Category: রাজণীতি

  • বরিশালে দূর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    বরিশালে দূর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    বরিশাল সদর উপজেলার ও মহানগরের বিভিন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি।

    সোমবার বিকেলে সদর উপজেলার ও মহানগরের বিভিন্ন পূর্জা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাড. মাহবুবুর রহমান মধু, আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদুল হক খান মামুন, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসিম উদ্দিনসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীবৃন্দ।

  • হিন্দু মুসলমানের ভেদাভেদ না করে সবাই বাঙালী হয়ে উঠি : মেয়র সাদিক

    হিন্দু মুসলমানের ভেদাভেদ না করে সবাই বাঙালী হয়ে উঠি : মেয়র সাদিক

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমীতে বরিশাল নগরীর সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই বাংলাদেশে আমরা শান্তিপূর্নভাবে যার যার ধর্ম পালন করি। উৎসব গুলোতে হিন্দু মুসলমানের কোন ভেদাভেদ না করে সবাই বাঙালী হয়ে উঠি। শারদীয় দুর্গোৎসব সকলের জন্য বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।

  • সম্রাটকে নিয়ে যা বললেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী

    সম্রাটকে নিয়ে যা বললেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক ::

    সম্পদ অর্জন নয়, জুয়া খেলাই ছিল সদ্য র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার ও যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের একমাত্র নেশা। এমন তথ্য দিয়েছেন সম্রাটের দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন চৌধুরী।

    রোববার রাজধানীর মহাখালীতে সম্রাটের বাড়িতে র‌্যাবের অভিযানের সময় সাংবাদিকদের সম্রাট সম্পর্কে নানা চমকপ্রদ তথ্য দেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী। ক্যাসিনোর আয় সম্রাট দলের জন্য খরচ করত মন্তব্য করে শারমিন চৌধুরী ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদও জানান।

    সম্প্রতি ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে যুবলীগের কয়েকজন নেতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন। ক্যাসিনা পরিচালনার সঙ্গে জড়িত হিসেবে সম্রাটের নামও উঠে আসে। কয়েকদিন ধরে তাকে গ্রেফতারের গুঞ্জন শোনা গেলেও রোববার কুমিল্লা থেকে একজন সহযোগীসহ তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

    এরপর সম্রাটের বাসা ও অফিসে অভিযান চালায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মহাখালীর বাসায় অভিযানের সময় তার দ্বিতীয় স্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

    আপনার স্বামী র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন, এ ব্যাপারে কিছু জানেন কি না- জানতে চাইলে শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘হ্যাঁ জানি, ও অ্যারেস্ট হয়েছে, এটা জানি। তবে ওর সাথে আমার দুবছর ধরে সম্পর্ক নেই। ও যে ক্যাসিনোর গডফাদার, এটাও আমি জানি না। আমি জানি, সে যুবলীগের ভালো একজন নেতা। এটা ঢাকা উত্তর-দক্ষিণের সবাই জানে ও খুব ভালো একটা নেতা। আমিও সেটাই জানি। আর আমার সাথে যেহেতু দুই বছরের দূর,ত্ব সে কারণে আমি জানি না যে, এত বড় একটা ক্যাসিনো চালায় সে।’

    ২ বছর আগে আপনি কী জানতেন? এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি জানতাম সে একজন নেতা। আর কিছুই জানতাম না।’

    তার সম্পদ, প্রভাব-প্রতিপত্তি নিয়ে জানতেন না- এ বিষয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী বলেন, ‘ওর সম্পদ বলতে কিছুই নেই। ক্যাসিনো চালিয়ে ও যা ইনকাম করে তা দলের জন্য খরচ করে, দল পালে (পালন করে)। আর যা রাখে তা সিঙ্গাপুর কিংবা এখানে জুয়া খেলে। ওর সম্পদ বলতে কিছুই নেই।’

    ক্যাসিনো চালিয়ে দল পালে এটা কীভাবে বুঝলেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, এটা জানি, বুঝা যায়, ওর জনপ্রিয়তা দেখেই তো বুঝা যায়। আর এরকম জনপ্রিয়তা কোনো নেতার আছে বলেন? আর কোনো নেতার নেই, একমাত্র ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের আছে। উত্তরেও (ঢাকা উত্তর) তো একজন আছেন নিখিল নামে, তার তো এত জনপ্রিয়তা নেই।’

    ক্যাসিনো চালাতে আপনি কী কখনও নিষেধ করতেন না- এ বিষয়ে শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘আমার সাথে ওর একটু মিলতো কম। ও ছেলেপেলে নিয়ে বেশি থাকতে একটু পছন্দ করত।’

    আপনার সঙ্গে দূরত্ব কী রাজনৈতিক কারণে- এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘না, ব্যক্তিগত কারণে।’

    সম্রাটের উঠে আসার বিষয়ে কী জানেন- এ বিষয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী বলেন, ‘ও কিন্তু শুরু থেকেই সম্রাট, নাম যেমন…সহ-সভাপতি আরও অন্য কেউ যে আছে ওদের মতো না ও। আগে থেকেই ওর চলাফেরা ভালো। ক্যাসিনোতে ও ধীরে ধীরে কীভাবে আসছে আমি জানি না। ওর জুয়া খেলার নেশা আছে।’

    ‘আমি দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে এই অভিযানের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাব। তিনি যদি আরও আগে উদ্যোগ নিতেন, তবে আরও ভালো হত।’

    উনি তো মাঝে মাঝে সিঙ্গাপুর যেতেন, আসলে কী জন্য যেতেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ও সিঙ্গাপুরে জুয়া খেলতেই যেত। জুয়া খেলা তার নেশা, কিন্তু সম্পত্তি গড়া তার নেশা না। দোকান, গাড়ি- এগুলো তার নেশা না। একভাগ জমাত সেটা দিয়ে সিঙ্গাপুর গিয়ে জুয়া খেলত।’

    সিঙ্গাপুরে বিভিন্ন নারীর সঙ্গে সম্রাটের ছবি দেখেছি, এ বিষয়ে কী জানেন- জানতে চাইলে দ্বিতীয় স্ত্রী বলেন,‘ বিভিন্ন নারীর সঙ্গে না, আমার সঙ্গে ২ বছর ধরে ও (সম্রাট) সিঙ্গাপুর যায় না, সিঙ্গাপুরে আমাকে নেয় না। ওখানে বোধহয় চায়না-মালয়েশিয়া মিক্স এমন একজনের সঙ্গে সম্পর্ক হইছে। ও (সম্রাট) গেলে ওর সঙ্গেই সময় কাটায়।’

    যখন সম্পর্ক ছিল তথন আপনার সঙ্গে নিশ্চয়ই শেয়ার করত, কাদের সঙ্গে তার উঠাবসা, টাকা পয়সা কোথায় যেত- এ বিষয়ে শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘ক্যাসিনোটা ৩-৪ বছর ধরে। এর আগে কিন্তু ক্যাসিনোটা ছিল না। তখন তো ঠিকাদারি যেটা করে, মনে হয় ওগুলো করত। আর নিশ্চয়ই দলে কোনো বড় ভাই আছে।’

    তার গুরু বা নেতা কে ছিল জানেন- এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘না, এটা জানি না। ও কিন্তু সবার সাথে ভালো ব্যবহার করে। সবার সাথে ভালো একটা বন্ডিং আছে।’

    সম্প্রতি জি কে শামীম, খালেদ মাহমুদ গ্রেফতার হন, তাদের চেনেন- জানতে চাইলে সম্রাটের স্ত্রী বলেন, ‘চিনি না, খালেদকে দেখছি। মাঝে মাঝে অফিসে যেতাম, দেখতাম, ওইটুকুই। আর কিছু না।’

    আপনার সঙ্গে কোনো নেতাকে নিয়ে গল্প করত না- এ বিষয়ে বলেন, ‘না, না। ও এগুলো পছন্দ করে না- আমি ফেজে আসি, কোনো ক্যামেরার সামনে আসি, কোনো রাজনীতি করি, এটা পছন্দ করত না। ও চাইত আমি হাউজওয়াইফ…আমি শুরু থেকেই নামাজটা পড়া খুব পছন্দ করি। ঘরে থাকা পছন্দ করি। জাস্ট ও আমাকে এভাবেই রাখছে।’

    আপনি যখন জানলেন তিনি জুয়ায় আসক্ত, অন্য নারীর প্রতি আসক্ত- এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটা পরে জানতে পেরেছি। যখন বিয়ে করেছি তখন জুয়া জিনিসটা কী, এত বড় যে খেলার জায়গা আছে, আমার মাথায়ই ছিল না।’

    আপানাদের বিয়ে হয়েছে ১৯ বছর। তখন তার অবস্থা কেমন ছিল, আর এখন কেমন- জানতে চাইলে বলেন, ‘আগে যেমন ছিল সম্পদের দিক থেকে এখন ঠিক তেমন। তার সম্পদ, ফ্ল্যাট, গাড়ি করার নেশা নেই। একমাত্র নেশাই জুয়া খেলা।’

    ‘আমি দ্বিতীয় স্ত্রী, প্রথম তার বিয়ে হয়েছিল, সেখানে ডিভোর্স হয়ে গেছে, ও বাড্ডা থাকত’,- বলেন শারমিন চৌধুরী।

    তার ঢাকায় কয়টি বাড়ি- এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার জানামতে শান্তিনগরের বাসা, এই বাসা, আরেকটা ডোম-ইনোতে স্লোভাবে দেয়া শুরু করেছে, সেটা এখানে (মহাখালী) ৩১ নম্বর রোডে।’

    কাকরাইলে তার যে অফিস সেটা তার নিজের কি না- প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘যে ফ্লোরে তার অফিস সেটা তার নিজস্ব অফিস।’

    এ ভবনটি কী তার দখল করা- এ বিষয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী বলেন, ‘না, পুরাটা দখল করা না। গেটে ঢুকতে যে চেক করা হয়, ওভাবে কেউ চেক করে আর উঠতে চায়নি। অতএব আস্তে আস্তে অফিসটা খালি হয়ে গেছে। যে ফ্লোরে তার অফিসে সেটাই তার অফিস এবং নিজস্ব কেনা।’

    তার সঙ্গে কী এখন আপনার কোনো সম্পর্ক নেই- এমন প্রশ্নের জবাবে শারমিন বলেন, ‘সম্পর্ক আছে, সেপারেশনও না। মাসে মাসে কথা হয়, মাসে দু-তিনবার আমি কাকরাইলে যাই। ও (সম্রাট) এখানে আসে না। ও ওপেন হার্ট সার্জারির রোগী, সিঁড়ি দিয়ে উঠতে নিষেধ।’

    ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের পর বলা হয় তিনি নিঁখোজ, তিনি আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, যোগাযোগ করেনি। ও সবসময় ভাবে আমি বোকা, আমি বলে দেব সত্য কথা। ভয় ছিল।’

  • সম্রাট বের হতেই ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

    সম্রাট বের হতেই ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

    যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাটকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। কাকরাইলে তার কার্যালয়ে ক্যাঙ্গারুর চামড়া পাওয়ায় র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ কারাদণ্ড দেন।

    রোববার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে র‌্যাবের একটি দল কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে তালা ভেঙে সম্রাটের কার্যালয়ে অভিযান শুরু করে। অভিযান চলে সন্ধ্যা সোয়া ৭টা পর্যন্ত।

    এদিকে অভিযান শেষে ইসমাইল হোসেন সম্রাটকে র‌্যাবের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন যুবলীগ সমর্থকরা। কার্যালয় থেকে সম্রাট বের হতেই প্রায় ২ থেকে ৩শ’ যুবলীগ সমর্থক ‘জয় বাংলা’, ‘সম্রাট ভাই তোমার ভয় নেই, আমরা আছি তোমার সাথে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

    সম্রাটকে নিয়ে ৭টা ১০ মিনিটে র‍্যাবের সাদা মাইক্রো বের হতেই তারা স্লোগান শুরু করেন। একপর্যায়ে পুলিশ বাঁশি বাজিয়ে তাদেরকে সরিয়ে দেয়। তবে সম্রাটের গাড়ির সাথে তারা স্লোগান দিতে দিতে কাকরাইল মোড় পর্যন্ত যান।

    অভিযানে সম্রাটের কার্যালয় থেকে দুটি ক্যাঙ্গারুর চামড়া পাওয়ায় ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। চামড়া ছাড়াও সম্রাটের কার্যালয় থেকে একটি পিস্তল ও বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ পেয়েছে র‌্যাব।

    এর আগে যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী ওরফে সম্রাটকে রোববার (৬ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে আটক করা হয়। এ সময় তার সহযোগী আরমানকেও আটক করা হয়।

  • দিল্লি থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

    দিল্লি থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক:

    ভারতে চার দিনের সফর শেষে নয়াদিল্লি থেকে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার ভারতের স্থানীয় সময় রাত ৮টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে দিল্লির পালাম বিমান ঘাঁটি থেকে সফরসঙ্গীদের নিয়ে রওনা হন শেখ হাসিনা। তাকে বিদায় জানান ভারতের কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশুকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী।

    ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ও বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলী দাশ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানটি।

    টানা তৃতীয় মেয়াদে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর এটাই শেখ হাসিনার প্রথম ভারত সফর। ভারতেও নরেন্দ্র মোদী টানা দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার এই সফর শুরুর পরদিন ইন্ডিয়া ইকোনমিক সামিটে যোগ দেন শেখ হাসিনা। শনিবার দুই দেশের শীর্ষ বৈঠকে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেন তিনি, যাতে সাতটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়।

  • নেতাভিত্তিক রাজনীতি পরিহার করে সংগঠনে নেতৃত্বের সৃষ্টি করতে হবে : মেয়র সাদিক

    নেতাভিত্তিক রাজনীতি পরিহার করে সংগঠনে নেতৃত্বের সৃষ্টি করতে হবে : মেয়র সাদিক

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেছেন, নেতাভিত্তিক রাজনীতি পরিহার করে সংগঠনে নেতৃত্বের সৃষ্টি করতে হবে। দলীয় সভানেত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে যে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন তাকে স্বাগত জানিয়ে হাতে হাত মিলিয়ে বরিশালে একটি স্বচ্ছ রাজনীতি উপহার দিতে হবে।

    রবিবার বিকেল ৪টায় নগরীর কালীবাড়ী রোডস্থ সেরনিয়াবাত ভবনে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় দেয়া বক্তব্যে এসকল কথা বলেন।

    টেগর শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে দলের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে মেয়র বলেন, শুদ্ধিকরন অভিযানে সহযোগিতার পাশাপাশি আমাদের অনুধাবন করতে হবে আমরা রাজত্ব করতে না রাজনীতি করতে এসেছি, জনগনের সেবা করতে এসেছি।

    তিনি বলেন, দলের নাম ভাঙিয়ে কোন অপকর্ম করলে তার দায়ভার সংগঠনের উপরই বর্তায়। তার কারো অপকর্মের কোন দায় নেয়া হবেনা। জননেত্রী রাতদিন পরিশ্রম করে দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, গুটিকয়েকের কারনে তাঁর সেই অর্জন বিনষ্ঠ হবে তা হতে দেবোনা। আমাদের সকল নেতাকর্মীদের কাজ হবে নেত্রীর ভালো কাজ গুলোকে বেশী বেশী প্রচার করা।

    মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, আওয়ামী লীগের অতীত ঐতিহ্য রয়েছে। এই দল ক্যান্টেনমেন্ট থেতে তৈরী হয়নি। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে, মুক্তিযুদ্ধসহ সকল গনতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে। তাই এসংগঠনের নেতাকর্মীদের সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সর্তক থেকে মানুষের ভালবাসা পেতে কাজ করতে হবে।

    অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে সকলকে সর্তক থাকতে হবে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, অন্য দল থেকে আসা কাউকে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি, সম্পাদক করা হবেনা। ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হবে। যারা সংগঠনের সাথে বেইমানী করতে পারে, নৌকার সাথে বেইমানী করতে পারে তারা আর যাই হোক আওয়ামী লীগের লোক না। তারা সংগঠনের জন্য মঙ্গলজনক হতে পারেনা। যারা নৌকাকে ভালবাসবেনা তাদের বরিশাল আওয়ামী লীগে দরকার নেই। জননেত্রীর শ্রম, অগনিত কর্শীর শ্রম ম্লান হতে দেবোনা। দূর্নীতি, মাদক, অর্থপাচারকারীদের বিরুদ্ধে আমরা সম্মিলিতভাবে রুখে দাঁড়াবো। রাজনীতিবিদ ও সংবাদকর্মীদের একে অন্যের পরিপূরক আখ্যায়িত করে মেয়র বলেণ, তারা উভয়েই যার যার জায়গা থেকে জনগনের কথা বলে।

    সকল ক্ষেত্রে শুদ্ধি অভিযানের উপর গুরুত্বারোপ করে মেয়র সাদিক বলেন, আমরা চাই স্বচ্ছতার জায়গা তৈরী হোক, ভবিষ্যত প্রজন্মের বাসযোগ্য একটি সুন্দর দেশ উপহার পাক। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও সজিব ওয়াজেদ জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে আমাদের সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। আমরা যদি যে যার জায়গা থেকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করি তাহলে দেশ আরো এগিয়ে যাবে। আমাদের কথার সাথে কাজের মিল থাকতে হবে। আমি ছলচাতুরি বুঝিনা। মিথ্যার চর্চা করিনা। মনেপ্রানে যা বিশ্বাস করি তাই করার চেষ্ঠা করি।

    মেয়র আরো বলেন, সুস্থধারার রাজনীতি করে মানুষের সেবা করতে চাই। আগামীতেও মানুষের সমস্যার কথা শুনতে, তাদের জন্য কাজ করতে আমি সকলের কাছে যাবো। ভোট চাইতে নয়। আমি যদি কাজ করি তাহলে জনগন তার মূল্যায়ন করবে।

    সভায় অন্যান্যের মধ্যে আমিনুল ইসলাম তোতা, অ্যাড. আফজালুল করিম, সাইদুর রহমান রিন্টু, নিজামুল ইসলাম নিজাম, কেবিএস আহমেদ কবির, অ্যাড. একেএম জাহাঙ্গীর, রেজাউল হক হারুন,গাজী নঈমুল হোসেন লিটুসহ আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত বিসিসির ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • বানারীপাড়ায় মন্ত্রী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় মন্ত্রী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে পাবর্ত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী) আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপির আশু রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় বানারীপাড়ায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার রাত ৮টায় উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ দোয়ানুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মো.শাহে আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম ফারুক,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা,পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল,ইউপি চেয়ারম্যান খিজির সরদার,সাইফুল ইসলাম শান্ত ও আ.মন্নান মৃধা,পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সুব্রত লাল কুন্ডু,আওয়ামী লীগ নেতা এটিএম মোস্তফা সরদার,ডা.খোরশেদ আলম সেলিম,ওয়াহেদুজ্জামান দুলাল,শামসুল আলম মল্লিক,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হুদা,বানারীপাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি রাহাদ সুমন প্রমুখ।

    এছাড়াও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সম্পাদক সুলতান সিকদার,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি একেএম মজিবুর রহমান বাবুল,সম্পাদক জাহিদ হোসেন ও পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সম্পাদক ফয়েজ আহম্মেদ শাওন সহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রসঙ্গত পাবর্ত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী) আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি অসুস্থ্যতাজনিত কারনে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছেন।

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সোনিয়া গান্ধীর কুশল বিনিময়

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সোনিয়া গান্ধীর কুশল বিনিময়

    অনলাইন ডেস্ক:

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টির সভাপতি সোনিয়া গান্ধী কুশল বিনিময় করেছেন। রোববার সোনিয়া গান্ধী বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হোটেল তাজে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তাদের মধ্যে এ কুশল বিনিময় হয়।

    বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, এ সময় দুই নেত্রী তাদের পুরোনো দিনের কথা স্মরণ করেন। বৈঠককালে শেখ হাসিনা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের অবদানের কথা স্মরণ করেন।

    সোনিয়া গান্ধীর মেয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। রাজনীতিতে যোগদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রিয়াঙ্কাকে অভিনন্দন জানান। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরের জন্য সোনিয়া গান্ধীকে আমন্ত্রণ জানান।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ইন্ডিয়ান ইকোনোমিক সামিটে যোগ দিতে ৩ অক্টোবর ভারতে ড়ম করেন। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। আজ শেখ হাসিনা ঢাকার উদ্দেশে নয়াদিল্লি ত্যাগ করবেন।

  • লন্ডনে প্রভাবশালী রাজনীতিবিদদের তালিকায় টিউলিপ

    লন্ডনে প্রভাবশালী রাজনীতিবিদদের তালিকায় টিউলিপ

    অনলাইন ডেস্ক:

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি ও যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির আইনপ্রণেতা টিউলিপ সিদ্দিক লন্ডনে এ বছরের প্রভাবশালী রাজনীতিবিদদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। শনিবার প্রাপ্ত এক বার্তায় একথা বলা হয়েছে।

    লন্ডনভিত্তিক পত্রিকা ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ড ২০১৯ সালের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় ওয়েস্টমিনস্টার ক্যাটাগরিতে টিউলিপ সিদ্দিক স্থান পেয়েছেন। প্রতি বছর লন্ডনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রভাব বিস্তারকারী ব্যক্তিদের নিয়ে ‘প্রোগ্রেস ১০০০’ নামে তালিকা প্রকাশ করে ‘ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ড’।

    শেখ রেহানার মেয়ে ও বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপের সঙ্গে এই ক্যাটাগরিতে আরও রয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, ডাচি অব ল্যানকাস্টারের চ্যান্সেলর মাইকেল গভ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক ও শিক্ষামন্ত্রী গেভিন উইলিয়ামসনের মতো লন্ডনের রাজনীতিবিদরা।

    প্রতি বছর এই তালিকা প্রকাশ করে ‘ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ড’। রাজনীতি ছাড়াও ব্যবসা, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান, নকশা, সাহিত্য, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন খাতের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা এই তালিকায় উঠে আসেন।

    টিউলিপকে নিয়ে ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ডে লেখা হয়েছে, ‘যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র ব্রেক্সিট চুক্তির বিপক্ষে ভোট দেয়ার জন্য সন্তান জন্মদানের অস্ত্রোপচার পিছিয়ে দিয়ে বিশ্বব্যাপী সংবাদ শিরোনাম হয়েছিলেন হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্নের এমপি টিউলিপ সিদ্দিক।’

    তখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে সাধারণত কোন এমপির সন্তান জন্ম দেয়ার সময় আসলে বা সদ্যোজাত সন্তানের কারণে বা অসুস্থতার কারণে কেউ ভোটে অংশ নিতে না পারলে বিরোধী পক্ষেরও একজন সদস্য ভোটদান থেকে বিরত থাকতেন, যাকে ‘পেয়ার’ বলা হতো। কারও অনুপস্থিতি যেন ভোটের ফলে প্রভাব ফেলতে না পারে, তাই ওই প্রথা। কিন্তু ২০১৮ সালের জুলাইয়ে কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান ব্রান্ডন লুইস ওই প্রথা লঙ্ঘন করে ভোট দিয়েছিলেন। যদিও লুইস পরে এ জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘দুর্ঘটনাবশত’ ভোট দিয়ে ফেলেছিলেন তিনি।

    অতীতের এই ঘটনার কারণে ওই ব্যবস্থায় তার আর আস্থা নেই জানিয়ে সশরীরে পার্লামেন্টে গিয়ে ভোট দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন টিউলিপ। তার এই সাহসী সিদ্ধান্তের কারণে সন্তানপ্রত্যাশী ও নবজাতকদের মা-বাবার জন্য ঐতিহাসিক ‘প্রক্সি ভোটিং’ পদ্ধতি চালু করতে বাধ্য হয় ব্রিটিশ সরকার। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে ‘ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ড’।

    টিউলিপ ২০১৫ সালের মে মাসে লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন থেকে প্রথমবারের মতো ব্রিটেনের হাউস অব কমনস্-এ নির্বাচিত হন। পার্লামেন্টে প্রথম ভাষণে তিনি বিশ্বের নজর কাড়তে সক্ষম হন।

    টিউলিপ নিজেকে ‘একজন আশ্রয়প্রার্থীর কন্যা’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি তার মা শেখ রেহানার দুর্দশার বিবরণ দেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরিবারের বেশির ভাগ সদস্যসহ বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়ার পর লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয় খোঁজেন তার ছোট মেয়ে শেখ রেহানা।

  • যে কারণে সম্রাটকে ধরতে দীর্ঘ সময় লাগে র‌্যাবের

    যে কারণে সম্রাটকে ধরতে দীর্ঘ সময় লাগে র‌্যাবের

    অনলাইন ডেস্ক ::

    ঢাকায় ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর দু-একদিন পরই ঢাকা ছাড়েন ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। এরপর ছিলেন আত্মগোপনে। নিয়েছিলেন এমন সব পদ্ধতি, যাতে থাকে খুঁজে না পাওয়া যায়। এমনটি জানিয়েছেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ।

    রোববার (৬ অক্টোবর) র‌্যাব সদর দফতরে সংবাদ সম্মলনে তিনি এসব তথ্য জানান। কিন্তু কী পদ্ধতি অবলম্বন করে সম্রাট আত্মগোপনে ছিলেন তা বলেননি বেনজীর আহমেদ।

    তবে এসব পদ্ধতি অবলম্বন করার কারণেই সম্রাটকে ধরতে দীর্ঘ সময় লেগেছে র‌্যাবের। বেনজীর আহমেদ বলছিলেন, আত্মগোপনে থাকাকালে উনি এমন সব পদ্ধতি অবলম্বন করেছিলেন যেন তাকে সহজে খুঁজে পাওয়া না যায়। এ জন্য উনাকে খুঁজতে আমাদের দীর্ঘ সময় লেগেছে।

    যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতির পদ থেকে রোববার তাকে বহিষ্কার করা হয়। এর আগে আজ ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে।

    র‌্যাব ডিজি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা একটি ভাইব্র্যান্ট ডেমোক্রেসি এবং অর্থনীতিভাবে সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হতে যাচ্ছি। এ রকম পরিবেশে দেশে কারও হাওয়া হওয়ার কোনো কারণ নেই। পাশাপশি বলতে চাই, এ দেশের সবাই সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করবেন, এটা যেমন সত্যি, তেমনি দয়া করে কেউ কোনো ধরনের কোনো অবৈধ বা বৈআইনি কাজে লিপ্ত হবেন না। কারণ, কোনো না কোনো সময় ডেফিনেটলি এটার জন্য আপনাকে পে করতে হবে। এবং সেটা আইনের মাধ্যমে হবে।’

    তিনি বলেন, ক্যাসিনো নিয়ে কাজ করতেই একাধিকবার তার নাম পেয়েছি। তাছাড়া ক্যাসিনোতে জড়িতের বিষয়ে গণমাধ্যমেও তার নাম এসেছে। ডেভিনেন্টলি এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

    ‘আমরা যখন ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করি তার এক-দুদিনের মধ্যেই উনি ঢাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে যান। উনাকে খুঁজতে আমাদের দীর্ঘ সময় লেগেছে।’

    চট্টগ্রামের বাবর নামের আরও একজন যুবলীগ নেতার নাম সম্রাটের মতোই আসছে উনাকে আপনারা গ্রেফতার করবেন কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা অনেক দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, এর সফলও অনেকদিন মানুষ পাবে। তাই এক-দুজনকে গ্রেফতারের মাধ্যমে এটা সম্পূর্ণ হবে না। এ কার্যক্রমে আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান নিয়ে রাষ্ট্র গড়ে উঠে। আমরা সবাই মিলে কাজ করছি। আশা করছি, আমরা ভালো কিছু করব।’

    সম্রাটের সঙ্গে আরমান নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, উনার পরিচয় জানতে চাইলে বেনজীর আহমেদ বলেন, ক্যাসিনোর সঙ্গে উনি যুক্ত।

    ক্যাসিনোর টাকা অনেক জায়গায় ভাগ হয়েছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এখন আমরা আপাতত ক্যাসিনো বন্ধ করেছি। ক্যাসিনোর সঙ্গে যারা সরাসরি যক্তি ছিল, তাদের ধরার চেষ্টা করছি। আমরা আস্তে আস্তে এগোব।’

    ‘আমরা জানতে পেরেছি যে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগগুলো কী? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ক্যাসিনোটাও তো একটা অভিযোগ। মোদ্দা কথা হলো- প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে, কেঁচো খুঁজতে গিয়ে সাপ বের হচ্ছে। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল ক্যাসিনো বন্ধ করে দেয়া, সেটা করেছি। এখন লক্ষ্য হচ্ছে কারা ক্যাসিনো অপারেট করেছিল, তাদের আমরা আইনের আওতায় আনতে চেষ্টা করছি। যাতে করে ভবিষ্যতে এ বেআইনি কাজ কেউ করতে সাহস না পায়।’