Category: বিনোদন

  • শুটিংয়ের মাঝেই ঘুমিয়ে পড়লেন শাহরুখ খান!

    শুটিংয়ের মাঝেই ঘুমিয়ে পড়লেন শাহরুখ খান!

    কী কাণ্ড বলুন দেখি! পেশাদার অভিনেতা হয়ে এভাবে প্রযোজকের পয়সা নষ্ট করা কতটা ঠিক। শাহরুখ খানের যারা ভক্ত, তারা জোর গলায় বলবেন- ‘জিরো’ ছবিটা তো প্রযোজনা করছেন গৌরী খান! কাজেই শাহরুখ যদি নিজের পয়সা নয়-ছয় করেন, কার কী বলার থাকতে পারে!

    কিন্তু গৌরী খান তো স্রেফ যুগ্ম প্রযোজকদের একজন! ছবির আরেক প্রযোজক তো আনন্দ এল রাই নিজে, যিনি কি না আবার ছবির পরিচালকও! কিন্তু প্রযোজকের পয়সা নষ্ট করার প্রশ্নটা উঠছে কেন?

    কেন না, সম্প্রতি শাহরুখ খানের একটি টুইট সে কথা ভাবাতে বাধ্য করেছে। সেই টুইটের সাথে ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটা ক্যান্টিনের মতো জায়গায় ঘুমিয়ে পড়েছেন শাহরুখ। ক্যাটরিনা কাইফ তার দিকে হস্ত নির্দেশ করে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন অসহায় চাহনি নিয়ে।

    পরিচালক আনন্দ এল রাই, কে জানে কেন, হাসছেন ঘুমন্ত খানকে দেখে! বোধহয় অর্ধেক আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে বলে! এছাড়া ছবির চিত্র নাট্যকার হিমাংশু শর্মাও অপেক্ষায় রয়েছেন ছবির ফ্রেমে নায়কের ঘুম ভাঙার!

    সঙ্গীরা এতটাই চনমনে এবং উদ্দীপক যে চোখ খুলে রাখাই দায়! ওদের সাথে উচিত ব্যবহারই করেছি সাত তাড়াতাড়ি আমায় ঘুম থেকে ডেকে তোলার জন্য, লিখেছেন টুইটে খান। সাথে আবার ছবি তোলার জন্য ঋণস্বীকার করেছেন ক্যাটরিনা কাইফের কাছে। তবে সেখানেও রয়েছে ব্যঙ্গ- ‘চিত্র সৌজন্য ক্যাটরিনা, আমার মিডিয়া ম্যানেজার!

    দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত ‘জিরো’ বক্স অফিসে ব্যঙ্গের খোরাক হয়, না অনেক দিন পরে একটা হিট ছবির মুখ দেখায় শাহরুখকে!

  • ঋতুপর্ণার ভয় আর পাওলির লুকানো ইচ্ছা

    ঋতুপর্ণার ভয় আর পাওলির লুকানো ইচ্ছা

    ঋতুপর্ণার ক্ষেত্রে বলা হচ্ছে বটে ‘আমার ভয়’! তবে ভয়টা নায়িকার মনে না কি তা সঞ্চারিত হবে দর্শকের মনে- সে কথা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না!

    কেন না, এই ‘আমার ভয়’ আদতে ঋতুপর্ণার নতুন ছবির নাম। পরিচালক মহুয়া চক্রবর্তী কোমর বেঁধে তৈরি- এমন এক ভুতুড়ে ছবি দর্শককে উপহার দেওয়ার জন্য যা দেখার পরে ভয়ে শিরদাঁড়া দিয়ে হিমেল স্রোত তো বয়ে যাবেই, একই সাথে ছবি দেখার পর আর প্রেক্ষাগৃহের আসন ছেড়ে নড়তেও সাহস হবে না!

    জানা গেছে, এই ছবিতে ঋতুপর্ণার না কি যোগাযোগ থাকবে পরলোকের সঙ্গে। অর্থাৎ তাকে দেখা যাবে প্রেততত্ত্ববিদের চরিত্রে। এই প্রেততত্ত্ববিদের অশান্ত জীবন এবং তার দাদাকে কেন্দ্র করেই ভয়ের আবহ চিত্রনাট্যের শরীরে বুনবেন বলে জানা গেছে মহুয়া। ছবিতে নায়িকার দাদার চরিত্রে দেখা যাবে অনুরাগ মোহান্তিকে। আর সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন দেবজ্যোতি মিশ্র।

    তবে ঋতুপর্ণার ক্ষেত্রে গল্পটা সেই রুপালি পর্দার খাতে চলে গেলেও পাওলি দামের ক্ষেত্রে কিন্তু তা নয়। বরং, এই লুকিয়ে রাখা ইচ্ছা তার একান্তই ব্যক্তিগত। সেই ইচ্ছা জড়িয়ে রয়েছে জীবনের চাওয়া এবং অন্য কিছু হওয়ার সাথে।

    সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে সাফ জানিয়েছেন পাওলি দাম, তার নাকি অভিনেত্রী হওয়ার বাসনা কোনো কালেই ছিল না। খুব ছোটো থেকেই তিনি হতে চাইতেন বিমানচালক। কিন্তু ওই, জীবন তো আর সব সময় পরিকল্পনার পথে চলে না। ফলে আকাশ নয়, লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশন নিয়ে ভক্তের মনের আকাশেই আসন পাতলেন তিনি!

  • শ্রীদেবীকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে জ্যাকুলিনের মুখে হাসি, এরপর…

    শ্রীদেবীকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে জ্যাকুলিনের মুখে হাসি, এরপর…

    শ্রীদেবীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার মুম্বাই স্পোর্টস সেলিব্রেশন ক্লাবে হাজির হয়েছিলেন বলিউড প্রায় সব তারকারা। বাদ যাননি বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজও। শ্রীদেবীকে শ্রদ্ধা জানাতে তিনি সাদা সালোয়ার কামিজের সঙ্গে গোলাপী দোপাট্টা পরে হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে ‘কিক’-ছবির নায়িকা যা করলেন, তা দেখে অনেকে অবাক হয়েছেন।

    শ্রীদেবীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে জ্যাকুলিন যখন মুম্বাই সেলিব্রেশন স্পোর্টস ক্লাবে হাজির হন, তখন তার মুখে হাসি ছিল। বেশ হাসি হাসি মুখ করেই সেখানে দেখা যায় জ্যাকুলিনকে। আর সেটা ক্যামেরাবন্দী হয়ে মিডিয়ায় প্রকাশ হতেই শুরু হয় সমালোচনা। একই সঙ্গে তাকে সতর্কও করে দেন নেটিজেনরা।

    নেটিজেনদের একাংশ বলেন, শুধুমাত্র লোক দেখানোর জন্য এভাবে আসবেন না। শ্রীদেবীকে সম্মান জানাতে এসে জ্যাকুলিনের এ ধরনের ব্যবহার করা মোটেও উচিত হয়নি। তবে শুধু জ্যাকলিন নন, শ্রীদেবীর শেষ যাত্রায় হাজির হয়ে, হাসি দেখা যায় জয়া বচ্চনের মুখেও। যা নিয়ে তাকেও ট্রলড করা হয়।

  • বাংলার বধূ হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন শ্রীদেবী

    বাংলার বধূ হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন শ্রীদেবী

    মিঠুনদার সঙ্গে অনেকদিন আমার কোনো যোগাযোগ নেই।  তবে আজ শ্রীদেবীর মৃত্যুসংবাদ শোনার পর থেকে মনে হচ্ছে মানুষটা কষ্ট পাচ্ছে। ছটফট করছে। মুখফুটে কতটা বলতে পারবে আমি জানি না। কিন্তু আজ যার হৃদয়ে প্রবল রক্তক্ষরণ, তার নাম মিঠুন চক্রবর্তী।

    মিঠুন-শ্রীদেবী সম্পর্ক ছিল। টান ছিল। ভালোবাসা ছিল। হিন্দু রীতিতে বিয়ে ছিল। কিন্তু জীবনের অবাক যাত্রাপথ দুজনকে আলাদা করেছে। মিলিত হতে না পারলেও পরস্পরকে সম্মান দিয়েছেন। কোনো তিক্ততা আসতে দেন নি। পরম যত্নে দৈনন্দিন জীবন থেকে আড়ালে রেখেছেন সম্পর্ক। যোগাযোগ না থাকলেও গভীর অনুভূতিটা হারিয়ে যেতে দেননি।

    মিঠুন-শ্রীদেবী সম্পর্ক আশির দশকের মাঝামাঝি থেকেই মিডিয়ায়। কিন্তু এটা যে শুধু তারকাজনিত টাইম-পাস ছিল না, বুঝেছি অনেক পরে। মিঠুনদার সঙ্গে ভালোমত আলাপের পর।

    আজ শ্রীদেবীর মৃত্যুসংবাদ শুনেই কেন জানি না হঠাৎ মনে পড়ল ২০০২ সালের এক মধ্যরাত। সল্ট লেকের ফ্ল্যাটের ঘর। মিঠুনদা আর আমি। অকপট মিঠুনদা সেদিন শ্রীদেবী সম্পর্কে মনের দরজা খুলে দিয়েছিল। সবটা লেখার নয়। সবটা মনেও নেই। কিন্তু, সেদিন তারকার মোড়কের ওপাশে দেখেছিলাম এক রক্তমাংসের পুরুষকে। যে কাতর প্রেমিক। যে রোজকার জীবনের ব্যস্ততা, বিলাস, বৈভবের মধ্যেও সযত্নে বাঁচিয়ে রেখেছে কিছু মুহূর্ত, তার মনের মণিকোঠায়। বাস্তবকে মানতে গিয়ে নিজে হাতে হত্যা করেছে এক মনের টানের সম্পর্ককে।

    শ্রীদেবীর সঙ্গে মিঠুনদার যখন সম্পর্ক, তখন মিঠুনদা যোগিতাভাবীকে বিয়ে করেছে। বড় ছেলে মিমো এসেছে।

    এমন সময়ে মিঠুন-শ্রীদেবী সম্পর্ক। সুপারহিট জুটি। পরপর হিট। দক্ষিণ থেকে আসা শ্রীদেবী ঝড় তুলেছেন। আর বঙ্গতনয় মিঠুন বলিউডে প্রতিষ্ঠার সব ব্যাকরণ ভেঙে নিজস্ব অভিধান চালু করেছেন। পর্দার জুটি ক্রমশঃ পর্দার বাইরেও।

    সব জানতেন মিঠুনদার বন্ধু তথা দাদা অধুনাপ্রয়াত গৌতমদা আর শ্রীদেবীর বোন। দুই নক্ষত্রের একান্তে দেখার আয়োজন সম্ভবত তারাই করতেন।

    এখান থেকেই আরও গভীরতা। এবং শেষে একটি বিশেষ মন্দিরে হিন্দুমতে বিয়ে। তিনদিনের মধুচন্দ্রিমা।
    এর পরেই আশ্চর্য ধর্মসংকট। স্বাভাবিকও বটে।

    শ্রীদেবীর বক্তব্য, মিঠুনদাকে পরিবার ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হবে। শ্রীদেবীর দিক থেকে এটা সঠিক দাবি।

    কিন্তু মিঠুন স্ত্রী, পুত্রকে ছেড়ে বেরোতে পারলেন না। বাবা, মাও মিঠুনকে সমর্থন করলেন না। মিঠুন সময় চাইলেন শ্রীদেবীর কাছে।

    প্রবল মিঠুনপ্রেমে পাগলপারা শ্রীদেবী মিঠুনকে সময় দিলেন মাত্র ৪৮ বা ৭২ ঘন্টা। বাড়ি ছেড়ে আসার। অন্যথায় শ্রীদেবী অপেক্ষা করবেন না।

    শ্রীদেবীর এই চাপটা ছিল গভীর প্রেম থেকেই। মিঠুনকে নিজের মতো করে পাওয়ার জন্য। কিন্তু এই সময়সীমাটাই যেন ব্যক্তিগত সম্পর্কের সীমা ছাড়িয়ে দুই সুপারস্টারের ইগোর সংঘাতে পরিণত হল। মিঠুন সময়ের চাপ মানতে পারলেন না। শ্রীদেবী সরে গেলেন।

    শুনেছি, যখন ‘অন্যায় অবিচার’ ছবির শ্যুটিং চলছে দীঘার কাছে, তখনও শ্রীদেবীর বোন কলকাতা এসে মিটমাটের চেষ্টা করেছিলেন।
    কিন্তু তখন দুই মহাতারকাকে আর মেলানো সম্ভব হয়নি।
    এরপর মিঠুন মুম্বাই ছেড়ে উটিতে সাম্রাজ্য বসান।
    মিঠুন-শ্রীদেবী প্রেম অসম্পূর্ণ থেকে রাজকাপুর-নার্গিস বা অমিতাভ-রেখার জুটির তালিকায় ঢুকে যায়।

    এই সম্পর্কে কিছু ঠিক, কিছু ভুল, কিছু প্রশ্ন যে কেউ তুলতে পারেন। কিন্তু ঘটনা হল, সম্পর্ক আর মনের মিল নীতিকথা মেনে হয় না, এটা বাস্তব।
    মিঠুনদা মনেপ্রাণে ভালোবেসেছিল শ্রীদেবীকে, বাস্তব।
    শ্রীদেবী মিঠুনদাকে চেয়েছিলেন, এটাও বাস্তব।
    আর সবচেয়ে কঠিন বাস্তব, যে কোন কারণেই হোক, দুজনকে থমকে দাঁড়াতে হয়েছে।

    দুজনে ব্যস্ত থেকেছেন আলাদা বৃত্তে। মিঠুন পেশাগত লড়াইতে, নানা কাজে, পারিবারিক কর্তব্যপালনে। শ্রীদেবী বনি কাপুরকে বিয়ে করে দূরের সংসারে।

    সময় পেরিয়েছে। দুজনে আলাদা কক্ষপথে রেখেছে নিজেদের। দায়িত্বশীলভাবে। অতীতকে প্রকাশ্যে এনে বর্তমানের চৌম্বকীয় ক্ষেত্রটির ভারসাম্য নষ্ট করেনি কেউ। শুধু মনের মধ্যে রয়ে গেছে পরস্পরের প্রতি সম্মান আর ফেলে আসা মুহূর্ত।

    আজ যখন মিঠুনদা হঠাৎ খবর পাবে “শ্রী” নেই, আমি নিশ্চিত, এক অব্যক্ত যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে উঠবে ও।
    অসম্পূর্ণ সম্পর্কের অভিমানী সহযাত্রীর চিরবিদায়ের ধাক্কা সামলাতে খুব কষ্ট হবে মিঠুনদার।

    লেখক : তৃণমূল সাংসদ, সাংবাদিক এবং একসময় মিঠুন চক্রবর্তীর বাণিজ্যিক সহযোগী

    (লেখকের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

  • রিয়্যালিটি শো’র প্রতিযোগীকে জোর করে চুম্বনের চেষ্টা পাপনের

    রিয়্যালিটি শোতে প্রতিযোগীকে জোর করে চুম্বনের চেষ্টা করলেন গায়ক পাপন। আর এই চুম্বনকাণ্ডের জেরেই তার বিরুদ্ধে পকসো অ্যাক্টে অভিযোগে দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে জানা যায়, হোলি সেলিব্রেশনের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পাপন গানের রিয়্যালিটি শোতে অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীদের মধ্যে এক নাবালিকাকে হোলির রং মাখাচ্ছেন এবং তারপর তাকে জোর করে চুম্বনের চেষ্টা করছেন৷

    তবে এই অভিযোগ দায়ের করার পর পাপনের আইনজীবী জানান, ওই ভিডিও ক্লিপিংসটি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে৷ ওই নাবালিকার বাবা সংবাদ মাধ্যমকে এই বিষয়টিকে নিয়ে হইচই না করার আবেদন জানিয়েছেন বলেও জানান পাপনের আইনজীবী৷

  • এক রাতেই সানিকে ছাড়িয়ে গেলেন প্রিয়া

    মাত্র এক রাতেই সেলিব্রিটি হয়ে উঠেন প্রিয়া প্রকাশ ওয়ারিয়র। সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছে একটি ভিডিওতে। যেখানে দেখা যাচ্ছে স্কুলের একটি অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীরা আনন্দ করছে। এরপর দেখা যায় ভিডিওতে একটি ছেলে এক মেয়ের দিকে ভুরু নাচিয়ে ইশারা করছে। পাল্টা ইশারা করে মেয়েও।

    এরপরই দেখা যায়, মেয়েটি চোখ টিপে প্রেমের আদর গ্রহণ করছে ছেলেটির থেকে। ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র একদিন আগে এই ভিডিওটি নিয়ে মেতে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া।

    ভিডিওটি একটি মালয়ালি ছবির অংশ। ছবির নাম ‘উরু আদার লাভ’। ছবির অন্যতম মূল চরিত্রে অভিনয় করছে সিনেমা জগতে সদ্য পা রাখা প্রিয়া। এই ছবিরই একটি গান ‘মানিকিয়া মালারইয়া।’ সেই গানেরই একটি দৃশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যা ইউটিউবে ইতিমধ্যেই ২ মিলিয়ন ভিউ পেয়েছে। এরপরই রাতারাতি সেলিব্রিটি হয়ে গেছেন প্রিয়া।

    এমনকি সানি লিওনি, ক্যাটরিনা কাইফদেরও হারিয়ে দিয়েছেন তিনি। গুগল সার্চে এই দু’দিনে সবচেয়ে বেশিবার সার্চ হয়েছে প্রিয়ার নাম। এতদিন এই তালিকার শীর্ষে ছিলেন সানি লিওন। তারপর ক্যাটরিনা কাইফ, অানুশকা শর্মা, দীপিকা পাড়ুকোনরা ছিলেন তালিকায়।

    কেরলের ত্রিশূরের বাসিন্দা প্রিয়া ভক্তদের পাগল করে দিয়েছেন। শান রহমানের সুরে, ভিনীথ শ্রীনিবাসনের আওয়াজে গানটি ইতিমধ্যেই জনপ্রিয়। প্রিয়া তো বটেই।

    টুইটারে প্রিয়া বলেছেন, একটা গানের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় এতটা জনপ্রিয় হয়ে যাব তা ভাবতেই পারিনি। এত লোক আমাকে সমর্থন করেছেন!‌  ‌‌

  • ক্ষমা চাইলে সব ভুলে আবার সংসার শুরু করতাম: শাকিব

    ক্ষমা চাইলে সব ভুলে আবার সংসার শুরু করতাম: শাকিব

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে শাকিব খানের করা ডিভোর্সের আবেদনের দু’দফা সমঝোতা বৈঠকে ঢালিউড সুপারস্টার উপস্থিত না থাকায় ভেস্তে গেছে তাদের নতুন করে সংসার গড়ার পথ। এদিকে, আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি পূর্ণ হবে ডিভোর্স আবেদনের তিন মাস। একই সঙ্গে কার্যকর হবে ডিভোর্স।

    এ প্রসঙ্গে শাকিব খান বলেন, ‘সহ্যের সীমা আছে, তার জন্য কী করিনি, সে আমাকে স্বামী হিসেবে কখনো মানেনি চেয়েছিলাম সুখে শান্তিতে ঘর করতে। তারপরেও সে নানাভাবে আমাকে মানসিক যন্ত্রণা দিয়েছে। সর্বশেষ গত বছরের ১০ এপ্রিল আমার বিরুদ্ধে আমার সন্তানকে নিয়ে টেলিভিশন চ্যানেলে লাইভ অনুষ্ঠানে যাওয়া কি তার উচিত ছিল? তারপরেও আমি তার ও আমার সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে বার বার সব ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করেছি।’

    শাকিব খান বলেন, ‘১০ এপ্রিলের ঘটনার পরেও নিয়মিত তার বাসায় যেতাম, তার ও আমাদের সন্তানের খোঁজখবর নিতাম। মাসে যা ভরণ-পোষণ দরকার সবই দিচ্ছি। এত কিছুর পরেও সে কখনো আমাকে ঘিরে তার করা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের জন্য একবারও সরি বলেনি। সে শুধু আমাকেই অপমান করেনি। আমার বাবা-মাকেও অসম্মান করেছে। সে যদি একবার সবার সামনে এর জন্য ক্ষমা চাইত আমি অবশ্যই সব ভুলে গিয়ে আবার ঘর সংসার শুরু করতাম।’

    শাকিব দুঃখ করে বলেন, ‘এরপর আবার সে আমার বাচ্চাকে বাসায় কাজের মানুষের কাছে রেখে ঘর তালাবদ্ধ করে দেশের বাইরে চলে যায়। এমন খবরে সন্তানের জন্য চরম উৎকণ্ঠিত হয়ে দেশে এসে সন্তানকে উদ্ধারে নিকেতনে তার বাসায় ছুটে যাই। সেখানে গিয়ে জানতে পারলাম, দরজায় তালা দিয়ে অপু চাবি নিয়ে চলে গেছে। এরপর বাবা হিসেবে আমি কেমন মানসিক যাতনায় ছিলাম তা কারও বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।’

    ঢালিউড সুপারস্টার বলেন, ‘এরপরও কিছু বলিনি। অপু ফিরে এসে এর জন্য আমার কাছে ক্ষমা তো চায়নি বরং আমার বিরুদ্ধে আবার বিষোদগার শুরু করে। এই অবস্থায় তাকে ডিভোর্স দেওয়া ছাড়া আমার আর কোনো পথ ছিল না। ২২ নভেম্বর বাধ্য হয়ে আইনজীবী মারফত ডিভোর্স লেটার পাঠাই।’

  • সানির বিরুদ্ধে ফের থানায় অভিযোগ

    সানির বিরুদ্ধে ফের থানায় অভিযোগ

    পর্নগ্রাফি ছেড়ে অভিনয় জগতে এসেছেন সানি লিওনি৷ পর্নস্টারের ইমেজ ঝেড়ে এখন তিনি সফল বলিউড অভিনেত্রী৷ কিন্তু আজও তাকে দেখলে অনেকের চোখে সানির পর্নস্টার ইমেজ ভেসে ওঠে৷ সেই ইমেজের জন্য মাঝে মধ্যেই সমালোচিত হতে হয় তাকে৷

    এই পর্নস্টার ইমেজের কারণে ফের বিপাকে সানি৷ তার বিরুদ্ধে চেন্নাইয়ের নাজারথপেট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ব্যক্তি৷সেই অভিযোগে বলা হয়েছে, সানি পর্ণগ্রাফিকে প্রচার করেন৷ দেশের আইন অনুযায়ী যা অপরাধ৷ সানির জন্য দেশের সংস্কৃতিরও বারোটা বাজছে বলে দাবি অভিযোগকারীর৷

    এদিকে শনিবারই চেন্নাইতে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন সানি৷ এই প্রথম তামিল ছবিতে অভিনয় করতে চলেছেন সানি৷ ছবির নাম ভিরামা দেবী৷ ঐতিহাসিক পটভূমিকায় নির্মিত ছবিটি৷ এই ছবিতে সানিকে যোদ্ধা রাজকুমারীর বেশে দেখা যাবে৷

    এই চরিত্রের জন্য সানি লিওনিকে তরোয়াল চালানোর প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে৷ এই ছবির অনুষ্ঠানে চেন্নাইতে পা রাখেন তিনি৷ আর এদিনই থানায় তার নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ যদিও এনিয়ে অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে কোন বিবৃতি আসেনি৷

    এই প্রথম নয়৷ এর আগে সানিকে নিয়ে উত্তাল হয় চেন্নাই৷ গত বছর সানির বর্ষবরণ অনুষ্ঠান বন্ধের দাবিতে চলে বিক্ষোভ৷ কিছু কট্টরপন্থী সংগঠন বর্ষবরণের রাতে সানির অনুষ্ঠানের প্রবল বিরোধীতা করে৷ তাদের দাবি এই ধরনের অনুষ্ঠান রাজ্যের সংস্কৃতিতে আঘাত হানবে৷ যার জেরে অনুষ্ঠান বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় আয়োজকরা৷

    সূত্র: কলকাতা টোয়েন্টিফোর সেভেন

  • প্রধানমন্ত্রীর অনুদান পেলেন কাজী হায়াৎ

    প্রধানমন্ত্রীর অনুদান পেলেন কাজী হায়াৎ

    বরেণ্য অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা কাজী হায়াৎ-কে আর্থিক অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার গণভবনে তাকে ১০ লাখ টাকা আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

    দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিকসে ভুগছেন কাজী হায়াৎ। তার চিকিৎসার জন্যই এই আর্থিক অনুদান দেয়া হয়।

  • বিদ্যাকে ছুঁয়ে দেখতে চেয়েছেন ভক্ত!

    তারকাদের যেমন খ্যাতি ও যশ রয়েছে, তেমনি রয়েছে বিড়ম্বনাও। এমনই বিড়ম্বনায় পড়লেন বলিউডের তারকা অভিনেত্রী বিদ্যা বালান।

    সম্প্রতি হঠাৎ করেই বিদ্যাকে দেখা যায় মুম্বাই বিমানবন্দরে। হয়তো কোনো ভ্রমণ শেষে ফিরছিলেন তিনি। সবাই তাকে ঘিরে ধরলেন। এর মধ্যে আবার একজন তার পাগল ভক্ত। তিনি একটা ছবি তুলতে চান। কিন্তু আচরণে এতটাই আগ্রাসী হয়ে উঠলেন যে তিনি আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করে বসলেন বিদ্যাকে। খুবই বিরক্ত হলেন ন্যাশনাল ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী তারকা।

    বিদ্যা কঠিন চোখে তার দিকে তাকালেন। কড়া কণ্ঠে বললেন পাশে দাঁড়িয়ে ভদ্রভাবে ছবি তুলতে। নিজেকে সামলে নিলেন ভক্ত। বোঝালেন, আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বিদ্যাকে ছুঁয়ে দেখতে চেয়েছেন। উদ্দেশ্যমূলকভাবে করেননি কাজটা। তবুও বিদ্যা তার সঙ্গে একটা সেলফি তুলেছেন।

    এছাড়া অর্জুন কাপুরের বোন আনুশলা কাপুরও পড়েছিলেন বাজে পরিস্থিতিতে। তিনি ভাই অর্জুনের সঙ্গে একটি মুভির স্ক্রিনিং দেখতে যাচ্ছিলেন শহরতলীর এক থিয়েটারে। সেখানে রাস্তা আটকালেন এক ভক্ত। সেলফি তুলতে চান। অর্জুনের সঙ্গে ছবি তুলতে চান। কিন্তু সীমা ছাড়ালেন। এত কাছে চলে এলেন যা অর্জুনের মোটেও পছন্দ হলো না। বোন ভক্তকে বোঝালেন। কিন্তু তিনি খুব দ্রুত সেলফি তুলতে প্রস্তুতি নিলেন। আনুশলাকেও অস্বস্তিকর অবস্থায় ফেলে দিলেন। তবে অর্জুন খুব দ্রুত বোনকে সরিয়ে নিতে সক্ষম হন।