Category: রাজণীতি

  • ‘প্রধানমন্ত্রী যা বলেন তা বস্তবায়ন করেন’

    ‘প্রধানমন্ত্রী যা বলেন তা বস্তবায়ন করেন’

    নীলফমারীর সৈয়দপুরে ডায়াবেটিক হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যা বলেন তা বস্তবায়ন করেন। মানুষের কল্যাণের জন্য প্রধানমন্ত্রী যে ব্যাপক কর্মসূচী হাতে নিয়েছেন তা একের পর এক বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। যা পূর্বের কোন সরকারেই তা করেননি।

    শুক্রবার বিকেলে সৈয়দপুর ডায়াবেটিস হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন পরবর্তী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর ডায়াবেটিস সমিতির সভাপতি ডা. আবু আহমেদ মর্তুজা।

    অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন সংসদ সদস্য রাবেয়া আলীম, নীলফামারী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, মেজর জেনারেল আবু সাঈদ মোহাম্মদ মাসুদ, সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোকছেদুল মোমিন।

  • ‘প্রধানমন্ত্রী যা বলেন তা বস্তবায়ন করেন’

    ‘প্রধানমন্ত্রী যা বলেন তা বস্তবায়ন করেন’

    নীলফমারীর সৈয়দপুরে ডায়াবেটিক হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যা বলেন তা বস্তবায়ন করেন। মানুষের কল্যাণের জন্য প্রধানমন্ত্রী যে ব্যাপক কর্মসূচী হাতে নিয়েছেন তা একের পর এক বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। যা পূর্বের কোন সরকারেই তা করেননি।

    শুক্রবার বিকেলে সৈয়দপুর ডায়াবেটিস হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন পরবর্তী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর ডায়াবেটিস সমিতির সভাপতি ডা. আবু আহমেদ মর্তুজা।

    অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন সংসদ সদস্য রাবেয়া আলীম, নীলফামারী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, মেজর জেনারেল আবু সাঈদ মোহাম্মদ মাসুদ, সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোকছেদুল মোমিন।

  • বরিশাল নগরীর ক্লীন ইমেজের ছাত্রলীগ নেতা মাইনুল

    বরিশাল নগরীর ক্লীন ইমেজের ছাত্রলীগ নেতা মাইনুল

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বরিশাল মহানগর শাখার মোঃ মাইনুল ইসলাম একটি জনপ্রিয় নাম। তরুন, ত্যাগী,সৎ,ক্লীন ইমেজ ও সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব। মোঃ মাইনুল ইসলাম বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র আস্থাভাজন হিসাবে এবং তার ছায়াতলে থেকে বছরের পর বছর ধরে সুনামের সাথে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে চলেছেন। প্রতিটি আন্দোলন, সংগ্রামে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন।বরিশাল সরকারি বেসরকারী কলেজের শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ওয়ার্ড ছাত্রলীগের কর্মী’রা জানান, আমরা বিপদে আপদে তরুন এই নেতাকে কাছে পাই। তিনি সকলের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তার যোগ্যতা বলেই। সামনের দিনগুলো সম্ভাবনাময় হাতছানি। আমরা তাকে বড় পদবীতে দেখতে চাই এবং তিনি সেটারই উপযুক্ত। খোজ নিয়ে জানা যায়, মোঃ মাইনুল ইসলাম কলেজ ছাত্রলীগের হাত ধরে রাজপদের রাজনীতিতে আগমন। ৪ সালে নগরীর ১৫ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন।তখন বিএনপি’ জামায়াত ক্ষমতায়।তখনকার সময়ে বিএনপির জেলজুলুম অত্যাচার সহ্য করেও জাতির জনকের আদর্শকে বুকে ধারন করে রাজ পদে টিকে রয়েছেন।১ যুগের ও বেশি সময় ধরে পর্যন্ত দক্ষিন অঞ্চলের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান সেরনিয়াবাত পরিবারের সাথে মিশে রয়েছেন। এক পর্যায়ে এসে মাইনুল ইসলাম বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এবং বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামীযুবলীগের অন্যতম সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র দিক নির্দেশনায় কাজ করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। মহানগর ছাত্রলীগের রাজনীতির রাজপথ কাপানো প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রাম,মিটিং, মিছিল থেকে শুরু করে দলীয় প্রতিটি প্রোগ্রামে মাইনুল ইসলাম সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র হাতকে শক্তিশালী করার জন্য তিনি জোড়ালো নের্তৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় মাইনুল ইসলাম ছাত্রলীগ রাজনীতিতে আরো সোচ্চার ভূমিকা পালন করবে এমনটাই আশা করেন নেতা কর্মিরা।নগর ছাত্রলীগের লড়াকু সৈনিক মাইনুল ইসলাম এই প্রতিবেদকে জানান,আমি রাজনৈতিক জীবনে কোন অন্যায় করিনি।বরং অন্যায়ের প্রতিবাদ করছি সব সময়।সাধারন ছাত্রদের অধিকার আদায় ও জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করে যাবো, আর যত দিন রাজনীতি করবো সেরনিয়াবাত পরিবারের আস্থভাজন হয়েই কাজ করবো। মুজিব আদর্শ বুকে ধারন করে আমার অভিভাবক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর দিকনির্দেশনায় শ্রম মেধা এবং ভালোবাসা দিয়ে তরুন প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে নগরপিতার হাতকে আরও শক্তিশালী করবো ইনশআল্লাহ এবং আমরাই গড়বো আগামীর বরিশাল।

  • বরিশাল-ভোলায় পদ্মার চেয়েও দীর্ঘ সেতু, অর্থের খোঁজে সরকার

    বরিশাল-ভোলায় পদ্মার চেয়েও দীর্ঘ সেতু, অর্থের খোঁজে সরকার

    অনলাইন ডেস্ক :

    ভোলার সঙ্গে বরিশালসহ অন্য জেলাগুলোর যোগাযোগ সহজ করতে নির্মিত হবে দেশের দীর্ঘতম সেতু। এর দৈর্ঘ্য হবে ৮ দশমিক ৬৪ কিলোমিটার, যা নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর চেয়েও দীর্ঘ। ইতোমধ্যেই সেতুটি নির্মাণের জন্য সেতু বিভাগ প্রাথমিক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (পিডিপিপি) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে। বিশাল দৈর্ঘ্যের এ সেতুটির নির্মাণব্যয়ও হবে বিশাল। প্রাথমিকভাবে অর্থের সন্ধানে পরিকল্পনা কমিশন এ পিডিপিপি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) পাঠিয়েছে।

    ইআরডি সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার ৯১৬ কোটি টাকা। ইআরডি এ অর্থ সংগ্রহে কয়েকটি দেশ ও সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করছে। এর মধ্যে অন্যতম জাপান সরকারের উন্নয়ন সংস্থা (জাইকা), এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি) ও চীন।

    ইআরডির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বরিশাল ও ভোলাকে সংযুক্ত করতে দেশের সবচেয়ে বড় সেতু নির্মাণ করা হবে। এটা সরকারের অন্যতম মেগা প্রকল্প। সেতুটি নির্মাণের জন্য আমরা উন্নয়ন সহযোগী খুঁজছি। ইতোমধেই কয়েকটি দেশ ও সংস্থাকে চিঠি দিয়েছি। বাংলাদেশ এখন ঋণ পরিশোধে অন্যতম। আশা করছি, খুব শিগগরিই এ কাজের উন্নয়ন সহযোগী খুঁজে পাওয়া যাবে। তবে, আমরা ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করছি না, ধীর গতিতেই এগোচ্ছি।

    সেতু বিভাগ সূত্র জানায়, ‘কন্সট্রাকশন অব ভোলা ব্রিজ অন বরিশাল-ভোলা রোড ওভার দ্য রিভার তেতুলিয়া অ্যান্ড কালাবদর’ প্রকল্পের আওতায় বৃহৎ সেতুটি নির্মিত হবে। প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য, বরিশাল ও ভোলা জেলার মধ্যবর্তী তেতুলিয়া ও কালাবদর নদীর ওপর সেতু নির্মাণের মাধ্যমে ভোলা জেলার সঙ্গে দেশের মূল অংশ বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করা।

    প্রকল্পের আওতায় ৪৮৫ দশমিক ৯৭ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। ১ দশমিক ০৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এপ্রোচ সেতু, দুই কিলোমিটার সংযোগ সড়ক ও চার কিলোমিটার নদীশাসনের কাজ করা হবে।

    সেতু বিভাগ সূত্র জানায়, ভোলা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দ্বীপ। এর চারপাশে লক্ষীপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী ও বঙ্গোপসাগর। এ জেলায় রয়েছে প্রাকৃতিক গ্যাস, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে, জেলাটি দেশের মূল অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন। বর্তমানে ফেরি ও অন্য নৌযানের মাধ্যমে ভোলার সঙ্গে পাশের জেলাগুলোর যোগাযোগ চালু আছে। সরাসরি সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় ভোলা থেকে অন্য জেলাগুলোয় পণ্য আনা-নেওয়া ও যাতায়াত বেশ কঠিন। এটি জেলার ব্যবসা-বাণিজ্যসহ আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

    ভোলা ও বরিশালে দেশের দীর্ঘতম সেতু নির্মাণ প্রসঙ্গে সেতু বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) আনোয়ার হোসেন  বলেন, দেশের সবথেকে বড় সেতুটি নির্মিত হলে ভোলা পদ্মা সেতুর মাধ্যমে ঢাকার সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত হবে। এতে যাতায়াত ও উৎপাদন খরচ কমবে। ওই এলাকায় নতুন নতুন শিল্প-কারখানা গড়ে উঠবে। এর ফলে কর্মসংস্থান বাড়বে, যা দরিদ্র্যতা কমিয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এ জন্য সেতুটি নির্মাণে আমরা জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।

  • সমর্থনের দিক থেকে বিএনপি দুর্বল নয় বলে মন্তব্য করেছেন ওবায়দুল কাদের

    সমর্থনের দিক থেকে বিএনপি দুর্বল নয় বলে মন্তব্য করেছেন ওবায়দুল কাদের

    সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হলেও সমর্থনের দিক থেকে বিএনপি দুর্বল নয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।সাংবাদিকদের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দেশের রাজনীতি থেকে বিএনপি হারিয়ে যাবে, এমন মনে করার কোন কারণ নেই। আওয়ামী লীগ বিরোধী শক্তির প্লাটফর্ম হিসেবেই দলটি টিকে থাকবে।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মনে করেন, সাম্প্রদায়িক শক্তির সাথে জোট করার কারণেই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারাচ্ছে বিএনপি। সাথে রয়েছে দলটির নেতৃত্বের সমন্বয়হীনতা।

    তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজে সংসদে না থেকে যাকে তার আসন থেকে নির্বাচিত করান তাকে দিয়ে কী বিএনপির উদ্দেশ্য হাসিল হবে। মির্জা ফখরুল বিরোধী দলের নেতা না হলেও তিনি সংসদে এলে বিরোধী দলের নেতার চেয়েও শক্তিশালী মেসেজ তিনি দিতে পারতেন।

    ভুলের কারণে বিএনপি সংকুচিত হতে থাকলেও রাজনীতিতে দলটিকে হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই বলেও জানান, ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, সমর্থনের দিক থেকে বিএনপি দুর্বল পার্টি এটা মনে করার কোনো কারণ নেই। তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করারও কোনো উপায় নেই। তাদের সমর্থক প্রচুর। এছাড়া জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় তারা সরাসরি রাজনীতি করতে পারছে না। বিএনপির আশ্রয়ে আছে।

    শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস এবং দুর্নীতি অভিযোগ থাকলেও বিএনপির নেতৃত্ব জিয়া পরিবারকে ঘিরেই আর্বতিত হবে বলেও মনে করেন ওবায়দুল কাদের। বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনীতিতে ফিরে আসা কঠিন।

    তিনি বলেন, ভারতে যেমন সোনিয়া গান্ধীর পর তার ছেলেমেয়েকে নিয়ে কংগ্রেসের ভবিষ্যত ভাবা হচ্ছে ঠিক তেমনি আমাদের এখানেও বিএনপিতে একই অবস্থা বিরাজ করছে। বেগম জিয়ার বয়স হয়েছে। শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আমার মনে হয়না তিনি আর হাল ধরবেন। তিনি তার ছেলেকে নিয়ে ভাবছেন।

  • হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক

    হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক

    রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

    আজ শুক্রবার (১২ জুলাই) রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    জিএম কাদের বলেন, এরশাদের শরীরের কোনো অরগান ঠিকমতো কাজ করছে না। সেগুলো কৃত্রিমভাবে চলছে। তবে রক্তে যে ইনফেকশন ছিল তা কমে গেছে।

    তিনি বলেন, আমি সকাল সোয়া ১০টায় সিএমএইচে গিয়ে ওখানকার চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা জানিয়েছেন, এরশাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

  • খালেদা-তারেকের বিকল্প জোবায়দা!

    খালেদা-তারেকের বিকল্প জোবায়দা!

    অনলাইন ডেস্ক :

    ‘বিএনপি কাউন্সিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে’- দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের পর দলীয় প্রধান হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার বিকল্প হিসেবে তার পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমানকে ভাবা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে দলের মধ্যে আলোচনা হলেও প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলছেন না।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলটির এক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে দলের কাউন্সিল হোক বা তার মুক্তির পর কাউন্সিল হোক, দলীয় প্রধান হিসেবে দলের মধ্য থেকে তার বিকল্প ভাবা হচ্ছে।’

    ‘দলকে শক্তিশালী করতেই এমন ভাবনা-চিন্তা’- দাবি করে ওই নেতা আরও বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক যে অবস্থা তাতে তিনি মুক্তি পেয়ে দলের হাল কতটুকু ধরতে পারবেন, তা নিয়ে কারও কারও মধ্যে সংশয় রয়েছে। সেক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে ধরে নেয়া যেতে পারে যে, খালেদা জিয়া দলীয় প্রধান না হলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের প্রধান হবেন। কিন্তু এ নিয়েও কেউ কেউ ভাবছেন, কারণ তারেক রহমান তো দেশে ফিরতে পারছেন না। তিনি প্রবাসে থাকার ফলে দলের অভ্যন্তরীণ তথ্য অনেক সময় সঠিকভাবে পান না। একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাকে বিভ্রান্ত করতে সচেষ্ট থাকে। ক্ষেত্র বিশেষ ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয় যা দলের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এ কারণে দলীয় প্রধানের সঙ্গে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের নিবিড় সম্পর্ক থাকা দরকার, যা এ মুহূর্তে তারেক রহমানের পক্ষে সম্ভব নয়।’

    ‘আবার খালেদা জিয়া-তারেক রহমান তথা জিয়া পরিবারের বাইরে কাউকে দলীয় প্রধান করার চেষ্টা হলে দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা আরও বাড়বে। জিয়া পরিবারের কাছে দলের নেতৃত্ব ধরে রাখাসহ সার্বিক বিবেচনায় জোবায়দা রহমানকে আগামী কাউন্সিলে দলীয় প্রধান হিসেবে ভাবা হচ্ছে।

    দলের এক সাংগঠনিক সম্পাদকও নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন পর্যন্ত তিনিই দলের প্রধান হিসেবে থাকবেন। সংগঠনে তার শূন্যতা অনুভূত হলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে তারেক রহমান নেতৃত্ব দেবেন। লন্ডন থেকেও দলের নেতৃত্ব দেয়া সম্ভব। আর যদি তারেক রহমান মনে করেন যে জোবায়দা রহমানকে নেতৃত্বে আনা দরকার, সেটা তিনিই সিদ্ধান্ত নেবেন।’

    বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবীর খোকন বলেন, ‘কাউন্সিল নিয়ে বিক্ষিপ্তভাবে আলোচনা চলছে কিন্তু প্রাথমিক প্রস্তুতি আমরা এখনও শুরু করিনি। বিষয়টি নিয়ে স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা করে দিন-তারিখ ঠিক করা হবে। এরপর প্রস্তুতি নেব।’

    দলীয় প্রধান বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে রয়েছেন, শারীরিভাবে তিনি অসুস্থ। কারামুক্তি হলে তার কি দলের নেতৃত্ব দেয়ার মতো সক্ষমতা থাকবে বা তার বিকল্প ভাবা হচ্ছে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে খায়রুল কবীর খোকন বলেন, ‘না, এখন পর্যন্ত আমরা বিকল্প চিন্তা করছি না। দলের নেতাকর্মীরা আশাবাদী, ম্যাডাম কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেবেন।’

    বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া বলেন, ‘আমি মনে করি, কাউন্সিলের আগে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি প্রাধান্য দেয়া উচিত। তার মুক্তির আগে কাউন্সিল করা উচিত হবে না বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি।’

    তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির পর তারপর দলের পরবর্তী সিদ্ধান্ত তার সঙ্গে আলোচনা করে নেয়া যাবে। কেননা তার যে দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা সেটা কাজে লাগানো উচিত।

    অবশ্য কাউন্সিলের প্রস্তুতির বিষয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কিছুই জানেন না বলে জানান।

    স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা আশা করছি কাউন্সিলের আগেই আমাদের নেত্রী মুক্তি পাবেন। আমরা আমাদের নেত্রীকে বাদ দিয়ে কাউন্সিল করছি না। তাকে নিয়েই কাউন্সিল করব।’

  • কলঙ্কিত শিক্ষকদের পাশে কেউ দাঁড়াবেন না : গণপূর্তমন্ত্রী

    কলঙ্কিত শিক্ষকদের পাশে কেউ দাঁড়াবেন না : গণপূর্তমন্ত্রী

    বর্তমান সমাজে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটেছে। নৈতিকতা ও মূল্যবোধহীন শিক্ষা কোনো শিক্ষা নয়। কুশিক্ষা নিয়ে কোনো জাতি কিছুই করতে পারে না। শিক্ষা ব্যবস্থায় আমুল পরিবর্তন আনা এখন সময়ের দাবি।

    শুক্রবার পিরোজপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ) পিরোজপুর জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম।

    মন্ত্রী শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, আমি অবাক হয়ে যাই যখন শিক্ষক নামের কোনো কলঙ্কিত ব্যক্তির হাতে মাসুম বাচ্চা নিপীড়িত হয়। তখন লজ্জা ও ঘৃণায় মাথা নত হয়ে আসে। এদের রক্ষায় কেউ পাশে দাঁড়াবেন না।

    পিরোজপুর শিক্ষক সমিতির জেলা সভাপতি সুখরঞ্জন ব্যাপারীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন, পিরোজপুর পৌরসভার মেয়র হাবিবুর রহমান মালেক, পুলিশ সুপার মো. হায়াতুল ইসলাম খান, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যক্ষ মো. বজলুর রহমান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. কাওসার আলী শেখ, কেন্দ্রীয় শিক্ষক কাজী মজিবুর রহমান, মোস্তফা জামান খান ও সুনীল বরণ হালদার প্রমুখ।

  • আওয়ামী লীগ সরকার সমালোচনাকে স্বাগত জানায়: তথ্যমন্ত্রী

    আওয়ামী লীগ সরকার সমালোচনাকে স্বাগত জানায়: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার সব সময়ই সমলোচনাকে স্বাগত জানিয়ে এসেছে। গঠনমূলক সমালোচনা সঠিক পথে চলতে সহায়তা করে।’ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বারিধারার একটি হোটেলে ডেমোক্র্যাটিক ইন্টারন্যাশনালের আয়োজিত ‘ইয়ং লিডার ফেলোশিপ’ শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির গ্রাজুয়েশন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার সব সময়ই গঠনমূলক সমালোচনাকে স্বাগত জানিয়ে আসছে। কারণ এটা সরকারকে সঠিক পথে পরিচালিত করে।’ দলমত নির্বিশেষে সকলের প্রতি একটি উন্নত দেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার সব সময় গঠনমূলক সমালোচনা ও একটি যুক্তিভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাস করে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আলোচনা, সমালোচনা, তর্কবিতর্ক ও যুক্তি পাল্টা যুক্তি একটি গণতান্ত্রিক দেশের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে এবং এভাবে একটি সমাজ এগিয়ে যেত পারে। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় সমালোচনাকে স্বাগত জানান। এমনকি আমরা সংসদে বিরোধী দলীয় সদস্যদের মতামতকে অধিকতর গুরুত্ব দিচ্ছি।’

    তরুণদের জন্য এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও অন্যান্য দলের কর্মীরা অংশ নিচ্ছেন। এটা একটি গণতান্ত্রিক দেশের জন্য সত্যিই মঙ্গলজনক।’ তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠায় একসাথে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

    পার্টি ক্যাটি ক্রোয়াকের ডেমোক্র্যাটিক ইন্টারন্যাশনাল চিফ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

  • পূর্ণমন্ত্রী ইমরান, নতুন প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা

    পূর্ণমন্ত্রী ইমরান, নতুন প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা

    অনলাইন ডেস্ক :

    ইমরান আহমদকে মন্ত্রী ও ফজিলাতুন নেসাকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

    এই নিয়োগ দিয়ে বৃহস্পতিবার স্বাক্ষরিক এক আদেশে শুক্রবার প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। শপথ নেয়ার দিন থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হবে।

    আগামীকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে তারা শপথ নেবেন বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানা গেছে।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম স্বাক্ষরিক এক আদেশে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি এই নিয়োগ দিয়েছেন।

    ইমরান আহমদ বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শপথ নেয়ার পর তাদের দফতর বণ্টন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আদেশ জারি করা হবে।

    ইমরান আহমদকে বর্তমান মন্ত্রণালয় অর্থাৎ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে এবং আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরাকে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের ছয় মাসের মাথায় সম্প্রসারিত হচ্ছে মন্ত্রিসভা। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত ৭ জানুয়ারি টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ৪৬ সদস্যের ওই মন্ত্রিসভায় ২৪ মন্ত্রী, ১৯ প্রতিমন্ত্রী ও তিনজন উপমন্ত্রী রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে ছয় মন্ত্রণালয় রাখা হয়।

    পরে গত ১৯ মে মন্ত্রিসভা পুনর্বিন্যাস করা হয়। তখন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়। এছাড়া ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকে একই মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী করা হয়। এ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে।

    একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানীয় সরকার বিভাগের মন্ত্রী করা হয় তাজুল ইসলামকে। তাকে আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও স্বপন ভট্টচার্যকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। একই মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন স্বপন ভট্টাচার্য।