Category: রাজণীতি

  • এরশাদের মৃত্যুতে শোকের ছায়া তার জন্মস্থান ভারতেও

    এরশাদের মৃত্যুতে শোকের ছায়া তার জন্মস্থান ভারতেও

    রবিবারের সকাল, ঘড়ির কাঁটা তখন আটটা ছুঁইছুঁই। বাংলাদেশের ঢাকা থেকে হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের মৃত্যুর খবর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে তাঁর পৈতৃক বাড়িতে পৌঁছাতেই কান্নায় ভেঙে পড়ল গোটা পরিবার। শোকে বিহ্বল দিনহাটার কয়েক লক্ষ বাসিন্দা। এরশাদ আর দিনহাটায় ফিরবেন না, তা যেন বিশ্বাসই করতে পারছেন না কেউ। কোচবিহারের দিনহাটাই বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এরশাদের জন্মভিটা।

    দিনহাটায় এখনও এরশাদের চাচাতো ভাই ও তাঁর পরিবার বসবাস করেন। শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পুরনো বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাড়িতেই ম্যাট্রিক পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন এরশাদ। তারপরেই অবিভক্ত বাংলাদেশের রংপুর জেলার কারমাইকেল কলেজে তিনি পড়তে চলে যান।

    এরশাদের ভাই মোজাব্বর হোসেন ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনকে জানান, যুদ্ধের পর কয়েক বছর কোনও খোঁজখবর ছিল না৷ এরপর ১৯৭৫ সালে হঠাৎ ভারতীয় সেনাবাহিনী থেকে একটি চিঠি বাড়িতে এসে পৌঁছেছিল৷ সেখানে লেখা ছিল, এরশাদ বাড়ি ফিরছেন।

    সেই চিঠির কথা আজও তাঁরা ভুলতে পারেননি৷ কারণ, তাঁরা ভেবেছিলেন এরশাদ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন। যদিও তাঁর বাড়ি ফেরার পর সেই ভ্রান্ত ধারণা দূর হয়। তিনি ভারতের দেরাদুনে প্রশিক্ষণে ছিলেন এবং সেখান থেকেই বাড়ি ফিরেছিলেন।

    বছর দুই আগে, ২০১৭ সালে দিনহাটায় এসেছিলেন এরশাদ ৷ তবে মোজাব্বর হুসেনের পুত্র এহসান হাবিব ও পূত্রবধু সাবিরা সরকার গত এপ্রিল মাসে ঢাকায় গিয়েছিলেন এরশাদের সঙ্গে দেখা করতে। তাঁরা জানান, সেখানেই এরশাদ ফের দিনহাটা ফেরার ইচ্ছা জানিয়েছিলেন। তবে তাঁর সেই ইচ্ছে আর পূরণ হল না৷

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কোচবিহার অঞ্চলে ছিটমহল বিনিময়ে তাঁর অবদান আজও অনস্বীকার্য। ছিটমহল বিনিময় আন্দোলনের অন্যতম নেতা দীপ্তিমান সেনগুপ্ত জানান, এরশাদ ছিটমহলবাসীর দাবি, আন্দোলনকে বারবার উৎসাহিত করেছিলেন। অন্যতম অভিভাবক হিসেবে ছিলেন।

  • নির্যাতিতদের দেখভালের দায়িত্বে গয়েশ্বর-সেলিমা

    নির্যাতিতদের দেখভালের দায়িত্বে গয়েশ্বর-সেলিমা

    নারী ও শিশু নির্যাতন-ধর্ষণের ঘটনা সম্প্রতি বেড়ে গেছে দাবি করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিএনপি। এসব নির্যাতন রোধে দলটির পক্ষ থেকে কর্মসূচি দেয়ার কথাও বলা হয়েছে।

    সোমবার দলটির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং বেগম সেলিমা রহমানকে এসব নির্যাতনের ঘটনা পর্যবেক্ষণ এবং নির্যাতিতদের দলের পক্ষ থেকে সহায়তার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    শায়রুল বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন-ধর্ষণ বেড়ে গেছে। এ নিয়ে দলের পক্ষ থেকে খুব শিগগিরই সংবাদ সম্মেলন করা হবে এবং কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। নির্যাতনের ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের জন্য দলের উচ্চপর্যায়ের দু’জন গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং বেগম সেলিমা রহমানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।’

    বেগম সেলিমা রহমান বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। আমরা এসব পর্যবেক্ষণ করব এবং প্রয়োজনে নির্যাতিতদের কাছে যাব। তাদের পাশে দাঁড়াব।’

  • তা-ই যেন হয় : বিদিশা

    তা-ই যেন হয় : বিদিশা

    মারা গেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। ইতোমধ্যে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে তার তৃতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সাবেক রাষ্ট্রপতিকে হারিয়ে শোকে মুহ্যমান এরশাদের কর্মী-সমর্থক ও ভক্তরা। তেমনি সাবেক স্বামীকে হারিয়ে শোকে কাতর বিদিশা এরশাদও।

    রোববার (১৪ জুলাই) ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এইচ এম এরশাদ। ওই সময় আজমির শরিফ ছিলেন বিদিশা। স্বামীর সুস্থতায় সেখানে তিনি প্রার্থনা করেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। না ফেরার দেশে পাড়ি জমান এরশাদ।

    এরশাদ মারা যওয়ার পর আবেগঘন স্ট্যাটাস লেখেন প্রিয় স্বামীর জন্য। সেখানে তিনি সদ্যপ্রয়াত এরশাদকে উদ্দেশ করে লেখেন, ‘আমিও আজমির শরিফে আর তুমিও চলে গেলে। আবার হয়তো দেখা হবে অন্য এক দুনিয়ায়।’

    তিনি আরও লেখেন, ‘এ জন্মে আর দেখা হলো না। আমিও আজমির শরিফ আসলাম, আর তুমিও চলে গেলে। এত কষ্ট পাওয়ার থেকে মনে হয় এই ভালো ছিল। আবার দেখা হবে হয়তো অন্য এক দুনিয়াতে, যেখানে থাকবে না কোনো রাজনীতি।’

    পরবর্তীতে প্রিয় নেতার দাফন কোথায় হবে- তা নিয়ে এরশাদের স্বজন ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বিশেষ করে নিজ জন্মভূমি রংপুরের নেতাকর্মীরা নেতার কবর সেখানে দেয়ার জোর দাবি তোলেন। কবর প্রস্তুতির কাজও শুরু হয় সেখানে। আগামীকাল মঙ্গলবার রংপুরে প্রিয় মানুষদের সান্নিধ্যে নেয়া হতে পারে এইচ এম এরশাদের মরদেহ।

    ঠিক এমন সময় নিজ ফেসবুক পেজে নতুন করে এক স্ট্যাটাস দেন বিদিশা এরশাদ। তিনিও চান এরশাদের কবর রংপুরেই হোক। তিনি লেখেন, ‘আমিও তা-ই চাই, লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীর মতো রংপুরের মাটি যেন হয় এরশাদের শেষ ঠিকানা। সহধর্মিণী থাকতে বহুবার পল্লীনিবাসের বারান্দায় ছেলে এরিককে কোলে বসিয়ে উনি আমাকে বলেছিলেন, তুমি আমার ছোট, দেখ আমার মৃত্যুও যেন আমার ছেলের কাছে থেকে দূরে না রাখে।’

    ‘আমার কবর আমি এই পল্লীনিবাসে চাই। রংপুরের মানুষের ভালোবাসার প্রতিদান আমি দিতে পারিনি আজও। রংপুরের মানুষ আমার কবরে এসে দোয়া করবে- এটাই আমার চাওয়া। প্রতিবার এই কথাটি বলতেন তিনি এরিকের দিকে তাকিয়ে, ভিজা চোখে।’

    বিদিশা লেখেন, ‘আজ সদ্য বাবাহারা ছেলে আমার মায়ের আশ্রয়েও নেই। এরিকের চোখের পানিতে পাথরও গলে যায় কিন্তু গলে না রাজনীতিবিদদের মন। আমার ছেলে এরিককে আটকিয়ে রাজনীতির কোন ফায়দা লুটবেন এনারা?’

  • জেল থেকেও এরশাদের সংসদ জয়

    জেল থেকেও এরশাদের সংসদ জয়

    না ফেরার দেশে চলে গেলেন সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

    ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) দুই সপ্তাহের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর রোববার সকালে ৮৯ বছর বয়সী সাবেক এ রাষ্ট্রপতির জীবনাবসান ঘটে।

    দেশের রাজনীতিতে সবসময় আলোচিত ছিলেন এরশাদ। সেনাপ্রধান থেকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আরোহন করে টানা ৯ বছর দেশ পরিচালনার পর আমৃত্যু রাজনীতিতে টিকে ছিলেন তিনি।

    ১৯৮৬ সালে তিনি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। এই দলের মনোনয়ন নিয়ে ১৯৮৬ সালে এরশাদ পাঁচ বছরের জন্য দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। এ নির্বাচনে এরশাদের জাতীয় পার্টি সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। নির্বাচনে ১৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বাছাই এ কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাদ না পড়ায় বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১৬ জন। চারজন প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ১২ জন ছিল।

    টানা নয় বছর দেশ পরিচালনা করে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা ছেড়ে দেন এরশাদ। ক্ষমতা ছাড়ার পর গ্রেফতার হন সাবেক এ রাষ্ট্রপতি। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি কারাগার থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং রংপুরের পাঁচটি আসন থেকে নির্বাচিত হন। রংপুর-২, রংপুর-৩, রংপুর-৫, রংপুর-৬ ও কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সবগুলোতে জয়ী হওয়ার পর এরশাদ রংপুর-৩ আসনকে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য বেছে নেন। ফলে বাকি চার আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

    ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসা পর্যন্ত কারারুদ্ধ থাকেন এরশাদ।

    এদিকে ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনেও এরশাদ সংসদে পাঁচটি আসনে বিজয়ী হন। ওই সময় জাতীয় পার্টির সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ।

    ছয় বছর জেলে থাকার পর ১৯৯৭ সালের ৯ জানুয়ারি তিনি জামিনে মুক্ত হন। তবে আদালতের রায়ে দণ্ডিত হওয়ার কারণে সংসদে তার আসন বাতিল হয়ে যায়।

    ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে মোট ১৪৭টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। বিএনপির ও এর নেতৃত্বাধীন জোট নির্বাচন বর্জন করে। ১৫৩টি আসনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পায় আওয়ামী লীগ ও এর শরিক দলগুলো।

    নির্বাচনে ৩৪টি আসন পেয়ে এরশাদের জাতীয় পার্টি হয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল। এরশাদ হন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত।

    সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২ আসন পায় এরশাদের জাতীয় পার্টি। পরে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হন সাবেক এ রাষ্ট্রপতি।

  • এরশাদের মৃত্যুতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের শোক বইয়ে স্বাক্ষর

    এরশাদের মৃত্যুতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের শোক বইয়ে স্বাক্ষর

    সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা।

    সোমবার বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী অফিসে রাখা শোক বইয়ে তারা স্বাক্ষর করে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রাজনৈতিক আদর্শ এবং সাফল্য নিয়ে মন্তব্য করেছেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার, জার্মানীর পিটার ফারেন হোলটজ, কুয়েতের আদেল হায়াত, ভারতের রিভা গাঙ্গুলী দাশ, ফিলিস্তিনের ইউসেফ এস ওয়াই রামাদান, যুক্তরাজ্যের রবার্ট সি ডিকসন এবং আফগানিস্তানের প্রথম সেক্রেটারি শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন।

    তারা প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের উন্নয়ন এবং সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    নিজ নিজ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আদর্শ লালন করে জাতীয় পার্টি বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

  • মঙ্গলবার এরশাদের মরদেহের সঙ্গে রংপুর যাচ্ছেন যারা

    মঙ্গলবার এরশাদের মরদেহের সঙ্গে রংপুর যাচ্ছেন যারা

    তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হেলিকপ্টারে করে রংপুর নেয়া হবে সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মরদেহ।

    জাতীয় পার্টি সূত্র জানায়, এরশাদের মরদেহের সঙ্গে জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ছেলে রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ, জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, আজম খান, এটিইউ তাজ রহমান ও শফিকুল ইসলাম সেন্টু।

    মঙ্গলবার বাদ জোহর রংপুর ঈদগাহ মাঠে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের চতুর্থ জানাজা শেষে তার মরদেহ হেলিকপ্টারে করে আবার ঢাকায় নিয়ে আসা হবে। বাদ আসর সামরিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।

  • ‘৮ হাজার অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদন করেছে’

    ‘৮ হাজার অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদন করেছে’

    তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, নিবন্ধনের জন্য আট হাজারের বেশি অনলাইন নিউজ পোর্টালের আবেদন সরকারের কাছে জমা পড়েছে।

    সোমবার ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, ডিসি সম্মেলনে নিউ মিডিয়া এবং এর চ্যালেঞ্জের প্রসঙ্গ এসেছে, অনলাইন মিডিয়ার ক্ষেত্রে শৃঙ্খলার বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে সমস্ত অনলাইনগুলোকে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনার জন্য দরখাস্ত আহ্বান করেছি। সোমবার দরখাস্ত করার শেষ দিন। এ পর্যন্ত আমাদের কাছে আট হাজারের বেশি দরখাস্ত জমা পড়েছে।

    তিনি বলেন, আমরা এগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যেগুলোর আসলে প্রয়োজন আছে, যেগুলো অনলাইন হিসেবে সত্যিকার অর্থে কাজ করতে পারবে বা করার সক্ষমতা রাখে বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে দরখাস্ত করা হয়নি সেগুলোকে আমরা রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনব। পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই করে রেজিস্ট্রেশন দেয়া হবে। আমরা আশা করছি যখন এই রেজিস্ট্রেশনটা হবে সেখানে একটি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হবে।

    হাছান মাহমুদ বলেন, যত দ্রুত সম্ভব, যেগুলো সত্যিকার অর্থে অনলাইন হিসেবে কাজ করে তাদেরকে সহসাই এই রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনব। যেগুলোর ব্যাপারে ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন আছে সেগুলোকে তো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে।

    অনলাইন গণমাধ্যমগুলো নিবন্ধনের জন্য গত ৩০ জুন পর্যন্ত আবেদন জমা দেয়ার সময় বেঁধে দেয় তথ্য মন্ত্রণালয়। পরে আরও ১৫ দিন সময় বাড়ানো হয়।

  • বায়তুল মোকাররমে এরশাদের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত

    বায়তুল মোকাররমে এরশাদের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত

    জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা, সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মুহম্মদ এরশাদের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল নেমেছে।

    সোমবার (১৫ জুলাই) বাদ আসর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে তার জানাজা পড়ান বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিব।

    জানাজায় জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের, মশিউর রহমান রাঙ্গা, রুহুল আমিন হাওলাদার, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    জানাজার আগে দলের মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা এরশাদের জীবনী তুলে ধরেন।

    দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন, বাংলাদেশের মানুষের জন্য তার বিপুল অবদান। ইসলামের জন্য তিনি অনেক কাজ করেছেন। মানুষ হিসেবে কথা ও কাজে ভুলক্রটি থাকতে পারে। আমি এরশাদের ভাই হিসেবে ক্ষমা চাই। দোয়া চাই। তাকে সবাই ক্ষমা করে দেবেন। তাকে যেন আল্লাহ জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন।

    এর আগে বিকেল ৫টায় সাবেক রাষ্ট্রপতির মরদেহ ফ্রিজার ভ্যানে বায়তুল মোকাররম মসজিদে আনা হয়।

    ১০ দিন ধরে ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা এরশাদ রোববার (১৪ জুলাই) সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে মারা যান।

  • এরশাদের পেছনের নন্দিত ও নিন্দিত কর্মজীবন

    এরশাদের পেছনের নন্দিত ও নিন্দিত কর্মজীবন

    বিশাল কর্মজীবন পেছনে ফেলে ১৪ জুলাই সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন স্বাধীনতা-উত্তর সেনাবাহিনীর চতুর্থ সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তাঁর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতির এক বড় অধ্যায় শেষ হলেও থেকে যাবে রাজনৈতিক ইতিহাস। তিনি বাংলাদেশের সেনাপ্রধান, যিনি একটি নির্বাচিত সরকার থেকে ক্ষমতা দখল করে ক্ষমতাসীন থাকেন নয় বছরের বেশি। তৈরি করেছিলেন একটি রাজনৈতিক দল—‘জাতীয় পার্টি’, যা আজও বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বড় ফ্যাক্টর। তবে এরশাদবিহীন জাতীয় পার্টি কেমন থাকবে, তা দেখার বিষয়। এ ধরনের ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনৈতিক দলের ইতিহাস সুখকর হয় না। এরশাদ স্বৈরাচারী হিসেবে রাজনৈতিক অঙ্গনে আমৃত্যু অপরিহার্য ছিলেন।

    জেনারেল এরশাদের সঙ্গে আমার পরিচয় ১৯৭৩ সাল থেকে, যখন তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্নেল হিসেবে অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল পদে নিয়োজিত ছিলেন। আমি তখন ঢাকায় ব্রিগেডের স্টাফ অফিসার। দাপ্তরিক কাজে বহুবার তাঁর সঙ্গে বৈঠক করতে হয়েছে। তখন থেকেই তাঁকে বেশ অমায়িক দেখেছি। আরও পরে তিনি উপপ্রধান হলেন, পরে সেনাপ্রধান। ওই সময়ে আমি তাঁর যথেষ্ট সান্নিধ্য লাভ করেছি। তিনি অধস্তন অফিসারদের বেশ স্নেহ করতেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যার পর অত্যন্ত পরিপক্ব সামরিক সিদ্ধান্তের কারণে রক্তপাত এড়ানো সম্ভব হয়েছিল। ওই সময়ে উপরাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারও তৎকালীন সরকারকে সমর্থন করেছিলেন অনেক চাপ, প্রলোভন ও উসকানির মধ্যেও।

    ওই সময়ে তাঁর চারপাশের অনেক বয়োজ্যেষ্ঠ এবং মাঝারি র‌্যাঙ্কের কর্মকর্তা ক্ষমতা দখলের প্ররোচনা দিলেও তিনি আমাদের অনেকের বিরোধী অবস্থানের সঙ্গে থেকেছিলেন। পরে আমি বিদেশে ট্রেনিংয়ে থাকার সময়ে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ এরশাদের ক্ষমতা দখল করার কথা শুনলাম। (আমার রচিত প্রথম পুস্তক ‘বাংলাদেশ রক্তাক্ত অধ্যায় ১৯৭৫-৮১’ দ্রষ্টব্য)। ধারণা করলাম, তিনি ভেতর–বাইরের প্ররোচনায় একটি নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। এরপর বহুবার সাক্ষাৎকারে তিনি আমাকে প্রেক্ষাপট বলেছিলেন। তাঁর সঙ্গে প্রায় ছয় বছর আগে এক সামাজিক অনুষ্ঠানের সাক্ষাৎকারে বলেছিলাম যে তিনি ইতিহাসে একমাত্র সামরিক শাসক, যিনি ক্ষমতাচ্যুতির পরও রাজনৈতিক অঙ্গন আমৃত্যু ফ্যাক্টর হয়ে থাকবেন। সামরিক অভ্যুত্থানের ইতিহাসে এটা বিরল ঘটনা।

    জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বহুবিধ কারণে নন্দিত ও নিন্দিত হয়েছেন, হয়তো হয়েও থাকবেন। তবে তাঁর অনেক দূরদর্শী পদক্ষেপ বাংলাদেশকে উন্নতির পথে নিয়েছে। উপজেলা পদ্ধতি ছিল এ বিশাল জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় প্রশাসনকে নিয়ে যাওয়া এবং নির্বাচিত প্রতিনিধি দ্বারা স্থানীয় প্রশাসন পরিচালিত হওয়ার সুযোগ। একসময়কার থানা এখন ছোট ছোট শহরে পরিণত হয়েছে। এসব উপজেলাকে যোগাযোগের মধ্যে নিয়ে আসা এবং যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির শুরু ওই সময়েই। অর্থনীতিকে উন্মুক্তকরণ, পোশাকশিল্পকে সমর্থন, ব্যক্তিগত খাতে শিল্পায়ন উৎসাহ প্রদান ইত্যাদি ছাড়াও বড় অর্জন ছিল জাতীয় ওষুধনীতি প্রণয়ন। এটা উপমহাদেশে তো বটেই, এশিয়ার অন্যতম যুগান্তকারী কাজ। এর কারণে বাংলাদেশে ওষুধ এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশ থেকে সস্তা।

    এরশাদের বিদেশনীতিও বেশ সফল বলে প্রতীয়মান। এ পর্যন্ত তিনিই বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রপতি, যাঁকে আনুষ্ঠানিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রে আমন্ত্রণ ও হোয়াইট হাউসে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল। তাঁর সময়ে বাংলাদেশ সেনাদল প্রথম বিদেশে নিয়োজিত হয়েছিল ইরাক-কুয়েত যুদ্ধের পর। এরপরই উন্মুক্ত হয় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন।

    এত অর্জনের পরেও এরশাদ সাহেব তাঁর খোলামেলা ব্যক্তিগত জীবনের জন্য যেমন সমালোচিত, তেমনি রাজনীতিকে কলুষিত করার জন্য নিন্দিত। তাঁর সামনেই নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা একেবারে নস্যাৎ হয়ে গিয়েছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল হওয়ার পর নির্বাচনগুলোতেও এরশাদ সিনড্রোম বহাল রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির ব্যাপক অভিযোগ ছিল, এখন যা তাঁর আমলের চেয়ে শতগুণ বেড়েছে। বলা হয়, বর্তমানে দুর্নীতির অভাবনীয় প্রসারও এরশাদ সিনড্রোম। তবে এরশাদ সাহেবের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ, তিনি ১৯৭৫–উত্তর গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার উৎখাত করে বাংলাদেশের রাজনীতি ও প্রশাসনে যে ‘স্বৈরাচার’ ঢুকিয়েছেন, তার জের এ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনকে ভঙ্গুর করে রেখেছে। তবে তিনি অনেকের কাছে রাজনীতির ‘দুষ্ট বালক’ হিসেবে পরিচিত থাকলেও অন্য অনেকের কাছে তাঁর বেশ কিছু সুদূরপ্রসারী কাজের জন্য নন্দিত থাকবেন।

    এককথায় বলা যায়, এরশাদ সাহেব ইতিহাসে নন্দিত আর নিন্দিত হয়েই জীবিত থাকবেন। তিনি এখন সব সমালোচনার ঊর্ধ্বে। তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

  • ইউপি নির্বাচন: আমতলীতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আ.লীগ থেকে বহিস্কৃত

    ইউপি নির্বাচন: আমতলীতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আ.লীগ থেকে বহিস্কৃত

    আসন্ন্ ৬ নং আমতলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিপক্ষে প্রতিদ্বন্ধিতা করায় উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধাকে আওয়ামীলীগ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।

    উপজেলা আওয়ামীলীগ সূত্রে জানাগেছে, গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ্ব জিএম দেলওয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে কার্যকরী কমিটির এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত সদস্যদের সিন্ধান্ত মোতাবেক আসন্ন আমতলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিঠু মৃধা’র বিপক্ষে উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধা স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্ধিতা করায় তাকে আওয়ামীলীগ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। সোমবার বিকালে আমতলী পৌরশহরে মাইকিং করে এ বহিস্কারের ঘোষনা দেয়া হয়েছে।

    মাইকিং করে ঘোষনায় বলা হয়েছে আসন্ন্ ৬নং আমতলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিপক্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্ধিতা করায় উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধাকে বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগের নির্দেশক্রমে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের গঠনতন্ত্র মোতাবেক উপজেলা আওয়ামীলীগের সিন্ধান্ত অনুযায়ী বহিস্কার করা হয়েছে।

    আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ্ব জিএম দেলওয়ার হোসেন বলেন, দল মনোনিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সিন্ধান্ত অনুযায়ী ও জেলা আওয়ামীলীগের নির্দেশক্রমে মোঃ মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধাকে বহিস্কার করা হয়েছে।

    এ ব্যাপারে বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ জাহাঙ্গীর কবির মুঠোফোনে বলেন, দলীয় সিন্ধান্তের বাহিরে গিয়ে আমতলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মোতাহার উদ্দিন মৃধা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। প্রার্থীতা প্রত্যাহারে তাকে সময় দেয়া হয়েছিল। তিনি তা না মেনে নির্বাচন করায় কেন্দ্রীয় গঠনতন্ত্র মোতাবকে তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।
    আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধা বলেন, আমি কোন বহিস্কারের চিঠি হাতে পাইনি। জেলা ও উপজেলা কমিটি’র বহিস্কারের কোন ক্ষমতা নেই।