Category: রাজণীতি

  • জাতিসংঘের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেনাপ্রধানের বৈঠক

    জাতিসংঘের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেনাপ্রধানের বৈঠক

    জাতিসংঘের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্র সফররত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

    গত ৮ ও ৯ জুলাই এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    জাতিসংঘ সদর দফতরের স্থায়ী মিশনে পৌঁছালে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন সেনাপ্রধানকে স্বাগত জানান। পরে তিনি সেনাপ্রধানকে বাংলাদেশ মিশনের কর্মপরিধি সম্পর্কে অবহিত এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন।

    এরপর সেনাপ্রধান সেক্রেটারি জেনারেলের সামরিক উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল কর্লোস উমবার্তো লতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সামরিক উপদেষ্টা বিভিন্ন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের পেশাদারিত্ব ও মানবিক কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    এছাড়া তিনি বিশ্ব শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের স্বতঃস্ফূর্ত সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    সেনাপ্রধান বাংলাদেশ থেকে একজন ফোর্স কমান্ডার নিয়োগের ব্যাপারে প্রস্তাবনা দেন। সামরিক উপদেষ্টা শিগগিরই বাংলাদেশ থেকে একজন ফোর্স কমান্ডার নিয়োগের ব্যাপারে আশ্বাস দেন।

    সেনাপ্রধান বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল, স্পেশাল ফোর্স এবং র‌্যাপিডলি ডেপ্লয়েবল ব্যাটালিয়ন মোতায়েনেরও প্রস্তাবনা দেন।

    এ সময় সামরিক উপদেষ্টা সেনাপ্রধানকে জাতিসংঘ সদর দফতরে একজন কর্নেল পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স জেনারেশন প্রধান হিসেবে নিয়োগপত্র হস্তান্তর করেন।

    বাংলাদেশের ৩১ বছর শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণে এই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদে বাংলাদেশকে নির্বাচন করা হলো।

    পাশাপাশি সামরিক উপদেষ্টা রোহিঙ্গা নাগরিকদের সহায়তায় বাংলাদেশ সরকারের প্রশাংসা করেন।

    army

    এরপর সেনাপ্রধান অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ডিপার্টমেন্ট অব অপারেশনাল সাপোর্ট মিস লিসা এম বাটেনহেইমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

    সাক্ষাৎকালে তিনি জাতিসংঘ সদর দফতরের কাছে বাংলাদেশ সরকারের প্রাপ্ত ৬০ মিলিয়ন ডলার (আনুমানিক ৫০০ কোটি টাকা) পরিশোধের অনুরোধ জানান।

    সেনাপ্রধানের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল তৎক্ষণাৎ আড়াইশ কোটি টাকা পরিশোধের অঙ্গীকার এবং অবশিষ্ট অর্থ স্বল্প সময়ের মধ্যে পরিশোধের আশ্বাস দেন। পরে সেনাপ্রধান আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল, পিস অপারেশনস মিস্টার জন পিয়েরে ল্যাক্রয়ের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

    উল্লেখ্য, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দ্বিতীয় বৃহত্তম সৈন্য প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সেনাপ্রধানের এ পরিদর্শন জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যায়।

  • রোহিঙ্গারা যত দ্রুত ফিরে যাবে ততই মঙ্গল: প্রধানমন্ত্রী

    রোহিঙ্গারা যত দ্রুত ফিরে যাবে ততই মঙ্গল: প্রধানমন্ত্রী

    মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের কারণে কক্সবাজারের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আমরা মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি। তাদের কারণে কক্সবাজারের প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, শিগগিরই রোহিঙ্গারা দেশে ফিরে যাবেন। তারা যত দ্রুত নিজ দেশে ফিরে যাবে ততই মঙ্গল।
    বুধবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে জলবায়ু অভিযোজন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় বনায়ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া, জলাবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় ‘ডেল্টা প্ল্যান ২১০০’ নামে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে সরকার। এটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে উপকূলের লোকজনের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।

    তিনি বলেন, জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। গত এক দশকে আর্থ-সামাজিক খাতে ব্যাপক উন্নতি ঘটেছে। সামনের দিনগুলোতে আর উন্নয়ন হবে।

  • ১২.৯ মিলিয়ন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

    ১২.৯ মিলিয়ন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার পাঁচ বছর মেয়াদে ১২ দশমিক ৯ মিলিয়ন অতিরিক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যার মধ্যে প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য ২ মিলিয়ন কর্মসংস্থান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ সময় ৯৯ লাখ শ্রমিক কাজে যোগ দেবে।

    ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিদেশে শ্রমিক পাঠানো হয়েছে আট লাখ ৮০ হাজার। শ্রমিকদের বৈদেশিক কর্মসংস্থান ২০৩০ সালের মধ্যে ৩৫ থেকে ৫০ শতাংশে উন্নীত হবে।

    বুধবার জাতীয় সংসদে নওগাঁ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুজ্জামান সরকারের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে দেশের বেকারত্ব দূর করতে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি আরও জানান, বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ তরুণ-তরুণী কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে দেশের শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে।

    এ বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। আমরা গত ১০ বছরে দেশের বিভিন্ন ইপিজেডে তিন লাখ পাঁচ হাজার ২৪২ জনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিয়েছি।

    তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকারের মেয়াদে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৬৫ হাজার ৫৪৬টি পদ সৃজনের সম্মতি দিয়েছে। এর মধ্যে ৫৯ হাজার ৬০৫টি পদের ছাড়পত্র দিয়েছে।

    বিকেন্দ্রীকরণ হবে দেশের শাসনব্যবস্থা 

    চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে। এ সময়ের মধ্যে দেশের শাসনব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে। সরকারি ব্যয়ের সিংহভাগ বাস্তবায়ন হবে স্থানীয় পর্যায়ে। স্থানীয় প্রশাসন এ দায়িত্ব পালন করবে। স্থানীয় প্রশাসন ও কেন্দ্রের সুস্পষ্ট সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিকল্পনা করা হবে।

    তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। বিনিয়োগ ক্রমাগত বাড়ছে, রফতানি ও প্রবাসী আয়ে উচ্চ প্রবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য বজায় আছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাজেট ঘাটতির পরিমাণ জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। আশা করা যায়, বিদ্যমান পরিবেশে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন সামনের দিনগুলোতে আরও বেগবান হবে। বাংলাদেশ শিগগিরই উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।

  • এরশাদকে যন্ত্র ও ওষুধের মাধ্যমে সচল রাখা হয়েছে: জিএম কাদের

    এরশাদকে যন্ত্র ও ওষুধের মাধ্যমে সচল রাখা হয়েছে: জিএম কাদের

    সাবেক রাষ্ট্রপতি, সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত আছে। তার সব কিছুই যন্ত্র এবং ওষুধের মাধ্যমে সচল রাখা হয়েছে। তবে তিনি বেঁচে আছেন।

    সোমবার দুপুরে বনানীতে পার্টি অফিসে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের)।

    তিনি বলেন, কৃত্রিমভাবে পল্লীবন্ধুর শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে। ফুসফুস কিছুটা কাজ করছে। সব কিছুই যন্ত্র এবং ওষুধের মাধ্যমে সচল রাখা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, অত্যাধুনিক ডায়ালাইসিস হেমো ডায়া ফিল্টারেশনের মাধ্যমে পল্লীবন্ধুর রক্ত থেকে অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য অপসারণ করা হচ্ছে। হেমো পারফিউশনের মাধ্যমে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

    জিএম কাদের বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে ঘুমের ওষুধ ও বেদনানাশক ওষুধ দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে। অবস্থার উন্নতি হলেই তাকে সচেতন করা হবে। এরশাদ ভালো আছেন এটা বলা যাবে না, তিনি শঙ্কামুক্ত নয়, তবে বেঁচে আছেন।

  • আমার ছেলেদের কেউ খারাপ বলতে পারবেন না : প্রধানমন্ত্রী

    আমার ছেলেদের কেউ খারাপ বলতে পারবেন না : প্রধানমন্ত্রী

    আমি কিন্তু খেলা দেখেছি। অনেক রাত পর্যন্ত। অফিশিয়াল কাজ যেমন করেছি, খেলাও দেখেছি। হয়তো একবার দেখতে পেরেছি, একবার পারিনি। যতটুকু সময় পেয়েছি, খেলা দেখেছি। আমি তো আমাদের ছেলেদের ধন্যবাদ জানাব, তারা যথেষ্ট সাহসের পরিচয় দিয়েছে। তাদের মধ্যে আলাদা আত্মবিশ্বাস কিন্তু এসেছে। ধীরে ধীরে আরও উন্নতি হবে।’ এভাবেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের পারফর্মেন্স নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার চীন সফর নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে ক্রিকেট প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    সেমিফাইনালে যাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মাত্র ৩ ম্যাচ জিতে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। নিউজিল্যান্ড, ভারত এবং বিশেষ করে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে টাইগারদের পারফর্মেন্স নিয়ে বেশ সমালোচনা হচ্ছে।

    কিন্তু ‘ক্রিকেটপ্রেমী’ হিসেবে খ্যাত শেখ হাসিনা এসব উড়িয়ে দেন, ‘আমরা যে এত দূর যেতে পেরেছি, এটা অনেক বড় ব্যাপার। আমাদের কিছু খেলোয়াড়, সাকিব আল হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান এরা বিশ্বে একটা স্থান করে নিয়েছে। আমি দোষ দেব না।

    খেলা এমন একটা জিনিস, অনেক সময় কিন্তু ভাগ্যও লাগে। সব সময় যে সবকিছু ঠিকমতো হবে, একই রকম হবে, সেটা নয়। ক্রিকেটাররা সাহসী মনোভাব নিয়ে মোকাবিলা করতে পেরেছে, আমি এটার প্রশংসা করি।

    ১০ দলর মাঝে মাত্র ৪ দল সেমিফাইনাল খেলছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এতগুলো দেশ খেলেছে। এর মধ্যে চারটা দেশ মাত্র সেমিফাইনালে উঠেছে। তাহলে কি আপনারা বলবেন বাকিরা সবাই খুব খারাপ খেলেছে? আমরা নিজেরাই নিজেদের ছোট করেন কেন? নিজেদের এত খারাপ বলি কেন? বরং আপনারা এটা বলেন, যে একেকজন জাঁদরেল জাঁদরেল খেলোয়াড়, দীর্ঘদিন যারা খেলে খেলে অভ্যস্ত, তাদের সঙ্গে মোকাবিলা করে আমাদের ছেলেরা খেলতে পেরেছে। তাদের খেলায় আত্মবিশ্বাসের কোনো অভাব তো আমি দেখি না।

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যে ক্রিকেটপ্রেমী তা সারাবিশ্বই জানে। সবসময় তিনি ক্রিকেটের খবর রাখেন। ক্রিকেটাররা তার সন্তানের মতো। ক্রিকেটের প্রতি সেই আবেগ থেকেই তিনি বলেন, ‘এখানে দোষ দেওয়ার কিছু নাই। দোষ যদি দিতেই হয়, ওই চারটি দল বাদ দিয়ে বাকি সব দলকেই দোষ দেন। খালি বাংলাদেশকে দোষ দেবেন না। আমি আমার ছেলেদের কখনো নিরুৎসাহিত করি না। আমি বরং ফোন করে ওদের বলি, খেলো তোমরা, তোমরা ভালো খেলেছ। ৩৮১ রান তাড়া করে (অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ) বাংলাদেশ ৩৩৩ রান করল। আপনারা চিন্তা করে দেখেন। তাহলে আপনারা খারাপ বলবেন কীভাবে? আমার ছেলেদের কেউ খারাপ বলতে পারবেন না।’

    শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন প্রথম সরকারের সময় থেকেই যে দেশের ক্রিকেটের উত্থান হচ্ছে, তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আরেকটা জিনিস খেয়াল করেন; আসলে খেলোয়াড় হিসেবে আসছে কারা, আপনি খেলোয়াড় পাচ্ছেন কোত্থেকে, কত জন পাচ্ছেন। প্রথম যখন সরকারে ছিলাম, আমাদের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ক্রীড়া মন্ত্রী ছিলেন, তখন থেকেই আমাদের মনোযোগ ছিল, আমাদের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা যেন বিভিন্ন খেলাধুলায় মনোযোগী হয়। সেই পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ছোট থেকে অভ্যস্ত করে করে, অনুশীলন করে করে, তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগানো হয়েছে। তাদের তৈরি করা হয়েছে। ধীরে ধীরে বাংলাদেশ কিন্তু ভালো করছে। এগিয়ে যাচ্ছে।

  • ডিএসসিসির সব ওয়ার্ডেই থাকবে মেডিকেল টিম

    ডিএসসিসির সব ওয়ার্ডেই থাকবে মেডিকেল টিম

    ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া মোকাবিলায় নগরবাসীর সচেতনতাই অনেক বড় শক্তি উল্লেখ করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, আগামী ১৫ জুলাই থেকে ডিএসসিসির ৫৭ ওয়ার্ডে মেডিকেল টিম থাকবে। আমরা হটলাইন চালু করব। সেখানে ফোন করলেই স্বাস্থ্যকর্মী বাসায় পৌঁছে যাবে। আমরা নগরবাসীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেব।

    সোমবার (৮ জুলাই) কাকরাইলে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ডিএসসিসি আয়োজিত সভায় এসব কথা বলেন মেয়র।

    সাঈদ খোকন বলেন, আমাদের একটু সচেতনতা আমাদের পরিবার ও শহরকে অনেক ভালো রাখতে পারে। ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। ডিএসসিসির মেয়র, কাউন্সিলরসহ সবাই আপনাদের পাশে আছি।’

    রিকশা বন্ধের বিষয়ে সাঈদ খোকন বলেন, ‘রিকশা সারা ঢাকা শহরের সব সড়ক থেকে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত আমরা নেইনি। ভিআইপি রোডে ঢাকার নর্থ সাউথ কানেকশনটা স্লো হয়ে গেছে। আমরা এ যোগাযোগের গতিটা বাড়ানোর জন্য মেইন সড়ক থেকে স্লো ভেইকেলগুলো বন্ধ করে দিচ্ছি। কিন্তু সারা শহর থেকে রিকশা বন্ধ করা হয়নি। পৃথিবীর কোনো দেশের রাজধানীতে রিকশা চলাচল করে না। আমাদের দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের এক জায়গায় পড়ে থাকলে চলবে না। আমরা রিকশার একটা জায়গায় আটকে থাকতে পারব না। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ আবুল হোসেন, প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির সভাপতি আরিফুর রহমান, ডিএসসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার ডা. শরিফ আহমেদ, ডিএসসিসির ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসিবুর রহমান মানিক, মুন্সী কামরুজ্জামান কাজল প্রমুখ।

  • ধর্ষণ যারা করে তারা মানুষ না: প্রধানমন্ত্রী

    ধর্ষণ যারা করে তারা মানুষ না: প্রধানমন্ত্রী

    রাজধানীর ওয়ারীতে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হওয়া শিশু সায়মার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, অপরাধীকে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করেছে এবং সে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

    ধর্ষণের মতো জঘন্য কাজ যারা করে, তারা মানুষ না- উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার অপরাধীদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিচ্ছে।

    সোমবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে চীন সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

    নারী ও শিশু ধর্ষণের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, সরকার ধর্ষণ রোধে আরও কোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে কি না? জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্ভাগ্য হচ্ছে ধর্ষণ সব সময় সব দেশে আছে। তবে এখন মেয়েরা সাহস করে কথাটা বলে। একটা সময় সামাজিক লজ্জার কারণে বলতে পারত না।

    ধর্ষণ রোধে পুরুষ সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘পুরুষ সমাজকেও বলব, ধর্ষণটা তো পুরুষ সমাজ করে যাচ্ছে, পুরুষ সমাজেরও একটা আওয়াজ তোলা উচিত। খালি নারীরাই চিৎকার করে যাবে নাকি? নির্যাতিত হয়ে সব চিৎকার করবে আর নির্যাতনকারীর স্বজাতি যারা আছে তাদেরও এ ব্যাপারে সোচ্চার হওয়া উচিত বলে মনে করি।

    সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • যেসব যুক্তিতে চাকরির বয়স ৩৫ না করার পক্ষে প্রধানমন্ত্রী

    যেসব যুক্তিতে চাকরির বয়স ৩৫ না করার পক্ষে প্রধানমন্ত্রী

    সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছর না করার পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী তিনটি বিসিএস পরীক্ষার ফলাফল তুলে ধরেন। সেখানে দেখা যায় ২৩ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে যারা পরীক্ষা দেয় তাদের পাসের হার ৪০-এর ওপরে আর ২৯ বছরের পরে যারা পরীক্ষা দেয় তাদের পাসের হার ৩ শতাংশের মতো।

    তিনি বলেন, ৩৫ বছর হলে কি অবস্থা হবে, হয়তো পাসের জন্য কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। ফলে এ ব্যাপারে তিনি নিরুৎসাহিত করেন।

    সোমবার গণভবনে চীন সফরের পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন শিক্ষার্থী ১৬ বছরে এসএসসি পাস করে। এইচএসসি ও অনার্স-মাস্টার্স করতে আরও ৭ বছর। সব মিলে ২৩ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে একজন শিক্ষার্থী মাস্টার্স পাস করে বের হয়। ২৩ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত বিসিএস পরীক্ষায় ভালো করতে পারে। এরপর যারা পরীক্ষা দেয় তারা ভালো করতে পারে না। সুতরাং চাকরির ক্ষেত্রে ৩৫ বছর করা কতটুকু যুক্তিযুক্ত তা দেশবাসী বিচার করবে।

    ৩৫তম বিসিএসের ফল প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২৩ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের মধ্যে যারা বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, তাদের পাসের হার হলো ৪০ দশমিক ৭ ভাগ, ২৫ থেকে ২৭ বছর যাদের বয়স, তাদের পাসের হার হলো ৩০ দশমিক ২৯ ভাগ। ২৭ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের পাসের হার হলো ১৩ দশমিক ১৭। ২৯ বছরের বেশি বয়সীদের পাসের হার ৩ দশমিক ৪৫ ভাগ।’

    ৩৬তম বিসিএসের ফল প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২৩ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের পাসের হার ৩৭ দশমিক ৪৫ ভাগ। ২৫ থেকে ২৭ বছর বয়সীদের পাসের হার ৩৪ দশমিক ৭৮ ভাগ। ২৭ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের পাসের হার ১৪ দশমিক ৮৯ ভাগ। ২৯ বছরের বেশি বয়সীদের পাসের হার ৩ দশমিক ২৩ ভাগ।’

    ৩৭তম বিএসএসের ফল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘২৩ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের পাসের হার ৪৩ দশমিক ৬৫ ভাগ। ২৫ থেকে ২৭ বছর বয়সীদের পাসের হার ২৩ দশমিক ৩৫ ভাগ। ২৭ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের পাসের হার ৭ দশমিক ২০ ভাগ। ২৯ বছরের বেশি বয়সীদের পাসের হার ০ দশমিক ৬১ ভাগ।’

    বিসিএসের তিন পর্বের ফল বিশ্লেষণ করে শেখ হাসিনা প্রশ্ন করেন, ‘কোনটা গ্রহণ করব এখন বলুন। আমি আর কিছু বলতে চাই না, আমি কেবল হিসাবটা দিলাম। চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ পর্যন্ত করলে অবস্থাটা কী দাঁড়াবে, আমাকে একটু বুঝিয়ে বলুন। কারণ তখন তো বিয়েশাদি হবে, ছেলে-মেয়ে হবে, ঘর সামলাতে হবে, বউ সামলাতে হবে আর বই কিনতে হবে। তখন তো আরও করুণ অবস্থা হয়ে যাবে। কাজ করার একটা সময় থাকে। একটা এনার্জি থাকে। এই যে একটা দাবি তোলা, এখন দাবি তোলার জন্য যদি দাবি তোলা হয়, আমার কিছু বলার নেই। এই দাবি তোলার জন্য কোনও না কোনও জায়গা থেকে নিশ্চয় কোনও প্রেরণা পাচ্ছে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৩৫ বছর বয়সে পরীক্ষা দিলে এর রেজাল্ট, ট্রেনিং, ট্রেনিং শেষ হতে যদি আরও দুই বছর লাগে, তাহলে ৩৭ বছর গেলো। ৩৭ বছরে চাকরি হলে কী হবে? চাকরির বয়স কিন্তু ২৫ বছর না হলে ফুল পেনশন পাবে না। ঠিক আছে, পেনশন না পেলো। তাহলে একটা সরকার কাদের দিয়ে চালাবো? আমরা সবসময় বলি, যারা মেধাবী, তরুণ, কর্মক্ষম তাদের দিয়েই তো আমাদের দেশের উন্নয়ন কাজ করবো। কিন্তু বয়স বাড়লে তো কাজের গতিও কমে। এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। যাই হোক, আমি শুধু হিসাবটাই দিলাম, দেশবাসী বিচার করুক, আপনারও বিচার করুন।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একসময় ছিল প্রাচ্যের অক্সফোর্ড, আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একসময় ঐতিহ্য ছিল। কিন্তু ’৭৫-এ জাতির পিতাকে হত্যার পর আমরা কী দেখেছি? একটা শ্রেণি নেমে গেলো অস্ত্র হাতে। গুলি-বোমা-অস্ত্রের ঝনঝনানি ছাড়া আর কিছুই শোনা যেতো না। সেশনজট তো নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার ছিল। আমরা আসার পর ধীরে ধীরে সে অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়েছি।’

    সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • রোহিঙ্গা ফেরাতে চীনের প্রেসিডেন্ট আশ্বাস দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

    রোহিঙ্গা ফেরাতে চীনের প্রেসিডেন্ট আশ্বাস দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

    চীনের প্রেসিডেন্ট শি চনি পিং বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে কাজ করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

    সোমবার বিকেলে গণভভনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    তিনি বলেন, চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমার বৈঠক হয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন- তারা বিষয়টি দেখবেন। রোহিঙ্গাদের ফেরানোর বিষয়ে মিয়ানমারের প্রতি তারা (চীন) দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

    চীন সফর শেষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজিন হয়। নিজের বক্তব্য পড়ার পর প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের
    জবাব দেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে চীনের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু তারাও উপলব্ধি করতে পেরেছেন যে, রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অবস্থান করা একটা চাপ। তারাও মনে করেন, বিষয়টি দ্রুত সমাধান হওয়া উচিৎ।

  • ধর্ষণ রোধে পুরুষদের সোচ্চার হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

    ধর্ষণ রোধে পুরুষদের সোচ্চার হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক :

    ধর্ষণ প্রতিরোধে পুরুষদের সোচ্চার হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, কেবল নারীরাই চিৎকার করে যাবে নাকি? এ ব্যাপারে পুরুষদেরও সোচ্চার হওয়া উচিত।

    আজ সোমবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে চীন সফরের নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ধর্ষণ প্রতিরোধে যা যা করার দরকার বা আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দরকার হলে সরকার তা–ই করবে। ধর্ষকদের শাস্তি দিতেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর বলে জানান তিনি।

    সম্প্রতি নারী ও শিশু ধর্ষণের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, সরকার ধর্ষণ রোধে আরও কোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে কি না? জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্ভাগ্য হচ্ছে ধর্ষণ সব সময় সব দেশে আছে। একটা সময় সামাজিক লজ্জার কারণে বলতে পারত না।

    সম্প্রতি রাজধানীর ওয়ারীতে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হওয়া শিশু সায়মার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, অপরাধীকে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করেছে এবং সে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। ধর্ষণের মতো জঘন্য কাজ যারা করে, তারা মানুষ না—উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার অপরাধীদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিচ্ছে।

    ধর্ষণ রোধে পুরুষ সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পুরুষ সমাজকেও বলব, ধর্ষণটা তো পুরুষ সমাজ করে যাচ্ছে, পুরুষ সমাজেরও একটা আওয়াজ তোলা উচিত।’ পুরুষদেরও কিছু করা উচিত জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালি নারীরাই চিৎকার করে যাবে নাকি? নির্যাতিত হয়ে সব চিৎকার করবে আর নির্যাতনকারীর স্বজাতি যারা আছে তাদেরও এ ব্যাপারে সোচ্চার হওয়া উচিত বলে মনে করি।’