Category: বিনোদন

  • শোবিজ নয়, এবার অন্য ভুবনের বাসিন্দার সাথে জীবন বাঁধব: শাকিব

    শোবিজ নয়, এবার অন্য ভুবনের বাসিন্দার সাথে জীবন বাঁধব: শাকিব

    ঢালিউডের নবাব শীর্ষনায়ক শাকিব খান এখন শান্তির সন্ধানে ছুটছেন। তার কথায়, দেখতে দেখতে বেলা ঢের গড়াল। পৃথিবীর উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম আর ঈশান কোণেও কম ঘোরা হলো না। সৃষ্টিকর্তা আমাকে যশ, খ্যাতি, অর্থ, বিত্ত সবই দিয়েছেন। বলতে পারেন তার ইচ্ছায় আমার জীবন এখন পূর্ণতায় ভরা। তারপরও একটা শূন্যতা আর একাকিত্ব আমাকে গ্রাস করছে। সময় তো কারও জন্য অপেক্ষা করে না। মানুষের জীবনের পরিধি বড়ই ছোট। সেই ছোট জীবনে কিছু বড় কাজ মানুষকে মৃত্যুর পরও অমর করে রাখে।

    শীর্ষ নায়কের কথায়, আমি এখন আমার জীবনকে নতুন করে সাজাতে চাই। স্থির মানুষ হতে চাই। এর জন্য দরকার একজন রিয়েল লাইফ পার্টনার। ক্ষোভ ঝরা কণ্ঠে তিনি বলেন, আগেও যে আমি এই চেষ্টা করিনি তা কিন্তু নয়। মিডিয়াকে ভালোবাসি বলে এই জগতের মানুষের সঙ্গে চিরদিনের বাঁধনে নিজেকে বেঁধেছিলাম। না, শান্তি পাইনি, প্রতারিত হয়েছি। যাদের বেশি বিশ্বাস করেছি তারাই আমার পিঠে ছুরি বসিয়েছে। হৃদয়ে রক্ত ঝরিয়েছে।

    দৃঢ়প্রত্যয়ী শাকিব বলেন, এভাবে আর নিজের রক্তক্ষরণ হতে দিতে পারি না। এবার পার্সোনাল আর প্রফেশনাল লাইফের মধ্যখানে দৃশ্যমান বিভক্তি টানতে চাই। কাজের জন্য শোবিজ দুনিয়া আর ব্যক্তিজীবনে অন্য ভুবনে বাস করতে চাই। এবার আমি যার সঙ্গে জীবন বাঁধব সে হবে শোবিজ নয়, অন্য ভুবনের বাসিন্দা। তার সুখের জন্য আমার সব প্রাচুর্য আর ভালোবাসা নিংড়ে দেব। বিনিময়ে চাইব একটু শান্তি আর সুখ। হতাশা নিয়ে নবাব শাকিব বলেন, হয়তো ফেলে আসা জীবনে উচ্ছৃঙ্খলতাকে প্রশ্রয় দিতে গিয়ে কখন কোথায় গতিরোধ করতে হবে তা বুঝে উঠতে পারিনি। আর এই না পারার দুর্ঘটনা আমাকে অনেকটা আহত আর পঙ্গু করেছে। সেই ক্ষত সারাতে চাই। এ জন্য প্রয়োজন বুদ্ধিদীপ্ত মন আর উজাড় করা ভালোবাসায় ভরা জীবনসাথী। যে আমার পথচলাটা শুধরে দেবে। দিনশেষে আমাকে একবিন্দু শান্তি দেবে, ভালোবাসায় আমার ভুবনটা ভরিয়ে দেবে। আমার পাশে বসে হাতপাখার বাতাসে পরম মমতায় সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে দেবে। আমি কি পাব না এমন ভালোবাসার মানুষের সন্ধান? আমি তো বড় বেশি অপরাধ করিনি। যা হয়েছে সবই দুর্ঘটনা।

    শান্তি সন্ধানী শাকিবের প্রশ্ন, নাটোরের বনলতা সেনের মতো কেউ কি আমাকে একদণ্ড শান্তি দেবে না। আগামী দিনের পরিকল্পনার ছক এঁকে শীর্ষনায়ক বলেন, বর্তমান সময়ে আমার হাতে থাকা সব কাজ গুছিয়ে এনে আগামী বছর নতুনরূপে নিজেকে সাজাতে চাই। অন্য এক শাকিব খানে পরিণত হতে চাই। এর জন্য দরকার মন বোঝার মতো একজন পথচলার সাথী। যে সারাদিন আমার মনটাকে শান্তিতে ভরিয়ে রাখবে। আবারও শাকিবের প্রশ্ন, কোথায় পাব তারে? আমি এখন সেই শান্তির সন্ধানে আছি। সেই শান্তির হাত ধরে নতুন বছরে নতুন করে পথচলার হিসাব-নিকাশটা করতে চাই। অভিনয় নিয়ে দিনরাত এক নিঃশ্বাসে আর দিগ্বিদিক ছোটাছুটি নয়। এবার স্থির হব। নিজের প্রযোজনার ঘর থেকে একনাগাড়ে মানগত ছবি নির্মাণ দিয়ে দেশীয় চলচ্চিত্র ভাণ্ডারকে পূর্ণতা দিয়ে যাব। আর সবই সম্ভব হবে যদি মনের মতো একজন পথচলার সাথী পেয়ে যাই। আল্লাহর কাছে এখন আমার এই একটিই প্রার্থনা—

  • সুপারহিরোদের প্যান্টের ওপর অন্তর্বাস কেন?

    সুপারহিরোদের প্যান্টের ওপর অন্তর্বাস কেন?

    সুপারম্যান, ব্যাটম্যান, অরণ্যদেব, ফ্লাশ গর্ডনের মতো সুপারহিরোদের প্যান্ট বা লেগিংসের ওপর অন্তর্বাস দেখা যায়। কিন্তু কেন? মহাতারকাদের ক্ষেত্রে এমন পোশাক স্বাভাবিক। যদি সাধারণ কোনো ব্যক্তি এমনটি করে তাহলে নির্ঘাত সবাই হাসবে। তবে কেন এমন বিচিত্র স্টাইল চালু হলো? আসুন জেনে নেই এর কারণ-

    জানা যায়, ত্রিশের দশক থেকে বিভিন্ন চরিত্রের কস্টিউম ডিজাইনের মধ্যে এ প্রবণতা শুরু হতে থাকে। এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে বলে মনে করা হয়।

    ঝকঝকে ছাপা
    এর পেছনে ছাপার প্রযুক্তিরও বড় ভূমিকা রয়েছে। সে সময়ে সস্তায় ঝকঝকে ছাপা অতোটা সহজ ছিল না। নানা সমস্যা দেখা দিত। সেসব এড়াতেই সচেতন থাকতে হতো। সাদামাটা ডিজাইনেও চরিত্রটিকে আকর্ষণীয় করে তুলতে ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ দেখাতে এমন কৌশল প্রয়োগ করা হতে পারে। প্যান্টের ওপরে অন্তর্বাস চাপিয়ে দেওয়া হয়তো তেমনই এক প্রচেষ্টা।

     

    শারীরিক দক্ষতা
    শারীরিক দক্ষতা ও পৌরুষের দিকটিও ধরা পড়ে এ ধরনের পোশাক ব্যবহারে। কারণ সুপারহিরোকে হতে হবে ‘সুপার-মাসকুলিন’! তাই তার অন্তর্বাসও থাকবে মানুষের চোখের ওপরে।

    সার্কাসের অনুরূপ
    বিশ-ত্রিশ দশকের কুস্তিগির বা সার্কাসের ট্র্যাপিজ খেলোয়াড়দের খাটো ও টাইট পোশাকের অনুকরণেই সুপারম্যানের এ পোশাকের শুরু। এমনকি অ্যাক্রোব্যাটিক স্কিলও সুপারহিরোদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য! তাই তাদের পোশাক হিসেবেও প্যান্টের ওপর অন্তর্বাস ঠাঁই পেয়ে গেল।

    সুপ্যারম্যানের সমর্থক
    সুপ্যারম্যানের পোশাকের পর থেকে বাকি সুপারহিরোদের মধ্যে এ প্রবণতা ছড়িয়ে যায়। প্যান্টের ওপরে অন্তর্বাস পরার প্রবণতা ডিসি কমিকসে যতটা, মার্ভেল কমিকসের ক্ষেত্রে ততটা নয়। চরিত্রগুলো সিনেমায় দেখানোর ক্ষেত্রেও তা লক্ষণীয় ভাবে কমছে।

    in

    বাংলা সুপারহিরো
    পুরোপুরি সুপারহিরো না হলেও সাধারণের চেয়ে অনেক গুণ শক্তিধর ‘বাটুল দ্য গ্রেট’। এ চরিত্রের নিম্নাঙ্গে না হোক ঊর্ধ্বাঙ্গে কিন্তু অন্তর্বাসই। যাকে বলে স্যান্ডো গেঞ্জি। যেন দেহচর্চার পোশাক।

    ব্যতিক্রমী শক্তিমান
    এক সময় ঝড় তুলেছিল ‘শক্তিমান’। অনেকটা বিদেশি সুপারহিরোদের মতো হলেও গুণগত মানে তাদের সমকক্ষ হয়ে উঠতে পারেনি। তবে শক্তিমানের প্যান্ট ছিল, প্যান্টের ওপরে অন্তর্বাস ছিল না

  • জাহ্নবীর ‘শ্লীলতাহানি

    জাহ্নবীর ‘শ্লীলতাহানি

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীদেবীর মৃত্যুর পর থেকেই তার বড় মেয়ে জাহ্নবী আলোচনায়। আগামী মাসে তার প্রথম ছবি ‘ধাড়াক’ মুক্তি পাচ্ছে। এনিয়ে আগ্রহের কমতি নেই চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মাঝে। তার ভক্তদের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে।

    সম্প্রতি খবর বেরিয়েছে, শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন জাহ্নবী। মুম্বাইয়ের রেস্তোরাঁ থেকে বেরিয়ে অপেক্ষায় থাকা ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছিলেন জাহ্নবী। ভিড়ের মধ্যেই এক কিশোর তাকে অশালীনভাবে (যদিও সেটি ইচ্ছাকৃত ছিল কি না বোঝা যায়নি) স্পর্শ করে। তড়িঘড়ি নিজের হাত পিছনে দিয়ে পরিস্থিতি সামলে নেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। জাহ্নবী এ ঘটনার কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি। দেহরক্ষীদের সহায়তায় হাসিমুখেই সেখান থেকে বিদায় নিয়েছেন।

  • ধূমপানের নেশায় আসক্ত যেসব বলিউড অভিনেত্রী

    ধূমপানের নেশায় আসক্ত যেসব বলিউড অভিনেত্রী

    আমরা বহু বলিউড অভিনেত্রীকে অভিনয়ের খাতিরে বহুবার অনস্ক্রিন ধূমপান করতে দেখা যায়। কিন্তু বেশ কিছু অভিনেত্রী আছেন যারা পর্দায় নয়, বাস্তবেও ধূমপানে আসক্ত। এদের কেউ কেউ আবার চেইন স্মোকারও। বহুবার ঘোষণা দিয়েও রিয়েল লাইফে স্মোকিং ছাড়তে পারেননি তারা। আসুন চিনে নিই বলিউডের সেই কয়েকজন নামিদামি অভিনেত্রীকে যারা অফস্ক্রিনেও ধূমপান করেন।

    ১। সুস্মিতা সেন-

    ধূমপানে বহুদিন ধরেই আসক্ত সুস্মিতা সেন। চেইন স্মোকার হিসাবেও তিনি পরিচিত ঘনিষ্ঠমহলে। তবে বহুদিন ধরেই তিনি এই কু অভ্যাস ছাড়ার চেষ্টা করছেন।

    ২। কঙ্গনা রানাওয়াত-

    পর্দায় বহুবার সিগারেট হাতে দেখা মিলেছে কঙ্গনার। তবে রিয়েল লাইফেও সিগারেটে আসক্ত এই অভিনেত্রী। তাই যখন ভারতে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হবে এমন কথা উঠেছিল, তখন প্রকাশ্যে কঙ্গনা বলেছিলেন, ‘ধূমপান ব্যক্তিগত ইচ্ছা, এটার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা উচিত নয়’।

    ৩। কঙ্কনা সেনশর্মা-

    ধূমপান করতে গিয়ে ক্যামেরায় ধরা পড়েছেন একাধিকবার। তবে নিজের মুখেই এক সাক্ষাৎকারে এই নায়িকা জানিয়েছিলেন, ‘আমি ধূমপান করি’।

    ৪। রানি মুখার্জি-

    চেন-স্মোকার নন কিন্তু সিগারেটের নেশা আছে রানির। এক সাক্ষাৎকারে রানি জানিয়েছিলেন, ‘সবসময় নয় কিন্তু রাতে আমার একটা সিগারেট চাই’।

    ৫। মনীষা কৈরালা-

    একসময়ের নামী বলিউড স্টার মনীষা কৈরালাও নাকি ছিলেন ধূমপানের নেশায় বুঁদ। তবে ক্যানসারের কঠিন পথ পাড়ি দেওয়ার পর আর এই কুঅভ্যাসের দিকে পা বাড়ান না তিনি।

    ৬। দীপিকা পাড়ুকোন

    দীপিকা পাড়ুকোনের ভক্তরা শুনলে অবাক হবেন, কিন্তু দীপিকার ঘনিষ্ঠমহল সূত্রের দাবি, তিনিও নাকি ধূমপানের নেশা ছেড়ে বেরোতে পারেন না। সূত্র-ওয়েবসাইট

  • জীবিত অবস্থায় কেউ তাজিন আহমেদের খবর রাখেনি

    জীবিত অবস্থায় কেউ তাজিন আহমেদের খবর রাখেনি

    অভিনেত্রী হুমাইরা হিমু দাবি করেছেন, অধিকাংশ পত্রিকায় প্রয়াত অভিনেত্রী তাজিন আহমেদকে নিয়ে মিথ্যে খবর প্রকাশিত হচ্ছে। ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ দাবি করেছেন। তাজিন আহমেদকে আপুনি সম্বোধন করে হুমায়রা হিমু বলেন, তাকে আমি কিছুটা দিন কাছে পেয়েছি, মৃত্যুর আগে কিছু সময়, কয়েকটা দিন মাত্র তার পাশে থাকতে পেরেছি। আপুনির দুঃখকষ্টগুলো শেয়ার করতে পেরেছি। তিনি আমার কাছে দুঃখকষ্টের কথাগুলো বলতেন। আমাদের স্বার্থপর মিডিয়ায়, মানুষজন যেভাবে অভিনয় করছে, যেভাবে খবর প্রচার হচ্ছে, তা দেখে বসে থাকতে পারলাম না। ভেবেছি আপুনিকে নিয়ে কোনো কথাই বলব না। কিন্তু একজন মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে যেভাবে ব্যবসা শুরু হয়েছে আমার মনে হয়েছে কথাগুলো আসলে বলা উচিত। আমি যদি না বলতে পারি আপুনির আত্মা উপরে গিয়ে শান্তি পাবে না।

    হিমু বলেন, আসলেই আমরা অনেক স্বার্থপর। আমরা প্রতিনিয়ত অভিনয় করে যাই। আমরা যে কত বড় অভিনেতা সেটা আসলে আমরা ভুলেই যাই, আমাদের সবার অস্কার পাওয়া উচিত। প্রত্যেকটা মানুষের মন্তব্য দেখছি আর হাসছি, আমরা এটা ভুলে যাচ্ছি মৃত্যুটা সত্য, সবার জীবনে আসবে। আপুনির দুঃখ-কষ্টের কথাগুলো আমরা সবাই জানতাম। কিন্তু কেউ আমরা সাহায্য করলাম না। সবার ওপরে অভিমান নিয়ে চলে গেল। সবার ওপর অভিমান ছিল আপুর, আমাদের প্রত্যেকটা মানুষের ওপরে। আজকে আমরা বলছি আমরা তার সহশিল্পী, আমরা তার কতকিছু, বন্ধু… কেন ভাই? এই বন্ধু, সহশিল্পী, বেঁচে থাকতে আমরা তার পাশে এগিয়ে আসতে পারিনি? পাশে আসা তো তো উচিত ছিল আমাদের। কিন্তু আমরা আসতে পারিনি।

    হিমু বলেন, এখন মিডিয়ার অনেক মানুষ তাজিন আপুর বন্ধু দাবি করে নানা রকম কথা বলছেন। কিন্তু তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় কেউ তার খবর রাখেনি। আর যে দাড়িয়েছে সর্বদা তার সাথে থেকেছেন তিনি মেকাপ আর্টিস্ট মিহির মহন। অথচ কোথাও কেউ তার নামটিও বলছেন না। কেন রে ভাই তারও তো একটা নাম আছে!

    ভিডিওতে কথা বলেন মিহির মহন নিজেও। তাজিন আহমেদ তাকে ছেলের মতো দেখতেন দাবি করে তিনি জানান, অনেকেই বলছেন দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গেও তাজিনের ডিভোর্স হয়েছে। কিন্তু তাজিনের সঙ্গে তার দ্বিতীয় স্বামীর ডিভোর্স হয়নি। তবে সম্পর্ক ভালো ছিল না। মৃত্যুর দিন সকালেও তাজিন তার স্বামীকে বারবার ফোন দিতে বলেছিলেন। কিন্তু মহন বারবার ফোন করেও তাকে পায়নি। তাজিনের নম্বর সে ব্লক করে রেখেছিল।

    ২২ মে দুপুর সোয়া ৩টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাজিন আহমেদকে উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা গুরুতর বলে শুরুতেই নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। এরপর ইলেকট্রিক শক ও ইসিজি রিপোর্ট দেখার পর বেলা ৪টা ২০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক নূর হোসেন তাজিন আহমেদকে মৃত ঘোষণা করেন।

  • জ্যাকুলিনের সঙ্গে নতুন প্রেমে সালমান!

    জ্যাকুলিনের সঙ্গে নতুন প্রেমে সালমান!

    বলিউডের সুলতান খ্যাত অভিনেতা সালমান খান নতুন করে প্রেমে মজেছেন। আর তার নতুন প্রেমিকা হচ্ছেন আরেক অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। সম্প্রতি জ্যাকুলিনের লাল শিফনের শাড়ি পরে একটি ছবি নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছেন বজরঙ্গি ভাইজান। এরপর থেকেই এমন গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

    বি টাউনে বলা হচ্ছে, ক্যাটরিনা, লুলিয়া এখন অতীত। নতুন নায়িকার প্রেমে পাগল বলিউডের ‘ভাইজান’। এছাড়া সোনম কাপুরের বিয়েতে জ্যাকুলিন এবং সালমান একসঙ্গে এন্ট্রি নিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন গোটা ইন্ডাস্ট্রিকে। এখন বলিউডের নতুন লাভবার্ডস হল সালমান-জ্যাকি।

    ‘রেস থ্রি’র শ্যুটিং ফ্লোরে জ্যাকুলিনের একটি ছবি শেয়ার করেন সালমান। যেখানে লাল শাড়িতে তাঁর রূপ ঠিকরে পড়ছিল। ছবিটি নিঃসন্দেহে সুন্দর। তাই জন্যই নিমেষে ভাইরাল হয় পিকচারটি। তবে ভাইরাল হওয়ার আরেকটি কারণ হল সালমান নিজেই ছবিটি ট্যুইট করে ক্যাপশন দিয়েছেন, “কী মিষ্টি লাগছে জ্যাকুলিনকে!”

    দিন কতক আগে লুলিয়ার ভান্তুরের একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্ট নিয়ে নিন্দুকদের মধ্যে জল্পনা বেশ ঘোলাটে হয়েছিল। সঠিক প্রেমের পুরুষকে বেছে নিতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। এমনই একটি পোস্ট করেছিলেন এই রাশিয়ান সুন্দরী। সূত্রের খবর, সোনমের বিয়েতে জ্যাকুলিনের সঙ্গে সালমানের ঘনিষ্টতা লুলিয়ার পছন্দ হয়নি। তাই তিনি এমন প্রেমের ব্যর্থতা সংক্রান্ত স্টেটাস দিয়ে বসেন। সালমানের সঙ্গে লুলিয়ার প্রেম একটা সময় চর্চার বিষয় ছিল। তবে হঠাৎ জ্যাকির সঙ্গে ‘ভাইজান’র ঘনিষ্ঠতা অন্যদিকে ইশারা করছে।

  • হিমালয়ের রহস্যময় গুহায় আত্মমগ্ন রজনীকান্ত

    হিমালয়ের রহস্যময় গুহায় আত্মমগ্ন রজনীকান্ত

    রজনীকান্ত। ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং সাংস্কৃতিক প্রতীক।

    ভারতীয় শহর বেঙ্গালুরুতে বেড়ে উঠেন, রজনীকান্ত অসচ্ছল জীবনের সাথে লড়াই করে কাটিয়েছেন তার শৈশব। বেঙ্গালুরু মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের বাসের সহকারী হিসেবেও কাজ করেছেন।

    এই জনপ্রিয় অভিনেতা প্রতিবছরে একবার উধাও হয়ে যান। পাড়ি জমান উত্তরাখণ্ডে। গন্তব্য এক গুহা। রীতিমতো ট্র্যাক করে পাহাড় ডিঙিয়ে সুপারস্টার পৌঁছন সেখানে। সেই যাত্রাপথে তিনি খুবই সাধারণ আহার করেন। খুবই সাধারণ জীবন যাপন করেন গোটা যাত্রায়।

    ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, কুমায়ুন হিমালয়ের আলমোড়া জেলায় এক পাহাড়ি গ্রামে আশ্রয় নেন রজনীকান্ত। সেই গ্রামের কাছেই অবস্থিত তাঁর গন্তব্যস্থল। এই গুহা এক রহস্যময় যোগীপুরুষের আবাস হিসেবে পরিচিত। তাঁর নাম বাবাজি মহারাজ। ‘মহাবতার বাবাজি’ নামে তিনি সমাধিক পরিচিত।

    দুনাগিরির এক পাহাড়ে সমুদ্রতল থেকে ৫০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই গুহাতেই কখনও সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করছিলেন এই যোগী। এই যোগী বিখ্যাত যোগসাধক শ্যামাচরণ লাহিড়ি মশাইয়ের গুরু। তাঁর প্রকৃত নাম বা পরিচয়— সবই কিংবদন্তিতে আচ্ছন্ন। পরমহংস যোগানন্দ তাঁর আত্মজীবনী ‘অটোবায়োগ্রাফি অফ আ যোগী’-তে তাঁর কলকাতার বাড়িতে বাবাজি মহারাজের অতিলৌকিক অবস্থিতির কথা লিখেছেন।

    থালাইভা জানিয়েছেন, তিনি ১৯৭৮ সালে এয়ারপোর্টের বইয়ের দোকান থেকে সেই সময়ে পরমহংস যোগানন্দের বইটি কেনেন। কিন্তু তাঁর মতে, সেই সময়ে তাঁর ইংরেজি তেমন দুরস্ত না থাকায় তিনি বইটি পড়ে উঠতে পারেননি। পরে তিনি এই গ্রন্থ পাঠ করেন এবং বাবাজি সম্পর্কে পরিচিত হন।

    বাবাজির প্রকৃত পরিচয়ের মতো তাঁর সময়কালও রহস্যাবৃত। লোকবিশ্বাস, বাবাজি আজও অবস্থান করেন তাঁর গুহায়। ভক্ত রজনীকান্ত তাঁকেই গুরু বলে মানেন। তাই প্রতি বছর কুমায়ুনের গুহায় তাঁর তীর্থযাত্রা। এই গুহায় দীর্ঘ সময় তিনি ধ্যান করেন এবং আত্মমগ্ন হয়ে কাটান।

    সূত্র: এবেলা

  • ফের ভাইরাল প্রিয়া প্রকাশ

    ফের ভাইরাল প্রিয়া প্রকাশ

    চোখের ইশারায় আর ভ্রু নাচিয়ে রাতারাতি তারকা বনে যাওয়া দক্ষিণী অভিনেত্রী প্রিয়া প্রকাশ ওয়ারিয়ার ফের আলোচনায় এসেছেন। বৃহস্পতিবার ‘উরু আদার লাভ’ ছবির নতুন মিউজিক্যাল টিজার ‘মুন্নালে পুন্নালে’ প্রকাশের পরেই ফের ভাইরাল আসেন তিনি।

    গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ইউটিউবে কিশোর প্রেম নিয়ে ওমর লুলুর মালায়লম চলচ্চিত্র ‘উরু আদার লাভ’-এর ‘মানিকিয়া মালারইয়া’র ভিডিও প্রকাশের পর সামজিক মাধ্যমে ঝড় উঠেছিল। শুধু বিতর্ক, সমালোচনায় সীমাবদ্ধ না থেকে বিষয়টি মামলা পর্যন্তও গড়ায়। এতে রাতারাতি গোটা বিশ্বে রেকর্ড ছোঁয়া জনপ্রিয়তা পেয়ে যান দক্ষিণী অষ্টাদশী প্রিয়া প্রকাশ ওয়ারিয়র।

    বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হল ছবিটির নতুন একটি মিউজিক্যাল টিজার। ‘মুন্নালে পুন্নালে’ শিরোনামের নতুন এই টিজার প্রকাশের পর ফের আলোচনায় এসেছে প্রিয়া এবং তার সহশিল্পী রোশন আবদুল রউফ।

    ১ মিনিটের এই মিউজিক্যাল টিজার ‘মুন্নালে পুন্নালে’তে ফের মন মজিয়েছে প্রিয়া ও রোশনের রসায়ন।

    ‘মুন্নালে পুন্নালে’ গানটির কথা লিখেছেন পারলে মানে এবং সুর দিয়েছেন শান রেহমান। এই টিজারেই ঘোষণা করা হয়েছে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে এই সেপ্টেম্বরেই।

    মালায়লম ছাড়াও তামিল এবং হিন্দি ভাষাতেও মুক্তি পাবে ‘উরু আদার লাভ’।

  • মোশাররফ করিম, আ খ ম হাসান তৃণমূল কর্মী, তোলপাড়!

    মোশাররফ করিম, আ খ ম হাসান তৃণমূল কর্মী, তোলপাড়!

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস। বাংলাদেশের জনপ্রিয় দুই অভিনেতা মোশাররফ করিম এবং আ খ ম হাসান নাকি সেই দলের সক্রিয় কর্মী! অবাক হলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমনই একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। যেখানে এমনটাই দাবি করছেন কৌশিক দত্ত নামের এক ভারতীয় নাগরিক। যা ইতোমধ্যে তোলপাড় ফেলেছে নেট দুনিয়ায়।

    ফেসবুকে ওই ছবি পোস্ট করে কৌশিক দত্ত লিখেছেন, “তৃণমূলের দুই সৎ ও নির্ভীক কর্মীকে গাছে বেঁধে পেটাল বিজেপির দুষ্কৃতীরা, তাঁদের অপরাধ একটাই তাঁরা তৃণমূল করে…। ছবিটা শেয়ার করে সবার কাছে পৌঁছে দিন, আর এদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করুন।”

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কৌশিক দত্ত যে ছবিটি ব্যবহার করেছেন সেটি শাহ মোহাম্মদ সংগ্রাম পরিচালিত ‘তখনো সূর্য ডোবেনি’ নাটকের একটি দৃশ্য। নাটকের একটি দৃশ্যে মোশাররফ করিম ও আ খ ম হাসানকে একটি গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন করা হয়। আর কৌশিক দত্ত সেই ছবি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে তৃণমূল কর্মী দাবি করেছেন। গত ১৬ মে বিকালে চাঞ্চল্যকর এই পোস্টটি দেওয়ার পর দ্রুত তা ভাইরাল হয়ে যায়। ইতোমধ্যে ছবিটি ৮১৭ জন শেয়ার এবং ৭ শতাধিক মানুষ তাতে মন্তব্য করেছেন। সেখানে মোশাররফ করিম এবং আ খ ম হাসানকে যারা চেনেন তারা ওই পোস্টের কঠোর সমালোচনা করেছেন।

    ফেসবুকের ওয়াল থেকে জানা গেছে, কৌশিক দত্ত পশ্চিমবঙ্গের নদীয় জেলার নবদ্বীপের বাসিন্দা। তার ওয়াল দেখে পরিষ্কার বোঝা যায় তিনি একজন কট্টর তৃণমূল সমর্থক এবং বিজেপিবিরোধী।

    মজার বিষয় হলো তিনি এই পোস্টটি যখন করেছেন তখন পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোট গ্রহণের পর ফলাফল গণনা শুরু হবে। রাজনৈতিক কারণেই বিশেষ করে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির ওপর দোষ চাপাতেই কৌশিক দত্ত এমন পোস্ট করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই পোস্টকারীর বিরুদ্ধে কেউ কেউ আইনি ব্যবস্থা নেবেন বলেও উল্লেখ করেন পোস্টটির মন্তব্যের তালিকায়।

  • যে ছবি নিয়ে এত তোলপাড়

    যে ছবি নিয়ে এত তোলপাড়

    বর্তমানে বলিউডের সর্বত্রই চলছে সোনমের রিসেপশন নিয়ে আলোচনা। যার কেন্দ্রে রয়েছে ঐ রাতে সালমান ও অর্জুনের ঠাণ্ডা লড়াই। শোনা যায়, মালাইকা অরোরার সঙ্গে অর্জুনের সম্পর্কের বিতর্কই নাকি সালমানের রাগের মূল কারণ। আর সেজন্যই সেই রাতে অর্জুনের দিকে ফিরেও তাকাননি সালমান!

    এই আলোচনা-সমালোচনা শেষ হতে না হতেই নতুন আরেক বিতর্ক হাজির! আর এবারের বিতর্কের কারণ একটি ছবি। ইনস্টাগ্রামে অর্জুন একটি ছবি পোস্ট করেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে, ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে অর্জুন কাপুরকে। আর সেই ছবিতে ‘লাইক’ করেন মালাইকা!

    উল্লেখ্য, সালমানের ভাই আরবাজ খান ও মালাইকার ১৮ বছরের সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার মূল কারণ হিসাবে দায়ী করা হয় অর্জুন কাপুরকে। জানা যায়, অর্জুনের বাবা বনি কাপুর ছেলেকে শাসন করে স্পষ্ট জানান, মালাইকার থেকে অর্জুন যেন দূরে থাকেন।