিয়ের মাসচেরানো বলেন, নাইজেরিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টির কারণে বাদ হয়ে গেলে সে দায় আমারই হতো। কেননা আমি স্কোয়াডের সবচেয়ে অভিজ্ঞ সদস্যদের একজন। তবে এখন আর কোনো কিছুকেই ভয় নাই।

    গনসালো হিগুয়াইন বলেন, ‘মার্কোসের গোল আমাদের অনেক আনন্দ ও স্বস্তি এনে দিয়েছে। দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়াটা আমাদের প্রাপ্য। এখন আমাদের জন্য বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে।’

  • ব্রাজিল-সার্বিয়া ম্যাচের ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ কে?

    ব্রাজিল-সার্বিয়া ম্যাচের ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ কে?

    গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সার্বিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতেছে ব্রাজিল। ম্যাচে গত ম্যাচের মতো মাঝে মধ্যে ঝলক দেখিয়েছেন দলের সেরা তারকা নেইমার। স্বাচ্ছন্দ্যে খেলেছেন আগের দুই ম্যাচের ম্যাচ সেরা কুতিনহোও (দুই গোল হওয়ার পর তুলে নেওয়া হয়)। তবে এদের কারও হাতে ম্যাচ সেরার পুরস্কার উঠেনি। পুরস্কারটি পেয়েছেন পওলিনহো।

    ৫ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের হয়ে সার্বিয়া গোলে দু’বার বল জড়াতে সক্ষম হয় ব্রাজিল। এদের মধ্যে একটি করেছেন পওলিনহো। অন্যটি থিয়াগো সিলভা।

    ম্যাচে তখন ৩৬ মিনিট। মাঝ মাঠ থেকে কুতিনহোর লম্বা পাস ধরে ফেলেন মিডফিল্ডার থেকে হঠাৎ আক্রমণভাবে ঢুকে পড়া পওলিনহো। এরপর গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে তার মাথার ওপর দিয়ে সোজা পাঠিয়ে দেন সার্বিয়ার জালে। ৬৮ মিনিটে নেইমারের কর্নার কিক থেকে রক্ষণে দুর্দান্ত খেলা সিলভা সার্বিয়ার জালে বল জড়ালেও পওলিনহোর ওই বুদ্ধিদীপ্ত শটের কারণেই তাকে ম্যাচ সেরা নির্বাচিত করা হয়েছে।