Category: রাজণীতি

  • আপনাদের সেবা করার জন্য আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে : মেয়র সাদিক

    আপনাদের সেবা করার জন্য আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে : মেয়র সাদিক

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেছেন, আমার পরিবার হচ্ছে শতভাগ রাজনৈতিক পরিবার। আমি ১৫ আগস্টে মায়ের কোলে ছিলাম। ঘাতকদের গুলিতে সেদিনই মারা যেতে পারতাম। কিন্তু আপনাদের সেবা করার জন্য আল্লাহতায়ালা আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। আমি নগর পিতা নয়, একজন সেবক হিসেবে আপনাদের জন্য কাজ করতে চাই। আমি লুটপাট নয়, সেবা করার জন্য সংসারের মায়া ভুলে আপনাদের জন্য কাজ করছি। আমার মেয়াদকালিন সময়ের পর আপনারা মূল্যায়ন করবেন আমি আপনাদের জন্য কিছু করতে পেরেছি কিনা।

    এসময় মেয়র বলেন, নবীণ ও প্রবীনদের সমন্বয়ে আগামীতে শক্তিশালী আওয়ামী লীগ গঠন করে প্রধানমন্ত্রীর হাতকে আরও শক্তিশালী করা হবে ।

    বুধবার নগরীর নুরিয়া কিন্ডার গার্টেন স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির দেয়া বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

    মেয়র বলেন, নৌকা যদি থাকে তাহলে আওয়ামী লীগ থাকবে। একজন কর্মী হয়ে আমাদের সকলের কাজ হবে প্রধানমন্ত্রীর চাওয়াকে তৃণমূলে বাস্তবায়ন করা।

    সম্মেলনে বিপুল সংখ্যক নারীদের উপস্থিতিকে সাধুবাদ জানিয়ে মেয়র বলেন, আপনাদের এই উপস্থিতি প্রমান করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নারীরাও আজ সামনে থেকে নেতৃত্বের মর্যাদা নিয়ে দেশ, জাতির উন্নয়নে কাজ করছে।

    তিনি বলেন, বরিশালে কোন কিশোর গ্যাং আছে তা আমি মনে করিনা। তবে বর্তমান প্রজন্মের উদ্দেশ্যে বলবো আগে নেতাকে নয় আপনার মা-বাবা ও মুরব্বীদের সন্মান করতে শিখুন। মনে রাখতে হবে সন্মান দিলে সন্মান পাওয়া যায়।

    প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরণকে স্মরন করে মেয়র বলেন, তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন, তাঁর স্ত্রী ছিলেন এমপি। আমি মন থেকে অনুভব করেছি সংগঠনে তাঁদের যে অবদান আছে তাঁর মূল্যায়ন হওয়া উচিত। তাই আমি প্রয়াতের মেয়রের বাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খোঁজ খবর নেয়ার চেষ্ঠা করেছি।

    মেয়র আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের কোন কোন নেতা আছেন কর্মীদের চাকর ভাবেন। মনে রাখবেন সবাই কিন্তু অর্থ চায় না। ভালো ব্যবহার আশা করে। মসজিদে গিয়ে আমাদের সামনের কাতারেই বসতে হবে এ মানষিকতা থেকে আমাদের সরে আসতে হবে।

    ডিজিটালের সুফল আজ জনগন ভোগ করছে উলে­খ করে মেয়র বলেন, এর যেমন উপকারিতা আছে আবার তেমনি অপকারিতাও আছে। দেখা গেছে, ইন্টারনেট অথবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে অনেকে গুজব রটিয়ে দেওেশর মধ্যে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টির অপচেষ্ঠা চালায়। তাদের কেউ কেউ প্রচার করে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে চাঁদে দেখা গেছে। আর এই সকল গুজব সহজ সরল মানুষেরা বিশ্বাসও করে। তাই সকলকে বলবো আমাদের উচিত হবে উপকারিতা গ্রহন আর অপকারিতাকে বর্জন করা। আজ সুযোগ সন্ধ্যানী হাইব্রিডরা দলের মধ্যে অণুপ্রবেশ করেছে। হাইব্রিডরা বিভিন্ন সময়ে নানা অপপ্রচার চালিয়েছে। কিন্তু তারা কোন কিছুতেই সফলকাম হতে পারেনাই।

    মেয়র সাদিক আবদুল­াহ বলেন, আমি দায়িত্ব নেয়ার আগেই এ নগরী থেকে মাদক, জুয়া, হাউজিসহ সকল অপকর্ম উৎখাত করেছি। মেয়র বলেন একটি টেকসই উন্নত নগরী গড়তে আমি সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। নগরীর সকল সড়ক ৫ বছরের গ্যারান্টি দিয়ে করে দেয়া হবে।

    ১২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম মোস্তফা সেলিমের সভাপতিত্বে সম্মেলনে উদ্ধোধক ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল। প্রধান বক্তা ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. একেএম জাহাঙ্গীর। ব

    ক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাড.আফজালুল করিম, প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটুসহ ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ । সম্মেলনে আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম তোতা, বরিশাল মহানগর আওয়ামী সহ-সভাপতি নিজামুল ইসলাম নিজাম, মহানগর আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং দল সমর্থিত কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • সৈয়দ মিলনকে  যুবলীগের সভাপতি হিসেবে চায় তৃণমূল

    সৈয়দ মিলনকে যুবলীগের সভাপতি হিসেবে চায় তৃণমূল

    ভাবমূর্তি রক্ষার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আগামী ২৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের ৭ম জাতীয় কংগ্রেস। দুর্দিনের পরিক্ষিত ও সাবেক ছাত্রলীগের ত্যাগী নেতা, দক্ষ যুব সংগঠক সৈয়দ হাদিসুর রহমান মিলনকে ঝালকাঠি জেলা যুবলীগের সভাপতির হিসেবে দেখতে চায় তৃণমূল । কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম অপু বলেন সৈয়দ হাদিসুর রহমান মিলন সাবেক জেলা ছাত্রলীগের একজন ত্যাগী ও কর্মী বান্ধব নেতা। তিনি রাজপথের একজন পরিক্ষিত যোদ্ধা । তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে।সকলের বিপদে আপদে সবসময় তিনি এগিয়ে আসেন ।

    আসন্ন জেলা যুবলীগে সভাপতি পদে আমরা তাকে দেখতে চাই। ঝালকাঠির রাজনীতিতে সৈয়দ মিলন এক দক্ষ যুব সংগঠক, কর্মী বান্ধব, ত্যাগী,দুর্দিনের পরীক্ষিত এক নেতা। ২০০৩ থেকে ২০১১ পর্যন্ত ঝালকাঠি সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদে ছিলেন এরপরে ২০১১ সালে ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সফল ভাবে দায়িত্ব পালন করেন।ঝালকাঠি পৌর শাখা ছাত্রলীগের ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসাবে তার রাজনৈতিক জীবনের পথচলা শুরু হয়।সেই থেকেই তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও আমির হোসেন আমুর হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছেন । সৈয়দ মিলন রাজনীতির পাশাপাশি অসংখ্য সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছে । এমনকি ঝালকাঠি শহরের মাদক সন্ত্রাস ও যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে মানবাধিকার রক্ষায় তার রয়েছে জোরালো কন্ঠস্বর। তার রাজনীতির ক্যারিয়ারে বিরোধী দলের থাকা কালীন শক্তভাবে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে তিনি ছিলেন অগ্রমুখী, বিএনপি জামাত সরকারের অসংখ্য বার হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হলেও পিছপা হননি তিনি। ঝালকাঠির সর্বস্তরের মানুষের মাঝে সৈয়দ মিলন গ্রহণযোগ্যতার পাশাপাশি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার অনন্য স্থান দখল করে আছেন ।

  • বরিশাল মহানগরের ১, ২৮, ২৯ ও ৩০ নং ওয়ার্ড আ‘লীগের কমিটিতে নির্বাচিত হলেন যারা

    বরিশাল মহানগরের ১, ২৮, ২৯ ও ৩০ নং ওয়ার্ড আ‘লীগের কমিটিতে নির্বাচিত হলেন যারা

    বরিশাল মহানগরের ১ ও ২৯ নং এবং ২৮ ও ৩০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা হয়েছে।  ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যম ২০ অক্টোবর ও ২২ অক্টোবর বিকাল ৩ টায় যথাক্রমে কাশিপুর শিক্ষাবাের্ড ও কাশিপুর চৌরাস্তায় অনুষ্ঠিত হয়।

    মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর ) সন্ধ্যা বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোঃ হুমায়ন কবীর স্বাক্ষরিত এ প্রেস বিজ্ঞতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে

    বরিশাল মহানগরের ১ ও ২৯ নং এবং ২৮ ও ৩০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা হয়েছে।  ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যম ২০ অক্টোবর ও ২২ অক্টোবর বিকাল ৩ টায় যথাক্রমে কাশিপুর শিক্ষাবাের্ড ও কাশিপুর চৌরাস্তায় অনুষ্ঠিত হয়।

    মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর ) সন্ধ্যা বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোঃ হুমায়ন কবীর স্বাক্ষরিত এ প্রেস বিজ্ঞতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    সম্মেলনে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত মােতাবেক ১ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে আবুল
    বাসার সুমন ও সাধারণ সম্পাদক পদে মােঃ রাশেদ খান মেনন এবং ২৯ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে এডভােকেট জসিম উদ্দিন আহমেদ খান ও সাধারণ সম্পাদক পদে মােঃ ইমরান মােল্লা এবং ২৮ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে মেজবাহুল বারী নওরােজ ও সাধারণ সম্পাদক পদে মােঃ জগলুল মাের্শেদ প্রিন্স এবং ৩০ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে গােলাম মােস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক মােঃ রুম্মান বাবুকে নির্বাচিত করে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    আগামী তিন বছরের জন্য নতুন কমিটি ঘােষনা করা হয়।

    সম্মেলন উদ্বোধন করেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ এর সংগ্রামী সভাপতি এডভােকেট গােলাম আলাস চৌধুরী দুলাল। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভােকেট এ কে এম জাহাঙ্গীর।

    সম্মেলনে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত মােতাবেক ১ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে আবুল
    বাসার সুমন ও সাধারণ সম্পাদক পদে মােঃ রাশেদ খান মেনন এবং ২৯ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে এডভােকেট জসিম উদ্দিন আহমেদ খান ও সাধারণ সম্পাদক পদে মােঃ ইমরান মােল্লা এবং ২৮ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে মেজবাহুল বারী নওরােজ ও সাধারণ সম্পাদক পদে মােঃ জগলুল মাের্শেদ প্রিন্স এবং ৩০ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে গােলাম মােস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক মােঃ রুম্মান বাবুকে নির্বাচিত করে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    আগামী তিন বছরের জন্য নতুন কমিটি ঘােষনা করা হয়।

    সম্মেলন উদ্বোধন করেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ এর সংগ্রামী সভাপতি এডভােকেট গােলাম আলাস চৌধুরী দুলাল। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভােকেট এ কে এম জাহাঙ্গীর।

  • দৃশ্যপট চট্টগ্রাম ও বরিশাল : প্রশংসা ও সুনামের মাপকাঠিতে উচ্চতর স্থানে মেয়র সাদিক

    দৃশ্যপট চট্টগ্রাম ও বরিশাল : প্রশংসা ও সুনামের মাপকাঠিতে উচ্চতর স্থানে মেয়র সাদিক

     বিভাগীয় প্রতিনিধি সভার মঞ্চ থেকে চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা চৌধুরীকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বন্দর নগরী চট্টগ্রাম উত্তাল। এজন্য চট্টগ্রামের মেয়র আজম নাসির উদ্দিনকে দায়ী করে তাকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে তার দলেরই নেতাকর্মীরা।

    আর অপরদিকে দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত হোসেন হিরনের বাসায় গিয়ে তাঁর সহধর্মিনী জেবুন্নেসা আফরোজের খোঁজ খবর নেয়ার পাশাপাশি তাকে সাথে নিয়ে দুটি ওয়ার্ডের সম্মেলনে অতিথি করে মঞ্চে বসিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে বিপুল প্রমংসা ও সুনাম কুড়িয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশেনর মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    চট্টগ্রাম আর বরিশালের এদুটি ভিন্ন ঘটনা ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত রোববার চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানাধীন একটি কমিউনিটি সেন্টারে আওয়ামী লীগের বিভাগীয় বিভাগীয় প্রতিনিধি সভার মঞ্চ থেকে প্রয়াত মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা চৌধুরীকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেন বর্তমান মেয়র আজম নাসিরউদ্দিন। এনিয়ে পুরো চট্টগ্রামে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

    আর ঠিক পরদিনই বরিশালে ভিন্ন একটি দৃশ্যের অবতারনা করলেন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। তিনি শত ব্যস্ততার মাঝেও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সাধারন সম্পাদক অ্যাড একেএম জাহাঙ্গীরসহ সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরনের বাসভবনে যান। সেখানে তাকে প্রয়াত হিরনের সহধর্মিনী, সাবেক এমপি জেবুন্নেসা আফরোজ স্বাগত জানান।

    অত্যন্ত সৌহাদ্যপূর্ন পরিবেশে তারা বেশ কিছু সময় কাটান। এসময় মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ সার্বিক খোঁজ খবর নেন। সেখানে জেবুন্নেসার আমন্ত্রনে মেয়রসহ অন্যান্যরা দুপুরের খাবার গ্রহন করেন। আন্তরিক পরিবেশে খাবার শেষে মেয়র তাঁর গাড়ীতে করে জেবুন্নেসাকে সাথে নিয়ে নগরীর সিএন্ডবি এলাকায় অনুষ্ঠিত মহানগর আওয়ামী লীগের ১৩ ও ২৩ নং ওয়ার্ডের ত্রি বার্ষিক সম্মলন স্থলে যান।

    দুজনকে একসাথে পেয়ে সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে উল্লাস আরো বেড়ে যায়। এরপর তারা মঞ্চের পাশাপাশি আসনে বসেন। মেয়র প্রধান অতিথি ও জেবুন্নেসা আফরোজ বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। মেয়র যেমন তার বক্তব্যে প্রয়াত শওকত হোসেন হিরনকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করে তার কর্মময় জীবনের কথা উল্লেখ করেন তেমনি জেবুন্নেসা আফরোজ তার বক্তব্যে মেয়রের ভূয়ষী প্রশংসা করেন।

    তাদের দুজনের একই মঞ্চে পাশাপাশি বসা, সম্নান প্রর্দশন উপস্থিত সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি কাজল ঘোষ বলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ যে একজন বড় মনের মানুষ এবং একটি ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান তা আরেক বার প্রমান দিয়েছে।

    চট্টগ্রামের ঘটনাটিকে অত্যন্ত দু: খজনক আখ্যায়িত করে কাজল ঘোষ বলেন, চট্টগ্রামের ঘটনার বিপরীতে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ প্রয়াত মেয়র হিরনের স্ত্রীকে সম্নান দিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপনের পাশাপাশি তিনি নিজে আরো সম্নানিত হয়েছেন।

  • বরিশালে ইলিশ ধরতে গিয়ে পুলিশের ধাওয়ায় নদীতে ডুবে যুবলীগ নেতা নিহত

    বরিশালে ইলিশ ধরতে গিয়ে পুলিশের ধাওয়ায় নদীতে ডুবে যুবলীগ নেতা নিহত

    বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ইলিশ শিকারে গিয়ে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নদীতে ডুবে এক যুবলীগ নেতা নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম মজিবুর রহমান মৃধা।

    পরে সোমবার সকালে উপজেলার নিয়ামতি বাজারসংলগ্ন বিষখালী নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    রোববার রাতে উপজেলার ওই নদীতে ইলিশ শিকারে গেলে রাজাপুর থানার মৎস্য অফিসারের সমন্বয় পুলিশের একটি দল নদীতে এসে তাদের ট্রলার ধাওয়া করে। এ সময় তিনি নদীতে ডুবে নিখোঁজ হন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মজিবুর মৃধার শরীরে ভারী পোশাক থাকার কারণে নিজেকে সামলে উঠতে পারেননি। তিনি বারবার পুলিশকে বলেন, আমাকে বাঁচান, আমাকে বাঁচান; এভাবে বলতে বলতে পানির স্রোতে ভেসে অদৃশ্য হয়ে যান তিনি।

    এ সময় ট্রলারের অন্য জেলেরা আত্মরক্ষায় নদীতে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণে বেঁচে যান।

    এ বিষয় বাকেরগঞ্জ উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাহনাজ পারভীন জানান, অভিযানটি আমাদের উপজেলা থেকে করা হয়নি। তবে কারা করেছে সে বিষয় আমার জানা নেই।

  • ব্যবসা, নামে, বে-নামে, কত আয়, রাজনীতির আগে কি ছিল খুঁজে বের করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

    ব্যবসা, নামে, বে-নামে, কত আয়, রাজনীতির আগে কি ছিল খুঁজে বের করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

    ডেস্ক: অনলাইন

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, দুর্নীতিবাজ এবং অসৎ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তার সরকারের কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি এবং মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছি। একটা কথা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, যদি কেউ অসৎ পথে অর্থ উপার্জন করে, তার এই অনিয়ম, উচ্ছৃঙ্খলতা বা অসৎ উপায় ধরা পড়লে তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে। সে যেই হোক না কেন, আমার দলের হলেও তাকে ছাড় দেয়া হবে না।

    এখন আমাদের খুঁজে বের করতে হবে কোথায় ফাঁক-ফোকর রয়েছে, কারা এই কাজগুলো করছে এবং কিভাবে,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, ‘আরেকটা জিনিস আমি দেখতে বলে দিয়েছি-সেটা হলো কার আয়-উপার্জন কত? কীভাবে জীবন-যাপন করে? সেগুলো আমাদের বের করতে হবে।’

    শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে নিউইয়র্কের ম্যারিয়ট মারকুইজ হোটেলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, সমাজে অসৎ পথে অর্থ উপার্জনের হার বেড়ে গেলে যেসব ব্যক্তি বা তাদের সন্তানেরা সৎ পথে জীবন নির্বাহ করতে চায়, তাদের জন্য সেটা কঠিন হয়ে পড়ে।

    তিনি বলেন, ‘একজন সৎভাবে চলতে গেলে তাকে বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা নিয়ে চলতে হয়, আর অসৎ উপায়ে উপার্জিত অর্থ দিয়ে এই ব্র্যান্ড, ওই ব্র্যান্ড, এটা সেটা হৈ চৈ, খুব দেখাতে পারে।’

    ‘ফলাফলটা এই দাঁড়ায় একজন অসৎ মানুষের দৌরাত্মে যারা সৎ জীবন-যাপন করতে চায় তাদের জীবনযাত্রাটাই কঠিন হয়ে পড়ে,’ যোগ করেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সৎ মানুষের ছেলে-মেয়েদের মনে সহসাই একটা প্রশ্ন আসতে পারে যে, কেন তাদের পরিবার বিলাসবহুল জীবন-যাপন করতে পারে না। বাস্তবিকভাবেই এই চিন্তা লোকজনকে অসৎ পথে ঠেলে দেয়।’

    উন্নয়ন প্রকল্পসমূহে অনিয়মের প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, সরকার উন্নয়নের জন্য ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ আরো বেশি উন্নত হতে পারতো যদি প্রকল্পের প্রত্যেকটি টাকা যথাযথভাবে ব্যয় করা হতো।

    তিনি বলেন, ’তাহলে আমরা সমাজ থেকে এই ব্যাধিটা, একটা অসম প্রতিযোগিতার হাত থেকে আমাদের সমাজকে রক্ষা করতে পারবো, আগামী প্রজন্মকে রক্ষা করতে পারবো।’

  • চুনোপুঁটি-রাঘববোয়াল বুঝি না, সারাদেশে অভিযান চলবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    চুনোপুঁটি-রাঘববোয়াল বুঝি না, সারাদেশে অভিযান চলবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও মাদকবিরোধী অভিযান সারাদেশেই চলবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, চুনোপুঁটি-রাঘববোয়াল বলতে কিছু বুঝি না। গডফাদার-গ্র্যান্ডফাদার যারাই অপরাধ করবে, তাদেরই শাস্তি পেতে হবে। অপরাধে জড়িত হওয়ায় আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যকেও ছাড় দেওয়া হয়নি।

    সোমবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অবৈধ ব্যবসা ও টেন্ডারবাজির মতো অপকর্মের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। যেখান থেকেই তথ্য আসছে সে তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। অপরাধী যেই হোক আইনের আওতায় আনা হবে। অপরাধীদের বিদেশ যাওয়া ঠেকাতে বিমানবন্দরগুলোতে সতর্কতা জারির কোনো সম্ভাবনা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, বিমানবন্দরগুলোতে সবসময় অপরাধীদের তালিকা থাকে যেন তারা পালিয়ে যেতে না পারে। এ জন্য সেখানে একটি বিশেষ টিম কাজ করে। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থেকেও কেন এতদিন এসব অবৈধ ব্যবসা নজরে আসেনি জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যখনই কোনো অপরাধ নজরে আসে তখনই ধরছি। শুধু দু-একদিনের মধ্যে হয়তো একজন-দু’জন উল্লেখযোগ্য আপনাদের চোখের সামনে আসছে। এর আগেও অপরাধী হিসেবে যার নাম এসেছে কিংবা অবৈধ কিছু করার চেষ্টা করেছে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

    জনপ্রিয়তা বাড়াতে সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বললেন, জনপ্রিয়তার জন্য নয়, সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে এসব অবৈধ ব্যবসা বা যারা অবৈধভাবে অন্যায় কিছু করতে চায়, তাদের দমন করতে হবে।

    চট্টগ্রামের ক্রীড়া ক্লাবগুলোতে অভিযানে রোববার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী। তিনি চট্টগ্রাম আবাহনী লিমিটেডের মহাসচিবও।

    হুইপের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অবৈধ ব্যবসা ছাড়া বৈধ কোনো প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালাইনি। ক্যাসিনো, জুয়া খেলা অবৈধ। যুবলীগ নেতা সম্রাট কোথায় আছেন- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, কে কোথায় আছেন সেটা বড় কথা নয়। সবচেয়ে বড় কথা হলো কে কতখানি অপরাধ করেছে। যারাই অপরাধ করেছে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসছি।

  • পংকজ ও শাওনসহ মোট ৭১ প্রভাবশালীর ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে দুদক

    পংকজ ও শাওনসহ মোট ৭১ প্রভাবশালীর ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে দুদক

    দুর্নীতি দমন কমিশন প্রভাবশালী ৭১ দুর্নীতিবাজের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে। এরা ক্যাসিনো কেলেঙ্কারি, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও বিদেশে অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত।  তালিকাভুক্তদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী-সন্তান, নিজস্ব কোম্পানির ব্যাংক হিসাবের তথ্যও চাওয়া হয়েছে। এর আওতায় চলতি মেয়াদি হিসাবের স্থিতি, লেনদেন বিবরণী ও ভল্ট যদি থাকে সেই তথ্য দুদককে সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।

    দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধানের কাছে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছেন। রবি ও সোমবার ২ দিন আলাদা চিঠিতে ৭১ জনের নাম পাঠানো হয়েছে।

    এ বিষয়ে দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত বলেন, অনুসন্ধানের প্রয়োজনে অনেকের তথ্য চাওয়া হয়েছে। তদন্ত টিম এ নিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর অনেকেই গ্রেফতার হয়েছেন। তারাসহ অনেকের ব্যাংক হিসাবে লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে। সে বিষয়েও তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে।

    তালিকায় সরকারি দলের চার এমপির নাম আছে। তারা হলেন- বরিশাল-৪ আসনের এমপি ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ নাথ, ভোলার এমপি নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন ও তার স্ত্রী ফারজানা চৌধুরী, চট্টগ্রামের এমপি ও চট্টগ্রাম আবাহনী ক্লাবের মহাসচিব শামসুল হক চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতন। তালিকায় আছেন- সাতক্ষীরার সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান, সাবেক এমপি শামসুল হক ভূঁইয়া, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদ্য বিদায়ী সভাপতি মোল্লা আবু কাওসার, তার স্ত্রী পারভিন সুলতানা, যুবলীগের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী, ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সাবেক সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, যুবলীগ দক্ষিণের যুগ্ম সম্পাদক ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোমিনুল হক সাঈদ, ৩৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তারিকুজ্জামান রাজিব, ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান ওরফে পাগলা মিজান, কৃষক লীগ নেতা ও কলাবাগান ক্লাবের সভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজ, যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি নেতা গাজী সারোয়ার বাবু, ছাত্রলীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সভাপতি এসএম রবিউল ইসলাম সোহেল, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহাগ, এফ রহমান হলের ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, যুবলীগের জি কে শামীম, খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, জি কে শামীমের ক্যাশিয়ার জিয়া, সোহেল ও নাঈম, যুবলীগ দক্ষিণের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমান, যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হোসেন স্বপন, সরোয়ার হোসেন মনা, নির্বাহী সদস্য জাকির হোসেন, ৪১নং ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি তাবিবুল হক তামিম, যুবলীগের বহিষ্কৃত দফতর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমান আনিস, ওয়ান্ডার্স ক্লাবের আবুল কালাম, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া, আবুুল কালাম আজাদ, সিলভার ওয়াই রিসোর্টের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন মন্টু, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল করিম চৌধুরী স্বপন, পরিচালক জাওয়াদ উদ্দিন, এসএইচ মহসীন, জিয়া উদ্দিন আবীর, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক জামিল উদ্দিন শুভ, পরিচালক উম্মে হাবিবা নাসিমা আক্তার, গেণ্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি এনামুল হক এনু, যুগ্ম সম্পাদক রুপন চৌধুরী, ওয়ারী থানা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি রাশেদুল হক ভূঁইয়া, ৪১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক বাতেনুল হক ভূঁইয়া, হারুনুর রশিদ, অনলাইন ক্যাসিনো সম্রাট সেলিম প্রধান, পদ্মা অ্যাসোসিয়েটস নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার মিনারুল চাকলাদার, ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার রেজোয়ান মোস্তাফিজ, মেসার্স জামাল অ্যান্ড কোংয়ের জামাল হোসেন, বনানী গোল্ড ক্লাবের আবদুল আউয়াল, ব্যবসায়ী আবুল কাশেম।

    এ ছাড়া গণপূর্ত অধিদফতরের ১৬ কর্মকর্তা আছেন এ তালিকায়। এরা হলেন- গণপূর্ত অধিদফতরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান মুন্সী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবদুল হাই, শিক্ষা অধিদফতরের ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাজ্জাদ, মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা শাখার সিনিয়র সহকারী প্রধান মুমিতুর রহমান, গণপূর্ত অধিদফতরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রোকন উদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল কাদের, আফসার উদ্দিন, ইলিয়াস আহমেদ, স্বপন চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী শাহাদাত হোসেন, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী উৎপল কুমার দে, নির্বাহী প্রকৌশলী ফজলুল হক মধু, শওকত উল্লাহ, গণপূর্ত সার্কেল-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী ফজলুল হক।

    জানা গেছে, ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। মূলত এর মাধ্যমে শুরু হয় দুর্নীতিবিরোধী অভিযান। এতে অনেকের সংশ্লিষ্টতা বেরিয়ে আসছে।

    তালিকাভুক্ত অনেকেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে কমিশন বাণিজ্য, অনিয়ম-দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিসহ নানা ধরনের অপরাধে জড়িত। দুর্নীতি করে অনেকে শত শত কোটি টাকা কামিয়ে দেশের বাইরে পাচার করেছেন। দেশে তাদের কি পরিমাণ সম্পদ আছে তা প্রথম দফায় খুঁজে বের করার কার্যক্রম চলছে।

    বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতেও নানাভাবে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। দুদক কর্মকর্তারা এরই মধ্যে বিএফআইউর প্রধান ও অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানা গেছে।

    ক্ষমতার অপব্যবহার করে বা দলে পদ-পদবি ব্যবহার করে যারা দুর্নীতি করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে স্বাধীনভাবে তদন্ত করতে সামনে কোনো বাধা নেই বলে মনে করছে দুদক। দুর্নীতিতে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দুটি তালিকা প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

    অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন নাম। তালিকায় রাজধানীর বাইরে জেলা পর্যায়ের অনেকের নামও থাকতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে।

    এদিকে দুদকের অনুসন্ধানে দেশে স্থাবর-অস্থাবর মিলে সম্রাটের মাত্র ২ কোটি টাকার সম্পদের খোঁজ পাওয়া গেছে। তবে দেশের বাইরে তার বিপুল সম্পদ রয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে দুদক তা জানতে পেরেছে।

    মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোমে তার বিনিয়োগ রয়েছে। শিগগিরই সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে। এতে দেশের বাইরে পাচার হওয়া অর্থের বিষয় থাকতে পারে। যা মামলার পর তদন্ত করে বের করা সম্ভব বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।

  • সিঙ্গাপুর নয় বরিশালকে বরিশাল রেখেই নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়ন করা হবে : মেয়র সাদিক

    সিঙ্গাপুর নয় বরিশালকে বরিশাল রেখেই নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়ন করা হবে : মেয়র সাদিক

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল­াহ বলেছেন, সবাই বলে বরিশাল হবে সিঙ্গাপুর। আমি বলি বরিশাল বরিশালই থাকবে কিন্তু নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। আমি আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য নগরী রেখে রেখে যেতে চাই।

    মেয়র সোমবার নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় অনুষ্ঠিত বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের ১৩ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির দেয়া বক্তব্যে একথা বলেন।

    মেয়র বলেন, সাবেক সফল মেয়র শওকত হোসেন হিরনের মৃত্যুর পর আমি মহানগর আওয়ামী লীগের হাল ধরে সকলকে সাথে নিয়ে ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন এই দলটিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্ঠা করছি। মেয়র মনে করেন নৌকা যদি থাকে তাহলে আওয়ামী লীগ থাকবে। একজন কর্মী হয়ে আমাদের সকলের কাজ হবে প্রধানমন্ত্রীর চাওয়াকে তৃণমূলে বাস্তবায়ন করা। আমরা মুখে মুখে নিজেদের আওয়ামী লীগার বলবো আর সংগঠনের সভানেত্রীর কথা মানবোনা তাহলে কি করে তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবো।

    মেয়র প্রশ্ন রেখে বলেন, যারা নৌকার সাথে বেইমানী করে তারা কিসের আওয়ামী লীগ? মেয়র বলেন, আমি মন্ত্রী, এমপি চিনিনা। আমি চিনি নৌকা। কারন নৌকার মাঝে আমি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে দেখি, আমি নৌকার মাঝে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে দেখি।

    তিনি বলেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা অঅছে বলেই আজ আমরা এক এক জন নেতা। দলের কর্মীদের সহকর্মী ভাবতে হবে। তারা কারো জুতা টানার জন্য সংগঠন করেন না। জনগনের পাশে থাকবেন না আর নেতা সাজবেন তা হবেনা।

    মেয়র আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের কোন কোন নেতা আছেন কর্মীদের সালাম টুকোও গ্রহন করেন না। মনে রাখবেন সবাই কিন্তু অর্থ চায় না। ভালো ব্যবহার আশা করে। দল ক্ষমতায় থাকার কারনে আজ সুযোগ সন্ধ্যানী হাইব্রিডরা দলের মধ্যে অণুপ্রবেশ করেছে। আমরা হাইব্রিড মুক্ত ক্লিন দল চাই। আমরা তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করতে চাই।

    মেয়র সাদিক আবদুল­াহ বলেন, আমি দায়িত্ব নেয়ার আগেই এ নগরী থেকে মাদক, জুয়া, হাউজিসহ সকল অপকর্ম বন্ধ করে দিয়েছি। তারপরেও দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ কোন অপরাধ করলে সে যদি সব সময় আমার পাশেও থাকে আপনারা নির্ভয়ে ওই অপরাধীর নাম আমার কাছে দেবেন। আমি সাংগঠনিক ও আইনগতভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

    মেয়র উপস্থিত সকলের সামনে অঙ্গীকার করে বলেন, প্রয়াত যুবলীগ কর্মী মুরাদুল ইসলাম সাঈদের যদি ওর (মুরাদের) বাচ্চাদের নামে ফ্লাটটি লিখে দেয়া হয় তাহলে আমি ওর সকল দেনা পরিশোধ করে দেবো। তিন বাচ্চার নামে ফিক্সড ডিপোজিট করে দেবো। আমি কিছু পাওয়ার আশায় রাজনীতি করিনা। আমার পূর্ব পুরুষেরাও এদেশের মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। আমি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী না।

    বিসিসির বর্তমান জনবল নিয়েই ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হয়েছে উলে­খ করে মেয়র বলেন, একটি টেকসই উন্নত নগরী গড়তে আমি সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। নগরীর সকল সড়ক ৫ বছরের গ্যারান্টি দিয়ে করে দেয়া হবে। ৫ বছর পর জনগন মূল্যায়ন করবেন আমি তাদের জন্য কিছু করতে পেরেছি কিনা।

    ১৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুদ খন্দকারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উদ্ধোধক ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক এমপি জেবুন্নেচ্ছা আফরোজ। তিনি তার বক্তব্যে বলেণ, মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল­াহ তার কর্মের মধ্য দিয়ে এ নগরীর মানুষের মণ জয় করে নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী একজন যোগ্য ব্যক্তিকেই মেয়রের আসনে বসিয়েছেন। আমি বিশ্বাস করি সাদিক আবদুল­াই শওকত হোসেন হিরনের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করে একটি সুন্দর নগরী উপহার দিতে পারবেন।

    সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. একেএম জাহাঙ্গীর। সম্মেলনে বরিশালের সংরক্ষিত আসনের সাংসদ রুবিনা মীরা, আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম তোতা, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাড.আফজালুল করিম, সাইদুর রহমান রিন্টু, প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু, রফিকুল ইসলাম খোকনসহ মহানগর আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ , ওয়ার্ড ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং দল সমর্থিত কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • আমি ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য নগরী রেখে যেতে চাই, মেয়র সাদিক

    আমি ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য নগরী রেখে যেতে চাই, মেয়র সাদিক

    নিউজ ডেস্ক:

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেছেন, সবাই বলে বরিশাল হবে সিঙ্গাপুর। আমি বলি বরিশাল বরিশালই থাকবে কিন্তু নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। আমি আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য নগরী রেখে রেখে যেতে চাই।

    মেয়র সোমবার নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় অনুষ্ঠিত বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের ১৩ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির দেয়া বক্তব্যে একথা বলেন। মেয়র বলেন, সাবেক সফল মেয়র শওকত হোসেন হিরনের মৃত্যুর পর আমি মহানগর আওয়ামী লীগের হাল ধরে সকলকে সাথে নিয়ে ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন এই দলটিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্ঠা করছি। মেয়র মনে করেন নৌকা যদি থাকে তাহলে আওয়ামী লীগ থাকবে।

    একজন কর্মী হয়ে আমাদের সকলের কাজ হবে প্রধানমন্ত্রীর চাওয়াকে তৃণমূলে বাস্তবায়ন করা। আমরা মুখে মুখে নিজেদের আওয়ামী লীগার বলবো আর সংগঠনের সভানেত্রীর কথা মানবোনা তাহলে কি করে তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবো। মেয়র প্রশ্ন রেখে বলেন, যারা নৌকার সাথে বেইমানী করে তারা কিসের আওয়ামী লীগ? মেয়র বলেন, আমি মন্ত্রী, এমপি চিনিনা। আমি চিনি নৌকা। কারন নৌকার মাঝে আমি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে দেখি, আমি নৌকার মাঝে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে দেখি।

    তিনি বলেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা অঅছে বলেই আজ আমরা এক এক জন নেতা। দলের কর্মীদের সহকর্মী ভাবতে হবে। তারা কারো জুতা টানার জন্য সংগঠন করেন না। জনগনের পাশে থাকবেন না আর নেতা সাজবেন তা হবেনা। মেয়র আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের কোন কোন নেতা আছেন কর্মীদের সালাম টুকোও গ্রহন করেন না। মনে রাখবেন সবাই কিন্তু অর্থ চায় না। ভালো ব্যবহার আশা করে। দল ক্ষমতায় থাকার কারনে আজ সুযোগ সন্ধ্যানী হাইব্রিডরা দলের মধ্যে অণুপ্রবেশ করেছে। আমরা হাইব্রিড মুক্ত ক্লিন দল চাই। আমরা তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করতে চাই। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, আমি দায়িত্ব নেয়ার আগেই এ নগরী থেকে মাদক, জুয়া, হাউজিসহ সকল অপকর্ম বন্ধ করে দিয়েছি। তারপরেও দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ কোন অপরাধ করলে সে যদি সব সময় আমার পাশেও থাকে আপনারা নির্ভয়ে ওই অপরাধীর নাম আমার কাছে দেবেন। আমি সাংগঠনিক ও আইনগতভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

    মেয়র উপস্থিত সকলের সামনে অঙ্গীকার করে বলেন, প্রয়াত যুবলীগ কর্মী মুরাদুল ইসলাম সাঈদের যদি ওর (মুরাদের) বাচ্চাদের নামে ফ্লাটটি লিখে দেয়া হয় তাহলে আমি ওর সকল দেনা পরিশোধ করে দেবো। তিন বাচ্চার নামে ফিক্সড ডিপোজিট করে দেবো। আমি কিছু পাওয়ার আশায় রাজনীতি করিনা। আমার পূর্ব পুরুষেরাও এদেশের মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। আমি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী না। বিসিসির বর্তমান জনবল নিয়েই ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হয়েছে উল্লেখ করে মেয়র বলেন একটি টেকসই উন্নত নগরী গড়তে আমি সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। নগরীর সকল সড়ক ৫ বছরের গ্যারান্টি দিয়ে করে দেয়া হবে।

    ৫ বছর পর জনগন মূল্যায়ন করবেন আমি তাদের জন্য কিছু করতে পেরেছি কিনা। ১৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুদ খন্দকারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উদ্ধোধক ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক এমপি জেবুন্নেচ্ছা আফরোজ। তিনি তার বক্তব্যে বলেণ, মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ তার কর্মের মধ্য দিয়ে এ নগরীর মানুষের মণ জয় করে নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী একজন যোগ্য ব্যক্তিকেই মেয়রের আসনে বসিয়েছেন। আমি বিশ্বাস করি সাদিক আবদুল্লাই শওকত হোসেন হিরনের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করে একটি সুন্দর নগরী উপহার দিতে পারবেন।

    সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. একেএম জাহাঙ্গীর। সম্মেলনে বরিশালের সংরক্ষিত আসনের সাংসদ রুবিনা মীরা, আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম তোতা, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাড.আফজালুল করিম, সাইদুর রহমান রিন্টু, প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু, রফিকুল ইসলাম খোকনসহ মহানগর আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ , ওয়ার্ড ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং দল সমর্থিত কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।