Category: রাজণীতি

  • প্রশাসনেও আসছে ‘শুদ্ধি’ অভিযান

    প্রশাসনেও আসছে ‘শুদ্ধি’ অভিযান

    বিভিন্ন ক্ষেত্রে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছে সরকার। টেন্ডারবাজি, জুয়া, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ক্ষমতাসীন দলের নেতারা গ্রেফতার হচ্ছেন। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই শুদ্ধি অভিযান আরও বিস্তৃত হবে।

    সরকারের চলমান শুদ্ধিঅভিযান জনপ্রশাসনেও আসছে, দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন, সমাজের অসঙ্গতি এখন দূর করব। একে একে সব ধরতে হবে। জানি কঠিন কাজ কিন্তু আমি করব।

    দুর্নীতির অভিযোগে ছাত্রলীগের শোভন-রাব্বানীকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন ক্যাসিনোগুলোতে অভিযান চলছে। অ্যাকশন নেয়া হচ্ছে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে।

    গত ১৮ সেপ্টেম্বর অবৈধ জুয়া ও ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণের যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পাশাপাশি তার মালিকানাধীন রাজধানীর ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাবে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থসহ ১৪২ জনকে আটক করেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    গত শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কলাবাগান ক্রীড়াচক্র ক্লাবে অভিযান চালিয়ে এর সভাপতি ও বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শফিকুল আলম ফিরোজসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

    taka-1

    একই দিন রাজধানীর গুলশানের নিকেতনের অফিসে অভিযান চালিয়ে জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেডের মালিক এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। অভিযানে এক কোটি ৮০ লাখ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১৬৫ কোটি টাকার ওপরে এফডিআর (স্থায়ী আমানত) পাওয়া যায়।

    জি কে শামীম সচিবালয়, র‌্যাব হেড কোয়ার্টার, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, পঙ্গু হাসপাতালসহ বড় বড় ১৭ প্রকল্পের প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার ঠিকাদারি কাজ করছেন। অভিযোগ উঠেছে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করে এসব কাজ বাগিয়েছেন শামীম।

    প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যোগসাজশে জি কে শামীমকে সরকারের বিভিন্ন কাজের টেন্ডার পেয়েছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে। অভিযুক্তদের খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না- জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘এটা নিয়ে তো আলাপ-আলোচনা হচ্ছে, ভাবা হচ্ছে। আমাদের তো নির্বাহী ইশতেহার রয়েছে- আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। সে হিসেবেই আমরা ব্যাপারটি দেখছি। একটা সময় নেয়া হয়েছে, আমরা সবগুলোই দেখব ইনশাআল্লাহ।’

    শুদ্ধি অভিযান কী প্রশাসনেও আসছে- জানতে চাইলে ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘অবশ্যই, আমরা খুব শক্তভাবে এটা করব। আমরা তরুণদের ওপর যথেষ্ট নজর রাখছি।’

    তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এগুলোর সঙ্গে যারা জড়িত…তাহলে তো বিষয়গুলো এসেই যাচ্ছে।’

    taka-1

    মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মানুষের জীবন মান বাড়াতে চাই। অবকাঠামোগত উন্নয়ন আমরা করছি। ব্যাপকভাবে কাজগুলো করার ক্ষেত্রে দুর্নীতি একটা সমস্যা। এটা কারা করছে, কীভাবে করছে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছেন। প্রত্যেকটি সেক্টরকে ধরা হবে, সেটা ইঙ্গিত দেয়া হচ্ছে।’

    ‘সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, সেজন্য কার্যকরী ভূমিকা নেয়া ইতোমধ্যে শুরু করেছে, যেটা দৃশ্যমান হয়েছে। এটা আরও ব্যাপকভাবে দেখা যাবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান নিজের ঘর থেকেই শুরু হয়েছে, এটা মহত্মের পরিচয়। যেখানে যেটা পাওয়া যাবে, সেখানেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রশাসনের অনেকে মনে করতে পারেন, যা করছেন কেউ হয়তো দেখছে না। এটা মনে করার কোনো কারণ নেই।’

    প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, দুর্নীতির বিষয়টি তো আছেই। সাম্প্রতিক সময়ে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নারী কেলেঙ্কারির বিষয়টিও জোরেশোরে আলোচিত হচ্ছে। অনেকের বিরুদ্ধেই নৈতিক স্খলনের অভিযোগ উঠছে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নজির চোখে পড়ছে না। এ অবস্থায় কেউ কেউ বেপরোয়া হয়ে উঠছেন।

    গত মাসের (আগস্ট) শেষ দিকে জামালপুরের ডিসি আহমেদ কবীরের আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওটিতে আহমেদ কবীরের সঙ্গে তার অফিসের এক নারীকর্মীকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়। ওই ঘটনায় জামালপুরসহ সারাদেশের মানুষের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তোলপাড় চলে প্রশাসনে। এই ঘটনা পুরো প্রশাসনকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দেয়।

    পরে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে আহমেদ কবীরকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। তদন্ত কমিটি গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    এর আগে বিয়ে না করে বান্ধবীকে নিয়ে সংসার করার অভিযোগ ওঠে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ ইমতিয়াজের বিরুদ্ধে।

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পেলেন ‘ভ্যাকসিন হিরো’ সম্মাননা

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পেলেন ‘ভ্যাকসিন হিরো’ সম্মাননা

    বাংলাদেশে শিশুদের টিকাদান কর্মসূচির অনন্য সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ভ্যাকসিন হিরো’ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

    জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে এই পুরস্কার দেয় গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাক্সিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই)।

    গতকাল সোমবার শেখ হাসিনাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর হাতে পুরস্কারটি তুলে দেন জিএভিআই বোর্ডের চেয়ার নগচি ওকোনজো-আইয়েলা।

    সম্মাননা পাওয়ার পর শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ পুরস্কার আমার না। এটা বাংলাদেশের জনগণকে আমি উৎসর্গ করলাম।’

    টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কঠোর পরিশ্রম এখন বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করার বিষয়ে আমরা বরাবরই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘ভিশন ২০২১ ও ভিশন ২০৪১-এর মাধ্যমে আমরা দেশকে এমন একপর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই, যেখানে সবার জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও পর্যাপ্ত পুষ্টি নিশ্চিত হবে।’

    বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে অব্যাহত সমর্থন ও ভূমিকা রেখে চলায় ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সসহ অন্য অংশীজনদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘টিকাদান কর্মসূচি বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যের সাফল্যের গল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

    ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স নামে পরিচিত সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা জিএভিআই টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে সারা বিশ্বে কোটি কোটি শিশুর জীবন রক্ষায় ভূমিকা রাখছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, সুস্থ-সবল শিশুরা বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি সুস্থ প্রজন্ম খুবই দরকার। সুস্থ নতুন প্রজন্মই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের উন্নত ও সমৃদ্ধি সোনার বাংলা গড়বে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পোলিও, কলেরা ও নানা ধরনের সংক্রামক রোগমুক্ত হয়েছে।

    মিয়ানমারের রাখাইন থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব মানুষ বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, মিয়ানমারে এসব মানুষ যথাযথ স্বাস্থ্য সুবিধা পায়নি। কিন্তু বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া এসব মানুষের স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করতে অসাধারণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাদের টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা হয়।

    অনুষ্ঠানে জিএভিআইয়ের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা সেথ বার্কলে বক্তব্য দেন। এ সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিমও উপস্থিত ছিলেন।

  • গণপূর্তমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    গণপূর্তমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    রাতুল হোসেন রায়হান:

    গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বরিশাল আগমনে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সার্কিট হাউসে মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

    এসময় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    একটি সুত্র জানায়- মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এই সাংসদের সাথে সাক্ষাত করে সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি আগামীদিনগুলোতে কাজের গতি বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালি করতে সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন।

  • বরিশাল র‌্যাবের অভিযানে উগ্রপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত দুই জঙ্গি গ্রেপ্তার

    বরিশাল র‌্যাবের অভিযানে উগ্রপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত দুই জঙ্গি গ্রেপ্তার

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::

    বরিশাল র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) অভিযানে দুই জঙ্গি গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাদের রাজধানীর ধানমন্ডি ও খিলগাঁও এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসা হয়েছে।

    গ্রেপ্তাররা হচ্ছেন- ফরিদপুরের নগরকান্দা থানাধীন জুঙ্গুরদী গ্রামের মৃত ফিরোজ শরীরের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (৩২) এবং বরিশালের হিজলা উপজেলার হরিনাথপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে জাকির হোসাইন (৩১)।

    সোমবার দুপুরে বরিশাল শহরের র‌্যাব সদর দপ্তর থেকে প্রেরিত এক ইমেল বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    বরিশাল র‌্যাব অফিস সূত্র জানায়- গ্রেপ্তারদের মধ্যে আব্দুল্লাহ ছদ্মবেশে উগ্রপন্থী কর্মকান্ড নতুনভাবে দেশব্যাপী গুছিয়ে আনতে পরিকল্পনা মোতাবেক কাজ করে আসছে। সে ১৯৯৭-২০০২ পর্যন্ত ফরিদপুরের নগরকান্দার স্থানীয় মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে। ২০০৫ সালে রাজধানীর রামপুরার দাওরা হাদিস এবং ২০০৬ সালে ঢাকা হতে মাস্টার্স পাশ করে। ২০০৭ সালে মাদারীপুরের শিবপুর ও ২০০৮ সাল থেকে ঢাকার ধানমন্ডিতে ইমামতীর মাধ্যমে কর্ম জীবন শুরু করে।

    কিন্তু সে ২০১৫ সালের শুরুতে শীর্ষ জেএমবি তরিকুল ইসলাম ওরফে সাকিবের সান্নিধ্যে জেএমবি কর্মকান্ডে অনুপ্রাণিত হয় এবং দাওয়াতি কাজ পরিচালনার জন্য ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, সাতক্ষীরা, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গমন করেন।

    অনুরুপভাবে গ্রেপ্তার জাকির হোসাইনও বরিশালের হিজলা উপজেলার একটি মাদ্রাসা থেকে ২০০৪ সালে দাখিল ও ২০০৬ সালে আলিম পাশ করে। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে সে রাজধানী ঢাকার একটি মাদ্রসা থেকে অনার্স এবং ২০১৫ সালে মাস্টার্স পাশ করে।

    এর পরে তার কর্ম জীবন শুরুতে সেও শীর্ষ জেএমবি তরিকুল ইসলাম সাকিবের জেএমবি কর্মকান্ডে অনুপ্রাণিত হয়। এবং দাওয়াতি কাজ পরিচালনার জন্য ঢাকা, খুলনা, সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গমন করে। বর্তমানে সে তার নিজের পেশার আড়ালে ছদ্মবেশে উগ্রপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত।

    র‌্যাবের দাবি- গ্রেপ্তারের পরে জিজ্ঞাসাবাদে দুইজনই জঙ্গি কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাদের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানায় র‌্যাব।

  • কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি জয়কে মিষ্টিমুখ করালেন বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান

    কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি জয়কে মিষ্টিমুখ করালেন বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান

    বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ায় বরিশালের কৃতি সন্তান আল নাহিয়ান খান জয়কে বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলহাজ্ব গোলাম ফারুক মিষ্টিমুখ করিয়েছন।

    সোমবার সকালে আল নাহিয়ান খান জয় পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী) ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপির সঙ্গে ঢাকায় তার বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাত করতে গেলে সেখানে উপস্থিত বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক তাকে মিষ্টি মুখ করান।

  • হাসানাত আব্দুল্লাহ’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি জয়

    হাসানাত আব্দুল্লাহ’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি জয়

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক, বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি (মন্ত্রী পদ মর্যাদা) আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়।

    সোমবর (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে দিকে ছাত্রলীগ নেতারা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি’র ঢাকার বাস ভবনে সাক্ষাৎ করেন।

    এসময় তার সঙ্গে ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

    ছাত্রলীগের একটি সুত্র জানায়- তাদের কেন্দ্রীয় নেতা আল নাহিয়ান জয় বরিশালের এই সাংসদের সাথে সাক্ষাত করে আর্শিবাদ চেয়েছেন। পাশাপাশি আগামীদিনগুলোতে সংগঠনের গতি বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালি করতে সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন।

    অবশ্য এই সময় পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (মন্ত্রী পদমর্যাদা) আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপিও সহযোগিতার হাত বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    সাম্প্রতি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রেজানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সম্পাদক গোলাম রাব্বানী সরিয়ে দেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফলে সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুসারে ১ নম্বর সিনিয়র সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান জয় সভাপতি এবং সম্পাদকের দায়িত্ব পান যুগ্ম সম্পাদক লেখক ভট্টচার্য।

  • বরিশালে যুবলীগ নেতার আস্তানায় পুলিশের হানা, গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৫

    বরিশালে যুবলীগ নেতার আস্তানায় পুলিশের হানা, গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৫

    বরিশাল যুবলীগ নেতা অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকন ওরফে মামা খোকনের আস্তানায় হানা দিয়েছে পুলিশ। শহরের নাজিরের পুল এলাকার ‘নবজাগরণ’ ক্লাবটিতে সোমবার সকালে পুলিশ হানা দিয়ে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এসময় সেখান থেকে এক কেজি গাঁজা ও জুয়া খেলার সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই সময় রফিকুল ইসলাম মামা খোকনকে সেখানে পাওয়া যায়নি।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বশির আহম্মেদের নেতৃত্বে একটি টিম এই অভিযান চালিয়েছেন।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং ২ নম্বর প্যানেল মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকন আওয়ামী লীগের গত ১০ বছরের শাসনামল থেকে ক্লাবটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন। এর আগে ২০০১ সালের দিকে এই ক্লাবটি বরিশাল মহানগর বিএনপি নেতা সৈয়দ আকবর হোসেনের নিয়ন্ত্রণে ছিল।

    পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আসলে ক্লাবটি নিয়ন্ত্রণ যুবলীগ নেতা মামা খোকন। এরপর থেকে সেখানে প্রতিদিন সন্ধ্যা রাত থেকে ভোর রাত পর্যন্ত জুয়া ও মাদকের আসর বসতো। ক্ষমতাসীনদের শেল্টারে ক্লাবটি পরিচালিত হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছিল নিশ্চুপ।

    বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে- সাম্প্রতিকালে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা ফেন্সি আজিম গ্রেপ্তারের পরে ক্লাবটি বন্ধ করে দেয় পুলিশ। কিন্তু সপ্তাহ না ঘুরতেই ক্ষমতার জোরে ফের ক্লাবটি করেন রফিকুল ইসলাম খোকন।

    বরিশাল কোতয়ালি পুলিশ জানায়- গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ক্লাবটি থেকে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় ক্লাব থেকে এক কেজি গাঁজা ও জুয়া খেলার সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।

    এই ঘটনায় একটি মামলা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    কিন্তু এই মামলায় যুবলীগ নেতা মামা খোকন আসামি হচ্ছেন কী না এমন প্রশ্নে কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল ইসলাম বলেন- বিষয়টি নিয়ে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা চলছে। তবে এই ঘটনায় যদি যুবলীগ নেতার সম্পৃক্ততা থাকে তাহলে তাকে অবশ্যই আসামি করা হবে।’

  • বরিশাল জেলা ছাত্রলীগ নেতার ভাই’র মৃত্যুতে বিসিসি মেয়র’র শোক প্রকাশ

    বরিশাল জেলা ছাত্রলীগ নেতার ভাই’র মৃত্যুতে বিসিসি মেয়র’র শোক প্রকাশ

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হান্নান বাপ্পীর বড় ভাই মনির হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    পাশাপাশি তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকার্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

  • নগরীতে অবৈধ ৭৮ বহুতল ভবনের নির্মান কাজ বন্ধ করে দিলো বিসিসি

    নগরীতে অবৈধ ৭৮ বহুতল ভবনের নির্মান কাজ বন্ধ করে দিলো বিসিসি

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    ‘বরিশাল সিটি কর্পোরেশন’ এই নামটি বর্তমানে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যাবে দুর্নীতি মুক্ত, স্বচ্ছ এবং জনগণের সেবায় নিয়োজিত একটি দপ্তর। কিন্তু বিগত মেয়রদের আমলে এই দপ্তরটি ছিল অনিয়ম, দুর্নীতি আর জনমানুষের ভোগান্তির অপর এক নাম।

    নানা অনিয়ম, লুটপাট আর দুর্নীতিতে এতই ডুবে গিয়েছিল যে দপ্তরটির প্রায় সাড়ে ৩শ’ কোটি টাকার দেনা হয়ে যায়। আর এই সাড়ে ৩শ’ কোটি টাকার দেনা আগেকার মেয়রদের ধারাবাহিকতায় সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা আহসান হাবিব কামাল রেখে গেছেন নগরভবনে। অবশ্য এ দেনা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে। এর আগে এত দেনা রেখে যাননি অন্য কোনো মেয়র।

    এত বড় অংকের দেনা ও নানা অনিয়মের ভবন হিসেবে খ্যাত বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে নতুনভাবে গত ২২ অক্টোবর ২০১৮ সালে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    তার দায়িত্ব নেওয়ার পরেই বর্তমানে এই দপ্তর তার অতীতের সকল কলঙ্ক মুছে ফিরে পেয়েছে সততা ও ন্যায়ের ধারাবাহিকতা। দায়িত্ব গ্রহণের পর এই দেনা মেটানোই নতুন মেয়র সাদিকের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু নতুন মেয়র সব বাধা অতিক্রম করে নতুন করে জনগণকে সততার নগর ভবন উপহার দিয়েছেন।

    অর্থ সংকট মোকাবিলা করেই মেয়র সাদিক যখন তার স্বপ্নের বরিশাল গড়ার জন্য নগরীকে সাজাতে বিভিন্ন পরিকল্পনা শুরু করেন ঠিক তখনই বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় শহরের বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে নির্মিত অবৈধ ভবনগুলো।

    সাবেক মেয়রদের খামখেয়ালী ও অব্যবস্থাপনার ফলে নগর ভবন থেকে ছাড়পত্র অথবা প্ল্যান পাসের নিয়মের তোয়াক্কা না করে নির্মাণ শুরু হয় এ সকল অবৈধ ভবনের। কিন্তু মেয়র সাদিকের ন্যায় ও সততার কাছে হার মানতে হয় প্রভাবশালী মহলকে।তিনি এ সকল অবৈধ ভবনের কাজ বন্ধ করে দেন এবং এদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন’র আর.আই শাখা সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে বরিশাল নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে অবৈধ ৭৮টি ভবনের কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ায় তাদের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বেশি অবৈধ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে ৩০নং ওয়ার্ডে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানায়, এ সকল ভবনের বেশিরভাগই প্রভাবশালী মহলের। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভবনগুলো হলো- বরিশাল জিলা স্কুল সংলগ্ন একটি বহুতল ভবন, নগরীর বিউটি হল সংলগ্ন একটি বহুতল ভবন, সোহেল চত্বর সংলগ্ন একটি বহুতল ভবনসহ নগরীর উল্লেখযোগ্য বিভিন্ন স্থানে নির্মিত অবৈধ ভবন।

    এ বিষয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসরাইল হোসেন বলেন, ইতোমধ্যে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ৭৮টি ভবনের কাজ আমরা বন্ধ করে দিয়েছি। নগরীতে কোনো অবৈধ ভবন নির্মাণ কাজ করা যাবে না। তবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নিয়মের আওতায় এসে ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করা যাবে।

    জানতে চাইলে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা বেলায়েত হাসান বাবলু বলেন, আমরা সর্বদাই অনিয়ম এবং দুর্নীতির বিপক্ষে। মেয়র মহোদয় অবৈধ ভবন যাতে নগরীতে নির্মাণ না হয় সে ব্যাপারে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। ভবিষ্যতে এ ব্যাপারে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি কাজল ঘোষ বলেন, বর্তমান মেয়র নগরীকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। যার কারণে নগরীতে অবৈধভাবে কোনো ভবন নির্মাণের কাজ না করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সিটি কর্পোরেশনের নিয়মনীতি মেনে যদি কেউ ভবন নির্মাণ করেন সেক্ষেত্রে কোনো বাধা দিচ্ছেন না কেউ। মেয়রের এমন উদ্যোগ আসলেই প্রশংসনীয়। বিগত দিনে এমন উদ্যোগ নেননি কোনো মেয়র।

  • শেখ হাসিনার অ্যাকশন শুরু হয়েছে

    শেখ হাসিনার অ্যাকশন শুরু হয়েছে

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অনিয়মকারী যে দলেরই হোক তাকে পাকড়াও করতে শেখ হাসিনার অ্যাকশন শুরু হয়েছে। দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সারাদেশে এই অ্যাকশন চলবে। এখনও সময় আছে এসবের সঙ্গে জড়িতরা সাবধান হয়ে যান।

    শনিবার বিকেলে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে মন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারকে বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে উসকে দিচ্ছে বিএনপি। যাতে রোহিঙ্গাদের ফেরত না নেয়। আমরা ১১ লাখ রোহিঙ্গার বোঝা আর নিতে পারছি না। দেশবিরোধীরা নির্বাচনে ও আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে এখন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। বিদেশে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে তারা।

    আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনকে ঘিরে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগকে আরও শক্তিশালী করার জন্য দলের মধ্যে থাকা আগাছা ও পরগাছা পরিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। চারদিকে যেহেতু ষড়যন্ত্রের গন্ধ আছে, তাই এদের পরিষ্কার করার এখনই সময়। যেকোনো দুঃসময়ে আওয়ামী লীগের পাশে থাকতে হবে। ওয়ান-ইলেভেনে যেভাবে আন্দোলন করেছে আওয়ামী লীগ, ঠিক সেভাবে সামনের পথ পাড়ি দিতে হবে। তৃণমূলের কর্মীরাই আওয়ামী লীগের শক্তি।

    রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত এনজিওদের বিষয়ে তিনি বলেন, কিছু কিছু এনজিও রোহিঙ্গাদের বিএনপির মতো উসকে দিচ্ছে। কোনো এনজিও যদি মানবিক সেবার আড়ালে সরকারবিরোধী কাজ করে তাদের দরকার নেই। প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের মর্যাদা রক্ষার্থে দলের যেকোনো নেতাকর্মীকে তার অপরাধের জন্য শাস্তি দেয়া হবে। এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত। এ লক্ষ্য নিয়ে শেখ হাসিনা এগিয়ে যাচ্ছেন।

    কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, উপ-দফতর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক, চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সাংসদ জাফর আলমসহ স্থানীয় নেতারা।