Category: রাজণীতি

  • আইভীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু

    আইভীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু

    নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীসহ সাবেক দুই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    দুদকের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছে, আজ বৃহস্পতিবার থেকে এ তদন্ত শুরু হয়েছে।

    তদন্তাধীন সাবেক দুই সংসদ সদস্য হলেন- আয়েশা ফেরদৌস (নোয়াখালী-৬) ও রণজিৎ কুমার রায় (যশোর-৪)।

  • শেখ হাসিনা দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছেন: ড. ইউনূস

    শেখ হাসিনা দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছেন: ড. ইউনূস

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনে দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন করে উদ্ভাবন করতে হবে। বর্তমান সরকার শিক্ষা, অর্থ, শ্রম খাত, নির্বাচন কমিশন, বিচার বিভাগ, বেসামরিক প্রশাসন এবং ব্যবসার পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এসব সংস্কারে নেদারল্যান্ডস সরকারের সহযোগিতা চাই।

    মঙ্গলবার বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইরমা ভ্যান ডুরেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এ সহযোগিতা চান তিনি।

    ডাচ রাষ্ট্রদূত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি তার দেশের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে বলেন, নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশের সঙ্গে কৃষি, সামুদ্রিক, শিল্প, যুব, অর্থনীতি, শ্রম, পরিবেশ এবং বন্যা ব্যবস্থাপনাসহ সবক্ষেত্রে সম্পর্ক জোরদার করবে।

    অধ্যাপক ইউনূস ডাচ রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, নেদারল্যান্ডসের নেতৃত্ব ও ব্যবসায়ীসহ সবার সঙ্গে আমার দীর্ঘ ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে।

    এ সময় রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ক্যাম্পে বেড়ে ওঠা রোহিঙ্গাদের অবশ্যই শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। শিক্ষার অভাবে তাদের ভবিষ্যৎ যেন অন্ধকার না হয়।

    ডাচ রাষ্ট্রদূত ইরমা ভ্যান ডুরেন জানান, তারা কৃষি, পানিসহ সম্ভাব্য ব্যবসার ক্লাস্টারে আরও ডাচ বিনিয়োগ আনবেন।

    বৈঠকে এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক কাজী রাসেল পারভেজ এবং ডেপুটি ডাচ রাষ্ট্রদূত থিজ ওয়াউডস্ট্রা উপস্থিত ছিলেন।

  • ডিএনসিসি মেয়র আতিকের অভিপ্রায়ের সব নিয়োগ বাতিল

    ডিএনসিসি মেয়র আতিকের অভিপ্রায়ের সব নিয়োগ বাতিল

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামের অভিপ্রায় অনুযায়ী নিয়োগ পাওয়া সকলের নিয়োগ বাতিল করেছে সংস্থাটি।

    সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাদের নিয়োগ বাতিল করা হয়।

    আদেশে বলা হয়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়রের অভিপ্রায় অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন আইন, ২০০৯ মোতাবেক নিয়োগকৃত সকল উপদেষ্টা, পরামর্শক এবং কুক ও পিয়নদের নিয়োগ ১৯ আগস্ট থেকে বাতিল করা হলো। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।

    গত ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার পর ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র, প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলররা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ফলে দুই সিটির সেবা কার্যক্রমে ভাটা পড়েছে। বর্তমানে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দুইজন প্রশাসক দায়িত্ব পালন করছেন।

  • দলীয় নেতাকর্মীদের বিশেষ বার্তা বিএনপির

    দলীয় নেতাকর্মীদের বিশেষ বার্তা বিএনপির

    দেশের চলমান পরিস্থিতিতে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিয়েছে বিএনপি। দলীয় নেতা-কর্মীদের সাংগঠনিক কাজে সফরকালে যানবাহনের শোভাযাত্রা পরিহার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    গতকাল (রোববার) দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটি, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও তৃণমূল পর্যায়ে এ-সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়। খবর বিবিসি বাংলার।

    দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত চিঠিতে, দলটির সকল সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের উদ্দেশ্যে সাংগঠনিক কাজের উদ্দেশ্য সফরের সময় কোনো ধরনের মোটর সাইকেল বহর ও গাড়ি বা অন্য কোনো যানবাহনের শোভাযাত্রা পরিহার করতে বলা হয়েছে।

    সাধারণ মানুষের যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটে উল্লেখ করে এতে বলা হয়েছে, যে এলাকায় সাংগঠনিক সভা, কর্মী সভা অথবা জনসভা অনুষ্ঠিত হয় সেই এলাকায় ঊর্ধ্বতন নেতাদের আগমন ঘটলে শোভাযাত্রার কারণে প্রচণ্ড যানযটের সৃষ্টি হয় এবং মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়, যা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।

    একইসাথে দলীয় নেতা-কর্মীদের ব্যানার, ফেস্টুন বা নিজেদের নামে পোস্টার প্রদর্শন না করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    এ বার্তায় বলা হয়েছে, এটি অত্যন্ত দৃষ্টিকটু, অনভিপ্রেত এবং দলের শৃঙ্খলা পরিপন্থি।

  • শেখ হাসিনা চাইলে বিদেশি আইনজীবী রাখতে পারবেন: তাজুল ইসলাম

    শেখ হাসিনা চাইলে বিদেশি আইনজীবী রাখতে পারবেন: তাজুল ইসলাম

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, নিরপরাধ কারও সাজা হবেনা; দোষী কেউ ছাড়ও পাবেনা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার চলাকালীন শেখ হাসিনাসহ গণহত্যা মামলার আসামিরা চাইলে বিদেশি আইনজীবী রাখতে পারবেন। এক্ষেত্রে প্রসিকিউশন টিমের কোনো আপত্তি থাকবে না। ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রসিকিউশন টিমের যা যা করা দরকার সেটা করবে।

    সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    তাজুল ইসলাম বলেন, প্রসিকিউশন টিম কয়েকটি হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে, তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। হাসপাতাল পরিচালকদের কাছেও তথ্য চাওয়া হয়েছে। আজকেও কয়েকটি হাসপাতাল পরিদর্শন করা হবে।

    তদন্তের স্বার্থে গণমাধ্যমের কাছে থাকা ভিডিও-ছবির জন্য চিঠি পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

    তিনি বলেন, স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্ত করার জন্যই এই উদ্যোগ। যাতে করে বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো প্রশ্ন না থাকে। ক্ষতিগ্রস্তরা এই গণহত্যার বিচারের জন্য মুখিয়ে আছেন। সাক্ষীরাও আগ্রহী। আলামত তাজা থাকতেই বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

    তদন্তের স্বার্থে গণমাধ্যমের কাছে থাকা ভিডিও-ছবির জন্য চিঠি পাঠানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্ত করার জন্যই এই উদ্যোগ। যাতে করে বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো প্রশ্ন না থাকে। ক্ষতিগ্রস্তরা এই গণহত্যার বিচারের জন্য মুখিয়ে আছেন। সাক্ষীরাও আগ্রহী। আলামত তাজা থাকতেই বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

    এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিচারে অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। কোনো রাজনৈতিক অভিলাষ নেই। ছাত্র-জনতার সঙ্গে ঘটে যাওয়া নির্মমতার বিচার হওয়াই লক্ষ্য।

  • বরিশালে মসজিদের মাইকে বিএনপি প্রতিহতের ঘোষণা, ছাত্রলীগ নেতা আটক

    বরিশালে মসজিদের মাইকে বিএনপি প্রতিহতের ঘোষণা, ছাত্রলীগ নেতা আটক

    সরকার পতনের চৌত্রিশ দিন পর আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের দখল থেকে মুক্ত হয়েছে বরিশালের বঙ্গবন্ধু কলোনি। রোববার দুপুরে বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রবেশ ঠেকাতে কলোনির মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেয় কলোনি দখল করে রাখা আওয়ামী লীগ ক্যাডার ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিন ও তার বাহিনী।

    এরপর বিএনপি নেতাকর্মীরা কলোনিতে প্রবেশ করলেই হামলা চালানো হবে- এমন প্রস্তুতি নেয় তারা। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গিয়ে আল-আমিনকে গ্রেফতার করার সময় তাদের হামলায় দুই পুলিশ ও এক সেনাসদস্য আহত হন।

    আল-আমিনকে গ্রেফতারের খবরে কলোনির অন্তত দেড় সহস্রাধিক পরিবারসহ স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। এ বাহিনীর ভয়ে স্থানীয়রা আতঙ্কে ছিলেন।

    এর আগে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়ার সময় আল-আমিনকে বলতে শোনা যায়- ‘এই কলোনিতে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী প্রবেশ করতে পারবে না। আপনাদের যার কাছে যা কিছু আছে সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করতে রাস্তায় আসুন।’

    এর আগে ৪ আগস্ট নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মজিবুর রহমানের সহযোগী ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিন ও তার বাহিনী বিএনপির ৫ নেতাকর্মীকে কুপিয়ে জখম করে। তাদের হামলায় সেদিন গুরুতর আহত হন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌস, আসলাম, তানজিল, সুমন ও রিমন। সেই ঘটনায় একজনের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বাকি চারজনও গুরুতর আহত অবস্থায় বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

    নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক হুমায়ুন বলেন, গত ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগের দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে কলোনিতে তাণ্ডব চালিয়েছে আল-আমিন বাহিনী। সমগ্র বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও বরিশাল নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ড ছিল ওই বাহিনীর দখলে। শুধু তাই নয়, কাউন্সিলর মজিবুর রহমানের ছত্রছায়ায় এই সন্ত্রাসী বাহিনী চালিয়ে যাচ্ছিল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। সাধারণ জনগণ তো দূরের কথা থানা পুলিশও আল-আমিন বাহিনীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে ভয় পেত।

    এ কথার সত্যতা মিলেছে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ৪ আগস্ট ঘটনার পরপরই আমরা সিনিয়র অফিসার ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে আল-আমিন বাহিনীর বিষয়ে কথা বলেছি। রোববারের ঘটনায় আল-আমিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    গ্রেফতারকৃত আল-আমিনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে দায়ের হওয়া ১৩টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • আবারও ৪ দিনের রিমান্ডে ইনু

    আবারও ৪ দিনের রিমান্ডে ইনু

    রাজধানীর লালবাগ থানা এলাকায় একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী খালিদ হাসান সাইফুল্লাহকে গুলি করে হত্যার মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহবুব রিমান্ডে নেওয়ার এ নির্দেশ দেন। এদিন বিকালে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে আদালতে হাজির করা হয় হাসানুল হক ইনুকে।

    ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার ট্রাকচালক সুজন হত্যা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে শেষে আদালতে হাজির করা হয়েছিল তাকে। ওই মামলায় তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানানো হয়। আদালত ওই মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    তবে নতুন করে তাকে লালবাগ থানার খালিদ হাসান হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়। আদালত গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লালবাগ থানার এসআই আক্কাস মিয়া সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।

    অন্যদিকে ইনুর পক্ষে অ্যাডভোকেট মহিবুর রহমান মিহির রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত চার দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এই নিয়ে তিনটি হত্যা মামলায় পর্যায়ক্রমে তৃতীয় দফা রিমান্ডে নেওয়া হলো হাসানুল হক ইনুকে।

    ঢাকার আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

    উল্লেখ্য, গত ১৮ জুলাই সন্ধ্যা ৬টায় লালবাগ থানার আজিমপুর সরকারি আবাসিক এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলিবিদ্ধ হন আইডিয়াল কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    হাসানুল হক ইনুকে গত ২৬ আগস্ট রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

  • ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেওয়ার কথা জানালেন ভিপি নুর

    ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেওয়ার কথা জানালেন ভিপি নুর

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদ ৩০০ আসনেই প্রার্থী দিতে পারে জানিয়ে দলের সভাপতি ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, আগামীতে নতুন বাংলাদেশ রচিত হবে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে নতুন রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হবে। সেই অঙ্গীকার নিয়েই গণঅধিকার পরিষদের রাজনৈতিক পথচলা। পুরোনো রাজনৈতিক দলের শাসন ব্যবস্থা ও কর্মপদ্ধতি দেশের মানুষ দেখেছে। যেই লাউ, সেই কদু। শত শত মানুষ ছাত্র আন্দোলনে জীবন দিয়েছেন, আর যেন কাউকে জীবন দিতে না হয়, এজন্য টেকসই গণতন্ত্র চায় গণঅধিকার পরিষদ।

    শনিবার সন্ধ্যায় মাদারীপুরের শিবচরের পাঁচ্চরে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা সরকার বাংলাদেশকে ভারতের পুতুল রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করেছিল।
    গত দেড় দশকে আওয়ামী লীগ সরকারের অত্যাচার আর নির্যাতনে দেশবাসী দুর্বিষহ ও যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে দিন পার করেছে।

    নুরুল হক নুর বলেন, দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের আমলনামা খুব একটা ভালো না। যে লঙ্কায় যায়, সেই রাবণ হয়। সেই চিত্র দেশের মানুষ দেখেছে। পুরোনো চাঁদাবাজ, দখলবাজ, হোন্ডাবাহিনী-গুন্ডাবাহিনী তারাই যদি আবার নির্বাচিত হয়ে আসে, তাহলে আমাদের কারো জন্যই সুখবর হবে না। এবার পরিবর্তনের সুযোগ এসেছে, জনগণের হাতে ক্ষমতা রয়েছে। আপনাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কাকে ভোট দিলে দেশের উন্নয়ন হবে। বিগত দিনে যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে পুলিশ-প্রশাসনকে তাদের মতো করে পরিচালিত ও দলীয়করণ করে। জনগণ কারো কাছে যেন জিম্মি না থাকতে পারে, এজন্য রাষ্ট্রের সংস্কারের প্রয়োজন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য সময় দেয়া হবে। এক ফ্যাসিবাদ গেছে, আরেক ফ্যাসিবাদ তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। বিভিন্ন জায়গায় আগে যেখানে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ চাঁদা নিত এবং দখল করত, এখন সেখানে অন্য রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা একই কাজ শুরু করেছে। কোনো রাজনৈতিক দল শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটাতে পারে নাই। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে। তাই আগামীর রাষ্ট্রনীতিতে তরুণদের যাতে অগ্রাধিকার থাকে, তরুণদের নেতৃত্ব থাকে- সেজন্য গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের কাজ করতে হবে। পরিবর্তনের রাজনীতির জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

    ডাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, পিলখানা বিডিআর বিদ্রোহের নামে মেধাবী সেনাদের হত্যা করেছিল। ইসলাম নির্মূল করার জন্য শাপলা চত্বরে সমাবেশে গণহত্যা চালিয়েছিল। এমন হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার দুঃসাহস বেড়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে যেকোনো আন্দোলনে অংশ নেয়া নেতাকর্মীদের গুম ও খুন করে একদলীয় শাসন কায়েম করেছিল। সর্বশেষ ছাত্র-জনতার প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে ৫ আগস্ট এই সরকারের পতন হয়েছে।

    বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদের মাদারীপুর জেলা শাখার সভাপতি গাউচ মৃধার সভাপতিত্বে জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফিরোজ আহম্মেদ মুন্সী, প্রচার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সদস্য কাজী ইউসুফ, বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদের মাদারীপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার মনির, প্রবাসী অধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাইফুর মৃধা, ছাত্র অধিকার পরিষদের মাদারীপুর জেলা শাখার সভাপতি আবিদ ইসলাম প্রমুখ।

  • দিল্লির নিজাম উদ্দিন আউলিয়ার মাজারে শামীম ওসমান!

    দিল্লির নিজাম উদ্দিন আউলিয়ার মাজারে শামীম ওসমান!

    নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক এমপি শামীম ওসমানের সন্ধান মিলেছে। তাকে ভারতের দিল্লির নিজাম উদ্দিন আউলিয়ার মাজারে দেখা গেছে।

    শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ৫ মিনিটে শামীম ওসমানের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন ভারতের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আকাশ হক।

    ছবিতে দেখা গেছে, শামীম ওসমান গাঢ় গোলাপি রঙের হাফ হাতা একটি শার্ট ও ছাই রঙের একটি প্যান্ট পড়ে মাজারের মূল বেদির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন।

    পোস্টে আকাশ লিখেছেন, ‘শামীম ওসমান ও তার পরিবারের সদস্যরা আমার সামনে নিজাম উদ্দিন আউলিয়ার দরবারে দাঁড়িয়ে আছেন। ভালো মন্দ কিছু জিজ্ঞেস করবো কিনা ভাবতেছি। আবার কবে দেখা হয়- না হয় কে জানে?’

    এ বিষয়ে জানতে আকাশ হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, রাতে তিনি দিল্লির নিজাম উদ্দিন আউলিয়ার মাজার জিয়ারত করতে যান। এ সময় তিনি শামীম ওসমানকে দেখতে পান। শামীম ওসমানের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন। প্রমাণস্বরুপ তিনি ছবিও তুলে রেখেছেন বলে জানান।

    ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ছেলে ও রাজনৈতিক অনুসারীদের নিয়ে গুলি চালিয়ে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েন নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান।

    ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশছাড়ার খবরের পরপরই বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে শহরের জামতলা এলাকায় কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী শামীম ওসমানের ডুপ্লেক্স বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালান।

    এসময় তার বাড়ি থেকে আসবাবসহ সবকিছু লুটপাট করা হয়। বাড়ির নিচতলায় আগুন দেওয়া হয়। বিকাল ৫টার দিকে রূপায়ন টাউনের পঞ্চম তলায় শামীম ওসমানের ছেলে অয়ন ওসমানের জেড এন করপোরেশনের অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।

  • অসহায়-নিঃস্ব বলে বক্তব্য দিলেও নিজ পরিবারে ৬ প্লট নেন শেখ হাসিনা

    অসহায়-নিঃস্ব বলে বক্তব্য দিলেও নিজ পরিবারে ৬ প্লট নেন শেখ হাসিনা

    রাজউকের (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) আলোচিত পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে স্বয়ং নিজের নামে প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    শুধু তিনি একা নন, প্লট নিয়েছেন তার ছেলে সজীব আহমেদ ওয়াজেদ (জয়) ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। এছাড়া প্লট বরাদ্দ প্রাপ্তদের তালিকায় আছেন হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানা ও তার দুই ছেলেমেয়ে।

    সূত্র জানায়, রাজনৈতিক বিবেচনায় সরকারের ১৩/এ ধারার ক্ষমতাবলে তাদের প্লট দেওয়া হয়। ২০২২ সালে তারা প্লট বুঝে পান। পরে বিষয়টি রাষ্ট্রীয় অতি গোপনীয় বিষয় হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। ফলে হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া খোদ রাজউকেরই অনেকে এ বিষয়ে তেমন কিছুই জানেন না। হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রত্যেকে সর্বোচ্চ ১০ কাঠা আয়তনের প্লট নিয়েছেন।

    এদিকে হাসিনার পতনের পর এ সংক্রান্ত প্লট বরাদ্দের ফাইল রাজউকের রেকর্ড শাখা থেকে সরিয়ে অন্যত্র লুকিয়ে ফেলা হয়। পরে চেয়ারম্যানের ড্রয়ারে ফাইল রয়েছে এমন খবরে রাজউকে ক্ষোভ-অসন্তোষ দেখা দেয়। সম্প্রতি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবির মুখে এ সংক্রান্ত ৬টি ফাইল পুনরায় রেকর্ডরুমে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে চুরি বা নথি হারানোর শঙ্কায় সবকটি ফাইল বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

    রাজউকের উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) নায়েব আলী শরীফ স্বাক্ষরিত চূড়ান্ত বরাদ্দপত্রে লেখা হয় ‘কাঠা প্রতি ৩ লাখ টাকা হিসাবে ১০ কাঠার প্লটের মোট মূল্য ৩০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হলো।’ হাসিনা ছাড়াও ১০ কাঠা করে প্লট নেন তার ছেলে সজীব আহমেদ ওয়াজেদ (জয়) ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ (পুতুল)। তাদের প্লট নম্বর যথাক্রমে ০১৫ এবং ০১৭।

    এর মধ্যে জয়ের নামে প্লটের বরাদ্দপত্র জারি করা হয় ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবর। পরে ১০ নভেম্বর প্লটের মালিকানাসংক্রান্ত রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়। এর আগে ২ নভেম্বর পুতুলের নামেও ১০ কাঠা প্লটের বরাদ্দপত্র ইস্যু করা হয়। এতে এস্টেট ও ভূমি-৩ শাখার তৎকালীন উপপরিচালক হাবিবুর রহমানের স্বাক্ষর রয়েছে।

    তবে শুধু হাসিনা ও তার ছেলেমেয়ে নন; পূর্বাচল প্লকল্পে ১০ কাঠা করে প্লট নেন তার ছোট বোন শেখ রেহানা ও তার ছেলেমেয়ে। তাদের নামেও যথারীতি প্লট বরাদ্দ করা হয় ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নম্বর রোডের একই জায়গায়। সেখানে শেখ রেহানার প্লট নম্বর ০১৩, তার ছেলে রাদোয়ান মুজিব সিদ্দিকের প্লট নম্বর ০১১ ও মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকের প্লট নম্বর ০১৯।

    প্লটে সরেজমিন: বুধবার সরেজমিন পূর্বাচল এলাকায় গিয়ে দেখা যায় প্রস্তাবিত কূটনৈতিক জোনের মাঝ বরাবর মনোরম লোকেশনে বিশাল জায়গা উঁচু সীমানা প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। ভেতরে নারিকেল, সুপারি, আম ও জামসহ বিভিন্ন গাছ রোপণ করা হয়েছে। একদিকে বিভিন্ন ধরনের শাক ও সবজি চাষ করা হচ্ছে। প্লটের তিন দিকেই রাস্তা। পেছন দিকে প্রবহমান গঙ্গুর নদী।

    বুধবার দুপুরে সেখানে বেশ কয়েকজন যুবককে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। তাদের একজন বলেন, এখানে হাসিনা ও তার বোন রেহানাসহ পরিবারের সদস্যদের প্লট রয়েছে। ১০ কাঠা করে ৬ জনের ৬০ কাঠা জায়গা একত্রিত করে সীমানা প্রাচীর দেওয়া হয়। প্রাচীর নির্মাণ হয় রাজউকের প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে।

    পরে দুপাশে দুটি লোহার গেট লাগিয়ে দেওয়া হয়। এখানে আগে একাধিক নিরাপত্তারক্ষী সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করতেন। তবে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর বিক্ষুব্ধরা ৫ আগস্ট রাতে এখানে হামলা চালায়। এ সময় তারা লোহার গেট পর্যন্ত খুলে নিয়ে যায়।

    সূত্র জানায়, হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দের সময় রাজউক চেয়ারম্যান ছিলেন আনিসুর রহমান। সরকারের আস্থাভাজন কর্মকর্তা হিসাবে তিনি চাকরি শেষে একদফা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে চেয়ারম্যান পদে বহাল ছিলেন।

    এছাড়া রাজউকের তৎকালীন স্টেট ও ভূমি শাখার পরিচালক (পরে সদস্য) নুরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে প্লট বরাদ্দসংক্রান্ত যাবতীয় কাজ সম্পন্ন হয় সর্বোচ্চ গোপনীয়তায়। এ কারণে বাইরের কেউ এ বিষয়ে তেমন কিছুই জানতে পারেননি।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খোদ সরকারপ্রধানের নামে প্লট বরাদ্দের ঘটনা জানাজানি হলে রাজনৈতিক ইস্যু তৈরির শঙ্কা ছিল। এ কারণে বিষয়টি রাষ্ট্রীয় অতি গোপনীয় বিষয় হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। রাজউকের সংশ্লিষ্ট কতিপয় কর্মকর্তা ছাড়া এ বিষয়ে অন্য কেউ তেমন কিছুই টের পাননি। এমনকি সরকার পতনের পরও এ সংক্রান্ত নথি তড়িঘড়ি লুকিয়ে ফেলা হয়। এ নিয়ে রাজউকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

    এক কর্মকর্তা বলেন, হাসিনা-রেহানার ফাইল চেয়ারম্যানের দপ্তরে লুকিয়ে রাখা হয়েছে এমন খবর পেয়ে অনেকে বিক্ষোভ করেন। দ্রুততম সময়ে সব নথি যথাস্থানে ফেরত দেওয়ার দাবি তোলেন তারা।

    একপর্যায়ে গত সপ্তাহে চেয়ারম্যানের দপ্তর থেকে নথিসহ সংশ্লিষ্ট ৬টি ফাইল পুনরায় রেকর্ডরুমে পাঠানো হয়। এরপর থেকে ফাইলগুলো বিশেষ নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের সরকারি প্লট নেওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এটি পরিষ্কারভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার।

    যারা এমন বৈষম্যমূলকভাবে প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন মূল দায়টা তাদের। তবে রাজউকের সংশ্লিষ্ট যারা এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তারাও দায় এড়াতে পারেন না। কারণ অবৈধ নির্দেশ এলেই তারা কেন তা প্রতিপালন করবেন।

    ফলে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বিশেষকে সুবিধা দেওয়ার জন্য রাজউকসহ অন্য যেসব জায়গায় বৈষম্যমূলক ধারা তৈরি করা হয়েছে নতুন বাংলাদেশে সেগুলো বাতিল করতে হবে। অন্যথায় সমাজের সর্বত্র ন্যয় প্রতিষ্ঠায় তরুণ সমাজের যে চেতনা তা কোনোভাবেই বাস্তবায়িত হবে না।