Category: রাজণীতি

  • জি কে শামীম ১০ দিনের রিমান্ডে

    জি কে শামীম ১০ দিনের রিমান্ডে

    অবৈধ অস্ত্র ও মাদক মামলায় আলোচিত যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এর মধ্যে অস্ত্র মামলায় পাঁচদিন ও মাদক মামলায় পাঁচদিন। এছাড়া সাত দেহরক্ষীকে অস্ত্র মামলায় চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

    সাত দেহরক্ষী হলেন- দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

    শনিবার তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে নেয়া হয়। এ সময় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম জি কে শামীমের বিরুদ্ধে দুই মামলায় ১৪ দিন ও সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। অন্যদিকে তাদের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদা আক্তার পৃথক পৃথক রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

    এর আগে শনিবার দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আটক যুবলীগ নেতা জি কে শামীম ও তার সাত বডিগার্ডকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করে র‌্যাব।

    গুলশান থানার ডিউটি অফিসার এসআই মো. সাদেক জানান, তাদের বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র ও মানি লন্ডারিংয়ে তিনটি মামলা হয়েছে।

    শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানের নিকেতনের অফিসে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে র‌্যাব। অভিযানে এক কোটি ৮০ লাখ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১৬৫ কোটি টাকার ওপরে এফডিআর (স্থায়ী আমানত) পাওয়া যায়, যার মধ্যে তার মায়ের নামে ১৪০ কোটি ও ২৫ কোটি টাকা তার নামে। পাওয়া যায় মার্কিন ডলার, মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্র।

    চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগ থাকায় রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবে পরিচিত যুবলীগ নেতা শামীমকে ধরতে শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে সাদা পোশাকে শুরু হয় র‍্যাবের অভিযান। বিকেল সাড়ে ৪টায় অভিযান শেষে শামীমসহ আটজনকে আটক করার কথা জানায় র‍্যাব।

    র‌্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জি কে শামীমকে টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, যদি তিনি নির্দোষ হন, তাহলে কোর্টে এগুলোর ব্যাখ্যা দেবেন। আমরা অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিয়েছি, কোর্টে তার বক্তব্য সঠিক হলে তিনি ছাড়া পাবেন।

  • আ’লীগে কোনো আগাছার স্থান হবে না : গণপূর্তমন্ত্রী

    আ’লীগে কোনো আগাছার স্থান হবে না : গণপূর্তমন্ত্রী

    পিরোজপুর প্রতিনিধি ::

    গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী এডভোকেট শ ম রেজাউল করিম বলেছেন আওয়ামী লীগে কোনো আগাছার স্থান হবে না। দলের মধ্যে কোনো চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, সন্ত্রাস, মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের স্থান থাকবে না। আমার আসনে ইতোমধ্যে চাঁদাবাজি বন্ধ করা হয়েছে। যেসব স্থানে এখনো চাঁদাবাজি হচ্ছে সেগুলোও দ্রুত বন্ধ করার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেন তিনি।

    ন, আমি নিজে কোন দিন ঘুষ খাই নি। সন্ত্রাসী, মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের আমি লালন-পালন করি না। তাই আমার এলাকাতেও এসব চলবে না।

    শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) নেছারাবাদে সন্ধ্যা নদীতে নতুন ফেরি সার্ভিস চালু উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সভায় তিনি একথা বলেন।

    নেছারবাদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবুর সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য শাহ আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এম এ হাকিম হাওলাদার, জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন এবং আওয়ালী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

  • এবার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কালো তালিকাভুক্ত ২৭ এমপি

    এবার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কালো তালিকাভুক্ত ২৭ এমপি

    অনলাইন ডেস্ক :

    শুধু ছাত্রলীগ, যুবলীগ নয়, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এমনকি মন্ত্রী, এমপিদেরও অপকর্মের তদন্ত করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একটি সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং প্রধানমন্ত্রীর একটি নিজস্ব টিম এই কাজ প্রায় সম্পন্ন করে ফেলেছে।
    সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিভিন্ন অপরাধ এবং অনৈতিক তৎপরতার সঙ্গে যুক্ত ২৭ জন এমপিকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এরা দলের জন্য ক্ষতিকর। এমপি হয়ে এরা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত বলে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রী তার নিজস্ব টিম দিয়ে এই অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখছেন। ধারণা করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী ফিরে আসার পর এমপিদের বিরুদ্ধেও এই ক্রাশ প্রোগ্রাম অব্যাহত করা হবে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আরও বলছে, এই ২৭ জন এমপির মধ্যে ঢাকার এমপি অন্তত তিনজন। এদের একজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শ্মশানঘাটের জমি দখল করার অভিযোগ রয়েছে। আরেক এমপির বিরুদ্ধে রয়েছে টেন্ডারবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসীদের লালন পালনের অভিযোগ।

    বিভিন্ন সূত্র বলছে, মতিঝিল এলাকায় যেমন যুবলীগের ক্যাসিনোর বিষয়ে সাংসদ রাশেদ খান মেননের সম্মতি ছিল ঠিক তেমনি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে এমপিদের যোগসাজশ রয়েছে বলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ঢাকা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জের একজন প্রভাবশালী এমপি যার সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব দেখা দেয় তাকেও কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বরিশাল, যশোর, রাজশাহীসহ অন্তত ১৭টি জেলার ২৭ এমপির বিরুদ্ধে এ ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রধানমন্ত্রী এসব অভিযোগের ব্যাপারে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি গ্রহণ করেছেন। তিনি একাধিক শীর্ষ নেতাকে বলেছেন, শুধুমাত্র ছাত্রলীগ, যুবলীগ নয় যারাই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি এটাও বলেছেন যে, দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এমপিদের বিরুদ্ধে নানারকম অবৈধ তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে। তাদেরকে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা সতর্ক করে দিয়েছেন। শেষ সতর্কবার্তা যদি তারা গ্রহণ না করেন সেক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আরও বলছে, সংগঠনের নামে কেউ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি করলে বা সন্ত্রাসীকে লালন করলে তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কাউন্সিলের আগে দলের একটি ক্লিন ইমেজ আওয়ামী লীগ সভাপতি তৈরি করতে চান। এই ক্লিন ইমেজের অংশ হিসেবেই তিনি এই অভিযানের নির্দেশ দিয়েছেন বলে দলের শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছেন।

  • বিএনপি ঢাকাকে ক্যাসিনোর শহর বানিয়েছিলো: কাদের

    বিএনপি ঢাকাকে ক্যাসিনোর শহর বানিয়েছিলো: কাদের

    অনলাইন ডেস্ক :

    বিএনপি ঢাকাকে ক্যাসিনোর শহর বানিয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ অভিযোগ করেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, এমন নয় যে নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা কিছু ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা প্রথম ৮-৯ মাসেও ব্যবস্থা নিয়েছি। তাদের (বিএনপি) সময় এই ক্যাসিনোগুলো ছিল। তখন তো তারা কোনো অ্যাকশন নেয়নি।

    তিনি আরও বলেন, আমার বক্তব্য হচ্ছে বিএনপি যা করতে পারেনি সেটা আওয়ামী লীগ সরকার করছে। খালেদা জিয়া সরকার যা পারেনি, সেটা শেখ হাসিনা সরকার করছে। এতে সরকার এবং দলের ভাবমূর্তি বাড়ছে। সেটাই বিএনপির গাত্রদাহের কারণ।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, শুধু ছাত্রলীগ, যুবলীগ নয় আওয়ামী লীগের যারা এই সব কাজ করছে তাদের মনে রাখা উচিত, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

  • নালিশ শুনতে চাই না, ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি : প্রধানমন্ত্রী

    নালিশ শুনতে চাই না, ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোনো নালিশ শুনতে চাই না। ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি। নিজেদের ইমেজ বাড়াতে হবে। নীতি আদর্শ নিয়ে চলতে হবে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল দেখা করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, সমাজের অসঙ্গতি এখন দূর করুন। একে একে এসব ধরতে হবে, আমি করব। জানি কঠিন কাজ কিন্তু করব। জানি বাধা আসবে, কিন্তু আমি করবই।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

    ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি মো. ইব্রাহীম, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয়, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি মেহেদী হাসান, সাধারণ সম্পাদক মো. জোবায়ের আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় দেখা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

  • প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ধৃষ্টতা দেখালে পিঠের চামড়া থাকবে না : আল নাহিয়ান খান জয়

    প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ধৃষ্টতা দেখালে পিঠের চামড়া থাকবে না : আল নাহিয়ান খান জয়

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কেউ ধৃষ্টতা দেখালে ‘তাঁর পিঠের চামড়া থাকবে না’ বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান। বিএনপিকে একটি ‘ষড়যন্ত্রকারী দল’ হিসেবেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

    ১৫ আগস্ট নিয়ে কটূক্তি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুকে গ্রেপ্তার ও বিএনপির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক ছাত্র সমাবেশে আল নাহিয়ান খান এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

    সম্প্রতি শামসুজ্জামান একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘উসকানিমূলক মন্তব্য’ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বলেন, ‘শামসুজ্জামান টক শোতে বড় বড় কথা বলেন। তাঁকে বলব, টক শোতে বড় কথা না বলে পারলে রাজপথে এসে মোকাবিলা করুন। তাঁর বিরুদ্ধে জেলায় জেলায় মামলা শুরু হয়ে গেছে। শামসুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ছাত্রলীগ মাঠে থাকবে।’

    বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সমালোচনা করে আল নাহিয়ান বলেন, ‘ছাত্রদলে ছাত্রদের লেশমাত্র নেই। এটি একটি অযোগ্য সংগঠন। বুড়ো-বাবাদের এই সংগঠনকে ছাত্রসমাজ বয়কট করবে, এটিই স্বাভাবিক।’

    ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, আগামীকাল ছাত্রলীগের প্রতিটি ইউনিট থেকে শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। এই সমাবেশ থেকে তাঁকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো।

    গতকাল বুধবার রাতে কাউন্সিলের মাধ্যমে হওয়া ছাত্রদলের কমিটিকে ‘নিশি কমিটি’ হিসেবে আখ্যা দেন সমাবেশের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার চেষ্টা করলে ছাত্রলীগ ‘দাঁতভাঙা জবাব’ দেবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

    বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘ছাত্রলীগে ভাই ও প্রটোকলের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। গেস্টরুম করানোর নামে কেউ ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রবিরোধী কিছু করলে তাঁর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

    বিএনপির নেতা শামসুজ্জামানের ‘উসকানিমূলক বক্তব্যের’ প্রতিবাদে আজ দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার চার শীর্ষ নেতার নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। মিছিলটি রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে ছাত্র সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশ শেষে শামসুজ্জামানের কুশপুত্তলিকা দাহ করে প্রতিবাদ জানানো হয়।

  • বাবা হলেন ভিপি নুর, স্ত্রী বললেন সন্তানের কথা বলতে চাই না

    বাবা হলেন ভিপি নুর, স্ত্রী বললেন সন্তানের কথা বলতে চাই না

    অনলাইন ডেস্ক ::

    সন্তানের বাবা হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর। এটি খুশির খবর হলেও বিষয়টি নিয়ে লুকোচুরি খেলছেন নুর ও তার স্ত্রী এবং পরিবারের সদস্যরা।

    ভিপি নুরের প্রতিবেশী ও স্ত্রী মরিয়ম আক্তার লুনার আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছেন ভিপি নুর। বিষয়টি গ্রামবাসী জানলেও নুর ও লুনার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি লুকিয়ে রাখতে চাইছেন।

    তবে বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু মুন্সি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছেন ভিপি নুর।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে চরবিশ্বাস ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাতেম আলীর মেয়ে মরিয়ম আক্তার লুনাকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন নুর। নুরের স্ত্রী লুনা গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি হলে পটুয়াখালী চলে যান লুনা। বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা তিনি।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ডাকসু ভিপি নির্বাচিত হওয়ার সময় নুরের স্ত্রী লুনা অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। গত ২১ মার্চ রাজধানীর ধানমন্ডির গ্রীন লাইফ হাসপাতালে এক কন্যাসন্তান জন্ম দেন লুনা। কয়েক দিন আগে নুর ও তার স্ত্রী-সন্তানের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ছবিতে দেখা যায় ভিপি নুরের পাশে শিশু কোলে নিয়ে এক নারী দাঁড়িয়ে আছেন। ওই নারী ভিপি নুরের স্ত্রী এবং স্ত্রীর কোলে থাকা শিশুটি নুরের সন্তান বলে প্রচার পায়। এরই মধ্যে নুরের প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে স্ত্রী-সন্তানের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।

    গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু মুন্সি বলেন, ভিপি নুর কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই। গত মার্চ মাসে বাবা হয়েছেন নুর। তবে বিষয়টি কাউকে জানায়নি নুর এবং নুরের পরিবার।

    এ বিষয়ে চরবিশ্বাস ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও নুরের শ্বশুর হাতেম আলী বলেন, নাতি হয়েছে তা জানা কি দরকার। কারও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলা উচিত নয়।

    সন্তানের কথা জানতে চাইলে ভিপি নুরের স্ত্রী মরিয়ম আক্তার লুনা বলেন, কেমন উল্টাপাল্টা তথ্য জানতে চাইছেন বলেন তো? কালকে দেখলাম একটি সংবাদমাধ্যমে আমাদের সন্তান নিয়ে উল্টাপাল্টা সংবাদ করে রেখেছে। আজ আবার আপনি জানতে চাইছেন সন্তানের কথা। আজব বিষয়। এর আগেও আমাদের বিয়ে নিয়ে আজেবাজে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। অথচ পারিবারিকভাবে আমাদের বিয়ে হয়েছে।

    মরিয়ম আক্তার লুনা আরও বলেন, একজন মানুষ সম্পর্কে বিস্তারিত না জেনে কিছু লেখা ঠিক নয়। অনেকেই মনে যা আসে লিখে দেয়। এসব ঠিক নয়। আমাদের সন্তান হয়েছে কি হয়নি তা ব্যক্তিগত বিষয়। বিষয়টি জানাতে আমি আগ্রহী না। এ বিষয় নিয়ে আমি সংবাদমাধ্যমে কথা বলতে চাই না।

    ভিপি নুরুল হক নুরের মোবাইল নম্বরে কল দিয়ে সন্তানের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে পরে কথা বলব। আমি এখন একটু ব্যস্ত আছি ভাই।

  • শেখ হাসিনার শাসনামল গণমাধ্যমের জন্য স্বর্ণালী যুগ : গণপূর্তমন্ত্রী

    শেখ হাসিনার শাসনামল গণমাধ্যমের জন্য স্বর্ণালী যুগ : গণপূর্তমন্ত্রী

    গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, শেখ হাসিনার শাসনামল গণমাধ্যমের জন্য স্বর্ণালী যুগ। শেখ হাসিনার সময়ে সব গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারে।

    রেজাউল করিম বলেন, একটি মিথ্যা সংবাদ একজন মানুষের জন্য চরম ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই একটি সংবাদ পরিবেশনের আগে এর সঙ্গে জড়িতকে ভালো করে যাচাই-বাছাই করে নেওয়া উচিত।

    স্থানীয় সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মফস্বলের সাংবাদিকতা অনেক কঠিন। আপনারা এ কঠিন কাজে জড়িত। সাংবাদিকতা মানুষের ভুলকে শুধরে আলোর পথ দেখায়। আমি স্থানীয় (পিরোজপুর-১) এমপি হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি, আমার চলার পথে কোনো ভুল বা দুর্নীতি থাকলে তা আপনারা প্রকাশ করবেন।

    বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পিরোজপুরের নাজিরপুরে সাংবাদিকতায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    নাজিরপুর উপজেলা কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সম্মেলন কক্ষে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদের সভাপতিত্বে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে বক্তব্য রাখেন- পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু আলী সাজ্জাদ হোসেন, জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ প্রমুখ।

    প্রশিক্ষণে জেলার নাজিরপুর ও স্বরূপকাঠী উপজেলার ৩৬ জন বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকার সাংবাদিকরা অংশ নেন।

    পরে মন্ত্রী পিরোজপুরে সার্কিট হাউজের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আরও একটি প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। ওই প্রশিক্ষণে জেলার ৪০ জন সাংবাদিক অংশ নেন।

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি : দুদুর বিরুদ্ধে মামলা

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি : দুদুর বিরুদ্ধে মামলা

    অনলাইন ডেস্ক :: শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা ও হত্যার হুমকি দেয়ার অভিযোগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।ৎ

    আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লার আদালতে মামলাটি করেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমদ। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ দেবেন বলে জানান

    মামলার বাদী মহিউদ্দিন আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ডিবিসির টকশোতে শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন শেখ মুজিব যেভাবে বিদায় নিয়েছেন, শেখ হাসিনাকেও সেভাবেই বিদায় নিতে হবে।

    তিনি বলেন, এই বক্তব্যের মাধ্যমে দুদু প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। প্রধানমনন্ত্রীকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এই বক্তব্যও হত্যাচেষ্টার সামিল। তাই আদালতে এ মামলা দায়ের করেছি।

  • প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জয়-লেখকের সঙ্গে চার নেতার রুদ্ধদ্বার বৈঠক

    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জয়-লেখকের সঙ্গে চার নেতার রুদ্ধদ্বার বৈঠক

    অনলাইন ডেস্ক ::

    ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছন সংগঠনটির দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের চার কেন্দ্রীয় নেতা।

    বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে।

    ওই সূত্রের তথ্যানুযায়ী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, মো. আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে বৈঠক করেন।

    বৈঠকে উপস্থিত এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আমরা বৈঠক করেছি। ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত নেতাদের আমরা ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা সংক্রান্ত বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছি। আমাদের নেত্রীই আমাদের তাদেরকে নির্দেশনা দেয়ার দায়িত্ব দিয়েছেন। নেত্রী যেভাবে তাদের গাইড করতে বলেছেন আমরা সে অনুযায়ী গাইড করেছি।’