Category: রাজণীতি

  • শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ

    শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ

    অনলাইন ডেস্ক ::

    সাংগঠনিক নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ছাত্রলীগের নতুন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) কাছে তিনি এমন পরিকল্পনার কথা জানান।

    নাহিয়ান বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন। আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করব। নেত্রী যে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সেই কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে আমরা ছাত্রলীগ পরিবার এক হয়ে সব কর্মকাণ্ড পরিচালিত করব।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আল নাহিয়ান খান জয় ছাত্রলীগের প্রথম সহ-সভাপতি হওয়ার আগে আইন বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তার আগে তিনি শহীদ সার্জেট জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

    বরিশালের সন্তান নাহিয়ান খান জয়ের দাদা মোশাররফ হোসেন খান ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। তার বাবা আবদুল আলীম খান বিশিষ্ট সমাজ সেবক হিসেবে বরিশাল বিভাগে সুপরিচিত। আশির দশকে ঢাকার বৃহত্তর বরিশাল ছাত্রসমিতির প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আবদুল আলীম।

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মমতাময়ী নেত্রী’ সম্বোধন করে গোলাম রাব্বানীর চিঠি

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মমতাময়ী নেত্রী’ সম্বোধন করে গোলাম রাব্বানীর চিঠি

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মমতাময়ী নেত্রী’ সম্বোধন করে একটি চিঠি লেখেন গোলাম রাব্বানী। যেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আপনি বিশ্বাস করে শিক্ষা-শান্তি-প্রগতির যে পবিত্র পতাকা আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন, তার মর্যাদা রক্ষায় সচেষ্ট ছিলাম। দায়িত্ব পালনের শুরু থেকেই চতুর্মুখী চাপ, সদ্য সাবেকদের অসহযোগিতা, নানা ষড়যন্ত্র-প্রতিকূলতা-প্রতিবন্ধকতা আর আমাদের কিছু জ্ঞাত-অজ্ঞাত ভুল ইতিবাচক পরিবর্তনের পথকে কণ্টকাকীর্ণ করেছে। আমাদের দায়িত্বশীল আচরণের ব্যর্থতা ও কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতির বাইরেও দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, প্রিয় নেত্রী দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট তথা বলয় ভেঙে আপনি নিজে পছন্দ করে দায়িত্ব দিয়েছিলেন বলে আমরা একটি বিশেষ মহলের চক্ষুশূল। তারা বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা, অপপ্রচার চালিয়ে, প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে, সুকৌশলে আপনার এবং আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের কান ভারীর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। নেত্রী, আপনার সন্তানরা এতটা খারাপ না। আমরা পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছি বারবার। অনেক অব্যক্ত কথা রয়েছে যা, আপনাকে কখনো বলার সুযোগ পাইনি। বিভিন্ন মাধ্যমে শ্রুত অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রকৃত সত্যটুকু উপস্থাপনের সুযোগ চাই’।

    এরপর চিঠিতে তিনটি ধারাবাহিক অভিযোগের ব্যাখ্যা দেয়া হয়। অভিযোগ-১ উল্লেখ করে বলা হয়, ‘২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এর নতুন পার্টি অফিস আপনার আবেগের ঠিকানায় আমাদের ঠাঁই দিয়েছেন। আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে বলছি, আপনার আমানতকে স্বযত্নে রেখেছি। অফিস অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা করা নিয়ে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দায়িত্বপ্রাপ্ত শাহজাহান ভাই চায়না ছাত্রলীগ এখানে থাকুক। লোক দিয়ে বাইরে থেকে ময়লা ফেলে বাথরুম ও দেয়াল অপরিচ্ছন্ন করে, সেগুলোর ছবি তুলে আপনাকে দেখানো হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত মিণ্টু ভাই, লোকমান ভাই এবং ক্লিনার জাবেদ ভাই এর কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই প্রকৃত সত্য জানতে পারবেন।’

    অভিযোগ-২ উল্লেখ করে চিঠিতে ২০ জুলাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলনে দেরি করে যাওয়া প্রসঙ্গে বলা হয়। সেখানে রাব্বানী লেখেন, ‘১৮ জুলাই আপনি দেশের বাইরে যাবার আগে অনুমতি নিয়ে ১৯ তারিখ আম্মুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আমি এবং সভাপতি মাদারীপুর গিয়েছিলাম। এইদিনই সারা রাত নির্ঘুম জার্নি আর বেশ কয়েকটি পথসভা (সর্বশেষ সকাল ৮টায় সাভারে) করে সকাল ৯টায় ফিরি। রেস্ট নিয়ে পূর্বনির্ধারিত ১২টার সম্মেলনে পৌঁছাতে আমাদের ৪০ মিনিট দেরি হয়। যা অনিচ্ছাকৃত এবং অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পূর্বেই অবগত। সকালে ঘুম থেকে দেরিতে উঠার বিষয়টিও অতিরঞ্জিত।’

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে তৃতীয় অভিযোগের ব্যাখ্যা তিনি লেখেন, ‘বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। উপাচার্য ম্যাম এর স্বামী ও ছেলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে ব্যবহার করে কাজের ডিলিংস করে মোটা অংকের কমিশন বাণিজ্য করেছে। যার প্রেক্ষিতে ঈদুল আজহার পূর্বে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা দিয়েছে। এ খবর জানাজানি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি শুরু হয় এবং এরই প্রেক্ষিতে উপাচার্য ম্যাম আমাদের স্মরণ করেন। আমরা দেখা করে আমাদের অজ্ঞাতসারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে টাকা দেয়ার প্রশ্ন তোলায় তিনি বিব্রতবোধ করেন। নেত্রী, উক্ত পরিস্থিতিতে আমরা কিছু কথা বলি যা সমীচীন হয়নি। এজন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী’।

    তিনটি অভিযোগের ব্যাখ্যার পর ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক লেখেন, ‘সবকিছুর পরেও আমাদের জ্ঞাত-অজ্ঞাত ভুলগুলোর জন্য অনুতপ্ত ও ক্ষমাপ্রার্থী। আপনি বঙ্গবন্ধু কন্যা, মানবতার মা…। নিজ বদান্যতায় আমাদের ক্ষমা করে ভুলগুলো শুধরে আপনার আস্থার প্রতিদান দেয়ার সুযোগটুকু দিন। আপনি মুখ ফিরিয়ে নিলে যাবার কোনো জায়গা নেই’। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লেখা চিঠিটি শেষ করেন ‘আপনার ¯স্নেহের রাব্বানী’ লিখে।

    ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদ হারালেন রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানী।

    সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সংগঠনের ১ নম্বর সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

    শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের সভায় ছাত্রলীগের প্রসঙ্গটি এসেছিল। আমাদের নেত্রী বলেছেন, ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি বহাল থাকবে। শুধুমাত্র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। তাদের স্থানে বর্তমান কমিটির ১ নম্বর সহ-সভাপতি ও ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পালন করবেন।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ১১ ও ১২ মে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন ছাড়াই ছাত্রলীগের দুই দিনব্যাপী ২৯তম জাতীয় সম্মেলন শেষে ৩১ জুলাই রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি এবং গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণে থাকা সিন্ডিকেট ভেঙে যেহেতু প্রধানমন্ত্রী কমিটি দিয়েছিলেন, তাই তাদের স্বাধীনভাবে কাজের পরিবেশ তৈরি হয়। কারণ শুরু থেকেই ‘নেত্রীর কমিটি’র দুই নেতার বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দরজা সবসময় খোলা ছিল। এর ফলে অতীতের ন্যায় আওয়ামী লীগের জাতীয় বা স্থানীয় পর্যায়ের প্রভাবশালী কেউ চাইলেই ছাত্রলীগে সরাসরি হস্তক্ষেপের সুযোগ পাননি। কিন্তু শোভন-রাব্বানী এই ইতিবাচক দিকটির সদ্ব্যবহার না করে এটিকে নেতিবাচক বিষয়ে পরিণত করেন বলে অভিযোগ।

    ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী কমিটি দেয়ায় শোভন-রাব্বানীর প্রতি আলাদা নজর ছিল আওয়ামী লীগের সব মহলের। তারা ছাত্রলীগকে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর চাওয়া অনুযায়ী ‘নতুন ধারায়’ ফিরিয়ে আনবেন এমন প্রত্যাশা ছিল সংশ্লিষ্টদের একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন তারা। সংগঠনের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পহেলা বৈশাখের কনসার্টে অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়ে মাফ পেলেও এবার আর তা হয়নি। ইতোমধ্যে গণভবনে শোভন-রাব্বানীর প্রবেশের স্থায়ী পাস স্থগিত করা হয়েছে।

    এদিকে আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছে ধরনা দিয়েও ইতিবাচক কোনো ইঙ্গিত পাচ্ছেন না তারা। ছাত্রলীগের বিষয়ে আওয়ামী লীগের চার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের সঙ্গে কয়েক দফায় সাক্ষাৎ করেন তারা। তবে সেখান থেকে তেমন কোনো আশার বাণী পাননি ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃত্ব। এর বাইরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বস্থানীয় অন্তত ১০ নেতার কাছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গিয়েছেন বলে জানা গেছে। সেখানেও অনেকটা হতাশই হয়েছেন শোভন-রাব্বানী। ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উদ্দেশে সবার একটাই কথা, ‘প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত! এখানে কারও কিছু করার নেই।’

  • বরিশালের সন্তান কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের পরিচয়

    রাতুল হোসেন রায়হান:

    ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং গোলাম রাব্বানীকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সংগঠনটির ১ নম্বর সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে। একইসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

    গতকাল শনিবার গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    আল নাহিয়ান খান জয় বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার আগরপুর ইউনিয়নের ঠাকুরমল্লিক গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আলী খানের ছেলে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বাবার হাত ধরে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন।

    বরিশাল জেলা স্কুলে অধ্যয়নরত অবস্থাতেই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে হাতেখড়ি দেয়া জয় উপজেলা ছাত্রলীগেও সম্পৃক্ত ছিলেন। এসএসসি পাশ করে ঢাকা কমার্স কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করেন জয়। তার দক্ষ নেতৃত্বের কারণেই এই কলেজে ছাত্রলীগের কার্যক্রম অনেকটা এগিয়ে যায়।

    এদিকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৮-০৯ সেশনে আইন বিভাগে ভর্তি হন আল নাহিয়ান খান জয়। বর্তমানে তিনি অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্স করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে ছাত্রলীগের উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং পরবর্তীতে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এর পর পরই তার ডাক আসে কেন্দ্রীয় কমিটিতে।

    মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান জয়ের পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। তার বাবা আব্দুল আলীম খানের হাতে উপজেলা ছাত্রলীগের পথচলা। এরপর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

  • কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে জয়-লেখক ভট্টাচার্য

    কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে জয়-লেখক ভট্টাচার্য

    অনলাইন ডেস্ক ::

    ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে আল নাহিয়ান খান জয় এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে লেখক ভট্টাচার্য দায়িত্ব পালন করবেন।

    ছাত্রলীগের সভাপতির পদ থেকে মো. রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে গোলাম রাব্বানীকে সরিয়ে তাদের ভারপ্রাপ্ত হিসেবে এ দায়িত্ব দেয়া হয়।

    শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের সভায় ছাত্রলীগের প্রসঙ্গটি এসেছিল। আমাদের নেত্রী বলেছেন, ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি বহাল থাকবে। শুধুমাত্র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। তাদের স্থানে বর্তমান কমিটির ১ নম্বর সহ-সভাপতি ও ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পালন করবেন।

    সভায় উপস্থিত দলটির সম্পাদকমণ্ডলীর একাধিক নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে সংগঠনের ১ নম্বর সহ-সভাপতি হিসেবে আল নাহিয়ান খান জয় ও ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে লেখক ভট্টাচার্য দায়িত্ব পালন করতেন।

    প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ১১ ও ১২ মে ছাত্রলীগের সম্মেলন হয়। ৩১ জুলাই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মতিতে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি ও গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ছাত্রলীগের কমিটি করা হয়।

    কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ ১ বছর না পেরোতেই তাদের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ ওঠে। আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতাসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনেও ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে নানা ধরনের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের কথা ওঠে আসে।

    এর মধ্যে স্বেচ্ছাচারিতা, অদক্ষতা ও অদূরদর্শিতা, নেতাকর্মীদের প্রত্যাশিত মূল্যায়ন না করা অন্যতম। এছাড়া আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের উপেক্ষা, ফোন রিসিভ না করার অভিযোগও আছে।

    এর বাইরে রাতজাগা ও দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা, কর্মসূচিতে বিলম্বে যাওয়া, প্রধান অতিথিদের বসিয়ে রাখা, জেলা সম্মেলন করতে না পারা, বিতর্কিতদের দিয়ে কমিটি গঠনের বিষয়ও এ তালিকায় রয়েছে।

    এসব দেখে এবং শুনে ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা শনিবার সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দিতে বলেন।

    তারা বলেন, শেখ হাসিনা ভীষণ ক্ষুব্ধ ছাত্রলীগের বর্তমান শীর্ষ নেতাদের ওপর। ‘আমি ছাত্রলীগের এমন নেতা চাই না, যাদের বিরুদ্ধে মাদকের অভিযোগ পর্যন্ত উঠেছে’- এমন ক্ষুব্ধ মনোভাবও সেদিন প্রকাশ করেন দলীয় সভাপতি।

  • কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি হলেন বরিশালের সন্তান আল নাহিয়ান খান জয়

    কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি হলেন বরিশালের সন্তান আল নাহিয়ান খান জয়

    অনলাইন ডেস্ক ::

    ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদ হারালেন শোভন-রাব্বানী। ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পাবেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় দুই নেতা।

    শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার পর এমন তথ্য জানা যায়।

    দলটির সম্পাদকমণ্ডলীর একাধিক নেতা দাবি করেন, বর্তমান সভাপতি মো. রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে সরিয়ে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে শীর্ষ দুই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

    সেক্ষেত্রে সংগঠনের ১ নম্বর সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

    আল-নাহিয়ান খান জয় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির  ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ছাত্রলীগের  ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জয় পূর্বের কমিটিতে সফলতার সাথে সিনিয়র সহ-সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে আল-নাহিয়ান খান জয় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি দায়িত্ব পালন করেছেন। এবং তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    বরিশাল জেলার বৃহত্তর আওয়ামী পরিবারের সকলের কাছে তিনি এখন বরিশালের চাঁদমুখ হিসেবে পরিচিত।

    বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নিবেদিত প্রাণ আল-নাহিয়ান খান জয় জন্ম বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলায়।
  • ছাত্রলীগের পদ হারালেন শোভন-রাব্বানী

    ছাত্রলীগের পদ হারালেন শোভন-রাব্বানী

    অনলাইন ডেস্ক ::

    ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদ হারালেন শোভন-রাব্বানী। ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পাবেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় দুই নেতা।

    শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার পর এমন তথ্য জানা যায়।

    দলটির সম্পাদকমণ্ডলীর একাধিক নেতা দাবি করেন, বর্তমান সভাপতি মো. রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে সরিয়ে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে শীর্ষ দুই দায়িত্ব দেয়া হবে।

    ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে আল নাহিয়ান খান জয় এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে লেখক ভট্টাচার্য দায়িত্ব পালন করবেন।

  • ঝালকাঠিতে ৪৮ তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠিতে ৪৮ তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

    আরিফুর রহমান আরিফ:

    ঝালকাঠিতে ৪৮ তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় স্কুল ও মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(১৪ সেপ্টেম্বর) জেলা শহরের শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য আমির হোসেন আমু এমপি উপজেলা চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমান এর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন , জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার শাহ আলম , জেলা আওয়ামী লীগ এর সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, আ’লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

  • অসুস্থ ভাইস চেয়ারম্যানকে দেখতে হাসপাতালে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    অসুস্থ ভাইস চেয়ারম্যানকে দেখতে হাসপাতালে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    হাসপাতালে ভর্তি অসুস্থ বরিশাল সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান মধুকে দেখতে গেলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি। শুক্রবার সন্ধ্যায় সদর হাসপাতালে ছুটে যান তিনি।

    এসময় তার সাথে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা মাহামুদুল হক খান মামুন এবং সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টুসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) জাহিদ ফারুক শামীম হাসপাতালে গিয়ে প্রথমে ভাইস চেয়ারম্যানের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেয় এবং চিকিৎসকদের কাছেও অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান।

    পরবর্তীতে হাসপাতালে চিকিৎসরত রোগীদের সাথেও কথা বলেন এবং হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে অবগত হন।

    এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান মধু।

  • বরিশালে দেড়শ দরিদ্র পরিবারকে অর্থ সহায়তা দিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    বরিশালে দেড়শ দরিদ্র পরিবারকে অর্থ সহায়তা দিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    বরিশাল সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ১৫০ দরিদ্র পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি।

    শুক্রবার বিকেলে বান্দরোডস্থ পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেস্ট হাউজ সম্মুখে তিনি পরিবারগুলোকে এই সহায়তা করেন।

    ১৫০ পরিবারকে নগদ তিন হাজার টাকার পাশাপাশি প্রত্যেককে একবান করে ঢেউটিনও দিয়েছেন বরিশাল সদর আসনের এই সাংসদ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন- বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা মাহামুদুল হক খান মামুন আরও অনেক নেতা-কর্মী।

    প্রতিমন্ত্রীর এপিএস শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন- ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সুপারিশে দরিদ্র পরিবারগুলো এই সহায়তা দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।’

  • আ.লীগ নেতার স্ত্রীর গলা কেটে দিলেন বাড়ির দুই কেয়ারটেকার

    আ.লীগ নেতার স্ত্রীর গলা কেটে দিলেন বাড়ির দুই কেয়ারটেকার

    অনলাইন  ডেস্ক ::

    নীলফামারীর সৈয়দপুরে এক আওয়ামী লীগ স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করেছে বাড়ির দুই কেয়ারটেকার। ওই আওয়ামী লীগ নেতার নাম হিটলার চৌধুরী ভলু। তিনি পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সৈয়দপুর পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র।

    শুক্রবার ভোর তিনটার দিকে সৈয়দপুর পৌর শহরের গোলাহাট মহল্লায় ওই নেতার বাসভবনে তার স্ত্রী সুরভী ইসলাম চৌধুরী পপিকে (৩৫) হত্যার চেষ্টা করে তারা। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে পরে অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

    চিকিৎসাধীন পপির গলায় ও হাতে চিকিৎসকরা ৪০টির অধিক সেলাই করেছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। পুলিশ এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করেছে। সুরভী ইসলাম চৌধুরী পপি হিটলার চৌধুরী ভলুর দ্বিতীয় স্ত্রী।

    জানা যায়, হিটলার চৌধুরী ভলুর শহরে দুইটি বাড়ি। পাওয়ার হাউস এলাকায় একটি ও গোলাহাট মহল্লায় আরেকটি। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী পপির ছোট মেয়ে তাসফিয়া লাবিবা চৌধুরী অদ্রি (৭) সাংবাদিকদের জানায়, তার বাবার কাজের জন্য রাখা দুই কেয়ারটেকার জীবন (২১) ও রাজা (১৭) গভীর রাতে এসে ডাকাডাকি করলে মা দরজা খুলে দেয়। ওই সময় বাবা পাওয়ার হাউস এলাকার ছিলেন। ঘরে ঢুকে কেয়ারটেকার দুইজন হঠাৎ চাকু বের করে আম্মুর গলা কাটতে থাকে। আম্মু নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করলে হাত কেটে যায়। এ সময় আমি ও আম্মু চিৎকার করতে থাকলে জীবন ও রাজা পালিয়ে যায়।

    এলাকাবাসী জানায়, জীবন গোলাহাট মহল্লার মহম্মদ মুন্না এবং রাজা একই এলাকার মৃত সাগির হোসেনের ছেলে। এ ঘটনার পর তাদের এলাকায় আর দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। এলাকার সকলে জীবন ও রাজাকে ভলু চৌধুরীর বিশ্বস্ত বলে জানায়। তারা তার বাড়ির নিজের ছেলের মতো থাকতো।

    এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ নেতা হিটলার চৌধুরী ভলু জানান, ঘটনার সময় তিনি পাওয়ার হাউস এলাকায় ছিলেন। খবর পেয়ে বাড়ি ছুটে আসেন এবং স্ত্রীকে প্রথমে সৈয়দপুর হাসপাতালে ও পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করেন।

    তিনি জানান, যে ছেলে দুটো এ ঘটনা ঘটিয়েছে তারা আমারই সঙ্গে থাকে। কেন বা কি কারণে তারা এমনটা ঘটালো বুঝতে পারছি না। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করবো।

    এ ব্যাপারে সৈয়দপুর থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) আবুল হাসনাত ফিরোজ সাংবাদিকদের জানান, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জীবনের বাবা মুন্নাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।