Category: রাজণীতি

  • এরশাদের ‘বর্ণিল’ জীবনের অবসান

    এরশাদের ‘বর্ণিল’ জীবনের অবসান

    অনলাইন ডেস্ক :

    অবসান ঘটলো একটি অধ্যায়ের। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভোগার পর না ফেরার দেশে চলে গেলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ও রাষ্ট্রপতি পদে ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রায় নয় বছর সরকার চালানো এরশাদ আমৃত্যু বাংলাদেশের রাজনীতিতে আলোচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন। এ পর্যায়ে জেনে নেওয়া যাক তার ‘বর্ণিল’ জীবনের সাতকাহন।

    জন্ম, শিক্ষা ও সেনাবাহিনীতে যোগদান
    এরশাদ ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রংপুরে জন্মগ্রহণ করেন। জন্মশহরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা গ্রহণের পর ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। ১৯৫২ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে অফিসার পদে নিয়োগ লাভের মধ্য দিয়ে পেশাগত জীবন শুরু করেন এরশাদ। তিনি ১৯৬৯ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে পদোন্নতি লাভের পর তৃতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে এবং পরবর্তীতে সপ্তম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।

    মুক্তিযুদ্ধ শেষে পাকিস্তান থেকে প্রত্যাবর্তনের পর ১৯৭৩ সালে এরশাদকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল পদে নিয়োগ দেন তৎকালীন সরকারপ্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর মেজর জিয়াউর রহমান ক্ষমতার কেন্দ্রে এলে এরশাদকে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে সেনাবাহিনীর উপপ্রধান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর ১৯৭৮ সালের ডিসেম্বরে এরশাদ চিফ অব আর্মি স্টাফ নিযুক্ত হন এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে পদোন্নতি লাভ করেন।

    রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল
    ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে রাজনীতিতে আগ্রহ প্রকাশ হতে থাকে এরশাদের। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারের সরকারকে উৎখাত করে এরশাদ সংবিধান রহিত করে সংসদ বাতিল করে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেন এবং প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক (সিএমএলএ) হিসেবে দায়িত্ব নেন।

    এরপর এরশাদ ১৯৮২ সালের ২৭ মার্চ বিচারপতি আবুল ফজল মোহাম্মদ আহসানউদ্দিন চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে অধিষ্ঠিত করেন। যদিও বিচারপতি চৌধুরীর কোনো প্রকার কর্তৃত্ব রাখেননি এরশাদ। ১৯৮৩ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত এরশাদ প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে দেশ শাসনের পর রাষ্ট্রপতি আহসানউদ্দিন চৌধুরীকে অপসারণ করে এ পদেই বসে যান।

    বিরোধী দলগুলোর বর্জনে নির্বাচন আয়োজন
    এরপর ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি জাতীয় পার্টি গঠন করেন এরশাদ। নবগঠিত এ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন তিনি, মহাসচিব নিযুক্ত করেন অধ্যাপক এমএ মতিনকে। এরমধ্য দিয়ে প্রকাশ্য রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করেন এরশাদ। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর বর্জনের মধ্যে ১৯৮৬ সালের অক্টোবরে নির্বাচনে এরশাদ তার জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে পাঁচ বছর মেয়াদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। এ পদে নির্বাচিত হওয়ার পর সে বছরের ১০ নভেম্বর তৃতীয় জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন আহবান করেন। সংবিধানের সপ্তম সংশোধনী আইন পাশ করে সেদিন জাতীয় সংসদ সংবিধান পুনর্বহাল করে। তবে বিরোধী দলগুলোর প্রবল আন্দোলনের মুখে ১৯৮৭ সালের ৭ ডিসেম্বর এরশাদ ফের সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। প্রধান বিরোধী দলগুলো ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনও বর্জন করে।

    পতন ও কারাবন্দিত্ব
    এরশাদের শাসনের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলোর অবিরাম আন্দোলন চলতে থাকে এবং প্রবল গণঅভ্যুত্থানের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

    এরপর ১৯৯১ সালে এরশাদ গ্রেপ্তার হন। ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে কারান্তরীণ অবস্থায় এরশাদ রংপুরের পাঁচটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। তখনকার সরকার এরশাদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি দুর্নীতি মামলা করে। এর কোনো কোনোটিতে দোষী প্রমাণিত হয়ে তিনি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। ১৯৯৬-এর সাধারণ নির্বাচনেও এরশাদ সংসদে পাঁচটি আসনে বিজয়ী হন। ছয় বছর কারাভোগের পর ১৯৯৭ সালের ৯ জানুয়ারি তিনি জামিনে মুক্ত হন। তবে আদালতের রায়ে দণ্ডিত হওয়ার কারণে সংসদে তার আসন বাতিল হয়ে যায়। ২০০০ সালে জাতীয় পার্টিতে ভাঙন দেখা দিলেও শেষ পর্যন্ত এরশাদের নেতৃত্বাধীন অংশই টিকে যায়।

    নির্বাচন-জোট ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রে
    ২০০১ সালের অক্টোবরে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এরশাদের জাতীয় পার্টি ১৪টি আসনে জয়ী হয়। এরপর তিনি ২০০৬ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোটের সঙ্গে মহাজোট গঠন করেন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এরশাদের দল ২৭টি আসনে বিজয়ী হয়। এরপর অনুষ্ঠিত দশম এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বাইরে সর্বোচ্চ সংখ্যক আসন পেয়ে বিরোধী দলের ভূমিকায় থেকেছে এরশাদের দলই।

    ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে প্রায় সব নির্বাচনেই এরশাদ আগ্রহের কেন্দ্রে ছিলেন। বিশেষ করে জোট গঠন, নির্বাচনে অংশ নেওয়া না নেওয়ার প্রশ্নে, এমনকি জাতীয় পার্টির শীর্ষ পর্যায়ে পরিবর্তনে এরশাদের বক্তব্য ও অবস্থান বরাবরই সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে।

    ‘পল্লীবন্ধু’ খেতাব
    দেশজুড়ে উপজেলা স্থানীয় সরকার পদ্ধতি প্রবর্তনের জন্য এরশাদ তৃণমূলে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। গ্রামমুখী উন্নয়নমূলক ভূমিকার কারণে এরশাদের অনুসারীরা তাকে ‘পল্লীবন্ধু’ খেতাবেও ভূষিত করেন।

  • বরিশালসহ তিন বিভাগীয় শহরে বিএনপির মহাসমাবেশ ১৮, ২০ ও ২৫ জুলাই

    বরিশালসহ তিন বিভাগীয় শহরে বিএনপির মহাসমাবেশ ১৮, ২০ ও ২৫ জুলাই

    অনলাইন ডেস্ক :

    কারাবন্দি চিকিৎসাধীন দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিভাগীর শহরে সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। এর অংশ হিসেবে আগামী ১৮ জুলাই বরিশাল, ২০ জুলাই চট্টগ্রাম ও ২৫ জুলাই খুলনা সমাবেশ করবে দলটি।

    শনিবার রাতে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমাবেশের এসব তারিখ ঘোষণা করেন।

    এরআগে, দেড় ঘণ্টা বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় । বৈঠক লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্কাইপে যুক্ত ছিলেন।

    বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে বাকি বিভাগীয় শহগুলোর সমাবেশের তারিখ ঠিক করা হবে।

    স্থায়ী কমিটির বৈঠক উপস্থিত ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সেলিম রহমান।

  • ‘সাধারণ মানুষ যেন কোনভাবেই হয়রানির শিকার না হয়’

    ‘সাধারণ মানুষ যেন কোনভাবেই হয়রানির শিকার না হয়’

    অনলাইন ডেস্ক :

    সরকারী সেবা গ্রহণে সাধারণ মানুষ যাতে কোনভাবেই হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলণ ২০১৯ অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘সারাদেশে জেলাভিত্তিক উন্নয়নের বাজেট প্রণয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। জেলার ভৌগলিক অবস্থান, আয়তন, জনসংখ্যা ও চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে আগামীতে জেলাভিত্তিক উন্নয়ন বাজেট প্রণয়ণ করা হবে।’

    এ সময় দেশব্যাপী উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত রাখতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আরও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ উন্নয়নের যে গতিধারায় এগিয়ে চলেছে সে ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকরা গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।’

    তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসকরা গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। জেলার ডিসিরা স্বপ্রণোদিত হয়ে নানা সামাজিক উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেন। যার সুফল সাধারণ জনগন পেতে পারে। ইতোমধ্যেই তাদের গৃহীত উন্নয়ন উদ্যোগের ফলে জনগণ সুফল পাচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে সার্বিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে সমন্বিত প্রচেষ্টা চালাতে হবে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের জনসংখ্যা বেশি হলেও তা বোঝা নয়। জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিকে রুপান্তরিত করা গেলে তারাই হবে উন্নয়নের মূল শক্তি। এ দেশের কোনো মানুষ যেন গৃহহীন ও ভূমিহীন না থাকে সে লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।’

    উল্লেখ্য, পাঁচ দিনের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হয়েছে আজ। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে সকাল ৯টায় এ সম্মেলন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনের পর বেলা ১১টায় কবরী হলে প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে মুক্ত আলোচনা করেন। বেলা সাড়ে ১২টায় ফটোসেশনের মধ্যে দিয়ে উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষ হবে।

    এদিকে আজ বেলা আড়াইটায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রথম কার্য অধিবেশন শুরু হবে। প্রথম অধিবেশনে তিনটি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

    প্রথম অধিবেশনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ৫টি প্রস্তাব রয়েছে। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক প্রস্তাব এনেছেন, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের নিদর্শন হিসেবে চট্টগ্রাম জেলার কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রটিতে স্বাধীনতা জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা। এর স্বপক্ষে যে যুক্তি দেখানো হয়েছে তা হলো, এখানে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামকালীন জাতির পিতার বঙ্গবন্ধুর পক্ষে সর্বপ্রথম স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়। বর্তমানে বেতার কেন্দ্রটি অত্যান্ত জরাজীর্ণ ও অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। এ বেতার কেন্দ্রটি সংরক্ষণে এখানে স্বাধীনতা জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।

    দ্বিতীয় প্রস্তাব হচ্ছে, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য স্মার্টকার্ড প্রবর্তন। এ প্রস্তাবটি আনছেন যশোরের জেলা প্রশাসক। তৃতীয় প্রস্তাবটি হচ্ছে, মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্সকে আধুনিক পর্যটন কেন্দ্রে উন্নীতকরণ। এ প্রস্তাব করেছেন মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক। চতুর্থ প্রস্তাবটি এনেছেন বরিশাল জেলা প্রশাসক। আর প্রস্তাবটি হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থান স্থাপনাগুলো সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ। এ মন্ত্রণালয়ের সবশেষ প্রস্তাব হচ্ছে, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন বা বাড়ি নির্মাণ ও চিকিৎসার জন্য জেলা প্রশাসকের অধীনে পর্যাপ্ত বরাদ্দ প্রদান। আর এ প্রস্তাবটি এনেছেন মাদারীপুর জেলা প্রশাসক।

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উল্লেখযোগ্য প্রস্তাব হচ্ছে, ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজেড রোগীদের জন্য আর্থিক সহায়তার অনুদান বরাদ্দ জেলা প্রশাসকদের অনুক‚লে প্রদান। এ প্রস্তাব এনেছেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক । এরপরেই রয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

    আগামীকাল পাঁচটি অধিবেশন। প্রথমে থাকছে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, দ্বিতীয় অধিবেশনে বিদ্যুৎ বিভাগ ও জ্বালানি বিভাগ। তৃতীয় অধিবেশনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, চতুর্থ অধিবেশনে সংস্কৃতি ও তথ্য মন্ত্রণালয়। আর পঞ্চম অধিবেশনে থাকছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সংক্রান্ত।

    জানা গেছে, পাঁচ দিনের অধিবেশনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মোট ৩৩৩টি প্রস্তাব ওঠবে। তবে সব প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা না হওয়ার সম্ভাবনা বেশ। কারণ এত সংক্ষিপ্ত সময়ে এত বেশি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ থাকে না।

    পাঁচ দিনের সম্মেলনে জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রপতি ছাড়াও প্রধান বিচারপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গেছে।

  • রিফাত হত্যার তদন্তে অনেক কিছু বেরিয়ে আসবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    রিফাত হত্যার তদন্তে অনেক কিছু বেরিয়ে আসবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক :

    বরগুনায় আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যার তদন্তে অনেক কিছু বেরিয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

    রিফাতের বাবা তার পুত্রবধূ মিন্নীকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। রোববার (১৪ জুলাই) সচিবালয়ে ঈদুল আজহা উপলক্ষে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের প্রধান সাক্ষী ও নিহত রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতারের দাবিতে শনিবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন রিফাতের বাবা আব্দুল হালিম দুলাল শরীফ। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মিন্নিকে দ্রুত গ্রেফতার করুন। তাকে গ্রেফতার করলে আমার ছেলে হত্যার মূল রহস্য বের হয়ে যাবে। আমার ছেলে হত্যার পেছনে পুত্রবধূ মিন্নির হাত রয়েছে। আসলে আমার পুত্রবধূই ভিলেন। তার সহযোগিতায় আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে।

    রিফাতের বাবার এই বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তদন্তের মধ্যে অনেক কিছু বেরিয়ে আসবে। অ্যাডভান্স কিছু বলে লাভ নেই, তদন্ত শেষ হোক তথন আপনারা সব জানতে পারবেন।’

  • পিতার জন্য দোয়া চাইলেন এরিক এরশাদ

    পিতার জন্য দোয়া চাইলেন এরিক এরশাদ

    সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তার পুত্র এরিক এরশাদ। আজ সকালে পৌনে ৮টায় রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

    এরিক এরশাদ বলেন, তার মতো ভালো মানুষ আর আসবে না। কি হয়েছে আমি কিছু জানি না। আপনারা সবাই ওনার জন্য দোয়া করবেন।

    ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রংপুর জেলায় দিনহাটায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫২ সালে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। ১৯৬০-১৯৬২ সালে তিনি চট্টগ্রাম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কেন্দ্রে অ্যাডজুট্যান্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৬৬ সালে তিনি কোয়েটার স্টাফ কলেজ থেকে স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি শিয়ালকোটে ৫৪ ব্রিগেডের মেজর ছিলেন। ১৯৬৯ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি লাভের পর ১৯৬৯-১৯৭০ সালে ৩য় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট-এর অধিনায়ক ও ১৯৭১ – ১৯৭২ সালে ৭ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর অধিনায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

  • সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের মৃত্যুতে বিসিসি মেয়রের শোক প্রকাশ

    সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের মৃত্যুতে বিসিসি মেয়রের শোক প্রকাশ

    জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান,সাবেক রাষ্ট্রপতি  হুসেইন মুহাম্মাদ এরশাদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের   মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    বিসিসির মিডয়িা সেল অনলাইনে এক শোক বার্তায় তিনি এ শোক প্রকাশ করেন। শোক বার্তায় এরশাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ও তাঁর শোক সন্তোপ্ত পবিরারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান মেয়র।

    উল্লেখ্য, আজ রোববার সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এইচ এম এরশাদ। তার মৃত্যুতে জাপার নেতাকর্মীসমর্থকরা মর্মাহত।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ এর নেতৃবৃন্দের জাতির পিতার মাজার জিয়ারাত

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ এর নেতৃবৃন্দের জাতির পিতার মাজার জিয়ারাত

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ‘কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ’ এর নেতৃবৃন্দ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর মাজার জিয়ারত করেছেন। আজ ১৩ জুলাই ২০১৯ তারিখ সংগঠনের আহবায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার বাহাউদ্দিন গোলাপের নেতৃত্বে দুপুর ১ টায় টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কবর জিয়ারাত করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম, আবু মুহম্মদ বশির, জুয়েল মাহমুদ, হারুন-অর-রশীদ,শাহাজাদা খাঁন ও আরিফ সিকদার । আরও উপস্থিত ছিলেন

    সৈয়দা ফাতেমা মমতাজ মলি, আতিকুর রহমান, দিদার হোসেন খান, সোলায়মান খান, মধু সুদন হালদার, হাফিজুর রহমান, ডা: মো: তানজীন হোসেন, তরিকুল ইসলাম, সোহেল সিকদার, শহিদুল ইসলাম, কে এম সানোয়ার পারভেজ লিটন, হুমায়ুন কবীর, নুর ইসলাম, মনোয়ার হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম রাহাত, বনী আমিন, শহিদুল ইসলাম (রানা), আবুল কালাম, সালমা বেগম, ইসরাত তামান্না, সৈয়দ শামসুজ্জামান, মিজানুর রহমান, আঃ হাকিম হাওলাদার, রাব্বী, মনোয়ার হোসেন, হাসান, জাফর, আইয়ুব আলী শরিফ, হাচানুল বাসার সোহেল, আনিছুর রহমান মৃধা, শেখ ফরিদুল ইসলাম, মাহিন সরদার কালু, অপূৃর্ব ভক্ত, সমির হাওলাদার, ইমরান হোসেন, ফজলুল হক, নিজাম গাজী, সুজিৎ বড়াল, আঃ ছালাম মিয়া, মেহেদী হাসান রিপন, শুধাংস হালদার, মহিউদ্দিন, সুজন সিকদার, মোফাজ্জল হোসেন, মাধুরী রানী ডাকুয়া, তারেক হোসেন, শাহিনুর বেগমসহ অফিসার্স এসোসিয়েশন, কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ গ্রেড-১১-১৬ ও কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ গ্রেড ১৭-২০ এর নেতৃবৃন্দ।

  • এ জন্মে আর দেখা হলো না : বিদিশা

    এ জন্মে আর দেখা হলো না : বিদিশা

    জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন তার সাবেক স্ত্রী বিদিশা এরশাদ। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফেসবুকে তিনি এ স্ট্যাটাস দেন। এই মুহূর্তে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বিদিশা।

    বিদিশা এরশাদ ফেসবুক পোস্টে লিখেন, ‘এ জন্মে আর দেখা হলো না। আমিও আজমীর শরীফ আসলাম আর তুমিও চলে গেলে। এতো কষ্ট পাওয়ার থেকে মনে হয় এই ভালো ছিল। আবার দেখা হবে হয়তো অন্য এক দুনিয়া তে যেখানে থাকবেনা কোনো রাজনীতি।’

    একই সময়ে বিদিশা এরশাদ ফেসবুকের প্রোফাইল ছবি পরিবর্তন করেন। এতোদিন বিদিশার ফেসবুক প্রোফাইলে এরশাদ ও তাদের ছেলে এরিকের ছবি ছিল। সেই ছবি সরিয়ে বিদিশার শোকের কালো ব্যাজের ছবি দিয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এইচএম এরশাদ রবিবার সকাল পৌনে ৮টায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গত ৪ জুলাই থেকে সিএমএইচে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন

  • রিফাত হত্যায় মিন্নি জড়িত থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    রিফাত হত্যায় মিন্নি জড়িত থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানিয়েছেন, রিফাত হত্যায় অপরাধী যেই হোক তদন্তের মাধ্যমে তা বেরিয়ে আসবে। এতে যদি রিফাত শরিফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি জড়িত রয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায় তবে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

    আজ রবিবার (১৪ জুলাই) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, নিয়ন্ত্রণে করণীয় ও প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠিতসভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    তিনি বলেন, তদন্তের মধ্যে অনেক কিছু বেরিয়ে আসবে। অ্যাডভান্স কিছু বলে লাভ নেই, তদন্ত শেষ হোক তখন আপনারা সব জানতে পারবেন।

    এছাড়াও ঈদে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ছুটির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের পর্যায়ক্রমে ছুটি দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী ৮ আগস্ট থেকে পর্যায়ক্রমে তাদের ছুটি দেওয়া হবে। বিজেমইএ ও বিকেএমইএ বিষয়টি সমন্বয় করবেন। এবার আমরা বিশেষভাবে তাদের এটি সমন্বয় করার নির্দেশ দিয়েছি।

    এসময় তিনি জানান, ঈদের পূর্বে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ করার ব্যাপারেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঈদের আগে কোনো শ্রমিক ছাটাই করা যাবে না। শ্রমিকদের বেতন ভাতা ও ব্যবসায়ের স্বার্থে আগামী আগস্ট এর ৯ ও ১০ তারিখ ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় ব্যাংক খোলা রাখার বিষয়ে আমরা অনুরোধ করেছি।

    এসভায় অর্থ, বাণিজ্য, সড়ক পরিবহন, ধর্ম, নৌ-পরিবহন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, রেলপথ, বিদ্যুৎ, স্থানীয় সরকার বিভাগ, শ্রম ও কর্মসংস্থান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, পুলিশের মহাপরিদর্শক, র‌্যাবের মহাপরিচালক, ডিএমপি পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক, ফায়ার সার্ভিস, শিল্প পুলিশ, ঢাকা দুই সিটি করপোরেশন, ঢাকা হাইওয়ে উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শকসহ বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, এফবিসিসিআই’র কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • এরশাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

    এরশাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

    জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সকালে এক শোকবার্তায় এ দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

    শোকবার্তায় শেখ হাসিনা বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে সংসদে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের গঠনমূলক ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।