Category: রাজণীতি

  • কাউকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য সংবাদ পরিবেশন করবেন না: শ ম রেজাউল

    কাউকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য সংবাদ পরিবেশন করবেন না: শ ম রেজাউল

    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, এমপি বলেছেন, ‘অনিয়ম, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদক, ইভটিজিং এর বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশন করুন। কে রক্তচক্ষু দেখালো, হুমকি দিলো, সেটা বিষয় নয়। সরকারের কেবিনেট মন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের পাশে আছি। আমার আত্মীয় স্বজন বা আমার অন্যায়ের বিরুদ্ধে হলেও নিউজ করতে আমি আপনাদেরকে উৎসাহিত করছি। তবে কারো দ্বারা প্রভাবান্বিত হয়ে কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য যেনো সংবাদ পরিবেশন না হয়। সে সংবাদে সরকারি দল বা বিরোধী দলের নেতা, যেই হোক তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে। গভীরে গিয়ে তথ্য অনুসন্ধান করে সংবাদ পরিবেশন করতে হবে।’।

    বুধবার সকালে রাজধানীর প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ এর সেমিনার কক্ষে পিরোজপুর জেলার সাংবাদিকদের জন্য সাংবাদিকতায় বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রশিক্ষণার্থী সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী এসব কথা বলেন। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, দায়িত্ব চিরস্থায়ী। সকলের জন্য কাজ করা হচ্ছে দায়িত্ববোধ। সততা, দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করা আমার কর্তব্য। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে আমি বিশ্বাস করি। আমি এক পয়সা ঘুষ খাব না, কমিশন নেব না, অনিয়মে সম্পৃক্ত হবো না, কোনো অনিয়মকে আমি সমর্থন করবো না’।

    মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনে করেন সংবাদ পরিবেশন করা সাংবাদিকের অধিকার, কৃপা নয়। তথ্যের অবাধ প্রবাহে শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন। একারণে তিনি তথ্য অধিকার আইন করেছেন, যাতে যেকোন মানুষ তথ্য পেতে পারে। বাংলাদেশের ইতিহাসে সংবাদমাধ্যমকে এত বেশী প্রসারিত করা, ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে এত বেশী লাইসেন্স দেয়া, প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়াকে এত বেশী কাজ করার সুযোগ দেয়া, শেখ হাসিনার বাইরে আর কেউ কোন দিন দেয়নি। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারেও ছিলো পিআইবিকে কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা, সাংবাদিকদের প্রশিক্ষিত করা’। ‘সংবাদ এ সমাজ ব্যবস্থাকে সভ্য করার জন্য, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, ইভটিজিং মুক্ত করার জন্য, মানবাধিকার ও সভ্যতাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য, অপরাধের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর জন্য’ বলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী।

    সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা নাগরিক দায়িত্বের বাইরে গিয়ে একটা বড় দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছেন। সংবাদমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। নানা রকম প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়ে আপনাদেরকে কাজ করতে হয়। মফস্বলের সংবাদাতাগণের কাছে সাংবাদিকতা পেশার চেয়ে নেশা হয়ে যায়। এটাকে আমি পবিত্রতার সঙ্গে দেখি। সমাজব্যবস্থায় সাংবাদিকদের উল্লেখযোগ্য দায়িত্ব আছে। আপনারা সেটা পালন করে চলেছেন। তবে শেখার শেষ নেই, অর্জনেরও শেষ নেই। সে জায়গা থেকে আপনারা বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন’। মন্ত্রী তার বক্তব্যে আরো যোগ করেন, ‘সংবাদপত্র, ইলেকট্রনিক মিডিয়া একটি শিল্পে পরিণত হয়েছে। অনলাইন পোর্টাল এখন সবচেয়ে জনপ্রিয়। মোবাইলে বসে সকল নিউজ এখন পাওয়া যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়াও এখন সংবাদ মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। এরকম একটি ব্যপ্তির জায়গায় আজ সংবাদ মাধ্যম চলছে’।

    প্রশিক্ষণার্থী সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘একটি সংবাদ একজনের জীবন বিপন্ন করে দিতে পারে, সামাজিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে পারে। আবার আপনারা সমঝোতা করলে দুর্নীতিগ্রস্ত লোক বেঁচে যেতে পারে। এ সমঝোতা করার জায়গায় আমি একমত নই। এ জন্য দ্বিতীয় বা তৃতীয় বার পরীক্ষা করে, অনুসন্ধান করে সংবাদ পরিবেশন করবেন। আপনাদের প্রশিক্ষণ যত বেশী হবে তত আপনারা সমৃদ্ধ হবেন। আর সেই প্রশিক্ষণ আধুনিক, সমৃদ্ধ, উন্নত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখবে। সাংবাদিকদের যেকোন প্রয়োজনে আমিসহ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় পাশে থাকবো।

  • বিএনপির মাথা জেলে, লেজ পলাতক

    বিএনপির মাথা জেলে, লেজ পলাতক

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল জিতেও কেন শপথ নিলেন না এর ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পাবনা-৩ আসন থেকে নির্বাচিত সরকার দলীয় এমপি মকবুল হোসেন বলেছেন, ‘বিএনপির মাথা জেলে আর লেজ পলাতক। তিনি শপথ নেবেন কীভাবে।

    বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেটের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

    মকবুল হোসেন বলেন, ‘জনশ্রুতিতে আছে-বগুড়ার ফখরুল ইসলাম জিতেও কেন শপথ নিলেন না, বলা হচ্ছে- তিনি শপথ নেবেন কী করে, বিএনপির মাথা (খালেদা জিয়া) জেলে, লেজ (তারেক রহমান পালাতক। এমতাবস্থায় ফখরুল সংসদে এসে যদি মনে করেন তিনিই বিএনপির সম্রাট, সে ভয়তো বিএনপির আছেই। তাই তাকে শপথ নিতে নিষেধ করা হলো, শপথ নিতে না দিয়ে পুনঃনির্বাচনের মাধ্যমে অন্য আর একজনকে আনা হলো। ইতোমধ্যে বিএনপির পাঁচজন এমপি শপথ নিয়েছেন, নবনির্বাচিত সদস্যও নিশ্চয় শপথ নেবেন। আবার তারাই বলছে অবৈধ সংসদ, যদি সংসদ অবৈধ হয় তাহলে শপথই বা নিলেন কেন, আসেনই বা কেন,’এমন প্রশ্ন রাখেন মকবুল হোসেন।

  • সক্ষমতা থাকলে আন্দোলন করে খালেদাকে মুক্ত করুন: কাদের

    সক্ষমতা থাকলে আন্দোলন করে খালেদাকে মুক্ত করুন: কাদের

    আন্দোলন করে বিএনপি নেতারা দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি নিতে পারলে কোনো আপত্তি নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি করলেও খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে বিএনপি নেতাদের আন্দোলন করার সাহস বা সক্ষমতা নেই বলেও মনে করেন ওবায়দুল কাদের।

    ক্ষমতাসীন দল হস্তক্ষেপ না করলে খালেদা জিয়া খুব শিগগিরই জামিনে মুক্ত হবেন-বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বারবার বলেছি, এখানে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা কোনো প্রকার বাধা ও হস্তক্ষেপ আগেও করেনি এখনো করবে না।’

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যদি তাদের সাহস থাকে, সক্ষমতা থাকে আন্দোলন করে মুক্তি নিয়ে আসুক আমাদের কোনো আপত্তি নেই, যেভাবে আনুক। বেগম জিয়াকে নিয়ে তারা আন্দোলন করুক না। অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি করে, মুক্তি নিয়ে কোনো আন্দোলন আজ পর্যন্ত করতে পারেনি।’

    তিনি বলেন, ‘বিএনপি ৫০০ লোক নিয়ে একটি মিছিলও করতে পারেনি। এটা কি তাদের দুর্বলতা না? তাদের আন্দোলন করার সাহস বা সক্ষমতা কোনোটাই নেই। তারা তাদের বিবেকের আদালতে প্রশ্ন করুক। একদিকে তারা নির্বাচনে ব্যর্থ অন্যদিকে আন্দোলনেও ব্যর্থ। বাংলাদেশে এ রকম ব্যর্থ বিরোধীদল ইতিহাসে আমার জানা মতে এর আগে কখনো দেখিনি।’

  • এরশাদের চিকিৎসার জন্য টাকার সংস্থান হয়নি : সংসদে রাঙ্গা

    এরশাদের চিকিৎসার জন্য টাকার সংস্থান হয়নি : সংসদে রাঙ্গা

    সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের চিকিৎসার জন্য টাকার সংস্থান হয়নি বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মশিউর রহমান রাঙ্গা।

    তিনি বলেন, আজকে উনি (এরশাদ) মৃত্যুশয্যায় কিন্তু উনার চিকিৎসার জন্য যে টাকার প্রয়োজন তার সংস্থান এখন পর্যন্ত আমরা করতে পারিনি। আমরা উনাকে যে চিকিৎসার জন্য বাইরে নিয়ে.. সেই অবস্থাও উনার তো নাই।

    জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) তিনি এসব কথা বলেন।

    পরে অবশ্য রাঙ্গা বলেন, এখন পর্যন্ত উনাকে (এরশাদ) বাইরে নিয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি হয়নি। আমরা চাই উনি আবার বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে সংসদে আসুক।

    আজ পর্যন্ত আমি কোনো সংসদ সদস্যের কাছে শুনি নাই যে, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ খারাপ লোক। কিন্তু বিএনপির ভাইদের কাছে শুনলেই তারা বিভিন্নজন বিভিন্নভাবে বলেন, এরশাদ খারাপ লোক। তারা বলেন, সাত্তারের কাছ থেকে জোর করে তিনি (এরশাদ) ক্ষমতা নিয়েছেন, এসব মিথ্যা কথা। কোনো দিন তিনি ক্ষমতা নিতে চাননি। এরশাদকে নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা বলেন- লোকটা কবে মরবে? এসব কথা শুধু বিএনপির পক্ষেই বলা সম্ভব।

    এরশাদ জোর করে কোনো ক্ষমতা গ্রহণ করেননি দাবি করে তিনি বলেন, সেই সময় হত্যা ও ডাকাতি মামলার আসামি মন্ত্রীদের বাসায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। হত্যা মামলার আসামিরা যদি মন্ত্রীর বাসায় আশ্রয় নেয়, সেই সরকারকে মানুষ কিভাবে এ দেশে রাখে? তাদেরকে যে উৎখাত করা হয় নাই, তাদেরকে যে এই দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়নি, এটাই বড়।

    জাপা মহাসচিব বলেন, দেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য এ সরকার যা করছে, আমরা তাতে সহযাগিতা করতে চাই। আমরাও চাই, বিএনপি সহযোগিতা করে এ দেশের মানুষদের জন্য কিছু করুক।

    বিএনপি সরকারের আমলে বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০০১ সালে আমার ৮ বছরের সন্তান নারায়ণগঞ্জ থেকে ফিরে আসার সময় শনিরআখড়ায় অপহরণ হয়েছিল। আমার একমাত্র সন্তান তখন ক্লাস ফ্লোরে পড়তো। রাত ৩টার সময় আমার ছেলের টেলিফোন পেলেও তার সঙ্গে যে কেয়ারটেকার ছিল তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। ড্রাইভারকেও ওষুধ খাইয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় এসব ঘটনা ঘটলেও বিএনপি আজ বড় বড় কথা বলে। ওই ঘটনার পর আমার ছেলে এখনও রাতে ভালোভাবে ঘুমাতে পারে না। কিন্তু আমি কোনো বিচার পাইনি।

    বিএনপি এমপিদের সমালোচনা করে রাঙ্গা বলেন, সংসদে আসলেন তবে দেরি করে। সেই তো নথ খসালি, তবে কেন লোক হাসালি। তারা (বিএনপি) সংসদে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমার কাছ থেকে সময় নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে কথা বলেন।

  • এরকম ব্যর্থ বিরোধী দল আগে কখনো দেখিনি: ওবায়দুল কাদের

    এরকম ব্যর্থ বিরোধী দল আগে কখনো দেখিনি: ওবায়দুল কাদের

    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘যদি তাদের সাহস থাকে, সক্ষমতা থাকে আন্দোলন করে মুক্তি নিয়ে আসুক। আমাদের কোনো আপত্তি নেই, যেভাবেই আনতে পারে।

    খালেদা জিয়াকে নিয়ে তারা আন্দোলন করুক না, অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি করে! কিন্তু খালেদার মুক্তি নিয়ে কোনো আন্দোলন তো বিএনপি আজ পর্যন্ত করতে পারেনি। সে কাজটি করতে পারেনি, পাঁচশ লোকের একটা মিছিলও হয়নি, এটা কি তাদের দুর্বলতা নয়? তাদের আন্দোলন করার সাহস আর সক্ষমতা- কোনোটাই নেই। তারা তাদের বিবেকের আদালতে প্রশ্ন করুক, আসলে তারা একদিকে নির্বাচনে ব্যর্থ অন্যদিকে আন্দোলনেও ব্যর্থ। বাংলাদেশে এরকম ব্যর্থ বিরোধী দল ইতিহাসে আমার জানামতে এর আগে কখনো দেখিনি।’

    বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজনৈতিক কোনো সহিংসতা আমাদের দেশে হচ্ছে না। রাজনীতি যারা করে, সংঘাতটা কখন হয়? যারা সরকারে আছে তাদের সঙ্গে, কিন্তু সেরকম কোনো পরিস্থিতি বাংলাদেশে ঘটেনি।

  • রিফাত হত্যায় পুলিশ বসে নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    রিফাত হত্যায় পুলিশ বসে নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    বরগুনায় দিন-দুপুরে স্ত্রীর সামনে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

    বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দুপুরে চট্টগ্রামের ইন্টারন্যশনাল কনভেনশন সেন্টারে ‘বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন অ্যাওয়ার্ড ২০১৯’ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘একটি দুঃখজনক ঘটনা। এ ঘটনা কেন ঘটেছে তা তদন্তের পর ডিটেইল জানানো হবে। ঘটনার পর পুলিশ কিন্তু বসে নেই। আমি আপনাদের জোর গলায় বলতে পারি পুলিশ এখন পিছিয়ে পড়া অবস্থায় এখন নেই। আমি সব সময় বলি আপনি যদি ১০ বছর আগের পুলিশ আর এখনকার পুলিশ চিন্তা করেন তাহলে ভুল করবেন। আমাদের পুলিশ এখন অনেক দক্ষ এবং ইনফরমেড। আমার কাছে এ মুহূর্তের খবর হলো ইতোমধ্যে দুজনকে গ্রেফতার হয়েছে। বাকি যে কয়জন নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত তাদের সবাইকে গ্রেফতার করা হবে।’

    এর আগে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশসেরা ৯ নারী ও এক পুরুষ পুলিশ কর্মকর্তার হাতে বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

    অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তরা হলেন- নারী পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজা লিজা, তাপতুন নাসরীন, জান্নাতুল ফেরদৌস, শম্পা রানী সাহা, ফহমিদা হক শেলী, মিনা মাহমুদা, মাফুজা বেগম, নুসরাত জাহান, আতিকা ইসলাম। এছাড়া এবার প্রথমবারের মতো কোনো পুরুষ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে এই অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন সিএমপির কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসীন।

    অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তদের শুভেচ্ছ জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় পুরুষের পাশাপাশি নারী সদস্যরাও অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করছে। নারী সদস্যরা বিশ্ব শান্তি রক্ষায়ও অবদান রাখছে। সরকার পুলিশকে জেন্ডার সংবেদনশীল বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, এবার প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামে আয়োজন করা হচ্ছে ‘বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন অ্যাওয়ার্ড ২০১৯’ বিতরণ অনুষ্ঠান। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়েশা খানম, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্কের সভাপতি সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার আমেনা বেগম বিপিএম, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার নূরুল আলম নিজামী, ডিআইজি গোলাম ফারুক, পুনাক সভাপতি হাবিবা জাবেদসহ নগর ও জেলা পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা।

  • রিফাতের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    রিফাতের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    বরগুনায় প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে (২৫) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের যেকোনো মূল্যে গ্রেফতার করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বরগুনার ঘটনা খুবই দুঃখজনক। যেকোনো মূল্যে এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন।

    বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা শহরের কলেজ রোডে সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের বড় লবণগোলা গ্রামের দুলাল শরীফের ছেলে রিফাত শরীফকে স্ত্রীর সামনে কুপিয়ে জখম করে একদল যুবক।

    তাকে প্রথমে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার শরীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

  • পদ্মা সেতুর কাজের অগ্রগতি ৭০ শতাংশ: ওবায়দুল কাদের

    পদ্মা সেতুর কাজের অগ্রগতি ৭০ শতাংশ: ওবায়দুল কাদের

    এখন পর্যন্ত পদ্মা সেতুর কাজের সার্বিক অগ্রগতি ৭০ শতাংশ হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি। পদ্মা সেতুর এ অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন সেতুমন্ত্রী।

    পদ্মা সেতুর অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সার্বিক অগ্রগতি ৭০ শতাংশ। ১৩তম স্প্যান বসানোর পর ১৪তম স্প্যান বসানোর প্রক্রিয়া আছে। তবে খারাপ আবহাওয়ার জন্য স্প্যানটি বসানো যায়নি। তবে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, যেকোনো সময় ১৪তম স্প্যান বসবে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজে এখন আর কোনো বাধা নেই। মাটির অবস্থা খারাপ থাকায় আমরা একসময় খুব অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলাম। কিন্তু সে অনিশ্চয়তা কেটে গেছে, এখন পদ্মা সেতুর কাজ যথারীতি চলছে এবং আমি অগ্রগতিতে সন্তুষ্ট।’

    মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরার মধ্যে পদ্মা নদীর ওপর হচ্ছে দ্বিতল পদ্মা সেতু। মূল সেতুর দৈর্ঘ্য (পানির অংশের) ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। ডাঙার অংশ ধরলে সেতুটি প্রায় ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে। খুঁটির ওপর ইস্পাতের স্প্যানের ভেতর দিয়ে চলবে ট্রেন। আর ওপর দিয়ে চলবে যানবাহন। পুরো সেতুতে মোট পিলারের সংখ্যা ৪২। ৪২টি খুঁটির ওপর এ রকম ৪১টি স্প্যান বসানো হবে।

    পদ্মা সেতু প্রকল্পে ব্যয় হবে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। পদ্মা সেতু হলে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অংশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়বে। এ সেতু চালু হলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি দেড় শতাংশ বেড়ে যাবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে।

  • রিফাতের খুনিরা যেন দেশ ছাড়তে না পারে : আইজিপিকে হাইকোর্ট

    রিফাতের খুনিরা যেন দেশ ছাড়তে না পারে : আইজিপিকে হাইকোর্ট

    বরগুনায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে রিফাত শরীফের হত্যাকারীরা যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারে সে বিষয়ে দেশের সব থানায় অ্যালার্ট জারি করতে বলেছেন হাইকোর্ট। পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন আদালত।

    একই সঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষকে এ বার্তা পুলিশপ্রধানকে (আইজিপি) জানিয়ে দিতে বলা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) বিকেল ৩টার দিকে হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    আদালতে এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। অন্যদিকে রিফাত হত্যার বিষয়ে আদালতে পত্রিকার প্রতিবেদন উপস্থাপনকারী আইনজীবী ব্যারিস্টর রুহুল কুদ্দুস কাজল উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে বরগুনায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে খুন করার ঘটনা দেশের বাংলা ও ইংরেজি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল আদালতের নজরে আনেন।

    এ সময় সংশ্লিষ্ট আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশারকে এ বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপ জানানোর নির্দেশ দেন আদালত।

    পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ঘটনার বিষয়ে বরগুনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারকে (এসপি) ফোন দিয়ে তাদের পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে জানেন।

    এরই ধারাবাহিকতায় দুপুরে আবদুল্লাহ আল মাহমুদ আদালতকে জানান, আপনাদের (আদালতের) আদেশের পর বরগুনার ডিসি, এসপি ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, ওই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা আজ (বৃহস্পতিবার) ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

    তিনি আরও বলেন, তাদের মধ্যে মামলায় চন্দন নামের ৪ নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এখনও মাঠে আছেন। আসামিদের গ্রেফতারে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী তৎপর রয়েছে, তাদের চিরুনি অভিযান চলছে।

    পরে আদালত বলেন, ‘একটি কলেজের সামনে রাস্তার ওপরে দিনে দুপুরে এ ঘটনা ঘটেছে। গতকাল ১১টার ঘটনা অথচ আজ মামলা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপ জোড়ালো মনে হচ্ছে না।’ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার বলেন, সবাইকে গ্রেফতার করে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।

    এ সময় আদালত বলেন, ‘মূল অভিযুক্তকে কি গ্রেফতার করা হয়েছে? কলেজের সামনে দিনে দুপুরে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের কার্যক্রম তৎপর মনে হচ্ছে না।’

    ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আসামিদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনটি টিম কাজ করছে। র‍্যাবও সঙ্গে যুক্ত আছে। আসামিদের বাড়ি ও তাদের স্বজনদের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব আসামিদের গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হবে।’

    আদালত বলেন, ‘বরগুনার পাশে পিরোজপুর জেলা আছে। এটি একটি উপকূলীয় এলাকা। এর আগে একটি মামলায় আসামি ধরার সময় উধাও হয়ে গেছেন। এ ক্ষেত্রে (রিফাত হত্যা) এমনটি হলে তা হবে দুঃখজনক। আসামিরা যেন দেশত্যাগ করতে না পারে, এ ব্যাপারে পুলিশপ্রধানকে জানিয়ে দিন।’

    ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে আদালত বলেন, ‘আপনি আমাদের বিষয়টির অগ্রগতি জানবেন। কোনো অনিয়ম দেখা দিলে আমরা তা নজরে রাখব।’ এ সময় আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস এ বিষয়ে আদালতকে আদেশ দেওয়ার আরজি জানান।

    ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, ‘নিহত রিফাতের স্ত্রীসহ পরিবারকে সার্বিক নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’ আদালত বলেন, ‘এ ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যতটা তৎপর হওয়া উচিৎ ছিল, তা মনে হয় হয়নি। বরগুনার পাশে সুন্দরবন ও তার পাশে কয়েকটি বর্ডার রয়েছে। আসামিরা যাতে বর্ডার ক্রস করতে না পারে সেজন্য পুলিশের আইজিপিকে পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হলো। আমরা আপাতত কোনো আদেশ বা রুল জারি করছি না। তবে, এ মামলায় কোনো অনিয়ম হয় কি না তা আমরা নজরে রাখব।’

    এ পর্যায়ে আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার আদালতকে জানান, ঘটনার পর ভিকটিমের স্ত্রী ও স্বজনদের যেন কোনো রকম হয়রানি বা হুমকি না দেওয়া হয় সেজন্য তাদের নিরাপত্তা দিতে বলেছি।

    আদালত বলেন, ঘটনায় জড়িদের বিরুদ্ধে এর আগেরও মামলা ছিল, এদের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আরও সচেতন থাকা উচিৎ ছিল।

    আগামী বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) আবার এ বিষয়ে শুনানির জন্য রাখছি। ওইদিন (৪ জুলাই) মামলার অগ্রগতির বিষয়ে আমরা শুনানি করব।

  • ছাত্রলীগ সভাপতির বুকে ছুরি ঢুকিয়ে দিলেন ফল ব্যবসায়ী

    ছাত্রলীগ সভাপতির বুকে ছুরি ঢুকিয়ে দিলেন ফল ব্যবসায়ী

    অনলাইন ডেস্ক :

    রাজশাহীর তানোরে ছুরিকাঘাতে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি সুজন আলী (২৮) নিহত হয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার গোল্লাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত সুজন আলী তানোর পৌরসভার রায়চাঁনআক্কা মহল্লার সাজ্জাদ আলীর ছেলে। তিনি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। গোল্লাপাড়া বাজারে ফলের দোকান রয়েছে তার।

    এ ঘটনায় তিনজনতে হেফাজতে নিয়েছে তানোর থানার পুলিশ। তবে তাদের নাম-পরিচয় জানাতে রাজি হননি তানোর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল ইসলাম।

    তিনি বলেন, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে হেফাজতে নেয়া হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এখনও ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততা স্বীকার করেননি তারা। এ নিয়ে নিহতের পরিবার মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    এদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাশের আরেক ফল ব্যবসায়ীর সঙ্গে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় সুজন আলীর। এক পর্যায়ে ওই ব্যবসায়ী সুজনকে ছুরিকাঘাত করেন। মুমূর্ষু সুজনকে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ইসমত আরা জানান, বুকে গভীর ক্ষত নিয়ে ওই যুবককে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেয়া হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে হাসপাতালে পৌঁছার আগেই মারা গেছেন তিনি।