Category: বিনোদন

  • ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করে সমকামি বিতর্কে এমি জ্যাকসন

    ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করে সমকামি বিতর্কে এমি জ্যাকসন

    এমি জ্যাকসন। তামিল ও বলিউডের ছবিতে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন এ ব্রিটিশ অভিনেত্রী। বর্তমানে তিনি কাজ করছেন দক্ষিণী সুপারস্টার রজনীকান্ত ও অক্ষয় কুমার অভিনীত ‘রোবো ২.০’ সিনেমাতে। খুব শিগগিরই ছবিটি মুক্তি পাবে। কিন্তু এরই মধ্যে ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন এমি জ্যাকসন।

    ছবিতে দেখা যাচ্ছে ব্রিটিশ মডেল নীলম গিল তাকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে আছেন। একজন বন্ধু আরেক বন্ধুকে জড়িয়ে ধরতেই পারে‚ এতে আপত্তির কিছু নেই। কিন্তু এমি ছবি ক্যাপশনে লেখেন ওয়াইফ লাইভ (Wife Life)। এমন লিখা দেখেই বিভ্রান্তিতে পড়েছেন তার ভক্তরা।তার ইনস্ট্রাগ্রাম পোস্ট দেখে তাকে নিয়ে সমকামিতার প্রশ্ন অনেকের মাথায় আরও জোরালোভাবে এসেছে।

    এখানেই শেষ নয়, অন্যদিকে নীলম গিলও তার টুইটারে এমির সঙ্গে নিজের অন্য একটা ছবি পোস্ট করেন এবং ছবির ক্যাপশেনে লেখেন উইথ ওয়াইফি (With Wifey) ।

    আর এতেই পোস্টের নিচে ভক্তরা তাকে সরাসরি প্রশ্ন করতে শুরু করেন তিনি সমকামী কি না? তবে এমি বা নীলম দুজনের কেউই অবশ্য এই প্রশ্নের উত্তর দেননি।

    গতবছরে এক সাক্ষাৎকারে এমিকে সমকামিতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তখন এমি বলেছিলেন, আমি এই বিষয় ভীষণ খোলামেলা। সমকামিতা নিয়ে আমার কোনো আপত্তি নেই। আমার বেস্ট ফ্রেন্ড লেসবিয়ান।

  • বহুবার সালমান আমাকে মেরেছে: ঐশ্বরিয়া

    বহুবার সালমান আমাকে মেরেছে: ঐশ্বরিয়া

    বলিউডের দুই তারকা সালমান খান ও ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে গুঞ্জনের শেষ নেই। দর্শকদের মাঝেও তাদের নিয়ে চলে নানা জল্পনা-কল্পনা-সমালোচনা। আর সেই ধারাবাহিকতায় এবার সামনে এলো নতুন এক তথ্য।

    ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ (১৯৯৯)-এর সময় গোটা বলিউডে সালমান-ঐশ্বরিয়ার প্রেম নিয়ে হইচই ছিল। তবে ২০০২ সালের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎই তাদের সম্পর্কে ভেঙে যায়। এক ইংরেজি সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়া জানিয়ে ছিলেন, ‘আমাকে বহুবার সালমান গায়ে হাত দিয়েছে। মেরেছে, আঘাত করেছে। কিন্তু আমি তা কাউকে টের পেতে দিইনি। চুপচাপ সিনেমার শ্যুটিং করতাম।’

    এমনও জানা গিয়েছিল, সালমান নাকি মধ্যরাতে ঐশ্বরিয়ার বাড়িতে গিয়ে হইচই শুরু করেছিলেন। এমনকী, নিজের হাতের শিরাও কেটেছিলেন সালমান! তবে এই নিয়ে কখনই সোজাসোজি কোনো মন্তব্য করতে চাননি ঐশ্বরিয়া ও সালমান।

    এদিকে, ঈদে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সালমান খানের নতুন ছবি ‘রেস থ্রি’। আপাতত, এই ছবির প্রোমোশনেই ব্যস্ত রয়েছেন সালমান খানসহ পুরো টিম। এরই মাঝখানে হঠাৎ করে ইন্টারনেটে উঠে এলো পুরনো এই কাব্য। একে সালমানের এক ধরনের সিনেমার প্রোমোশনও মনে করছেন অনেকে।

  • চলচ্চিত্রে ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা অনুদান দিচ্ছে সরকার

    চলচ্চিত্রে ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা অনুদান দিচ্ছে সরকার

    ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে চলচ্চিত্র খাতে ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা অনুদান দিচ্ছে সরকার। এ বিষয়ে বুধবার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। অনুদান পেয়েছেন গাজী রাকায়েত (গোর), মানিক মানবিক (আজব ছেলে), আবিদ হোসেন খান (অবলম্বন), সাইদুল হাসান টুটুল (কালবেলা) ও হাবিবুর রহমান (অলাতচক্র)।

    এর মধ্যে ‘অবলম্বন’ ছবিটি অনুদান পাচ্ছে ৪০ লাখ টাকা। বাকি চারটি চলচ্চিত্র পাচ্ছে ৬০ লাখ টাকা করে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটি সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এ অনুদান দিচ্ছে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

  • পতিতাবৃত্তির অভিযোগ রয়েছে যেসব অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে

    পতিতাবৃত্তির অভিযোগ রয়েছে যেসব অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে

    ভারতের অভিনেত্রীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় নানা অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে রয়েছে মাদক ব্যবসা ও পতিতাবৃত্তির অভিযোগ। এই তালিকায় রয়েছেন অনেক জনপ্রিয় অভিনেত্রীও। যাদের নাম প্রকাশ হওয়ার পর কেঁপে উঠেছিল গোটা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। এদেরই একজন সঙ্গীতা বালন। তামিল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির তিনি জনপ্রিয় মুখ। ‘বাণীরানি’ নামের একটা ডেলি সোপেও রোজ দেখা মিলছিল তাঁর। কিন্তু হঠাৎই যেন দমকা এক হাওয়ায় সব কিছু ওলটপালট হয়ে গেল তামিল অভিনেত্রী সঙ্গীতা বালনের।

    অভিযোগ, অভিনয়ের পাশাপাশি দিনের পর দিন মধুচক্র চালিয়ে এসেছেন সঙ্গীতা। আর তারই জেরে তামিল অভিনেত্রী সঙ্গীতা বালনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিশেষ সূত্রের খবর অনুযায়ী, চেন্নাইয়ের পানায়ূড়ের একটি রিসর্টে অভিযান চালানোর পরেই অন্য রাজ্যের বহু নারীকে উদ্ধার করে পুলিশ। আর তাঁরা সকলেই সঙ্গীতা পরিচালিত ওই মধুচক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেই অভিযোগ। সঙ্গীতার সঙ্গে পুলিশ তাঁর ছায়াসঙ্গী সুরেশকেও গ্রেফতার করেছে। সুরেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নানা বয়সের মহিলাদের টেলিভিশন আর সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ করিয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে তাঁদের এই পেশায় নিয়ে আসতেন।

    তবে এই প্রথমবার নয়। নানা সময়ে ভারতের দেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি কেঁপে উঠেছে এমনই সব গুরুতর অভিযোগে। কখনও মধুচক্র তো কখনও আবার মাদকচক্র। কখনও খুব জনপ্রিয় মুখ বেরিয়ে আসে পর্দার আড়াল থেকে, তো কখনও আবার উঠতি কোনও অভিনেতা-অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ওঠে অভিযোগ।

    যেমন ধরুন, শার্লিন চোপড়া। বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ে না অভিনেত্রী শার্লিনের। তাঁর হালফিলের ছবি ‘কামসূত্র থ্রি ডি’ রিলিজের আগেই ভাইরাল হয়ে যায়। ভাইরাল হয় শার্লিনের অন্তরঙ্গ দৃশ্যগুলির ভিডিও। এ হেন শার্লিনের বিরুদ্ধেই একবার অভিযোগ উঠেছিল মধুচক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার। বিষয়টি নিয়ে বিশেষ জলঘোলা হওয়ার আগেই মধুচক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করে নিয়েছিলেন শার্লিন। অকপটে এও স্বীকার করে নিয়েছিলেন, যে পয়সার কারণেই তাঁকে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে বেডরুম অবধি ছুটতে হত।

    ‘মকড়ি’ আর ‘ইকবাল’ ছবিটির সেই ছোট্ট অভিনেত্রী শ্বেতা বসু প্রসাদকে বোধ হয় সকলেরই মনে আছে। বিয়ের পিঁড়িতেও যে বসতে চলেছেন সে কথাও জানিয়েছেন শ্বেতা নিজেই। এই শ্বেতার নামেই একবার অভিযোগ উঠেছিল মধুচক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরের গোড়ায় হায়দরাবাদের একটি হোটেল থেকে যৌন ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে শ্বেতাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সে সময় সংবাদমাধ্যমে হায়দরাবাদ পুলিশের তরফেই শ্বেতার একটি বিবৃতি পাওয়া গিয়েছিল।

    সেই বিবৃতিতে বলা হয়েছিল যে, অভাবে পড়েই যৌনপেশায় জড়িয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে। পরবর্তীকালে হায়দরাবাদের আদালত শ্বেতাকে ক্লিন চিট দেওয়ার পরক্ষণেই সংবাদমাধ্যমকে খোলা চিঠি লিখেছিলেন শ্বেতা বসু প্রসাদ। চিঠিতে তিনি দাবি করেছিলেন, যে ধরা পড়ার পরে তাঁর যে ‘স্বীকারোক্তি’র কথা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল, তার আদ্যোপান্ত ভুয়া।

    ‘গোয়া পুণে কাণ্ড’ বললেই সকলের সামনে বিগ বস হাউসের ছবিটা ভেসে উঠবে। হাউসের ভিতরে পাক অভিনেত্রী আরশি খানকে ‘গোয়া পুণে কাণ্ড’ বললেই তেলে বেগুণে জ্বলে উঠতেন। কিন্তু কী এই ‘গোয়া পুণে কাণ্ড’?

    বলি সূত্রের দাবি এই ‘গোয়া পুণে কাণ্ড’ আদতে যৌন ব্যবসা। আর পাক অভিনেত্রী আরশি খানই এই যৌন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে সূত্রের আরও দাবি। তবে আরশি বরাবরই দাবি করে এসেছেন যে এই অভিযোগের পুরোটাই মিথ্যা। সংবাদমাধ্যমকে এক বার আরশি বলেছিলেন, “পুণেতে শো করতে এসে একটি হোটেলে আমি উঠেছিলাম। রাত পৌনে একটা নাগাদ হঠাৎই সেই হোটেলে আমার রুমের দরজা নক করতে থাকেন ক্রাইম ব্রাঞ্চের জনা দশেক অফিসার। আমি পাকিস্তানি মুসলিম বলেই ওই অফিসাররা আমাকে গ্রেফতার করতে আসেন। আমার সমস্ত ডকুমেন্টস কেড়ে নেন অফিসারেরা। কিন্তু ততক্ষণে যে আমার ফোনের রেকর্ডার অন করে ফেলেছি, তার বিন্দুবিসর্গও টের পাননি ক্রাইম ব্রাঞ্চের অফিসারেরা। পরে এই মিথ্যা কেসটা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আমার কাছেই উল্টে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করে বসেন তাঁরা।” যদিও পুণে পুলিশ আরশির এই অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করে। সঙ্গে এও দাবি করে যে, তাঁদের কাছে আরশি এবং তাঁর এজেন্টের কথাবার্তার সম্পূর্ণ কল রেকর্ড রয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে স্বঘোষিত বিতর্কিত ধর্মগুরু রাধে মা জড়িয়ে আছেন বলেও দাবি করেন তাঁরা। গোয়াতেও একবার মধুচক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে আরশি খানকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।

    অভিনেত্রী দীপ্তি নাভালও নাকি যৌন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে গুজব রটেছিল বলিউডে। পরে দীপ্তি নিজে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন যে, এটা একটা বানানো গল্প ছাড়া আর কিছুই নয়। আর সংবাদমাধ্যমই নাকি এই গুজব ছড়িয়েছে বলেও দাবি করেছিলেন দীপ্তি।

    তবে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এ হেন কেচ্ছা যে শুধু যে মধুচক্রেই সীমাবদ্ধ তাই নয়। মমতা কুলকার্নির মতো জনপ্রিয় অভিনেত্রীর নাম জড়িয়েছে মাদকচক্রের সঙ্গে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল আন্তর্জাতিক মাদক-পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার। তাঁর হেফাজত থেকে মাদক উদ্ধার হওয়ার অভিযোগও করেছিল পুলিশ। প্রথম থেকে নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও ঠাণের এক জেলা আদালত অভিনেত্রী মমতা কুলকার্নি এবং তাঁর স্বামী ভিকি গোস্বামীর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। যদিও পরে মমতা জানিয়েছিলেন যে, এই ড্রাগ মাফিয়া ভিকি নাকি তাঁর স্বামীই নন। দাবি করেছিলেন, “আমি যোগিনী! আমার বিরুদ্ধে ড্রাগ পাচারের সব অভিযোগই মিথ্যা।”

    ক্যারিয়ারের স্বার্থে কখনও উঠতি অভিনেত্রীর ‘কম্প্রোমাইজ’। কখনও আবার জনপ্রিয় অভিনেত্রীর আজীবন পুরনো লাইফস্টাইল ধরে রাখার চেষ্টা। তাতেই কি এই ধরনের ফাঁদে পা দিচ্ছে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি? এই ধরনের ফাঁদ কি অনন্তকাল ধরে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সামনে পাতা থাকবে? যতবারই এই ধরনের ঘটনা সামনে আসে নড়েচড়ে বসে ভারতের প্রশাসন। আর যেই না সেখান থেকে প্রচারের আলো নিভতে থাকে, আবার সেই যা কার তাই!

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • যে কারণে আসিফের বিরুদ্ধে রিমান্ড চেয়েছে সিআইডি

    যে কারণে আসিফের বিরুদ্ধে রিমান্ড চেয়েছে সিআইডি

    তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা একটি মামলায় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের পাচঁ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় তাকে আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সিআইডির উপ-পরিদর্শক প্রলয় রায় এই রিমান্ড আবেদন করেন।

    দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম কেশব রায়ের আদালতে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। রিমান্ড আবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ্য করেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যহত রয়েছে। মামলার আসামি আসিফকে জামিন দিলে পলাতক হতে পারে।ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং মূল হোতাকে খুঁজে বের করার জন্য আসামি আসিফকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন রয়েছে। স্বল্প সময়ে আসামিদের নাম-ঠিকানা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। আসিফের সহযোগীদের নাম ও ঠিকানা সংগ্রহের জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।

    রিমান্ড আবেদনে তিনি আরও উল্লেখ্য করেন, এই কাজে ব্যবহার করা ইলেক্ট্রনিকস ডিভাইসের পরিচিতি এবং আসিফের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানার জন্য তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসা করা প্রয়োজন। এর আগে মঙ্গলবার (৫ জুন) দিবাগত রাত দেড়টায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি টিম তাকে গ্রেফতার করে।

    সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মিনহাজুল ইসলাম জানান, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী শফিক তুহিনের তথ্যপ্রযুক্তি আইনে তেজগাঁও থানার দায়ের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলা নম্বর ১৫। শফিক তুহিন মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছেন, গত ১ জুন আনুমানিক রাত ৯টার দিকে চ্যানেল ২৪-এর সার্চ লাইট নামের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, আসিফ আকবর অনুমতি ছাড়াই তার সংগীতকর্মসহ অন্যান্য গীতিকার, সুরকার ও শিল্পীদের ৬১৭টি গান সবার অজান্তে বিক্রি করেছেন। পরে তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, আসিফ আকবর আর্ব এন্টারটেইনমেন্টের চেয়ারম্যান হিসেবে অন মোবাইল প্রা. লি. কনটেন্ট প্রোভাইডার, নেক্সনেট লি. গাক মিডিয়া বাংলাদেশ লি. ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গানগুলো ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে ট্রু-টিউন, ওয়াপ-২, রিংটোন, পিআরবিটি, ফুলট্রেক, ওয়াল পেপার, অ্যানিমেশন, থ্রি-জি কন্টেন্ট ইত্যাদি হিসেবে বাণিজ্যিক ব্যবহার করে অসাধুভাবে ও প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করেছেন।

    এজাহারে তিনি আরও উল্লেখ করেন, পরে ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি গত ২ জুন রাত ২টা ২২ মিনিটে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে অনুমোদন ছাড়া গান বিক্রির এই ঘটনা উল্লেখ করে একটি পোস্ট দেন। তার ওই পোস্টের নিচে আসিফ আকবর নিজের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে অশালীন মন্তব্য ও হুমকি দেন। পরের দিন রাত ৯টা ৫৯ মিনিটে আসিফ আকবর তার প্রায় ৩২ লাখ লাইকার সমৃদ্ধ ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে লাইভে আসেন। ৫৪ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড লাইভ ভিডিওর ২২ মিনিট থেকে তার বিরুদ্ধে অবমাননাকর, অশালীন ও মিথ্যা-বানোয়াট বক্তব্য দেন। ভিডিওতে আসিফ আকবর তাকে (শফিক তুহিন) শায়েস্তা করবেন-এ কথা বলার পাশাপাশি ভক্তদের উদ্দেশ্যে বলেন, তাকে যেখানেই পাবেন, সেখানেই প্রতিহত করবেন। এই নির্দেশনা পেয়ে আসিফ আকবরের ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে হত্যার হুমকি দেয়। আসিফ আকবরের এই বক্তব্য লাখ লাখ মানুষ দেখেছে। তিনি উসকানি দিয়েছেন। এতে তার (শফিক তুহিন) মানহানি হয়েছে।

    এজাহারে শফিক তুহিন আরও উল্লেখ করেন, বিষয়টি সংগীতাঙ্গনের সুপরিচিত শিল্পী, সুরকার ও গীতিকার প্রীতম আহমেদসহ অনেকেই জানেন।

  • কোয়ান্টিকোতে ‘দেশদ্রোহী’ প্রিয়াঙ্কা

    কোয়ান্টিকোতে ‘দেশদ্রোহী’ প্রিয়াঙ্কা

    বলিউডে তো বটেই হলিউডেও নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। আর হলিউডে তাকে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছে টিভি সিরিজ কোয়ান্টিকো। কিন্তু এবার দেশদ্রোহিতার তকমা জুটল দেশি গার্লের। টুইটারে অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে দেশবিরোধী হিসেবে চিহ্নিত করে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

    এমনকি সোশ্যাল মিডিয়াতে পিগ্গি চপসের কোয়ান্টিকোর এবারের সিজন নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে আমেরিকান এই টিভি সিরিজের শেষ সিজন চলছে। আগের দুটি সিজনের মতো সাফল্য না-পেলেও প্রিয়াঙ্কার অনুরাগীরা এই সিরিজ থেকে এখনও মুখ ফেরাননি। তবে কোয়ান্টিকোর সাম্প্রতিক এপিসোডে যে সন্ত্রাসবাদের আবহ তুলে ধরা হয়েছে, বিতর্ক বেঁধেছে তা নিয়েই।

    ওই এপিসোডে দেখানো হয়েছে, কয়েকজন সন্ত্রাসবাদী ম্যানহাটন উড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করেছে। পরে জানা যায়, তারা ভারতীয়। আর গল্পে দেখানো হয়েছে, সেই ভারতীয় সন্ত্রাসবাদীরা দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তানের উপর। এই স্টোরিলাইনের জন্যই সোশ্যাল মিডিয়ায় রোষের মুখে পড়েছেন প্রধান অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। নিজের দেশকে সন্ত্রাসবাদী হিসেবে তুলে ধরার গল্পে তিনি কীভাবে রাজি হলেন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন মানুষজন। তাঁর আচরণ দেশবিরোধী বলে সমালোচনা করেছেণ অনেকে।

  • যে পাঁচটি সিনেমায় বাস্তবে দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন শিল্পীরা!

    যে পাঁচটি সিনেমায় বাস্তবে দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন শিল্পীরা!

    দর্শকদের মন জয় করতে অভিনয়শিল্পীরা নানা ভূমিকায় হাজির হন সিনে পর্দায়। আর এমন কিছু সিনেমা রয়েছে যেগুলোতে বাস্তবে দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন ছবির কলাকুশলীরা। অবিশ্বাস্য মনে হলেও একথা সত্যি। বিশ্ব জুড়ে এমন অনেক ছবি আছে যেখানে ক্যামেরার সামনে সত্যিকারের যৌনতায় লিপ্ত হতে হয়েছে তাদের। চলুন জেনে নেই সেই পাঁচটি ছবির নাম-

    ১. লাভ (Love):

    ২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল এই ফরাসি ছবিটি। যেখানে একাধিকবার অন্তরঙ্গ দৃশ্য দেখানো হয়েছে। তার উপর ছবিটি ছিল থ্রি ডি। ফলে বড়পর্দায় রীতিমতো জীবন্ত হয়ে উঠেছিল সেসব দৃশ্য। যা উপভোগ করেছিলেন সিনেমাপ্রেমীরা।

    ২. সংস (Songs):

    ২০০৪ সালের এই ব্রিটিশ রোম্যান্টিক ছবিতে নায়ক-নায়িকার ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের সেই দৃশ্য ব্যাপক সাড়া ফেলে দিয়েছিল। ছবির নায়ক-নায়িকা বাস্তবেই ক্যামেরার সামনেই দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন।

    ৩. নিমফোম্যানিয়াক (Nymphomaniac):

    এই ছবিতে আবার নগ্নতা ও যৌনতাকে তুলে ধরেছিলেন নায়িকার ডামি। নায়িকা নিজে মিলনের দৃশ্যে ছিলেন না। তাই সে সব দৃশ্যে তার শরীরকেই পর্দায় দেখানো হয়েছিল। ২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবির এক-একটি দৃশ্য শরীরের উষ্ণতা বাড়িয়ে দিয়েছিল সিনেমাপ্রেমীদের।

    ৪. ইন্টিমেসি (Intimacy):

    দুই অচেনা মানুষ যারা জড়িয়ে পড়েছিলেন শারীরিক সম্পর্কে। এই হল ছবির গল্প। আর শুধু ক্যামেরার সামনেই নয়, ছবির স্বার্থে অফ ক্যামেরাও একাধিকবার যৌনতায় লিপ্ত হন নায়ক-নায়িকা। ক্যামেরার সামনে নিজেদের অভিব্যক্তিকে আরও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতেই নাকি এই প্রয়াস।

    ৫. অ্যান্টিক্রাইস্ট (Antichrist)

    ভূতুড়ে এই ছবিতে যেমন ভয়ে গায়ে কাঁটা দেবে, ঠিক তেমনই এর যৌন দৃশ্য বাড়িয়ে তুলবে শরীরের উষ্ণতা। বিনোদনে ভরপুর এই ছবি ২০০৯ সালে বক্স অফিসে দারুণ ব্যবসা করেছিল।

  • কুরুচিপূর্ণ ভাষা ও অশ্লীল দৃশ্যে’র জন্য নিষিদ্ধ সোনম-কারিনার ছবি

    কুরুচিপূর্ণ ভাষা ও অশ্লীল দৃশ্যে’র জন্য নিষিদ্ধ সোনম-কারিনার ছবি

    কুরুচিপূর্ণ ভাষা ও অশ্লীল দৃশ্যের জন্য বলিউডের ‘ভিরে দি কী ওয়েডিং’ ছবিটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। এই ছবির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন সোনম কাপুর ও কারিনার কাপুর।

    গত মঙ্গলবার রাতে ছবিটি দেখার পর তা পাকিস্তান জুড়ে প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সেন্সর। চেয়ারম্যান দানিয়াল গিলানি বলেন, ছবিটি সর্বসম্মতিক্রমে প্রদর্শনী না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ডের সসদস্যরা।

    শশাঙ্ক ঘোষ পরিচালিত ‘ভিরে দি কী ওয়েডিং’ ছবিটি ভারতে মুক্তি পাচ্ছে ১ জুন। চার বান্ধবীর কাহিনী নিয়ে ছবিটি নির্মিত হয়েছে। অন্য দুটি চরিত্রে দেখা যাবে স্বরা ভাস্কর ও শিখা তালসানিয়াকে। সূত্র: খালিজ টাইমস

  • সিঙ্গেল আছি, লিভ-টুগেদার বিশ্বাস করি না

    সিঙ্গেল আছি, লিভ-টুগেদার বিশ্বাস করি না

    আমি অতি সাধারণভাবে জীবনযাপন করতে ভালবাসি, কারো সাথে ঝগড়া, কখনও ফেসবুকে কাউকে প্রতিউত্তরও দেই না। সস্তা কিছু অনলাইন মাঝে মাঝে যা তা নিউজ করে থাকে। তা নিয়ে কথা বলার মত রুচি আমার নেই। তবে যারা আমাকে কাছে থেকে চেনেন তারা আমার পরিবার সম্পর্কে যানেন তারা জানেন যে আমি আমার মা-বাবার বাসায় থাকি।

    আমি পরিস্কার করে বলতে চাই সাংবাদিকতা করুন নোংরামি না করে, নিজেদের মা, বোন, বউ নিশ্চয়ই আছে, সেরকম আমারও পরিবার আছে। যদি প্রেমের নিউজ করতে চান, তাহলে সময় ব্যয় করুন, আমি কোথায় যাই, কার সাথে খেতে যাই, আমার পিছনে ক্যামেরা নিয়ে ঘুরে প্রেমের নিউজ লিখবেন।

    কিন্তু বাজে কথা লিখবেন না, খোজঁ নিন আমি কোথায় থাকি। আর লিভ-টুগেদার এসব আমি বিশ্বাসও করি না। আমি চোর নই, আমি শিল্পী, শিল্পীরা সাহসী হয়, ঠিক তেমনি আমিও।

    আমি আমার বিয়ের আগ পর্যন্ত সিঙ্গেল আছি। আর বিয়ে করতে ঠোল পিটিয়ে করব। পুরান ঢাকার এবং পাঠান পরিবারের মেয়ে আমি, লুকিয়ে বিয়ে করব না, হাজারটা অনুষ্ঠান হবে, তখন নিউজ করতে করতে হাঁপিয়ে যাবেন।

    আর হ্যাঁ বিয়ে করায় ঠিক সময় এখন ও আসেনি। সবে মাত্র একটা সিনেমা করেছি, ২০টা সিনেমা না করে বিয়ে করছি না।

    (ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

  • সালমানকে মারধর করলেই মিলবে ২ লাখ টাকা!

    সালমানকে মারধর করলেই মিলবে ২ লাখ টাকা!

    বলিউড সুপারস্টার সালমান খানকে মারধর করলে ২ লক্ষ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে ভারতের ‘হিন্দু হি আগে’ নামের একটি হিন্দু সংগঠন। সংগঠনের নেতা গোবিন্দ পরাশর জানিয়েছেন, সালমানকে শারীরিক নিগ্রহের বিনিময়ে ২ লক্ষ টাকা দেবে তাদের সংগঠন। কিন্তু হঠাৎ কী এমন কাজ করলেন সালমান?

    ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, সলমনের উপরে তাদের এমন ক্ষোভের কারণ হলো সালমানের নতুন প্রযোজনা সংস্থার একটি ছবি। সেই ছবির নাম ‘লাভরাত্রি’। আগামী অক্টোবরে (সম্ভবত ৫ অক্টোবর) ওই ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা। শোনা যাচ্ছে, ছবি মুক্তি পাবে নবরাত্রির সময়েই। হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত করছেন সালমান— এমন বিচিত্র অভিযোগেই সালমানকে পেটানোর পরিকল্পনা করেছে ‘হিন্দু হি আগে’। তবে নিজেরা সেই কম্মোটি করার কথা না ভেবে অন্যকে এগিয়ে দিতে চায় তারা।

    এই সংগঠনের নেতা প্রবীণ তোগাড়িয়া। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ছাড়ার পরে এই সংগঠন গড়ে তুলেছেন তিনি। সেই প্রবীণেরই কাছের লোক বলে পরিচিত গোবিন্দ। গোবিন্দ জানিয়ে দিয়েছেন, জনসমক্ষে সালমানকে নিগ্রহ করলেই পুরস্কার দেবেন তাঁরা। পাশাপাশি সেন্সর বোর্ডকে তিনি ছবিটি নিষিদ্ধ করার জন্য অনুরোধ করেছেন।