Category: রাজণীতি

  • নেত্রী চান ফ্রেশ ব্লাড : ওবায়দুল কাদের

    নেত্রী চান ফ্রেশ ব্লাড : ওবায়দুল কাদের

    বাংলার মুখ ডেস্ক:

    স্বেচ্ছাসেবক লীগের কোনো পর্যায়ের নেতৃত্বে অনুপ্রেবেশকারীরা যেন স্থান না পায় বলে সতর্ক করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    শুক্রবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এই সতর্কতার কথা জানান তিনি।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘স্বেচ্ছাসেবক লীগে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করতে হবে। যারা বিতর্কিত, যাদের বিরুদ্ধে অপকর্মের অভিযোগ আছে, আমি আবারও বলছি তাদের বাদ দিতে হবে। ফ্রেশ ব্লাড আমরা চাই, আমাদের নেত্রী চান। এখানে যেন কোনো প্রকার বিতর্কিত ব্যক্তি, অনুপ্রেবেশকারী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কোনো পর্যায়ের নেতৃত্বে স্থান না পায়, এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’

    তিনি বলেন, দল করলে দলের শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। দু-চারজনের শৃঙ্খলাবিরোধী অপকর্মের জন্য গোটা প্রতিষ্ঠান দায়ী হতে পারে না। এই প্রতিষ্ঠানে অসংখ্য ত্যাগী নেতাকর্মী রয়েছে। যাদের অধিকাংশই অতীতে ছাত্রলীগ করেছে এবং দুঃসময়ে ছাত্রলীগ করে তারা স্বেচ্ছাসেবক লীগে এসেছে। এখানে কারও বিচ্যুতি ঘটলে, বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হলে অবশ্যই তাদের নেতৃত্বে থাকার কোনো অধিকার নেই।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দলের নিয়ম-শৃঙ্খলা যারা মানেন না, পকেট ভারী করার জন্য তাদের দলে টানবেন না। নিজেদের দল ভারী করার জন্য দলে বিতর্কিত ব্যক্তিদের অনুপ্রবেশ ঘটাবেন না। এই বিতর্কিত ব্যক্তিরা ভালোর চেয়ে খারাপই করে থাকে বেশি এবং দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাইবে। সেই অবস্থায় এবার আমারা ক্লিন ইমেজের নেতৃত্ব গড়ে তুলতে চাই। ক্লিন ইমেজের লিডারশিপ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনের মাধ্যমে গড়ে দিতে চাই। স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতাকর্মীরাই দায়িত্ব নেবে।

    কাদের বলেন, যুবলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও জাতীয় শ্রমিক লীগ, এই চারটি সংগঠনের কমিটি মেয়াদোর্ত্তীণ হয়ে গেছে। সাত বছরে আরও দুইটি কমিটি হতে পারতো কমপক্ষে। সেখানে আরও একবার সম্মেলন হতে পারতো। তাতে নতুন মুখ আসতে পারতো। নয়া নেতৃত্ব সৃষ্টি হতে পারতো। কিন্তু সেটা হয়নি। এখন এবারকার সম্মেলনের মধ্য দিয়ে পুরোনো অভিজ্ঞ মুখও থাকবে আবার নতুন মুখও আসতে হবে।

    তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন নিয়ে আমাকে নেত্রী যেভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, সেভাবে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠিত হয়েছে। এই প্রস্তুতি কমিটির মাধ্যমেই স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে। ১৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক নির্মল গুহ এবং পরিচালনা করবেন সদস্য সচিব গাজী মেসবাউল হক সাচ্চু।

    বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ. ফ. ম. বাহাউদ্দিন নাছিম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বান নির্মল গুহ, সদস্য সচিব গাজী মেসবাউল হক সাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সোহেল রানা টিপু, সাজ্জাদ সাকিব বাদশা প্রমুখ।

    সুত্র: সময় টিভি

  • বিমানে বরিশাল এসে নামতে না পেরে ঢাকায় ফিরে গেলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী!

    বিমানে বরিশাল এসে নামতে না পেরে ঢাকায় ফিরে গেলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী!

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন ::

    বিমান যোগে বরিশাল এসে নামতে না পেরে আবার ঢাকা ফিরে গেলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামিম এমপি। শুক্রবার বেলা ৩ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    আবহাওয়া খারাপ থাকায় এবং বৃষ্টিজনিত কারনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামিম এমপিকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানটি ঢাকা থেকে বরিশাল আসলেও বিমানবন্দরে ল্যান্ড করতে পারে নি।

    তবে একটি সূত্র বলছে, আবহাওয়া খারাপ থাকায় এবং বৃষ্টিজনিত কারনের পাশাপাশি  মূল রানওয়েতে অনেকগুলো কুকুর ছুটোছুটি-খেলাধুলা করছিল। এতে করে ওই বিমান অবতরণে সমস্যার সৃষ্টি হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিমানটি অবতরণের সময়েও কুকুরগুলো রানওয়ে না ছাড়ায় দুর্ঘটনার শঙ্কা সৃষ্টি হয়। এমন ঘটনার উদ্ভব হয় বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ বিমান অবতরণের পূর্বে রানওয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করায়। তাই বাধ্য হয়ে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামিম এমপিকে বহনকারী ইউ এস বাংলা বিমানটি ঢাকায় ফিরে গেছে।

    এ ব্যাপারে বরিশাল বিমান বন্দর’র ম্যানেজার বলেন, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানটি বেলা ৩ টার দিকে বরিশাল বিমান বন্দরে এসে অবহাওয়া খারাপ থাকায় ল্যান্ড করতে পারে নি। তবে ২ টা ১৭ মিনিটে ইউ এস বাংলা বিমান ও ৪ টা ১৭ মিনিটে নবএয়ার বিমান দুটি বরিশাল বিমান বন্দরে ল্যান্ড করে।

  • ‘ওই যে সম্রাট ভাই, দাঁড়িয়ে আছেন প্রিজন ভ্যানে’

    ‘ওই যে সম্রাট ভাই, দাঁড়িয়ে আছেন প্রিজন ভ্যানে’

    বাংলার মুখ ডেস্ক ::

    যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ক্যাসিনো সম্রাট খ্যাত ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাবের পাহারায় তাকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে নেয়া হয়।

    সরেজমিনে দেখা যায়, সম্রাটকে আদালতে আনার পর থেকে কারাগারে নেয়ার সময় পর্যন্ত তার সমর্থকদের ভিড় নেই। তার সমর্থকদের বাইরে কিছু উৎসুক জনতা সম্রাটকে দেখার জন্য আদালতের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। প্রিজন ভ্যানে অন্যান্য আসামির সঙ্গে তাকে কারাগারে নেয়া হয়। এ সময় সম্রাটকে প্রিজন ভ্যানে দেখে অনেকে বলছিলেন, ‘ওই যে সম্রাট ভাই, দাঁড়িয়ে আছেন।’ এ সময় প্রিজন ভ্যানের ভেতর থেকে কয়েকজন আসামিকে বলতে শোনা যায়, ‘সম্রাট ভাই, আমাদের সঙ্গে আছেন। এই যে আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন।’

    আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে অস্ত্র ও মাদক মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড শেষে সম্রাটকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে (সিএমএম) হাজির করা হয়। তাকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। তার ১০ মিনিট পর তার আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

    অন্যদিকে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লাহ তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিকেল ৫টার দিকে তাকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে নেয়া হয়। তার আইনজীবীরা চিকিৎসা চেয়ে আবেদন করলে কারাবিধি অনুযায়ী চিকিৎসা দেয়ার জন্য জেল সুপারকে নির্দেশ দেন আদালত।

    গত ১৫ অক্টোবর অস্ত্র মামলায় পাঁচদিন ও মাদক মামলায় পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। ওইদিন তার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেছিলেন তার সমর্থকরা। ঢাকার সিএমএম আদালত প্রাঙ্গণের বাইরে তার সমর্থকদের ভিড় দেখা যায়। পুলিশ তাদের বের করে দিয়ে আদালতের প্রধান গেট আটকে দেয়। তারা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রায়সাহেব বাজার মোড় পর্যন্ত সড়কে অবস্থান নিয়ে সম্রাটের মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

    গত ৭ অক্টোবর রমনা থানা পুলিশ অস্ত্র ও মাদক আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো-পূর্বক ১০ দিন করে মোট ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। পরে ঢাকা মহানগর হাকিম ইয়াসমিন আরা আসামি সম্রাটের উপস্থিতিতে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন ও রিমান্ড শুনানির জন্য ৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। ওইদিন শারীরিক অসুস্থতার কারণে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি থাকায় সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতকে চিঠি দেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল কবির চৌধুরী। সম্রাট অসুস্থ থাকায় আদালতে উপস্থিত না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারী এ বিষয় শুনানির জন্য ১৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেছিলেন।

    ৮ অক্টোবর সকালে বুকে ব্যথা অনুভব করায় সম্রাটকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তাকে প্রথমে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

    ১২ অক্টোবর বেলা ১১টা ২০ মিনিটে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট থেকে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয় সম্রাটকে। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. মহসিন আহমেদ বলেন, সম্রাটের জন্য গঠিত সাত সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের সবাই তাকে দেখেছেন। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। বোর্ডের সদস্যরা মনে করেন, তার হাসপাতালে থাকার প্রয়োজন নেই। তাই তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।

    র‌্যাব-১ বাদী হয়ে রমনা মডেল থানায় সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা দুটি দায়ের করে। দুই মামলার বাদী র‌্যাব-১ এর ডিএডি আব্দুল খালেক। এর মধ্যে মাদক মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানকেও আসামি করা হয়েছে।

    ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর সম্রাটের নাম আসার পর থেকেই তাকে নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। অভিযান শুরুর পর হাইপ্রোফাইল কয়েকজন গ্রেফতার হলেও খোঁজ মিলছিল না সম্রাটের। এসবের মধ্যে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়। এরপর ৫ অক্টোবর রাত থেকেই তার গ্রেফতার হওয়ার খবর এলেও পরদিন সকালে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়। তার সঙ্গে আরমানকেও আটক করা হয়। পরে ঢাকায় এনে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করে র‌্যাব।

    ৬ অক্টোবর দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে তালা ভেঙে সম্রাটের কার্যালয়ে ঢুকে অভিযান শুরু করে। নিজ কার্যালয়ে পশুর চামড়া রাখার দায়ে তার ছয় মাসের জেল দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম।

    অভিযান শেষে ইসমাইল হোসেন সম্রাটকে র‌্যাবের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন যুবলীগ সমর্থকরা। কার্যালয় থেকে সম্রাট বের হতেই প্রায় ২-৩শ’ যুবলীগ সমর্থক ‘জয় বাংলা’, ‘সম্রাট ভাই তোমার ভয় নেই, আমরা আছি তোমার সাথে’ স্লোগান দেন। সম্রাটের মুক্তির দাবির পোস্টারে ছেয়ে যায় সিএমএম আদালত চত্বর।

  • রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার দুই যুবলীগ নেতার জামিন লাভ

    রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার দুই যুবলীগ নেতার জামিন লাভ

    ঝালকাঠী প্রতিনিধি//আরিফুর রহমান আরিফ:

    ঝালকাঠিতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন যুবলীগের দুই নেতা । গত ২২ অক্টোবর ঠিকাদারি কাজে রাজাপুর থেকে ঝালকাঠি ফেরার সময় জেলা যুবলীগ নেতা কাজী মারুফুজ্জামান ইরান ও মোস্তাফিজুর রহমান রিংকুকে আটক করে ডিবি পুলিশ। আসন্ন যুবলীগের নতুন কমিটিকে ঘিরে একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে তাদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করে আসছে। এর অংশ হিসেবে তাদেরকে গত ২২ অক্টোবর ঝালকাঠির সদর থানায় দায়ের করা একটি মাদক মামলায় জড়ানো হয়। তবে বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) ঝালকাঠির সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইনজীবীরা ষড়যন্ত্রের বিষয়টি প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ পেশ করেন। পেশাগত ও সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন আদালতের বিচারক।

  • আগের মেয়রের সময় প্রতি পিস আপেলের ভাউচার হতো ৩৫ টাকা : সাদিক আবদুল্লাহ

    আগের মেয়রের সময় প্রতি পিস আপেলের ভাউচার হতো ৩৫ টাকা : সাদিক আবদুল্লাহ

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুদ্ধি অভিযানের মাধ্যমে দেশ থেকে সকল অপকর্ম দূর করার জন্য বিরামহীন কাজ করে চলছেন। তিনি শক্ত হাতে সংগঠনের হাল ধরেছেন। তাঁর আত্মীয়দেরও কোন ছাড় দিচ্ছেন না। তাঁর আদর্শের একজন অনুসারী হয়ে আমিও আমার পরিবারের কাউকে কোন ধরনের ছাড় না দেয়ার মানসিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

    আজ বিকেলে নগরীর জিয়া সড়ক মদিনা মসজিদ এলাকায় অনুষ্ঠিত ২২ ও ২৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির দেয়া বক্তব্যে একথা বলেন। মেয়র বলেন, আমি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার আগেই এ নগরী থেকে যাত্রা, জুয়া ও হাউজি বন্ধ করে দিয়েছি। আগের মেয়রের সময় প্রতি মাসে গাড়ির তেলের বিল করা হতো ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকা সেই বিল আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র ৪লাখ টাকায় নিয়ে এসেছি। এমনকি আমার সিটি কর্পোরেশনে প্রথম পর্যায়ে আমাকে এবং যেকোনো অতিথি আপ্যায়নের জন্য যে আপেল কেনা হতো তার প্রতিটি আপেলের দাম তারা ভাউচার করতো ৩৫টাকা।

    আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর সিটি কর্পোরেশন থেকে দুর্নীতিমুক্ত করেছি। তিনি আরো বলেন, বিএনপি মিথ্যার উপর ভর দিয়ে রাজনীতি করে। যারা আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী তারাও আজকে বিএনপির মতো মিথ্যাচারের রাজনীতি শুরু করেছে। ওই সকল হাইব্রিডরা অনেক আগে থেকেই নানা মিথ্যা প্রচারনা চালিয়ে আসছে। সকলের মানষিকতা পরিবর্তন হওয়া দরকার। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে আমাদের মানুষের মতো মানুষ হয়ে কাজ করতে হবে। মেয়র বলেন, আমার কোন চাওয়া পাওয়া নাই। কে কি আমাকে নিয়ে বললো আমি তা মাথায় নেইনা। বরিশালের জনগন আমাকে নিয়ে কি বললো সেটাই আমার কাছে মুখ্য।

    কোন জরিপে আমাকে শ্রেষ্ঠ মেয়র বানানো হলো সেটাও আমার কাছে প্রধান বিষয় না, জনগন আমাকে কিভাবে মূল্যায়িত করছেন সেটাই মূখ্য আমার কাছে। আমি মনে করি একজন শিক্ষিত ক্রিমিনালের থেকে একজন অশিক্ষিত মুক্তিযোদ্ধা অনেক ভালো। তিনি বলেন, আমি জোর দিয়ে বলতে পারি আমি কোন দুর্নীতি করি নাই। আগে বরিশালে যে লুটপাটের ধারা চলে আসছিল তা আমি বন্ধ করেছি মাত্র। আমার কোন সম্পত্তি নাই। জনগনের ভালবাসাই আমার সম্পদ। জনগনই আমার ব্যাংক ব্যালেন্স। আমার ব্যক্তিগত কোন লোক নেই। জনগনই আমার আর আমি জনগনের লোক। আগামীতে স্বচ্ছ না থাকলে রাজনীতিতে টিকে থাকা মুশকিল হয়ে যাবে।

    নিজের গত এক বছরের কাজের বিষয়ে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, আমি জনগনের চাহিদা অনুযায়ী দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন কাজ করতে পারি নাই এটা হয়তো ঠিক। তবে আমি জবাবদিহীতা সৃষ্টির মধ্য দিয়ে নগর ভবন থেকে চুরি ও ঘুষ বন্ধ করতে পেরেছি। জনগনের টাকা মেরে খাওয়ার জন্য আমি মেয়রের দায়িত্ব নেইনি। আমি কারো কাছ থেকে কোন অনৈতিক সুবিধা নেইনা। আমি ৫ বছরের গ্যারান্টি দিয়ে নগরীর সব রাস্তার কাজ করে দেবো। ২২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহবায়ক আব্দুল হালিম খানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড. একেএম জাহাঙ্গীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু।

  • দুইদিনের সফরে বরিশালে আসছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    দুইদিনের সফরে বরিশালে আসছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    দুইদিনের জেলা সফরে শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বরিশাল আসছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি। এই দুই দিনের সফরে বরিশালের বেশ কয়েকটি জনগুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন এবং কমিউনিটি পুলিশিং ডে কর্মসূচিতে যোগ দিবেন।

    সফর সূচিতে দেখা গেছে, ২৫ অক্টোবর ২ টায় হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর থেকে বরিশালের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবেন। পৌনে তিনটায় বরিশাল বিমান বন্দরে পৌছে নগরীর পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেস্ট হাউজের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবেন। ৩টায় রেস্ট হাউজে পৌঁছে বিশ্রাম গ্রহণ। বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষ্যে অশ্বিনী কুমার হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিকেল চারটায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিবেন।

    পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেস্ট হাউজে তিনি রাত্রিযাপন করবেন। ২৬ অক্টোবর সকাল ৮টায় বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ড্রেজিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু উদ্যানে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০১৯ অনুষ্ঠানে যোগ দিবেন। সোয়া ২টায় বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশে বরিশাল ত্যাগ করবেন।

    প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব নূরে আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

  • জনগনের ভালবাসাই আমার সম্পদ : মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    জনগনের ভালবাসাই আমার সম্পদ : মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুদ্ধি অভিযানের মাধ্যমে দেশ থেকে সকল অপকর্ম দূর করার জন্য বিরামহীন কাজ করে চলছেন। তিনি শক্ত হাতে সংগঠনের হাল ধরেছেন। তাঁর আত্মীয়দেরও কোন ছাড় দিচ্ছেন না। তাঁর আদর্শের একজন অনুসারী হয়ে আমিও আমার পরিবারের কাউকে কোন ধরনের ছাড় না দেয়ার মানষিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। মেয়র মঙ্গলবার

    বিকেলে নগরীর জিয়া সড়ক মদিনা মসজিদ এলাকায় অনুষ্ঠিত ২২ ও ২৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির দেয়া বক্তব্যে একথা বলেন। মেয়র বলেন, আমি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার আগেই এ নগরী থেকে যাত্রা, জুয়া ও হাউজি বন্ধ করে দিয়েছি। আগের মেয়রের সময় প্রতি মাসে গাড়ির তেলের বিল করা হতো ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকা সেই বিল আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র ৪লাখ টাকায় নিয়ে এসেছি। এমনকি আমার সিটি কর্পোরেশনে প্রথম পর্যায়ে আমাকে এবং যেকোনো অতিথি আপ্যায়নের জন্য যে আপেল কেনা হতো তার প্রতিটি আপেলের দাম তারা ভাউচার করতো ৩৫টাকা। আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর সিটি কর্পোরেশন থেকে দূর্নীতি মুক্ত করেছি।
    তিনি আরো বলেন,বিএনপি মিথ্যার উপর ভড় করে রাজনীতি করে একথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, যারা আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী তারাও আজকে বিএনপির মতো মিথ্যাচারের রাজনীতি শুরু করেছে।

    ওই সকল হাইব্রিডরা অনেক আগে থেকেই নানা মিথ্যা প্রচারনা চালিয়ে আসছে। সকলের মানষিকতা পরিবর্তন হওয়া দরকার। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে আমাদের মানুষের মতো মানুষ হয়ে কাজ করতে হবে। মেয়র বলেন, আমার কোন চাওয়া পাওয়া নাই। কে কি আমাকে নিয়ে বললো আমি তা মাথায় নেইনা। বরিশালের জনগন আমাকে নিয়ে কি বললো সেটাই আমার কাছে মুখ্য। কোন জরিপে আমাকে শ্রেষ্ঠ মেয়র বানানো হলো সেটাও আমার কাছে প্রধান বিষয় না, জনগন আমাকে কিভাবে মূল্যায়িত করছেন সেটাই মূখ্য আমার কাছে। আমি মনে করি একজন শিক্ষিত ক্রিমিনালের থেকে একজন অশিক্ষিত মুক্তিযোদ্ধা অনেক ভালো। তিনি বলেন, আমি জোর দিয়ে বলতে পারি আমি কোন দূর্নীতি করিনাই। আগে বরিশালে যে লুটপাটের ধারা চলে আসছিল তা আমি বন্ধ করেছি মাত্র। আমার কোন সম্পত্তি নাই। জনগনের ভালবাসাই আমার সম্পদ। জনগনই আমার ব্যাংক ব্যালেন্স। আমার ব্যক্তিগত কোন লোক নেই।

    জনগনই আমার আর আমি জনগনের লোক। আগামীতে স্বচ্ছ না থাকলে রাজনীতিতে টিকে থাকা মুশকিল হয়ে যাবে। নিজের গত এক বছরের কাজের বিষয়ে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, আমি জনগনের চাহিদা অনুযায়ী দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন কাজ করতে পারি নাই এটা হয়তো ঠিক। তবে আমি জবাবদিহীতা সৃষ্টির মধ্য দিয়ে নগর ভবন থেকে চুরি ও ঘুষ বন্ধ করতে পেরেছি। জনগনের টাকা মেরে খাওয়ার জন্য আমি মেয়রের দায়িত্ব নেইনি। আমি কারো কাছ থেকে কোন অনৈতিক সুবিধা নেইনা। আমি ৫ বছরের গ্যারান্টি দিয়ে নগরীর সব রাস্তার কাজ করে দেবো।

    ২২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহবায়ক আব্দুল হালিম খানের সভাপতিত্বে
    সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড. একেএম জাহাঙ্গীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু। সম্মেলনে বরিশাল মহানগর, ওয়ার্ড ও স্থানীয় পর্যায়ের আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও দল সমর্থিত কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন

  • পঙ্কজকে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

    পঙ্কজকে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

    অনলাইন ডেস্ক:

     স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথকে সংগঠনের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে বলেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় সফরে আজারবাইজান যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতাদের এ নির্দেশ দেন। আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই নেতারা বলেন, পঙ্কজ দেবনাথকে অব্যাহতি নয় সম্মেলনের সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

    এর আগে বুধবার (২৩ অক্টোবর) স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওসারকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

    উল্লেখ্য, চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে বিভিন্ন সময় আলোচনা এসেছে মোল্লা মো. আবু কাওসারের নাম। স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা কাওসার ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সভাপতি। অভিযানের প্রথম দিকেই ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে অভিযান চালিয়ে ক্যাসিনো সরঞ্জাম উদ্ধার করে র‌্যাব। ইতিমধ্যে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে।

    এদিকে বিভিন্ন অভিযোগে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক

  • দায়িত্ব নেয়ার আগেই বরিশাল থেকে যাত্রা, জুয়া ও হাউজি বন্ধ করে দিয়েছি : মেয়র সাদিক

    দায়িত্ব নেয়ার আগেই বরিশাল থেকে যাত্রা, জুয়া ও হাউজি বন্ধ করে দিয়েছি : মেয়র সাদিক

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুদ্ধি অভিযানের মাধ্যমে দেশ থেকে সকল অপকর্ম দূর করার জন্য বিরামহীন কাজ করে চলছেন। তিনি শক্ত হাতে সংগঠনের হাল ধরেছেন। তাঁর আত্মীয়দেরও কোন ছাড় দিচ্ছেন না। তাঁর আদর্শের একজন অনুসারী হয়ে আমিও আমার পরিবারের কাউকে কোন ধরনের ছাড় না দেয়ার মানষিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

    মেয়র বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর জিয়া সড়ক মদিনা মসজিদ এলাকায় অনুষ্ঠিত ২২ ও ২৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির দেয়া বক্তব্যে একথা বলেন।

    মেয়র বলেন, আমি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার আগেই এ নগরী থেকে যাত্রা, জুয়া ও হাউজি বন্ধ করে দিয়েছি। আগের মেয়রের সময় প্রতি মাসে গাড়ির তেলের বিল করা হতো ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকা সেই বিল আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র ৪লাখ টাকায় নিয়ে এসেছি। এমনকি আমার সিটি কর্পোরেশনে প্রথম পর্যায়ে আমাকে এবং যেকোনো অতিথি আপ্যায়নের জন্য যে আপেল কেনা হতো তার প্রতিটি আপেলের দাম তারা ভাউচার করতো ৩৫টাকা। আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর সিটি কর্পোরেশন থেকে দূর্নীতি মুক্ত করেছি।

    তিনি আরো বলেন, বিএনপি মিথ্যার উপর ভড় করে রাজনীতি করে একথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, যারা আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী তারাও আজকে বিএনপির মতো মিথ্যাচারের রাজনীতি শুরু করেছে। ওই সকল হাইব্রিডরা অনেক আগে থেকেই নানা মিথ্যা প্রচারনা চালিয়ে আসছে। সকলের মানষিকতা পরিবর্তন হওয়া দরকার। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে আমাদের মানুষের মতো মানুষ হয়ে কাজ করতে হবে। মেয়র বলেন, আমার কোন চাওয়া পাওয়া নাই। কে কি আমাকে নিয়ে বললো আমি তা মাথায় নেইনা। বরিশালের জনগন আমাকে নিয়ে কি বললো সেটাই আমার কাছে মুখ্য।

    কোন জরিপে আমাকে শ্রেষ্ঠ মেয়র বানানো হলো সেটাও আমার কাছে প্রধান বিষয় না, জনগন আমাকে কিভাবে মূল্যায়িত করছেন সেটাই মূখ্য আমার কাছে। আমি মনে করি একজন শিক্ষিত ক্রিমিনালের থেকে একজন অশিক্ষিত মুক্তিযোদ্ধা অনেক ভালো। তিনি বলেন, আমি জোর দিয়ে বলতে পারি আমি কোন দূর্নীতি করিনাই। আগে বরিশালে যে লুটপাটের ধারা চলে আসছিল তা আমি বন্ধ করেছি মাত্র। আমার কোন সম্পত্তি নাই। জনগনের ভালবাসাই আমার সম্পদ। জনগনই আমার ব্যাংক ব্যালেন্স। আমার ব্যক্তিগত কোন লোক নেই। জনগনই আমার আর আমি জনগনের লোক। আগামীতে স্বচ্ছ না থাকলে রাজনীতিতে টিকে থাকা মুশকিল হয়ে যাবে।

    নিজের গত এক বছরের কাজের বিষয়ে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, আমি জনগনের চাহিদা অনুযায়ী দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন কাজ করতে পারি নাই এটা হয়তো ঠিক। তবে আমি জবাবদিহীতা সৃষ্টির মধ্য দিয়ে নগর ভবন থেকে চুরি ও ঘুষ বন্ধ করতে পেরেছি। জনগনের টাকা মেরে খাওয়ার জন্য আমি মেয়রের দায়িত্ব নেইনি। আমি কারো কাছ থেকে কোন অনৈতিক সুবিধা নেইনা। আমি ৫ বছরের গ্যারান্টি দিয়ে নগরীর সব রাস্তার কাজ করে দেবো।

    ২২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহবায়ক আব্দুল হালিম খানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড. একেএম জাহাঙ্গীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু। সম্মেলনে বরিশাল মহানগর, ওয়ার্ড ও স্থানীয় পর্যায়ের আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও দল সমর্থিত কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশালে ২২ ও ২৭ নং ওয়ার্ড এর ত্রি- বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    বরিশালে ২২ ও ২৭ নং ওয়ার্ড এর ত্রি- বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    বরিশাল নগরীর জিয়া সড়ক এলাকায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বরিশাল মহানগর  ২২ ও ২৭ নং ওয়ার্ড এর ত্রি- বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

     

    উক্ত সম্মেলন প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করর্পোশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু,। প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এড. এ. কে. এম. জাহাংঙ্গির,সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, বরিশাল মহানগর। সভাপতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল হালিম খান,আহবায়ক,২২ নং ওয়ার্ড ,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, বরিশাল মহানগর।উক্ত সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আব্দুর রহমান সপন, কর্মী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, বরিশাল মহানগর। এছাড়াও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরবৃন্দ ও অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

    নগরীর জিয়া সড়ক থেকে ক্যামেরায় রেজয়ানুর রহমান সফেন

     

    উক্ত সম্মেলনে সভাপতি পদপ্রার্থী আব্দুল আলীম বাবুল, সাধারন সম্পাদক, ২৭ নং ওয়ার্ড, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ,বরিশাল মহানগর।

    নগরীর জিয়া সড়ক থেকে ক্যামেরায় রেজয়ানুর রহমান সফেন

     

    সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী জিয়া উদ্দিন আবু মোল্লা, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক, ২৭ নং ওয়ার্ড, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, বরিশাল মহানগর।