Category: রাজণীতি

  • পংকজ নাথের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, হিজলায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

    পংকজ নাথের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, হিজলায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

    বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কর্মিটির সাধারন সম্পাদক,  গণমানুষের নেতা পংকজ নাথ এমপি’র বিরুদ্ধে তথাকথিত মিথ্যা ভিডিও প্রচারের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে অপপ্রচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোমবার বরিশালের হিজলা উপজেলায়বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ আয়োজন করেন হিজলা উপজেলার আওমীলীগ ও  সহযোগী সংগঠন ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বেলায়েত হোসেন ঢালী ,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন ,উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম সহ আওমীলীগ ও  সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন ।

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ এমপি-কে নিয়ে অশ্লীল প্রচারণায় আমরা ক্ষুব্ধ।  একজন সফল ছাত্রনেতা, সংসদ সদস্য সর্বোপরী নিবেদিত প্রাণ দক্ষ সংগঠককে জন সমক্ষে হেয় ও বিতর্কিত করার হীন উদ্দেশ্যে যারা এসব অপকর্ম করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানাচ্ছি ।

  • দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্ন পূরণে আরও একধাপ এগিয়ে সরকার

    দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্ন পূরণে আরও একধাপ এগিয়ে সরকার

    বরিশাল তথা গোটা দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার একাধিক উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। পায়রা সমুদ্র বন্দরের পরে সর্বশেষ তাদের উন্নয়নকর্মে যুক্ত হয়েছে ফরিদপুরের ভাঙা টু পটুয়াখালীর পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেল সংযোগ স্থাপন। ইতিমধ্যে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে কাজও শুরু হয়ে গেছে। বহুল প্রত্যাশিত এই প্রকল্পটি বাস্তবে রুপ দিতে সরকারের পাশাপাশি এই অঞ্চলের মানুষেরও আগ্রহের কমিতি নেই। প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে পাশে থাকার অঙ্গীকারও করেছে অনেকে। গত বুধবার ভাঙা-পায়রা রেললাইন প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ বরিশালে ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার চিত্র জানিয়ে দিয়েছে স্বপ্নের রেল সংযোগ বাস্তবায়ন প্রশ্নে এ অঞ্চলের মানুষ কতটা আন্তরিক।

    যদিও অনেক স্থানে ভ‚মি অধিগ্রহণ নিয়ে কিছুটা জটিলতার কথা শোনা গেছে। কিন্তু এতে এ উন্নয়ন প্রকল্পে তেমন একটা প্রভাব ফেলবে না দাবি করেছে সংশ্লিষ্টরা।

    সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়- ২১২ কিলোমিটার রেললাইনে মধ্যে ১২টি প্রধান স্টেশন হবে। এর মধ্যে বরিশাল নগরীর মধ্যে থাকবে দুটি এবং বিমানবন্দর এলাকায় একটি। এছাড়া বড় ধরনের আটটি ব্রিজ এবং কয়েক শ’ ছোট ও মাঝারি আকারের ব্রিজ-কালর্ভাট নির্মাণ করা হবে। ভাঙা টু পায়রা রেললাইন প্রকল্পের প্রশস্ততা হবে ১০০ মিটার। দুটি রেললাইনের বিষয়টি মাথায় রেখে ১০০ মিটার জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়েছে।

    বরিশাল জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়- গত বুধবার বরিশাল শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সাথে মতবিনিময় করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে একটি লাইন নির্মাণ করা হবে। এতে কী পরিমাণে পরিবার বা মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে তাদের তালিকা তৈরি হচ্ছে। এ সমীক্ষা শেষ হতে আরও কিছুদিন দিন লাগবে।

    কিন্তু জটিলতা হচ্ছে- অধিগ্রহণ করতে যাওয়া ভ‚মিতে মসজিদ মন্দির বসতবাড়িসহ জনগুরুত্বপূর্ণ অনেক স্থাপনা পড়েছে। এসব ভূমি মালিকদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপুরণ দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এরপরেও মসজিদ মন্দির ধর্মীয় অনুভুতির স্থান হওয়ায় অনেকে তা ছাড়তে চাইছেন না।

    অবশ্য ডেভেলপমেন্ট ডিজাইন কনসালট্যান্ট কম্পানি লিমিটেডের সিনিয়র পরামর্শক আকতারুল ইসলাম খান বরিশালটাইমসকে বলেন, এই ২১২ কিলোমিটারের মধ্যে মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান, শ্মশানসহ যেসব ধর্মীয় উপাসনালয় থাকবে সেগুলো প্রকল্পের ব্যয়ে অন্যত্র পুনঃস্থাপন ও স্থানান্তর করে দেওয়া হবে। এমনকি ভূমি অধিগ্রহণ আইন অনুযায়ী সব মালিককে পাওনা পরিশোধ করা হবে। সেখান থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না। এমন প্রতিশ্রুতি পেয়ে ভুমি মালিকেরা সরকারের পাশে থাকার অঙ্গীকারও করেছেন বলে দাবি করেছেন এই কর্মকর্তা।

    এমতাবস্থায় পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত- বর্তমান সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়ন বরিশাল তথা গোটা দক্ষিণাঞ্চলের চিত্রপট পাল্টে দিয়েছে। এখন পদ্মা সেতুর পাশাপাশি রেল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা তাদের একধরণের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে। এই প্রকল্পটি দুটি বাস্তবায়নে সরকারের অধিক তৎপরতা দক্ষিণাঞ্চলবাসী ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করায় স্বপ্ন পূরণ যেন আরও একধাপ এগিয়ে গেছে।

    তবে স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে গিয়ে যেনে ব্যক্তি বিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত না হল সেই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে জানিয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন- রেল প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত হতে যাওয়া ভূমি মালিকদের নিয়ে সংশ্লিষ্ট কাজ করে যাচ্ছে। প্রত্যেক মালিককে ভূমির সঠিক কাগজপত্র সংরক্ষণ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে তাদের অন্যত্র পুনঃস্থাপন ও স্থানান্তর করে দেওয়া হবে।’

  • ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কালামকে বদলি

    ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কালামকে বদলি

    কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালামকে বদলি করা হয়েছে। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে নিয়োগপূর্বক বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    সোমবার (০২ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

    এতে বলা হয়, ৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মোহাম্মদ আবুল কালামকে বদলিকৃত কর্স্থলে যোগদান করতে হবে। অন্যথায় ওইদিন অপরাহ্নে তাকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হিসেবে গণ্য হবে।

  • রত্নগর্ভা মা শেখ হা‌সিনার গর্ব সজীব ওয়া‌জেদ

    রত্নগর্ভা মা শেখ হা‌সিনার গর্ব সজীব ওয়া‌জেদ

    এক‌টি দে‌শের জা‌তির জন‌কের না‌তি, সেই দে‌শের প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র পুত্র যে এত কষ্ট ক‌রে , এত সাধারণ জীবনযাপনের মাধ্য‌মে পড়াশুনা কর‌ে মানু‌ষের মত মানুষ হ‌তে পা‌রে তা না জান‌লে বিশ্বাস করা ক‌ঠিন ছিল।
    ঘটনাটা কোন গল্প বা সি‌নেমার কা‌হিনী নয়, বাংলা‌দে‌শের স্বাধীনতার স্থপ‌তি, জা‌তির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মু‌জিবুর রহমা‌নের অ‌তি অাদ‌রের দৌ‌হিত্র, বিশ্বমানবতার জননী খেতা‌বে ভূ‌ষিত বাংলা‌দে‌শের প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনার সু‌যোগ্য পুত্র, বিশ্বখ্যাত প্রযু‌ক্তি বি‌শেষজ্ঞ সজীব ওয়া‌জেদ জয়‌কে ছোট‌বেলা থে‌কে অ‌নেক কষ্ট ও সংগ্রাম ক‌রে অ‌তি সাধারণ মানু‌ষের মত জীবনযাপন ক‌রে পড়াশুনা কর‌তে হ‌য়ে‌ছে । বঙ্গবন্ধু‌কে স্বপ‌রিবা‌রে হত্যার পর সজীব ওয়া‌জেদ জয়‌কে নানান ধর‌নের বাধা ডি‌ঙ্গি‌য়ে বড় হ‌তে হ‌য়ে‌ছে । স্কু‌লে প‌রিক্ষীর খাতায় স‌ঠিক/ভাল লিখ‌লেও ষড়যন্ত্র ক‌রে কম নম্বর দেয়া হতো । বাবা মা অাত্মীয় স্বজন ছাড়াই সম্পুর্ণ একা একা মে‌সে বা হো‌স্টে‌লে সপ্তা‌হে ৬ দিন সবজী ভাত খে‌য়ে পড়াশুনা কর‌তে হ‌য়ে‌ছে । স্কুল ক‌লে‌জের ফি দি‌তে পা‌রে‌নি । তরুণ প্রজ‌ন্মের অহংকার সজীব ওয়া‌জেদ জয় সম্প‌র্কে তার রত্নগর্ভা মা শেখ হা‌সিনা ব‌লেন ঃ~~~~

    ভারতের ব্যাঙ্গালোর ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক করার পর জয় কিছু দিন চাকরি করে এরপর আরও উচ্চ শিক্ষার জন্য এমআইটিতে (আমেরিকা) চান্স পেল। আমি তার শিক্ষার খরচ দিতে পারিনি। দুটো সেমিস্টার পড়ার পর নিজে কিছু দিল, আমাদের কিছু বন্ধুবান্ধব সহযোগিতা করল, যার জন্য যেতে পারল।

    আর আব্বার বন্ধু আমার ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার সব দায়িত্ব নিয়েছিলেন। উনি বলতেন, তুমি পলিটিক্স করো এটা আমার ওপর ছেড়ে দাও। তিনি না থাকলে আমি পড়াতে পারতাম না। এমনকি মিশনারি স্কুলে তারা পড়েছে। সাত দিনই সবজি বা ডালভাত খেতে হতো, একদিন শুধু মাংস খেতে পারত। এভাবে কৃচ্ছ সাধন করে এরা বড় হয়েছে।

    যখন এমআইটিতে দিতে পারলাম না। আমি প্রধানমন্ত্রী, আমার দ্বিধা হল, কাকে বলব টাকা দিতে বা কীভাবে আমি টাকা পাঠাবো, বুঝতে পারিনি। কার কাছে দেনা হব? আমার কারণে তার পড়া হল না। দুটো সেমিস্টার করে তাকে বিদায় নিতে হল। তারপর সে চাকরিতে ঢুকল।

    ২০০৭ সালে বউমা অসুস্থ হলে দেখতে গেলাম। তখন তাকে অনুরোধ করলাম। কারণ আমার ভেতরে এই জিনিসটা খুব কষ্ট লাগত যে, আমি প্রধানমন্ত্রী হলেও তার পড়ার খরচ দিতে পারিনি। তখন আমি বললাম, তুমি হার্ভার্ডে আবেদন কর। আমি অনুরোধ করার পর সত্যি সে আবেদন করল। চান্স পেয়ে গেল।

    আমি কথা দিয়েছিলাম, ফার্স্ট সেমিস্টারের টাকা আমি দেবো। কিন্তু দুর্ভাগ্য তার আগে গ্রেফতার হয়ে গেলাম। তবে আমি চেয়েছিলাম, চান্স যখন পেয়েছে যেভাবে পারুক চালাক। পরে বাড়ি ছেড়ে দিয়ে তা ভাড়া দিয়ে সেই ভাড়ার টাকা দিয়ে, কলেজ থেকে দূরে বাসা নিল যাতে সস্তায় বাসা পায়, গাড়ি রেখে মটরসাইকেল চালিয়ে সে আসত।’

    -দেশরত্ন শেখ হাসিনা

    মোটকথা রত্ন থে‌কে রত্নই সৃ‌ষ্টি হ‌বে এটা যেমন সত্য তেম‌নি মেধা হ‌চ্ছে অা‌লোর মতই তা‌কে যেখা‌নেই রাখ‌বে জ্ব‌লে উঠ‌বে ।
    যত অন্ধকার হোন না কেন, যত অব‌হেলাই করুক না কেন মেধার বিকাশ ঘট‌বেই । অার মেধা হ‌চ্ছে অাল্লাহর দান, অাল্লাহ তা‌কেই মেধা দান ক‌রেন যার দ্বারা তার সৃ‌ষ্টির সেরা জীব মানু‌ষের কল্যাণ হ‌বে । বাংলা‌দে‌শের স্বাধীনতার জন্য অ‌নে‌কেই সংগ্রাম ক‌রে‌ছেন কিন্তু স্বাধীনতা অ‌র্জিত হ‌য়ে‌ছে বঙ্গবন্ধুর নেতু‌ত্বে অা‌ন্দোলন সংগ্রা‌মের মাধ্য‌মে । অ‌নেক ঘাতক শাসক বাংলা‌দেশ‌কে নেতৃত্ব দি‌য়ে‌ছেন কিন্তু উন্নয়ন ও মানু‌ষের কল্যাণ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হা‌সিনা ছাড়া অার কেউ কর‌তে পে‌রে‌ছে কি ? পা‌রে‌নি । শেখ হা‌সিনার মেধা ও স্মৃ‌তি মহান অাল্লাহর দান যা‌কে ১৯ বার হত্যা কর‌তে চেষ্টা ক‌রে‌ছে স্বাধীনতা বি‌রোধী শত্রুরা , ব্যার্থ হ‌য়ে‌ছে কেননা অাল্লাহই তা‌কে রক্ষা কর‌ছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হা‌সিনার গ‌র্ভ থে‌কে জন্ম নি‌য়ে‌ছেন সজীব ওয়া‌জেদ জয় যার মেধা, জ্ঞান, দুরদ‌র্শিতা শুধু রত্নগর্ভা মা শেখ হা‌সিনাকে বি‌স্মিত ক‌রে‌ছে তা নয় সমগ্র অনুন্নত বা দ্রুত উন্নয়নশীল রাষ্ট্রনেতারাও সজীব ওয়া‌জেদ‌কে অনুসরণ কর‌ছে, অনুকরণ কর‌ছে । সম্প্র‌তি জা‌তিসংঘ থে‌কে অাই‌সি‌টি ফর ডে‌ভেলপ‌মেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রা‌প্তি কোন সাধারণ ঘটনা নয়, জাদুকরী মেধারই মূল্যায়নের অংশ।  অাজ‌কের ডি‌জিটাল বাংলা‌দেশ, প্রযু‌ক্তির বি‌স্ফোরন, বঙ্গবন্ধু স্যা‌টেলাইট, 4G, 5G সবই সজীব ওয়া‌জেদ জ‌য়ের অবদান ।

    সজীব ওয়া‌জেদ জয় এখন শুধু বাংলা‌দে‌শের গর্ব নয় তি‌নি অনুন্নত বি‌শ্বের অা‌লো‌কিত প‌থের দিশারী ।

  • ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত হবে আবার অপরাধের জন্য তিরস্কারও গ্রহন করতে হবে : মেয়র সাদিক

    ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত হবে আবার অপরাধের জন্য তিরস্কারও গ্রহন করতে হবে : মেয়র সাদিক

    রাতুল হোসেন রায়হান:

    ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত হবে আবার অপরাধের জন্য তিরস্কারও গ্রহন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    মেয়র সাদিক আরো বলেন, পুলিশকে জনগনের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করতে হবে। যারা মাদক কারবারের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরো জোরদার করতে হবে।

    মেয়র বলেন, যারা অন্যায় করবে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে তবে যারা নিরাপরাধ তারা যেন কেউ অযথা হয়রানীর শিকার না হয়।

    সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় এ্যানেক্স ভবনে মেয়রের দপ্তরে বিএমপি পুলিশ সদস্যদের সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের উপ- পুলিশ কমিশনার (দক্ষিন) মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম ছাড়াও, এস আই সমীরন মন্ডল, এ এস আই শরিফ হোসেন, আসাদুজ্জামান, বিধান চন্দ্র গনপতি, সুমন হাওলাদার এবং কনস্টেবল আল আমিন ও কবির হোসেনের হাতে সম্মানানা স্মারক তুলে দিয়ে ফটো সেশনে অংশগ্রহন ও মধ্যাহ্ণ ভোজে মিলিত হন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    শুভেচ্ছা স্মারক গ্রহন করে পুলিশ সদস্যরা মেয়রের ভুয়ষী প্রশংসা করে বলেন, তাদের জানা মতে দেশের কোন মেয়র প্রথম বারের মতো তাদের এভাবে সন্মান জানালো। যা তাদের কাজের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরনা হয়ে কাজ করবে। তারাসহ বরিশালের পুলিশ সদস্যরা মেয়রের সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস প্রতান করেন।

  • বিএমপির সাহসী পুলিশদের সম্মাননা স্বারক দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বিএমপির সাহসী পুলিশদের সম্মাননা স্বারক দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:: 

    বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের আওতাধীন বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম পিপিএমসহ পুলিশের ৮ সদস্যকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    সম্প্রতি বরিশাল মেট্টো পলিটন পুলিশের সফল অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক করাবারী আটক হওয়ায় বিএমপির কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খানসহ অভিযানে অংশ নেয়া সকল পুলিশ সদস্যকে অভিনন্দন জানিয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলামসহ অভিযানে অংশ নেয়া চৌকস পুলিশ সদস্যদেরকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদানের ঘোষনা দেন।

    সে ঘোষনা অনুযায়ী ২ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুর ২টায় শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়। এ্যানেক্স ভবনে মেয়রের দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে শুভেচ্ছা স্মারক পাওয়া পুলিশ সদস্যদের পুনরায় অভিনন্দন জানিয়ে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, পুলিশকে জনগনের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করতে হবে। যারা মাদক কারবারের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরো জোরদার করতে হবে।

    মেয়র বলেন, যারা অন্যায় করবে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে তবে যারা নিরাপরাধ তারা যেন কেউ অযথা হয়রানীর শিকার না হয়। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ আরো বলেন, ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত হবে আবার অপরাধের জন্য তিরস্কারও গ্রহন করতে হবে।

    অনুষ্ঠানে বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের উপ- পুলিশ কমিশনার (দক্ষিন) মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম ছাড়াও, এস আই সমীরন মন্ডল, এ এস আই শরিফ হোসেন, আসাদুজ্জামান, বিধান চন্দ্র গনপতি, সুমন হাওলাদার এবং কনস্টেবল আল আমিন ও কবির হোসেনের হাতে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দিয়ে ফটো সেশনে অংশগ্রহন ও মধ্যাহ্ণ ভোজে মিলিত হন সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    শুভেচ্ছা স্মারক গ্রহন করে পুলিশ সদস্যরা মেয়রের ভুয়ষী প্রশংসা করে বলেন, তাদের জানা মতে দেশের কোন মেয়র প্রথম বারের মতো তাদের এভাবে সন্মান জানালো। যা তাদের কাজের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরনা হয়ে কাজ করবে। তারাসহ বরিশালের পুলিশ সদস্যরা মেয়রের সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস প্রতান করেন।

  • মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির ৮ নেতার আত্মসমর্পণ

    মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির ৮ নেতার আত্মসমর্পণ

    সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য ও পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালতে আত্মমসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির শীর্ষ ৮ নেতা।

    সোমবার (২ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম শরাফুজ্জামান আনসারির আদালতে তাদের পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। পরে আদালত আবেদনের ওপরে দুপুর ১টা ১৫মিনিটে শুনানির সময় নির্ধারণ করেন।

    মির্জা ফখরুল ছাড়া বাকি সাত নেতা হলেন- ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।

    আদালতে বিএনপি নেতাদের পক্ষে জামিন আবেদন করেন ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ।

    পরে ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান জানান, হাতিরঝিলের মামলায় বিএনপির আট নেতার পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়েছে। এ মামলার আরও আট নেতারা লিগগিরই হাজির হবেন।

    গত ১৮ এপ্রিল এই মামলায় আপিল বিভাগের রায় প্রকাশের পর বিচারিক আদালতে পৌঁছানোর দুই সপ্তাহের মধ্যে ১৬ নেতাকে আত্নসমর্পণ করতে বলা হয়। তবে আত্মসমর্পণের পর এসব ব্যক্তিরা জামিনের আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট আদালত আইন ও তথ্য অনুসারে জামিনের জন্য তাদের প্রার্থনা বিবেচনা করতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। ২১ আগস্ট আপিল বিভাগের রায়টি বিচারিক আদালতে পৌঁছায়। যার ধারাবাহিকতায় তারা বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

  • একাত্তরের পর বাংলাদেশ থেকে কেউ ভারতে যায়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    একাত্তরের পর বাংলাদেশ থেকে কেউ ভারতে যায়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    আসামের নাগরিক তালিকাকে (এনআরসি) ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, একাত্তরের পর বাংলাদেশ থেকে কেউ ভারতে যায়নি। সে দেশের সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটিনকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেছেন, আসামের এনআরসির সঙ্গে বাংলাদেশের কোনও সম্পর্ক নেই। নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়া ১৪-১৫ লাখ বাসিন্দাকে ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানানো হবে; আসামের অর্থমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় আসামের চূড়ান্ত নাগরিক তালিকা (এনআরসি) প্রকাশ করা হয়। তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন রাজ্যের প্রায় ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জন মানুষ। ভারত দাবি করে আসছে তালিকা থেকে বাদ পড়ারা বাংলাদেশ থেকে ভারতে স্থায়ী হওয়া অবৈধ অভিবাসী। তবে বাংলাদেশ এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তালিকা প্রকাশের পর ভারতের ক্ষমতাসীন এনডিএ জোটের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকার সমন্বয়কারী ও আসামের অর্থমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ‘বাংলাদেশ ভারতের বন্ধু এবং তারা আমাদের সহায়তা করে আসছে। আমরা অবৈধ অভিবাসী হিসেবে উপস্থাপন করলে তারা বরাবরই তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিচ্ছে। এই সংখ্যাটি বেশি বড় না, তবে এখন আমরা তাদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।’

    হেমন্ত বিশ্ব শর্মার মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটিনকে বলেন, ‘এনআরসির সঙ্গে বাংলাদেশের কোনও সম্পর্ক নেই। আমি আবারও বলছি, এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমি জানি না এই বিষয়ে কে কী বলেছে। ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানালে, আমরা জবাব দেব। সবমিলে আমি বলতে পারি, ১৯৭১ সালের পর কেউ বাংলাদেশ থেকে ভারতে যায়নি। হতে পারে ভারতের বিভিন্ন অংশ থেকে তারা (মূলত বাংলাভাষীরা) আসামে স্থায়ী হয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশ থেকে নয়।’

    বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকে ভারত আমাদের সঙ্গে আছে। ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক চমৎকার। তারা আমাদের বন্ধু, কিন্তু এনআরসি নিয়ে উদ্বেগের ক্ষেত্রে আমি বলতে পারি, ১৯৭১ সালের পর কেউ বাংলাদেশ থেকে ভারতে যায়নি। আমি মনে করি না ভারত সরকার কাউকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেবে।’

    আসামের চূড়ান্ত নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়া ব্যক্তিরা ১২০ দিনের মধ্যে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে আপিলের সুযোগ পাবেন। এনআরসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে আসামের বাসিন্দাদের ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের আগে থেকে রাজ্যটিতে বসবাসের প্রমাণ উপস্থাপন করতে হচ্ছে। তালিকা প্রকাশের পর নিউজ ১৮কে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে হেমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ১৯৭১ সালের পর যারা শরণার্থী হিসেবে এসেছেন তারা সমস্যায় পড়বেন। তাদের প্রতি আমাদের সহানুভূতি রয়েছে, কিন্তু অনেকেই এনআরসি প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি করেছেন, আর আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

  • ওসমানীকে কেউ মনে রাখেনি

    ওসমানীকে কেউ মনে রাখেনি

    কেউ তাকে মনে রাখেনি! নীরবে চলে গেল মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর জন্মবার্ষিকী। গতকাল ছিল তার ১০১তম জন্মবার্ষিকী। কিন্তু কেউ তাকে স্মরণ করেনি। ১৯১৮ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এমএজি ওসমানী। তার বাবার নাম খান বাহাদুর মফিজুর রহমান, মাতা জোবেদা খাতুন। তার পিতৃপুরুষের বাড়ি সিলেট জেলার বালাগঞ্জ তথা বর্তমানে ওসমানীনগর থানা দয়ামীরে। তিনি ১৯৮৪ সালে ৬৬ বছর বয়সে লন্ডনের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

    এমএজি ওসমানী ১৯৩৯ সালে জুলাই মাসে ব্রিটিশ ভারতের সেনাবাহিনীতে ক্যাডেট হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৪০ সালে ৫ অক্টোবর তিনি ইন্ডিয়ান মিলিটারি একাডেমি দেরাদুন থেকে সামরিক শিক্ষা সমাপ্ত করে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মিতে কমিশন প্রাপ্ত হন। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে অংশ নেয়া ওসমানী কর্মময় জীবনে সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

    ১৯৬৭ সালের ১৬ ফেব্রæয়ারি অবসর গ্রহণ করে ১৯৭০ সালের জুলাই মাসে তিনি রাজনীতিতে যোগদান করেন। ওই বছরের ডিসেম্বরে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ-বিশ্বনাথ থানার সমন্বয়ে গঠিত আসন থেকে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করে পাকিস্তানের গণপরিষদে জয়লাভ করেন।
    ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে জাতির সঙ্কটময় মুহূর্তে তিনি মুক্তিযুদ্ধের অধিনায়ক নিযুক্ত হন এবং শত্রুর বিরুদ্ধে মোকাবেলা করার স্বার্থে একটি সেনাবাহিনী, একটি গেরিলা বাহিনী গড়ে তোলেন। চরম বিপর্যয়ের মোকাবেলায় অসম ও অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানের সুশিক্ষিত ও সুসজ্জিত শত্রুবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে সশস্ত্র যুদ্ধ বিজয় অর্জন করেন।

    জাতির প্রতি তার চরম ত্যাগ ও মহান সেবার স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার কর্নেল ওসমানীকে জেনারেল পদে সম্মানিরত করেন। ১৯৭২ সালের ৭ এপ্রিল হতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়কের পদ বিলুপ্ত হওয়ায় তিনি সামরিক বাহিনী থেকে ছুটি নেন এবং বাংলাদেশ গণপরিষদের সদস্য হিসেবে পরিষদের আসন গ্রহণ করেন।
    ওসমানী ১৯৭২ বঙ্গবন্ধুর সরকারের জাহাজ চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ ও বিমান চলাচল মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অতঃপর ১৯৭৩ সালের নির্বাচনের পরও আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী হন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর বাকশাল গঠন প্রশ্নে ভিন্নমত পোষণ করে ১৯৭৪ সালের ১ মে তিনি মন্ত্রিসভা ও সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি ১৯৭৫ সালের ২৯ আগস্ট তৎকালীন প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমদের অনুরোধে প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ৩ নভেম্বর পদত্যাগ করেন। ১৯৭৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর নিজস্ব রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় জনতা পার্টি’ গঠন করেন। তিনি ১৯৭৮ এবং ১৯৮১ সালে দু’বার প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করেন।

    মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া জাতির এই কৃতি সন্তানের কথা কেউ মনে রাখেনি। গতকাল ১০১তম জন্মদিনে একটি প্যাড সর্বস্ব দল তাকে স্মরণ করেছে। বলা যায় নীরবে চলে গেছে জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানের জন্মবার্ষিকী।

  • জিয়ার সমাধিতে গিয়ে বিএনপি নেতাদের হাতাহাতি, পাঞ্জাবি ছেঁড়া হলো আঞ্জুর (ভিডিও)

    জিয়ার সমাধিতে গিয়ে বিএনপি নেতাদের হাতাহাতি, পাঞ্জাবি ছেঁড়া হলো আঞ্জুর (ভিডিও)

    বিএনপির ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিতে গিয়ে হাতাহাতিতে জড়িয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির দুগ্রুপের নেতাকর্মীরা। এ সময় ঢাকা উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুল বাছিদ আঞ্জুর পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলেন প্রতিপক্ষ নেতাকর্মীরা।

    রোববার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়ার মাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    জানা গেছে, দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রোববার সকাল ১০টায় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সমাধিতে ফুল দিতে যান ঢাকা মহানগরসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    সিনিয়র নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদন করে চলে যাওয়ার পর ফুল দেয়ার সময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির দুগ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি হয়। একে অপরকে কিলঘুষি মারেন। এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুল বাছিদ আঞ্জুর পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলা হয়।

    পরে খালি গায়ে জিয়ার মাজার এলাকা ত্যাগ করেন আঞ্জু।

    নগর বিএনপি নেতা আঞ্জুকে লাঞ্ছনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহানগর উত্তর বিএনপির দফতর সম্পাদক এ বি এম রাজ্জাক। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে সাবেক ছাত্রনেতা নগরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জুকে যারা লাঞ্ছিত করেছে তারা আওয়ামী লীগের দালাল।’

    ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। দিনটি উপলক্ষে দলের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি নেয়া হয়েছে।

    সকাল ৬টায় নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে বিএনপির সব কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। বেলা ৩টায় বিএনপির উদ্যোগে রাজধানীর রমনা ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স-বাংলাদেশ মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় বিএনপির সিনিয়র নেতাসহ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখবেন।