Category: রাজণীতি

  • ৬০ নম্বরের পরীক্ষা দিয়ে হতে হবে ছাত্রলীগ নেতা!

    ৬০ নম্বরের পরীক্ষা দিয়ে হতে হবে ছাত্রলীগ নেতা!

    অনলাইন ডেস্ক ::

    এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা ছাত্রলীগের বিভিন্ন শাখা কমিটির নেতৃত্বে আসার জন্য পদ প্রত্যাশীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা ও আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য।

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিজ হাতে গড়া এ সংগঠনের নেতৃত্বে আসতে চাইলে ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি ভালো করে পড়ার জন্য মন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। মন্ত্রীর এ নির্দেশনার কথা পদ প্রত্যাশীদের জানিয়ে দিয়েছেন উপজেলা ছাত্রলীগ নেতারা। নেতা নির্বাচনের জন্য ব্যতিক্রমী এই পরীক্ষার মাধ্যমে একটি নতুন অধ্যায়ের সৃষ্টি হতে যাচ্ছে বলে করছেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আখাউড়া উপজেলার মেয়াদোত্তীর্ণ ধরখার, মনিয়ন্দ ও মোগড়া ইউনিয়নসহ কয়েকটি ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলনের প্রস্তুতি চলছে। এখনও সম্মেলনের দিন-তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। তবে আইনমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন-আদর্শ সম্পর্কে ভালো করে জেনে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েই ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আসতে হবে। এ জন্য ওই ইউনিয়নগুলোতে পদ প্রত্যাশীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন মন্ত্রী। উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাদের মাধ্যমে মন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বই পড়া শুরু করেছেন পদপ্রত্যাশীরা। ওই দুইটি বই থেকেই পরীক্ষায় প্রশ্ন আসবে বলে পদপ্রত্যাশীদের জানানো হয়েছে। মন্ত্রী আনিসুল হকের উপস্থিতিতেই পরীক্ষা নেয়া হবে বলে জানা গেছে।

    লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেয়ার পর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকেই নেতা নির্বাচিত করা হবে। নেতৃত্ব বাছাইয়ে পরীক্ষার বিষয়টিকে ভালোভাবেই নিয়েছেন নেতাকর্মীরা। বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা কাজ করছে। পাঁচটি ইউনিয়ন ও জংশন শাখা সম্মেলনের প্রস্তুতি হিসেবে সভাপতি ও সম্পাদক পদ প্রত্যাশীদের মধ্যে ফরম বিক্রি শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ৪০টি ফরম বিক্রি হয়েছে বলে জানা গেছে।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আখাউড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহবুদ্দিন বেগ শাপলু বলেন, আমরা সৃজনশীল পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষা নেব। পাশাপাশি মৌখিকও নেয়া হবে। সব মিলিয়ে ৬০ নম্বরের পরীক্ষা হতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, অনেকেই বঙ্গবন্ধুর জীবন-আদর্শ সম্পর্কে জানে না। নেতা নির্বাচনের জন্য পরীক্ষার মাধ্যমে তারা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানতে পারবেন-শিখতে পারবেন। ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইয়ের ওপরই আমরা পরীক্ষা নেব। এই পরীক্ষার মাধ্যমে একটি নতুন অধ্যায় সৃষ্টি হবে।

  • সন্তানের বাবা ভিপি নুর!

    সন্তানের বাবা ভিপি নুর!

    অনলাইন ডেস্ক ::

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচিত ভিপি ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহবায়ক নুরুল হক নুরের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, ভিপি নুরের পাশে একটি শিশু কোলে নিয়ে এক নারী দাঁড়িয়ে আছেন। সেই নারী এবং শিশুর সঙ্গে ভিপি নূরের সম্পর্ক কি তা জানতে খোঁজ করতে গেলে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই নারী ভিপি নূরের স্ত্রী মারিয়া আক্তার লুনা। তিনি পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার মধ্য চর বিশ্বাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

    পটুয়াখালীর চর বিশ্বাসে গিয়ে জানা যায়, ২০১৬ সালে চর বিশ্বাস ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাতেম আলীর মেয়ে মারিয়াকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন নুর। নুরের স্ত্রী লুনা বিয়ের পূর্বে গার্হস্থ অর্থনীতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার চাকুরী হলে তিনি পটুয়াখালীতে চলে যান। জানা যায়, চলতি বছরের ২১ মার্চ লুনা রাজধানীর ধানমন্ডির গ্রীন লাইফ হাসপাতালে একটি কন্যা সন্তান জন্ম দেন।

    বাংলাদেশের ছাত্র সংগঠনগুলোর বেশিরভাগেই বিবাহিতদের সংগঠনের দায়িত্বশীল পদে না রাখার নিয়ম রয়েছে। তবে নুরের সংগঠন- সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদে এমন কোনো নিতিমালা নেই বলে জানা গেছে। ডাকসুর গঠনতন্ত্রে নেতাদের বিয়ে নিয়ে তেমন কিছু বলা নেই। তবে বিবাহিত কারো ডাকসুর মতো জায়গার নেতৃত্বে থাকা নৈতিকভাবে কতটা সঠিক তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

    এদিকে এ বিষয়ে জানার জন্য ভিপি নুরকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

  • বরিশালে ৫ মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত যুবদল নেতা গ্রেফতার

    বরিশালে ৫ মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত যুবদল নেতা গ্রেফতার

     

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি ::

    বরিশালের বাবুগঞ্জে ৫ মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত হযরত আলী বাবু ওরফে স্টোরের বাবু (২৪) নামের এক যুবদল নেতাকে গ্রেফতার করেছেন পুলিশ।

    গ্রেফতার হওয়া ওই আসামী বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের রাকুদিয়া গ্রামের মোঃ আব্বাস উদ্দিন ফরাজির ছেলে।

    বাবুগঞ্জ থানার ওসি মোঃ মিজানুর রহমান জানান, বিগত দিনের রাজনৈতি কর্মসূচির নামে বিএনপি জামায়াতের দেশব্যাপী নৈরাজ্যসৃষ্টির লক্ষে হরতাল কর্মসূচির নামে গাড়ি ভাংচুর, জালাও পোড়াও,ককটেল নিক্ষেপ’র অভিযোগে রাজধানীর মতিঝিল থানায় দায়েরকৃত রাজনৈতিক ৫ টি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৬ অক্টোবর সোমবার বাবুগঞ্জ থানার এএসআই জয় ব্যনার্জি ও এএসআই কামাল হোসেন’র নেতৃত্বে সংঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে নারায়নগঞ্জ জেলার সোনার গাঁও থানা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আটকৃত হযরত আলী বাবু ওরফে স্টোরের বাবু ঢাকা মতিঝিল থানা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক এবং বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের অনুসারী।

    বুধবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • আমাদের কাজই হচ্ছে জনগণকে সেবা দেয়া : প্রধানমন্ত্রী

    আমাদের কাজই হচ্ছে জনগণকে সেবা দেয়া : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের কাজই হচ্ছে মানুষের জন্য কাজ করা, জনগণকে সেবা দেয়া। আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছি। আমরা দেশের বিভিন্ন স্থানে বিষয়ভিত্তিক ইনস্টিটিউট করে দিয়েছি। সেখানে নার্স লাগবে।

    বুধবার সকালে গাজীপুরের কাশিমপুরে তেতুইবাড়ি এলাকায় অবস্থিত শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি বাংলাদেশে একটি প্রথম আন্তর্জাতিকমানের নার্সিং কলেজ। এ নার্সিং কলেজ থেকে যেসব শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশন করলেন তারা সবাই আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা নিয়েছেন। তাদের দেখে অনেক তরুণ-তরুণী এ নার্সিং পেশায় আসতে আগ্রহী হবে। মানুষের সেবা করার জন্য নার্সিং একটা মহৎ পেশা। আর্তমানবতার সেবায় অভিজ্ঞতা ও অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগাতে গ্র্যাজুয়েট নার্সদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    শেখ হাসিনা বলেন, শিগগিরই এখানে একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হবে। এ জন্য জমিও বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সহসভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজের সিইও মো. তৌফিক বিন ইসমাইল।

    এছাড়া গ্র্যাজুয়েশন বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন মালয়েশিয়ার স্কুল অব মেডিসিন কেপিজে হেলথ কেয়ার ইউনির্ভাসিটি কলেজের উপাচার্য ও ডিন প্রফেসর দাতো ডা. লোকমান সাঈম। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও সরকারি বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • বানাতে চেয়েছেন সিঙ্গাপুর, ডিসির কারণে হয়েছে জামালপুর

    বানাতে চেয়েছেন সিঙ্গাপুর, ডিসির কারণে হয়েছে জামালপুর

    অনলাইন ডেস্ক:

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, আপনার পাশে এইচ টি ইমাম রয়েছেন। আপনার অবশ্যই মনে আছে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের কথা। আপনার পাশে মতিয়া চৌধুরী রয়েছেন, তিনি আপনার বাবার চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বাজাতে চেয়েছিলেন, আপনার পাশে হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেননও রয়েছেন- তারাই আপনার ডুগডুগি বাজিয়ে ছেড়ে দেবে, বিএনপির কিছু করতে হবে না।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সমালোচনা করে আলাল বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের বলেন বালিশ ও পর্দা এগুলো নাকি ছিঁচকে চুরি। ভালো কথা এগুলো যদি ছিঁচকে হয় আপনারা তো বড় গলায় বলেছেন দেশ বানাবো সিঙ্গাপুর। দেশ বানাতে চেয়েছেন সিঙ্গাপুর ডিসির কারণে হয়ে গেছে জামালপুর। আপনারা দেশ বানাতে চেয়েছেন সিঙ্গাপুর, আপনাদের লাখ লাখ টাকার পাথর কয়লা চুরির কারণে এটি হয়েছে দিনাজপুর। দেশ বানাতে চেয়েছেন সিঙ্গাপুর, পর্দা চুরির কারণে হয়ে গেছে ফরিদপুর।

    আজ (সোমবার) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের আয়োজনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আপনি আপনার নিজের স্বার্থে বেগম জিয়াকে মুক্ত করে দেন। বেগম খালেদা জিয়া আপনাকে সাহায্য করতে পারেন। তিনি যা অতীতে বিভিন্ন সময়ে আপনাকে করেছেন। সুতরাং নিজের স্বার্থে এবং গণতন্ত্রের স্বার্থে তার মুক্তির ব্যবস্থা করুন।’

    আলাল বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা ভাই এবং বোনেরা আজকে আপনারা বাংলাদেশের পতাকার অবস্থাটা দেখেন…জাতীয় পতাকা দিয়ে আমাদের বোনদের অন্তর্বাস বানানো হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অ্যামাজন ২০১০ সাল থেকে এই বিজ্ঞাপনটি প্রচার করছে। অশ্লীল…দেখলে গা শিউরে ওঠে। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী এবং আইসিটি মন্ত্রীকে প্রশ্ন করেছেন, তারা উত্তর দিতে পারেননি। প্রত্যেকে বলেছেন, খতিয়ে দেখা হবে। আর কত খতিয়ে দেখবেন আপনারা?’

    যুবদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদক কোটি টাকা আদায় করার জন্য যে নোংরামি করলো তারা বহিষ্কার কেন? তাদের কি আমরা জেলখানায় দেখতে পাবো না? তাদের যারা অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে নষ্ট করলো… এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আখতারুজ্জামান…এটাকে কি ঘাড় ধরে বের করে দেয়া হবে না? জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ছাত্রলীগের নেতাদের সাথে ফুলের মালা নিয়ে মিছিল করেন, তার বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হবে না?

    তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন পত্রিকায় দেখলাম শেখ হাসিনা নাকি কঠোর হচ্ছেন…আরে ভাই শেখ হাসিনা কঠোর ছিলেন নাই বা কবে? শেখ হাসিনার অবৈধ কঠোরতার কারণেই তো আজ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে বন্দি। তার প্রতিহিংসার কারণেই আজকে তারেক রহমান দেশছাড়া।’

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সহ-সভাপতি মিজানুর রহমানের (বীরপ্রতীক) সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাদেক খানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক জয়নুল আবেদীন, বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরীন সুলতানা, চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার প্রমুখ।

  • প্রতিটি বিভাগীয় শহরে হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার চিকিৎসাকেন্দ্র

    প্রতিটি বিভাগীয় শহরে হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার চিকিৎসাকেন্দ্র

    অনলাইন ডেস্ক ::

    জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রায় আট হাজার ৯৬৮ কোটি আট লাখ টাকা ব্যয়সম্বলিত আটটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘বিভাগীয় শহরে সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন’ প্রকল্প।

    এর মধ্যে সরকার দেবে প্রায় আট হাজার ৯৫২ কোটি ৫৯ লাখ এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।

    আজ মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়। একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সভার সভাপতিত্ব করেন।

    সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন।

    পরিকল্পনামন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সভায় অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প যথাক্রমে ‘ময়মনসিংহ (রঘুরামপুর)-ফুলপুর-নকলা-শেরপুর (আর-৩৭১) আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন’ প্রকল্প ও ‘রাজশাহী-নওহাটা-চৌমাসিয়া সড়কের বিন্দুর মোড় হতে বিমানবন্দর হয়ে নওহাটা ব্রিজ পর্যন্ত পেভমেন্ট চার লেনে উন্নীতকরণ’ প্রকল্প; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ‘রাজশাহী মহানগরীর উপশহর মোড় থেকে সোনাদিঘী মোড় এবং মালোপাড়া মোড় হতে সাগরপাড়া মোড় পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন’ প্রকল্প; প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ‘আশ্রয়ণ-২ শীর্ষক’ প্রকল্প; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘জুনোসিস এবং আন্তঃসীমান্তীয় প্রাণিরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ গবেষণা’ প্রকল্প; পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ‘স্ট্রেংদেনিং মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন ক্যাপাবিলিটিজ অব আইএমইড (এসএমইসিআই)’ প্রকল্প; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘ভারতের ঝাড়খণ্ড হতে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানি করার লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার রহনপুর থেকে মনাকষা সীমান্ত পর্যন্ত ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ’ প্রকল্প এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘বিভাগীয় শহরে সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন’ প্রকল্প।

    একনেক সভায় উপস্থিত ছিলেন- অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী।

  • বরিশালে আসছে রেললাইন, তড়িঘড়ি করে নির্মাণ করা হচ্ছে স্থাপনা

    বরিশালে আসছে রেললাইন, তড়িঘড়ি করে নির্মাণ করা হচ্ছে স্থাপনা

    অনলাইন ডেস্ক ::

    নদী-খাল-বিল আর প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যসমৃদ্ধ বৃহত্তর বরিশাল অঞ্চল এবার রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আসছে। তাই দক্ষিণের জনপদের মানুষ এখন স্বপ্ন দেখছে রেল সংযোগের।

    ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে শুরু হয়ে বরিশালের উপর দিয়ে রেল সংযোগ যাবে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার পায়রা সমুদ্র বন্দরে; সেখান থেকে সরাসরি রেললাইন যাবে পর্যটন কেন্দ্র সাগরকন্যা খ্যাত কুয়াকাটায়।

    জানা গেছে, বরিশালের মানুষের স্বপ্নের রেলপথ যোগাযোগ স্থাপন প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে। রেলপথ নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার আগে সম্ভাব্যতা যাচাইসহ প্রকল্প পরিকল্পনার আওতায় বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি ভূমি অধিগ্রহণে সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করছে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানগুলো।

    তবে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মাঠ পর্যায়ে এ মতবিনিময় ও সম্ভাব্যতা যাচাই জরিপের পর ভূমি অধিগ্রহণে সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্তদের জায়গায় বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। তবে একাজ যে শুধু সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্তরা করছেন তাই নয়। এক কথায় অর্থে-বিত্তে একটু স্বচ্ছল ও প্রভাবশালীরাই করছেন এরকম কাজ।

    আবার অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগ উঠছে, চুক্তিতে একজনের জায়গায় অন্য একজন ঘর তুলে দিচ্ছেন। এমনকি সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) আওতায় জমি হলেও কোনো ধরনের প্ল্যান পাস না করিয়ে-ই স্থাপনা তৈরি করছেন অনেকে। যদিও এক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের নোটিশ দেওয়া হচ্ছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ৩ সেপ্টেম্বর বরিশাল নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের শেখেরহাট সংলগ্ন আলতাব হাওলাদারকে কোনো প্ল্যান পাস না করিয়ে স্থাপনা নির্মাণের ঘটনায় নোটিশ দিয়েছে সিটি করপোরেশন। তবে ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় এক্ষেত্রে কোনো বাধা-নিষেধ নেই ওইভাবে।

    যেমনটি ঘটছে ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের ভরতকাঠি গ্রামে। এ গ্রামেও রেল-লাইনের সম্ভাব্য জায়গা নির্ধারণ করে বিভিন্ন বাড়িতে একটি নম্বর লেখা হয়েছে লাল রং দিয়ে। আর সেই নির্ধারণের সূত্র ধরেই শুরু হয়েছে এ গ্রামে নতুন স্থাপনা নির্মাণের হিড়িক।

    যারা স্থাপনা নির্মাণ করছেন, তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রেললাইন প্রকল্প সম্প্রসারণ করলে এসব স্থাপনার জন্য বেশি টাকা বাগিয়ে নিতে পারবেন-সে লক্ষ্যেই এসব কাজ করছেন তারা।

    সরজমিনে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ভরতকাঠি ও বরিশাল নগরের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাশীপুর খানাবাড়ি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে জমি জরিপের অল্প কয়েকদিনের মধ্যে সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে কিছু পাকা স্থাপনা। আবার এসব স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে বাদ যাচ্ছে না চাষাবাদের জমিও।

    এ বিষয়ে বিসিসির ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. হারুন অর রশিদ বলেন, রেল সংযোগে আমার নিজের ১৩ শতাংশ জমি পড়েছে। আমি ২ শতাংশ জমির ওপর একটি টিনসেড ঘর র্নিমাণ করেছি।

    জমি মাপার পর কেন এই ঘর উত্তোলন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুনেছি জমিতে এক আর জমির ওপর ঘর থাকলে সরকার বেশি ক্ষতিপূরণ দেবে। তাই উঠিয়েছি। তবে এলাকায় আমি একা নই, যার যার জমি পড়েছে প্রত্যেকেই পাকা ভবন নির্মাণ করছে।

    একই এলাকার দেলোয়ার হোসেনও তার ১৭ শতাংশ জমির মধ্যে ১২ শতাংশের ওপর পাকা ঘর র্নিমাণ করছেন।

    এদিকে নলছিটির ভরতকাঠি গ্রামেও চলছে একই অবস্থা। এ গ্রামের বাসিন্দা মো. মিজান বলেন, রেললাইনের জন্য সম্ভাব্য জায়গা নির্ধারণ করে বাড়িতে বাড়িতে একটি নম্বর দেওয়া হয়েছে। এরপরই গ্রামের বাসিন্দারা সম্ভাব্য জায়গার হিসেব ধরে ধরে স্থাপনা নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন। এর মধ্যে অনেকেই বেশ প্রভাবশালী।

    সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গা উপজেলা থেকে বরিশাল হয়ে পায়রা বন্দর পর্যন্ত ২১১ দশমিক পাঁচ কিলোমিটার রেলপথের দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আর এ রেললাইনের প্রস্থে ১০০ মিটার জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। যে প্রকল্পের আওতায় ডেভেলপমেন্ট ডিজাইন কনসালট্যান্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিডিসি) হয়ে ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সেফ গার্ড কনসালট্যান্ট (ডিএসসি) মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের সার্ভে কার্যক্রম চালানো হয়। এর মধ্যে বর্তমানে ভূমি অধিগ্রহণে সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করা হচ্ছে। যেখান থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের নানা সুবিধা-অসুবিধার কথা বলা হয়েছে।

    পর্যায়ক্রমে চলমান সব সার্ভে যাচাই-বাছাই করে রেলপথের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। এরপরই শুরু হবে রেলপথ অবকাঠামো নির্মাণের কার্যক্রম।

    পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডিএসসির সুপারভাইজার মো. সরোয়ার জাহান পার্থ বলেন, মাঠ পর্যায়ে ভূমি অধিগ্রহণে সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে। তাদের বিভিন্ন কথা শুনছি এবং ভূমি অধিগ্রহণের বিষয়টি সম্পর্কে সরকারের পদক্ষেপগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরার কাজ করছি।

    এদিকে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের কর্তা ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রেললাইনের জায়গা নির্ধারণ এখনই চূড়ান্ত করা হয়নি, তাই যারা খালি জমিতে স্থাপনা তৈরি বা পরিবর্তন করছেন তারা বেশি লাভের আশায় লোকসানের সম্মুখীন হতে পারেন। আবার পরামর্শক প্রতিষ্ঠানও তাদের জরিপের সময় স্থানের বিবরণ টুকে নিচ্ছেন, এতে স্থাপনা নির্মাণ বা পরিবর্তন করলে কতটা লাভবান হওয়া যাবে তা নিয়েও শঙ্কা রয়েছে।

    এ বিষয়ে বরিশালের জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান সাংবাদিকদের বলেন, যারা অতিলোভে এখন স্থাপনা তৈরি করছেন, কিংবা এসব স্থাপনা তারা নিজেরাও কখনও ব্যবহার করবেন না তারা অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। কারণ সব জায়গা কিন্তু অধিগ্রহণ হবে না এবং কোন জায়গাটি অধিগ্রহণ হবে তাও এখনও সুনির্দিষ্টভাবে অনুমোদিত নয়। অর্থাৎ এখনও প্রশাসনিক অনুমোদন হয়নি।

  • আমি অনুতপ্ত, ক্ষমাপ্রার্থী : রাব্বানী

    আমি অনুতপ্ত, ক্ষমাপ্রার্থী : রাব্বানী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন চাঁদাবাজিসহ নানা অনিয়মের দায়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে বরখাস্ত হওয়া গোলাম রাব্বানী। সোমবার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এ ক্ষমা চান তিনি।

    ছাত্রলীগের পদ হারানোর পর এটি তার প্রথম স্ট্যাটাস। এই স্ট্যাটাসে প্রথমেই তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ক্ষমা চান। তিনি লিখেছেন, ‘মমতাময়ী নেত্রী, আপনার মনে কষ্ট দিয়েছি, আমি অনুতপ্ত, ক্ষমাপ্রার্থী।’

    এরপর তিনি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে লিখেন, ‘প্রিয় অগ্রজ ও অনুজ, আপনাদের প্রত্যাশা-প্রাপ্তির পুরো মেলবন্ধন ঘটাতে পারিনি বলে আপনাদের কাছেও ক্ষমাপ্রার্থী।’

    তিনি ‘গর্হিত কোনো অপরাধ’ করেননি বলে দাবি করেছেন তার স্ট্যাটাসে। রাব্বানী লেখেন, ‘মানুষ মাত্রই ভুল হয়। আমিও ভুলত্রুটির ঊর্ধ্বে নই। তবে বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, স্বেচ্ছায়-স্বজ্ঞানে আবেগ-ভালোবাসার এই প্রাণের সংগঠনের নীতি-আদর্শ পরিপন্থী ‘গর্হিত কোনো অপরাধ’ করিনি।

    তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে ষড়যন্ত্র উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ‘আনীত অভিযোগের কতটা ষড়যন্ত্রমূলক আর অতিরঞ্জিত, সময় ঠিক বলে দেবে।’

    এরপর তিনি আবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে লেখেন, ‘প্রাণপ্রিয় আপা, আপনি আদর্শিক পিতা বঙ্গবন্ধু মুজিবের সুযোগ্য তনায়া, ১৮ কোটি মানুষের আশার বাতিঘর। আপনার দিগন্ত বিস্তৃত স্নেহের আঁচল, এক কোণে যেন ঠাঁই পাই। আপনার ক্ষমা এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে বাকিটা জীবন চলতে চাই।’

    প্রসঙ্গত, চাঁদাবাজিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ছাত্রলীগের শীর্ষ পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে শোভন-রাব্বানীকে। সিনিয়র সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান জয়কে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। শনিবার আওয়ামী লীগের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

    ইতোমধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান আন্দোলনের মধ্যে আনীত দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেও সাবেক ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ও জাবি ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইনের মোবাইল কথোপকথন ফাঁস হয়েছে।

    গত ১৪ সেপ্টেম্বর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদ হারান রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানী।

    সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সংগঠনের ১ নম্বর সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

    রাব্বানীর ওই স্ট্যাটাসের নিচে কমেন্টে রুদ্র ইমরান নামে একজন লিখিছেন, ‘পদবঞ্চিতদের কষ্টটা এখন বুঝতেছেন ভাই। প্রথম আন্দোলনটা তারাই করেছে। কিন্তু আপনি চাইলেই তাদের জন্য কিছু করতে পারতেন। সব কিছু মিলিয়ে শুভ কামনা রহিল।’

    আজহার উদ্দীন শীমুল লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ মি. রাব্বানী। এবার ডাকসু থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে ইতিহাসের সাক্ষী হোন। নৈতিক স্খলনের অভিযোগ কিন্তু ভয়াবহ। ২৮ বছরের অচলায়তন ভেঙে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধুর একজন কর্মী হিসেবে নিশ্চয় নৈতিক স্খলনের অভিযোগ মাথায় রেখে ডাকসুতে জিএস পদে আপনি থাকবেন না। আশা করি, বোধটা জাগবে। ভালো থাকুন। সৎ থাকুন। শুভেচ্ছা।

    আসমাউল মুক্তাদির সিকদার লিখেছেন, ‘কথাটি কিন্তু সঠিক বলেছেন ভাইয়া..!!’ আশরাফুল ইসলাম নামে একজন লিখেছেন, ‘আল্লাহ্ রহম করবেন, ইনশাল্লাহ্। মন থেকে দোয়া ভালোবাসা রইল।

  • আমাদের বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে: রাব্বানী

    আমাদের বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে: রাব্বানী

    অনলাইন ডেস্ক ::

    বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদ হারানো গোলাম রাব্বানীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের সদস্যপদ থেকে অপসারণ বা পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন। এই দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ আখ্যা দিয়ে রাব্বানী বলেছেন, ‘ছাত্রলীগের বিষয়টির সঙ্গে ডাকসু বা সিনেটের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই ডাকসু থেকে পদত্যাগের প্রশ্নই আসে না।’

    সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের সদস্যপদ থেকে ছাত্রলীগের পদচ্যুত সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরীর পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর সন্ধ্যায় প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেন গোলাম রাব্বানী। ছাত্রলীগের পদ হারানোর পর থেকে বিভিন্ন বামপন্থী ছাত্রসংগঠন ও ডাকসু ভিপি নুরুল হক ডাকসু ও সিনেট থেকে রাব্বানীর পদত্যাগ দাবি করে আসছেন।

    ডাকসু বা সিনেট থেকে পদত্যাগ করবেন কি না- প্রথম আলোর এমন প্রশ্নের জবাবে গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘পদত্যাগের প্রশ্নই আসে না। পদত্যাগ কেন করব? ডাকসু বা সিনেট থেকে আমার পদত্যাগের দাবিটি খুবই লেইম। এই দাবির ভিত্তি কী?’

    রাব্বানী দাবি করে বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে একটা ষড়যন্ত্র হয়েছে, যা ইতিমধ্যে পরিষ্কার হয়েছে। নেত্রীর কাছে কিছু বিষয় গিয়েছে, তিনি কষ্ট পেয়েছেন। সেই জায়গা থেকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নেত্রীর মনে কষ্ট দিয়ে আমরা ছাত্রলীগ করব না। এই জায়গা থেকে আমরা ছাত্রলীগের পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। আমরা অপরাধী নই, আমাদের বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে, আমরা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি। পরিবারকে বাঁচাতে গিয়ে ছাত্রলীগের ওপর দোষ চাপিয়ে দিয়েছেন উপাচার্য। এর সঙ্গে ডাকসু থেকে পদত্যাগ করার কোনো সম্পর্ক নেই।’

    ডাকসু ভিপি নুরুল হক বলেছেন, নৈতিক স্খলনজনিত কারণে ছাত্রলীগের পদ হারানোর পর রাব্বানী ডাকসুর জিএস পদে থাকার বৈধতাও হারিয়েছেন। জানতে চাইলে রাব্বানী বলেন, ‘হু ইজ নুরুল? নুরুল কে?

    রেজওয়ানুল হকের সিনেট সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের বিষয়ে গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘রেজওয়ানুল ডাকসুতে নির্বাচিত ছিলেন না, ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে আমরা সম্মিলিতভাবে তাঁকে সিনেটে নিয়ে এসেছিলাম। নেত্রীর মনে কষ্ট দিয়ে তিনি অনুতপ্ত, সে নিজের জায়গা থেকে পদত্যাগ করেছে। এর অর্থ কিন্তু এই নয় যে তিনি অন্যায় করেছেন। যেসব অভিযোগের কথা বলা হয়েছে, একটাও প্রমাণ হয়নি, হবেও না। কারণ আমরা এ ধরনের কিছু করিনি। পত্রপত্রিকায় যা এসেছে, কোনোটিরই দালিলিক তথ্য-প্রমাণ নেই।

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে ‘ঈদের খরচ’ হিসেবে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী ও গোলাম রাব্বানী ‘ন্যায্য পাওনা’ চেয়েছিলেন বলে যে বলা হচ্ছে তা সত্য নয় বলে দাবি করেছেন রাব্বানী। তাঁর কথাকে ভুলভাবে উদ্ধৃত করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘উপাচার্য ছেলেপেলেদের যখন টাকা দিয়েছিলেন, তখন বলা হয়েছিল ঈদের বোনাস হিসেবে টাকাটা দেওয়া হয়েছে। এটি আমাদের কানেও আসে। তখন আমি আর শোভন ম্যামের কাছে গিয়ে (ছাত্রলীগের পদচ্যুত সভাপতি) হাসতে হাসতে বললাম যে বিশ্ববিদ্যালয় শাখাকে ঈদের খরচ দিলেন, আমাদের খরচ কই? বঙ্গবন্ধু যেমন বলেছিলেন, সাড়ে সাত কোটি কম্বল এল, আমার কম্বলটা গেল কই- সে রকমভাবেই কথাটা বলেছিলাম। এটা ছিল মজা করে বলা। আমার কথাকে ভুলভাবে উদ্ধৃত করা হয়েছে।’

    জাহাঙ্গীরনগরে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা:
    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে কেন দেখা করতে গিয়েছিলেন, তার একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন ছাত্রলীগের পদচ্যুত সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। তাঁর ভাষ্য, ‘জাহাঙ্গীরনগরে আমরা গিয়েছিলাম দুটি কারণে। এক, জাকসু নির্বাচন সামনে রেখে ছাত্রলীগকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিতর্কিত করে হারানোর কোনো প্ল্যান কি না- এটা জানতে। দুই, উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়টির সঙ্গে ছাত্রলীগের নামটা কেন এল- এটা জানতে। যখন আমরা উপাচার্য ম্যামকে বললাম যে এর সঙ্গে আপনার স্বামী ও ছেলের সংশ্লিষ্টতার কথা বলছেন, তখন সেই বিষয়টিকে ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে তিনি আপার (প্রধানমন্ত্রী) কাছে আমাদের নামে কিছু কথা বলেছেন। তবে তিনি কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি। অথচ যাঁরা টাকা নিয়েছেন, তাঁরাই বলেছেন যে উপাচার্যের স্বামী ও ছেলে এর সঙ্গে জড়িত।’

    রাব্বানীর বিশ্বাস, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি ‘ক্লিয়ার’ হলে ‘সবকিছু আগের মতো ঠিক হয়ে যাবে।’

  • জয়ের ভুয়া অ্যাকাউন্টের জোয়ার ফেসবুকে

    জয়ের ভুয়া অ্যাকাউন্টের জোয়ার ফেসবুকে

    বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার একদিনের মধ্যে আল নাহিয়ান খান জয়ের অর্ধ শতাধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে সামাজিক এই যোগাযোগ মাধ্যমে। এ নিয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জয়।

    দায়িত্ব পাওয়ার আগে আল নাহিয়ান খান জয় নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চালাতেন ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। তিনি দায়িত্ব পাওয়ার একদিনের মধ্যে বানের জলের মতো ফেক আইডি খোলা হয়েছে। এসব অ্যাকাউন্টে কোনোটায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি, কোনোটায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ছবি আবার কোনটায় আল নাহিয়ানের ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

    এ সম্পর্কে আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, ‘এসব ফেক আইডিতে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আমি নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আমার নামে একটিই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আছে যেটা এরই মধ্যে সবাই জানে। নতুন করে যেসব আইডি খোলা হয়েছে সেগুলো সম্পর্কে সবাইকে রিপোর্ট করুন। কোনো আইডি থেকে আমার নামে কোনো প্রচারণা চালালে সেগুলোতে সাড়া দেবেন না।’