Category: রাজণীতি

  • সাবেক এমপি বাহার ও মেয়ে সূচি যেভাবে ভারতে পালালেন

    সাবেক এমপি বাহার ও মেয়ে সূচি যেভাবে ভারতে পালালেন

    কুমিল্লার সাবেক এমপি বাহাউদ্দিন বাহার এবং তার মেয়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র তাহসিন বাহার সুচনা ভারতে পালিয়েছেন। বর্তমানে বাবা মেয়ে কলকাতায় এক রাজনৈতিক নেতার আশ্রয়ে রয়েছেন। তবে কখন কীভাবে কোন পথে তারা পালালেন তা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা।

    এলাকাবাসীর প্রশ্ন- তাহলে বাহার সূচনা কি কুমিল্লাতেই আত্মগোপনে ছিলেন? তারা কীভাবে সীমান্ত পার হলেন? তার মেয়ে সূচনা কীভাবে ভারতে গেলেন? 

    সূত্র বলছে, অন্তত ১০ দিন আগে কুমিল্লার সাবেক সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার চোরাই পথে ভারতে পাড়ি জমান। শনিবার বিকালে কলকাতায় বাবার কাছে পৌঁছান কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের অপসারিত মেয়র তাহসীন বাহার সূচনা। 

    এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার চরানল সীমান্ত দিয়ে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে পৌঁছান সূচনা। পরদিন শুক্রবার তিনি ফেসবুকে সচল হন। নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। 

    সূত্রটি জানায়, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার শশিদল ইউনিয়নের একজন হুন্ডি ব্যবসায়ীর মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে সীমান্ত পার হন তাহসিন বাহার সূচনা। তার সীমান্ত পার হওয়ার একটি ভিডিওকলের ছবি ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওকলে সন্দেহভাজন পাচারকারীর নামও রয়েছে। ভারতের বক্সগঞ্জে একদিন থাকার পর শনিবার বিকালে কলকাতায় পৌঁছান সূচনা। সেখানে এক রাজনৈতিক নেতার তত্ত্বাবধানে অবস্থান করছেন কুমিল্লার সাবেক এমপি বাহার। প্রতিদিন ১০ হাজার রুপি চুক্তিতে গত ৮-১০ দিন ধরে আছেন তিনি। নির্ভরযোগ্য সূত্র এমনটাই জানিয়েছে। 

    জানা গেছে, ব্রাহ্মণপাড়ার শশিদলের যে হুন্ডি ব্যবসায়ীর মাধ্যমে সূচি সীমান্ত পার হয়েছেন তিনি এক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতার ঘনিষ্ঠ। সীমান্ত পার হওয়ার দিন সূচি কুমিল্লা শহরের একটি বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে সূচনা সীমান্ত পার হয়ে বক্সনগরের একটি বাড়িতে উঠেন। সেখান থেকে তার একটি ছবি ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। ছবি কেন প্রচার হলো এ নিয়ে সাবেক এমপি বাহার কলদাতাকে ধমকিও দেন।

    সাবেক এমপি বাহারেরও একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, তার মাথায় চুল নেই এবং সোনালী রংয়ের দাড়িও নেই। তার মুখে ছোট সাদা রংয়ের দাড়ি রয়েছে।

    এমপি বাহার ও তার মেয়ে সূচির গন্তব্য এখন কোথায় হবে তা নিয়ে রয়েছে গুঞ্জন। তবে সূত্র বলছে, তারা লন্ডন যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তাদের লক্ষ্য যেকোনোভাবে লন্ডন পাড়ি দেওয়া।

  • প্রতিপক্ষের হামলায় বিএনপি নেতার মৃত্যু

    প্রতিপক্ষের হামলায় বিএনপি নেতার মৃত্যু

    চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের মাছের ঘের নিয়ে পরস্পর বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত সাহেরখালী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল ইসলাম (৪০) মারা গেছেন।

    রোববার বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে উপজেলার ইকোনমিক জোন এলাকায় তাকে কুপিয়ে জখম করলে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    মীরসরাই উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শাহিদুল ইসলাম চৌধুরী উক্ত ঘটনার নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপের জোর দাবি জানান।

    মীরসরাই থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এজাহার প্রক্রিয়াধীন। আশা করছি হত্যাকারীদের শিগগিরই আটক করা সম্ভব হবে।

  • প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠা করার শপথ বিএনপির

    প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠা করার শপথ বিএনপির

    দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সব চ্যালেঞ্জকে মোকাবিলা করে দেশে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠা করার শপথ গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    তিনি বলেন, যেকোনো বাধাই আসুক, মুক্তবাজার অর্থনীতিকে প্রতিষ্ঠা করা এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ পরিণত করবার জন্য আমরা কাজ করে যাওয়ার জন্য শপথ নিয়েছি। 

    রোববার শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বিএনপির ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, বিএনপি সব সময়ই নেতৃত্ব দিয়েছে। আগামী দিনেও তার সঠিক রাজনীতি এবং গণতন্ত্রকে সঙ্গে নিয়ে আবারও সঠিকভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এবং দেশকে পুনর্গঠন করবে। এখন বিএনপির মূল কাজ, সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, যে আদর্শ তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন- সেই আদর্শকে বাস্তবায়িত করা। একই সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছেন, দেশকে নতুন করে গড়ে তুলবার জন্য তিনি কাজ করেছেন- সেই বাংলাদেশকে গড়ে তুলবার জন্য আজকে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছি এবং শপথ নিয়েছি। 

    তিনি বলেন, আজকে ২০২৪ সালে যে স্বাধীনতা আমরা অর্জন করেছি- তারজন্য বিএনপি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সংগ্রাম ও লড়াই করছে। বিএনপির ৭’শত বেশি নেতাকর্মী গুম হয়ে গেছে, দুই হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে এবং ৬০ লক্ষ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে শুধু গণতান্ত্রিক সংগ্রামের জন্য।

    বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক উত্তরণে এবং অর্থনৈতিক সংস্কারে একবারে উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই দলটি জিয়াউর রহমান সৃষ্টি করেছেন বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

    বিএনপির ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রোববার সকাল থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে  নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে।

  • নিবন্ধন নিয়ে জামায়াতের আবেদনের শুনানি ২১ অক্টোবর

    নিবন্ধন নিয়ে জামায়াতের আবেদনের শুনানি ২১ অক্টোবর

    জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল মামলাটি পুনরায় শুনানির জন্য আবেদনটি আগামী ২১ অক্টোবর শুনানির জন্য দিন রেখেছেন।

    রোববার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

    তিনি বলেন, আজ চেম্বার আদালত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে আবেদনটি শুনানির জন্য আগামী ২১ অক্টোবর ধার্য করেছেন।

    ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর জামায়াতে ইসলামীকে সাময়িক নিবন্ধন দেওয়া হয়। পরের বছর বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের তৎকালীন সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, জাকের পার্টির তৎকালীন মহাসচিব মুন্সি আবদুল লতিফ, সম্মিলিত ইসলামী জোটের প্রেসিডেন্ট মাওলানা জিয়াউল হাসানসহ ২৫ জন জামায়াতের নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন। রিটে জামায়াতের তৎকালীন আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, নির্বাচন কমিশনসহ চারজনকে বিবাদী করা হয়। তারা জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের আরজি জানান।

    এ রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক (পরে প্রধান বিচারপতি) ও বিচারপতি মো. আবদুল হাইয়ের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি রুল জারি করেন। জামায়াতের নিবন্ধন নিয়ে রুল জারির পর ওই বছরের ডিসেম্বরে একবার, ২০১০ সালের জুলাই ও নভেম্বরে দুইবার এবং ২০১২ সালের অক্টোবর ও নভেম্বরে দুইবার তাদের গঠনতন্ত্র সংশোধন করে নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়। এসব সংশোধনীতে দলের নাম ‘জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ’ পরিবর্তন করে ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’ করা হয়।

    ২০১৩ সালের ১২ জুন ওই রুলের শুনানি শেষ হয়। একই বছরের ১ আগস্ট জামায়াতকে দেওয়া নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধন সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে অবৈধ বলে রায় দেন বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি কাজী রেজা-উল-হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বৃহত্তর (লার্জার) বেঞ্চ।

    সে সময় সংক্ষিপ্ত রায়ে আদালত বলেন, এ নিবন্ধন দেওয়া আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত। একইসঙ্গে আদালত জামায়াতে ইসলামীকে আপিল করারও অনুমোদন দিয়ে দেন। তবে এ রায়ের স্থগিতাদেশ চেয়ে জামায়াতের করা আবেদন একই বছরের ৫ আগস্ট খারিজ করে দেন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী। পরে একই বছরের ২ নভেম্বর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে জামায়াতে ইসলামী আপিল করে।

    গত বছরের ১৯ নভেম্বর জামায়াতের আপিল খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। এদিন আদালতে রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী তানীয়া আমীর ও আহসানুল করীম। জামায়াতে ইসলামীর আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান।

    ওইদিন আইনজীবী জিয়াউর রহমান বলেন, আমাদের সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলীর ব্যক্তিগত অসুবিধা ছিল। আর অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদীনও অনুপস্থিত ছিলেন। এ ব্যক্তিগত অসুবিধার কারণে ছয় সপ্তাহ সময় চেয়েছিলাম। যেহেতু আমাদের আইনজীবীরা উপস্থিত নেই সেহেতু আদালত এটা ডিসমিস ফর ডিফল্ট করেছেন। অর্থাৎ আইনজীবী উপস্থিত না থাকার কারণে খারিজ করেছেন।

    পরে আইনি সুযোগ কি আছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, রেস্টোর (পুনরায় শুনানির জন্য) আবেদনের সুযোগ আছে। সেক্ষেত্রে এটা আদালতের এখতিয়ার।

    এরপর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ফের আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসে। গত জুলাই মাস থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা কোটা প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছে। এ আন্দোলনে গণহত্যা চালানোর অভিযোগে ছাত্র-জনতা সরকার পদত্যাগের দাবি তোলে। এর মধ্যে ১ আগস্ট সরকার অঙ্গসংগঠনসহ জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

    গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর জামায়াতে ইসলামী নিষিদ্ধের আবেদন বাতিলের উদ্যোগ নেয়। গত ২৮ আগস্ট সরকার আগের নিষিদ্ধের আদেশ বাতিল করে।

    এ বিষয়ে আইনজীবী শিশির মনির শনিবার বলেন, আমাদের প্রথম পদক্ষেপ ছিল নিষিদ্ধের আদেশ বাতিল করা। সেটা বাতিল হয়েছে। এখন পরবর্তী পদক্ষেপ হলো আপিল বিভাগে নিবন্ধন মামলাটি পুনরায় শুনানির জন্য দরখাস্ত করা।

  • দেশকে একটি ভালো অবস্থায় নিয়ে যেতে চাই: উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন

    দেশকে একটি ভালো অবস্থায় নিয়ে যেতে চাই: উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন

    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশকে আমরা একটি ভালো অবস্থায় নিয়ে যেতে চাই। এ লক্ষ্যে দেশে কাজের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। সৎ ও যোগ্য লোকদের সেখানে যুক্ত করা হচ্ছে। 

    রোববার সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। 

    জনগণ যেন বঞ্চিত না হয় সে লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ‘দেশের জন্য কিছু করার সময় এসেছে। আপনারা সরকারের কাজে সহযোগিতা করুন।’

    বিজ্ঞান গবেষণা ও এর প্রায়োগিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা বলেন, এই মন্ত্রণালয়ের কাজের ইম্প্যাক্ট সমাজে ছড়িয়ে দিতে হবে। 

    মতবিনিময় সভার শুরুতেই মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান। পরে অ্যালোকেশন অব বিজনেস অ্যামং দি ডিফারেন্ট মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড ডিভিশনস অনুযায়ী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিধি এবং ভিশন ও মিশন উপস্থাপন করা হয়। এছাড়াও মন্ত্রণালয়ের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয়।

    অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোকাব্বির হোসেনসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • সব অপরাধের বিচার হবে: হাইকোর্ট

    সব অপরাধের বিচার হবে: হাইকোর্ট

    দেশে সব অপরাধের বিচার হবে বলে জানিয়েছেন হাইকোর্ট। ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিল চেয়ে দায়ের করা রিটের আদেশ দেওয়ার আগে রিটকারীকে আশ্বস্ত করে হাইকোর্ট বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার সব অপরাধের বিচার করবে।

    আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের বিষয়ে দায়ের করা রিটের শুনানিতে রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহবুবুল উল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এমন মন্তব্য করেন।

    রিটকারীকে উদ্দেশ্যে করে আদালত বলেন, ছাত্র-জনতাকে যারা গুলির নির্দেশ দিয়েছে এবং যারা গুলি করেছে তাদের বিচারের বিষয়ে সরকার খুব আন্তরিক। গুলির নির্দেশ দিয়েছে ব্যক্তি। অপরাধ ব্যক্তি করেছে, দল নয়।

    এ সময় রিটকারী পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে আদেশ চাইলে হাইকোর্ট বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এরই মধ্যে সুইস ব্যাংক কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে কথা বলেছেন। সরকার এ বিষয়ে খুব আন্তরিক। সব অপরাধের বিচার হবে।

    এরপর ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিল চেয়ে দায়ের করা রিট সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহবুবুল উল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    আদালতে এ দিন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। আর রিটের পক্ষে রিটকারী আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া নিজে শুনানি করেন।

    এর আগে গত ২৭ আগস্ট ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিল চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষে আদেশের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

  • বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যদের পেছনে রাষ্ট্রের খরচ কত, হিসাব চাইলেন আদালত

    বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যদের পেছনে রাষ্ট্রের খরচ কত, হিসাব চাইলেন আদালত

    ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যদের নিরাপত্তা আইন-২০০৯’ অনুযায়ী সুবিধাভোগী সদস্যদের জন্য রাষ্ট্রের কি পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

    রোববার এক আদেশে এ নির্দেশনা দেন আদালত। একইসঙ্গে তারা কি কি সুবিধা ভোগ করেছেন এবং কি কি সম্পত্তি বিশেষ সুবিধায় পেয়েছেন তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

    আগামী এক মাসের মধ্যে আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও অর্থ সচিবসহ সংশ্লিষ্টদেরকে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
    এছাড়াও তাদের জন্য বরাদ্দ সুবিধা এবং সম্পত্তি কেন পুনরুদ্ধার করা হবে, সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে।

    জনস্বার্থে এক রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে রোববার বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রুল জারি করেন।

    জাতির পিতার পরিবার-সদস্যদের নিরাপত্তা আইন–২০০৯ এবং বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন–২০২১–এর কয়েকটি ধারা চ্যালেঞ্জ করে গত ২৫ আগস্ট হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইসআরএসএস) সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোহাম্মাদ মনিরুজ্জামান।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রেদওয়ান আহমেদ রানজিব।

    আইনজীবী চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, জাতির পিতার পরিবার-সদস্যদের নিরাপত্তা আইন-২০০৯ এবং বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন–২০২১ এর ২(খ), ২(গ), ৮(১), ৮(৩), ৮(৪) ও ৯(২) ধারার মাধ্যমে জন্মসূত্রে জাতির পিতার পরিবারের সদস্যদের বিশেষ শ্রেণির মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। আইনে জাতির পিতার পরিবার-সদস্য অর্থ জাতির পিতার জীবিত দুই মেয়ে এবং তাদের সন্তানাদি বলে উল্লেখ করা হয়েছে; যা সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী।

    রিট আবেদনকারী পক্ষ জানান, জাতির পিতার পরিবার-সদস্যদের নিরাপত্তা আইন-২০০৯ এবং বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন–২০২১ এর ধারা ২(খ), ২(গ), ৮(১), ৮(৩), ৮(৪) এবং ৯(২); যেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যগণ লেখা আছে, সেগুলো অসাংবিধানিক ও অবৈধ ঘোষণার প্রার্থনা জানানো হয়েছে রিটে। আইনের মাধ্যমে ইতোমধ্যে তারা যেসব সুবিধা ভোগ করেছেন এবং যেসব সম্পত্তি বিশেষ সুবিধায় পেয়েছেন, তা পুনরুদ্ধার করার আবেদনও রয়েছে।

    এছাড়া অতি দ্রুত আইনসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, অর্থসচিব, বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর ডিজিকে ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যদের বিশেষ নিরাপত্তা বিধান’ বন্ধ করার প্রার্থনাও করা হয়।

    রিট আবেদনকারী জানান, আইনসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, অর্থসচিব, বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর ডিজিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে জাতির পিতার পরিবার-সদস্যরা যেসব সুবিধা ভোগ করেছেন, সে জন্য রাষ্ট্রের খরচ নিরূপণ এবং যেসব সম্পত্তি বিশেষ সুবিধায় তারা পেয়েছেন, এর একটা প্রতিবেদন তৈরি করে আদালতে দাখিল করার প্রার্থনাও জানানো হয়েছে।

    রিটে আইনসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, অর্থসচিব, বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর ডিজি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিককে বিবাদী করা হয়েছে।

  • পলক, টুকুসহ ৬ জন ফের রিমান্ডে

    পলক, টুকুসহ ৬ জন ফের রিমান্ডে

    সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক ও সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুসহ গ্রেপ্তার ছয় জনকে চার হত্যা মামলায় আবারও রিমান্ডে দিয়েছেন আদালত।

    অন্যরা হলেন, সাবেক ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত এবং চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল।

    রোববার সকাল সোয়া ৭টার দিকে ঢাকা মহানগর হাকিম মইনুল ইসলাম এ আদেশ দেন বলে আদালতে কর্মরত একজন উপ-পরিদর্শক জানান।

    গত ১৯ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বাড্ডায় সুমন সিকদার (৩১) এবং ঢাকার সূত্রাপুরে শিক্ষার্থী ইকরাম হোসেন কাউসার ও ওমর ফারুকের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলায় পলককে ছয় দিনের রিমান্ডে দেওয়া হয়।

  • স্ত্রী-সন্তানসহ আসাদুজ্জামান খান কামালের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    স্ত্রী-সন্তানসহ আসাদুজ্জামান খান কামালের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তার স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খান ও মেয়ে সাফিয়া তাসনিম খানসহ ১০ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

    রোববার দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত এ আদেশ দেন।

    দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া অন্যরা হলেন— স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস, সাবেক ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মো. হারন অর রশীদ বিশ্বাস, জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপু, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা ইব্রাহিম হোসেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিএস মনির হোসেন ও শাফি মোদ্দাছির খান।

    এদিন দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

    আবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও অন্যান্যের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তরে বদলি, পদোন্নতি, জনবল নিয়োগ ও কেনাকাটায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা ঘুস গ্রহণের অভিযোগটির অনুসন্ধান চলমান। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন বলে বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায়। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশযাত্রায় এমন রহিত করা প্রয়োজন।

  • বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে যা বললেন শিক্ষা উপদেষ্টা

    বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে যা বললেন শিক্ষা উপদেষ্টা

    দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও অধিদপ্তরের শীর্ষপদে ব্যাপক রদবদল হচ্ছে। বিগত আওয়ামী সরকার আমলে নিয়োগ পাওয়া পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের বেশিরভাগই পদত্যাগ করেছেন। এরমধ্যে কেবল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    ঢাবি নতুন উপাচার্য পেলেও বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অভিবাবকহীন হয়ে পড়েছে। জানা গেছে, দেশে ৫০টির বেশি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৪০টির বেশি এখন উপাচার্যহীন।

    শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং ক্লাস-পরীক্ষা সচল করতে দ্রুত উপাচার্য নিয়োগ দিতে হচ্ছে সরকারকে। তবে নাগাদ ঠিক কবে বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য নিয়োগ তা নিয়ে জল্পনা রয়েছে।

    এ নিয়ে শনিবার শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘আশা করি যে অচিরেই আমরা অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ দিতে পারব। আবার ইউজিসির চেয়ারম্যানের পদও শূন্য হয়ে আছে। সেটার জন্য বেসরকারি খাতের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিচালনার ক্ষেত্রে একটা অভিভাবকশূন্যতা দেখা দিয়েছে। এখানে আমরা অতি দ্রুত সবার কাছে গ্রহণযোগ্য দু–একজন মানুষকে নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব করছি।’

    বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আন্দোলন হচ্ছে। অনেককে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার খবরও আসছে। এমন পরিস্থিতিতে নিয়োগকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে না দাঁড়াতে আহ্বান করেছেন শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা। বর্তমানে যাদের নিয়োগ দেওয়া হবে সেটা হবে সাময়িক দায়িত্ব। পরে নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন আসবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    ‘যাদের নিয়োগ (প্রশাসনিক পদে) দেওয়া হচ্ছে, তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাববেন না। কারণ এদের অনেকেই কিন্তু পরে নির্বাচনে প্রার্থী হবেন না। তাদের অনেক অনুরোধ করে এখানে (প্রশাসনিক দায়িত্ব দেওয়া) আনা হচ্ছে, একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা সক্রিয় আছেন, জানাশোনা আছেন, তাদেরও মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে। আমি আশা করি, সবকিছু মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আবার শান্তিপূর্ণভাবে চালু হবে, শিক্ষাক্রম চালু হবে।’

    শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘একটা কথা মনে রাখতে হবে যে যেসব উপাচার্যকে এসব পদে নিয়োগ দিচ্ছি, সেখানে কিন্তু প্রধান প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়, স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিজেদের একটা নিয়ম আছে, সিনেটের মাধ্যমে এবং নানা প্রক্রিয়ায় উপাচার্য নিয়োগ হন। এই পদ্ধতি তো চালু থাকবেই। প্রশ্ন উঠতে পারে, এখন আমরা নিয়োগ দিচ্ছি কীভাবে? আসলে পুরো পদ্ধতি গ্রহণেরও তো সময় নেই। আমাদের তো বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চালু করতে হবে। কাজেই এটা সাময়িকভাবে নিয়োগগুলো দিতে হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে নিশ্চয়ই নিয়মানুগভাবে সব কিছু হবে। এখন তো পুরো প্রক্রিয়ায় যাওয়ার সুযোগ নেই।’