Category: রাজণীতি

  • ভারতীয় হাইক‌মিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস কে বিদায় জানাতে লঞ্চঘাটে বিসিসি মেয়র সাদিক

    ভারতীয় হাইক‌মিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস কে বিদায় জানাতে লঞ্চঘাটে বিসিসি মেয়র সাদিক

    স্টাফ রিপোর্টার//স্বর্না বিস্বাস:

    আজ বরিশাল থেকে বিধায় নিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস। তাকে বিদায় জানাতে লঞ্চঘাটে বিরিশাল সিটি কর্পোরশোন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    বরিশাল লঞ্চঘাট থেকে ক্যামেরায় স্বর্না বিস্বাস

     

    তিন দিনের সফরে বরিশালে এসেছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস। শুক্রবার বিকাল ৫টায় তিনি বরিশালে আসেন। সঙ্গে সফর সঙ্গী হিসেবে আছেন, স্বামী প্রশান্ত কুমার দাস ও ভারতের সহকারী হাই কমিশনার রাজেশ কুমার রায়না।

    সফরের প্রথম দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল সংলগ্ন চারণ কবি মুকুন্দ দাস প্রতিষ্ঠিত কালী মন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তাকে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানানো হয়। সফরের দ্বিতীয় দিন শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর অক্সফোর্ড মিশন চার্চ, কবি জীবনানন্দ দাশের বাড়ি এবং কড়াপুরের মিয়া বাড়ি পরিদর্শনে যায়। বিকেলে বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও সন্ধ্যায় অশ্বিনী কুমার টাউন হলে স্থানীয় একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। রাত ৮টায় গ্র্যান্ডপার্ক হোটেলের বলরুমে সিটি মেয়রের সৌজন্যে সংবর্ধনা ও নৈশভোজে যোগ দেন রিভা গাঙ্গুলী দাস।

    তৃতীয় দিন রবিবার সকাল ৯টায় ঝালকাঠীর ভিমরুলির ভাসমান পেয়ারা বাজার এবং দুপরে পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্র বন্দর পরিদর্শনে যায় ভারতীয় হাই কমিশনারের। অতপর আজ সন্ধায় তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে সুন্দরবন ১০  লঞ্চ এ বরিশাল ত্যাগ করেন।

    এদিকে ভারতীয় হাইকমিশনারের অবস্থান এবং চলাচলের পথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।

     

  • দাবি মানার পরও বুয়েটে আন্দোলন কেন, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

    দাবি মানার পরও বুয়েটে আন্দোলন কেন, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

    অনলাইন ডেস্ক ::

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ১০ দফা দাবির সবগুলোই তো মেনে নিয়েছেন ভিসি। তারপরও নাকি তারা আন্দোলন করবে। কেন করবে জানি না। এরপর আন্দোলন করার কি যৌক্তিকতা থাকতে পারে? শনিবার রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে মহিলা শ্রমিক লীগের জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, যারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটায় তাদেরকে যখন পুরস্কৃত করা হয় বা যারা এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটায় তাদেরকে যখন রক্ষা করা হয় তখন সেই সমাজ থেকে এইগুলো দূর করা অত্যন্ত কঠিন কাজ হয়ে যায়।

    তিনি বলেন, আমরা কিন্তু পিছিয়ে থাকিনি। কোন দল করে সেটা না। খুনিকে খুনি হিসেবেই আমরা দেখি। অন্যায়কারীকে অন্যায়কারী হিসেবেই আমরা দেখি। অত্যাচারীকে অত্যাচারী হিসেবেই আমরা দেখেছি। খবরটা পাওয়ার সাথে সাথে আমি কারো আন্দোলনেরও অপেক্ষা করিনি, কারো নির্দেশেরও অপেক্ষা করিনি। সঙ্গে সঙ্গে আমি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছি। এদেরকে গ্রেফতার করা এবং ভিডিও ফুটেজ থেকে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করা। এই তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে পুলিশ পড়লো বিপদে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই যে সাধারণ ছাত্ররা, যাদের ১০ দফা দাবি। সবই তো মেনে নিয়েছে ভিসি। তারপরও না কী তারা আন্দোলন করবে। কেন করবে জানি না। এরপর আন্দোলন কার কী যৌক্তিকতা থাকতে পারে। কিন্তু এই ভিডিও ফুটেজ যখন সংগ্রহ করছে তখন তারা বাধা দিয়েছিল। কেন বাধা দিয়েছিল আমি জানি না।

    তিনি বলেন, আমার কাছে পুলিশের আইজিপি ছুটে আসলো কী করবো? আমি বললাম তারা কী চায়? বললেন, তারা কপি চায়। আমি বললাম কপি করে তাদের দিয়ে দাও। তোমরা তাড়াতাড়ি ফুটেজটা নাও। ফুটেজটা নিলেই তো আমরা আসামি চিহ্নিত করতে পারবো, ধরতে পারবো। কে গেছে না গেছে দেখতে পারবো, ধরতে পারবো।

    শেখ হাসিনা বলেন, তিন চার ঘণ্টা সময় যদি নষ্ট না করতো তাহলে আরো আগেই সাথে সাথে ধরা পড়তে পারতো। মনে হলো আসামিদের পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হলো কি-না, এটার জবাব ওই আন্দোলন যারা করেছে তারা বলতে পারবে, আমি বলতে পারবো না। আমি কিন্তু এক মিনিটও দেরি করি নাই। খবর পাওয়ার সাথে সাথে আমি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। এই ধরনের অন্যায় করলে কখনো এটা মেনে নেওয়া যায় না।

    তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল জিয়াউর রহমান খালেদা জিয়া থেকে শুরু করে এরশাদের আমলে সব সময় ছিল একটা অস্ত্রের ঝনঝনানি। মেধাবী ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল। আমি শুধু জিজ্ঞেস করতে চাই, এত ছাত্র হত্যা হয়েছে কয়টার বিচার কে করেছে? সেই ৭৪ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে করেছে। আর যখনই আমরা ক্ষমতায় এসেছি তখনই আমরা সাথে সাথে বিচার করেছি। এর বাইরে কেউ আজ পর্যন্ত বলতে পারবে কোনো বিচার হয়েছে?

    বুয়েট ছাত্রী সাবিকুন নাহার সনি হত্যার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তখন কে প্রতিবাদ করলো? তখন তো আমাদের বুয়েটের যে অ্যালাইমনাই অ্যাসোসিয়েশন তাদেরকে তো নামতে দেখি নাই। প্রতিবাদ করতে দেখিনি তাদের, তখন তারা কথা বলেনি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে সবার কথা বলার অধিকার আছে। বলতে পারে, অন্তত এই সুযোগটা আছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, যখন জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় জাতির পিতার খুনিদের যে পুরস্কৃত করলো। যুদ্ধাপরাধীদের যারা ছেড়ে দিল। সাত খুনের আসামিকে যারা নেতা বানালো কে কে তখন প্রতিবাদ করেছে? তখন মানবাধিকারের চিন্তা কোথায় ছিল? তখন ন্যায়-নীতি বোধ কোথায় ছিল? তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা।

    তিনি বলেন, আমাদের কথা একেবার স্পষ্ট, কোনো অন্যায় অবিচার আমরা সহ্য করবো না। করি নাই, ভবিষ্যতেও করবো না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার পরিবেশ রাখতে হবে।

    এদিকে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের ফাঁসিসহ বেশকিছু দাবিতে ষষ্ঠ দিনের মতো চলছে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন।

  • দেশে আজ মুক্তিযুদ্ধোর অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে

    দেশে আজ মুক্তিযুদ্ধোর অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    ঐক্যন্যাপ বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২টায় বরিশাল নগরের শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ভবন (বার লাইব্রেরী) তে উক্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঐক্যন্যাপ সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ভারতের সাথে সম্প্রতি সাম্পাদিত সমঝোতা স্মারক নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতির সাথে মতদ্বৈততা ও ভিন্নতা সঙ্গত ও স্বাভাবিক। এই সমঝোতা স্মারক নিয়ে জাতীয় বিতর্ক আবশ্যক।

    তিনি বলেন, ভারতের সাথে সমঝোতা চুক্তি নিয়ে ভিন্নমত উপস্থাপনের কারনে বুয়েটের মেধাবী ছাত্রের হত্যার ঘটনা দানব হয়ে ওঠা জাতীয় কলঙ্ক হয়ে উঠেছে।

    এসময় তিনি দায় মুক্তির রেওয়াজ থেকে বের হয়ে দেশে আবরার হত্যাকারীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানান।

    তিনি আরো বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রিয় ব্যর্থতা , গনতন্ত্রের সংকোচন দেশে ক্ষমতাগর্বী মহল ও তার কারনে দিনে দিনে দানব পয়দা ও দূর্নীতি লুটপাটের ধারা সৃষ্টি হয়েছে। সুশাসন ও জবাবদিহীতা কর্পূরের মতই উবে যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধোর অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

    বরিশাল জেলা ঐক্যন্যাপ সভাপতি অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান মজুমদারের সভাপতিত্বে বিভাগীয় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা সাধারন সম্পাদক মাষ্টার নুরুল ইসলাম, জেলা সহ সভাপতি নুরুল আমীন খান, অ্যাডভোকেট হিরন কুমার দাশ মিঠু, ড. ফরিদ উদ্দিন । এসময় সিপিবি, ওয়াকার্স পার্টি, গনফোরামের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • কেন্দ্রীয় আ’লীগের সম্মেলন সফল করতে বরিশালে বর্ধিত সভা

    কেন্দ্রীয় আ’লীগের সম্মেলন সফল করতে বরিশালে বর্ধিত সভা

    স্টাফ রিপোর্টার//রাতুল হোসেন রায়হান :

    আগামী ২০ ও ২১ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের জাতীয় সম্মেলন সফল করার উপলক্ষে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ (১২ অক্টোবর) শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় বরিশাল সার্কিট হাউজ ধানসিঁড়ি মিলনায়তন সভা কক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড, গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলালের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর সাধারন সম্পাদক এ্যাড, একে এম জাহাঙ্গীর হোসাইন।
    এসময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সাবেক (এমপি) এ্যাড. তালুকদার মোঃ ইউনুস।

    এছাড়া বর্ধিত সভায় অংশ গ্রহন করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সম্পাদক মন্ডলী ও কার্যকরি পরিষদের সদস্য ছাড়া এবং ত্রিশটি ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সভাপতি/ সম্পাদক সহ বিসিসির দলীয় কাউন্সিলর সহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • বরিশালে ১২ পূজা মন্ডপকে বিশেষ শারদ সম্মাননা প্রদান

    বরিশালে ১২ পূজা মন্ডপকে বিশেষ শারদ সম্মাননা প্রদান

    স্টাফ রিপোর্টার//স্বর্না বিস্বাস:

    পূজোর ভ্যানের আয়োজনে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়েছে ৮ম শারদ সম্মাননা ও শারদীয় মিলন উৎসব। বিকাল ৫ টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার হলে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান, বরিশাল জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান ও বরিশাল পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম।

    অশ্বিনী কুমার হল থেকে ক্যামেরায় স্বর্না বিস্বাস

     

     

    পূজোর ভ্যান ও শারদীয় মিলন মেলা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ভানু লালদে’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব ঘোষ এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এই আয়োজনের প্রধান উদ্যেক্তা অপূর্ব অপু।

    এরপরেই অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাংষ্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মানবেন্দ্র বটব্যাল, এসএম ইকবাল, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মানিক মুখার্জী কুডু, বরিশাল চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মৃনাল কান্তি সাহা, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র দে নারু ও সাধারণ সম্পাদক সুরঞ্জিৎ দত্ত লিটু।

    অশ্বিনী কুমার হল থেকে ক্যামেরায় স্বর্না বিস্বাস

     

     

    এর আগে সন্ধ্যা ৬টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গীতিনৃত্যনাট্য ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ প্রদর্শন করা হয়। ৮ম বারের এই আয়োজনে বরিশাল মহানগরের ১২ পূজা মন্ডপকে বিশেষ শারদ সম্মাননা প্রদান করা হয়। আলোকসজ্জার জন্য বিশেষ সম্মাননা দেয়া হয়, শ্রীশ্রী শংকর মঠ পূজা মন্ডপ, পাষানময়ী কালিমাতার মন্দির এবং ভাটিখানা পূজা মন্ডপকে, সাবেকী প্রতীমায় বিশেষ সম্মাননা দেয়া হয় রামকৃষ্ণ মিশন, সাগরদী ঠাকুর বাড়ি ও সোনাঠাকুর প্রতিষ্ঠিত কালিবাড়ি (বড় কালিবাড়ি) পূজা মন্ডপকে, নান্দনিক প্রতীমায় বিশেষ সম্মাননা দেয়া হয় ভাটিখানা পূজা মন্ডপ, কাটপট্রি নিয়োগী প্রাঙ্গন এবং ফলপট্রি পূজা মন্ডপকে, সাজসজ্জ্বায় বিশেষ সম্মাননা দেয়া হয় পাষানময়ী কালিমাতার মন্দির, সদর রোড জগন্নাথ মন্দির এবং রাধা গোবিন্দ নিবাস পূজা মন্ডপকে। এছাড়াও মহানগরের সকল পূজা মন্ডপকেই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

  • বুয়েটে ছাত্র শিক্ষক রাজনীতি নিষিদ্ধ

    বুয়েটে ছাত্র শিক্ষক রাজনীতি নিষিদ্ধ

    আবরার ফাহাদ হত্যায় বুয়েটের অভিযুক্ত ১৯ জনকে অস্থায়ী বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। এ ছাড়া এই মুহূর্ত থেকে বুয়েটে সব দলের ছাত্র রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন তিনি।

    ভিসি বলেন, ‘আমার নিজ ক্ষমতায় বুয়েটের সব রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করছি।’

    এ সময় জোর করতালিতে এ সিদ্ধান্তকে অভিনন্দন জানান শিক্ষার্থীরা।

    অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, এখন থেকে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    শিক্ষার্থীদের আলটিমেটামের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. সাইফুল ইসলাম শুক্রবার (১১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। বুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

    আবরারের বিষয়ে ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, আবরারের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে এবং মামলার খরচ বুয়েট কর্তৃপক্ষ বহন করবে। বিচারকাজ দ্রুত শেষ করতে সরকারকে চিঠি দেয়া হবে।

    হলগুলোয় র‌্যাগিংয়ের নামে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের বিষয়ে দ্রুততম সময়ে তদন্ত কমিটি করে ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে ভিসি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্যাম্পাসের মধ্যে সিসিটিভি বসানো হবে। এ জন্য সময়ের প্রয়োজন রয়েছে।

    বক্তব্যের শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নেন ভিসি। বলেন, ‘‘আমার কিছুটা ভুল হয়েছে, আমি তোমাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমার ভুল আমি স্বীকার করেছি, তোমরা আমাকে ক্ষমা করে দাও।’

    ‘আবরার আমার সন্তানের মতো ছিল। তোমাদের যেমন কষ্ট লাগছে তার মৃত্যুতে আমারও অনেক খারাপ লেগেছে। এটি আমি মেনে নিতে পারিনি। তার মৃত্যুতে দুঃখ তোমরা পেয়েছ, আমিও পেয়েছি। আমরা সকলেই মর্মাহত।’

    এর আগে বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে উপাচার্য অডিটোরিয়ামে প্রবেশ করেন। তিনি ও ডিএসডব্লিউ পরিচালকসহ সাতজন মঞ্চে বসেন। শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও বিভিন্ন অনুষদের ডিনরাও আলোচনায় উপস্থিত রয়েছেন।

    শিক্ষার্থীরা জানান, বৈঠকে ১০ দফা দাবি ও আবরার হত্যার ঘটনায় উঠে আসা ইস্যুগুলো নিয়ে ভিসির কাছে জবাব চাওয়া হবে।

    এর আগে আলোচনায় অংশ নিতে শিক্ষার্থীরা পরিচয়পত্র দেখিয়ে সারিবদ্ধভাবে অডিটোরিয়ামে প্রবেশ করেন। অডিটোরিয়ামে প্রবেশের জন্য সাংবাদিকদের প্রেস কার্ড দেন শিক্ষার্থীরা।

    উল্লেখ্য, ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেয়ার জের ধরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে রোববার (৬ অক্টোবর) রাতে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দুইতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ লাশের ময়নাতদন্ত করেন। তিনি বলেন, ‘ছেলেটিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’ নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন।

    আবরার হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিসহ ১০ দফা দাবিতে আন্দোলনে উত্তাল রয়েছে বুয়েট ক্যাম্পাস।

  • শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হচ্ছেন শেখ হাসিনা!

    শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হচ্ছেন শেখ হাসিনা!

    অনলাইন ডেস্ক ::

    নোবেল শান্তি পুরস্কার ২০১৯ ঘোষিত হবে।শান্তিতে নোবেল কে জিতবে এ নিয়ে সারাবিশ্বে রাষ্ট্রনায়ক, সরকার প্রধানসহ শান্তিকামী বিভিন্ন মানুষের মধ্যে নানা রকম গুঞ্জন চলে। নানা রকম জল্পনা কল্পনা চলে।

    কিন্তু প্রত্যেক বছরই দেখা যায় যে, নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য যাদের নাম আলোচিত হয় তাদের বাইরে একজনকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। এবারও কি তার ব্যতিক্রম হবে?

    ২০১৬ সাল থেকেই নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য যতবার নাম আলোচিত হয়েছে।ততবারই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম ঘুরেফিরে এসেছে। বিশেষ করে ২০১৭ সালে যখন তিনি রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেন।তখন সারাবিশ্বে মানবতার এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

    তখন তার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়াটা ছিল অবধারিত।কিন্তু নোবেল শান্তি পুরস্কার কেবল কাজের জন্য দেওয়া হয় না।নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার জন্য কিছু রাজনৈতিক কার্যক্রম এবং লবিং থাকে।

    রাজনৈতিক লবিংয়ের জন্যই শেখ হাসিনা নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য বারবার আলোচিত হয়েও পাননি কাঙ্খিত পুরস্কার।এবার কি তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য সব বাঁধাকে অতিক্রম করতে পারবেন?

    একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে, এবার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার যেন শেখ হাসিনা পায় সেজন্য জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর, অর্থনীতিতে নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশান (ওআইসি)-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেছে।

    এই নাম প্রস্তাব করার মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশে সরকার প্রধান হয়ে তিনি ১১ লক্ষ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছেন এবং তাদের দেখভাল করছেন। যেটি বিশ্বের ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা।

    শুধুমাত্র আশ্রয় দেননি,তিনি এই সময়ে তিনি মায়ানমারের উস্কানি এবং মায়ানমারের যুদ্ধাংদেহী মনোভাবকে কূটনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে থেকে দমন করেছেন এবং তিনি শান্তির এক বার্তা সারাবিশ্বকে দিয়েছেন। যে, যেকোন সংকটে শান্তিপূর্ণ সমাধানই হলো একমাত্র পথ যেখানে মিয়ানমারের অন্যতম নেতা অং সান সুচি বিপন্ন মানবতার ডাকে সাড়া দিতে পারেননি, রোহিঙ্গাদের গণহত্যায় সম্মতি দিয়েছেন এবং গণহত্যার দায় যার ঘাড়ে বর্তে সেখানে শেখ হাসিনা যেন এক বিরল দৃষ্টান্ত।

    সেজন্য বিশ্বের বিভিন্ন মহল থেকে তাকে ইতিমধ্যেই ‘ডটার অব হিউম্যানিটি’সহ বিভিন্ন উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।

    শুধু রোহিঙ্গা ইস্যু নয় সারাবিশ্বে শান্তির বাতায়নের জন্য শেখ হাসিনা এক অনন্য উদাহরণ।

    সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিসহ ভারতের বিশৃঙ্খলতা বাদিদের আশ্রয় প্রশ্রয় না দেয়ার ক্ষেত্রেও শেখ হাসিনা এক রোল মডেল রাষ্ট্রনায়ক। তিনি এখন বিশ্বের এক অনন্য অনুকরণীয় নেতা হিসেবে উদ্ভাসিত হয়েছেন।

    বাংলাদেশের একাধিক কূটনৈতিক মনে করেন যে শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণেই তাকে নোবেল পুরস্কার দেয়া থেকে বারবার বঞ্চিত করা হয়।

    তবে কেউ কেউ মনে করে যে, শুধু রাজনৈতিক কারণে না, নোবেল শান্তি পুরস্কার তিনি যেন না পান।সেজন্য বড়ধরনের লবিং করেন বাংলাদেশের আরেক নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে একটি মহল সবসময় লবিং করে শেখ হাসিনা যেন নোবেল পুরস্কার না পান।

    তবে বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, এই লবিংটি ড. ইউনূসের দ্বারা প্ররোচিত হয়েই শেখ হাসিনা যেন নোবেল পুরস্কার না পান সেজন্য তদ্বির করেন।

    তবে গত দশ বছরে নোবেল শান্তি পুরস্কার যে শুধু শান্তির জন্য দেয়া হয় এমনটি নয় নানা রাজনৈতিক মেরুকরণে যারা পশ্চিমা দুনিয়ার কাছে আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত হন তাঁদেরকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

    সেইজন্যই শেখ হাসিনার নাম প্রতিবছর আলোচনায় এলেও তিনি নোবেল পুরস্কার পাবেন কিনা! সেটা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। তবে শান্তিকামী মানুষ মনে করে যে, সত্যিকার অর্থে বিশ্বের শান্তির জন্য যদি এখন কাউকে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয় সেটা শেখ হাসিনাই।

    কারণ ১১লাখ রোহিঙ্গাকে মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়ে শেখ হাসিনা সারাবিশ্বে যে শান্তির বার্তা দিয়েছেন তা অনুকরণীয়।

    কিন্তু শেখ হাসিনা নোবেল পুরস্কার পাওয়ার জন্য বিশ্বে কোন দেন দরবার বা লবিং করেন না। আর লবিং ছাড়া বিশ্বে এখন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া যেন এক অলীক স্বপ্ন।

  • শোকর‌্যালিতে আবরার হত্যার বিচার না চাওয়ায় তীব্র সমালোচিত ছাত্রলীগ

    শোকর‌্যালিতে আবরার হত্যার বিচার না চাওয়ায় তীব্র সমালোচিত ছাত্রলীগ

    অনলাইন ডেস্ক:

    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে শোকর‌্যালি করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

    বৃহস্পতিবার বেলা বারোটার দিকে আবরার হত্যার প্রতিবাদে শোকর‌্যালি বের করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

    তবে তাদের এ শোকর‌্যালিও সমালোচনার বেড়াজালে আটকে গেছে

    গতকাল দুপুরেশোকর‌্যালির ছবি ও সংবাদ প্রকাশের পরপরই তা নিয়ে সরব হয়ে উঠে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক।

    সেখানে ইতিবাচক ও প্রশংসার চেয়ে নেতিবাচকই মন্তব্য জমা পড়েছে ঢের বেশি। এই শোকর‌্যালি হিতে বিপরীত হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনটির জন্য।

    এর পেছনে রয়েছে দুটি কারণ। একটি হলো, ফেসবুকে শোকর‌্যালিটির যে ছবি ভাইরাল হয়েছে সেখানে দেখা গেছে, র‌্যালির ব্যানারের কোথাও আবরার হত্যাকাণ্ডের বিচার চাওয়া হয়নি। শুধুমাত্র শোক প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে শুধু লেখা হয়েছে – তোমার মর্মান্তি হত্যাকাণ্ডে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।

    দ্বিতীয়ত বৃহস্পতিবার এ শোকর‌্যালির কারণে ঘটে যায় অনাকাঙ্ক্ষিত এক ঘটনা। র‌্যালি জন্য আটকা পড়ে রোগীবাহী একটি অ্যাম্বুলেন্স।

    বৃহস্পতিকার টিএসসিতে সড়ক দ্বীপের পাশে তাদের শোকর‌্যালিতে রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স অনেকক্ষণ আটকে থাকার পরেও সেটিকে বেরিয়ে যাওয়া জন্য কোনো জায়গা করে দিতে দেখা যায়নি ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের।

    নেটিজেনদের প্রশ্ন, এ কেমন র‌্যালি যেখানে হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি করা হয়নি? তাহলে ছাত্রলীগের শোকর‌্যালি কি বার্তা দিচ্ছে?

    অনেকে বলেছেন, একটি হত্যাকাণ্ড দিয়ে পুরো সংগঠনকে দায়ী করা বোকামো। তবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এ শোকর‌্যালির ব্যানার দেখে আমরাও বোকা হয়ে গেছি। যেখানে দেশব্যাপী এ বর্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার চাইছে সেখানে ছাত্রলীগের শোকর‌্যালিতে এ বিষয়ে কোনো কথাই লেখা নেই।

    এক ছাত্রলীগ কর্মী লিখেছেন, সাধুবাদ জানাতে গিয়েও পারলাম না এমন ব্যানার দেখে।

    যদিও বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। তিনি বলেন, অ্যাম্বুলেন্স আটকে কোনো র‌্যালি হয়নি, যদি আটকে থাকে, তাহলে হয়তো যানজটের কারণে আটকা পড়েছে।

    তবে এ ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে অনেকেরই কাছেই তিরস্কৃত হয় শোকর‌্যালি।

    নেটিজেনরা বলেন, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স আটকে কাণ্ডজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছে জয় ও লেখক ভট্টাচার্যরা। এ বিষয়ে ছাত্রলীগকে সর্তক হওয়া প্রয়োজন ছিল।

    এদিকে আবরার হত্যার বিচার চেয়ে ছাত্রলীগের শোকর‌্যালিকে তাদের শোডাউন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে গণপদযাত্রা অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    ডাকসু ভিপি বলেন, আবরারকে হত্যা করেছে ছাত্রলীগ। আর সেই ছাত্রলীগই আবরার হত্যার বিচার দাবিতে শোকর‌্যালি করছে, এর চেয়ে উপহাস আর কী হতে পারে?

  • মহিলা লীগের সভাপতি-সম্পাদক হতে চান ৮ নেত্রী

    মহিলা লীগের সভাপতি-সম্পাদক হতে চান ৮ নেত্রী

    প্রায় দুই যুগ পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যশোর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। আগামী শনিবারের এ সম্মেলন ঘিরে মহিলা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

    নেতৃবৃন্দ সম্মেলন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছেন। সভাপতি ও সম্পাদক পদের জন্য মাঠের লড়াইয়ে নেমেছেন আট নারী নেত্রী। প্রার্থীদের মধ্যে থেকে তৃণমূলের ভোটাভুটিতে মহিলা আওয়ামী লীগের নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব গ্রহণ করুক এমনটি প্রত্যাশা অধিকাংশ নেতাকর্মীর।

    মহিলা আওয়ামী লীগ সূূত্র জানায়, কেন্দ্র থেকে আগামী শনিবার (১২ অক্টোবর) যশোর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। ওই দিন সকাল ১০টায় যশোর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য সাফিয়া খাতুন। প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য পীযূষ কান্তি ভট্টাচার্য্য।

    জানা যায়, ১৯৯৭ সালের ২৭ অক্টোবর সম্মেলনের মাধ্যমে যশোর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা হয়। ৭১ সদস্যের ওই কমিটি দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।নতুন সম্মেলনকে ঘিরে ইতোমধ্যে মহিলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    সম্মেলনে সভাপতি পদের জন্য প্রচারণায় রয়েছেন- বর্তমান সভাপতি ও সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নূরজাহান ইসলাম নীরা, প্রচার সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য লাইজু জামান, শহর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহফুজা খাতুন গিনি এবং জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম সম্পাদক নাছিমা আক্তার জলি।

    পাশাপাশি সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য তৎপরতা চালাচ্ছেন- জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি জোসনা আরা বেগম মিলি, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও জেলা পরিষদ সদস্য হাজেরা পারভীন, শহর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেহেনা পারভীন এবং তিন নম্বর ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি রিনি বেগম। সম্মেলনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে থেকে প্রায় ১০০ কাউন্সিলর তাদের নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন।

    জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি ও সভাপতিপ্রার্থী নূরজাহান ইসলাম নীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন পর সম্মেলনের আয়োজন করায় নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। সম্মেলনের প্রস্তুতি প্রায়শেষ পর্যায়ে।

    তিনি বলেন, দুই যুগ ধরে সামনে থেকে মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিচ্ছি। তৃণমূলের নেতকর্মীদের প্রত্যাশা প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হোক। তৃণমূলের নেতাদের প্রত্যাশাকে ভরসা করেই সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।

    আরেক সভাপতি প্রার্থী মাহফুজা খাতুন গিনি বলেন, প্রায় দুই যুগ পর সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করা হবে। এজন্য সভাপতি পদে লড়াইয়ে প্রস্তুতি নিয়েছি। কাউন্সিলরদের কাছে প্রার্থিতার কথা তুলে ধরছি। কাউন্সিলে ভোটের জন্য কাউন্সিলররা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তারা নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোট দিতে চান। সরাসরি ভোট হলে লড়াই করব।

    তবে সভাপতি প্রার্থী ও বর্তমান প্রচার সম্পাদক লাইজু জামান বলেন, বর্তমান কমিটি গঠিত হয়েছিল ২৪ বছর আগে। দুই যুগে নামমাত্র কয়েকটি সভা করেছে বর্তমান কমিটি। জেলা কমিটি অধিকাংশ নেতাই সক্রিয় নেই। আজ্ঞাবহদের দিয়ে দল পরিচালনা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় নির্বাচনের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে বাস্তব পরিস্থিত তুলে ধরে নেতৃত্ব মনোনয়নের দাবি রাখব।

    আরেক সভাপতি নাছিমা আক্তার জলি দাবি করেছেন, তৃণমূলের নেতকর্মীদের প্রত্যাশা প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হোক। তৃণমূলের এই প্রত্যাশাকে সম্মান জানিয়ে সেভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি।

    অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী জোসনা আরা বেগম মিলি বলেন, দীর্ঘদিন জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতিসহ বিভিন্ন পদে থেকে রাজপথে রাজনীতি করেছি। এখন সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে মহিলা আওয়ামী লীগকে আরও সুসংগঠিত করতে চাই। এজন্য সম্পাদক পদে লড়াই করছি। তৃণমূূলের নেতাও আমার সঙ্গে থাকবেন বলে আশা করছি।

    তবে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মহিলা আওয়ামী লীগ সদস্য হাজেরা পারভীন দাবি করেন, বিগত কমিটি তেমন কোনো সাংগঠনিক তৎপরতা দেখাতে পারেনি। বরং বিভিন্ন উপজেলায় পকেট কমিটি করে রেখেছে। এখন হঠাৎ করে সম্মেলনের আয়োজন করে নেতৃত্বকে ধরে রাখতে চাইছে। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে এসব বিষয় তুলে ধরে যোগ্যতার ভিত্তিতে কমিটি নির্বাচনের দাবি জানাবো।

    যদিও অপর দুই সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী রেহেনা পারভীন ও রিনি বেগম জানালেন, সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে বেশ সাড়া পড়ে গেছে। তৃণমূল থেকে দাবি উঠেছে, ভোটাভুটি করে মূল নেতৃত্ব নির্বাচন করার। এজন্য সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিয়েছেন তারা। ভোট হলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন দুজনই।

  • আধুনিক বাসযোগ্য শহর গড়তে বিসিসি ও সিইজিআইএস’র মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

    আধুনিক বাসযোগ্য শহর গড়তে বিসিসি ও সিইজিআইএস’র মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    প্রযুক্তি বা অবকাঠামোর পাশাপাশি নগরবাসীর জন্য একটি আধুনিক বাসযোগ্য শহর গড়তে সম্মিলিত প্রয়াসকে এগিয়ে নিতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ও সেন্টার ফর ইনভারমেন্ট এন্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিস (সিইজিআইএস)-এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

    বুধবার রাতে সিটি কর্পোরেশনের এ্যানেক্স ভবনে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল­াহ ও সেন্টার ফর ইনভারমেন্ট এন্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিস (সিইজিআইএস)-এর এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর মালিক ফিদা আবদুল­াহ খানের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমতিয়াজ মাহমুদ জুয়েল ও সি ই জি আই এস-এর হিউমেন রির্চাস এন্ড বিজনেস ডেভলপমেন্ট-এর পরিচালক জাহিদ হোসেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

    এ চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে বরিশালকে একটি আধুনিক শহর (স্মার্ট সিটি) হিসেবে গড়ে তুলতে নগর পরিকল্পনা (আগামী ৫০ বছরের মাস্টার প্লান তৈরী), কারিগরী সহায়তা, স্থাপত্য, সিটি কর্পোরেশনের আরবান এলাকার খাল খনন, ড্রেন ও সড়কের উন্নয়ন, শহর বর্ধিত করন, পানি সরবরাহ, স্যুরায়েজ সিস্টেম এর উপর জরিপসহ বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

    অনুষ্ঠানে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল­াহ বলেন, নগরবাসীকে একটি ‘স্মার্ট সিটি’ উপহার দিতে তিনি যে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন তা বাস্তবায়নে এ চুক্তি স্বাক্ষর হলো। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফ বিসিসি আই’র পরিচালক সেরনিয়াবাত মঈনউদ্দিন আবদুল­াহ, আওয়ামী লীগ নেতা সেরনিয়াবাত আশিক আবদুল­াহসহ বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ও সি ই জি আই এস-এর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন।

    এসময় এফ বিসিসি আই’র পরিচালক সেরনিয়াবাত মঈনউদ্দিন আবদুল­াহ বরিশালকে আধুনিক ও বাসযোগ্য করে তোলার জন্য সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি, নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির উপর জোর দেন।