Category: রাজণীতি

  • নারীদের কোটার মধ্যে আবদ্ধ না থেকে সরাসরি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে হবে: আমু

    নারীদের কোটার মধ্যে আবদ্ধ না থেকে সরাসরি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে হবে: আমু

    নারীদের কোটার মধ্যে আবদ্ধ না থেকে সরাসরি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য আমির হোসেন আমু এমপি বলেছেন, বর্তমান সরকার নারীদের সবধরনের সুযোগ সুবিধা ও মর্যাদা দিয়ে আসছে। এখন নারীরা রাষ্ট্রের উচ্চপদে চাকরি করছে, এমপি-মন্ত্রী থেকে শুরু করে সেনাবাহিনীর বড় কর্মকর্তা হচ্ছেন। তারা সবজায়গায়ই সমান অধিকার চাচ্ছেন এবং তা পাচ্ছেনও। এতো সুবিধার পরে আর কোটা চাওয়ার সুযোগ থাকে না। কোটা চাওয়া মানে হচ্ছে দয়ার ওপর নির্ভর করা। শনিবার দুপুরে ঝালকাঠিতে ‘মূলধারার রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। ঝালকাঠি প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতায় জেলা আওয়ামী লীগ এ সভার আয়োজন করে।

    নারীদের ওপর কিছু চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে না মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের প্রবীন নেতা আমির হোসেন আমু বলেন, নারীদের রাজনৈতিক পদে চাপিয়ে দেওয়ার সময় শেষ হয়ে গেছে, এখন তাদের যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। যোগ্য নারীরা মূলধারার রাজনীতিতে টিকে থাকতে পারবে।

    জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের রাজনৈতিক ফেলো নারীনেত্রী ইসরাত জাহান সোনালী, শারমিন মৌসুমি কেকা ও ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়কারী দ্বীপু হাফিজুর রহমান। পরে আমির হোসেন আমুর হাতে ঝালকাঠি জেলায় রাজনীতে অংশ নেওয়া নারীদের তালিকা তুলে দেওয়া হয়।

  • পাপের প্রায়শ্চিত্ত করছেন বেগম জিয়া: হানিফ

    পাপের প্রায়শ্চিত্ত করছেন বেগম জিয়া: হানিফ

    একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নাটক করার জন্য সিএমএইচে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ।

    শনিবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর পুরান ঢাকার নয়াবাজারে একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।

    মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, বিএনপি অফিস থেকে আজ সংবাদ সম্মেলন করেন, নির্লজ্জ মিথ্যাচার করেন। আপনাদের মধ্যে বিবেকে বাধে নাই? বেগম খালেদা জিয়া নাটক করার জন্য সিএমএইচে গিয়েছিলেন। উনি দেখতে গেলেন আইভী রহমানকে, মৃত্যুর পথযাত্রী। খালেদা জিয়া আসবেন এই কারণে তার ছেলে এবং মেয়েকে পাশের একটা রুমে নিয়ে তালাবদ্ধ করে আটকে রাখা হলো প্রায় দুই ঘণ্টা। এত নিষ্ঠুর অমানবিক আচরণ, এটা আল্লাহপাক সহ্য করেননি।

    তিনি বলেন, সেই পাপের প্রায়শ্চিত্ত আজ বেগম খালেদা জিয়ার করতে হচ্ছে। ভেবেছিলেন এতিমের টাকা আত্মসাৎ করে বা এই সব অপরাধ করে কোনো দিন আপনার বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে না। আল্লাহর বিচার আছে। অপরাধ করলে যে তার শাস্তি হয়, বিচার হয় আজ দেখুন।

    আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে, ইন্ধন নিয়ে একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় আপনার সন্তানকে দিয়ে হামলা করিয়েছিলেন। ভেবেছিলেন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করে আপনারা আজীবন ক্ষমতায় থাকবেন। সেই স্বপ্ন আপনাদের পূরণ হয়নি। আজ আপনারাই নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে। আপনি আছেন কারাগারে, আপনার সন্তান আছে পলাতক হিসেবে দেশের বাইরে। এখনও ওখানে থেকে ষড়যন্ত্র করছেন।

    একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় আদালত কর্তৃক কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তির বিধান করার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    হানিফ বলেন, গোটা দেশবাসীর পক্ষ থেকে ওই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের কাছে অনুরোধ করব, ব্রিটিশ সরকার বা মার্কিন সরকার আপনারা কথায় কথায় মানবতার কথা বলেন, গণতন্ত্রের কথা বলেন। আজ একজন কুখ্যাত অপরাধী, যিনি হত্যাকারী হিসেবে আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত তাকে শেল্টার দিয়ে, তার বিচারের রায় কার্যকর করতে আপনারা সহায়তা না করে কোন মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করছেন সেটাই আপনাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন।

    তিনি বলেন, আপনারা মানবাধিকারের কথাই তো বলেন, সত্যিকারের মানবাধিকার যদি চান তাহলে এই সব দণ্ডপ্রাপ্ত, কুখ্যাত আসামিদের অবিলম্বে আমাদের দেশে ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করুন। আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের রায় কার্যকর করার মাধ্যমে, আইনের শাসনের মাধ্যমে আমরা এই দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে যেতে পারব।

  • ‘বাংলাদেশ রাষ্ট্রের শত্রুদের আর বাড়তে দেয়া যাবে না’

    ‘বাংলাদেশ রাষ্ট্রের শত্রুদের আর বাড়তে দেয়া যাবে না’

    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় যারা বিরোধিতা করেছে, যারা ১৫ আগস্টের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে, তারাই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে। এই অপশক্তি দেশের ভেতর ও বাইরে থেকে বাংলাদেশকে মৌলবাদী, সাম্প্রদায়িক এবং নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী অকার্যকর রাষ্ট্র বানাতে চায়, বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চায়। তিনি হুঁশিয়ার দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের এই শত্রুদের আর বাড়তে দেয়া যাবে না।

    শুক্রবার ঢাকায় বিটিআরসি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বিটিআরসি আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পৃথিবীর ইতিহাসে একজন বিরল মানুষ আখ্যায়িত করে ইতিহাসের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

    তিনি বলেন, আমরা প্রত্যেকে জীবনে অনুসরণ করার জন্য আদর্শ মানুষ খুঁজি। আদর্শ খুঁজতে হলে, কাউকে অনুসরণ করতে হলে তিনি একজন শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু দেশের মানুষকে যেমন ভালোবাসতেন এদেশের মানুষও তাকে ভালো বেসেছেন।

    মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘বাংলাদেশ শব্দের সমার্থক শব্দ বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ নামের সমার্থক শব্দ শেখ হাসিনা। এই দুটি নাম এক সঙ্গে মিলে গেছে।’ এই দুইয়ের মিলিত স্রোতধারা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা। সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় আমাদের হাতিয়ার হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তি।

  • নোবেলের কড়া সমালোচনা পরিকল্পনামন্ত্রীর

    নোবেলের কড়া সমালোচনা পরিকল্পনামন্ত্রীর

    ভারতের জি বাংলার গানবিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’তে জনপ্রিয়তা অর্জন করা বাংলাদেশের সঙ্গীতশিল্পী মাঈনুল আহসান নোবেলের জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

    তিনি বলেছেন, ‘আমাদের ইতিহাস নিয়ে, পরিচয় নিয়ে নাড়াচাড়া করার জ্ঞান, বুদ্ধি-বিদ্যা তোমার মোটেও নেই।’

    শুক্রবার (২৩ আগস্ট) পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ মিলনায়তনে শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

    ইউটিউবে নোংড়া, মিথ্যা, অর্ধসত্য কথা ছড়ানো হচ্ছে। এমন কি দেশের বাইরে থেকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা, আমাদের দেশ সম্পর্কে মূর্খের মতো মন্তব্য করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন এম এ মান্নান।

    Planning-Minister

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা, আমাদের দেশ সম্পর্কে মূর্খের মতো মন্তব্য করেছে এক ছোকড়া। তার নাম নোবেল। আমার খুব স্নেহ ছিল তার প্রতি। বাচ্চা ছেলে, ভালো গান গাইছে, সুন্দর লাগে। সে কী বলল, যে আমাদের জাতীয় সঙ্গীত সঠিক নয়! আরও ভালো জাতীয় সঙ্গীত তার কাছে লাগে!’

    তিনি বলেন, ‘এভাবে জাতি সম্পর্কে মন্তব্য করা তোমার মতো বাচ্চা ছোকড়া ছেলের উচিত নয়। তুমি মোটামুটি পরিচয় অর্জন করেছ। এটাকে আরও বাড়িয়ে নিয়ে যাও। আমরা তোমাকে আশীর্বাদ করি, দোয়া করি। কিন্তু আমাদের ইতিহাস নিয়ে, পরিচয় নিয়ে নাড়াচাড়া করার জ্ঞান, বুদ্ধি-বিদ্যা তোমার মোটেও নেই।’

    বঙ্গবন্ধুর অবদান তুলে ধরে এম এ মান্নান বলেন, ‘এক জীবনে বঙ্গবন্ধুর অবদান বলে শেষ করা যাবে না। তার ঋণ আমরা কোনোদিন শোধ করতে পারব না। বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীন দেশ দিয়েছেন। তার সোনার বাংলা গড়তে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে।’

    সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যাপক আবুল হোসেন, সঙ্গীতশিল্পী রফিকুল আলমসহ অনেকে এতে অংশ নেন।

  • প্রত্যক্ষদর্শী রমার মুখে ১৫ আগস্টের বর্ণনা শুনলেন কূটনীতিকরা

    প্রত্যক্ষদর্শী রমার মুখে ১৫ আগস্টের বর্ণনা শুনলেন কূটনীতিকরা

    পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের সেই কালো রাতের প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুর রহমান শেখের (রমা) মুখ থেকে সেদিনের বর্ণনা শুনলেন কূটনীতিকরা।

    শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয় উপ-কমিটি আয়োজিত ‘বাংলাদেশের উপর ১৫ আগস্টের প্রভাব’ শীর্ষক সেমিনারে কূটনীতিকদের সামনে বর্ণনা তুলে ধরেন তিনি।

    রমা বলেন, ‘আবদুর রব সেরনিয়াবাতের হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়ার পর বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব আমাকে রাস্তায় পাঠান দেখে আসার জন্য। আমি দোতলা থেকে নেমে দরজা খুলে বাইরে গিয়ে দেখি আর্মি অফিসাররা গুলি করতে করতে এগিয়ে আসছে। আমি আবারও দৌড়ে ঘরের ভেতর গিয়ে বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবকে খবরটি দিলে তিনি তার বড় ছেলে ও মেজ ছেলেকে ডেকে আনতে বলেন। আমি তিন তলায় গিয়ে কামাল ভাই ও দোতলা থেকে জামাল ভাইকে ডাকি। এ সময় দোতলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারও সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন।’

    Roma-2

    সেদিনের ভোরের ভয়াবহতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘যখন ওরা গুলি করতে করতে ঘরে প্রবেশ করে তখন শেখ রাসেল ও আমাদের নিয়ে বেগম ফজিলাতুন্নেসা একটি ঘরে দরজা বন্ধ করে ছিলেন। তিনি আমাদের তার পেছনে থাকতে বলেন। যখন দরজা খোলার জন্য বলা হয়, তিনি দরজা খোলেন। তাকে ওপরের ঘরে যেতে বলে সৈন্যরা। কিন্তু সিঁড়ির কাছে স্বামীর লাশ দেখতে পেয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমাকে মেরে ফেলতে চাইলে এখানেই মেরে ফেল।’’ ওখানে থাকা সৈন্যরা তখন ফায়ার করে।’

    ‘এরপর ওই সৈন্যরা বাড়ির সামনে আম গাছের কাছে নিয়ে বসায় আমাদের ও শেখ রাসেলকে। তখনও দোতলার ঘরগুলোতে গুলির আওয়াজ ও মেয়েদের চিৎকার-আর্তনাদ শোনা যাচ্ছিলো। খুব সম্ভবত শেখ কামাল ও শেখ জামাল ভাইয়ের বউকে তারা ওই সময় হত্যা করে। এরপর গুলির আওয়াজ থেমে যায়,’ কথাগুলো বলছিলেন আব্দুর রহমান শেখ (রমা)।

    সেনা সদস্যদের নির্মম আচরণের সঙ্গে তখনও পরিচিত ছিলেন না রমা। সে কারণেই আম গাছের নিচে বসিয়ে রাখা শেখ রাসেল যখন কাঁদতে কাঁদতে জিজ্ঞাসা করছিল, ‘ওরা কি আমাকেও মেরে ফেলবে?’ তখন ১২ বছরের রমা ও বসে থাকা অন্যরা বলেছিল, ‘না, তোমাকে মারবে না।’ হয়তো তাদের বিশ্বাস ছিল ছোট রাসেলকে মারার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। কিন্তু একটু পরে আর্মির বড় অফিসার ট্যাঙ্ক নিয়ে প্রবেশ করলে ওখানে থাকা এক সৈন্য তাকে গিয়ে বলে, শেখ রাসেল তার মার সাথে দেখা করতে চাচ্ছে। উত্তরে সেই আর্মি অফিসার বলেন, আমরা সেই ব্যবস্থা করতে পারি। এরপর মায়ের সাথে দেখা করানোর কথা বলে শেখ রাসেলকে উপরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বেশ কিছু সময় শেখ রাসেলের কান্নার আওয়াজ পাই আমরা। এরপর চার-পাঁচটা গুলির শব্দ শুনি। ব্যস, একেবারে নিঃশব্দ। কোনো কান্নার আওয়াজ নেই।’

    Roma-2

    এভাবেই পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ভোরের ভয়াবহতার কথা বর্ণনা করেন আব্দুর রহমান শেখ (রমা)।

    সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমদ ও উপ-কমিটির অন্যান্য সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন, স্পেন, সুইজারল্যান্ড ও জাপানসহ ৩০ দেশের কূটনীতিক।

  • বঙ্গবন্ধুর খুনিকে ফেরত পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র, আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

    বঙ্গবন্ধুর খুনিকে ফেরত পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র, আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সঙ্গে কথা বলছে সরকার। যুক্তরাষ্ট্র এর আগে বঙ্গবন্ধুর একজন খুনিকে হস্তান্তর করেছে। আশা করছি, বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকীর আগে যুক্তরাষ্ট্র আরেক আত্মস্বীকৃত খুনিকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে।

    শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয় উপ-কমিটি আয়োজিত ‘বাংলাদেশের উপর ১৫ আগস্টের প্রভাব’ শীর্ষক সেমিনারে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে চলতে না দেয়ায় আমরা এখনও পিছিয়ে আছি। যদি তার দেখানো পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারত, তাহলে হয়ত এখন আমরা উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পেতাম।

    ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারানো বাংলাদেশে কতটা প্রভাব ফেলেছে তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের জানা উচিত বাংলাদেশের জন্য উনি কী পরিকল্পনা করে গেছেন। কৃষি নির্ভর এই দেশের কৃষকদের স্বার্থে কাজ করেছেন তিনি। ১৯৭২ সালে দেশে ফেরার পর থেকে তিনি সবচাইতে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন কৃষি ও শিক্ষাখাতে। বাংলাদেশে যুদ্ধ পরবর্তী সময় কৃষিজমির খাজনা হ্রাস এবং ১৬ হাজারের বেশি যুদ্ধ বিধ্বস্ত স্কুল পুনর্নির্মাণ ও সরকারের অধিভুক্ত করেন তিনি।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান বিশ্বের জন্য বিস্ময়। কেননা যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীন হবার পর তার সংবিধান তৈরি করতে সময় লেগেছে প্রায় ১১ বছর। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে সংবিধান তৈরি করতে সময় লেগেছে প্রায় ৩ বছর। পাকিস্তানেরও প্রথম সংবিধান তৈরি করতে সময় লেগেছিল ৯ বছর। সেখানে মাত্র ৯ মাসে আমরা আমাদের সংবিধান তৈরি করতে পেরেছি শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারণে।

    সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন, আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমদ ও উপ-কমিটির অন্যান্য সদস্যরা এবং যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন, স্পেন, সুইজারল্যান্ড ও জাপানসহ ৩০টি দেশের কূটনীতিক।

  • না ফেরার দেশে অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ

    না ফেরার দেশে অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ

    প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) সভাপতি অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

    শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর।

    তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ন্যাপের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পরিতোষ দেবনাথ।

    মোজাফফর আহমদের পরিবারের সদস্যরা জানান, কয়েক দিন ধরে তিনি রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

    অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের ছয়জন উপদেষ্টার একজন ছিলেন। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধে তার ভূমিকা অবিস্মরণীয়।

    জীবন সায়াহ্নে এসে বারিধারার পার্ক রোডে মেয়ের বাড়িতে থাকতেন তিনি। গত ১৪ আগস্ট অধ্যাপক মোজাফফরকে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ছিলেন ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ)। অবশেষে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি।

    প্রবীণ রাজনৈতিক অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে শোক ও গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এক শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দেশের মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ এবং বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

    তিনি বলেন, ‘দেশের প্রগতিশীল রাজনীতিতে তার অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’

    শোক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী মরহুমের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

    এদিকে অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে শোক ও গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    এ ছাড়া মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি ও মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া।

    শোক বার্তায় তারা বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে কিংবদন্তিতুল্য এ নেতার মৃত্যুতে দেশ হারালো একজন অভিভাবক রাজনীতিককে।

    জীবনে অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ কখনও অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি মন্তব্য করে ন্যাপ নেতারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধে অবদানস্বরূপ সরকার ২০১৫ সালে তাকে স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত করলেও তিনি সবিনয়ে তা ফিরিয়ে দেন। তার মতে, রাজনীতির অর্থ দেশ এবং মানুষের সেবা। পদ বা পদবির জন্য কখনও রাজনীতি করেননি তিনি। পদক দিলে বা নিলেই যে মানুষ সম্মানিত হয়, এ দৃষ্টিভঙ্গিতে তিনি বিশ্বাসী ছিলেন না।

  • বঙ্গবন্ধু হত্যার হুকুমদাতাদেরও বিচার হবে

    বঙ্গবন্ধু হত্যার হুকুমদাতাদেরও বিচার হবে

    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার হয়েছে। এখন হত্যার হুকুমদাতাদেরও বিচার হবে।’

    জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে শুক্রবার এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

    স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশন।

    মোজাম্মেল হক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে যারা গুলি করে হত্যা করেছে আমরা তাদের বিচার করেছি। কিন্তু যারা হুকুম দিয়ে হত্যা করেছে তাদের বিচার হয় নাই।’

    উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিমানবন্দরে মাঝে মাঝে সোনা চোরাচালান ধরা পড়ে। কারা ধরা পড়ে? যারা পড়াশোনা না করে শুধু তারাই ধরা পড়ে। দুবাই থেকে ঢাকায় যাদের নামে পাঠায় তারা কি কোনোদিন ধরা পড়ছে, ধরা পড়ে নাই। যারা বঙ্গবন্ধুর হত্যার হুকুম দিয়েছে তাদের বিচার হয়নি।’

    তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পাকিস্তানি দূতাবাস, আমেরিকান দূতাবাস সারারাত খোলা ছিল। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনি। খুনি না হলে, আত্মস্বীকৃত খুনি যারা ছিল তাদের বিদেশে পাঠিয়ে বড় বড় পদে পদায়ন করতেন না। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের যাতে বিচার না হয় এ জন্য ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে বিচারের রাস্তা বন্ধ করেছিলেন।’

    মন্ত্রী আরও বলেন, ‘খুনি বলেই জিয়ার মন্ত্রিসভায় শাহ আজিজসহ বঙ্গবন্ধুর খুনিদের নিয়েই মন্ত্রিসভা গঠন করেছিল। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু যে সংবিধান দিয়ে গিয়েছিলেন, সে সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দ বাদ দিয়ে আবার সেই পাকিস্তানি কায়দায় ধর্মীয় রাজনীতি চালু করে। পাকিস্তানি পাসপোর্টধারী গোলাম আযমকে বাংলাদেশে এনে নাগরিকত্ব দেন। এতে পরিষ্কার বোঝা যায় সে বঙ্গবন্ধু হত্যায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।’

    তিনি বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আমাদের সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। মুক্তিযোদ্ধারা ঈদ বোনাস ছাড়াও,বিজয় দিবসের বোনাস ও স্বাধীনতা দিবসের বোনাস পাবেন। এছাড়াও চিকিৎসার জন্য সব সরকারি হাসপাতালে মুক্তিযোদ্ধাদের শতভাগ ব্যয়ভার বহন করা হবে। সব মুক্তিযোদ্ধার কবর একই ডিজাইনে হবে। অন্য ধর্মাবলম্বী মুক্তিযোদ্ধার কবর কী ডিজাইন হবে তাও আমরা বলেছি।’

    মন্ত্রী বলেন, ‘বিসিএস পরীক্ষায়  মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ১০০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। যে সব স্থানে আমরা হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি সেসব স্থানে স্মৃতিফলক তৈরি করা হবে। যত জায়গায় বদ্ধভূমি আছে সেসব জায়গায় অন্য নকশায় স্মৃতিফলক হবে। ঢাকা শহর থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যেক সড়কের নামকরণ করা হবে মুক্তিযোদ্ধাদের নামে। এ ছাড়াও আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ি ঘর তৈরি করার জন্য ১৫ লাখ টাকা সরকার থেকে অনুমোদন দেয়া হবে। ইতোমধ্যে তা মন্ত্রণালয় থেকে পাস হয়ে গেছে। এ ছাড়াও ১৬ ডিসেম্বরের আগে মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং আইডি কার্ড দেয়া হবে। তাদের আইডি কার্ডে লেখা থাকবে তারা কী কী সুবিধা পাবেন।’

    মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশনের সভাপতি গাজী মো. দেলোয়ার হোসেন সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশন সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবলু প্রমুখ।

  • কূটনৈতিক ব্যর্থতা নয়, অনিচ্ছায় ফেরত যায়নি রোহিঙ্গারা

    কূটনৈতিক ব্যর্থতা নয়, অনিচ্ছায় ফেরত যায়নি রোহিঙ্গারা

    সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতার কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব হয়নি বলে বিএনপির অভিযোগকে নাকচ করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘রোহিঙ্গা একটা দলের ফেরত যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু অনিচ্ছায় তারা যায়নি। এটা কূটনৈতিক ব্যর্থতা না।’

    শুক্রবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় সাংবাদিকদের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের একটা দল ফেরত যাওয়ার কথা, ফেরত যায়নি তাদের অনিচ্ছায়। যে দেশে তারা ফিরে যাবে, আপন দেশে। সেখানে তাদের পরিবেশ, সম্মান, নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা এসব বিষয় তাদের মাথায় ছিল, থাকাটাই স্বাভাবিক। এখানে কূটনৈতিক ব্যর্থতার কোনো বিষয় নাই।’

    কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের পাশে আজ সবাই। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ থেকে শুরু করে যে দেশেই, যে ফোরামেই গেছেন তিনি এ বিষয়টাকে সামনে নিয়ে এসেছেন। সর্বশেষ চীনে গিয়েও তিনি এ বিষয়টাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। কূটনীতি একটা চলমান বিষয়, হুট করে ব্যর্থতা কূটনীতির মধ্যে বলা যায় না। আমাদের প্রয়াস অব্যাহত আছে। আমাদের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নাই। অব্যাহত প্রয়াস একদিন সফলতা নিয়ে আসবে, এটা আমরা বিশ্বাস করি।’

    কাদের আরও বলেন, ‘১১ লাখ বিদেশির জন্য সীমান্ত খুলে দিয়ে শেখ হাসিনা এত উদারতার পরিচয় দিয়েছিলেন। যার প্রশংসা করেনি পৃথিবীতে এমন কোনো দেশ নাই। আমরা যদি সেদিন তাদের আশ্রয় না দিতাম তাহলে কী বলতো? মিয়ানমারের ওপর সারা দুনিয়ার চাপ বেড়েই চলছে, কাজেই এখানে আমাদের কূটনৈতিক ব্যর্থতা নেই, এটাই কূটনৈতিক সফলতা। আজ যায়নি, কাল যায়নি তবে সবকিছু নির্ভর করছে মিয়ানমারের আন্তরিকতা ও সদিচ্ছার ওপর। সারা দুনিয়া থেকে যে চাপ আসছে আমরা বিশ্বাস করি এ সমস্যার সমাধান একদিন হবে, হতেই হবে। আমরা হাল ছেড়ে দেইনি, হাল ছেড়ে দেব না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর কন্যা, তিনি মাথা নত করার লোক নন, হাল ছেড়ে দেয়ার লোকও নন। মানবতার মা সারা দুনিয়ায় স্বীকৃত, এটা কূটনৈতিক ব্যর্থতা?’

    বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সভাপতি সাজ্জাদুল হাসানের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

    আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন সমিতির মহাসচিব প্রফেসর ড. এম কামরুজ্জামান।

  • অসুস্থ আওয়ামী লীগ নেতা আরিফিন মোল্লা

    অসুস্থ আওয়ামী লীগ নেতা আরিফিন মোল্লা

    অনলাইন ডেস্ক ::

    অসুস্থ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের উপ-কমিটির সদস্য বরিশালের সন্তান আরিফিন মোল্লা। তার সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন আরিফিন মোল্লার পরিবার।

    বরিশালের সন্তান যুববন্ধু আরিফিন মোল্লা বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে ঢাকা এপোলো হাসপাতালে ইমার্জেন্সি বিভাগে ভর্তি করা হয়। আরিফিন মোল্লার পারিবারের কাছ থেকে অসুস্থতার বিষয়টি জানানো হয়।

    তারা জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে ঘুম থেকে উঠে বাসার সামনে বের হলে বুকে ব্যাথা অনুভব করে তিনি। এ অবস্থায় তাকে ঢাকা এ্যাপোলো হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে তাকে ঢাকা ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা করা হয়েছে।