Category: রাজণীতি

  • শেখ রাসেলের জন্মদিন আজ

    শেখ রাসেলের জন্মদিন আজ

    অনলাইন ডেস্ক:

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শহীদ শেখ রাসেলের ৫৫তম জন্মদিন আজ (শুক্রবার)। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের এই দিনে ধানমন্ডির ঐতিহাসিক স্মৃতি-বিজড়িত বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহণ করেন।

    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মানবতার শত্রু ঘৃণ্য ঘাতকদের নির্মম বুলেট থেকে রক্ষা পাননি শিশু শেখ রাসেল। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে নরপিশাচরা নির্মমভাবে তাকেও হত্যা করেছিল। তিনি ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।

    শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সকাল ৮টায় বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত শেখ রাসেলসহ ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে।

    পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

    এদিকে শেখ রাসেলের ওপর প্রকাশিত একটি স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার দুপুরে তার কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে স্মারক প্রকাশনা ‘হৃদয় মাঝে শেখ রাসেল’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।

    গ্রন্থটির উপদেষ্টা সম্পাদক এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহ্সান রাসেল এমপি এবং গ্রন্থের সম্পাদক কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত ও প্রকাশক ইয়াসিন কবির জয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    জয়িতা প্রকাশনী সংস্থা শেখ রাসেলের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে গ্রন্থটি প্রকাশ করে। ৯২ পৃষ্ঠার এই গ্রন্থটিতে প্রায় একশটি ছবি স্থান পেয়েছে। যার অধিকাংশ ছবিই দুর্লভ।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচি যথাযথভাবে পালন করার জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি দেশের সকল শাখা সংগঠনসমূহকেও অনুরূপ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

  • পটুয়াখালীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ছাত্রলীগ কর্মী নিহত

    পটুয়াখালীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ছাত্রলীগ কর্মী নিহত

    পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডোবায় পড়ে মো. মাহিন চৌকিদার (১৬) নামের এক ছাত্রলীগ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার মাধবপুর বাজারের উত্তর পাশে খোকা হাওলাদারের বাড়ির সামনে কাশিপুর-বগা সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক জানান, মাহিন জেলা ছাত্রলীগের সদস্য। মাহিন পটুয়াখালী সদর উপজেলার ভুরিয়া ইউনিয়নের ভুরিয়া গ্রামের মো. নাসির উদ্দিন চৌকিদারের ছেলে।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, দ্রুতগতির দুটি মোটরসাইকেল গতকাল কাশিপুর থেকে বগার দিকে যাচ্ছিল। রাত সাড়ে আটটার দিকে খোকা হাওলাদার বাড়ির সামনে পৌঁছালে একটি মোটরসাইকেলের চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে ডোবায় পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন মোটরসাইকেল আরোহী মাহিনকে অচেতন অবস্থায় এবং চালক শিমুলকে (২৫) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁদের পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহিনকে মৃত ঘোষণা করেন। মাহিন ও শিমুল সম্পর্কে চাচাতো ভাই।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার শিকার মোটরসাইকেলটি অপর মোটরসাইকেলটিকে ধাওয়া করছিল। প্রতিযোগিতা করতে গিয়েই দুর্ঘটনা ঘটে।

    বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কিন্তু ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই দুজনকে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

  • আল্লাহর দোহাই আমাকে জানে মেরে ফেলবেন না : রাসেল

    আল্লাহর দোহাই আমাকে জানে মেরে ফেলবেন না : রাসেল

    অনলাইন ডেস্ক:

    আল্লাহর দোহাই দিয়ে না মারার জন্য খুনিদের কাছে আর্তি জানিয়েছিলেন শেখ রাসেল। চিৎকার করে তিনি বলেছিলেন, ‘আল্লাহর দোহাই আমাকে জানে মেরে ফেলবেন না। বড় হয়ে আমি আপনাদের বাসায় কাজের ছেলে হিসেবে থাকবো। আমার হাসু আপা দুলাভাইয়ের সঙ্গে জার্মানিতে আছেন। আমি আপনাদের পায়ে পড়ি, দয়া করে আপনারা আমাকে জার্মানীতে তাদের কাছে পাঠিয়ে দিন।’

    তবে সেদিন রাসেলের এই আর্তচিৎকারে খোদার আরশ কেঁপে উঠলেও টলাতে পারেনি খুনি পাষাণদের মন। বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যের মত এই নিষ্পাপ শিশুকেও পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা হয়েছিল।

    ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঘিরে কিছু ঘটনা ও বাংলাদেশ’ গ্রন্থে রাসেলকে এভাবেই নৃশংস হত্যার বর্ণনা দিয়েছেন।

    তিনি তার গ্রন্থে লেখেন বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যকে হত্যার পর রাসেল দৌড়ে নিচে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো বাড়ির কাজের লোকজনের কাছে আশ্রয় নেয়। রাসেলের দীর্ঘকাল দেখাশুনার দায়িত্বে থাকা আবদুর রহমান রমা তখন রাসেলের হাত ধরে রেখেছিলেন।

    আবদুর রহমান শেখ রমা ঊনসত্তর সাল থেকেই বঙ্গবন্ধুর পরিবারে কাজ করতেন, একাত্তরের ওই পরিবারের সঙ্গে ছিলেন এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার দায়ে যে মামলা করা হয় তার দ্বিতীয় সাক্ষী এই রমা।

    ওয়াজেদ মিয়া লেখেন, একটু পরেই একজন সৈন্য রাসেলকে বাড়ির বাইরে পাঠানোর কথা বলে রমার কাছ থেকে তাকে নিয়ে নেয়। রাসেল তখন ডুকরে কাঁদতে কাঁদতে তাকে না মারার জন্য আল্লাহ’র দোহাই দেয়।

    রাসেলের এই মর্মস্পর্শী আর্তিতে একজন সৈন্যের মন গলায় সে তাকে বাড়ির গেটে সেন্ট্রিবক্সে লুকিয়ে রাখে। কিন্তু এর প্রায় আধ ঘণ্টা পর একজন মেজর সেখানে রাসেলকে দেখতে পেয়ে তাকে দোতলায় নিয়ে ঠান্ডা মাথায় রিভলবারের গুলিতে হত্যা করে।

    পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের কালো রাতের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী, জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাসায় অবস্থান করা তার ব্যক্তিগত সহকারি আব্দুর রহমান শেখ রমাও তার সাক্ষ্যতে এভাবেই বর্ণনা দিয়েছেন রাসেল হত্যার। ভোররাতে ধানমন্ডির বাড়িটি আক্রান্ত হওয়ার দিনে যে ঘরে বঙ্গবন্ধু ছিলেন তার বাইরের বারান্দায় ঘুমিয়েছিলেন শেখ রমা।

    শেখ রমা জানান, দোতলায় হত্যাযজ্ঞ শেষে শেখ রাসেল এবং তাকে যখন নীচে নিয়ে আসা হয়। তখন রাসেল বলছিলো: ভাইয়া, আমাকে মারবে না তো? এরকম শিশুকে নিশ্চয়ই খুনিরা মারবে না আশায় মুহিতুল ইসলাম তাকে জড়িয়ে ধরে বলছিলেন: ‘না, ভাইয়া, তোমাকে মারবে না’। পরে রাসেল বলে, ‘আমি মায়ের কাছে যাবো।’

    পরে এক হাবিলদার শেখ রাসেলকে তার হাত ধরে দোতলায় নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর দোতলায় গুলি এবং সেখান থেকে কান্নাকাটির আওয়াজ পাওয়া যায়। আর ওই হাবিলদার নীচে গেটের কাছে এসে মেজর আজিজ পাশাকে বলে: ‘স্যার, সব শেষ।’

    এর আগে আজিজ পাশা এবং রিসালদার মোসলেমউদ্দিন বঙ্গবন্ধুর বেডরুমে বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, শেখ জামাল, শেখ জামালের স্ত্রী এবং শেখ কামালের স্ত্রীকে হত্যা করে।

    শেখ রাসেলকে হত্যার আগে ঘাতকরা একে একে পরিবারের অন্য সদস্য বড় ভাই শেখ কামাল, শেখ জামাল, মা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব এবং বাবা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবু রহমানকে হত্যা করে।

    ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র দুরন্তপ্রাণ শেখ রাসেল এমন সময়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেন যখন তার পিতার রাজনৈতিক জীবনকে দেখতে শুরু করেছিলেন মাত্র।

    ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।

  • বরিশালে আদালতের নিষেদ না মেনে জোরপূর্বক জামি দখল, স্থাপনা নির্মান

    বরিশালে আদালতের নিষেদ না মেনে জোরপূর্বক জামি দখল, স্থাপনা নির্মান

    স্টাফ রির্টাপোর//রেজুয়ানুর রহমান সফেন:

     

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন খতিয়ান নং ৬১১ , ১৬৯ অনুযায়ী   ১৪ , ১৫ দাগের জমির মূল মালিক মো: ওসশান গনি ও তার স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা।

    কিন্তু কিছুদিন পূর্বে ঐ জমিটি অবৈধ ভাবে দখল নেয়মাহবুবুল হাসান ও মিজানুর রহমান। এবং জমির মালিক সহ আরও কয়েকজনের নামে মিথ্যা মামলা করে তাদের হয়রানি করার চেষ্টা করে। এর পরে কোন উপয়ন্তর না পেয়ে মো: ওসমান গনি বন্দর থানায় একটা মামলা করে।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন জমি থেকে ক্যামেরায় রেজুয়ানুর রহমান সফেন

     

    এর পর আদালত থেকে নিষেদ করা সত্তেও ঐ জমিটি মাহবুবুল আলম ও মিজানুর রহমান আবার জমিটি দখল করে করে এবং  স্থাপনার কাজ শুরু করে।

    ঐ এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি বাংলার মুখ ২৪ ডট কম এর প্রতিবেদকে জানান,  মাহবুবুল হাসানের শশুর সাবেক কোর্ট ইনেস্পক্টর সুলতান মাহমুদ এর ক্ষমতায় এসব কাজ করছে।সাবেক কোর্ট ইনেস্পক্টর সুলতান মাহমুদ এর নামে এর পূর্বেও দৈনিক আজকের বার্তা সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখালেখি হলেও টনক নরেনি প্রশাশনের। সব কিছু উপেক্ষা করে এখনো জমিতে স্থাপনার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে দখলকারীরা।

    
    
  • নদী দখলের খবর দিলেই মিলবে পুরস্কার নৌ মন্ত্রণালয়

    নদী দখলের খবর দিলেই মিলবে পুরস্কার নৌ মন্ত্রণালয়

    অনলাইন ডেস্ক:

    নদী দখলকারীদের তথ্যদাতা বা সংবাদদাতাকে পুরস্কার দেবে নৌ মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে কাজ চলছে বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংসদী কমিটিকে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া নদী থেকে পলিথিন সরানোর জন্য কেনা হচ্ছে ছয়টি রিভার ক্লিনিং ভেসেল।

    বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১১তম বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়।

    বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা যায়, বাংলাদেশের নদীগুলো যাতে আর বেদখল না হয় সেজন্য জনগণকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে সংবাদদাতাকে পুরস্কৃত করার সুপারিশ করা হয়। কমিটির তৃতীয় বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় জানায়, নদী দখলকারীদের তথ্যদাতা বা সংবাদদাতাকে পুরস্কার প্রদানের বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বৈঠকে শেষে জাগো নিউজকে টেলিফোনে জানান, দখলদারদের কারণে বাংলাদেশের নদীগুলো হুমকির মুখে। এ বিষয়ে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও তেমন সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। তাই নদী দখলের খবরদাতাকে পুরষ্কার দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল। মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছে। কমিটি বিষয়টি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সুপারিশ করেছে।

    কার্যপত্র থেকে আরও জানা যায়, নদী খননের জন্য এর তলদেশে থাকা পলিথিন ও আবর্জনা প্রথমে সরানোর জন্য স্ক্রলিং ক্লিনার আনার সুপারিশ করে কমিট। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি বিষয়ক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিআইডব্লিউটিএর জন্য আনুষঙ্গিক সুবিধাদি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন দুটি উদ্ধারকারী জলযান, ছয়টি রিভার ক্লিনিং ভেসেলসহ বিভিন্ন ধরনের ৬১টি সার্ভিস জাহাজ এবং বিভিন্ন ধরনের ১৩২টি পন্টুন সংগ্রহের লক্ষে সমীক্ষা প্রস্তাব প্রকল্পের আওতায় ছয়টি রিভার ক্লিনিক ভেসেলসহ অন্যান্য নৌযান সংগ্রহের লক্ষ্যে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান বুয়েট কর্তৃক সম্ভাব্যতা সমীক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

    এদিকে সংসদ সচিবালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি ও হাজীগঞ্জ উপজেলায় গৃহীত নদী ড্রেজিং/খননসহ নদীর তীর রক্ষার্থে ওয়াক-ওয়ে নির্মাণের সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া উপকূলীয় এলাকায় রাতে যাতায়াতের জন্য চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ চ্যানেলে বয়াবাতি স্থাপনের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার সুপারিশ করা হয় সভায়।

    কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য শাজাহান খান, মো. মজাহারুল হক প্রধান, রণজিৎ কুমার রায়, মাহফুজুর রহমান, ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, মো. আছলাম হোসেন সওদাগর এবং এস এম শাহজাদা বৈঠকে অংশ নেন।

  • আজ উৎসবের নয়, শেখ রাসেলকে জানার দিন : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    আজ উৎসবের নয়, শেখ রাসেলকে জানার দিন : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক:

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান বলেছেন, আজ জন্মদিন উৎসবের নয়, বেদনাদায়ক চিত্তে শেখ রাসেলকে জানার দিন। ১৯৬৪ সালের এই দিনে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের কোল আলোকিত করে ফুটফুটে শেখ রাসেলের জন্ম হয়েছিল।

    বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    মুরাদ হাসান বলেন, শেখ রাসেলের জীবনকাল এতই ছোট, এতই ক্ষণিকের ছিল যা, বাঙালি জাতিকে মর্মাহত করেছিল। মাত্র ১০ বছর বয়সে পাকিস্তানি প্রেতাত্মাদের হাতে বঙ্গবন্ধুর খুব আদরের সন্তান শেখ রাসেলকে নিহত হতে হয়েছিল। বাঙালি জাতিসহ সারাবিশ্ব সেই ১৫ আগস্টের জাতির পিতার স্বপরিবারের ভয়ঙ্কর নৃশংস হত্যাকাণ্ডে বিস্মিত হয়েছিল।

    ইতিহাস উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেই দিন বিশ্বনেতারা জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডকে মেনে নিতে পারেনি এবং ধিক্কার জানিয়েছিল বাঙালি জাতিকে। বিশ্ব নেতারা সেদিন বলেছিল, যে দেশের মানুষ তাদের জাতির পিতাকে হত্যা করতে পারে তাদেরকে বিশ্বাস করা যায় না, তারা মানুষ না অমানুষ। সাথে সাথে বিশ্ব নেতারা বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল।

    প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ইতিহাসের সাথে তুলনা করে বলেন, স্বপরিবারে জাতির পিতার হত্যাকাণ্ড ছিল পৃথিবীর সব চেয়ে জঘন্যতম বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড। আজ শেখ রাসেলের জন্মদিন খুব আনন্দের সাথে সমগ্র বাংলাদেশ পালন করত, কিন্তু খুনি জিয়া বেঈমান মোস্তাকরা তা চিরতরে শেষ করে দিয়েছিল ১৫ আগস্ট।

    ৫৫তম জন্মদিনে ছোট্ট রাসেলের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, শেখ রাসেল জাতির পিতাকে খুব বেশি কাছে পাননি, কিন্তু সে জাতির পিতাকে খুবই অনুসরণ করতেন। শিশু বয়সেই মুজিব কোর্ট, প্রিন্স স্যুট পড়তেন এবং জাতির পিতার মত উন্মুক্ত চলাফেরা করতে পছন্দ করতেন।

    শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে আজ বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিতেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে জাতির পিতাকে হারালাম, হারলাম বাঙালি জাতির গৌরবের ইতিহাস। বর্বরোচিত এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ছিল খুনি জিয়াউর রহমান। জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বাঙালি জাতির সমস্ত অর্জন ধূলিসাৎ করেছিল খুনি জিয়া।

    তিনি বলেন, বাঙালি জাতির ক্রান্তিলগ্নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যা বিশ্বনেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দিশেহারা জাতি আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

    বিশ্ব মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটকে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করায় ধন্যবাদ জানান তিনি।

    আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মাঝে বিশিষ্ট নাট্যজন ম. হামিদ, ঢাক দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ এবং বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কার্যনির্বাহী সভাপতি ফালগুনী হামিদ বক্তব্য রাখেন।

  • ‘সিডিউল অনুযায়ী পদ্মা সেতুর কাজ শেষ করা কঠিন’

    ‘সিডিউল অনুযায়ী পদ্মা সেতুর কাজ শেষ করা কঠিন’

    অনলাইন ডেস্ক:

    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, সিডিউল অনুযায়ী পদ্মা সেতুর কাজ শেষ করা কঠিন। কারণ পদ্মা নদী খুবই ‘আনপ্রেডিক্টেবল’।

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে পদ্মা সেতুর সার্ভিস এরিয়া-১ এর ভিজিটরস সেন্টারে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘২০২১ সালের জুনের মধ্যে আমরা কাজ শেষ করতে চাই। তবে পদ্মা নদী খুবই আনপ্রেডিক্টেবল। একই সঙ্গে নদীতে তীব্র স্রোত থাকে এবং প্রচুর পলি বহন করে। এতে করে পিয়ারে স্প্যান বসানো সম্ভব হয় না। সিডিউল অনুযায়ী কাজ শেষ করা কঠিন হয়ে পড়ে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি ৮৪ শতাংশ। সেতুর আর্থিক অগ্রগতি ৭৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭৪ শতাংশ।’

    সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘মূল সেতুর সবকটি পাইল ড্রাইভিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মূল সেতুর ৪২টি পিয়ারের মধ্যে ৩২টি পিয়ারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।’

    তিনি বলেন, নদীশাসন কাজের বাস্তব অগ্রগতি ৬৩ শতাংশ ও আর্থিক অগ্রগতি ৫০.৪০ শতাংশ। মোট ১৪ কিলোমিটার নদীশাসন কাজের মধ্যে ০৬.৬০ কিলোমিটার সম্পন্ন হয়েছে। নদীশাসন কাজের চুক্তিমূল্য ৮৭০৭.৮১ কোটি টাকা এবং এ পর্যন্ত ব্যয় চার হাজার ৩৮৮.৪৬ কোটি টাকা। সংযোগ সড়কের কাজের অগ্রগতি শতভাগ সম্পন্ন। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭৪ শতাংশ। আশা রাখি ২০২১ সালের জুনের মধ্যে এই সেতুর কাজ সম্পন্ন হবে।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি তো আসলে মরেই গিয়েছিলাম। অনেকটা অলৌকিকভাবে ফিরে এসেছি। দেশের জন্য আরও কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মতো কাজ করে যাচ্ছি। আল্লাহর ইচ্ছা হলে পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজের সমাপ্ত হয়তো দেখে যেতে পারবো। এই প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অগ্রাধিকার প্রকল্প। এই কাজটি যত দ্রুত শেষ করা যায়, সে ব্যাপারে আমাদের চেষ্টার কমতি নেই। ’

  • ‘বিশ্ববিদ্যালয় তদারকিতে ইউজিসিকে কঠোরভাবে আইন অনুসরণের নির্দেশ’

    ‘বিশ্ববিদ্যালয় তদারকিতে ইউজিসিকে কঠোরভাবে আইন অনুসরণের নির্দেশ’

    অনলাইন ডেস্ক:

    বিশ্ববিদ্যালয় তদারকি এবং অনুমোদনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে কঠোরভাবে আইন অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    তিনি বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় তদারকি ও অনুমোদন আইনের বাইরে যাওয়া যাবে না, কঠোরভাবে আইন অনুসরণ করতে হবে। বেসরকারি কলেজগুলোকে ইউজিসির নজরদারিতে আনার পাশাপাশি কমিশনের ক্ষমতা ও সামর্থ্য বাড়ানোর আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।

    বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ নির্দেশ দেন।

    সাক্ষাতের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, প্রতিনিধি দলটি ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশনের (ইউজিসি) সার্বিক কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। সাক্ষাৎকালে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘কমিশন একটি গবেষণা নীতিমালা তৈরি করেছে।’ তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য পিএটিসির মতো একটি অ্যাকাডেমি চান বলে জানান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ।

    প্রেস সচিব জানান, স্বাক্ষাতে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শহীদুল্লাহ জানিয়েছেন, ঠিকমতো আইন-কানুন অনুসরণ করছে কিনা সেটা নজরদারি করতে ইউজিসি ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে চিহ্নিত করেছে। এ ক্ষেত্রে কাউকেই প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে না।

    দেশে সরকারি-বেসরকারি মিলে এখন ১৫৫টির মতো বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে উল্লেখ করে অধ্যাপক শহীদুল্লাহ ইউজিসির জনবল বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান।

  • আওয়ামীলীগ জাতীয় সম্মেলন সফল করতে বরিশালে বর্ধিত সভা

    আওয়ামীলীগ জাতীয় সম্মেলন সফল করতে বরিশালে বর্ধিত সভা

    স্টাফ রিপোর্টার// রাতুল হোসেন রায়হান:

    আওয়ামীলীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন সফল করার লক্ষে বরিশালে বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় সার্কিট হাউস সভা কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি’র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি সাংগঠনিক সম্পাদক আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাসিম বলেন, ‘আওয়ামীলীগ তৃণমূল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের মতামতের সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এজন্য আজকের এই বিশেষ বর্ধিত সভার আয়োজন। যেখানে জেলা ও উপজেলা পর্যয়ের নেতৃস্থানীয়রা তাদের মতামত জানাবেন আগামীতে দল ও নেতৃস্থানীয়রা কি ভাবে জনতার কল্যানে কাজ করবে। এছাড়াও আগামী ২০ ও ২১ শে ডিসেম্বর দলের ২১তম জাতীয় সম্মেলন সামনে রেখে এমন সভা বেশ গুরুত্ব বহন করে।

    সভার পর সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় নেতাদ্বয় পটুয়াখালী, বরগুনা ও পিরোজপুর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সাথে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। এখানে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্ সহ অন্যান্য নেতারা অংশ নেন।

  • স্বেচ্ছাসেবক লীগ থেকে বাদ যাচ্ছেন পংকজ দেবনাথ

    স্বেচ্ছাসেবক লীগ থেকে বাদ যাচ্ছেন পংকজ দেবনাথ

    আগামী ১৬ নভেম্বর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আসন্ন সম্মেলনে সংগঠন থেকে বাদ পড়তে যাচ্ছেন সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছার ও সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ এমপি। তাদের স্থলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে আসবেন বর্তমান কমিটির ক্লিন ইমেজের দুই তরুণ নেতা। তবে সভাপতি পদে অপেক্ষাকৃত এক সিনিয়র নেতাকেও দেখা যেতে পারে।

    ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ঘনিষ্ঠ নেতাদের এমনটিই আভাস দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

    দীর্ঘ ৭ বছর পর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের তৃতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সর্বশেষ ২০১২ সালের ১১ জুলাই সংগঠনটির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে মোল্লা কাওছার সভাপতি এবং পংকজ দেবনাথ সাধারণ সম্পাদক হন। সম্প্রতি রাজধানীর ক্যাসিনো কারবারে ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমের শিরোনামে আসেন মোল্লা কাওছার। এ কারণে তাকে আর স্বেচ্ছাসেবক লীগে রাখা হবে না- এমনটিই ধারণা করছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ এবারও স্বেচ্ছাস্বেবক লীগের সভাপতি প্রার্থী। তবে তিনি সেই ২০০৩ সাল থেকে সংগঠনটির নেতৃত্বে থাকায় তাকেও এবার অব্যাহতি দেওয়া হবে বলে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক সূত্র জানিয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক লীগ থেকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে আনা হতে পারে বরিশাল-৪ আসনের এ সংসদ সদস্যকে।

    অবশ্য পংকজ দেবনাথের নির্বাচনী এলাকা মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের ফল কিছুটা বিপাকে ফেলে দিয়েছে তাকে। গত সোমবার অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে নৌকা মার্কার প্রার্থী পেয়েছেন ১৭৫৭ ভোট, বিপরীতে স্থানীয় এমপি পংকজ দেবনাথের আর্শীবাদপুষ্ট স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোড়া মার্কায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৩৭৪৫৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এই বিষয়টিও পংকজ দেবনাথের জন্য নেতিবাচক হতে পারে।

    স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনের বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম বলেন, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, নেতৃত্বের দক্ষতা, রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা এবং সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা রয়েছে- এমন প্রার্থীরাই সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বে আসবেন বলে আমি ধারণা করি। স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী থেকে আজকের স্বেচ্ছাসেবক লীগকে একটি পরিপূর্ণ সংগঠন হিসেবে দাঁড় করানোর নেপথ্যে অন্যতম নায়ক সংগঠনটির সাবেক সভাপতি বাহাউদ্দীন নাছিম আরও বলেন, নেতা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। বিতর্কিত কাউকে নেতৃত্বে আনা হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বে ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা প্রাধান্য পেলেও স্বেচ্ছাসেক লীগে সংগঠনটির বর্তমান কমিটির নেতাদের মধ্য থেকেই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করা হবে। কারণ সংগঠনটির বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে যেমন প্রবীণ ও অভিজ্ঞ নেতারা রয়েছেন, তেমনটি সদ্য সাবেক ছাত্রনেতারাও রয়েছেন।

    আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডের আলোচনায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্তমান কমিটির পরিচ্ছন্ন তরুণ নেতা হিসেবে শীর্ষ পদে যে কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে তারা হলেনÑ সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল হাসান জুয়েল, শেখ সোহেল রানা টিপু, সাজ্জাদ সাকিব বাদশা ও সালেহ মোহাম্মদ টুটুল। এরা চারজনই ১/১১-এর সময় ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। তাদের মধ্যে শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে তৎকালীন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল হাসান জুয়েল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার হাতে আটক হয়ে নির্যাতনের শিকার হন ও ১ বছর কারাবরণ করেন। স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্তমান কমিটির অপেক্ষাকৃত জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে শীর্ষপদে আলোচনায় রয়েছেন সহসভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, মতিউর রহমান মতি, চট্টগ্রামের নুরুল ইসলাম নুরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী মেসবাউল হোসেন সাচ্চু প্রমুখ। এরা প্রত্যেকেই দীর্ঘদিন স্বেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতিতে সক্রিয়।

    সংগঠনটির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইসহাক মিয়া ও বর্তমান কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল। ইসহাক মিয়া ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সভাপতি। বিপুল স্বেচ্ছাসেবক লীগের মহানগরের নেতাদের মধ্যে বেশ সক্রিয়।

    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগে অলোচনায় রয়েছেন সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কামরুল হাসান রিপন, দপ্তর সম্পাদক তৌফিকুল সোহাগ, ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক দুই শীর্ষ নেতা আনিসুর রহমান আনিস ও আনিসুজ্জামান রানা প্রমুখ।

    প্রায় এক যুগ পর স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার সম্মেলন ১১ ও ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে।