Category: রাজণীতি

  • শোভন-রাব্বানীর পাশে কেউ নেই

    শোভন-রাব্বানীর পাশে কেউ নেই

    দায়িত্ব গ্রহণের পর ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে এমন খারাপ পরিস্থিতিতে পড়তে হয়নি। এর আগে নানা সময়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পার পেলেও এবার শেষ রক্ষা হচ্ছে না। তাদের কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ছাত্রলীগ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এমন মনোভাবের ফলে অনেকটা একা হয়ে গেছেন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।

    প্রধানমন্ত্রীর দেয়া দায়িত্বের কারণে আওয়ামী লীগের চার নেতার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেলেও কার্যত তাদের পাশে এখন কেউ নেই। ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দেয়ার খবর শুনে শোভন-রাব্বানীর থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলছেন সংগঠনটির গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা নেতাদের বড় একটি অংশ।

    এ অবস্থায় ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার উদ্দেশে একটি চিঠি লিখেছেন। যা প্রধানমন্ত্রীকে পৌঁছে দিতে একজন জেষ্ঠ্য আওয়ামী লীগ নেতাকে দেন রাব্বানী। ওই চিঠিতে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক লেখেন, ‘আপনি মুখ ফিরিয়ে নিলে যাবার কোনো জায়গা নেই’। যেখানে তিনি নিজেদের ভুলের জন্য অনুতপ্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। পাশাপাশি তাদের বিষয়ে যেসব অভিযোগ এসেছে তার থেকে গুরুতর তিনটির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিত লেখেন। এদিকে ছাত্রলীগের প্যাডে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে চিঠি লেখার সত্যতা স্বীকার করলেও তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছেছে কি না- সেই বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানাতে পারেননি গোলাম রাব্বানী।

    গত বছরের ১১ ও ১২ মে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন ছাড়াই ছাত্রলীগের দুই দিনব্যাপী ২৯তম জাতীয় সম্মেলন শেষে ৩১ জুলাই রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি এবং গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণে থাকা সিন্ডিকেট ভেঙে যেহেতু প্রধানমন্ত্রী কমিটি দিয়েছিলেন, তাই তাদের স্বাধীনভাবে কাজের পরিবেশ তৈরি হয়। কারণ শুরু থেকেই ‘নেত্রীর কমিটি’র দুই নেতার বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দরজা সবসময় খোলা ছিল। এর ফলে অতীতের ন্যায় আওয়ামী লীগের জাতীয় বা স্থানীয় পর্যায়ের প্রভাবশালী কেউ চাইলেই ছাত্রলীগে সরাসরি হস্তক্ষেপের সুযোগ পাননি। কিন্তু শোভন-রাব্বানী এই ইতিবাচক দিকটির সদ্ব্যবহার না করে এটিকে নেতিবাচক বিষয়ে পরিণত করেন বলে অভিযোগ।

    ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী কমিটি দেয়ায় শোভন-রাব্বানীর প্রতি আলাদা নজর ছিল আওয়ামী লীগের সব মহলের। তারা ছাত্রলীগকে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর চাওয়া অনুযায়ী ‘নতুন ধারায়’ ফিরিয়ে আনবেন এমন প্রত্যাশা ছিল সংশ্লিষ্টদের একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন তারা। সংগঠনের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পহেলা বৈশাখের কনসার্টে অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়ে মাফ পেলেও এবার আর তা হয়নি। ইতোমধ্যে গণভবনে শোভন-রাব্বানীর প্রবেশের স্থায়ী পাস স্থগিত করা হয়েছে।

    এদিকে আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছে ধরনা দিয়েও ইতিবাচক কোনো ইঙ্গিত পাচ্ছেন না তারা। ছাত্রলীগের বিষয়ে আওয়ামী লীগের চার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের সঙ্গে কয়েক দফায় সাক্ষাৎ করেন তারা। তবে সেখান থেকে তেমন কোনো আশার বাণী পাননি ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃত্ব। এর বাইরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বস্থানীয় অন্তত ১০ নেতার কাছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গিয়েছেন বলে জানা গেছে। সেখানেও অনেকটা হতাশই হয়েছেন শোভন-রাব্বানী। ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উদ্দেশে সবার একটাই কথা, ‘প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত! এখানে কারও কিছু করার নেই।’

    এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মমতাময়ী নেত্রী’ সম্বোধন করে একটি চিঠি লেখেন গোলাম রাব্বানী। যেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আপনি বিশ্বাস করে শিক্ষা-শান্তি-প্রগতির যে পবিত্র পতাকা আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন, তার মর্যাদা রক্ষায় সচেষ্ট ছিলাম। দায়িত্ব পালনের শুরু থেকেই চতুর্মুখী চাপ, সদ্য সাবেকদের অসহযোগিতা, নানা ষড়যন্ত্র-প্রতিকূলতা-প্রতিবন্ধকতা আর আমাদের কিছু জ্ঞাত-অজ্ঞাত ভুল ইতিবাচক পরিবর্তনের পথকে কণ্টকাকীর্ণ করেছে। আমাদের দায়িত্বশীল আচরণের ব্যর্থতা ও কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতির বাইরেও দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, প্রিয় নেত্রী দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট তথা বলয় ভেঙে আপনি নিজে পছন্দ করে দায়িত্ব দিয়েছিলেন বলে আমরা একটি বিশেষ মহলের চক্ষুশূল। তারা বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা, অপপ্রচার চালিয়ে, প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে, সুকৌশলে আপনার এবং আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের কান ভারীর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। নেত্রী, আপনার সন্তানরা এতোটা খারাপ না। আমরা পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছি বারবার। অনেক অব্যক্ত কথা রয়েছে যা, আপনাকে কখনো বলার সুযোগ পাইনি। বিভিন্ন মাধ্যমে শ্রুত অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রকৃত সত্যটুকু উপস্থাপনের সুযোগ চাই’।

    এরপর চিঠিতে তিনটি ধারাবাহিক অভিযোগের ব্যাখ্যা দেয়া হয়। অভিযোগ-১ উল্লেখ করে বলা হয়, ‘২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এর নতুন পার্টি অফিস আপনার আবেগের ঠিকানায় আমাদের ঠাঁই দিয়েছেন। আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে বলছি, আপনার আমানতকে স্বযত্নে রেখেছি। অফিস অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা করা নিয়ে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দায়িত্বপ্রাপ্ত শাহজাহান ভাই চায়না ছাত্রলীগ এখানে থাকুক। লোক দিয়ে বাইরে থেকে ময়লা ফেলে বাথরুম ও দেয়াল অপরিচ্ছন্ন করে, সেগুলোর ছবি তুলে আপনাকে দেখানো হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত মিণ্টু ভাই, লোকমান ভাই এবং ক্লিনার জাবেদ ভাই এর কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই প্রকৃত সত্য জানতে পারবেন।’

    অভিযোগ-২ উল্লেখ করে চিঠিতে ২০ জুলাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলনে দেরি করে যাওয়া প্রসঙ্গে বলা হয়। সেখানে রাব্বানী লেখেন, ‘১৮ জুলাই আপনি দেশের বাইরে যাবার আগে অনুমতি নিয়ে ১৯ তারিখ আম্মুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আমি এবং সভাপতি মাদারীপুর গিয়েছিলাম। এইদিনই সারা রাত নির্ঘুম জার্নি আর বেশ কয়েকটি পথসভা (সর্বশেষ সকাল ৮টায় সাভারে) করে সকাল ৯টায় ফিরি। রেস্ট নিয়ে পূর্বনির্ধারিত ১২টার সম্মেলনে পৌঁছাতে আমাদের ৪০ মিনিট দেরি হয়। যা অনিচ্ছাকৃত এবং অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পূর্বেই অবগত। সকালে ঘুম থেকে দেরিতে উঠার বিষয়টিও অতিরঞ্জিত।’

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে তৃতীয় অভিযোগের ব্যাখ্যা তিনি লেখেন, ‘বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। উপাচার্য ম্যাম এর স্বামী ও ছেলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে ব্যবহার করে কাজের ডিলিংস করে মোটা অংকের কমিশন বাণিজ্য করেছে। যার প্রেক্ষিতে ঈদুল আজহার পূর্বে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা দিয়েছে। এ খবর জানাজানি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি শুরু হয় এবং এরই প্রেক্ষিতে উপাচার্য ম্যাম আমাদের স্মরণ করেন। আমরা দেখা করে আমাদের অজ্ঞাতসারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে টাকা দেয়ার প্রশ্ন তোলায় তিনি বিব্রতবোধ করেন। নেত্রী, উক্ত পরিস্থিতিতে আমরা কিছু কথা বলি যা সমীচীন হয়নি। এজন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী’।

    তিনটি অভিযোগের ব্যাখ্যার পর ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক লেখেন, ‘সবকিছুর পরেও আমাদের জ্ঞাত-অজ্ঞাত ভুলগুলোর জন্য অনুতপ্ত ও ক্ষমাপ্রার্থী। আপনি বঙ্গবন্ধু কন্যা, মানবতার মা…। নিজ বদান্যতায় আমাদের ক্ষমা করে ভুলগুলো শুধরে আপনার আস্থার প্রতিদান দেয়ার সুযোগটুকু দিন। আপনি মুখ ফিরিয়ে নিলে যাবার কোনো জায়গা নেই’। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লেখা চিঠিটি শেষ করেন ‘আপনার ¯স্নেহের রাব্বানী’ লিখে।

    এদিকে এ অবস্থার মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা নেত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা চেষ্টা করছেন আমাদের নেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করিয়ে দিতে। আশা করি, নেত্রীর সঙ্গে দেখা করে সব বিষয় খুলে বলতে পারলে তিনি আমাদের ক্ষমা করে দেবেন।

  • ভোলায় পৌরনির্বাচনে ৬৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

    ভোলায় পৌরনির্বাচনে ৬৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

    ভোলা প্রতিনিধি //মো:নিসাত:

    ভোলার লালমোহন পৌরসভা নির্বাচনে মোট ৬৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এদের মধ্যে মেয়র পদে ২ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫২ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে স্ব-স্ব মনোনয়নপত্র জমা দেন প্রার্থীরা। এদিন আওয়ামী লীগ প্রার্থী এমদাদুল ইসলাম তুহিন লালমোহনে ফরম জমা দিলেও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সোহেল আজিজ শাহীন ভোলা জেলা নির্বাচন অফিসে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এছাড়া ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আরেক কাউন্সিলর প্রার্থী মাকসুদ আহমেদও ভোলায় ফরম জমা দেন।

    উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার আমির খসরু গাজী বলেন, ‘বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ২ জন মেয়র প্রার্থী, ৫২জন কাউন্সিলর প্রার্থী ও ১৩ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।’

    লালমোহন পৌরসভায় পুরোনো ৯টি ওয়ার্ডসহ নতুন ৩টি ওয়ার্ড মিলিয়ে মোট ১২টি ওয়ার্ডে এবার নির্বাচন হচ্ছে।মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৫ সেপ্টেম্বর এবং প্রত্যাহারের শেষ দিন ২২ সেপ্টেম্বর। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১৪ অক্টোবর।

    উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ১৩ ডিসেম্বর সর্বশেষ লালমোহন পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর মামলার কারণে দীর্ঘ ৯ বছর পর এবার নির্বাচন হচ্ছে।

    লালমোহন পৌরসভায় ১২টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১৩,৫৫০ জন। পুরুষ ভোটার ৬,৯৪৩ ও নারী ভোটার ৬,৬০৭ জন।

  • ‘উপরে আল্লাহ, নিচে শেখ হাসিনা’ তাকে কষ্ট দিয়ে ছাত্রলীগ করতে চাই না

    ‘উপরে আল্লাহ, নিচে শেখ হাসিনা’ তাকে কষ্ট দিয়ে ছাত্রলীগ করতে চাই না

    অনলাইন ডেস্ক :

    নেত্রীকে ( প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) কষ্ট দিয়ে ছাত্রলীগ করতে চাই না বলে মন্তব্য করেছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে ডাকসু ভবনের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা লেন।

    গোলাম রাব্বানী বলেন, ছাত্রলীগ হচ্ছে আপার (শেখ হাসিনা) আমানত। তিনি যেভাবে বলবেন আমরা সেভাবে করব। আমাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ রয়েছে প্রত্যেকটি অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট জবাব আমাদের কাছে রয়েছে। তারপরও আমরা স্বীকার করি, আমাদের কার্যক্রমগুলো আরও ভালো করার কথা ছিল। সেই চ্যালেঞ্জ নিয়ে আমরা কাজগুলো করতে চাই।

    ছাত্রলীগের শীর্ষ এই নেতা বলেন, আমরা সবকিছু শুধরে কাজ করতে চাই। যেন কেউ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে আঙুল তুলে কথা বলতে না পারে।

    গোলাম রাব্বানী বলেন, প্রত্যেকটি অভিযোগের বিষয়ে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা আছে। আমরা সেগুলো দিতে প্রস্তুত। তারপরও যেহেতু নেত্রী আমাদের ওপর অসন্তুষ্ট হয়েছে তাই কোনো ব্যাখ্যা নয়। আমাদের পথচলায় আরও সতর্ক হওয়া উচিৎ।

    তিনি বলেন, আমরা উপরে আল্লাহ নিচে জননেত্রী শেখ হাসিনার দিকে তাকিয়ে আছি। আমরা আপার মনে কষ্ট দিয়ে ছাত্রলীগ গড়ে তুলতে চাই না। নেত্রীর জন্য পুরো বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পরিবার ডেডিকেটেড। এজন্য যে ভুলত্রুটি হয়েছে সে জায়গা থেকে আমরা বলব, অতীতের ভুল শুধরে আরও ভালোভাবে পথ চলতে যেন নেত্রী যে প্রত্যাশা নিয়ে আমাদের আমানত দিয়েছেন সে আমানত আমরা রক্ষা করতে পারি।

    স্বেচ্ছায় কোনো নৈতিক স্খলনজনিত কাজ করেননি দাবি করে রাব্বানী বলেন, স্বেচ্ছায় সজ্ঞানে এমন কোনো কিছু করি নাই যেটা নৈতিক স্খলনজনিত কোনো অপরাধ অথবা ছাত্রলীগের আদর্শিক জায়গা থেকে ভিন্ন। তাদের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগগুলো উদ্দ্যেশ্য প্রণোদিত, অতিরঞ্জিত বলেও দাবি করেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।

  • দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে কুপিয়ে জখম করলেন ছাত্রলীগ নেতা

    দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে কুপিয়ে জখম করলেন ছাত্রলীগ নেতা

    অনলাইন ডেস্ক :

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে কুপিয়ে জখম করেছেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি শাহ সোহান আহমেদ মুসা। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে আহত দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর নবীগঞ্জ শহরের সালামতপুর এলাকায় ব্র্যাক অফিসের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

    অভিযুক্ত শাহ সোহান আহমেদ মুসা পৌর এলাকার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী।

    গুরুতর আহত অবস্থায় থানা পরিদর্শক (তদন্ত) উত্তম কুমারকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অপর আহত এসআই ফখরুজ্জামানকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর নবীগঞ্জ শহরের সালামতপুর এলাকায় ব্র্যাক অফিসের কাছে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার পলাতক আসামি মুসার দোকানে পুলিশ অভিযান চালায়। এ সময় তাকে গ্রেফতার করতে চাইলে ছাত্রলীগ নেতা মুসা দোকান থেকে একটি ধারালো রামদা নিয়ে পুলিশের ওপর এলোপাথাড়ি কুপাতে থাকে।

    হামলায় পরিদর্শক (তদন্ত) উত্তম কুমার এবং এসআই ফখরুজ্জামান গুরুতর আহত হন। তাদের কুপিয়ে মুসা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে গুরুতর অবস্থায় ওসি তদন্ত উত্তম কুমারকে সিলেটে প্রেরণ করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

    নবীগঞ্জ থানার ওসি ইকবাল হোসেন জানান, মুসা একজন তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী এবং ইয়াবা ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা থাকায় পুলিশ গ্রেফতার করতে তার দোকানে অভিযান চালায়। এ সময় সে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে দুই কর্মকর্তাকে আহত করেছে। মুসাকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

  • ছাত্রদলের কাউন্সিলে আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কাউন্সিল স্থগিত করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি আদালত সংগঠনটির কাউন্সিলের কার্যক্রম স্থগিত করার আদেশ দিয়েছেন।

    সেই সঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ১০ জনকে এ বিষয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    বিলুপ্ত কমিটির নেতা আমানুল্লাহর এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন আদালত।

  • আমাদের টাকার কোনো অভাব নেই : অর্থমন্ত্রী

    আমাদের টাকার কোনো অভাব নেই : অর্থমন্ত্রী

    অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আমাদের টাকার কোনো অভাব নেই। আমি আপনাদের বলছি টাকা থাকার একটা বেঞ্চ মার্ক আছে। সেই বেঞ্চ মার্কের উপরে আমাদের এখন ৯২ হাজার কোটি টাকা বেশি রয়েছে। এটা তো লুকোচুরি করার কোনো ব্যাপার নয়।

    বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে মন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক পরিচালক জুবিদা খেরুস অ্যালাউয়্যার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    মন্ত্রী বলেন, সরকারের অর্থের সংকট নেই। এটা একটা নিউজ পেপারে বলছে, এর বিপরীতে এরা কিছু বলবে না। আজ আবার দেখলাম এরা এডিবি’র পজেটিভ রিপোর্ট দিয়ে দিয়েছে, এটা দেখে আবার অবাক হয়ে গেলাম। তারা পজেটিভলি লিখেছে। আমি বলছি, আমাদের কোনো রকম টাকার অভাব নেই।

    সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যদি আপনারা কোথাও কোনো ব্যাংকে গিয়ে টাকা না পান, যদি এলসি স্যাটেলমেন্ট করতে না পারেন, যদি পেমেন্ট না করতে পারেন তবে আমাকে এসে বলবেন। তাহলে এগুলো আমরা কীভাবে বিশ্বাস করবো।

    প্রশ্ন রেখে তিনি আরো বলেন, সরকার কোথায় টাকা খুঁজছে? সরকার টাকা খুঁজলে কোথা থেকে পাবে? সরকারের টাকা না থাকলে দেয়ার কোনো ব্যবস্থা আছে। আপনারা কেউ সরকারকে টাকা দেবেন?

    অর্থমন্ত্রী বলেন, টাকা তোলার রাস্তাটা কি? সেভিংস ইনস্ট্রুমেন্ট বিক্রি করতে হবে, না হলে আমেরিকা যা করে কোয়ানটিটি বেইজিংয়ের নাম করে টাকা ছাপাতে হবে।

    উল্লেখ্য, ‘টাকার খোঁজে সরকার’ শিরোনামে একটি পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ খবরে বলা হয়েছে, খরচ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার। ব্যয়ের খাত কেবল বড়ই হচ্ছে অথচ আয়ে আছে বড় ঘাটতি। ব্যয়ের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ নেই সরকারের কাছে। বরং টাকার সংকটে আছে সরকার।

    সরকার পরিচালনার খরচ বেড়েছে। বাড়ানো হয়েছে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা। বাজেট ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়ায় সুদ পরিশোধ ব্যয়সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। আকার বাড়ছে উন্নয়ন ব্যয়ের। আরও আছে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের বিপুল আগ্র

    প্রকাশিত খবরে আরও বলা হয়, সব মিলিয়ে সরকারের ব্যয়ের তালিকা দীর্ঘ। কিন্তু রাজস্ব আয়ের বাইরে সরকারের জন্য অর্থের উৎস হচ্ছে ঋণ নেওয়া। এ ঋণ এখন অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ফলে সরকার অর্থ সংস্থানের নানা উপায় খুঁজছে।

    যেমন- স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার অলস অর্থ নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন, মহাসড়ক থেকে টোল আদায়, টেলিকম কোম্পানির কাছ থেকে চাপ দিয়ে অর্থ আদায় ইত্যাদি। সরকার এখন যেকোনো ভাবে অর্থ পেতে যে মরিয়া, এটি তারই প্রমাণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • পটুয়াখালীতে ভিপি নুরের পর এবার নারী আইনজীবীকে পেটালেন আ.লীগ নেতা

    পটুয়াখালীতে ভিপি নুরের পর এবার নারী আইনজীবীকে পেটালেন আ.লীগ নেতা

    ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার পর এবার প্রকাশ্যে এক নারী আইনজীবীকে পেটালেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা শাহিন শাহ।

    একই সঙ্গে দুই শতাধিক লোকের সামনে ওই নারী আইনজীবীকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে বিবস্ত্র করার হুমকি দেন তিনি। ওই নারী আইনজীবীর শ্বশুর ইউপি চেয়ারম্যানকে গালাগালি ও পায়ের রগ কাটা ও পা ভেঙে দেয়ার হুমকি দেন শাহিন শাহ। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসকের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান।

    বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দুলাল চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে বেশ কিছুদিন নিজ জেলার বাইরে ছিলাম। বুধবার বাসায় আসি। বৃহস্পতিবার মোবাইল ফোনে গলাচিপা উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন শাহ কল করে আমাকে উপজেলা চত্বরে যেতে বলেন। এ সময় শারীরিক অসুস্থ জানিয়ে উপজেলা চত্বরে যেতে আপত্তি জানাই।

    এতে উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠে অকথ্য ভাষায় আমাকে গালমন্দ করেন। এ সময় প্রতিবাদ করলে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে হাত-পায়ের রগকাটা এবং পা ভেঙে দেয়ার হুমকি দেন শাহিন শাহ। একপর্যায়ে আমি ফোনের লাইন কেটে দেই। এ ঘটনা পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোতিউল ইসলাম চৌধুরীকে জানালে আইনি সহায়তা নেয়ার পরামর্শ দেন।

    এদিকে, ঘটনাক্রমে গলাচিপা উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপস্থিত হন ইউপি চেয়ারম্যানের পুত্রবধূ নারী আইনজীবী উম্মে আসমা আঁখি। এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান আঁখিকে বলেন, তোর শ্বশুর কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের লতিফ গংদের পুকুরের মাছ বিষ দিয়ে মারছে। তুই তার জরিমানা দিবি। তার উত্তরে আঁখির শ্বশুর ঢাকায় চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং বুধবার রাতে তিনি বাসায় এসেছেন বলে জানান আঁখি।

    এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান আঁখিকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করলে আঁখি প্রতিবাদ করেন। এতে উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন ক্ষিপ্ত হয়ে প্রকাশ্যে আঁখিকে চড়-থাপ্পড়, কিল-ঘুষি মারেন। এ ঘটনা দেখে অন্তত দুই শতাধিক মানুষ উপজেলা চত্বরে জড়ো হয়। এতে উপজেলা চেয়ারম্যান সংযত না হয়ে আঁখির ওপর আরও চড়াও হন। একপর্যায়ে উপস্থিত লোকের সামনে আঁখিকে বিবস্ত্র এবং মানহানি করার হুমকি দেন।

    এ বিষয়ে আঁখি বলেন, কয়েক মাস আগে অস্ত্রোপচার করে সন্তান প্রসব করেছি আমি। তাই শারীরিকভাবে এখনো সুস্থ হয়ে উঠতে পারিনি। এমন অবস্থায় আমার ওপর নির্যাতন চালালেন উপজেলা চেয়ারম্যান। আমাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন, যা প্রকাশযোগ্য নয়।

    এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, লোকমুখে ঘটনা শুনেছি। ইউপি চেয়ারম্যান ও তার পরিবারকে নিরাপদে থাকার জন্য বলেছি। তাদের সার্বিক নিরাপত্তা দেয়া হবে। ডিসি ফোনে এ বিষয়টি আমাকে নিশ্চিত করেছেন।

    তবে উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন শাহ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মাছ মারা নিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছে আর কিছুই হয়নি।

    এর আগে ১৪ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলা চালান গলাচিপা উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন শাহ।

  • নলছিটির সুগন্ধা নদীতে নির্মিত হচ্ছে সেতু

    নলছিটির সুগন্ধা নদীতে নির্মিত হচ্ছে সেতু

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউপি ভবনের সামনে দিয়ে উত্তমাবাদ-মাটিভাঙা সড়কে সুগন্ধা নদীর উপর গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের লক্ষ্যে জমি অধিগ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে।
    ঝালকাঠির স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এ প্রস্তাবনা করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্প (সিআইবিআরআর) এর প্রকল্প পরিচালক বরাবরে।
    গত ১ সেপ্টেম্বর ঝালকাঠির স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে নির্বাহী প্রকৌশলী রুহুল আমীন স্বাক্ষরিত এক প্রস্তাবনা প্রেরণ করা হয়েছে। প্রস্তাবনা পত্রে উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর অধীনে।
    পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের (সিআইবিআরআর) আওতায় ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার বরিশাল-ঝালকাঠি মহাসড়কে ভৈরবপাশা ইউপি ভবন সামনে থেকে, উত্তমাবাদ ও মালিপুর মৌজা থেকে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য ২ কোটি ৪৭ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ টাকা প্রাক্কলন ব্যায় ধরা হয়েছে।
  • ডেঙ্গুতে মহিলা আ.লীগ নেত্রীর মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে মহিলা আ.লীগ নেত্রীর মৃত্যু

    অনলাইন ডেস্ক :

    বান্দরবানের রুমা উপজেলার সদর ইউনিয়নে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে এক আদিবাসী নারীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। নিহতের নাম ডমেচিং মারমা (৩২)।

    বৃহস্পতিবার ভোরে চট্টগ্রামে সিএসসিআর বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে তার মৃত্যু হয়।

    মৃত ডমেচিং মারমা রুমা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উহ্লাচিং মারমার সহধর্মিণী।

    স্বামী উহ্লাচিং মারমা জানান, কয়েক দিন আগে শারীরিকভাবে অসুস্থবোধ করলে ডমেচিং মারমাকে রুমা উপজেলায় একটি মেডিকেল সেন্টারে নেয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা করে তার ডেঙ্গুজ্বর ধরা পড়ে।

    পরে চিকিৎসকের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রামে সিএসসিআর বেসরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়।

    সেখানে চিকিৎসাধীন থেকে বৃহস্পতিবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। চট্টগ্রাম থেকে মৃতদেহ রুমা উপজেলায় নিয়ে যাওয়া হবে।

  • বরিশালে মাইক্রোবাস কেড়ে নিলো সেচ্ছাসেবকলীগ নেতার প্রাণ

    বরিশালে মাইক্রোবাস কেড়ে নিলো সেচ্ছাসেবকলীগ নেতার প্রাণ

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আঃ ছাত্তার মোল্লার ছোট ভাই সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোঃ হেলাল মোল্লা সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে

    জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় বরিশাল যাওয়ার পথে ইচলাদীতে মাইক্রোবাসের সাথে মোটরসাইকেলে ধাক্কা লেগে হেলাল গুরুতর আহত হয়। এসময় স্থানীয় লোকজন হেলালকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

    তার মৃত্যুতে উপজেলা আওয়ামীলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।