Category: রাজণীতি

  • যুক্তি সঙ্গত কারনেই মেয়র সাদিক প্রশংসার দাবিদার

    যুক্তি সঙ্গত কারনেই মেয়র সাদিক প্রশংসার দাবিদার

    স্টাফ রিপোর্টার//রাতুল হোসেন রায়হান:

     সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। মেয়র হিসেবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব নিয়েছেন এক বছর হলো। তিনি নিজেই বিভিন্ন সময় বলে থাকেন তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে দৃশ্যমান তেমন কোন উন্নয়ন করতে পারেননি। আর গত ২৩ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব গ্রহনের এক বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে বলেছেন গত এক বছরে তিনি নগর ভবনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নীতি নৈতিকতার উন্নয়নে কাজ করেছেন।

    এখন তিনি নগর উন্নয়নে কাজ শুরু করবেন। আসলে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ তাঁর মন থেকে যা আসে তাই প্রকাশ করেন। সদা সত্য কথা বলতে গিয়ে অনেকের কাছে তিনি বিরাগভাজন হলেও তিনি কোন কিছুর পরোয়া করেন না। গত বছরে বরিশালে এসে অনেক সন্মানিত ব্যক্তি মেয়রের সান্নিধ্য গ্রহন করেছেন।

    মেয়রের ব্যবহার, আথিতেয়তা এবং বরিশাল নিয়ে তাঁর পরিকল্পনা দেখে সবাই অভিভূত হয়েছেন। মুগ্ধ হয়ে মেয়রের ভূয়সী প্রশংসা করছেন সবাই। আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক সম্প্রতি বেশ কিছু কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে বরিশালে এসেছিলেন। কিন্তু মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর সাথে মতবিনিময় করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রীর সব পরিকল্পনা যেন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

    আগামী বরিশাল নিয়ে মাত্র কয়েক মিনিটের একটি ভিডিও ক্লিপ দেখে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন আমি কিছু কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে বরিশালে এসেছিলাম। কিন্তু মেয়রের পরিকল্পনা দেখে আমি নিজেই সমৃ্দ্ধ হয়ে গেলাম। আইসিটি প্রতিমন্ত্রীর পরে বরিশালে এসেছিলেন ভারতীয় হাই কমিশনার রীভা গাঙ্গুলী দাশ। তরুন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নানান কাজের তিনি প্রশংসা করে একটি স্মার্ট সিটি গড়তে ভারতের পক্ষ থেকে সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

    মেয়র ভারতীয় হাই কমিশনারের সৌজন্যে সংবর্ধনা ও নৈশভোজের আয়োজন করেন। মেয়রের এই আথিতেয়তায় মুগ্ধতা প্রকাশ করে ঝালকাঠি সফরে গিয়ে ভারতীয় হাই কমিশনার বলেছিলেন বরিশালের মানুষ অনেক অতিথি পরায়ন। আর সবর্শেষ বরিশাল সফরে এসে সকলকে মেয়রের পাশে থাকার আহবান জানিয়ে শ্রম প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান বলেছেন সাদিক কখনো আপনাদের সাথে বেইমানী করবেনা। কারন ওর শরীরের রক্তের সাথে বঙ্গবন্ধুর রক্তের মিল রয়েছে।

    গত ২৩ অক্টোবর মেয়রকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন বরিশালের প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা। দায়িত্ব গ্রহনের এক বছর পূর্তিতে সর্বস্তরের মানুষের ভালবাসায় সিক্ত হন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    গত বুধবার সন্ধ্যায় নগর ভবনে তাকে বরিশালের জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমান ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান এবং বর্ষপূর্তির একটি কেক উপহার দেন। এছাড়া বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো: শাহাবুদ্দিন, র‌্যাব-৮ এর পক্ষ থেকে র‌্যাব কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন খালেদ মাহমুদ, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ, বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান, মহানগর ছাত্রলীগসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্তাব্যক্তি ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে মেয়রকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়।

    এরআগে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর দায়িত্ব গ্রহনের ১ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে নগর ভবনে বিশেষ দোয়া মোনাজাত ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ ছাড়াও প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন। মেয়র সকলের উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তব্যে গত এক বছরে তাকে সার্বিক সহযোগিতার জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    তিনি বলেন, সকলের সহযোগিতা নিয়ে আমি এগিয়ে চলার চেষ্ঠা করছি। প্রথম এক বছরে আমি বিসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নীতি নৈতিকতার উন্নয়নে কাজ করেছি। আর এখন থেকে নগর উন্নয়নে মনোনিবেশ করবো। এক বছর নয় ৫ বছর পর জনগন মূল্যায়ন করবেন আমি তাঁদের জন্য কোন কাজ করতে পেরেছি কিনা।

    অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সেবা দিয়ে থাকে। সার্ভিস ও সেবা এ দুটোতেই গত এক বছরে আমূল পরিবর্তন এসেছে। এখন সিটি কর্পোরেশনে সেবা নিতে আসতে কেউ ভয় পাননা। নগরবাসী তাঁদের জীবন মান উন্নয়নে মেয়রকে কাজে লাগাচ্ছেন।

    মেয়রকে একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান হিসেবে আখ্যায়িত করে জেলা প্রশাসক বলেন, মেয়রের শরীরে বঙ্গবন্ধুর রক্তের মিল আছে। আজ মেয়রের কারনে বরিশাল নগরী একটি সুন্দর পরিচ্ছন্ন নগরী। মেয়র নিজে রাতে শহর ঘুরে বেড়ান। তাঁর কারনে সকলের মধ্য থেকে আজ ফাঁকির প্রবনতা কমে গেছে।

    জেলা প্রশাসক মেয়রের আগামী দিন গুলোর জন্য শুভ কামনা জানিয়ে বলেন, আগামীতে বরিশাল নিয়ে আপনার সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হোক।

    অনুষ্ঠানে বরিশালের পুলিশ সুপার সাইদুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, মেয়র তৃনমূল থেকে তাঁর কার্যক্রম শুরু করেছেন। সর্বত্রই তাঁর বিচরন। মেয়রকে তাঁর পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে আমাদের সকলকে সহায়তা করতে হবে। তাঁর পরিকল্পনা গুলো আমি দেখেছি। যা আমাকে সত্যিই অভিভূত করেছে। অনুষ্ঠানে উপ পুলিশ কমিশনার (দক্ষিন) মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া বলেন, মেয়রের হাত ধরে বরিশাল সত্যিই প্রাচ্যের ভেনিস হবে। একদিন বরিশালকে দেখতে বাইরে থেকে লোক আসবে।

    আসলে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, হাই কমিশনার কিংবা প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা আজ মেয়রের যে প্রশংসা করছেন তার প্রকৃত দাবিদার তিনিই। কারন সরলতা, মানুষের প্রতি ভালবাসা, বড়দের প্রতি সন্মান আর ছোটদের আদর করার মানষিকতার পাশাপাশি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ যা তাঁর অন্তরে ধারন করেন তাই প্রকাশ করেন। ঘুম থেকে উঠার পর থেকে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত যিনি আগামীর বরিশাল গড়তে পরিকল্পনা করেন তিনিতো অবশ্যই সকলের কাছ থেকে প্রশংসিত হবেন।

  • মেয়রের হাত ধরে বরিশাল প্রাচ্যের ভেনিস হিসেবে রুপ পাবে

    মেয়রের হাত ধরে বরিশাল প্রাচ্যের ভেনিস হিসেবে রুপ পাবে

    স্টাফ রিপোর্টার//রাতুল হোসেন রায়হান:

     দায়িত্ব গ্রহনের এক বছর পূর্তিতে সর্বস্তরের মানুষের ভালবাসায় সিক্ত হলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।
    বুধবার সন্ধ্যায় নগর ভবনে তাকে বরিশালের জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমান ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান এবং বর্ষপূর্তির একটি কেক উপহার দেন।

    এছাড়া র‌্যাব-৮ এর পক্ষ থেকে র‌্যাব কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন খালেদ মাহমুদ, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ, বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান, মহানগর ছাত্রলীগসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্তাব্যক্তি ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে মেয়রকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়।

    এর আগে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর দায়িত্ব গ্রহনের ১ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে নগর ভবনে বিশেষ দোয়া মোনাজাত ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ ছাড়াও প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন। মেয়র সকলের উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তব্যে গত এক বছরে তাকে সার্বিক সহযোগিতার জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
    মেয়র বলেন, সকলের সহযোগিতা নিয়ে আমি এগিয়ে চলার চেষ্ঠা করছি। প্রথম এক বছরে আমি বিসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নীতি নৈতিকতার উন্নয়নে কাজ করেছি। আর এখন থেকে নগর উন্নয়নে মনোনিবেশ করবো। এক বছর নয় ৫ বছর পর জনগন মূল্যায়ন করবেন আমি তাঁদের জন্য কোন কাজ করতে পেরেছি কিনা।
    অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সেবা দিয়ে থাকে। সার্ভিস ও সেবা এ দুটোতেই গত এক বছরে আমূল পরিবর্তন এসছে। এখন সিটি কর্পোরেশনে সেবা নিতে আসতে কেউ ভয় পাননা। নগরবাসী তাঁদের জীবন মান উন্নয়নে মেয়রকে কাজে লাগাচ্ছেন।

    মেয়রকে একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান হিসেবে আখ্যায়িত করে জেলা প্রশাসক বলেন, মেয়রের শরীরে বঙ্গবন্ধুর রক্তের মিল আছে। আজ মেয়রের কারনে বরিশাল নগরী একটি সুন্দর পরিচ্ছন্ন নগরী। মেয়র নিজে রাতে শহর ঘুরে বেড়ান। তাঁর কারনে সকলের মধ্য থেকে আজ ফাঁকির প্রবনতা কমে গেছে।

    জেলা প্রশাসক মেয়রের আগামী দিন গুলোর জন্য শুভ কামনা জানিয়ে বলেন, আগামীতে বরিশাল নিয়ে আপনার সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হোক।
    অনুষ্ঠানে বরিশালের পুলিশ সুপার সাইদুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, মেয়র তৃনমূল থেকে তাঁর কার্যক্রম শুরু করেছেন। সর্বত্রই তাঁর বিচরন। মেয়রকে তাঁর পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে আমাদের সকলকে সহায়তা করতে হবে। তাঁর পরিকল্পনা গুলো আমি দেখেছি। যা আমাকে সত্যিই অভিভূত করেছে।

    অনুষ্ঠানে উপ পুলিশ কমিশনার (দক্ষিন) মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া বলেন, মেয়রের হাত ধরে বরিশাল সত্যিই প্রাচ্যের ভেনিস হিসেবে রুপ পাবে। মেয়র যা পারবেন অন্যরা তা পারবেন না। এক সময় অন্যরা বরিশালকে দেখতে আসবে।
    অনুষ্ঠানে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ ও তাঁর বর্তমান পরিষদের সাফল্য কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়। এতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করা হয়।

    এছাড়া ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে নিহতদের স্মরন করে তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কমিটির আহবায়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ূ কামনা করা হয়।
    দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন চকবাজার জামে এবায়দুল্লাহ মসজিদের খতিব মাও. নুরুর রহমান বেগ।

    এদিকে বিকেলে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ নগরীর খামার বাড়ির প্রশিক্ষন হলে আয়োজিত ডিপ্লোমা কৃষিবিদ দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
    ডিকেআইবির বরিশাল জেলা সভাপতি আবুল বসার জোমাদ্দারের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, অনেকে আমাকে বলে আমি নাকি টিনের চশমা পড়েছি। অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে শপথ পড়িয়েছেন তা বাস্তবায়নে আমি টিনের চশমা পড়েছি। আমি অন্যের সম্পদ লুটপাট করে খাওয়ার জন্য টিনের চশমা পড়িনাই।
    ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননকে উদ্দেশ্যে করে মেয়র বলেন, পরিস্থিতি আগে থেকেই আচ করতে পেরে মেনন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এখনকার মানুষ সব বোঝে। মিথ্যা বলে সাময়িক বুঝ দেয়া যায়। তবে কথা আর কাজের সাথে মিল থাকতে হবে। সকালে এক কথা আর বিকেলে যারা আরেক কথা বলে তাদের রাজনীতি করার অধিকার নাই।
    মেয়র বলেন, গত এক বছরে আমি দৃশ্যমান উন্নয়ন করতে না পারলেও আমি দায়িত্ব নিয়ে চুরি বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছি। আমি শারিরীক শ্রম দিয়ে বরিশাল নগরীকে পরিচ্ছন্ন নগরী করতে চেষ্ঠা করছি।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান, সাবেক সাংসদ ও বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. তালুকদার মো: ইউনুস, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. একেএম জাহাঙ্গীরসহ রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে মেয়রকে শুভেচ্ছা জানান।

    এছাড়া সভায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকন, কৃষক লীগ বরিশাল জেলা সভাপতি অ্যাড. সাইফুল আলম গিয়াস, সাধারণ সম্পাদক শেখ মিজানুর রহমান, ডিএই’র উপ পরিচালক হরিদাস শিকারী, ডিকেআইবির কেন্দ্রীয় নেতা আলী আজগর মোল্লাসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

  • ২৭৩০ প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    ২৭৩০ প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    সারাদেশের ২ হাজার ৭৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (২৩ অক্টোবর) গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেল।

    এর আগে মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকার সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘এখন ঘোষণা হলেও এমপিওভুক্তি গত জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে ধরা হবে।’

    গত জুন মাসে এমপিওভুক্তি ঘোষণার কথা থাকলেও পরিপূর্ণ ও নির্ভুল তালিকা তৈরির জন্য বিলম্ব হয়েছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা বাজেট বরাদ্দ পেয়েছি। এই জুলাই মাস থেকেই এমপিও কার্যকর হবে। এদিকে এমপিওভুক্তির দাবিতে আমরণ অনশনে থাকা শিক্ষকদের অনশন ভাঙিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে নন এমপিও শিক্ষক ফেডারেশনের নেতারা শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় মন্ত্রী তাদের শরবত খাইয়ে অনশন ভাঙান। সাক্ষাৎকালে এক শিক্ষক নেতা শিক্ষামন্ত্রীকে কদমবুসি করতে গেলে মন্ত্রী বলেন, না না, আপনি শিক্ষক মানুষ, আপনি কেন আমাকে সালাম করবেন।

    এ সময় শিক্ষক নেতারা তাদের দাবি মেনে নিতে মন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান। জবাবে মন্ত্রী জানান, তিনি সাধ্যমতো এ ব্যাপারে চেষ্টা করবেন। সোমবার সকাল থেকে আমরণ অনশন শুরু করেন ননএমপিও শিক্ষক-কর্মচারী নেতারা। সব প্রতিষ্ঠান একযোগে এমপিওভুক্তি চান তারা। এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী জানান, আন্দোলন করে এমপিও পাওয়া যাবে না। যোগ্যতার বিচারে এমপিও দেয়া হবে।

    উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০১০ সালে প্রায় দেড় হাজার প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়। এবার ২০১৮ সালের নীতিমালার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে অনলাইনে আবেদন চাওয়া হয়। সেখান থেকে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বাছাই করে প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

  • বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর শোক

    বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর শোক

    বাংলার মুখ ডেস্ক:

    বাংলাদেশ শিশু একাডেমী বরিশাল জেলা কার্যালয়ের শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা পংকজ রায় চৌধুরীর পিতা নারায়ন রায় চৌধুরীর প্রয়ানে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এক শোক বিবৃতিতে তিনি প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা ও শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

  • বরিশালে বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ

    বরিশালে বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ

    বিএনপি চেয়ারপার্সন, দেশনেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও ভোলায় হত্যান্ডের ঘটনায় সুষ্ঠু নিরাপক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী ও মামলার প্রতিবাদে পৃথকভাবে সমাবেশ ও প্রতিবাদ সভা করেছে বরিশাল উত্তর জেলা ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি সহ মহানগর বিএনপি।

    আজ বুধবার (২৩ই) অক্টোবর নগরের অশ্বিনী কুমার টাউন হল চত্বরে বরিশাল উত্তর জেলা ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে সমাবেশ ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে।

    বরিশাল দক্ষিন জেলা বিএনপি সভাপতি মুক্তিযুদ্ধা এবায়েদুল হক চাঁনের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক (এমপি) মেজবা উদ্দিন ফরহাদ, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপি সাধারন সম্পাদক এ্যাড. আবুল কালাম শাহিন, কোতয়ালী সদর উপজেলা সভাপতি এ্যাড. এনায়েত হোসেন বাচ্চু, বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি, উত্তর জেলা বিএনপি সহ-সভাপতি ও মেহেন্দিগঞ্জ সাবেক পৌর মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম লাবু, বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সাধারন সম্পাদক অহিদুজ্জামান প্রিন্স,হিজলা উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. নুরুল আলম রাজু,উত্তর জেলা মহিলা দল সাধারন সম্পাদক শায়লা শারমিন মিমু,জেলা যুবদল সভাপতি এ্যাড. পারভেজ আকন বিপ্লব,দক্ষিণ জেলা বিএনপি দপ্তর সম্পাদক আলহাজ্ব মন্টু খান। সমাবেশে দক্ষিণ জেলা বিএনপির বিএনপির বিভিন্ন উপজেলার নেতৃবৃন্দরা অংশ নেয়। সমাবেশ সঞ্চলনা করেন বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপি ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আনোয়ার হোসেন লাবু। অপরদিকে একই কর্মসূচি নিয়ে সদররোডস্থ জেলা ও মহানগর বিএনপি দলীয় কার্যলয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে মহানগর বিএনপি।

    মহানগর বিএনপি সহ-সভাপতি আব্বাস উদ্দিন বাবলুর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপি উপদেষ্টা ও দৈনিক বিপ্লবী বাংলাদেশ পত্রিকা সম্পাদক মুক্তিযুদ্দা নুরুল আলম ফরিদ, মহানগর বিএনপি ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার জিয়া,মহানগর আইন বিষয়ক সম্পাদক সাবেক আইনজীবী সমিতির সাধারন সম্পাদক এ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, সুপ্রিম কোর্ট বার সদস্য এ্যাড. আলী হায়দার বাবুল,মহানগর যুবদল সভাপতি এ্যাড. আখতারুজ্জামান শামীম, সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন,মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদল সভাপতি মাহাবুবুর রহমান পিন্টু,মহানগর মহিলা দল নেত্রী শামিমা আকবর,কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেত্রী আফরোজা খানম নাসরিন প্রমুখ।

  • বিমান ভ্রমণ আরও নিরাপদ হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

    বিমান ভ্রমণ আরও নিরাপদ হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

    বাংলার মুখ ডেস্ক:

    বিমান ভ্রমণ আরও নিরাপদ ও আরামদায়ক করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আধুনিক ও পেশাদার বিমানবাহিনী গঠনে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিউইর্য়ক, টরেন্টো ও সিডনিতে ফ্লাইট পরিচালনা করতে চায় বিমান বাংলাদেশ।

    বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ৬ষ্ঠ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন ।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, ভৌগলিক অবস্থা বিবেচনা করে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সেতুবন্ধন হবে বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলো।

    শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা মাত্র সাড়ে তিন বছরে যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশকে পুনর্গঠিত করে স্বল্পোন্নত দেশে রূপান্তরিত করতে সক্ষম হয়েছেন। বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান, সামরিক কৌশলগত দিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনার প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখে একটি আধুনিক, শক্তিশালী ও পেশাদার বিমান বাহিনী গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তার দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ সিদ্ধান্তে ১৯৭৩ সালে সে সময়ের সব থেকে আধুনিক মিগ ২১ সুপারসনিক ফাইটার বিমানসহ পরিবহন বিমান, হেলিকপ্টার, এয়ার ডিফেন্স, রাডার ইত্যাদি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে সংযোজন করা হয়েছিল।

    বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ যখন পুনরায় সরকার গঠন করে, তখন আবার আমরা বিমান বাহিনীকে একটি যুগোপযোগী, দক্ষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করি। এবং সে সময় আমরা চতুর্থ প্রজন্মের অত্যাধুনিক যুদ্ধ বিমান মিগ ২৯, ইয়ার ১৩০, আধুনিক পরিবহন সি ১৩০ সহ আরও বেশ কিছু বিমান বাহিনীতে সংযোজন করি।

    তিনি বলেন, ২০০৮ এর নির্বাচনে জয়ী হয়ে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করি। তখন আমরা বিমান ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি রক্ষাণাবেক্ষণ ও সংস্কার কাজে নিজস্ব সক্ষমতা অর্জনের দিকে বিশেষভাবে মনোযোগ দিই। আমরা ২০১১ সালে বঙ্গবন্ধু এরোনোটিক্যল সেন্টার স্থাপন করেছি। নিকট ভবিষ্যতে এই সেন্টারে যুদ্ধ বিমানসহ বর্তমানে ব্যবহৃত বেসামরিক বিমানও মেরামত করা সম্ভব হবে বলে আশা রাখি।

    এ সময় শেখ হাসিনা আরও বলেন, বিগত পৌনে ১১ বছরে বিমান বহরে আমরা বোয়িং কোম্পানির চারটি অত্যাধুনিক ড্রিমলাইনারসহ মোট ১০টি বিমান সংযুক্ত করেছি। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, বিশ্বের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আকাশ পথে স্থাপন করতে চাই। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমরা আশা করি, নিউইয়র্ক, টরেন্টো, সিডনির মতো দূরবর্তী গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারব। এ লক্ষ্যে সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটিকে ক্যাটাগরি ১ এ উন্নীত করার কাজ এগিয়ে চলছে।

  • ভিপি নুরের ফেসবুক আইডি হ্যাক

    ভিপি নুরের ফেসবুক আইডি হ্যাক

    অনলাইন ডেস্ক:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ও কোটা আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুরের ফেসবুক আইডি ও পেজ হ্যাক হয়েছে।

    বুধবার ভোর থেকে নুর তার আইডিটি ব্যবহার করতে পারছেন না। ভিপি নুর আইডি হ্যাকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নুর বলেন, দুষ্কৃতিকারীরা দীর্ঘদিন ধরে তার আইডি হ্যাক করার চেষ্টা করছিল। আজ ভোর থেকে আইডিতে ঢুকতে পারছি না। আইডির ইমেইল এবং ফোন নম্বর বদলে ফেলা হয়েছে। পেজটা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে শিগগিরই আইনি পদক্ষেপ নেব।

    তিনি বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ছাত্রলীগ আমাদের আইডি হ্যাক করেছিল। তারাই এটা করে থাকতে পারে। এর আগে কোটা আন্দোলনের সংগঠক মশিউর ও বিন ইয়ামীন মোল্লার আইডি হ্যাক হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমার আইডি হ্যাক করা হয়েছে।

    নুর বলেন, আমরা সবসময় ন্যায়ের পক্ষে ও অন্যায়ের বিপক্ষে কথা বলি। এধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে একটি শ্রেণি আমাদেরকে বিতর্কিত করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু তাদের এ ঘৃণ্য চেষ্টা কখনও সফল হবে না।

    তিনি আইডি হ্যাকের প্রেক্ষিতে অপ্রীতিকর কোনো কিছুর জন্য বিব্রত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

  • মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের এক বছর,ব্যর্থতা ছুঁতে পারেনি সাদিক আবদুল্লাহকে

    মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের এক বছর,ব্যর্থতা ছুঁতে পারেনি সাদিক আবদুল্লাহকে

    স্টাফ রিপোর্টার//রাতুল হোসেন রায়হান:

    বিশ্বখ্যাত লেখক ও মোটিভেটর ডেল কার্নেগী তার এক উক্তিতে বলেছিলেন “যার মাঝে সীমাহীন উৎসাহ, বুদ্ধি ও একটানা কাজ করার গুণ থাকে, তবে তার সফল হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি”। তার এই উক্তির জীবন্ত উদাহরণ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। আজ ২৩ অক্টোবর যুবরত্ন হিসেবে খ্যাত এই নেতা ১ বছর আগে এই দিনে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আমরাই গড়ব আগামীর বরিশাল এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে সমূখপানে এগিয়ে যাচ্ছে তারুন্যের অহংকার সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। বরিশাল নগরীকে সৌন্দর্যমন্ডিত করতে এবং নগরীর মানুষকে ভালো রাখার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর থেকে ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত মেয়র সাদিকের বিভিন্ন কর্মকা- লক্ষ করলে দেখা যাবে সফলতার পাল্লাই বেশি ভারী।

    এই ১ বছরে সর্বপ্রথম মেয়র যে বিষয়টি দিয়ে বরিশালবাসীসহ সারা দেশের নজর কাড়েন তা হলো একটি পরিচ্ছন্ন দুর্গন্ধ মুক্ত নগর উপহার দিয়ে। এরপর পর্যায়ক্রমে শহরের যানবাহনসহ জনসাধারণ চলাচলের উপযোগী করার জন্য আধুনিক পেভার মেশিন দিয়ে প্রধান সড়ক নির্মাণ করেছেন। শহরের যানজট নিরসনে ডিভাইডার নির্মাণ করে যানজটের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করেছেন। দেশব্যাপী সুনাম কুড়িয়েছেন নগরীতে পথচারীর নিরাপদে রাস্তা  পারাপারের জন্য থ্রিডি জেব্রাক্রসিং নির্মাণ করে। নগরবাসীর মন জয় করেছেন নগর ভবনে স্বচ্ছতা-শৃঙ্খলা ও কর্মক্ষেত্রে জবাবদিহিতা ফিরিয়ে এনে। সাথে সাথে সিটি কর্পোরেশনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজেট জনসম্মুখে ঘোষণা করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব আদায় করেছেন। দেশে যখন ডেঙ্গুর অবস্থা মহামারি তখন মেয়র সাদিকের নগরীতে ডেঙ্গু মশা নিধনে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ ও সফলতা অর্জন দেশব্যাপী আলোচিত হয়েছে।

    নগরীতে সুষ্ঠু ও সফলভাবে অসচ্ছল বয়স্ক এবং প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদানসহ নগর ভবনে সিনিয়র সিটিজেন হেল্পডেস্ক প্রতিষ্ঠা করেছেন। বর্ষার ভরা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রচেষ্টা ও সফলতা অর্জন করে দেশব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেছেন। শিশুবান্ধব বরিশাল নগরী গড়ার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে দৃষ্টিনন্দন সুকান্ত বাবু শিশুপার্ক নির্মাণ ও গ্রিন সিটি পার্ক সংস্কার এবং পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ওয়ার্ডে শিশুপার্ক নির্মাণের উদ্যোগসহ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে শিশুদের সাঁতার  প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন যা নগরীর সকল শিশু ও অভিভাবকদের মন জয় করেছেন। নগরীর প্রধান প্রধান সড়কগুলোর প্রবেশদ্বারে দিক নির্দেশনা সাইনবোর্ড স্থাপন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সিটি কর্পোরেশনের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের পেনশনের সমুদয় অর্থ বুঝিয়ে দেওয়া এবং বিগত বছরগুলোতে কর্মচারীর বকেয়া বেতন পরিশোধ করে কর্মক্ষেত্রে উৎসাহিত করেছেন। বরিশালের শহরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে বেওয়ারিশ কুকুরের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করেছেন। এছাড়া গরিব দুঃখী মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো, খোলাধুলার মান উন্নয়ন, সিটি কর্পোরেশনকে দুর্নীতি মুক্তকরণসহ নানা কর্মকা-ের মাধ্যমে এরই মাঝে তিনি বাংলাদেশব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেছেন। তার সাফল্যের মধ্যে সবচাইতে বড় অর্জন প্রতি ঈদে ঘরমুখো মানুষের পাশে থেকে রাত জেগে পরিশ্রম করে নিরাপদে তাদের বাড়ি পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা এবং ঈদকালীন সময়ে ফ্রি বাস সার্ভিসের ব্যবস্থা রাখা। ইতিবাচক কাজের জন্য দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ তাকে নিয়ে গর্ব করে। এখন প্রতিটি তরুণেরই স্বপ্ন মেয়র সাদিকের মতো দেশের সেবা করা। এই ১ বছরে তার সফলতা অনেক। এ সকল কর্মকান্ডের জন্য ঢাকা অবজারভারের জরিপে ২০১৮-২০১৯ সালের শ্রেষ্ঠ মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। নগরবাসী জানিয়েছেন, তারা সর্বদা মেয়রের পাশে আছেন। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর কর্মকা- এবং ভালো উদ্যোগের মধ্য দিয়ে বরিশাল আরও সমৃদ্ধ হোক এমটাই আশা নগরবাসীর।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল প্রেসক্লাব’র সাবেক সভাপতি অ্যাড. এস এম ইকবাল জানান, মেয়র সাদিকের মাঝে ন্যায়, নিষ্ঠা ও সততা বিদ্যমান। নিঃসন্দেহে তিনি বরিশাল নগরীকে একটি সমৃদ্ধ নগরীতে রূপান্তর করবেন।

    এ বিষয়ে প্রবীণ সাংবাদিক ও সংস্কৃতিজন অ্যাড. মানবেন্দ্র বটব্যাল জানান, বরিশাল নগরীকে সুন্দর করে সাজানো তার দায়িত্ব। তিনি তার দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করছেন এবং ভবিষ্যৎতেও করবেন বলে আশা করি।

    এ বিষয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা বেলায়েত হাসান বাবলু জানান, মেয়র মহোদয় সিটি কর্পোরেশনকে দুর্নীতিমুক্ত করেছেন। নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে বরিশালকে সমৃদ্ধ নগরীতে রূপান্তর করা হবে। ভরা বর্ষা মৌসুমে রাস্তা ঘাট সংস্কারে উন্নয়নমূলক কাজ ব্যাহত হলেও আগামী বছরগুলোতে নগর উন্নয়নের মহাপরিকল্পনার চমক নিয়ে আসছেন মেয়র মহোদয়।

  • ক্যাসিনোকাণ্ডে এবার পদ হারালেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি

    ক্যাসিনোকাণ্ডে এবার পদ হারালেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি

    অনলাইন ডেস্ক:

    ক্যাসিনোকাণ্ডে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাওসারকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

    বুধবার ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে হোয়াইট হল কনভেনশন সেন্টারে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় এ তথ্য জানান দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি অলরেডি স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির সঙ্গে কথা বলেছি। নেত্রীর নির্দেশনা আমি তাকে জানিয়েছি।

    ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের দেয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মেনন সাহেব এখন উল্টো সুরে কথা বলছেন। তিনি ইউটার্ন নিয়ে ফেলেছেন অলরেডি। তিনি বলেছেন, তিনি এভাবে বলেননি। তার বক্তব্যটা খণ্ডিতভাবে প্রকাশ করা হয়েছিল। তিনি একটি দলের সভাপতি পত্রপত্রিকায় খবর আসছে। এর প্রতিক্রিয়া এবং অন্যান্য বিষয় আছে তাদের দলের মূল্যায়নে তার অবস্থান কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে আগামী দিনগুলোতে, সেটা আমার মন্তব্য করা সমীচীন নয়।

    তিনি বলেন, আমার সঙ্গে ১৪ দলের সমন্বয়ক নাসিম ভাইয়ের কথা হয়েছে। তারা রাশেদ খান মেননের বক্তব্য নিয়ে নিজেরা আলাপ আলোচনা করেছেন। বিষয়টি আলাপ আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে পরে সিদ্ধান্ত নেবে। তবে আমি এটুকু বলতে পারি শরিক দলের একজন নেতার জন্য ১৪ দল ভাঙতে পারে না। ১৪ দল অটুট থাকবে।
    ওবায়দুল কাদের বলেন, একজন ব্যক্তি যদি ভিন্ন মত পোষণ করেন একজন ব্যক্তির জন্য একটা অ্যালায়েন্সের অপমৃত্যু হতে পারে না।

    ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা আওয়ামী লীগের নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সম্মেলনের বিষয়টা আপনারা প্রস্তুতি নিতে থাকেন, আমি নেত্রীর সঙ্গে আলাপ করে আপনাদের জানিয়ে দেব। এখানে একটা বিষয় আছে নির্বাচন কমিশন আগামী বছরের প্রথম দিকে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের চিন্তা-ভাবনা করছে। কাজেই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সেটা বিচার করল আর বেশি দিন বাকি নেই। নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে।

    সম্প্রতি রাজধানীর ক্যাসিনো কারবারে ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমের শিরোনামে আসেন মোল্লা কাওসার।

    গত সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে কাওসারসহ স্ত্রী পারভীন লুনা, মেয়ে নুজহাত নাদিয়া নীলা এবং তাদের প্রতিষ্ঠান ফাইন পাওয়ার সল্যুয়েশন লিমিটেডের ব্যাংক হিসাব জব্দ করে। এ কারণে সম্মেলনের আগেই তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হচ্ছে বলে সংগঠনের ভেতরে-বাইরে জোর গুঞ্জন শুরু হয়।

  • দলে অনুপ্রবেশকারীরাও বিএনপির মতো মিথ্যাচার করছে : মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    দলে অনুপ্রবেশকারীরাও বিএনপির মতো মিথ্যাচার করছে : মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

     

    স্টাফ রিপোর্টার//রাতুল হোসেন রায়হান:

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুদ্ধি অভিযানের মাধ্যমে দেশ থেকে সকল অপকর্ম দূর করার জন্য বিরামহীন কাজ করে চলছেন। তিনি শক্ত হাতে সংগঠনের হাল ধরেছেন। তাঁর আত্মীয়দেরও কোন ছাড় দিচ্ছেন না। তাঁর আদর্শের একজন অনুসারী হয়ে আমিও আমার পরিবারের কাউকে কোন ধরনের ছাড় না দেয়ার মানষিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

    মেয়র মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর কাশীপুর চৌমাথা এলাকায় অনুষ্ঠিত ২৮ ও ৩০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির দেয়া বক্তব্যে একথা বলেন।]

    মেয়র বলেন, আমি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার আগেই এ নগরী থেকে যাত্রা, জুয়া ও হাউজি বন্ধ করে দিয়েছি। মাদক আমাদের জীবনে সামাজিক ব্যাধি হিসেবে দেখা দিয়েছে উলে­খ করে মেয়র বলেন, আমরা সকলে মিলে একত্রে কাজ করলে মাদক নির্মূল করা সম্ভব।

    তিনি বলেন, আমি যেমন অতীত থেকে শিক্ষা নিয়েছি তেমনি আমার পূর্ব পুরুষদের কাছ থেকে রাজনৈতিক শিক্ষা নিয়ে আজ সকল আরাম আয়েশ ভুলে মানুষের সেবায় কাজ করার চেষ্ঠা করছি।

    মেয়র সাদিক বলেন, আজকে অবৈধ পথে আয় করে অনেকে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছেন। অবৈধভাবে আয় করা ওই টাকা সংগঠনের কোন কাজে আসবেনা। আজ আমাদের দল ক্ষমতায় না থাকলে ওই টাকা আমাদের বিরুদ্ধেই খরচ করা হবে।

    বিএনপি মিথ্যার উপর ভড় করে রাজনীতি করে একথা উলে­খ করে মেয়র বলেন, যারা আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী তারাও আজকে বিএনপির মতো মিথ্যাচারের রাজনীতি শুরু করেছে। ওই সকল হাইব্রিডরা অনেক আগে থেকেই নানা মিথ্যা প্রচারনা চালিয়ে আসছে। সকলের মানষিকতা পরিবর্তন হওয়া দরকার। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে আমাদের মানুষের মতো মানুষ হয়ে কাজ করতে হবে।

    মেয়র বলেন, আমার কোন চাওয়া পাওয়া নাই। কে কি আমাকে নিয়ে বললো আমি তা মাথায় নেইনা। বরিশালের জনগন আমাকে নিয়ে কি বললো সেটাই আমার কাছে মুখ্য। কোন জরিপে আমাকে শ্রেষ্ঠ মেয়র বানানো হলো সেটাও আমার কাছে প্রধান বিষয় না। জনগনের কাছে আমি কতোটা শ্রেষ্ঠ সেটাই প্রধান।

    তিনি বলেন, আমি জোর দিয়ে বলতে পারি আমি কোন দূর্নীতি করিনাই। আগে বরিশালে যে লুটপাটের ধারা চলে আসছিল তা আমি বন্ধ করেছি মাত্র। আমার কোন সম্পত্তি নাই। জনগনের ভালবাসাই আমার সম্পদ। জনগনই আমার ব্যাংক ব্যালেন্স। আমার ব্যক্তিগত কোন লোক নেই। জনগনই আমার আর আমি জনগনের লোক। আগামীতে স্বচ্ছ না থাকলে রাজনীতিতে টিকে থাকা মুশকিল হয়ে যাবে।

    নিজের গত এক বছরের কাজের বিষয়ে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, আমি জনগনের চাহিদা অনুযায়ী দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন কাজ করতে পারি নাই এটা হয়তো ঠিক। তবে আমি জবাবদিহীতা সৃষ্টির মধ্য দিয়ে নড়র ভবন থেকে চুরি ও ঘুষ বন্ধ করতে পেরেছি। জনগনের টাকা মেরে খাওয়ার জন্য আমি মেয়রের দায়িত্ব নেইনি। আমি কারো কাছ থেকে কোন অনৈতিক সুবিধা নেই না। আমি ৫ বছরের গ্যারান্টি দিয়ে নগরীর সব রাস্তার কাজ করে দেবো। আগে আবুল হাসানাত আবদুল­াহ ও শওকত হোসেন হিরন ছাড়া বেশীর ভাগ সময়ে অন্য দলের মেয়ররা দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা তাদের পছন্দের অযোগ্য লোকদের গুরুত্বপূর্ন পদে চাকুরী দিয়েছেন। আমি সেই জনবল ছাটাই না করে তাদের দিয়েই একটি পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ার চেষ্ঠা করছি।

    ৩০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে সম্মেলনে উদ্ধোধক ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, প্রধান বক্তা ছিলেন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. একেএম জাহাঙ্গীর। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মহানগরের সহ-সভাপতি অ্যাড.কেবিএস আহাম্মদ কবির। বক্তব্য রাখেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু।

    সম্মেলনে বরিশাল মহানগর, ওয়ার্ড ও স্থানীয় পর্যায়ের আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও দল সমর্থিত কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।