Category: রাজণীতি

  • রোববার পুলিশ সদস্যদের শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করবেন সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    রোববার পুলিশ সদস্যদের শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করবেন সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের সফল অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক করাবারী আটক হওয়ায় বিএমপির কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খানসহ অভিযানে অংশ নেয়া সকল পুলিশ সদস্যকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এক অভিনন্দন বার্তায় সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলামসহ অভিযানে অংশ নেয়া পুলিশ সদস্যদেরকে আগামী রোববার ১ সেপ্টেম্বর বেলা তিনটায় শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করবেন বলে ঘোষনা দিয়েছেন।

    এ অনুষ্ঠান এ্যানেক্স ভবনে মেয়রের দপ্তরে অনুষ্ঠিত হবে।

    সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ এসংক্রান্ত এক বার্তায় বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সর্বনাশা মাদকের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ ঘোষনা করেছেন তাতে আমাদের সকলকে অংশ নিয়ে সমাজ থেকে চিরতরে মাদক নিমূর্লে একযোগে কাজ করতে হবে। মেয়র আরো বলেন, বরিশাল নগরীকে একটি সুন্দর মাদক মুক্ত বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে দলমত নির্বিশেষে আমাদের সকলকে ভয়াল মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে।

    মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ মাদকের পথ ছেড়ে দিয়ে যারা এর সাথে জড়িত আছেন তাদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহবান জানিয়ে বলেন, যারা মাদকের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে আসতে চাইবে তাদের সম্ভব সব ধরনের সহায়তা করা হবে। কিন্তু দলের নাম ভাঙ্গিয়ে অথবা প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে মাদক সেবন ও বিক্রির সাথে কেউ জড়িত থাকার চেষ্ঠা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশকে জিরো টলারেন্স দেখিয়ে এর সাথে জড়িত কাউকে ছাড় না দেয়া আহবান জানিয়ে চলমান মাদক বিরোধী অভিযান আরো জোরদার করার আহবান জানান।

  • শনিবার বঙ্গবন্ধু উদ্যানে শোকাবহ আগস্ট স্মরনে দোয়া  স্মৃতিচারন সভা

    শনিবার বঙ্গবন্ধু উদ্যানে শোকাবহ আগস্ট স্মরনে দোয়া স্মৃতিচারন সভা

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    শোকাবহ আগস্ট স্মরনে বারিশাল জেলা প্রশাসন ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর উদ্যোগে দোয়া ও স্মৃতিচারনমূলক সভা আগামী ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে।সকাল ১১ টায়  ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু উদ্যানে স্বাধীনতার মহান স্থাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজবুর রহমান সহ ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে শাহাদাতবরনকারী সকল শহীদের স্মরনে দোয়া ও মর্মান্তিক এ ঘটনায় আহত ব্যাক্তিদের স্মৃতিচারনমূলক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে।

    উক্ত দোয়া ও স্মৃতিচারনমূলক সভায় প্রধান অতিথি  হিসাবে উপস্থিত থাকবেন জনাব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি, পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী পদমর্যাদা) সংসদ সদস্য (বরিশাল ১, গৌরনদী-আগৈলঝারা)।

    গেষ্ট অব অনার হিসাবে উপস্থিত থাকবেন কর্নেল (অব:) জাহিদ ফারুক শামীম, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, পানিসম্পদ মন্ত্রনালয় ও সংসদ সদস্য, বরিশাল ৫( বরিশাল সদর )।

    বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন ,জনাব পংকজ নাথ, মাননীয় সংসদ সদস্য (বরিশাল ৪)। জনাব গোলাম কিবরিয়া টিপু, মাননীয় সংসদ সদস্য,  (বরিশাল ৩) ।বেগম নাসরিন জাহান রত্না,সংসদ সদস্য (বরিশাল ৬)। এড: সৈয়দা রুবিনা আক্তার মিরা, সংসদ সদস্য মহিলা সংরক্ষিত আসন। জনাব মুহম্মদ ইয়াসিন চৌদুরী, বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল বিভাগ বরিশাল।জনাব মো: শফিকুল ইসলাম, বিপিএম, পিপিএম, (বার),উপ মহা পুলিশ পরিদর্শক বরিশাল রেন্জ বরিশাল। জনাব মো: শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম (বার), পুলিশ কমিশনার বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ, বরিশাল।

    প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত থাকবেন , জনাব সাহান আরা বেগম, সহ সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বরিশাল জেলা শাখা।

    উক্ত দোয়া ও স্মৃতিচারনমূলক সভায় মুখ্য আলোচক হিসাবে উপস্থিত থাকবেন, জনাব সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, মাননীয় মেয়র,বরিশাল সিটি কর্পোরেশন

    উক্ত দোয়া ও স্মৃতিচারনমূলক সভায় সভাপতি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন জনাব এস এম অজিয়র রহমান, জেলা প্রশাসক বরিশাল।

    উক্ত দোয়া স্মৃতিচারন সভায় নগরবাসীদের আমন্ত্রন জানিয়েছেন বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

  • ঝালকাঠিতে আমির হোসেন আমুর বাবার ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

    ঝালকাঠিতে আমির হোসেন আমুর বাবার ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

    ঝালকাঠিতে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমুর বাবা মোয়াজ্জেম হোসেনের ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে মরহুমের আতœার শান্তি কামনায় শুক্রবার বাদজুম্মা ঝালকাঠি সরকারি কলেজ মসজিদে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ঝালকাঠি সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    এতে ছাত্রলীগ ছাড়াও, আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ এবং স্থানীয় মুসল্লিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এম আলম খান কামাল, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুস ছালাম হাওলাদার ও ঝালকাঠি সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আতিকুল ইসলাম হৃদয়।

  • কলাপাড়ায় দুই ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

    কলাপাড়ায় দুই ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

    কলাপাড়ায় কুপিয়ে জখম করা হয়েছে ছাত্রলীগ নেতাকে রায়হান (২৬) ও সহযোগী হাসানকে (২৩)। রায়হানের অবস্থা খুবই শঙ্কাজনক। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে কলাপাড়া হাসপাতালে নেয়া পর প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শঙ্কাজনক হওয়ায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। সেখান থেকে জরুরী ভাবে ঢাকায় প্রেরন করা হয়।

    বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আট টায় কলাপাড়া উপজেলার তেগাছিয়া বাজারে সশস্ত্র এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা জানায় একই এলাকার রাকিবুল মাদবরের নেতৃত্বে তার ছয়-সাত সহযোগী চাপাতির উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয় রায়হান ও হাসানকে। রায়হানের বাম হাতের রগ কেটে ফেলা হয়েছে। ডান হাত, পেটে ও পায়ে আরও পাঁচটি গুরুতর কোপের জখম রয়েছে। এছাড়া হাসানের পিঠে দুইটি গুরুতর কোপের আঘাত রয়েছে। আহতরা জানায় খুনের উদ্দেশ্যে তাঁদের ওপর সশস্ত্র হামলা করেছে। স্থানীয়রা জানায়, আধিপত্য, দলের পদ প্রত্যাশীর লড়াই ও মাদক ব্যবসার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধকে ঘিরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

    এ ঘটনায় পুলিশ ইউপি মেম্বার ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বয়াতি ও হাবিব নামের অপর এক ব্যক্তিকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার করেছে। অপরদিকে রায়হান সমর্থকরাও রাকিবকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে বলে কলাপাড়া থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন। তাকে প্রথমে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরে তাকেও অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হওয়ায় ঢাকায় পাঠানো হয়। বর্তমানে এ ঘটনায় তেগাছিয়া বাজারে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

  • ‘হত্যার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর অবদান মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিলো’

    ‘হত্যার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর অবদান মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিলো’

    ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাস, স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুর অবদান মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল।

    শুক্রবার (৩০ আগস্ট) ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

    ঢাকা উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম রহমত উল্ল্যাহের সভাপতিত্বের আলোচনা সভায় অন্যানের‌ মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বজলুর রহমান। এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ অন্য মন্ত্রীপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, ঢাকা মহানগর (উত্তর ও দক্ষিণ) আওয়ামী লীগের বিভিন্নস্তরের নেতৃবৃন্দ, দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন জিয়াউর রহমান। তার শাসনামলেই দেশে গুম খুনের সংস্কৃতি শুরু।

    স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বার বার আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাস মুছে ফেলার চক্রান্ত হয়েছিল।বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছিলেন জিয়াউর রহমান। খালেদা জিয়াও খুনিদের সংসদে এনে পুরস্কৃত করেছেন।

    জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা দখলকে উচ্চ আদালত অবৈধ ঘোষণা করেছে, ফলে বিএনপির সৃষ্টিও অবৈধ হয়ে যায় বলেও উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

    তিনি দাবি করেন, দেশে গুম খুনের সংস্কৃতি শুরু করেছিল বিএনপি ও জিয়াউর রহমান।

    শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের নেতা হয়েও যারা কোন না কোনভাবে বঙ্গবন্ধু হত্যার চক্রান্তের সঙ্গে জড়িত তারা কিন্তু ঠিকই পরবর্তীতে মোশতাকের পরে জিয়ার সাথেই গেছে, এখনও অনেকে বেশ বড় বড় কথাও বলে কিন্তু তারা সে এ চক্রান্তের সঙ্গে জড়িত তাতে কোনও সন্দেহ ছিল না এবং আজকে না প্রমাণিত হয়।

    তিনি বলেন, সামরিক স্বৈরচারী শাসকরা যখন ক্ষমতা নেয় তখন তাদের মধ্যে এক সুপ্ত বাসনা থাকে, রাজনৈতিক নেতা হওয়ার। যদিও তারা রাজনৈতিক নেতাদেরই গালি দেয়। মোশতাক বেঈমানি করে ক্ষমতায় গিয়েছিল, আড়াই মাসও ক্ষমতায় থাকতে পারে নাই। ঠিক যেভাবে মীর জাফর বেঈমানি করে সিরাজ-উদ-দৌলাকে পরাজিত করেছিল, মীর জাফরও কিন্তু ২ মাসের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারে নি। মীর জাফর নামটাই বেঈমান হিসেবে পরিচিত। ঠিক মোশতাকের ভাগ্যেও তাই ঘটলো, সেও থাকতে পারলো না। কিন্তু এই মোশতাকই কিন্তু জিয়াউর রহমানকে সেনাপ্রধান করেছিল।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০১ এ বিএনপি ক্ষমতায় এসে ৭১ এর মত হত্যা নির্যাতন চালিয়েছে। জঙ্গীবাদ, অর্থপাচারসহ দেশজুড়ে অস্থিরতা চালিয়েছিল বিএনপি।

    তিনি বলেন, এখন আর কেউ বাংলাদেশকে পিছনের দিকে ঠেলে দিতে পারবে না।

  • এগিয়ে চলছে বরিশালের মানুষের সপ্নের রেলপথে যোগাযোগ স্থাপন প্রকল্পের কাজ

    এগিয়ে চলছে বরিশালের মানুষের সপ্নের রেলপথে যোগাযোগ স্থাপন প্রকল্পের কাজ

     বরিশাল তথা দক্ষিনাঞ্চলের মানুষের তথা গোটা বরিশালের মানুষের সপ্নের রেলপথে যোগাযোগ স্থাপন প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে।  রেলপথ নির্মান কাজ শুরু হওয়ার আগে সম্ভাব্যতা যাচাইসহ প্রকল্প পরিকল্পনার আওতায় বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম চালনার পাশাপাশি ভূমি অধিগ্রহনে সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে মত-বিনিময়ও করছেন পরামর্শক প্রতিষ্ঠানগুলো।

    সূত্রে জানাগছে, ভাঙ্গা থেকে বরিশাল হয়ে পায়রা পর্যন্ত ২১১ দশমিক ৫ কিলোমিটার রেলপথের দৈঘ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। যে প্রকল্পের আওতায় ডেভেলপমেন্ট ডিজাইন কনসালট্যান্ট কোম্পানি লিমিটেড (ডিডিসি) এর হয়ে ডেভেলপমেন্ট এ্যান্ড সেফ গার্ড কনসালট্যান্টি (ডিএসসি) মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের সার্ভে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যারমধ্যে বর্তমান ভূমি অধিগ্রহনে সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে মত-বিনিময়ও করা হচ্ছে।  যেখান থেকে ক্ষতিগ্রস্থদের নানান সুবিধা-অসুবিধার কথা লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে চলমান সকল সার্ভে যাচাই-বাছাই করে রেলপথের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। এরপরই শুরু হবে রেলপথ অবকাঠামো নির্মানের কার্যক্রম।

    পরামর্শক এসব প্রতিষ্ঠানের সূত্রে জানাগেছে, ভাঙ্গা-পায়রা রেল লাইন প্রকল্পের দৈর্ঘ্য ২১১ দশমিক ৫ কিলোমিটার ধরা হয়েছে।  প্রাথমিক পর্যায়ে সিঙ্গেল লেনের রেললাইন নির্মানের কথা থাকলেও ভূমি অধিগ্রহন এমনভাবে করা হচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে দুটি লেন করা হলেও নতুন করে ভূমি অধিগ্রহনের প্রয়োজন হবে না।   এ কারনে ২১১ দশমিক ৫ কিলোমিটার রেললাইন প্রসস্থে ১ শত মিটার বা ৩২৮ ফিট হবে।  আর গোটা এ রেলপথের জন্য ভাঙ্গায় একটি জংশন নির্মান করা হবে। পাশাপাশি টেকেরহাট, মাদারীপুর, বরিশালের গৌরনদী, দেহেরগতি (এয়ারপোর্ট), বরিশাল সদর (কাশিপুর), বাকেরগঞ্জ, পটুয়াখালী, আমতলী, পায়রা পোর্ট, পায়রা এয়ারপোর্ট ও কুয়াকাটায় মোট ১১ টি স্টেশন হবে।

    তবে এর বাহিরে সাব স্টেশনও থাকতে পারে।  অপরদিকে নদী ও খাল বেষ্টিত দক্ষিনাঞ্চলে রেলপথকে সংযুক্ত করতে বড় ধরনের ৮টি ব্রিজসহ কয়েকশত ছোট-মাঝারী আকারের ব্রিজ কালর্ভাট নির্মান করা হবে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডিএসসি’র সুপারভাইজার মোঃ সরোয়ার জাহান পার্থ জানান, ভাঙ্গা থেকে পায়রা পর্যন্ত রেলপথের ম্যাপ ও জায়গা নির্ধারন করা হয়েছে।  তবে কুয়াকাটার স্টেশনের ম্যাপ এখনো চুড়ান্ত হয়নি।  ২ বছরের চুক্তিতে দীর্ঘ ৯ মাস পূর্বে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করেছে, তবে আমরা ফিল্ড পর্যায়ে কাজ ‍শুরু করেছি গত ২৫ মে থেকে।

     বর্তমানে আমারা মাঠ পর্যায়ে ভূমি অধিগ্রহনে সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে মতবিনিময় করছি, তাদের বিভিন্ন কথা শুনছি এবং ভূমি অধিগ্রহনের বিষয়টি সম্পর্কে সরকারের পদক্ষেপগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরার কাজ করছি। ডেভেলপমেন্ট ডিজাইন কনসালট্যান্ট কোম্পানি লিমিটেডের পরামর্শক আহসান এলাহী জাহির জানান, ভুমি অধিগ্রনের সময়ে সমস্যার সৃস্টি না হয় সেই জন্য ক্ষতিগ্রস্থদের মানষিক পরিবর্তনে সভা করা হচ্ছে। এতে করে ভুমি অধিগ্রহন নিয়ে মানুষের মনে থাকা দ্বিধাদন্ধ কেটে যাবে।

    এদিকে জানাগেছে, কালকিনির পাঙ্গাসিয়া থেকে বরিশালের দপদপিয়া পর্যন্ত ১ শত কিলোমিটার রেলপথের জরিপে প্রায় ৩ হাজার ১৫০ টি অবকাঠামো পাওয়া গেছে।  যারমধ্যে ব্যক্তি মালিকানার পাশাপাশি কমিউনিটি প্রোপার্টিও রয়েছে।  আর গোটা প্রকল্পে এর সংখ্যা ৭ হাজারের কাছাকাছি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের জেষ্ঠ্য পরামর্শক আকতারুল ইসলাম খান বলেন, এই ২১২ কিলোমিটারের মধ্যে যে সকল মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান এবং শশ্মান সহ কমিউনিটি প্রোপার্টি থাকবে সেগুলো সরকারই স্থানান্তরিত করে দিবে।  এরবাহিরে অধিগ্রহনকৃত জমির ব্যক্তি মালিকানার কাগজপত্র ঠিক থাকলে কোন দপ্তরই অর্থ আটকিয়ে রাখতে পারবে না। তাই সকলের উচিত হবে জমির কাগজপত্র পুরোপুরি ঠিক করে রাখা।  ভূমি অধিগ্রহন আইন অনুযায়ী সকল মালিককে তার পাওনা পরিশোধ করা হবে সঠিকভাবে দ্রুত সময়ের মধ্যে।

    এদিকে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন জড়িপ সূত্রে জানাগেছে, দক্ষিনাঞ্চলের সকল মানুষই রেলপথ নির্মানের পক্ষে মত দিয়েছেন। সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে কিছু প্রশ্ন থাকলেও সবাই ভূমি ছাড়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।  আর সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্থরা তাদের প্রশ্নে কৃষি-অকৃষি জমি এবং বসত ভিটা জমির মূল্য নির্ধারন, মাছের খমার, গাছ, গবাদিপশুর খমার, পারিবারিক জমি বন্টন, জমি রেকর্ডের ক্ষেত্রে নানাবিধ জটিলতা, অর্থ গ্রহনের সময়ে বিভিন্ন বানিজ্যসহ নানান বিষয় জানতে চেয়েছে।

    নগরের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম ইছাকাঠির বাসিন্দা ও ভূমি অধিগ্রহনে সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্থ মাইনুল ইসলাম বলেন, বাপ-দাদার ভিটে মাটি মিলিয়ে প্রায় ১ একর সম্পত্তি রেলপথের জন্য দিয়ে দিতে হবে, রাজিও আছি।  কারণ আমি চাই বরিশাল রেল যোগাযোগ চালু হোক। তিনি বলেন, এতোদিন শঙ্কায় ছিলাম কি হবে, কিন্তু জখন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মতবিনিয়ময় করেছে, তখন সবকিছু স্পষ্ট হয়ে গেছে। এখন কেউ আর আমাদের বোকা বানাতে পারবে না। সরকারের এ উদ্যোগ সত্যিকারের কাজে আসবে।

    জিয়াউল হক নামে একই এলাকার অপর এক বাসিন্দা বলেন, স্বাভাবিক কারনে সরকারের পক্ষ থেকে ভুমি অধিগ্রহনের কথা শুনলেই মানুষের মনের মধ্যে নেতিবাচক একটা ধারনা জন্মায়।  তবে মত বিনিময় সভায় সেই নেতিবাচক ধরানা পাল্টে ইতি বাচক হয়ে গেছে।

    এদিকে কালিকিনির একটি কলেজ, শেখহাসিনা সেনানিবাস ও পায়রা বন্দর এলাকার জন্য রেলপথের নকশায় কিছু পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।  পাশাপাশি ঐতিহ্যের বিষয়টি মাথায় রেখে বরিশালের রেলওয়ে স্টেশনের নকশা করা হয়েছে ইলিশের মতো করে।

  • বরিশালে প্রথমবারের মত শোকাবহ আগস্ট স্মরণে দোয়া ও স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভার আয়োজন

    বরিশালে প্রথমবারের মত শোকাবহ আগস্ট স্মরণে দোয়া ও স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভার আয়োজন

    বরিশাল বঙ্গবন্ধু উদ্যানে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা, মেয়র, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষিকা-ছাত্র-ছাত্রী, সুশিল সমাজ, সামাজিক সাংস্কৃতিক, ও নগরের জন প্রতিনিধিসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের কালো রাতে ঘাতকদের বুলেটে আহত ও আহতদের পরিবার সদস্যসহ জেলার ৩০ হাজার আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশ গ্রহনে প্রথমবারের মত শোকাবহ আগস্ট স্মরণে দোয়া ও স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

    আজ শুক্রবার (৩০ই) সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমান।

    শোকাবহ আগস্ট মাসব্যপি বিভিন্ন কর্মসূচীর অংশ হিসাবে এবং ১৫ই আগস্ট কালো রাতে স্বাধীনতা বিরোধী একদল ঘাতক সেনা সদস্যদের বুলেটেন আঘাতে নির্মমভাবে জাতীর জনক স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার সহ দক্ষিণ বাংলার কৃষককুলের নয়নমনি ও কৃষকলেিগর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাত সহ তার পরিবারের শাহাদৎবরণকারী সদস্যদের জন্য দোয়া-মোনাজাত ও সেদিন বরিশালের যারা বুলেটের আঘাতে আহত হয়েছিলেন তাদের উপস্থিতিতে শোকাবহ মাসের শেষ দিনে ৩১ই আগস্ট এক স্মৃতিচারনমূলক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বরিশাল জেলা প্রশাসক।

    বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমানের সভাপতিত্বে উক্ত স্মৃতিচারণমূলক সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক( মন্ত্রী পদমর্যদা) ও শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের জৈষ্ঠ পুত্র আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ।

    স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে আরো থাকবেন পাণিসম্পদ প্রতি মন্ত্রী ও বরিশাল সদর সংসদ সদস্য কর্ণেল(অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম, মহাজোটের সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু, সংসদ সদস্য বেগম নাসরিন জাহান রত্না আমিন, ও সংরক্ষিত সংসদ সদস্য এ্যাড. রুবিনা আক্তার মিরা।

    আলোচক হিসাবে উপস্থিত থাকবেন শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের আহত পুত্রবধূ ও বরিশাল জেলা শাখা মহিলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি সাহান আরা বেগম।

    অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখবেন গুলিবিদ্ব সাহান আরা বেগমের কোলে থাকা দেড় বছরের শিশু সন্তান ও বর্তমান বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এসময় আরো উপস্থিত থাকবেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মোঃ ইয়ামির চৌধুরী,বরিশাল রেঞ্জ ডি.আই.জি মোঃ শফিকুল ইসলাম, বিপিএম, পিপিএম (বার), বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম (বার), বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক সাবেক সংসদ এ্যাড. তালুকদার মোঃ ইউনুস, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ সভাপতি সুপ্রিম কোর্ট বার সদস্য এ্যাড. গোলাম আব্বাস চৌধূরূ দুলাল,সাধারন সম্পাদক এ্যাড.একেএম জাহাঙ্গির হোসাইন।

    এছাড়া আরো উপস্থিত থাকবেন ১৫ই আগস্টে নির্মমতার শিকার খন্দার জিল্লুর রহমান, ললিত কুমার দাশ,মুকুল কুমার দাশ,দিলিপ দত্ত,প্রফেসর রফিকুল ইসলাম পিন্টু ও আঃ রব খান নান্টু।

    এরা সকলেই সেদিন শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের মিন্টু রোডের বাসভবনে ঘাতকদের ছোড়া গুলিতে আহত হয়েছিলেন।

    সংবাদ সম্মেলনে প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক্স মিডিয়া সহ স্থানীয় সকল সংবাদ কর্মী ও সম্পাদকগন উপস্থিত ছিলেন।

  • সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, ইভটিজারকে প্রশ্রয় দিতে চাই না : গণপূর্তমন্ত্রী

    সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, ইভটিজারকে প্রশ্রয় দিতে চাই না : গণপূর্তমন্ত্রী

    নিউজ ডেস্ক ::

    গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ‘পিরোজপুর, নাজিরপুর ও স্বরূপকাঠীতে আমাকে কোনো ঘুষ-দুর্নীতি স্পর্শ করতে পারবে না। কোনো কাজের বিনিময়ে এ অঞ্চলের মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ আমার পকেটে প্রবেশ করবে না, এটা আমার অঙ্গীকার। আমি আপনাদের কাছে আরও অঙ্গীকার করছি, আমি কোনো সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, ইভটিজারকে প্রশ্রয় দিতে চাই না। আমরা হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই মিলে শান্তির সহাবস্থানে থাকতে চাই। কোনোভাবে যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট না হয়।

    স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে

    শুক্রবার পিরোজপুরের স্বরূপকাঠীতে এক শোক সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। এ সভার আয়োজন করে স্বরূপকাঠী উপজেলা আওয়ামী লীগ।

    পিরোজপুরে উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্পের অনুমোদন পেয়েছি। আমাদের কোনো উন্নয়ন কাজ যেন বন্ধ না থাকে, সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। স্বরূপকাঠীর বিভিন্ন ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদের আওতায় ব্রিজ, কালভার্ট, রাস্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সামাজিক প্রতিষ্ঠান উন্নয়নকে আমরা মেগা প্রকল্পের ভেতরে অন্তর্ভুক্ত করেছি। এটা শেখ হাসিনার নির্দেশ।

    স্বরূপকাঠী উপজেলা আওয়া মীলীগের সভাপতি মো. আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। শোক সভা শেষে মোনাজাত করা হয়।

    শ ম রেজাউল করিম বলেন, ১৯৭১, ১৯৭৫ ও ২০০৪ সালের খুনিরা একই শ্রেণির। তাদের লক্ষ্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশকে ধ্বংস করা। এই খুনিরা যাতে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। প্রতিক্রিয়াশীলরা যেন বাংলাদেশে ৩০ লাখ শহীদের স্বপ্ন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন, সম্ভ্রম হারানো দুই লাখ মা-বোনের আর্তনাদকে বিদ্রুপ করতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

    মন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশকে হত্যার জন্য, ৩০ লাখ শহীদের স্বপ্ন ধ্বংস করার জন্য, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম হারানোকে বিদ্রূপ করার জন্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে সৃষ্টি হওয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করার জন্য দেশি ও বিদেশি ষড়যন্ত্র জড়িত ছিল।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ‘জয় বাংলা’ স্লোগান হয়ে যায় ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’। ‘বাংলাদেশ বেতার’ হয়ে যায় রেডিও পাকিস্তানের আদলে ‘রেডিও বাংলাদেশ’ এবং মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকদের নির্বিচারে নির্যাতন করা হয়। ক্যান্টনমেন্টে মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের হত্যা করা হয়। পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটির আহ্বায়ক গোলাম আজমকে পাকিস্তানের পাসপোর্টসহ বাংলাদেশে আসতে দেয়া হয়। স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতিতে নিয়ে আসা হয়।

    ‘জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্সকে আইনে পরিণত করে ১৫ আগস্টের খুনিদের বিচারের পথ বন্ধ করে দেন। খুনিদের বিচার না করে বিদেশি মিশনে প্রতিষ্ঠিত করেন। এরশাদ বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দেন। খালেদা জিয়া ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পার্লামেন্টে নিয়ে আসেন। বাংলাদেশের তিনটি অগণতান্ত্রিক সরকারই বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুনর্বাসন ও সুযোগ-সুবিধা দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করে। অপরদিকে বঙ্গবন্ধুর রক্তের ও আদর্শের উত্তরসূরি শেখ হাসিনা ৩০ লাখ শহীদের কথা মাথায় রেখে সব দেশি-বিদেশি চাপ উপেক্ষা করে মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে রায় কার্যকর করেছেন’,- বলেন মন্ত্রী।

    শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধু আজীবন সংগ্রাম করেছেন। ১৪ বছর কারাগারে ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন শেখ হাসিনা। সব ধর্মের মানুষের জন্য শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয়ভাবে, সাংববিধানিকভাবে সমান সুযোগ নিশ্চিত করে চলেছেন।

  • বরিশালকে স্মার্ট সিটিতে রূপান্তর করার লক্ষ্যে মেয়র সাদিকের নতুন উদ্যোগ

    বরিশালকে স্মার্ট সিটিতে রূপান্তর করার লক্ষ্যে মেয়র সাদিকের নতুন উদ্যোগ

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনকে ডিজিটালাইজড্ ও স্মার্ট সিটিতে রূপান্তর করার লক্ষ্যে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এফবিসিসিআই এর পরিচালক সেরনিয়াবাত মঈন উদ্দিন আবদুল্লাহ সাথে মতবিনিময় সভা শেষে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর সম্পাদিত করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) এফবিসিসিআই এর সাথে এক বৈঠকে নগরীর যানজট সমস্যার সমাধান, সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, শহর রক্ষা, শিল্পায়নসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক আলোচনা করেন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ।

    এসময়  উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই এর পরিচালক সেরনিয়াবাত মঈন উদ্দিন আবদুল্লাহ ও তার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক টিমের মতবিনিময় সভা করা হয়।

  • ২০২১ সালে জুনের মধ্যে চালু হবে পদ্মা সেতু

    ২০২১ সালে জুনের মধ্যে চালু হবে পদ্মা সেতু

    ২০২১ সালের জুন মাসের মধ্যে পদ্মা সেতু চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সকালে সচিবালয়ে পদ্মা বহুমুখি সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ঋণ পরিশোধ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পদ্মা সেতুর কাজ শেষ করা হবে। এরই মধ্যে সেতুর বাস্তবায়ন কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৮৩ ভাগ। আর প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে ৭৩ ভাগ। মূল সেতুর ৪২টি পিলারের মধ্যে ৩১টির কাজ শেষ হয়েছে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অর্থ বিভাগ সেতু কর্তৃপক্ষকে ২৯ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে।

    সেতু নির্মাণের পর, এক শতাংশ সুদ হারে ৩৫ বছরের মধ্যে সব অর্থ ফেরত দেয়া হবে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।