Category: বিনোদন

  • নেকড়ের সঙ্গে সালমান খানের লড়াই!

    নেকড়ের সঙ্গে সালমান খানের লড়াই!

    সিনেমার পর্দায় দর্শকদের আনন্দ দিতে কত কসরতই তো করেন তারকারা। কিন্তু তাই বলে সত্যিকারের নেকড়ের সাথে লড়াইয়ের মতো দুঃসাহস কেউ করেন? কেউ না করলেও এমন দুঃসাহস করেছেন বলিউড ভাইজান খ্যাত তারকা সালমান খান।

    তার নতুন ছবি ‌‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’- এর একটি দৃশ্য ছিলো নেকড়ের সঙ্গে লড়াইয়ের। সেই দৃশ্যের একটি ছবি টুইটারে পোস্ট করেছেন পরিচালক আলি আব্বাস জাফর। তিনি বলেন, ভেবেছিলেন প্রযুক্তির মাধ্যমেই সেই দৃশ্যটি করবেন। কিন্তু দর্শকদের কাছে যেনো খুঁত না থাকে তার জন্যে প্রযুক্তির নেকড়ে নয়, দৃশ্যায়নের জন্যে বন্দোবস্ত করা হয়েছিলো একেবারে জীবন্ত রক্ত পিপাসু নেকড়ে।

    অস্ট্রিয়ার তুষার ঢাকা সে জঙ্গলে কয়েকটি নেকড়ের ব্যবস্থা করেছিলেন অ্যাকশন দৃশ্যের পরিচালক টম স্ট্রাথার। এই দৃশ্যধারন সম্পর্কে ছবির পরিচালক আলী আব্বাস জাফর বলেন, ‘বলিউডের রুপালি পর্দায় এ ধরনের অ্যাকশন দৃশ্য প্রথমবারের মতো দেখবেন দর্শক। জীবন্ত নেকড়ের সঙ্গে অ্যাকশন দৃশ্য করে অ্যাকশন হিরো হিসেবে নিজেকে অন্যস্থানে নিয়ে গেলেন সালমান।’

    আগামী ২২ ডিসেম্বরে রুপালি পর্দায় মুক্তি দেয়া হবে সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ অভিনীত ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ ছবিটি। ছবিটিতে একজন ভারতীয় গোয়েন্দা এজেন্টের ভূমিকায় দেখা যাবে সালমান খানকে।

  • আমি চাই না অপু জল ঘোলা করুক: শাকিব

    আমি চাই না অপু জল ঘোলা করুক: শাকিব

    চিত্রনায়ক শাকিব খানের মতে, অপু বিশ্বাসের সঙ্গে তার বিয়ের দেনমোহর ৭ লাখ ১ টাকা। তার স্ত্রী অপুর দাবি, অঙ্কটা ১ কোটি ৭ লাখ টাকা। এ নিয়ে অপুর বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগও তুলেছেন তার স্বামী শাকিব। অপুও তার প্রতিবাদ করেছেন। তবে নিজেদের বিয়ে, সন্তানসহ অন্য সব ইস্যুর মতো এ ইস্যুতেও জল ঘোলা হোক তা চান না শাকিব।

    শাকিব বলেন, অপু ৭ লাখ ১ টাকাকে সে উল্টো ১ কোটি ৭ লাখ টাকা বানাতে চাইছে। এই জালিয়াতির অপরাধে তাকে আইনগতভাবে শাস্তি পেতে হবে। অনেক সেলেব্রেটির জীবনে বিচ্ছেদ এসেছে। আর এজন্য জল ঘোলা করেনি কেউ। আমিও চাই না অপু এমন কিছু করুক। আর আমার ছেলে বড় হয়ে বাবা ও মা সম্পর্কে খারাপ কোনো কথা জানুক এটাও আমি চাই না।

    অপু বলছেন, যদিও আমার কাছে কাবিননামার কোনো কপি নেই, তারপরও মনে পড়ছে কাবিননামায় ১ কোটি ৭ লাখ টাকাই উল্লেখ ছিল। আমাকে ডিভোর্স দিলে এই অঙ্কের টাকাই দিতে হবে।

    এ নিয়ে শাকিব খান বলেছেন, আমি আর কোনো ঝামেলার মধ্যে নেই। আইনই সব দেখবে। যার সঙ্গে মতের মিল হয় না, তার সঙ্গে কখনো এক ছাদের নিচে বসবাস করা যায় না। অনেক কষ্ট সহ্য করে ৯ বছর সংসার করেছি। জয়ের (অপু-শাকিবের ছেলে) উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা ভেবেই সেপারেশনের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি।

    ডিভোর্সের সিদ্ধান্তে অপু বলেছেন, শাকিবের সিদ্ধান্ত মেনে নিতাম যদি একই ধর্মের হতাম। আমাকে ও জোর করে ধর্মান্তরিত করেছে, বিয়ে করেছে। তাই তার এই অমানবিক সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেব না। শাকিবের মা, বাবাকে বলেছি আমি নামাজ, রোজা, হজ আদায় করব আর শাকিবের সঙ্গে সুখে সংসার করব। তারাও আমার কথায় সম্মত হয়েছিলেন। এরপর এমন কী ঘটনা ঘটল যে, সে আমাকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল? শাকিবের এখন মাথা ঠিক নেই। সে দেশে এসে যা অভিযোগ করার করুক। হায়দরাবাদে বসে কী বলল আর আমি তার পরিপ্রেক্ষিতে জবাব দিলাম, সেটা হতে পারে না। কাবিননামায় দেনমোহর কত টাকা ছিল তার সাক্ষী আছেন যারা, তারা ভালো করে জানেন।

  • হানিমুনে যেখানে যাচ্ছেন বিরুশকা দম্পতি

    বিয়ে নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান হল। ইতালির তাস্কানিতে হিন্দু মতে বিয়ে হলো বিরাট কোহলি আর অানুশকা শর্মার। এই হাই প্রোফাইল বিয়েতে বলিউড বা ক্রিকেট দুনিয়ার কোনও সেলিব্রিটিই নেই।

    আগামী ২১ ডিসেম্বর নয়াদিল্লি এবং ২৬ ডিসেম্বর মুম্বাইয়ে গ্র্যান্ড রিসেপশনের আয়োজন করেছেন বিরাট-অানুশকা। সেখানে আসবেন দুই দুনিয়ার  তারকারা।

    আসন্ন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে দলের নেতৃত্বে ফিরছেন বিরাট। তা হলে বিরুশকার মধুচন্দ্রিমার কী হবে? ধারণা করা হচ্ছে, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে দক্ষিণ আফ্রিকায় মধুচন্দ্রিমায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিরুশকা। সেখান থেকেই দলের সঙ্গে যোগ দেবেন অধিনায়ক কোহলি।

  • অবশেষে ভেঙে গেল শাকিব-অপুর সংসার

    অবশেষে ভেঙে গেল শাকিব-অপুর সংসার

    তারকা দম্পতি শাকিব-অপুর গোপন বিয়ের খবর জানাজানি হয় চলতি বছর ১০ এপ্রিল। এরপর থেকে চলচ্চিত্র পাড়ায় গুঞ্জন ছিল শাকিব-অপুর সংসার নাকি টিকবে না! সেই গুঞ্জন সত্যি হলো। অবশেষে ভেঙে গেলো শাকিব-অপুর সংসার।

    বর্তমানে নোলক ছবির শুটিং এ হায়দ্রাবাদে আছেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। সেখান থেকে জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করে তিনি জানান, ‘অপুর কাছে ডিভোর্সের চিঠি পাঠিয়েছি। ৩০ নভেম্বর হায়দ্রাবাদ আসার আগে ডিভোর্স পেপারে স্বাক্ষর করেছি।’

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ ডিভোর্সের আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টের শেখ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।

    অপরদিকে চিত্র নায়িকা অপু বিশ্বাস জানিয়েছেন, ‘গণমাধ্যমের খবরে জেনেছি শাকিব আমাকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছে। কিন্তু আমি তা হাতে পাইনি। কারণ আমি বাসায় ছিলাম না।’

    শাকিব তার পক্ষ থেকে ডিভোর্স দিয়েছেন এমনটা জানা গেছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাংলার মুখকে এসব কথা বলেন অপু বিশ্বাস।

    তিনি বলেন, বাসায় গেলে বলতে পারব চিঠি এসেছে কি-না। চিঠি পেলে কী ব্যবস্থা নেবেন- জানতে চাইলে অপু বলেন, কী আর ব্যবস্থা নেব। সে যদি এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে আমার আর কিছু করার থাকবে না। আমার পরিবারের লোকদের সঙ্গে বসে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেব। এমন কিছু হলে আমাদের দু’জনেরই ইমেজ নষ্ট হবে। আমাদের একমাত্র ছেলের জীবনটাও একটা ধাক্কার মধ্যে পড়বে। দেখা যাক কী হয়।

    শাকিবঅপু গোপনে বিয়ে করেন ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল। বিয়ের ৮ বছরের মাথায় তাদের কোল জুড়ে আসে এক পুত্রসন্তান। তার নাম আব্রাহাম খান জয়।  ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার একটি ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে জয়ের জন্ম হয়।

  • দেশের বাইরে ২০ প্রেক্ষাগৃহে তৌকীরের ‘হালদা’

    দেশের বাইরে ২০ প্রেক্ষাগৃহে তৌকীরের ‘হালদা’

    তৌকীর আহমেদ নির্মিত ‘হালদা’ ছবিটি গত ১ ডিসেম্বর দেশের প্রায় ৮০টি হলে মুক্তি পায়। এবার দেশের বাইরেও মুক্তি পেতে যাচ্ছে ছবিটি। আমেরিকা, কানাডা, ওমান এবং আরব-আমিরাতের ২০টি প্রেক্ষাগৃহে বাণিজ্যিক প্রদর্শনের জন্য যাচ্ছে হালদা।

    আন্তর্জাতিক পরিবেশক সংস্থা স্বপ্ন স্কেয়ারক্রো ইনক এ তথ্য জানিয়েছে। আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলস, ডালাস, ফ্লোরিডা ও ভার্জিনিয়ার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘হালদা’। একই দিনে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে কানাডার টরন্টো আর মিসিসাগা শহরে। ১৯ জানুয়ারি মুক্তি পাবে দেশটির এডমন্টন (প্রথমবারের মত), ক্যালগেরি এবং উইনিপেগ শহরের ৩টি প্রেক্ষাগৃহে।

    অন্যদিকে ৮ ডিসেম্বর আমেরিকা, কানাডা ছাড়াও ‘হালদা’ মুক্তি পাচ্ছে ওমানের ৪টি প্রেক্ষাগৃহে। পর্যায়ক্রমে ইউএই-এর ৬টি শহরেও মুক্তির কথা রয়েছে ছবিটি।

    ‘হালদা’র অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, নুসরাত ইমরোজ তিশা, জাহিদ হাসান, ফজলুর রহমান বাবু, রুনা খান, মোমেনা চৌধুরী ও শাহেদ আলী সুজন।

  • আমেরিকান অভিনেত্রীর বিকিনি পরা ছবি পোস্ট করে ‘ট্রোলড’ শ্রদ্ধা

    আমেরিকান অভিনেত্রীর বিকিনি পরা ছবি পোস্ট করে ‘ট্রোলড’ শ্রদ্ধা

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলড হলেন শ্রদ্ধা কাপুর। বডি শেমিং নিয়ে মুখ খুলে ট্রোলড হতে হল তাকে। শনিবার শ্রদ্ধা সোশ্যাল মিডিয়ায় আমেরিকার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মারলিন মোনরোর বিকিনি পরা মেদবহুল একটি ছবি পোস্ট করেন।

    ক্যাপশনে লেখেন, মারলিনের ফিগার মোটেও টোনড নয়। তা সত্ত্বেও তিনি বিশ্বের সেক্সিয়েস্ট নারীর একজন। ছবিটি দিয়ে তিনি বডি শেমিংদের মুখ বন্ধ করতে চেয়েছেন।

    ছবিটি পোস্ট করার কিছুক্ষণের মধ্যে তাকে ‘হিপোক্রিট’ বলে ট্রোল করা হয়। শ্রদ্ধা যে গ্রীণ-টি ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন করেন টুইট করে কেউ কেউ তাকে সেই বিজ্ঞাপন না করার পরামর্শ দেন। আবার কেউ লেখেন মারলিন হয়তো গ্রীণ-টি পান করতেন না।

    বলিউডে দুই ধরনের অভিনেত্রী আছেন। একদল আছেন যারা ফিটনেট সচেতন।

    সেই তালিকায় রয়েছেন দীপিকা পাডুকোন, ক্যাটরিনা কাইফ, করিনা কাপুর, মালাইকা অরোরার মতো বলি সেলিব্রেটিরা। আবার অনেক অভিনেত্রী আছেন যারা শরীরের ওজন নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামান না। যেমন বিদ্যা বালান, পরিনীতি চোপড়া প্রমুখ।

    বিদ্যা বালানকে তো প্রায় তার ফিটনেস নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। কিন্তু তাতে কুছ পরোয়া করেন না তিনি। বিদ্যার মতে, অভিনয়ের মাপকাঠিতে অভিনেত্রীদের যাচাই করা উচিত। শরীরের মাপকাঠিতে নয়।

  • ইউটিউবে মুক্তি পেল শহীদ-অন্তু-হিমি’র ‘দূরত্ব’

    ইউটিউবে মুক্তি পেল শহীদ-অন্তু-হিমি’র ‘দূরত্ব’

    দীর্ঘ বিরতির পর প্রকাশ পেল ‘এক জীবন’ খ্যাত কণ্ঠশিল্পী শহীদের নতুন গান ও ভিডিও। ‘দূরত্ব’ শিরোনামের এই গানটির ভিডিওতে মডেল হয়েছেন অন্তু করিম ও জেএস হিমি। আর গল্পনির্ভর এই স্মৃতিকাতর ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন তানজিম মিশু।

    লুৎফর হাসানের কথা-সুর ও আমজাদ হোসেনের সংগীতায়োজনে ৩০ নভেম্বর বিশেষ এই গানটির ভিডিও প্রকাশ করেছে প্রযোজনা-পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান সিএমভি।

    গানটি প্রকাশের পর থেকে বেশ সাড়া পাচ্ছেন বলে জানালেন শহীদ। তিনি বলেন, ‘অনেকদিন পর নতুন মিউজিক ভিডিও প্রকাশ হলো আমার। অনেক শ্রম আর ভালোবাসা দিয়ে গান ও ভিডিওটি তৈরি করেছি আমরা। ভালো একটি কাজ হয়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছি। আমার বিশ্বাস, মিউজিক ভিডিওটি সকলের ভালো লাগবে। ’

    এদিকে সুপারহিট গান ‘এক জীবন’ এর ভিডিও থেকেই মডেল-অভিনেতা অন্তু করিমকে নিয়ে কাজ করছেন কণ্ঠশিল্পী শহীদ।

    তবে তাদের অন্য যে কোনও ভিডিওর চেয়ে এবারের গল্প এবং নির্মাণ ভাবনা বেশ আলাদা। এই ভিডিওতে অন্তু করিমকে হিমির বিপরীতে দেখা গেছে যুবক এবং বৃদ্ধর চরিত্রে।

    শহীদ বলেন, ‘শুরু থেকে অন্তু যে এখনও আমার মিউজিক ভিডিওগুলোতে কাজ করছে এতে আমি আনন্দিত। মডেল হিসেবে তার পরিচিতি বেশ প্রশংসিত। হিমিও ভালো কাজ করেছে। সকলের প্রচেষ্টায় একটি ভালো গান শ্রোতা-দর্শককে উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ’

  • অন্তরঙ্গ দৃশ্যের জন্য মদ পান কারিনার!

    অন্তরঙ্গ দৃশ্যের জন্য মদ পান কারিনার!

    সিনেমায় নিজের চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলতে বেশ পরিশ্রম করতে হয় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের।   কিন্তু মাঝে মাঝে চরিত্রের প্রয়োজনে বিকল্প কিছু পন্থাও অবলম্বন করে থাকেন।

    বিশেষ করে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করতে গেলে সৃষ্টি হয় অস্বস্তির।   এমন অস্বস্তিতে পড়েছিলেন পতৌদির নবাব পরিবারের পুত্রবধূ কারিনা কাপুর খান।   এমনকি অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয়ের জন্য মদপান করতে হয়েছিল তাকে।

    ঘটনাটি ঘটে মধুর ভান্ডারকরের ‘হিরোইন’ ছবিতে । ওই ছবিতে অভিনয় করেন অর্জুন রামপাল ও কারিনা কাপুর। যেখানে কারিনাকে অর্জুনের সঙ্গে একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যে দেখা যায়। দৃশ্যটি নিয়ে বলিউড তখন রীতিমতো সরগরম ছিল। শুরুতে কারিনা নাকি মধুরকে পরিষ্কার জানিয়ে দেন, এ ধরনের দৃশ্য তিনি কিছুতেই করবেন না। কারণ, তখন এই বলিউড সুন্দরী পাতৌদির নবাব সাইফ আলী খানের বেগম হতে যাচ্ছেন।

    তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আর কখনো কোনো অন্তরঙ্গ বা গভীর চুম্বনের দৃশ্য করবেন না। কিন্তু মধুরের জেদের কাছে হার মানতে হয় কারিনাকে।

    এবার আসা যাক এই অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ের প্রসঙ্গে। ‘হিরোইন’ ছবিতে কারিনা নিজের চরিত্রকে বাস্তবসম্মত করতে অনেক ধূমপান করেন। এমনকি তিনি মদ্যপানও করেছিলেন। ফলে দৃশ্যটি আরও বাস্তব হয়ে ওঠে। শোনা গেছে, একটি পাঁচ তারকা হোটেলের কক্ষে দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দী করা হয়। শুটিংয়ের সময় সেই কক্ষে কারিনা-অর্জুন ছাড়া ছিলেন পরিচালক মধুর ভান্ডারকর, প্রধান চিত্রগ্রাহক আর সংশ্লিষ্ট কয়েকজন। মধুর ভান্ডারকরের ‘হিরোইন’ বক্স অফিসে সাফল্য না পেলেও ছবিতে কারিনার অভিনয় খুবই প্রশংসিত হয়। আর এই অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে রীতিমতো গবেষণা হয়েছে।

  • ঢাকায় অক্টোবর বিপ্লব এবং কাজী নজরুল ইসলাম সেমিনার অনুষ্ঠিত

    ঢাকায় অক্টোবর বিপ্লব এবং কাজী নজরুল ইসলাম সেমিনার অনুষ্ঠিত

    হুজাইফা রহমান:

    ঢাকার কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগার শাহবাগে ১৮ নভেম্বর ২০১৭ শনিবার সকাল ১১ টায় অনুষ্ঠিত হয় অক্টোবর বিপ্লব এবং কাজী নজরুল ইসলাম সেমিনার। ১৯১৭ সালে অক্টোবর বিপ্লব সংঘঠিত হয়, যা সারা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দেয়। বিদ্রোহ এবং বিপ্লবের কবি কাজী নজরুল ইসলাম সেই অক্টোবর বিপ্লব দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন এবং এদেশের সাথে সেতুবন্ধন রচনা করেছিলেন।

    এবছর অক্টোবর বিপ্লবের শতবার্ষিকী। এই উপলক্ষে নজরুল চর্চা কেন্দ্র ‘বাঁশরী’ অক্টোবর বিপ্লব ও কাজী নজরুল ইসলাম সেমিনার- এর আয়োজন করে। সেমিনারে ড. মোঃ খালেকুজ্জামান’র সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, মোঃ জাকির হোসেন, সাধারন সম্পাদক, বাঁশরী; এরপর আলোচনা করেন, অধ্যাপক সফিকউজ্জামান, অধ্যাপক মাহবুবুল মোকাদ্দেম আকাশ, অধ্যাপক আবুল বারাকাত, অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান, কমরেড জোনায়েদ সাকী, কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম।

    এছাড়াও সেমিনারে বাংলাদেশের সমাজ এবং রাজনীতির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহন করেন। এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সুজিত চৌধুরী, বাঁশরী।

  • আজ ব্রিটিশ বিপ্লবী শহীদ তিতুমীরের ১৮২তম মৃত্যুবার্ষিকী

    আজ ব্রিটিশ বিপ্লবী শহীদ তিতুমীরের ১৮২তম মৃত্যুবার্ষিকী

    হুজাইফা রহমান:

    তিতুমীর , যাঁর প্রকৃত নাম সৈয়দ মীর নিসার আলী (জন্ম ২৭শে জানুয়ারি , ১৭৮২ , ১৪ই মাঘ, ১১৮২ বঙ্গাব্দ, মৃত্যু ১৯শে নভেম্বর , ১৮৩১ ) ছিলেন একজন ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী । তিনি ওয়াহাবী আন্দোলন এর সাথে যুক্ত ছিলেন । তিনি জমিদার ও ব্রিটিশদের বিরূদ্ধে সংগ্রাম ও তাঁর বিখ্যাত বাঁশের কেল্লার জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন । ব্রিটিশ সেনাদের সাথে যুদ্ধরত অবস্থায় এই বাঁশের কেল্লাতেই তাঁর মৃত্যু হয় । তিতুমীরের জন্ম হয় চব্বিশ পরগনার বসিরহাটের চাঁদপুর গ্রামে (বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে) । তাঁর পিতার নাম মীর হাসান আলী এবং মাতার নাম আবিদা রোকেয়া খাতুন ।

    তিতুমীরের প্রাথমিক শিক্ষা হয় তাঁর গ্রামের বিদ্যালয়ে । পরবর্তীকালে তিনি স্থানীয় একটি মাদ্রাসাতে লেখাপড়া করেন । ১৮ বছর বয়সে তিতুমীর কোরানে হাফেজ হন এবং হাদিস বিষয়ে পাণ্ডিত্য লাভ করেন । একই সাথে তিনি বাংলা , আরবি ও ফার্সি ভাষায় ব্যুৎপত্তি লাভ করেন । ১৮২২ সালে তিতুমীর মক্কায় হজ্জব্রত পালনের উদ্দেশ্যে যান । তিনি সেখানে স্বাধীনতার অন্যতম পথপ্রদর্শক সৈয়দ আহমেদ শহীদের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন ও ওয়াহাবী মতবাদে অনুপ্রাণিত হন । সেখান থেকে এসে (১৮২৭) তিতুমীর তাঁর গ্রামের দরিদ্র কৃষকদের সাথে নিয়ে জমিদার এবং ব্রিটিশ নীলকদের বিরুদ্ধে সংগঠিত হয়ে আন্দোলন শুরু করেন । তিনি এবং তাঁর অনুসারীরা তৎকালীন হিন্দু জমিদারদের অত্যাচারের প্রতিবাদে ধুতির বদলে ‘তাহ্বান্দ’ নামে এক ধরনের বস্ত্র পরিধান শুরু করেন । তিতুমীর হিন্দু জমিদার কৃষ্ণদেব রায় কর্তৃক মুসলমানদের উপর বৈষম্যমূলকভাবে আরোপিত ‘দাঁড়ির খাজনা’ এবং মসজিদের করের তীব্র বিরোধিতা করেন ।

    তিতুমীর ও তাঁর অনুসারীদের সাথে স্থানীয় জমিদার ও নীলকর সাহেবদের মধ্যে সংঘর্ষ তীব্রতর হতে থাকে । আগেই তিতুমীর পালোয়ান হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন এবং পূর্বে জমিদারের লাঠিয়াল হিসাবে কর্মরত ছিলেন । তিনি তাঁর অনুসারীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে তোলেন । তিতুমীরের অনুসারীর সংখ্যা বেড়ে এক সময় ৫,০০০ গিয়ে পৌঁছায়। তারা সশস্ত্র সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হয়। ১৮৩১ সালের ২৩শে অক্টোবর বারাসতে র কাছে বাদুড়িয়ার ১০ কিলোমিটার দূরে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তাঁরা বাঁশের কেল্লা তৈরি করেন। বাঁশ এবং কাদা দিয়ে তারা দ্বি-স্তর বিশিষ্ট এই কেল্লা নির্মাণ করেন। তিতুমীর বর্তমান চব্বিশ পরগনা , নদীয়া এবং ফরিদপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের অধিকার নিয়ে সেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। স্থানীয় জমিদারদের নিজস্ব বাহিনী এবং ব্রিটিশ বাহিনী তিতুমীরের হাতে বেশ কয়েকবার পরাজয় বরণ করে। তন্মধ্যে বারাসতের বিদ্রোহ অন্যতম। উইলিয়াম হান্টার বলেন, ঐ বিদ্রোহে প্রায় ৮৩ হাজার কৃষকসেনা তিতুমীরের পক্ষে যুদ্ধ করেন।

    অবশেষে ১৮৩১ সালের ১৩ নভেম্বর ব্রিটিশ সৈন্যরা তাদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। তিতুমীর স্বাধীনতা ঘোষণা দিলেন, “ভাই সব, একটু পরেই ইংরেজ বাহিনী আমাদের কেল্লা আক্রমণ করবে। লড়াইতে হার-জিত আছেই, এতে আমাদের ভয় পেলে চলবে না। দেশের জন্য শহীদ হওয়ার মর্যদা অনেক। তবে এই লড়াই আমাদের শেষ লড়াই নয়। আমাদের কাছ থেকে প্রেরণা পেয়েই এ দেশের মানুষ একদিন দেশ উদ্ধার করবে । আমরা যে লড়াই শুরু করলাম, এই পথ ধরেই একদিন দেশ স্বাধীন হবে।” ১৪ নভেম্বর কর্নেল হার্ডিং-এর নেতৃত্বে ব্রিটিশ সৈন্যরা ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তিতুমীর ও তাঁর অনুসারীদের আক্রমণ করে। তাদের সাধারণ তলোয়ার ও হালকা অস্ত্র নিয়ে তিতুমীর ও তার সৈন্যরা ব্রিটিশ সৈন্যদের আধুনিক অস্ত্রের সামনে দাঁড়াতে পারে নি। ১৪শে নভেম্বর তিতুমীর ও তাঁর চল্লিশ জন সহচর শহীদ হন। তাঁর বাহিনীর প্রধান মাসুম খাঁ বা গোলাম মাসুমকে ফাঁসি দেওয়া হয়। বাশেঁর কেল্লা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।