Category: রাজণীতি

  • দেশের মানুষ পল্লীবন্ধুকে মনে রেখেছে : জিএম কাদের

    দেশের মানুষ পল্লীবন্ধুকে মনে রেখেছে : জিএম কাদের

    সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রসঙ্গে তাঁর ভাই ও দলটির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের) বলেছেন দেশের মানুষ এখনো পল্লীবন্ধুকে মনে রেখেছে।

    আজ শনিবার রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর মোড়ে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের চেহলাম উপলক্ষে জাতীয় পার্টি উত্তরা পশ্চিম থানা আয়োজিত আলোচনা সভা, দোয়া ও দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণকালে জিএম কাদের এ কথা বলেন।

    আজ শনিবার রংপুরসহ সারা দেশে জাতীয় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের চেহলাম অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে রংপুরে ৩০ হাজার মানুষকে খাওয়ানো হবে বলে জানা গেছে। গত ১৪ জুলাই, রবিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এরশাদ মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। ২৩ আগস্ট তার মৃত্যুর ৪০ দিন ছিল। সে দিনই তার চেহলাম অনুষ্ঠানের আয়োজনের সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু সে দিন হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি পূজা থাকায় তারিখ পরিবর্তন করে ৩১ আগস্ট করা হয়।

    অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এখনো দেশের মানুষ পল্লীবন্ধুকে মনে রেখেছে, তাকে আজীবন মনে রাখবে। দেশের মানুষের অন্তরে পল্লীবন্ধু আজীবন বেঁচে থাকবেন।

    এ সময় জাতীয় পার্টির উত্তরা পশ্চিম থানার সভাপতি শরীফুল আলম সোহেলের সভাপতিত্বে জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জাতীয় পার্টি মহানগর উত্তরের সভাপতি এস এম ফয়সল চিশতী বক্তব্য রাখেন।

  • ‘আ’লীগের বিরুদ্ধে গুম-খুনের অভিযোগ করার অধিকার বিএনপির নেই’

    ‘আ’লীগের বিরুদ্ধে গুম-খুনের অভিযোগ করার অধিকার বিএনপির নেই’

    আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মানুষ গুম-খুন করার কথা বলার কোন অধিকার বিএনপির নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

    আজ শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে স্বাধীনতা পরিষদের আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

    মন্ত্রী বলেন, বিএনপি খুনির দল, জিয়াউর রহমানের আমল থেকে গুম খুন শুরু হয়েছে। এরপর পেট্রোল বোমা দিয়ে মানুষ হত্যা করেছে তারা, এ জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল করে তাদের বিচার করতে হবে।

    মন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপির যে সব নেতা পেট্রোল বোমা হামলার আদেশ দিয়েছেন তাদেরকেও হুকুমের আসামী করতে হবে।

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ৪১ এনজিও প্রত্যাহার

    রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ৪১ এনজিও প্রত্যাহার

    রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টির পর ১৩৯টি এনজিও ওই এলাকায় তাদের কার্যক্রম শুরু করেছিল। এদের মধ্যে অপকর্মে লিপ্ত থাকায় তালিকা করে ৪১টি এনজিওকে সব ধরনের কার্যক্রম থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।’- বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।

    শনিবার সকালে সিলেট শহরতলীর দক্ষিণ সুরমা এলাকায় জেলা সিটি কর্পোরেশনের মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এখনো তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন এনজিও একই কাজ করছে। তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন দেশি ও বিদেশি এনজিও নানাভাবে তদবিরও করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ার জন্য।

    সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমার বড় ভাই সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও সিটি মেয়র আরিফুল হকে চৌধুরী। এ দুইজন যদি না হতেন এটা হতো না, এ জন্য আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন- সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা ও সিলেট জেলা এবং মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

  • বঙ্গবন্ধুর জন্য ৬০ হাজার বার পবিত্র কোরআন খতম

    বঙ্গবন্ধুর জন্য ৬০ হাজার বার পবিত্র কোরআন খতম

     

    গোপালগঞ্জে সমাজসেবা অধিদপ্তর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ৬০ হাজার ৭৫ বার কোরআন খতম করেছে।

    সমাজসেবা অধিদপ্তরের টুঙ্গিপাড়া শেখ রাসেল দুঃস্থ শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের এতিম শিশুরা শোকের মাসব্যাপী বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফিরাত কামনায় ৬০ হাজার ৭৫ বার কোরআন খতম করে।

    শনিবার শোকের মাসের শেষ দিনে কোরআন খতম শেষে এতিম শিশুরা টুঙ্গিপাড়ায় শোক র‌্যালি বের করে। র‌্যালিটি টুঙ্গিপাড়ার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধে গিয়ে শেষ হয়।

    শোক র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক মিনা মাসুদুজ্জামান, উপপরিচালক হরিশ্চন্দ্র বিশ্বাস, ফরিদ আহম্মেদ, হাবিবুর রহমান, সমীর মল্লিক, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শেখ মো. রুহুল আমিন, টুঙ্গিপাড়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ তোজাম্মেল হক টুটুল প্রমুখ।

    র‌্যালি শেষে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধে সমাজসেবা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে সেখানে পবিত্র ফাতেহা পাঠ, বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগস্টের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত করা হয়। এতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঢাকা থেকে যোগ দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, সচিব যুয়েনা আজীজ ও মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক গাজী মো. নুরুল কবীর।

    গোপালগঞ্জ জেলা সমাজ সেবা অফিসের ডিডি সমীর মল্লিক বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জাতির পিতার ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে ছিল কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাচ ধারণ, কোরআন খতম, দোয়া মোনাজাত, শোক র‌্যালি ও বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। আমাদের টুঙ্গিপাড়া শেখ রাসেল দুঃস্থ শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের শিশুরা বঙ্গবন্ধুর জন্য মাসব্যাপী ৬০ হাজার ৭৫ বার কোরআন খতম করেছে। কোরআন খতম শেষে শোকর‌্যালি করেছি, বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি শেষ হয়েছে।

  • কাঁদলেন শাহান আরা কাঁদালেন সবাইকে

    কাঁদলেন শাহান আরা কাঁদালেন সবাইকে

    শোকাবহ আগষ্টের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে এই প্রথম বরিশালের ইতিহাসে বৃহত স্মরণ সভার আয়োজন করেছে বরিশাল জেলা প্রশাসন। আজ শনিববার সকাল ১১টায় নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে এ দোয়া মোনাজাত, স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমানের সভাপতিত্বে স্মৃতিচারণমূলক সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ও শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের পুত্র আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি।

    অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের গুলিবিদ্ধ হওয়া পুত্রবধূ ও বরিশাল জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহান আরা বেগম।

    এসময় স্মৃতিচারণমূলক সভায় প্রধানন আলোচকের বক্তব্যে শাহান আরা বেগম নিজে কাঁদলেন এবং উপস্থিত সবাইকে কাঁদালেন। তিনি বললেন সে দিনের সেই স্মৃতি আজও আমাকে কাঁদায়। এক মুহুর্তের জন্য সে দিনের সেই নির্মম সেই হত্যাকাণ্ডের কথা ভুলতে পারিনা।

    তিনি বলেন, ১৫ আগস্টের সেই নির্মম হত্যাকাণ্ড চালানোর সময় আমার গায়ে ৩টা গুলি লাগে যা এখনও আমি শরীরে বহন করে চলছি। হত্যাকারীদের গুলিতে আমর শিশু সন্তান সুকান্ত বাবু মারা গেলেও আমার কোলে থাকা আজকের বরিশালি সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বেঁচে যায়। আমার গায়ে গুলি লাগায় আমি রক্তাক্ত হয়ে পড়ে থাকার কারনে হত্যাকারীরা বুজতে পেরেছিলো আমি মারা গেছি। কিন্তু আপনাদের দোয়ায় আমি আজও বেঁচে আছি। বেচে আছে আমার সন্তান সাদিক আবদুল্লাহ।

    এসব কথা বলতে বলতে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। দীর্ঘ সময় বক্তব্য থামিয়ে কান্না শেষ করে আবার বক্তব্য শুরু করেন। আবার কাঁদেন। কান্না যেন থামাতে পারছিলেন না তিনি। তার কান্না দেখে উপস্থিত সকলের চোঁখ থেকে পানি পড়তে শুরু করে। উপস্থিত কেউই চোঁখের পানি ধরে রাথতে পারলেন না। সবাই যেন স্তব্ধ হয়ে গেছিলেন। কোন সাড়া শব্দ ছিলোনা। সবাই সুনছিলেন তার কথা। এমন নির্মমতার কথা যেন কেউ এর আগে কখনও শোনেন নি।

  • ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত খালেদা জিয়ার বিচার চাইলেন হাসানাত আবদুল্লাহ

    ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত খালেদা জিয়ার বিচার চাইলেন হাসানাত আবদুল্লাহ

     

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    ১৫ আগস্টের সেই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া জড়িত ছিলেন বলে জানান স্মৃতিচারণমূলক সভা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী পদমর্যাদা) আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি। নির্মম এ হত্যাকাণ্ডের জন্য খালেদা জিয়ার বিচারও চাইলেন তিনি।

    তিনি বলেন, বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সবাইকে হত্যা। ঘাতকেরা চেয়েছিলো বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে। কিন্তু অলৈকিকভাবে বেচে যাই আমারা কয়েকজন। পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যদেরকেই হত্যা করা হয় সেদিন।

    তিনি আরও বলেন, সেদিনের সেই হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা সরাসরি জড়িত ছিলো তাদের নিয়ে মন্ত্রীসভা কারা গঠন করেছে সেটা আপনারাই জানেন। হত্যাকাণ্ডের পর আওয়মী লীগের সকল সভা সমাবেশ বন্ধেরও ঘোষনা দিয়েছিলেন তারা। বঙ্গবন্ধুর পরিবাবের সকল সদস্যকে হত্যা করতে পেরেছ ভেবে তখন ঘাতকরা উল্লাসে মেতে ওঠে।

    শোকাবহ আগষ্টের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে এই প্রথম বরিশালের ইতিহাসে বৃহত স্মরণ সভার আয়োজন করেছে বরিশাল জেলা প্রশাসন। আজ সকাল ১১টায় নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে দোয়া মোনাজাত, স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমানের সভাপতিত্বে স্মৃতিচারণমূলক সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ও শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের পুত্র আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি।

    অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের গুলিবিদ্ধ হওয়া পুত্রবধূ ও বরিশাল জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহান আরা বেগম।

    এসময় স্মৃতিচারণমূলক সভায় প্রথান আলোচকের বক্তব্যে শাহান আরা বেগম নিজে কাঁদলেন এবং উপস্থিত সবাইকে কাঁদালেন। তিনি বললেন সে দিনের সেই স্মৃতি আজও আমাকে কাঁদায়। এক মুহুর্তের জন্য সে দিনের সেই নির্মম হত্যা কাণ্ডের কথা ভুলতে পারিনা।

    তিনি বলেন, ১৫ আগস্টের সেই নির্মম হত্যাকাণ্ড চালানোর সময় আমার গায়ে ৩টা গুলি লাগে যা এখনও আমি শরীরে বহন করে চলছি। হত্যাকারীদের গুলিতে আমর শিশু সন্তান সুকান্ত বাবু মারা গেলেও আমার কোলে থাকা আজকের বরিশালি সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বেঁচে যায়। আমার গায়ে গুলি লাগায় আমি রক্তাক্ত হয়ে পড়ে থাকার কারনে হত্যাকারীরা বুজতে পেরেছিলো আমি মারা গেছি। কিন্তু আপনাদের দোয়ায় আমি আজও বেঁচে আছি। বেচে আছে আমার সন্তান সাদিক আবদুল্লাহ।

    এসব কথা বলতে বলতে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। দীর্ঘ সময় বক্তব্য থামিয়ে কান্না শেষ করে আবার বক্তব্য শুরু করেন। আবার কাঁদেন। কান্না যেন থামাতে পারছিলেন না তিনি। তার কান্না দেখে উপস্থিত সকলের চোঁখ থেকে পানি পড়তে শুরু করে। উপস্থিত কেউই চোঁখের পানি ধরে রাথতে পারলেন না। সবাই যেন স্তব্ধ হয়ে গেছিলেন। কোন সাড়া শব্দ ছিলোনা। সবাই সুনছিলেন তার কথা। এমন নির্মমতার কথা যেন কেউ এর আগে কখনও শোনেন নি।

  • শোকবহ আগষ্ট স্বরনে দোয়া ও স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভায় মাইনুল এর নেতৃত্বে শোকর‌্যালী

    শোকবহ আগষ্ট স্বরনে দোয়া ও স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভায় মাইনুল এর নেতৃত্বে শোকর‌্যালী

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    ছাত্রলীগ নেতা মাইনুলরে নেতৃত্বে বিশাল এক শোকর‌্যালী দোয়া ও স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভায় অংশগ্রহন করে । কর ভবনের সামনে থেকে র‌্যালীটি দোয়া ও স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভার স্থান বঙ্গবন্ধু উদ্যানে অংশগ্রহন করে।

    শোকাবহ আগষ্টের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে এই প্রথম বরিশালের ইতিহাসে বৃহত স্মরণ সভার আয়োজন করেছে বরিশাল জেলা প্রশাসন। আজ সকাল ১১টায় নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে দোয়া মোনাজাত, স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমানের সভাপতিত্বে স্মৃতিচারণমূলক সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ও শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের পুত্র আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি।

    অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের গুলিবিদ্ধ হওয়া পুত্রবধূ ও বরিশাল জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহান আরা বেগম।

    গেষ্ট অব অনার হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কর্নেল (অব:) জাহিদ ফারুক শামীম, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, পানিসম্পদ মন্ত্রনালয় ও সংসদ সদস্য, বরিশাল ৫( বরিশাল সদর )।

    বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ,জনাব পংকজ নাথ, মাননীয় সংসদ সদস্য (বরিশাল ৪)। জনাব গোলাম কিবরিয়া টিপু, মাননীয় সংসদ সদস্য,  (বরিশাল ৩) ।বেগম নাসরিন জাহান রত্না,সংসদ সদস্য (বরিশাল ৬)। এড: সৈয়দা রুবিনা আক্তার মিরা, সংসদ সদস্য মহিলা সংরক্ষিত আসন। জনাব মুহম্মদ ইয়াসিন চৌদুরী, বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল বিভাগ বরিশাল।জনাব মো: শফিকুল ইসলাম, বিপিএম, পিপিএম, (বার),উপ মহা পুলিশ পরিদর্শক বরিশাল রেন্জ বরিশাল। জনাব মো: শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম (বার), পুলিশ কমিশনার বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ, বরিশাল।

    উক্ত দোয়া ও স্মৃতিচারনমূলক সভায় মুখ্য আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন , জনাব সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, মাননীয় মেয়র,বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।

    এসময় স্মৃতিচারণমূলক সভায় প্রথান আলোচকের বক্তব্যে শাহান আরা বেগম নিজে কাঁদলেন এবং উপস্থিত সবাইকে কাঁদালেন। তিনি বললেন সে দিনের সেই স্মৃতি আজও আমাকে কাঁদায়। এক মুহুর্তের জন্য সে দিনের সেই নির্মম হত্যা কাণ্ডের কথা ভুলতে পারিনা।

    তিনি বলেন, ১৫ আগস্টের সেই নির্মম হত্যাকাণ্ড চালানোর সময় আমার গায়ে ৩টা গুলি লাগে যা এখনও আমি শরীরে বহন করে চলছি। হত্যাকারীদের গুলিতে আমর শিশু সন্তান সুকান্ত বাবু মারা গেলেও আমার কোলে থাকা আজকের বরিশালি সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বেঁচে যায়। আমার গায়ে গুলি লাগায় আমি রক্তাক্ত হয়ে পড়ে থাকার কারনে হত্যাকারীরা বুজতে পেরেছিলো আমি মারা গেছি। কিন্তু আপনাদের দোয়ায় আমি আজও বেঁচে আছি। বেচে আছে আমার সন্তান সাদিক আবদুল্লাহ।

    এসব কথা বলতে বলতে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। দীর্ঘ সময় বক্তব্য থামিয়ে কান্না শেষ করে আবার বক্তব্য শুরু করেন। আবার কাঁদেন। কান্না যেন থামাতে পারছিলেন না তিনি। তার কান্না দেখে উপস্থিত সকলের চোঁখ থেকে পানি পড়তে শুরু করে। উপস্থিত কেউই চোঁখের পানি ধরে রাথতে পারলেন না। সবাই যেন স্তব্ধ হয়ে গেছিলেন। কোন সাড়া শব্দ ছিলোনা। সবাই সুনছিলেন তার কথা। এমন নির্মমতার কথা যেন কেউ এর আগে কখনও শোনেন নি।

  • বঙ্গবন্ধু উদ্যানে শোকাবহ আগস্ট স্মরনে দোয়া স্মৃতিচারন সভা অনুষ্ঠিত হয়

    বঙ্গবন্ধু উদ্যানে শোকাবহ আগস্ট স্মরনে দোয়া স্মৃতিচারন সভা অনুষ্ঠিত হয়

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    শোকাবহ আগষ্টের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে এই প্রথম বরিশালের ইতিহাসে বৃহত স্মরণ সভার আয়োজন করেছে বরিশাল জেলা প্রশাসন। আজ সকাল ১১টায় নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে দোয়া মোনাজাত, স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমানের সভাপতিত্বে স্মৃতিচারণমূলক সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ও শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের পুত্র আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি।

    অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের গুলিবিদ্ধ হওয়া পুত্রবধূ ও বরিশাল জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহান আরা বেগম।

    গেষ্ট অব অনার হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কর্নেল (অব:) জাহিদ ফারুক শামীম, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, পানিসম্পদ মন্ত্রনালয় ও সংসদ সদস্য, বরিশাল ৫( বরিশাল সদর )।

    বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ,জনাব পংকজ নাথ, মাননীয় সংসদ সদস্য (বরিশাল ৪)। জনাব গোলাম কিবরিয়া টিপু, মাননীয় সংসদ সদস্য,  (বরিশাল ৩) ।বেগম নাসরিন জাহান রত্না,সংসদ সদস্য (বরিশাল ৬)। এড: সৈয়দা রুবিনা আক্তার মিরা, সংসদ সদস্য মহিলা সংরক্ষিত আসন। জনাব মুহম্মদ ইয়াসিন চৌদুরী, বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল বিভাগ বরিশাল।জনাব মো: শফিকুল ইসলাম, বিপিএম, পিপিএম, (বার),উপ মহা পুলিশ পরিদর্শক বরিশাল রেন্জ বরিশাল। জনাব মো: শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম (বার), পুলিশ কমিশনার বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ, বরিশাল।

    উক্ত দোয়া ও স্মৃতিচারনমূলক সভায় মুখ্য আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন , জনাব সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, মাননীয় মেয়র,বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।

    এসময় স্মৃতিচারণমূলক সভায় প্রথান আলোচকের বক্তব্যে শাহান আরা বেগম নিজে কাঁদলেন এবং উপস্থিত সবাইকে কাঁদালেন। তিনি বললেন সে দিনের সেই স্মৃতি আজও আমাকে কাঁদায়। এক মুহুর্তের জন্য সে দিনের সেই নির্মম হত্যা কাণ্ডের কথা ভুলতে পারিনা।

    তিনি বলেন, ১৫ আগস্টের সেই নির্মম হত্যাকাণ্ড চালানোর সময় আমার গায়ে ৩টা গুলি লাগে যা এখনও আমি শরীরে বহন করে চলছি। হত্যাকারীদের গুলিতে আমর শিশু সন্তান সুকান্ত বাবু মারা গেলেও আমার কোলে থাকা আজকের বরিশালি সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বেঁচে যায়। আমার গায়ে গুলি লাগায় আমি রক্তাক্ত হয়ে পড়ে থাকার কারনে হত্যাকারীরা বুজতে পেরেছিলো আমি মারা গেছি। কিন্তু আপনাদের দোয়ায় আমি আজও বেঁচে আছি। বেচে আছে আমার সন্তান সাদিক আবদুল্লাহ।

    এসব কথা বলতে বলতে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। দীর্ঘ সময় বক্তব্য থামিয়ে কান্না শেষ করে আবার বক্তব্য শুরু করেন। আবার কাঁদেন। কান্না যেন থামাতে পারছিলেন না তিনি। তার কান্না দেখে উপস্থিত সকলের চোঁখ থেকে পানি পড়তে শুরু করে। উপস্থিত কেউই চোঁখের পানি ধরে রাথতে পারলেন না। সবাই যেন স্তব্ধ হয়ে গেছিলেন। কোন সাড়া শব্দ ছিলোনা। সবাই সুনছিলেন তার কথা। এমন নির্মমতার কথা যেন কেউ এর আগে কখনও শোনেন নি।

  • আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর হস্তক্ষেপে বদলে যাচ্ছে শেবাচিম হাসপাতাল

    আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর হস্তক্ষেপে বদলে যাচ্ছে শেবাচিম হাসপাতাল

    রাতুল হোসাইন রায়হান:

    আগামী এক মাসের মধ্যে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ১৫১ জন চুক্তিভিত্তিক জনবল নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    শুক্রবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

    ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি, পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় হাসপাতানের উন্নয়নের জন্য আরো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে।

    সভার সদস্য সচিব ও হাসপাতাল পরিচালক ডাঃ মোঃ বাকির হোসেন বলেন, আগামী ১৫ থেকে ১ মাসের মধ্যে অর্থ মন্ত্রনালয়ের ছাড়পত্র পেলেই স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের অনুমোদিত ১৫১ পরিছন্ন কর্মি ও নিরাপত্তা প্রহরী পদে চুক্তিভিত্তিক জনবল নিয়োগ প্রদান করা হবে। সে ক্ষেত্রে জনবল সরবরাহকারী কোন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সহযোগীতা না নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সরসারি (প্রার্থীর সাথে চুক্তি করে) এ নিয়োগ প্রদান করবে।

    সভায় পরিচালকের এই প্রস্তাব মতামতে প্রেক্ষিতে গৃহিত হয়। এছাড়া হাসপাতালের নিরপত্তার জন্য আপাতত ৪০ আনসার সদস্যকে রাখার সিদ্ধান্ত হয়। এ বিষেয় পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামিম এমপি অচিরেই জেলা আনসার কমান্ডারের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন।

    সভায় আগামী ডিসেম্বরে মধ্যে হাসপাতালের পূর্ব প্রান্তে নিমাণাধীন ৫ শয্যার মডেলাইজড হাসপাতালটি কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করার নির্দেশ প্রদান করেছেন ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি।

    ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে হাসপাতালের পরিচালক, চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের নিরলস দায়িত্ব পালনে সন্তোষ প্রকাশ করে সভায় সভাপতি বলেন, হাসপাতালটি আরো অধুনিকতার ছোয়া লাগাতে সবধরনের কাজে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সে ক্ষেত্রে এখানকার চিকিৎসকসহ স্টাফদের দায়িত্বহীনতার অভিযোগ আসলে তাতে কোন ছাড় দেয়া হবে না।

    এছাড়া সভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য হাসপাতাল এলাকাতেই বর্জ্য ধ্বংস করণ মেশিন বসানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। এছাড়া হাসপাতালে সামনের থাকা বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্স’র লাইসেন্স যাচাই-বাাছাই করার নির্দেশ প্রদান করা হয় গত সভায় ৭ সদস্য নিয়ে গঠিত কমিটিকে।

    টানা আড়াই ঘন্টা অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামিম এমপি, বরিশাল-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত জাহান রত্মা, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দা রুবিনা আক্তার মিরা, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মাইদুল ইসলাম, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ জাকারিয়া, জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান, বিএমপি পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান,

    অধ্যক্ষ ডাঃ সৈয়দ মাকসুমুল হক, হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু, বিএমএ’র জেলা সভাপতি ডাঃ মোঃ ইসতিয়াক হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মনিরুজ্জামান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. ওবায়দুল্লাহ সাজু সহ র‌্যাব, জেলা পুলিশ, গনপূর্ত, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন’র প্রতিনিধি, হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগীয় প্রদান ও অধ্যাপক, সেবা তত্বাবায়ক এবং কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • মাদকের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে সকলকে কাজ করতে হবে : মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    মাদকের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে সকলকে কাজ করতে হবে : মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সর্বনাশা মাদকের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ ঘোষনা করেছেন তাতে আমাদের সকলকে অংশ নিয়ে সমাজ থেকে চিরতরে মাদক নিমূর্লে একযোগে কাজ করতে হবে।

    শুক্রবার রাতে এক বার্তায় এ প্রেস বিজ্ঞতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

    মেয়র আরো বলেন, বরিশাল নগরীকে একটি সুন্দর মাদক মুক্ত বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে দলমত নির্বিশেষে আমাদের সকলকে ভয়াল মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে।

    মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ মাদকের পথ ছেড়ে দিয়ে যারা এর সাথে জড়িত আছেন তাদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহবান জানিয়ে বলেন, যারা মাদকের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে আসতে চাইবে তাদের সম্ভব সব ধরনের সহায়তা করা হবে। কিন্তু দলের নাম ভাঙ্গিয়ে অথবা প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে মাদক সেবন ও বিক্রির সাথে কেউ জড়িত থাকার চেষ্ঠা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশকে জিরো টলারেন্স দেখিয়ে এর সাথে জড়িত কাউকে ছাড় না দেয়া আহবান জানিয়ে চলমান মাদক বিরোধী অভিযান আরো জোরদার করার আহবান জানান।