Category: রাজণীতি

  • নেতা হিসেবে এরশাদ দলের কাছে ভালো ছিলেন: তোফায়েল আহমেদ

    নেতা হিসেবে এরশাদ দলের কাছে ভালো ছিলেন: তোফায়েল আহমেদ

    জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রাজনীতিতে সফলভাবে টিকে ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক বানিজ্য মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ।

    সোমবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবনে এরশাদের জানাজা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

    তোফায়েল আহমেদ বলেন, এরশাদ বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী ছিলেন। অতীত বাদ দিলে তিনি রাজনীতিতে সফলতার সঙ্গে টিকে ছিলেন এবং দল পরিচালনা করেছেন। নেতা হিসেবে তিনি দলের কাছে ভালো ছিলেন। তার মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।

    তিনি বলেন, আমরা নিজেরাও ভালো-মন্দ মিলিয়ে মানুষ। তার যেমন ভালো গুণ আছে, তেমনি ব্যর্থতাও আছে। সুতরাং কেউ মৃত্যুবরণ করলে তার গুণাবলি তুলে ধরা প্রয়োজন।

    এই আওয়ামী লীগ নেতা আরও বলেন, এরশাদ ব্যক্তি জীবনে বিনয়ী ও মার্জিত ছিলেন। জাতীয় সংসদের সবগুলো বক্তব্য তিনি মার্জিত ভাষায় দিয়েছেন। সব সময় তিনি গঠনমূলক সমালোচনা করেছেন। যাই হোক, তিনি যেন জান্নাতবাসী হোন সেই কামনাই করি।

  • ছাত্রদল সংকটের সমাধানে শিগগিরই পুনঃ তফসিল

    ছাত্রদল সংকটের সমাধানে শিগগিরই পুনঃ তফসিল

    ছাত্রদলের কমিটি গঠন নিয়ে জটিলতা কাটেনি। তবে সহসাই সমস্যা কাটিয়ে ঈদ-উল আজহার আগেই নতুন কমিটির বিষয়ে আশাবাদী সার্চ কমিটির সদস্য ও বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী। বললেন, ১৫ জুলাই যে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিলো, তা স্থগিত করা হয়েছে। পুনরায় তফসিল ঘোষণা করা হবে।’

    বয়সসীমা না করে ধারাবাহিক কমিটির দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদলের গত কমিটির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা বিক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের ছোট ভাই। তাদের দাবির প্রতি আমরা সম্মান জানাই। আলোচনার মধ্যেই সংকট সমাধান হবে।’

    গত ৩ জুন নতুন কমিটি গঠনে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দেয়া হয়। বয়সসীমা না করে ধারাবাহিক কমিটির দাবিতে গত ১১ জুন আন্দোলন নামেন ছাত্রদলের গত কমিটির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। সংকট নিরসনে সংগঠনের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সমন্বয়ে গঠন করা হয় সার্চ কমিটি। পক্ষপাতদুষ্টতার অভিযোগ এনে ওই কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করেন বিলুপ্ত কমিটির ক্ষুব্ধ নেতারা। তাদের আন্দোলনের মুখে ঘোষিত তফসিল স্থগিত করা হয়। গত ২২ জুন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে লাঞ্ছনার অভিযোগে ক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতাদের নেতৃত্ব দেয়া ১২ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়। যদিও বিএনপি ও ছাত্রদলের একাধিক নেতা বলেছেন, রিজভীকে লাঞ্ছিত করার ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা ছিলো না। আসলে তারা সার্চ কমিটির নেতাদের ঘটনার বলি হয়েছেন।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে সঙ্কট সমাধানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে দায়িত্ব দেন। কিন্তু দলের মধ্যে বিশেষ মহলের ইন্ধনে ওই উদ্যোগও ব্যর্থ হয়।

    সূত্রে জানা গেছে, সার্চ কমিটির দুই-তিনজন নেতা মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের ঐক্যেও ফাটল ধরানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বিষয়টি ফাঁস হয়ে গেলে বিপরীত পরিস্থিতি তৈরি হয়। সার্চ কমিটির নেতাদের এসব কর্মকাণ্ড স্থায়ী কমিটির নেতা ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অবহিত করা হয়েছে।

    ছাত্রদলের সাবেক এক নেতা বলেন, ‘সার্চ কমিটির নেতারা আমাদের বৈঠকে ডেকেছিলেন। তবে আমরা না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বৈঠক প্রত্যাখ্যান করেছি। কারণ, এর আগে তাদের সঙ্গে আমরা একাধিকবার বৈঠক করেছি। সেই বৈঠকগুলোতে আমাদের সঙ্গে তাদের দীর্ঘ কথা হয়েছে। তবে তারা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি।’

  • মানসম্মত শিক্ষা দিতে নামি শিক্ষকদের ক্লাস টিভিতে আনার ভাবনা

    মানসম্মত শিক্ষা দিতে নামি শিক্ষকদের ক্লাস টিভিতে আনার ভাবনা

    নামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্কুলে না পাঠিয়ে ওই সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ক্লাস টেলিভিশনে প্রচার করতে একটি টেলিভিশন চ্যানেল খুলে তাদের ক্লাস সম্প্রচারে সরকারের ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    আজ সোমবার জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন সচিবালয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কার্যঅধিবেশনে ডিসিরা ভালো শিক্ষকদের অতিথি করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পাঠানোর প্রস্তাব তুললে তিনি এ কথা জানান।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ঢাকায় বা অন্য জায়গায় অত্যন্ত ভালো কিছু বিদ্যালয় আছে যেগুলোর অনেক সুনাম আছে। সেখানকার শিক্ষকদের অনেক সুনাম আছে। একটা প্রস্তাব আছে তাদের অতিথি শিক্ষক হিসেবে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়ার।

    তিনি বলেন, আমরা যেটা বলেছি, তার চেয়ে বরং খুব কম খরচে, এখন তো টেলিভিশনের দাম তেমন না। সব বিদ্যালয়ে কিন্তু সেই টেলিভিশনের মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন বিদ্যালয়ের খুব ভালো ভালো শিক্ষকদের ভালো ক্লাসগুলোকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে একই সঙ্গে সব স্কুলে দেখাতে পারি। সেজন্য একটা ‘শিক্ষা টিভি’ জাতীয় কোনো কিছু চিন্তা করা যায় এবং সেটি করা গেলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের যারা শিক্ষক আছেন তারাও শেখানো পদ্ধতি থেকে উপকৃত হবেন।

    শিক্ষা টিভি করবেন কিনা জানতে চাইলে দীপু মনি বলেন, এ বিষয়ে এখানে কথা বললাম, এরকম একটা কিছু হতে পারে। সেটি নিয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করব এবং আগামী দিনে কী পরিকল্পনা করা যায় সেটি দেখব।

    শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির বিষয় সজাগ দৃষ্টি রাখতে ডিসিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সর্বোত্র জনসচেতনতা সৃষ্টি করা, কারিগরি শিক্ষা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব দূর করে শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় সংগীত গাওয়া, জাতীয় পতাকা উত্তোলন করাসহ যত বিষয় শিক্ষার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত, যেখানে ডিসিদের কাজ করার সুযোগ রয়েছে, সেসব বিষয়ে আমরা তাদের নির্দেশনা দিয়েছি।

    উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা কমিটির মতো জেলা পর্যায়েও সেরকম কমিটি করা এবং মাসিক সমন্বয় সভায় বিষয়গুলো যেন উত্থাপিত হয় এবং মনিটরিংয়ের কাজগুলো যেন ভালোমতো হয়, এই বিষয়গুলো ডিসিদের বলা হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

    এ সময় শিক্ষা উপ-মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল উপন্থিত ছিলেন।

  • এরশাদবিহীন জাতীয় পার্টির কী হবে

    এরশাদবিহীন জাতীয় পার্টির কী হবে

    বাংলাদেশের রাজনীতির বর্ণিল চরিত্রগুলোর মধ্যে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ অন্যতম। স্বৈরশাসন, আর্থিক ও নারী কেলেঙ্কারি, বারবার সিদ্ধান্ত বদলসহ বিভিন্ন কারণে তিনি যেমন অনেকের কাছে ঘৃণিত, তেমনি তার শাসনামলে হওয়া উন্নয়ন কাজেরও প্রশংসা করেন কেউ কেউ।

    নিজের প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের কাছে এরশাদ ছিলেন নায়কসম। এছাড়াও তারা এরশাদকে ডাকতেন ‘পল্লীবন্ধু’ নামে। কোনো কোনো সিন্ধান্তে নেতাকর্মীদের মধ্যে ভিন্নমত দেখা দিলেও শেষ পর্যন্ত এরশাদের কথাই ছিল চূড়ান্ত। বারবার সিদ্ধান্ত বদলের জন্য সমালোচিত এরশাদের কথার বিপক্ষে কখোনোই যাননি নেতাকর্মীরা। তাই এরশাদ যেভাবে চেয়েছেন সবসময় সেভাবেই চলেছে জাতীয় পার্টি।

    এখন এরশাদ আর নেই। রোববার সকাল পৌনে ৮টায় ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন। এরশাদের অবর্তমানে জাতীয় পার্টির কী দশা হবে, কে হাল ধরবেন? তার চেয়ে বড় প্রশ্ন, এরশাদের অবর্তমানে জাতীয় পার্টির বন্ধন কি অটুট থাকবে, নাকি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে?

    এরশাদের রাজনীতির এখন দুই উত্তরাধিকার- তার পত্নী রওশন এরশাদ ও ছোট ভাই জিএম কাদের। এরশাদ কখনও ভাইকে সাইড লাইনে রেখে পত্নীকে নেতৃত্বে বসিয়েছেন আবার কখনও পত্নীকে সাইড লাইনে রেখে ভাইকে নেতৃত্বে বসিয়েছেন। এরশাদের অবর্তমানে কে নেতা হবেন- ভাবি না দেবর? এ নিয়ে জনগণের মধ্যে গুঞ্জন, জাতীয় পার্টিতে উত্তেজনা। কেউ কেউ বলছেন- রংপুর যার, নেতৃত্ব তার। সে বিবেচনায় বড় ‘ছাওয়ালের’ অবর্তমানে ছোট ‘ছাওয়ালের’ নেতৃত্ব পাওয়ার কথা; বউয়ের নেতা হওয়ার কথা নয়। উল্টো কথাও শোনা যাচ্ছে, ভাবি মুরব্বি, তার ওপর দেবর কেন ছড়ি ঘোরাবে! এই দ্বন্দ্বের মাঝে এরশাদের সাবেক পত্নী বিদিশাও গণমাধ্যমে হাজির হয়েছেন। বলছেন, তিনি তো এরশাদপুত্র এরিখের মা। তা ছাড়া তারও জাতীয় পার্টির ঘরে শ্রম রয়েছে। তাই দলের প্রতি দরদও রয়েছে। তিনিও জাতীয় পার্টির সংকটকালে ভূমিকা পালনে প্রস্তুত।

    তবে মৃত্যুর আগে গত ৪ মে ছোট ভাই জি এম কাদেরকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করে তার হাতে দলের দায়িত্ব তুলে দেন এরশাদ। জাপার নেতারা জানিয়েছেন, এরশাদের অবর্তমানে জি এম কাদেরই হবেন দলের প্রধান। কিন্তু এরশাদপত্নী রওশন এরশাদের অনুসারীরা তাকে নেতা হিসেবে মেনে নেবেন কি-না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

    জাপা সূত্র জানিয়েছে, এরশাদের ইচ্ছা তার অবর্তমানে সংসদে দলকে নেতৃত্ব দেবেন রওশন এরশাদ। এরশাদের পর উপনেতা থেকে বিরোধীদলীয় নেতা হবেন রওশন এরশাদ। আর দলের চেয়ারম্যান হবেন জি এম কাদের। ভাবি-দেবরের যৌথ নেতৃত্বে চলবে জাপা। কিন্তু রওশন এরশাদ ও জি এম কাদেরের অনুসারীরা যৌথ নয়, একক নেতৃত্ব চান। এখন সময়ই বলে দেবে এরশাদবিহীন জাতীয় পার্টির কী হবে।

  • মিন্নিকে নিয়ে এমপিপুত্র সুনামের এত কেন উৎসহ?

    মিন্নিকে নিয়ে এমপিপুত্র সুনামের এত কেন উৎসহ?

    দেশময় আলোচিত বরগুনার রিফাত হত্যাকাণ্ড ভিন্নদিকে ধাবিত করতে নতুন এক অধ্যায়ের সৃষ্টি করলেন এমপিপুত্র সুনাম দেবনাথ। নিজেই স্বউদ্যোগী হয়ে নিহত রিফাত শরীফের বাবাকে মিডিয়ার সামনে এনে পুত্রবধূকে ভিলেন হিসেবে উপস্থাপনে নতুন এক অভিযোগ তুলেছেন। এখন বলা হচ্ছে- রিফাত হত্যাকাণ্ড ছিল মিন্নির পরিকল্পনার একটি ফসল। হত্যাকাণ্ডে দিন মিন্নি ঘাতক সাব্বির আহমেদ নয়ন ওরফে নয়ন বন্ডের সাথে সাক্ষাত করে এই হত্যাকাণ্ডে ছক আঁকে। এমনকি ঘটনার দিন সকালে রিফাতকে পরিকল্পনা মতে কলেজে ডেকে নিয়ে আসে। গত শনিবার সন্ধ্যায় বরগুনা প্রেসক্লাবে অনেকটা আকস্মিক সংবাদ সম্মেলন ডেকে রিফাতের বাবা পুত্রবধূ মিন্নির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। কিন্তু তিনি অভিযোগের স্বপক্ষে অকট্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।

    এসময় স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলীয় সাংসদ শম্ভু দেবনাথের পুত্র সুনাম দেবনাথকে প্রেসক্লাব ভবনের নিচে অবস্থান করতে দেখা গেছে। এসময় দুলাল শরীফের পাশে লাকবল বৃদ্ধি করতে দেবনাথকে সেলফোনে যোগাযোগ করতে দেখা যায়। উল্লেখ করা যেতে পারে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার পর এই প্রথম রিফাত হত্যাকাণ্ড নিয়ে সুনাম দেবনাথ প্রকাশ্য ভুমিকা রাখলেন। ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে বয়ন বন্ড ও তার সহযোগীরা উপর্যুপরী কুপিয়ে হত্যা করে। এসময় স্ত্রী মিন্নি প্রতিহতে ব্যাপক ভুমিকা রাখেন। এই চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় এ যাবতকালের ইতিহাসে বরগুনার এই হত্যাকাণ্ড দেশব্যাপী আলোচনার সৃষ্টি করে। হত্যাকাণ্ডে শুরু থেকেই সাংসদপুত্র সুনাম দেবনাথের সংশ্লিষ্টতার কথা ওঠে। কারণ ঘাতক নয়ন বন্ড তার গ্রুপ সুনাম দেবনাথের ক্যাডার হিসেবে স্থানীয়ভাবে চিহ্নিত। এমপিপুত্র সুনাম সন্ত্রাসী নয়ন বন্ডকে ব্যবহার করতেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।

    এই ঘটনায় ১২ জনকে আসামি করে নিহতের পিতা দুলাল শরীফ একটি মামলা দায়ের করেন। তৎসময়ে এই দুলাল শরীফই আকার ইঙ্গিতে ঘটনার সাথে সুনাম দেবনাথের সংশ্লিষ্টতার কথা তোলার পাশাপাশি পুত্রবধূ মিন্নিকে নির্দোষ দাবি করেন। হত্যাকান্ডের ৫দিনের মাথায় ঘাতক নয়ন বন্ড পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার পর থেকেই মিন্নিকে ভিলেন বানানোর প্রচেষ্টা শুরু হয়।

    পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়- নিহত নয়ন বন্ডসহ গ্রেপ্তার অপর আসামিরা তাদের স্বীকারোক্তিতে এই হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে সুনাম দেবনাথ আগেভাগেই জানতেন প্রকাশ করে।

    স্থানীয় বেশ কয়েকটি সূত্র বলছে- পুলিশের কাছেও বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু তদুপরি পুলিশ পিতার প্রভাবের কারণে সুনাম দেবনাথকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারছে না। এখন কথা উঠেছে- এই হত্যাকাণ্ড ভিন্নদিকে রুপ দিতে দুলাল শরীফকে সুনাম দেবনাথের অনুকূলে নিয়ে আসতে স্থানীয় প্রশাসন পরক্ষ ভুমিকা রাখছে।

    আবার কোন কোন মহলের সন্দেহ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন ও সাংসদ শম্ভুর মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে বাগযুদ্ধে একে আপরকে দোষারোপ করায় পেছনের অনেক তথ্যাদী সামনে আসায় বিব্রত এক পরিস্থিতি এড়াতেই মিন্নিকে নিয়ে টানাটানি শুরু হয়েছে। সেক্ষেত্রে এমপিপুত্র নিজেই স্বউদ্যোগী হয়ে রিফাতের বাবার এখন কাছাকাছি থাকছেন। রিফাত হত্যাকাণ্ডের চাবিকাঠি অর্থাৎ মামলার বাদী দুলাল শরীফ সঙ্গত কারণে এই মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন।

    নিরব থাকার পর হত্যাকাণ্ডের ১৮ দিনের মাথায় কেন মিন্নির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলতে মিডিয়ার ছায়াতলে আসলেন? অত:পর হত্যাকাণ্ডের পর সুনাম দেবনাথ রিফাতের পরিবার যেমন দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন তদরুপ দুলাল শরীফ পুত্রবধূর পক্ষ নিয়ে কথা বলছিলেন। গত শনিবার সন্ধ্যায় ওই সংবাদ সম্মেলনে দুলাল শরীফের রহস্যময় বক্তব্য এবং সেখানে এমপিপুত্রের ভুমিকা অনেক প্রশ্নের জন্ম দেয়। সংবাদ সম্মেলনের উপস্থিত সংবাদকর্মীরা এই নিয়ে রিফাতের বাবাকে বেশ কিছু প্রশ্ন করলে তিনি খেই হারিয়ে ফেলেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে এসময় সুনাম দেবনাথ বেশ কয়েকজন ব্যক্তিকে দুলাল শরীফের চারপাশে রেখে প্রেসক্লাবের বাইরে দাড়িয়ে মোবাইলে মনিটরিং করতে দেখা গেছে। ফলে রিফাত হত্যাকাণ্ড নিয়ে সর্বশেষ যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তাতে মিন্নিকে বলিরপাঠা বানিয়ে স্থানীয় ক্ষমতাসীন মহলের একটি অংশ আত্মরক্ষার কৌশল নিয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রশাসনের ভুমিকা নিয়েও কোন কোন মহল প্রশ্ন তুলেছে।

    এদিকে সর্বশেষ খবরে জানা গেছে মিন্নি রোববার দুপুরে নিজ বাসায় পাল্টা এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে শ্বশুর দুলাল শরীফের অভিযোগ সমুহ অসলগ্ন এবং পুত্রের শোকে বিকারগ্রস্ত করে মন্তব্য করেন। পাশাপাশি ক্ষমতাসীন মহলকে দোষারোপ করে তিনিও হত্যাকাণ্ডকে ভিন্নদিকে ধাবিত করার অভিযোগ তোলেন। ফলে শ্বশুর ও পুত্রবধূ পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলনে আবারও রিফাত হত্যাকাণ্ড নিয়ে বরগুনা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।’

  • ভাড়াভিত্তিক ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করছে সরকার

    ভাড়াভিত্তিক ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করছে সরকার

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বস্তিবাসী নাজুকভাবে থাকলেও তাদের ভাড়া কোনও অংশে কম না। তারা যেন শান্তিতে থাকতে পারে, সেজন্য ভাড়াভিত্তিক ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিদিন, সপ্তাহ বা মাসভিত্তিক ভাড়া পরিশোধ করতে পারবে তারা।’

    আজ সোমবার (১৫ জুলাই) ইস্কাটনে মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সাতটি প্রকল্পের আওতায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন এক হাজার ৬৭১টি ফ্ল্যাট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সুপরিকল্পিত নগরায়ণের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। দ্রুত সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। শুধু বহুতল ভবন নির্মাণ করলেই হবে না, সেগুলো হতে হবে পরিকল্পনা অনুযায়ী। এখন থেকে অপরিকল্পিত শিল্প-কারখানায় আর বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহরে জলাবদ্ধতা একটি বড় সমস্যা। এখানকার বেশিরভাগ খাল ভরাট করা হয়েছে। এ কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। এ কারণে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা।’

  • আগামীকাল চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন এরশাদ

    আগামীকাল চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন এরশাদ

    জাতীয় পার্টি সূত্রে বলা হয়, আজ (১৫ জুলাই) সোমবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দলের চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর, বেলা সাড়ে ১১টায় তার মরদেহ জাতীয় পার্টির কাকরাইল কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

    আজ বাদ আছর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে সাবেক রাষ্ট্রপতির তৃতীয় জানাজা শেষে তাকে সিএমএইচ-এর হিমঘরে রাখা হয়।

    এরপর, ১৬ জুলাই মঙ্গলবার সকাল ১০টায় হেলিকপ্টার করে এরশাদের মরদেহ রংপুরে নেওয়া হবে। সেখানে বাদ জোহর চতুর্থ জানাজা নামাজ শেষে তাকে বিকালে সেনাবাহিনী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

    জাপা চেয়ারম্যান এরশাদের প্রথম জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয় (১৪ জুলাই) রবিবার বাদ জোহর ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট কেন্দ্রীয় মসজিদে।

    ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার সকাল পৌনে আটটায় এরশাদ মারা যান।

  • নিজের নয়, বঙ্গবন্ধু ও জিয়ার নামে হোস্টেল নির্মাণ করেছেন

    নিজের নয়, বঙ্গবন্ধু ও জিয়ার নামে হোস্টেল নির্মাণ করেছেন

    অনলাইন ডেস্ক :

    বঙ্গবন্ধু ও জিয়ার নামে – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের নামে কোনো হোস্টেল নির্মাণ না করলেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জিয়াউর রহমানের নামে দুটি হোস্টেল নির্মাণ করেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এমন দৃষ্টান্ত খুবই কম দেখা যায়। সাধারণত নিজের নাম কিংবা আত্মীয় স্বজনের নামেই বেশিরভাগ সময় স্থাপনা নির্মাণ করেন ক্ষমতাসীনরা। সেক্ষেত্রে এরশাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ দুটি হোস্টেল নির্মাণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

    এছাড়া তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবহন ব্যবস্থারও উন্নয়ন ঘটান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য দোতলা বাসসহ অতিরিক্ত বাসের ব্যবস্থা করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণ করেন। `পে অ্যাজ ইউ আর্ন` প্রকল্পে স্কুটার বরাদ্দ দিয়ে ছাত্রদের সম্পূরক আয়ের ব্যবস্থা করেন।

    শিক্ষা ক্ষেত্রে তার অবদান অপরীসিম। শিক্ষার মান উন্নয়নে তিনি ব্যাপক কাজ করেছেন। কারিগরি শিক্ষা উন্নয়নে নানা কর্মসূচি নেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ৫০ শতাংশ নারীদের জন্য সংরক্ষণ করেন। মেয়েদের জন্য পৃথক ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন

    আর্ন্তজাতিক ভাষা ইংরেজি বিষয়ে বাংলাদেশিদের দূর্বলতা কাটাতে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ইংরেজি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেন এরশাদ।

    এরশাদের মৃত্যুতে যা বললেন নায়ক সোহেল রানা

    জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ মারা গেছেন। আজ রোববার সকাল পৌনে ৮টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

    তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক মাসুদ পারভেজ ওরফে সোহেল রানা।

    সোহেল রানা বলেছেন, কি বলবো, বুঝতে পারছি না। কথা বলার মন-মানসিকতাও নেই। সকাল বেলায় এমন একটি সংবাদ শুনবো ভাবিনি। চেয়ারম্যানের মৃত্যুর খবর শুনে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছি।

    দীর্ঘ দিন থেকেই জাতীয় পার্টির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা সোহেল রানা। দলটির দুর্দিনেও পাশে থেকে সাহস জুগিয়ে এসেছেন সব সময়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনও করেছিলেন সোহেল রানা।

  • রংপুরবাসীর দাবি, পল্লী নিবাসে হোক এরশাদের দাফন

    রংপুরবাসীর দাবি, পল্লী নিবাসে হোক এরশাদের দাফন

    জাপা চেয়ারম্যান, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে রংপুরে দাফনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। আজ রবিবার (১৪ জুলাই) সকালে সাবেক এই প্রেসিডেন্টের মৃত্যুর খবর শুনে রংপুর জেলা জাপা কার্যালয়ে ভিড় করেন শোকাহত মানুষ। এ সময় রংপুরের সন্তান এরশাদকে নিজের বাড়ি পল্লী নিবাসে দাফনের দাবি করেন তারা।

    এর আগে সকালে এরশাদের মৃত্যুর খবর রংপুর পৌঁছালে সেন্ট্রাল রোডের জাপা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে জেলা জাপা। সংবাদ সম্মেলনে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য রংপুর মহানগর সভাপতি ও সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, আমাদের রাজনৈতিক পিতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ চিরবিদায় নিয়েছেন। আমাদের এতিম করে চলে গেছেন তিনি। কিছু বলার ভাষা নেই। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) স্যারের মরদেহ আসবে রংপুরে। ওই দিন বাদ জোহর তাঁর জানাজা রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

    মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা আরো বলেন, এরশাদ অসুস্থ হওয়ার কিছুদিন আগে দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাদের সঙ্গে আলাপ হয় তাঁর। এ সময় নিজ বাড়ি পল্লী নিবাসে তাঁর সমাধী তৈরির ইচ্ছা প্রকাশ করে যান। এ জন্য একটি সমাধি কমপ্লেক্স নির্মাণেরও পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। কিন্তু, হঠাৎ অসুস্থ হওয়ায় সে পরিকল্পনা জনসমক্ষে বলে যেতে পারেননি। এ কারণে, জাতীয় পার্টি রংপুর বিভাগ, জেলা, মহানগরসহ সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনসহ রংপুরবাসীর পক্ষ থেকে জাপা চেয়ারম্যানের দাফন তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী ওই জায়গায় করার দাবি জানাচ্ছি আমরা।

  • লালদীঘি মাঠে এরশাদের গায়েবানা জানাজা

    লালদীঘি মাঠে এরশাদের গায়েবানা জানাজা

    নগরীর লালদীঘি মাঠে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর উদ্যোগে রবিবার বাদ আছর এই গায়েবানা জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়।

    নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াকুব। দোয়া পরিচালনা করেন লালদীঘি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরুন নবী। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

    লালদীঘি মাঠে এরশাদের জানাজায় মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিশ্বের মানচিত্রে যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন পল্লীবন্ধু এরশাদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। পল্লীবন্ধু এরশাদ রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, শুক্রবারকে সাপ্তাহিক ছুটি ঘোষণা, সংবিধানে বিসমিল্লাহ সংযোজন, উপজেলা পদ্ধতি প্রবর্তন, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা সিটি কর্পোরেশন, ২০টি মহকুমাকে ৬৪ জেলায় রুপান্তরিত করা, গুচ্ছগ্রাম, পথকলি ট্রাস্ট, ঔষধনীতি, শিল্পনীতি, শিক্ষানীতি, প্রণয়ন করে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। এদেশের গরীব, কৃষক, শ্রমিক জনতা চিরকাল শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে পল্লীবন্ধু এরশাদকে।

    জানাজায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব মাওলানা এম.এ মতিন, নগর জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা তপন চক্রবর্তী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, জাপা কেন্দ্রীয় সদস্য অলিউল্লাহ চৌধুরী মাসুদ, নগর জাপা সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, ওসমান খান, জামাল উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন জ্যাকি, নুরুল আজিজ সওদাগর, সাংগঠনিক সম্পাদক ইউনুছ আলভরগী, জহুরুল ইসলাম রেজা, রেজাউল করিম রেজা, যুব সংহতি কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন সিদ্দিকী, নগর যুব সংহতি সভাপতি এস.এম সাইফুল্লাহ সাইফু, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল বশর সুজন, নগর সাংস্কৃতিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন স্বপন, নগর জাপা নেতা আমিনুল হক আমিন প্রমুখ।