Category: রাজণীতি

  • তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য, মধুচক্রে জড়িত ১০ মন্ত্রী

    তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য, মধুচক্রে জড়িত ১০ মন্ত্রী

    প্রথমে কলেজ ছাত্রীদের এনজিওতে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদে ফেলা হতো। চাকরিতে রাজি হলে রাজনৈতিক নেতা, আমলাদের কাছে তাদের পাঠিয়ে ঘনিষ্ঠদৃশ্যের ভিডিও ক্লিপ বানানো হয়। পরে ওই ভিডিও ক্লিপ দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে চলতো কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি।

    ভারতের মধ্যপ্রদেশে চাঞ্চল্যকর একটি যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনার তদন্তে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। দেশটির সংবাদমাধ্যম জিনিউজ বলছে, এনজিওর নামে তরুণীদের দিয়ে এমন রমরমা দেহ ব্যবসা চক্রের সঙ্গে দেশটির সাবেক দশজন মন্ত্রী জড়িত। তবে এই মন্ত্রীদের নাম প্রকাশ করেননি তদন্ত কর্মকর্তারা।

    জিনিউজ বলছে, তদন্ত যত গভীর হচ্ছে, একের পর এক নেতা-মন্ত্রীর নাম বেরিয়ে আসছে। মধ্যপ্রদেশে যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে এখন পর্যন্ত ১০ সাবেক মন্ত্রীর নাম উঠে এসেছে। এই তালিকায় রয়েছে এক ডজন সরকারি উচ্চ পর্যায়ের আমলাও।

    যে রাজনৈতিক নেতাদের নাম তদন্তে উঠে এসেছে তাদের অধিকাংশই ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন সরকারের। এই মধুচক্রকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি।

    মধ্যপ্রদেশের যৌন কেলেঙ্কারির এ ঘটনা তদন্তে গঠিত বিশেষ তদন্ত দলের প্রধান সঞ্জীব শামী বলেছেন, যৌন কেলেঙ্কারির এ ঘটনায় কংগ্রেস-বিজেপি দুই দলের নেতারা যুক্ত রয়েছেন। যে সব ভিডিও ক্লিপ উদ্ধার করা হয়েছে, তাতে এই নেতাদের স্পষ্ট দেখা গেছে।

    এর আগে বুধবার অভিযান চালিয়ে মধ্যপ্রদেশ থেকে ৫ নারীকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশ। এর মধ্যে একজন রয়েছেন কংগ্রেসের আইটি সেলের এক নেতার স্ত্রী। পুলিশ বলছে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন নারী এনজিওর নামে মধুচক্র চালাতেন। বিজেপি বিধায়ক ব্রিজেন্দ্র প্রতাপ সিংয়ের বাড়িতে ভাড়া নিয়ে এই মধুচক্র তিনি চালাতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    মধ্যপ্রদেশ পুলিশের দাবি, প্রত্যেক নারীরই নিজস্ব গ্যাং রয়েছে। যেখানে কলেজ ছাত্রীদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদে ফেলা হতো। রাজনৈতিক নেতা, আমলাদের কাছে তাদের পাঠিয়ে ভিডিও ক্লিপ ধারণ করা হয়। এমন অন্তত এক হাজার ভিডিও ক্লিপ তাদের কাছে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ওই ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে চাঁদা আদায় করতো এই চক্র।

    সম্প্রতি একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের ভিডিও দেখিয়ে এক আইএস কর্মকর্তার কাছে ২ কোটি টাকা দাবি করে এই চক্র। ইনডোরে পৌরসভার এক কর্মকর্তাকে ফাঁদে ফেলে ৩ কোটি টাকা চাঁদা আদায় করে তারা। এরপরই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই কর্মকর্তা।

    তার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে ওই মধ্যচক্রের নারী সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়। মধ্যপ্রদেশের এই মধচক্রকে ভারতের সবচেয়ে বড় যৌন কেলেঙ্কারি বলে দাবি করছে পুলিশ। বিজেপি ও কংগ্রেসের সাবেক ১০ মন্ত্রী এই চক্রের সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ। চক্রের সদস্যদের আশ্রয় দেয়ার অভিযোগ রয়েছে এই মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে।

  • গরুর হাটেও চাঁদাবাজি করতেন জি কে শামীম

    গরুর হাটেও চাঁদাবাজি করতেন জি কে শামীম

    অনলাইন ডেস্ক ::

    যুবলীগ নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম (জি কে শামীম) একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক এবং জুয়ার ব্যবসায়ী (ক্যাসিনো) হিসেবে পরিচিত। শুধু তাই নয়, স্থানীয় টার্মিনাল, গরুর হাট-বাজারেও চাঁদাবাজি করতেন তিনি। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রাথমিক অনুসন্ধানে এমনই তথ্য উঠে এসেছে।

    আজ বৃহস্পতিবার জি কে শামীমসহ তার সাত দেহরক্ষীকে গুলশান থানায় মানিলন্ডারিং মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদনে করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু সাঈদ। আবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।

    আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী তার সাত দেহরক্ষীকে মানিলন্ডারিং মামলায় গ্রেফতার দেখান। জি কে শামীম অন্য মামলায় রিমান্ডে থাকায় তার উপস্থিতিতে গ্রেফতার দেখানোর আবেদনের শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন গুলশান থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রকিবুল হাসান।

    শামীমের সাত দেহরক্ষী হলেন দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ্য করেন, শামীম তার দেহরক্ষীদের সহযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে নিজ নামে লাইসেন্সকৃত অস্ত্র প্রকাশ্য বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করে আসছিলেন। বিভিন্ন ধরনের টেন্ডারবাজি, মাদক ও জুয়ার ব্যবসাসহ স্থানীয় টার্মিনাল, গরুর হাট-বাজারে চাঁদাবাজি করে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থের মালিক হওয়ায় গুলশান থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে আসামিদের পুনঃগ্রেফতার দেখানোর জন্য আদালতে আরজি জানান তিনি।

    এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলে পরবর্তীতে জি কে শামীমসহ তার সাত দেহরক্ষীর পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

    রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষী
    এদিকে জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষী চার দিনের রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

    বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) গুলশানের অস্ত্র আইনের মামলায় চারদিনের রিমান্ড শেষে সাত দেহরক্ষীকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ফজলুল হক।

    অপরদিকে, তাদের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম হাবিবুর রহমান চৌধুরী ওই সাতজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে জামিন শুনানির জন্য আগামী রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করেন।

    আবেদনপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, চারদিনের রিমান্ডে নিয়ে আসামিদের নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তারা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যাদি মামলার তদন্তকাজে যথেষ্ট সহায়ক হবে। তাদের দেয়া তথ্য ও নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আসামিরা জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হওয়ার আশঙ্কা আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    জি কে শামীমের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, এ আসামির পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে।

    এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর অবৈধ অস্ত্র ও মাদক মামলায় আলোচিত যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর মধ্যে অস্ত্র মামলায় পাঁচদিন ও মাদক মামলায় পাঁচদিন। এ ছাড়া সাত দেহরক্ষীকে অস্ত্র মামলায় চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

    টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গত ২০ সেপ্টেম্বর যুবলীগ নেতা জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে আটক করে র‌্যাব। পরদিন তাদের গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।

    ওই অভিযানে এক কোটি ৮০ লাখ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া ১৬৫ কোটি টাকার ওপর এফডিআর (স্থায়ী আমানত) পাওয়া যায়, যার মধ্যে তার মায়ের নামে ১৪০ কোটি ও ২৫ কোটি টাকা শামীমের নামে। একই সঙ্গে পাওয়া যায় মার্কিন ডলার, মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্র।

  • মেয়র সাদিকের পরিকল্পনা দেখে আমি অভিভূত হয়েছি : পলক

    মেয়র সাদিকের পরিকল্পনা দেখে আমি অভিভূত হয়েছি : পলক

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল­াহ আধুনিক বরিশাল নগরী গড়তে যে পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন তা জেনে ও এর ভিডিও চিত্র দেখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক মুগ্ধ হয়েছেন।

    প্রতিমন্ত্রী তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, তার (মেয়রের) এ পরিকল্পনা দেখে আমি অভিভুত হয়েছি, একই সাথে তার পরিকল্পনা পেয়ে আমি আরো সমৃদ্ধ হয়েছি। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বরিশাল নগরকে স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পরিকল্পনা করেছেন। স্মার্ট সিটি গড়তে আইটি সেক্টরের যা যা প্রয়োজন হবে সে বিষয়ে সার্বিক সহযোগতিা করা হবে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরের পর সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য বরিশালে এসে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের এ্যানেক্স ভবন ও সেখানে মেয়রের কার্যালয় পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

    কার্যালয় পরিদর্শন করে বিসিসির মেয়র ও কাউন্সিলরদের সাথে এক মতবিনিমিয় সভায় মিলিত হন তিনি।

    এসময় সকলের উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু বরিশালকে প্রাচ্যের ভ্যানিস হিসেবে দেখতো। মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল­াহ সে প্রাচ্যের ভেনিসকে নতুন করে গড়তে কাজ করছেন। মেয়রের যুগোপযোগি পরিকল্পনায় বরিশাল স্মার্ট সিটি হবে। আর সেটা অনুসরন করবে অন্যান্য সিটি। তিনি বলেন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরদের অফিসগুলো ডিজিটাল সেন্টারে রুপান্তরিত করার জন্য মেয়র যে পরিকল্পনা করেছেন তা নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ। তিনি আরো বলেন, বরিশাল নগরীতে যতো মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেই সব প্রতিষ্ঠানগুলোতে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হবে। বরিশালের হাইটেক পার্কের নির্মান কাজ এ বছরই শুরু করা হবে আর হাইটেক পার্কে একটি সিনেপ্লেক্সও থাকবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

    এসময় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল­াহ বরিশাল সিটিকে স্মার্ট সিটিতে রুপান্তর করার লক্ষ্যে তার পরিকল্পনার কথা জানান এবং একটি ভিডিও কিল্প দেখান। যা দেখে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তার এ পরিকল্পনা দেখে আমি অভিভুত হয়েছি, একই সাথে তার (মেয়রের) পরিকল্পনা পেয়ে আমি আরো সমৃদ্ধ হয়েছি।

    প্রতিমন্ত্রী এ্যানেক্স ভবন পরিদর্শনের সময় মেয়র সাদিক আবদুল­াহ তাকে বিভিন্ন কক্ষে ঘুরে দেখান। এর আগে প্রতিমন্ত্রী সড়ক পথে বরিশালে পোঁঁছে কিছু সময়ের জন্য বরিশাল সার্কিট হাউসে অবস্থান করেন।

    সেখানে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল­াহ, কাউন্সিলরবৃন্দ, জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমানসহ উপস্থিত অন্যান্যরা প্রতিমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।

  • কলাপাড়ায় আ’লীগের ১২ লক্ষ টাকা আত্মসাত করলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী মাহবুব

    কলাপাড়ায় আ’লীগের ১২ লক্ষ টাকা আত্মসাত করলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী মাহবুব

    পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এবার সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও দলের বর্তমান সভাপতি মো: মাহবুবুর রহমান’র বিরুদ্ধে উপজেলা আ,লীগের ১১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

    উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের পক্ষ থেকে উক্ত টাকা ফেরত দিতে তাকে আগামী এক মাসের মধ্যে দলীয় ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে লিখিত ভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। নতুবা তার বিরুদ্ধে দলের পক্ষ থেকে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহনের কথা বলেছেন উপজেলা আ,লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সৈয়দ নাসির উদ্দিন।

    উপজেলা আ’লীগ সূত্রে জানা যায়, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আ,লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মাঝে মনোনয়ন ফরম বিক্রী থেকে ১১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। সংগঠনের নিয়ম অনুযায়ী দপ্তর থেকে উক্ত টাকা আ,লীগের ব্যাংক হিসাবে জমা করার বিধান থাকলেও উপজেলা আ,লীগের সভাপতি উক্ত টাকা হস্তগত করেন। এরপর তাকে বিভিন্ন সময়ে একাধিক বার বলার পরও তিনি উক্ত টাকা আ,লীগের ব্যাংক হিসাবে জমা করেননি। এরপর গত ১৪ জানুয়ারী উপজেলা আ,লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সংগঠনকে গতিশীল ও দলীয় কার্যক্রমকে সফল করার লক্ষ্যে তাকে লিখিত ভাবে অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত সহ বিষয়টি দলের কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক, সংগঠনিক সম্পাদক ও দপ্তর সম্পাদককে অবগত করা হয়।

    উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক অধ্যক্ষ সৈয়দ নাসির উদ্দীন জানান, তাকে লিখিত ভাবে ৩০ দিনের সময় দিয়ে অনুরোধ করা হয়েছে। এরপরও তিনি উক্ত টাকা আ,লীগের ব্যাংক হিসাবে জমা না দিলে আমরা দলের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেব।

    উপজেলা আ’লীগ সাধারন সম্পাদক ও কলাপাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এসএম রাকিবুল আহসান বলেন, পৌরসভার মনোনয়ন ফরম বিক্রী থেকে ১১ লক্ষ এবং ইউনিয়ন পরিষদ ফরম বিক্রী থেকে ৭০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। দলের অনেক মনোনয়ন প্রত্যাশীকে দলের টিকেট দেওয়া হয়নি। তাই তাদের টাকা ফেরত দেয়া হবে কিনা সে বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হওয়ার আগেই সভাপতি উক্ত টাকা দপ্তর থেকে হস্তগত করেন।

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত উপজেলা আ’লীগ সভাপতি মো: মাহবুবুর রহমান’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি সঠিক না।

    প্রসংগত, সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহাবুব জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করায় দুদক স্বস্ত্রীক তাকে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। এছাড়া তার এক ডজন ঘনিষ্ঠ আত্মীয় স্বজনের বিরুদ্ধে রয়েছে আ’লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে আখের গোছানোর অভিযোগ।

  • আওয়ামী লীগ কমিটিতে এক পরিবারের ১৭ জন!

    আওয়ামী লীগ কমিটিতে এক পরিবারের ১৭ জন!

    কা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের পরিচালক এনামুল হক ভূঁইয়া এনু ও রুপন ভূঁইয়া গত মঙ্গলবার র‌্যাবের হাতে নগদ ১ কোটি ৫ লাখ টাকা এবং ৭২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ গ্রেফতার হয়েছেন। এই দুই ভাই শুধু ক্যাসিনো পরিচালনার সঙ্গেই যুক্ত নয়, তারা এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ জন্য তিন ভাই, দুই ভাতিজাসহ একই পরিবারের

  • “শেখ হাসিনার হু’ঙ্কারে আত’ঙ্কিত আ’লীগের অপ’রাধীরা”

    “শেখ হাসিনার হু’ঙ্কারে আত’ঙ্কিত আ’লীগের অপ’রাধীরা”

    শনিবারের পর থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে অজানা আ’তঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বিরোধী দলে থাকার সময় আওয়ামী লীগের যেসব নেতাকর্মী রাজপথে লড়া’কু ছিলেন, ২০০৬ সালে যারা জামাত-বিএনপির বি’রুদ্ধে আ’ন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যারা হর’তাল-অ’বরোধে রাস্তায় থাকতেন, ২০১৩-১৪ সালে বিএনপি-জামাতের আ’ন্দোলনের জবাব দেওয়ার জন্য যারা রাজপথে নেমেছিলেন, যারা হেফাজতের আ’ন্দোলনের সময় দলীয় কার্যালয় পাহা’রা দিয়েছিলেন- তারাই এখন আ’তঙ্কে। আওয়ামী লীগের রাজপথের এরকম অনেক চেনামুখের অনেককেই এখন পাওয়া যাচ্ছে না। অনেকেই এখন গা-ঢা’কা দিয়েছে, কেউ কেউ বিদেশে চলে গেছেন, অনেককে ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের মধ্যে এক ধরনের আত’ঙ্ক বিরাজ করছে।

    *এই আত’ঙ্কের সূত্রপাত হয়েছে গত শনিবারের আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকের পর থেকে। এই কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুর্নির্দিষ্ট কিছু নি’র্দেশনা দিয়েছেন। এই নি’র্দেশনাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে যারা স’ন্ত্রাস এবং চাঁ’দাবাজির সঙ্গে জ’ড়িত তাদেরকে কোনো আশ্র’য়-প্র’শ্রয় না দেওয়া, যারা ক্যাডার রাজনীতি করে তাদেরকে চি’হ্নিত করে দল থেকে বের করে দেওয়া, অস্ত্র’বাজী-স’ন্ত্রাস-টেন্ডা’রবাজীকে প্রশ্র’য় না দেওয়া। আওয়ামী লীগ সভাপতির এই সি’দ্ধান্ত সারাদেশের মানুষকে উৎ’সাহিত করেছে, আ’শান্বিত করেছে, সব শ্রেণীপেশার মানুষই এই সিদ্ধা’ন্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে। তবে আওয়ামী লীগের অনেকেই মনে করছে এর মাধ্যমে বিরাজনীতিকরণের একটি প্রক্রিয়া শুরু হলো। এর ফলে প্রশাসনের দাপ’ট অনেক বে’ড়ে যাবে, দলীয় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন রকম হয়রা’নির শি’কার হবেন।

    *নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের একজন নেতা বলেছেন, ২০১৮ এর ৩০ ডিসেম্বরের পর থেকে প্রশাসনের খবর’দারি অনেক বেশি হয়ে গেছে। অনেক প্রশাসনের কর্মকর্তারা রাজনৈতিক নেতাদের মতো বক্তব্য-বিবৃতি দিচ্ছেন। এখন প্রশাসনের সঙ্গে রাজনীতিবিদদের একটি প্রকাশ্য যু’দ্ধ দেখা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যে অভি’যোগগুলো এসেছে, সেগুলোর বেশিরভাগই এসেছে আইনশৃঙ্খলা দায়ি’ত্বে নিয়োজিত প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এই সমস্ত প্রতিবেদনগুলোতে সব তথ্যই যেমন মি’থ্যা নয়, আবার কিছু কিছু অতির’ঞ্জিত তথ্যও রয়েছে বলেও অনেকে মনে করছেন। ফলে এই তথ্যের উপর ভিত্তি করে শু’দ্ধি অ’ভিযান পরিচালনা করা হয়, তাহলে সেটা আওয়ামী লীগের জন্য বু’মেরাং হয়ে যেতে পারে বলে অনেকে আশ’ঙ্কা করছেন।

    *আওয়ামী লীগের অন্য একজন নেতা বলছেন, এর ফলে সংগঠন দু’র্বল হয়ে যাবে। কারণ ৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর দীর্ঘ আ’ন্দোলন সংগ্রামের সময় রাজপথে আ’ন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে অনেককেই অনেকরকম পন্থা অব’লম্বন করতে হয়েছে। একটা সময়ে এমন ছিল যে রাজপথে আ’ন্দোলন না করলে তাকে নেতা হিসেবে স্বী’কৃতি দেওয়া হতো না। রাজপথে আন্দো’লন করার কারণে যাদেরকে আগে ক্যা’ডার বলা হয়েছে তাদের বি’পুল সংখ্যক অনুগত বাহিনী তৈরি হতো, মি’ছিল-মি’টিংসহ বিভিন্ন কাজের জন্য তাদেরকে ব্যব’হার করা হতো।

    *এখন তারা প্রশ্ন করছেন যে, দলের স্বা’র্থেই তো এই কাজগুলো করতে হয়েছে। তখন যদি আমাদেরকে বীর বলা হয়, তাহলে এখন কেন আমরা ক্যা’ডার হবো? এইসব বি’তর্কের দোলা’চলে আওয়ামী লীগের মধ্যস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে অস্ব’স্তি এবং আ’তঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই মনে করছেন যে, একটা ঢা’লাও ক্রা’শ প্রোগ্রামের মাধ্যমে হয়ত ক্যা’ডার হিসেবে পরিচিত জনপ্রিয় অনেক নেতার বিরু’দ্ধে ব্য’বস্থা নেওয়া হতে পারে, অনেককে দল থেকে বহি’ষ্কারও করা হতে পারে। এটা আওয়ামী লীগের জন্য কতোটা মঙ্গলজনক হবে, সেটাও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ

    *সামগ্রিক বিবেচনায় আওয়ামী লীগ হঠাৎ করেই বিরোধী দলের অ’বস্থানে চলে গেছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গত ১০ বছর যে শান্তিতে, বীর’দর্পে চলা’ফেরা করতেন- তা গত ৩-৪ দিনে হাওয়ায় মি’লিয়ে গেছে। বরং তাদের বি’রুদ্ধে রয়েছে বিভিন্ন অভি’যোগ, তাদের টিকিটিও পাওয়া যাচ্ছে না। এখন প্রশ্ন হলো যে, আওয়ামী লীগ কি তবে বি’রোধী দলে? আওয়ামী লীগের একজন নেতা বলেছেন, শেখ হাসিনা যেই সি’দ্ধান্ত নিয়েছেন সেটা দৃষ্টা’ন্তমূলক, প্র’শংসনীয় এবং সাহসী। ৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে পরি’বর্তন হয়েছে, তার ধারায় সংগঠন করতে গেলে যে ক্যা’ডার বা রাজপথে লড়া’কুদের যে প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করা হয়েছিল, সেখান থেকে সরে এলে কি সংগঠন থাকবে?

    *সংগঠন থাকুক না থাকুক, আওয়ামী লীগ সভাপতি একটি বিষয়ে স্প’ষ্ট বার্তা দিয়েছেন, তা হলো দু’ষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো। আর যাই হোক, তিনি সন্ত্রা’সী এবং চাঁ’দাবাজদের প্র’শ্রয় দেবেন না। আর এর ফলেই হঠাৎ আওয়ামী লীগের মধ্যস্তরের নেতাকর্মীদের আচ’রণ দেখে মনে হচ্ছে রাতা’রাতি যেন তারা বি’রোধী দলে চলে গেছেন। বিরো’ধী দলে থাকলে যেমন গা ঢাকা দিয়ে আত্ম’গোপনে বা বিদেশে পা’লিয়ে থাকতে হতো- সেরকম একটি পরি’স্থিতি তৈরি হয়েছে এই নেতাকর্মীদের মধ্যে। ফলে এই এক ঘোষ’ণাতেই বিরো’ধী দলের অব’স্থায় চলে গেছে আওয়ামী লীগ।

  • গোয়েন্দা রিপোর্টে সৎ রাজনীতিবিদের শীর্ষ তালিকায় শ.ম রেজাউল করিম

    গোয়েন্দা রিপোর্টে সৎ রাজনীতিবিদের শীর্ষ তালিকায় শ.ম রেজাউল করিম

    গোয়েন্দা রিপোর্টে সৎ রাজনীতিবিদের তালিকার শীর্ষ তালিকার চার নম্বরে অবস্থান করছেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম।

    এ তালিকায় অন্যান্যদের মধ্যে যারা রয়েছেন তারা হলেন, সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্পীকার ড শিরীন শারমিন চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, শিক্ষামন্ত্রী ডা দিপুমনি, স্বরাষ্ট্র-মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, ত্রান ও দুর্যোগ মন্ত্রী ডা এনামুর রহমান, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশীদ।

  • “তিন বিএনপি নে’তাকে নিয়মিত টাকা দিতেন জি কে শামীম”

    “তিন বিএনপি নে’তাকে নিয়মিত টাকা দিতেন জি কে শামীম”

    টেন্ডা’রবাজি ও চাঁ’দাবাজির সুনি’র্দিষ্ট অভি’যোগে আ’টক জি কে শামীমের বি’রুদ্ধে বেরি’য়ে আসছে একের পর এক চাঞ্চ’ল্যকর ত’থ্য। গোয়ে’ন্দা সং’স্থাগুলো প্রমা’ণ পেয়ে’ছে যে যুবলীগ বা আওয়ামী লীগের নারায়নগঞ্জ শাখার নে’তা হলেও জি কে শামীম নিয়মি’তভাবেই বিএনপিকে টাকা দি’তেন। এরমধ্যে সুনি’র্দিষ্টভাবে বিএনপির তিন নে’তাকে তিনি নিয়’ম করে মাসো’হারা দি’তেন বলে জানা গেছে।

    *জি কে শামীমের অফিসে র‌্যা’ব অভি’যান পরিচা’লনার সময় বিপুল পরি’মান টাকা, অস্ত্র’শস্ত্র ও অন্যান্য সা’মগ্রীর সঙ্গে একটি খা’তাও খুঁ’জে পায়। ওই খাতায় দেখা যায় যে, বিএনপি শীর্ষ’স্থানীয় নে’তা মির্জা আব্বাস, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং নজরুল ইসলাম খানকে নি’য়মিত বে’তনের মতো টাকা দিতেন জি কে শামীম। ওই খা’তাটা এখন গো’য়েন্দা সংস্থা’র হাতে রয়েছে।

    *মির্জা আব্বাস, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং নজরুল ইসলাম খান যে নিয়মিত টাকা পেতেন যে ব্যা’পারে নিশ্চি’ত হতে পেরেছে গো’য়েন্দারা। এই টাকার অংকটা কো’টির ঘরে বলে জানিয়েছে একটি সূ’ত্র। মির্জা আব্বাস, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং নজরুল ইসলাম খান বাদে আর কোন নে’তা জি কে শামীমের কাছ থেকে টাকা পেতেন তা নিয়েও ত’দন্ত করছেন গো’য়েন্দারা।

    *উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নিকেতনে জি কে শামীমের ব্যবসায়িক কার্যা’লয় জি কে বিল্ডা’র্স থেকে তাকে আ’টক করা হয়। সেখান থেকে বি’পুল পরি’মান টাকাও উদ্ধা’র হয়। শামীমের মায়ের নামেই ১৪০ কোটি টাকার এফডি’আরের স’ন্ধান পেয়েছে র‍্যা’ব।

    *রাজধানীর মা’ফিয়া ঠিকা’দার জি কে শামীমকে নিয়ে আত’ঙ্কে আছে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগ। এরই মধ্যে জেলার শী’র্ষপর্যায় থেকে জি কে শামীম নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের কেউ নন বলে বিবৃ’তি দেওয়া হয়েছে। তবে জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে শামীমের ছবি সামা’জিক যোগা’যোগ মাধ্যমে ভা’ইরাল হয়েছে। শুক্রবার জি কে শামীম গ্রেফতার হওয়ার পরপরই তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বলে প্রচার হয়। নথিতে তার নাম না থাকলেও শূন্য প’দে তার নাম প্রস্তাব করেছিলেন জেলা সভাপতি আবদুল হাই ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ বাদল। কিন্তু জি কে শামীম গ্রেফতার হও’য়ার পর আবদুল হাই দা’বি করেন তিনি দলের কেউ নন।

    *গত বছর অসু’স্থ হয়ে হাসপা’তালে ভ’র্তি ছিলেন আবু হাসনাত শহীদ বাদল। তখন আবদুল হাই ও জি কে শামীম শহীদ বাদলকে দেখতে যান। ছ’বিতে তা দেখা গেছে। ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর আবদুল হাইকে সভাপতি এবং আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদলকে সাধারণ সম্পাদক করে তিন সদস্যবিশিষ্ট জেলা আওয়ামী লীগের আংশিক কমিটি ঘো’ষণা করা হয়। ওই কমিটি গঠনের ১৩ মাস পর নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ৭৪ সদস্যের কমি’টি অ’নুমোদন দেয় কেন্দীয় আওয়ামী লীগ। তবে এ কমিটিতে ৮টি প’দ খা’লি ছিল। ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই জেলা আওয়ামী লীগের ৮টি প’দ পূরণের লক্ষ্যে সভায় সদস্য হিসেবে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগ’ঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান দিপুর নাম সর্বসম্ম’তিক্রমে গৃ’হীত হয়।

    *সেই সভার প্রকাশিত সংবাদে দেখা গেছে, ‘সে সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ’ নে’তাদের পক্ষে কাদির, জি কে শামীম ও শরফুদ্দিনসহ আরও দুজনের নাম প্র’স্তাব করা হয়। ওই সংবাদ অনুযায়ী, জি কে শামীমকে প’দ দেওয়ার ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শামসুল ইসলাম ভূঁইয়াসহ অনেকেই আ’পত্তি করেন। শামসুল ইসলাম ভূঁইয়া দা’বি করেছিলেন, জি কে শামীম বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে স’ম্পৃক্ত। তিনি জানান, তার কাছে প্রমাণ আছে, জি কে শামীম বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের পি’এস (একান্ত স’চিব) ছিল। এ নিয়ে সভাপতির সঙ্গে শামসুল ইসলাম ভূঁইয়াসহ জেলা আওয়ামী লীগের অন্য নে’তার বাকবি’তণ্ডা হয়। ফলে কোনো সিদ্ধা’ন্ত ছাড়াই সভা শেষ হয়।

    *নারায়ণগঞ্জে সর্ব’ত্র আলোচ’না কে এই জিকে শামীম: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার সনমান্দি ইউনিয়নের মৃ’ত মো. আফসার উদ্দিন মাস্টারের ছেলে জি কে শামীম। তিন ছেলে নাসিম, শামীম ও হোসাইনের মধ্যে শামীম ছিলেন দ্বিতীয়। তার বাবা ছিলেন হরহরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। শামীমরা তিন ভাই-ই রাজনীতি করেন। বড় ভাই নাসিম জাতীয় পার্টি আর শামীম যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। শামীম সোনারগাঁও বারদী আ’লিয়া মাদ্রা’সা থেকে এসএ’সসি ও পঞ্চমীঘাট কলেজ থেকে ১৯৮৮ সালে এইচএ’সসি পা’স করে ঢাকায় লেখাপড়া করতে সোনারগাঁও ত্যা’গ করেন।

    *তিনি ঢাকায় এসে জ’ড়িয়ে পড়েন রাজনীতিতে। এরপর আর তাকে পিছনে ফিরে তা’কাতে হয়নি। জানা যায়, ঢাকায় প্রথমে একটি মে’সে থাকতেন শামীম। সেখান থেকে ধীরে ধীরে নিজের বাড়ি গাড়িসহ অঢে’ল সম্পদের মা’লিক বনে যান তিনি। বাসাবো ও সবুজবাগ এলাকায় বেড়ে ওঠা তার। সেখানে নিজ’স্ব বাহি’নী তৈরি করেন তিনি। সোনারগাঁওয়ে বাড়ি থাকলেও এখানে থাকতেন না শামীম। বাবার বাড়িতে নতুন করে ভ’বন নির্মা’ণ করেন। সরেজমিন দেখা যায়, প্রায় ১০ শতাংশ জমির ওপর তিনতলা বাড়ি নির্মা’ণ করেছেন তিনি। বাড়িটিতে বিলা’সবহুল আসবাবপত্র ও কোটি টাকার মালামালসহ একজন কেয়া’রটেকার থাকেন শুধু। তবে দুই দিন আগেই কেয়ার’টেকার ছুটি নিয়ে দর’জায় তা’লা দিয়ে চলে যান। এখন সু’নসান নীর’বতা ওই বাড়িটিতে।

    *তিনতলা বাড়ি’টি শামীম একা থাকার জন্যই তৈরি করেছেন। ভিতরে রয়েছে গাড়ি পা’র্কিংয়ের বিশা’ল ব্যব’স্থা। জানা যায়, গত রমজানের ঈদে সর্বশেষ বাড়ি এসেছিলেন শামীম। ঈদের দিন কা’টিয়ে আবার তিনি ফিরে যান ঢাকায়। তবে তার সঙ্গে অ’স্ত্রসহ ৬ জন গান’ম্যান আনার বিষয়টি নজর কাড়ে এলাকা’বাসীর। স্থানীয়রা জানান, জি কে শামীম সম্পর্কে তেমন কিছু জানেন না তারা। তারা শুধু জানেন, তিনি ঢাকায় বড় ব্যবসা ও আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন। তারা জানান, বাবার রেখে যাওয়া ১০ কানি (৩০০ শতাংশ) জমি ছাড়া এখানে আর তাদের কোনো সম্পত্তি নেই। তবে শামীম বাড়িটিতে অনেক খ’রচ করেছেন এবং ভিতরে অনেক বিলাস’বহুল আসবা’বপত্র কিনেছেন। তার ভাতিজা সনমান্দি ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার জানান, চাচা তো যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা। শেষ ঈদে বাড়ি এসেছিলেন। কেয়ার’টেকার চলে গেছে দুই দিন আগে। তবে কোথায় গেছে জানি না।

  • গোয়েন্দা রিপোর্টে সৎ রাজনীতিবিদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন যারা-

    গোয়েন্দা রিপোর্টে সৎ রাজনীতিবিদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন যারা-

    সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্পীকার ড শিরীন শারমিন চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, শিক্ষামন্ত্রী ডা দিপুমনি, স্বরাষ্ট্র-মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, ত্রান ও দুর্যোগ মন্ত্রী ডা এনামুর রহমান, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশীদ।

  • ক্যাসিনোর লাভের ৪১ কোটি টাকা লোকমানের অস্ট্রেলিয়ার দুই ব্যাংকে

    ক্যাসিনোর লাভের ৪১ কোটি টাকা লোকমানের অস্ট্রেলিয়ার দুই ব্যাংকে

    মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের ডিরেক্টর ইনচার্জ ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক (বিসিবি) লোকমান হোসেন ভূঁইয়াও ক্যাসিনো থেকে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেছেন। সেই টাকা অস্ট্রেলিয়ার দুই ব্যাংকে রাখা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-২ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ।

    তিনি বলেন, মোহামেডান ক্লাবে অবৈধ ক্যাসিনো ভাড়া দিয়ে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেছেন লোকমান। তার এ টাকা অস্ট্রেলিয়ায় কমনওয়েলথ ও এএনজেড ব্যাংকে রাখা আছে।

    লোকমানের বরাত দিয়ে এ র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, অস্ট্রেলিয়ার ওই দুই ব্যাংকে তার ৪১ কোটি টাকা রয়েছে। ছেলে অস্ট্রেলিয়ায় পড়ার সুবাদে তিনি মাঝে মাঝে সেখানে যান।

    এর আগে বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে তেজগাঁওয়ের মনিপুরী পাড়ার বাসায় বিপুল পরিমাণ মাদক রাখায় তাকে আটক করে র‌্যাব। মাদকের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তার ক্যাসিনো থেকে উপার্জনের বিষয়টি উঠে আসে।