Category: রাজণীতি

  • উন্নতি চাইলে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি মেনে নিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

    উন্নতি চাইলে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি মেনে নিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক :

    দেশের অর্থনীতির উন্নতি চাইলে গ্যাসের যে মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে- তা মেনে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    চীন সফর নিয়ে সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ১ শতাংশ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। এর কারণ আমরা এনার্জি ক্ষেত্রে যথেষ্ট মনোযোগ দিয়েছি। বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পেরেছি এবং গ্যাস আমাদের আমদানি করতে হচ্ছে। এলএনজি গ্যাস আমদানির জন্য খরচ যথেষ্ট বেশি পড়ে। এতে কোনো সন্দেহ নেই।

    গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, দাম যেটুকু বাড়ানো হয়েছে, সেটুকু যদি বাড়ানো না হয় তাহলে আমাদের সামনে দুটি পথ আছে- হয় আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধি না বাড়ে, সেজন্য এলএনজি আমদানি কমিয়ে দিয়ে এনার্জির ক্ষেত্র সংকুচিত করে ফেলব। অর্থনীতির উন্নতি হবে না। যদি উন্নতি চান এটাকে মেনে নিতে হবে। শুধু আমরা না গ্যাস আমদানিকারক দেশও এটা মেনে নেয়।

    শেখ হাসিনা গত ১ জুলাই পাঁচদিনের সরকারি সফরে ঢাকা থেকে চীনে পৌঁছান। ৬ জুলাই দেশে ফিরে আসেন।

  • তারেককে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে যুক্তরাজ্যের আদালত

    তারেককে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে যুক্তরাজ্যের আদালত

    অনলাইন ডেস্ক :

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে যুক্তরাজ্যের আদালত। এক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য সরকারের কোনো ভূমিকা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারসন ডিকসন।

    সোমবার (৮ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিস) মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি একথা বলেন।

    ‍কূটনৈতিক সাংবাদিকদের সংগঠন ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’-য়ে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারসন ডিকসন।

    ডিক্যাব টক-য়ে যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমানকে দেশটির সরকার ফেরত পাঠাবে কিনা- এমন প্রশ্নের উত্তরে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, তারেক রহমানকে বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে যুক্তরাজ্যের আদালত। এক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য সরকারের কোনো ভূমিকা নেই। এছাড়া যুক্তরাজ্য সরকার কোনো একক ব্যক্তির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করে না।

  • আমার জীবনের শেষ ইচ্ছা গৌরনদী জেলা দেখে যাওয়া: হাসানাত আব্দুল্লাহ্

    আমার জীবনের শেষ ইচ্ছা গৌরনদী জেলা দেখে যাওয়া: হাসানাত আব্দুল্লাহ্

    অনলাইন ডেস্ক:

    জাতীয় সংসদের সাবেক চীফ হুইপ, বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য, পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন পরীবিক্ষন কমিটির আহবায়ক (পূর্ন মন্ত্রীর মর্যাদায়), বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ্ বলেছেন, বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার বৃদ্ধ অসহায় নারী-পুরুষদের জন্য বয়স্ক ভাতা, বিধবা নারীদের জন্য বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধিদের জন্য ভাতাসহ নানা প্রকার ভাতা চালুকরে দরিদ্র অসহায় মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করছে।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমি গৌরনদী-আগৈলঝাড়ায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছি।

    শুধু তাই নয়, মানবতার মা, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমি বরিশালসহ গোটা দক্ষিনাঞ্চলে যে উন্নয়ন করেছি। তা অতিতের কোন সরকারই করতে পারেনি। আমার মরহুম পিতা, শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের স্বপ্ন ছিল গৌরনদীকে জেলায় উন্নীত করার।

    ৭৫এর ১৫ আগষ্টের ঘাতকদের কারনে তিনি সেটা করে যেতে পারেন নি। জীবন সায়াহ্নে দাড়িয়ে এখন আমার জীবনেরও শেষ ইচ্ছা পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে গৌরনদীকে জেলায় উন্নীত করে, গৌরনদী জেলা দেখে যাওয়া।

    রোববার দুপুরে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা পরিষদের আয়োজনে উপজেলার শহীদ শুকান্ত বাবু মিলনায়তনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহে মাল্টি মিডিয়া প্রজেক্টর ও সাউন্ড সিষ্টেম বিতরণ, প্রতিবন্ধিদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ, আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের কর্মীদের মাঝে সাইকেল বিতরণ, অসহায় বয়স্ক, বিধবা ও অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধিদের মাঝে ভাতার বই বিতরণ, সাধারন কৃষকদের মাঝে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ, মহিলা সংস্থার পক্ষে সংস্থার অসহায় সদস্যদের মাঝে ঋন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।

    আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ্ আরো বলেন, আমার নির্বাচনী প্রচারনায় আমি আপনাদেরকে বলেছিলাম যে, আপনাদের ভোট পেয়ে আমি এমপি নির্বাচিত হতে পারলে ও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে আমার কাছে আপনাদের কিছু চাইতে হবে না। আমি এই অঞ্চলের মাটি ও মানুষের নেতা শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ছেলে। সুতারাং আমি জানি আপনাদের কি, কি দরকার। অতএব আপনারা না চাইতেই আমি আপনাদের সব চাওয়া পাওয়া পূরন করে দেব।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, এখন আপনারাই বলুন ইতোমধ্যে আমি আপনাদের সকল চাওয়া পাওয়া পুরন করে দিয়েছি কি না? জবাবে উপস্থিত জনতার সবাই দু হাত তুলে সমস্বরে বলে ওঠেন হ্যা সব পুরন করেছেন।

    এরপর তিনি বলেন, আপনারা মাননীয়, প্রধানমন্ত্রী মানবতার মা, জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আমার জন্য দোয়া করবেন। প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমি যেন আমার পিতার স্বপ্ন গৌরনদী জেলা বাস্তবায়ন করে যেতে পারি।

    গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার খালেদা নাছরিনের সভাপতিত্বে রোববার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গৌরনদী উপজেলা চেয়ারম্যান ও বরিশাল জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী, গৌরনদী পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ হারিসুর রহমান, গৌরনদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুর রব হাওলাদার, গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এইচ,এম জয়নাল আবেদীন, গৌরনদী পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ মনির হোসেন মিয়া, গৌরনদী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ফরহাদ হোসেন মুন্সী, উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান জিনিয়া আফরোজ হেলেন প্রমুখ।

  • ২১ জুলাই থেকে আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ অভিযান

    ২১ জুলাই থেকে আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ অভিযান

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আজকের বৈঠকে ১৫ আগস্ট সামনে রেখে মাসব্যাপী কর্মসূচি, জাতীয় সম্মেলনের সাংগঠনিক প্রস্তুতি, বিভিন্ন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে কারও কারও অবস্থানের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। দলের সদস্য সংগ্রহ অভিযান ২১ জুলাই শুরু হবে।

    তবে এর আগে এ বিষয়ে দলের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

    রোববার (৭ জুলাই) দুপুরে দলের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    এর আগে সেখানে তার সভাপতিত্বে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    স্থানীয় নির্বাচনে যারা দলের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রসঙ্গে কাদের বলেন, ‘ডিসিপ্লিন ব্রেক করার আসকারা পেলে এর প্রবণতা বাড়ে। তাই আমরা এর লাগাম টেনে ধরতে চাই। তাদের বিষয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ বিষয়ে ওয়ার্কিং কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হবে। কেউ এমপি ও মন্ত্রী হয়ে দলের বিরুদ্ধে কাজ করলে, তাকে মনোনয়ন দেওয়া নাও হতে পারে। কম গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হতে পারে। নানা রকম শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। একজন মন্ত্রী অপরাধ করেছেন, পরবর্তীতে তাকে মন্ত্রিত্ব দেওয়া হবে না বা বাদ দেওয়া হলো-এটাও তো শাস্তি।

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এলএনজি ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিতে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে -এমন অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এটা বিরোধীদের গতানুগতিক বক্তব্য। একই ধরনের বক্তব্য জ্বালানি বিশেষজ্ঞরাও দিচ্ছেন।

    সরকার খালেদা জিয়ার মুক্তি আটকে রেখেছে -বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগের জবাবে তিনি বলেন, বিচার বিভাগ স্বাধীন ও কৃতিত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। খালেদা জিয়ার বিষয়ও বিচার বিভাগের বিষয়।

    সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, একেএম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ূয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য এসএম কামাল হোসেন, অ্যাডভোকেট রিয়াজুল কবির কাওছার, মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • অর্থমন্ত্রীর মুখে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা শুনে স্তব্ধ সংসদ

    অর্থমন্ত্রীর মুখে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা শুনে স্তব্ধ সংসদ

    ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শুনে স্তব্ধ হয়ে পড়েছিল পুরো সংসদ। এমপিরা তার কথা শুনে কোনো ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। অর্থমন্ত্রী হিসেবে বাজেট পেশের আগে মারাত্মক ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন তিনি।

    ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশের ঠিক দু’দিন আগে গত ১১ জুন তাকে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ১৩ জুন তিনি বাজেট পেশ শুরু করলেও তা শেষ করতে পারেননি। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাল ধরেন। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী সরকারি দলের বাহবা পেলেও বিএনপির এমপিরা সমালোচনা করেন।

    এরপর ভয়াবহ অসুস্থতার কথা সংসদে বর্ণনা করেন অর্থমন্ত্রী। নিজের সুস্থ হওয়ার গতি অনেক শ্লথ জানিয়ে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘সেদিন (১৩ জুন) সংসদ শুরুর আগে যখন সংসদে প্রবেশ করি তখন থেকে পরবর্তী ৭-৮ মিনিট আমি সম্পূর্ণভাবে ব্ল্যাঙ্ক ছিলাম। আমার কোনো কিছুই মনে পড়ে না।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১৩ জুন প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন করি। কিন্তু সেদিনটি ছিল আমার জীবনের চরম কষ্টের দিন। কারণ এর তিনদিন আগে অর্থাৎ ১০ জুন ডেঙ্গু জ্বরে ভয়ানকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ি এবং হাসপাতালে ভর্তি হই। এ অসুস্থতা নিয়েই আমি গত ১৩ জুন সংসদে আসি। আমার বিশ্বাস ছিল, আমি প্রস্তাবিত বাজেটটি উত্থাপন করতে পারব। কিন্তু আমি যা ভেবেছিলাম বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। অধিবেশন শুরুর আগে যখন সংসদে প্রবেশ করি তখন থেকে পরবর্তী ৭-৮ মিনিট আমি সম্পূর্ণভাবে ব্ল্যাঙ্ক ছিলাম।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমার কোনো কিছুই মনে পড়ে না। আমি কোনো রকমে গিয়ে আমার আসনে বসলাম। তখন আমার কেবল মনে হচ্ছিল প্রবল এক ভূমিকম্প পৃথিবীতে আঘাত হেনেছে। সেই ভূমিকম্পের কারণেই যেন ক্ষণে ক্ষণে আমার কম্পন হচ্ছিল। আমার মনে হচ্ছিল আমি সিট থেকে পড়ে যাচ্ছি। আমি তখন মনে মনে দোয়া পড়তে শুরু করলাম। মানুষ মানুষের জন্য, মানুষ সৃষ্টির জন্য। আমি ভাবতে শুরু করলাম আমার আশপাশের বন্ধুবান্ধব কেউ না কেউ ধরবেন, যেন আমি ছিটকে পড়ে আহত না হই। অতি অল্পসময়ের মধ্যেই আমার বন্ধুবান্ধব সব ছুটে আসলেন।’

    তিনি বলেন, ‘কিছুক্ষণ পর ধীরে ধীরে আমি স্বাভাবিক হই। মনে হলো আমার আর সমস্যা হবে না। আমি তখনই ২৫-৩০ মিনিটের মতো প্রস্তাবিত বাজেটের কিছু অংশ পড়লাম। তখন আরেকটি নতুন সমস্যা দেখা দিল। সেই সমস্যাটি হলো আমার হাতে কোনো শক্তি ছিল না। আঙুলে কোনো শক্তি ছিল না। বাজেটের পাতাগুলো উল্টাতে পারছিলাম না। তখন সংসদ সদস্য মতিয়া চৌধুরী এগিয়ে এলেন। তিনি আমার বাজেটের প্রতিটি পাতা উল্টে দিলেন। কিন্তু বেশিক্ষণ সেটাও রইল না। একটু পরই আমি চোখে কিছু দেখছিলাম না। তখন আর সময় না নিয়ে আমি স্পিকারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিকভাবে অনুরোধ করি। প্রধানমন্ত্রী নিজেও অসুস্থ ছিলেন। তারপরও আন্তরিকভাবে ও সুন্দরভাবে বাজেটটি পড়লেন।’

    প্রধানমন্ত্রীসহ সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১৩ তারিখ থেকে অসুস্থতার কারণে আমার আদৌ বাইরে যাওয়ার সুযোগ হয়নি। এমনকি সংসদেও আসতে পারিনি। আমি এখনও সম্পূর্ণ সুস্থ নই। ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছি। যদিও গতি অনেক শ্লথ। তবে সংসদে আমি না থাকলেও আমার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সংসদে থেকে এমপিদের কথা নোট নিয়েছেন ও প্রতিদিন আমাকে অবহিত করেছেন।’

  • বরিশালে ২০ টাকায় আওয়ামী লীগের সদস্য

    বরিশালে ২০ টাকায় আওয়ামী লীগের সদস্য

    অনলাইন ডেস্ক:

    আওয়ামী লীগ একটি সর্ববৃহৎ জনপ্রিয় দল। এই দলের সদস্য পদ নবায়ন ও নতুন সদস্য হতে মাত্র ২০ টাকার প্রয়োজন হয়। ২০ টাকার বিনিময়ে দলের সদস্য হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. তালুকদার মোঃ ইউনুচ।

    বরিশাল ক্লাবে বিভাগীয় সমাবেশে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, সংসদ সদস্য, শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী) আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর হাতে ফরম তুলে দিয়ে সদস্য কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু।

    সাবেক এমপি তালুকদার মোঃ ইউনুচ জানান, প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়নে ফরম প্রেরণ করার প্রস্তুতি চলছে। একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে।

    জেলার সাধারণ সম্পাদক জানান, ১০ উপজেলায় অর্ধ লক্ষাধিক সংগ্রহ করার প্রাথমিক টার্গেট নেয়া হয়েছে। তবে রাজাকারের রক্ত রয়েছে এমন কাউকে সদস্য করা হবে না-কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়েদুল কাদেরর বক্তব্যের প্রতি তিনিও সমর্থন জানান।

    তালুকদার মোঃ ইউনুচ বলেন- কঠোরভাবে পরীক্ষা নীরিক্ষার পর সদস্যপদ দেয়া হবে।

  • এক লাখ ৬০ হাজার গাছ থাকছে পদ্মা সেতু এলাকায়

    এক লাখ ৬০ হাজার গাছ থাকছে পদ্মা সেতু এলাকায়

    অনলাইন ডেস্ক :: নির্মাণাধীন পদ্মা সেতু প্রকল্প এলাকায় সবুজায়ন ও সৌন্দর্য বাড়ানোর লক্ষ্যে নেয়া হয়েছে ব্যাপক উদ্যোগ। এজন্য এ সেতুর উভয় পাশে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এক লাখ ৬৯ হাজার ৯৫৭টি গাছ লাগানো হয়েছে।

    মূল সেতু নির্মাণের অগ্রগতি ৮১ শতাংশ। এ প্রকল্পের ভৌতিক অগ্রগতি ৭১ শতাংশ। এছাড়া জাজিরা সংযোগ সড়ক, মাওয়া সংযোগ সড়ক ও সার্ভিস এরিয়া-২ এর কাজ শতভাগ শেষ হয়েছে। নদীশাসনের কাজ ৫৯ শতাংশ শেষ হয়েছে।

    রোববার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। মো. একাব্বর হোসেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, এনামুল হক, মো. হাসিবুর রহমান স্বপন, মো. আবু জাহির, রেজওয়ান আহম্মদ তৌফিক, মো. ছলিম উদ্দীন তরফদার, শেখ সালাহউদ্দিন, সৈয়দ আবু হোসেন এবং রাবেয়া আলীম বৈঠকে অংশ নেন।

    বৈঠকে বিআরটিসির সার্বিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং সেতু বিভাগের আওতাধীন চলমান মেগা প্রকল্পসমূহের সর্বশেষ অবস্থা ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি বিষয়ে আলোচনা হয়।

    বৈঠকে উত্থাপিত সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় বিভাগ একটি পদ্মা সেতুসহ দেশের বড় বড় প্রকল্পগুলো নিয়ে প্রতিবেদন উত্থাপন করে। ওই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, পদ্মা সেতু প্রকল্প এলাকায় একটি যাদুঘর স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ২০২৩টি নমুনা যাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মাওয়া জাজিরায় ৯.৮৩ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতুকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে সরকার। জুন পর্যন্ত ২৬২টি পাইলের মধ্যে ২৫৬টি এবং ৪২টি পিয়ার কলামের ২৯টির নির্মাণ শেষ হয়েছে।

    বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সাংবাদিকদের জানান, বিআরটিসির ডিপো ম্যানেজারদের দায়িত্ব পালনে আরও বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কাজ দ্রুত ও টেকসই করার সুপারিশ করা হয়।

    বৈঠকে সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব, সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবং বিআরটিসির চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • পিরোজপুরে বিদ্যালয়ে ভবন চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শিক্ষার্থীর চিঠি

    পিরোজপুরে বিদ্যালয়ে ভবন চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শিক্ষার্থীর চিঠি

    অনলাইন ডেস্ক :

    দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের দক্ষিণ গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি রয়েছে জরাজীর্ণ অবস্থায়। বার বার আবেদন করেও নতুন ভবন না পাওয়ায় ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী একটি নতুন স্কুল ভবনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি লিখেছে।

    দুই দিক দিয়ে নদী বেষ্টিত পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের দক্ষিণ গাজীপুর গ্রাম। এই গ্রামের একমাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে প্রায় ১৩০ জন শিক্ষার্থীকে পাঠদান করানো হয়। ১৯৭৫ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১৯৯৪ সালে সেখানে একটি ভবন নির্মান করা হয়। তবে বর্তমানে বিদ্যালয়টি খুবই জরাজীর্ণ।

    বিদ্যালয়ের টয়লেট ইতিমধ্যে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। অন্যদিকে মূল ভবনের প্রতিটি কক্ষে দেখা দিয়েছে ফাটল এবং বিভিন্ন স্থান থেকে পলেস্তরা খসে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে লোহার রড। এমনকি বৃষ্টির সময় ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে।

    বিগত কয়েক বছর ধরে বিদ্যালয় ভবনটি জরাজীর্ণ থাকায় মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে শ্রেণিকক্ষে অংশ নিচ্ছে শিক্ষার্থীরা। এমনকি আতঙ্কে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতে চায় না।

    তবে বারবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেও এখন পর্যন্ত সমস্যার সমাধান হয়নি বলে জানান বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা।

    পর্যায়ক্রমে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়গুলোর স্থানে নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে বলে জানান প্রকৌশলী এবং এই তালিকায় দক্ষিণ গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি রয়েছে বলেও জানান তিনি।

  • বরিশালে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বরাদ্দকৃত চিকিৎসার টাকা ফেরত যাচ্ছে!

    বরিশালে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বরাদ্দকৃত চিকিৎসার টাকা ফেরত যাচ্ছে!

    অনলাইন ডেস্ক :

    বরিশালে মুক্তিযোদ্ধাদের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ ফেরত যেতে বসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুক্তিযোদ্ধারা।

    মুক্তিযোদ্ধাদের অভিযোগ, ফ্রি চিকিৎসার জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ লোপাট করার লক্ষ্যেই বঞ্চিত করা হয়েছে তাদের। নতুবা এটি নিশ্চয়ই কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের অবহেলা।

    মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি, এমনিতেই বরাদ্দকৃত অর্থ প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। তাই এই অর্থ ফেরত না নিয়ে বরং তা আগামী অর্থ বছরের সঙ্গে যোগ করে দেয়া হোক।

    এ দিকে শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) কর্তৃপক্ষ বলছে, পরিপত্র অনুযায়ী কমিটি গঠন করতে না পারায় বরাদ্দকৃত অর্থ খরচ করা সম্ভব হয়নি। কেন কমিটি গঠন করা যায়নি এমন প্রশ্নে শেবাচিম কর্তৃপক্ষ, বরিশাল সিটি করপোরেশন এবং বিভাগীয় কমিশনার দোষ চাপাচ্ছেন একে অন্যের উপর।

    শেবাচিম সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে দেশের প্রতিটি জেলা উপজেলার ন্যায় বরিশালেও মুক্তিযোদ্ধাদের ফ্রি চিকিৎসার জন্য ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরিপত্র অনুযায়ী, চিকিৎসা সেবার মান ও ব্যয় যাচাই এর জন্য অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার, মেডিকেল কলেজ হাসপতালের পরিচালক এবং উপপরিচালক, সিটি করপোরেশন বা মেয়রের প্রতিনিধি, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল এর চেয়ারম্যানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এ জন্য ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা বাঞ্চনীয়। যাতে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার সভাপতি পদে এবং মেডিকেল কলেজের উপপরিচালক সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করার কথা। কিন্তু বছর শেষ হয়ে গেলেও অদ্যবদি কমিটি গঠন করতে পারেনি শেবাচিম কর্তৃপক্ষ। ফলে বাজেট থাকা সত্ত্বেও কোনও মুক্তিযোদ্ধাদেরকেই বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়নি শেবাচিম।

    মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম ৯ নম্বর সেক্টর (গেরিলা) বলেন, কমিটি না করার অজুহাতে এই অর্থ খরচ করা হয়নি। কিন্তু শেবাচিম কর্তৃপক্ষ চাইলে এই অর্থ খরচ করতে পারতেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় অনেক মুক্তিযোদ্ধারা শেবাচিমে চিকিৎসা নিচ্ছেন কিন্তু তা বিনামূল্যে নয়। কেবিন ভাড়া ওষধ পরীক্ষা-নিরীক্ষা সবই টাকা দিয়ে করাতে হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধা ধীরেন চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ৫ লাখ টাকা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। তারা বলেন, শুনেছি পরিপত্র অনুযায়ী আমাদের সব চিকিৎসা ফ্রি। এমনকি বাসা থেকে নিয়ে আসতে হলেও তার ব্যবস্থাও করবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কোথায়। এ ধরনের কোনও সুযোগ সুবিধা তো আমাদের দেয়া হয় না।

    মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে অনেক কিছু করার চেষ্টা করছেন। আমাদের এক পা কবরে। অনেক মুক্তিযোদ্ধা টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারে না। এটা ভেবে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য যে বরাদ্দ করেছেন তা নিয়ে গড়িমসি করার মানে কি। তিনি প্রধান মন্ত্রীর কাছে আবেদন করে বলেন, এই অর্থ ফেরত না নিয়ে বরং আগামী অর্থ বছরের সঙ্গে যোগ করে দেয়া হক। এবং মুক্তিযোদ্ধাদের এই অর্থ নিয়ে অবহেলা করায় শেবাচিম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ারও অনুরোধ করেন তিনি।

    এ বিষয়ে বরিশাল শেবাচিমের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন ও উপপরিচালক মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাকের কাছে জানতে চাইলে তারা দোষ চাপায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) উপর।

    তারা বলেন, এই টাকা খরচ করতে হলে পরিপত্র অনুযায়ী কমিটি গঠন করে খরচ করতে হবে। কিন্তু বরিশাল সিটি করপোরেশনকে একাধিকবার চিঠি দেয়া সত্ত্বেও তারা কোনও প্রতিনিধি পাঠাননি। যে কারণে টাকা খরচ করলে অডিট আপত্তি হতে পারে ভেবে ভয়ে টাকা খরচ করিনি। বিসিসিকে চিঠি দিয়েছেন যে তার প্রমাণ কি এমন প্রশ্নে কোনও অনুলিপি দেখাতে পারেনি শেবাচিম কর্তৃপক্ষ।

    পরে এ বিষয়ে কথা হয় বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খায়রুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমাদের একজনের জন্য এটা থেমে থাকার কথা না। ৫ সদস্যের একজন না থাকলে টাকা ফেরত যাওয়ার কথা? পরে তিনি প্রতিবেদকের কাছ থেকে পরিপত্রটি রেখে দিয়ে বিষয়টি দেখবেন বলে জানান।।

    বরিশাল বিভাগীয় অতিরিক্ত কমিশনার মো. জাকারিয়া বলেন, শেবাচিম কর্তৃপক্ষ হয়ত বিষয়টি বুঝতে ভুল করেছে। এখানে স্পষ্ট লেখা আছে আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা হিসেবে শেবাচিম পরিচালকেরই এই অর্থ খরচ করার কথা! তিনিও বিষয়টি দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন।

    এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী একেএম মোজাম্মেল হক বলেন, একটি টাকাও খরচ করেনি এটি কোন কথা! কমিটির অজুহাতে যদি খরচ না করে থাকে তবে এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিষয়টি নিয়ে রিপোর্ট করার কথা বলেন মন্ত্রী।

  • বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত শেখ হাসিনা

    বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত শেখ হাসিনা

    আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন গবেষণা সংস্থা দ্য স্ট্যাটিসটিক্স শেখ হাসিনাকে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছে। দ্য স্ট্যাটিসটিক্সের গবেষণায় এ মনোনয়ন দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ স্বীকৃতিকে সরকারের অর্জন হিসেবে মন্তব্য করে জনগণকে উৎসর্গ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ আস্থা রেখেছে বলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। তবে বাংলাদেশের এই অর্জন অনেক অগেই সম্ভব হতো বলে মনে করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ’৭৫ এর ১৫ আগস্ট না এলে বাংলাদেশ আরো আগেই লক্ষ্য অর্জন করতে পারত। এদিন জাতিসংঘের উন্নয়নের সব সূচকে বাংলাদেশ তার লক্ষ্য পূরণ করে এগিয়ে আছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এদিকে উন্নয়নের সব সূচক পূরণ করে এখন উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ। এ অর্জনে সোমবার অভিনন্দন প্রস্তাব গ্রহণ করে মন্ত্রিসভা। বলা হয়, এই ধারাবাহিকতা আরো ছ’বছর অব্যাহত থাকলে ২০২৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি পাবে বাংলাদেশ।