Category: রাজণীতি

  • ‘ছাত্রলীগের সংকটের সমাধান আমার কাছে নেই’

    ‘ছাত্রলীগের সংকটের সমাধান আমার কাছে নেই’

    সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদেরছাত্রলীগে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে সেটার সমাধান তার কাছে নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের যে চার সহকর্মী দায়িত্বে আছেন তারা জবাব দিতে পারবেন।’

    শুক্রবার (২৮ জুন) ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

    ছাত্রলীগে উদ্ভূত সংকটের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ছাত্রলীগের ব্যাপারে আমাদের চারজন সহকর্মীকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দায়িত্ব দিয়েছেন। কাজেই এ সম্পর্কে আপনারা যদি কিছু জানতে চাইলে তারা জবাব দেবেন।’

    যদি এই চার নেতা ব্যর্থ হন তাহলে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তারা সফল কী ব্যর্থ, তার বিচার প্রধানমন্ত্রী করবেন। আমি নিজেও এ বিষয়ে খুব বেশি কিছু একটা জানি না। দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা ভালো বলতে পারবেন।’

    ছাত্রলীগের দায়িত্বে থাকা আওয়ামী লীগের চার নেতা হলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম ও বি এম মোজাম্মেল। গত ১৩ মে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর থেকেই পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়ায় পদবঞ্চিতা নেতারা আন্দোলন করছেন।

    এর পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিতর্কিতদের দ্রুত সময়ে কমিটি থেকে বাদ দিতে নির্দেশনা দেন। কিন্তু মাস পেরিয়ে গেলেও সমাধান হয়নি সে সমস্যার।

    ১ জুলাই থেকে নতুন সদস্য সংগ্রহ

    ওবায়দুল কাদের জানান, আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন সদস্য সংগ্রহের অভিযান কর্মসূচি শুরু করবে আওয়ামী লীগ। এবার সদস্য নবায়নের চেয়ে নতুন সদস্য সংগ্রহ গুরুত্ব দেওয়া হবে। জেলা, উপজেলা শাখা নিয়মাবলি মেনে সদস্য সংগ্রহের বই করবে ও সদস্য সংগ্রহ করবে সেই নির্দেশনা দিয়েছে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা।

    তিনি বলেন, ‘অনেক নবীন এবার নির্বাচনে নৌকার পক্ষে কাজ করেছে। এর মধ্যে ক্লিন চরিত্রের যারা আছে। আমরা তাদের নতুন সদস্য করবো। অন্য দল আগত কাউকে সদস্য করার ব্যাপারে দলের কোনও সিদ্ধান্ত নেই। সাধারণ রক্তের সম্পর্কের ব্যাপারটা- বিশেষ করে যুদ্ধাপরাধের ছেলেমেয়ে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই দেখবো। যাকে সদস্য করা হবে তার ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করা, ক্রিমিনাল রের্কড আছে কিনা, কোনও সম্প্রদায়িক দলের সঙ্গে সম্পর্ক আছে কিনা, সে বিষয়গুলো দেখা হবে।’

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম দফতর সম্পাদক ড.আবদুস সোবহান গোলাপ, দুর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আব্দুস সবুর, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, কেন্দ্রীয় সদস্য মারুফা আক্তার পপি ও আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

  • রিফাতের হত্যাকারীদের পক্ষে কোনো আইনজীবীকে না দাঁড়ানোর আহ্বান মোহাম্মদ নাসিমের

    রিফাতের হত্যাকারীদের পক্ষে কোনো আইনজীবীকে না দাঁড়ানোর আহ্বান মোহাম্মদ নাসিমের

    রিফাত শরীফের হত্যাকারীদের পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবীকে না দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম।

    তিনি বলেন, ‘বেশি টাকা নিয়ে আপনারা এ সন্ত্রাসীদের পক্ষে দাঁড়াবেন না। আপনারা বিবেক দিয়ে বিষয়টি বিবেচনা করবেন। শুধু টাকার জন্য খুনিদের পক্ষ কেন নেবেন? সন্ত্রাসীদের আইনি সহায়তা দেবেন না। তাদের পক্ষে দাঁড়াবেন না।’

    রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে শুক্রবার বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন সাবেক এ মন্ত্রী। শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

    ১৪ দলর মুখপাত্র বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাউকে খাতির করেন না। তিনি বিশ্বজিৎ ও নুসরাত হত্যাকাণ্ডের বিচার করেছেন। রিফাত ফরাজিকেও খাতির করবেন না। রিফাত ফরাজি দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। তাই আমি অনুরোধ করব, কোনো আইনজীবী রিফাতের মতো সন্ত্রাসীদের আইনি সহায়তা দেবেন না। তাদের পক্ষে দাঁড়াবেন না।’

    বরগুনার রিফাত শরীফের হত্যাকারীর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আশ্রয়দাতাদের গ্রেফতারের আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এ সদস্য আরও বলেন, ‘এ সব খুনিকে যারা আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে তাদেরও গ্রেফতার করতে হবে। কারণ তাদের অশ্রয় না দিলে তারা এতবড় দুঃসাহস দেখাতে পারতো না। একটা যুববকে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা করার মতো সাহস তারা দেখায় কীভাবে?’

    নাসিম বলেন, ‘শুধু খুনিদের গ্রেফতার করলেই হবে না। এরা রাজনৈতক আশ্রয়ে থেকে এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়। এদের স্থানীয় পুলিশও সহযোগিতা করে। এরা সন্ত্রাসী। তাদের কোনো দল নেই। এরা বিএনপি-জামায়াতের চেয়েও ভয়ঙ্কর।’

    শহীদ জননী জাহানারা ইমাম সম্পর্কে নাসিম বলেন, ‘তিনি ছিলেন একজন মহিয়সী নারী। তিনি ক্যান্সার নিয়ে ঘাতকদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন করেছেন। তিনি শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা নিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এ মামলা হয়েছিল বিএনপির আমলে। এ জন্য খালেদা জিয়ার বিচার হওয়া উচিত।’

    সংগঠনের নেত্রী দিনাত জাহান মুন্নির সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দিলীপ রায়, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা প্রমুখ বক্তব্য দেন।

  • গাঁজা খেতে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে খুন

    গাঁজা খেতে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে খুন

    পটুয়াখালীর বাউফলে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি সুভংকর হাওলাদার হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি সাইফুল ইসলামকে (২১) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মইনুল হাসান।

    পুলিশ সুপার মইনুল হাসান জানান, গত ২২ জুন সুভংকর ও তার লোকজন ১০০ টাকার জন্য সাইফুলকে মারধর করেন। তার প্রেক্ষিতে গত ২৪ জুন দুপুরে সাইফুল তার বাবার মোবাইল থেকে সুভংকরের সঙ্গে কথা বলেন ও ওইদিন সন্ধ্যায় দেখা করতে বলেন। সন্ধ্যায় তারা সোলাবুনিয়া বাজারে একসঙ্গে চা-সিগারেটও খান।

    তিনি আরও জানান, সাইফুল তাকে নিয়ে আশুলিয়া বাজার থেকে দক্ষিণ দিকে গোলাবাড়ি বাজারে যান এবং একটি চায়ের দোকানে চা-সিগারেট খান। পরে গাঁজা খাওয়ার কথা বলে আদাবাড়িয়া আতোষখালী গ্রামের ৭নং ওয়ার্ডের জয়নালের বাড়ির পাশে গোলাবাড়ির খালে গিয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে জঙ্গলে গেলে সাইফুল তাকে পেছন থেকে লাথি মারেন। এতে সুভংকর পড়ে গেলে সাইফুল সুভংকরকে রুমাল দিয়ে গলায় ফাঁস দেন। এতে তার মৃত্যু হলে সাইফুল কোমরের বেল্ট দিয়ে টেনে তাকে খালের পানিতে ফেলে দেন।

    তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় আদাবাড়িয়ার মিলঘর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাইফুলকে গ্রেফতার করা হয়।

    বাউফল থানার ওসি খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ইতোমধ্যে সুভংকরের বাবা সত্য হাওলাদার বাদী হয়ে বাউফল থানায় অজ্ঞাত আসামির নামে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় আজ সাইফুলকে জেল হাজতে পাঠানো হবে।

    উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন পটুয়াখালীর বাউফলে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি সুভংকর হাওলাদারের ভাসমান মরাদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

  • আগৈলঝাড়ায় আগুনে পোড়া ব্যবসায়ীদের সাহায্য প্রদান

    আগৈলঝাড়ায় আগুনে পোড়া ব্যবসায়ীদের সাহায্য প্রদান

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় আগুনে পুড়ে যাওয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের পুণর্বাসন করতে নগদ অর্থ সহায়তা ও ঢেউটিন বরাদ্দ করেছে সরকার।

    সরকারের ত্রাণ মন্ত্রনালয় থেকে উপজেলার কোদালধোয়া বাজারে আগুনে পুড়ে যাওয়া পাঁচটি দোকান মালিকদের দোকান উত্তোলনের জন্য ১০ বান্ডিল ঢেউটিন এর সাথে ৩০ হাজার টাকা এবং পুণর্বাসনের জন্য আরও নগদ ৭৫ হাজার টাকা বরাদ্দ করেছে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাস ২৫জুন বরাদ্দ প্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, খুব শিঘ্রই ক্ষতিগ্রস্থদের হাতে বরাদ্দকৃত টিন ও নগদ অর্থ তুলে দেয়া হবে।

    প্রসংগত, ২১জুন শুক্রবার গভীর রাতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে গোপাল ওঝার ভাড়াটিয়া সুমন পান্ডের কম্পিউটারের দোকান, অনিল শীলের ভাড়াটিয়া দেবাশীষ সরকারের মিস্টির দোকান, গোবিন্দ পান্ডের মুদি দোকান, ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি পল্লী চিকিৎসক সুধীর ওঝার চেম্বার ও ফার্মেসী ও পূর্ণ পান্ডের চটপটির দোকানসহ পাঁচটি দোকান সম্পূর্ন পুড়ে যায়।

    ২৩ জুন ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করে তাদের সমবেদনা জানিয়ে পুণর্বাসনের আশ্বাস দিয়েছিলেন আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি। এর আগে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও বরিশাল ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলামসহ স্থানীয় প্রশাসন ও আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছিলেন।

  • ১৮ বছরে বেসরকারি বিনিয়োগ বেড়েছে চার গুণ

    ১৮ বছরে বেসরকারি বিনিয়োগ বেড়েছে চার গুণ

    ১৮ বছরের ব্যবধানে দেশে বেসরকারি বিনিয়োগ বেড়েছে চার গুণের বেশি। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে বেসরকারি বিনিয়োগ ছিল ১৪ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

    অর্থাৎ এ সময়ে বেসরকারি বিনিয়োগ বেড়েছে ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা চারগুণের বেশি।

    শুক্রবার সকালে রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত শিল্প মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রদান করে শিল্প মন্ত্রণালয়।

    বেসরকারি বিনিয়োগসহ প্রবাসী আয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা, রাজস্ব আহরণ, খাদ্যশস্য উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাতে ২০০৫-০৬ অর্থবছরে দেশের অবস্থান কী ছিল, তা ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সঙ্গে তুলনা করে একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, ১৮ বছরের ব্যবধানে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।

    শিল্প মন্ত্রণালয় বলছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিশ্বদরবারে নিম্ন-মধ্যম আয়ের এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের মর্যাদা পেয়েছে। তার বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে সমৃদ্ধির পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

    শিল্প মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য ১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে। প্রবাসী আয় ৪ দশমিক ৯ থেকে বেড়ে ১৫ বিলিয়ন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন থেকে ৩৩ বিলিয়ন, বেসরকারি বিনিয়োগ ১৪ দশমিক ৮ বিলিয়ন থেকে হয়েছে ৭০ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার।

    ঋণ জিডিপির অনুপাতে ৪৪ শতাংশ থেকে কমে ৩২ শতাংশ, শিশুমৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ৪৫ জন থেকে ২৪ জনে, গড় আয়ু ৬৫ বছর থেকে ৭২ দশমিক ৮ বছর, সাক্ষরতার হার ৫৩ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে হয়েছে ৭২ দশমিক ৮ শতাংশ।

    বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা চার হাজার ৩৮৫ মেগাওয়াট থেকে ২১ হাজার ৬২৯ মেগাওয়াট, বিদ্যুৎ সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৪৭ শতাংশ থেকে ৯৩ শতাংশ, দৈনিক গ্যাস সরবরাহ এক হাজার ৪৪৩ এমসিএফ থেকে হয়েছে দুই হাজার ৭৪৬ এমসিএফ।

    জাতীয় রাজস্ব আহরণ ৪২ হাজার কোটি টাকা থেকে তিন লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা, জিডিপির আকার ৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ৩০২ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, মাথাপিছু আয় ৫৪৩ মার্কিন ডলার থেকে এক হাজার ৯০৯ মার্কিন ডলার, বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি (২০১০) ১০ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ, খাদ্যশস্য উৎপাদন (২০১০) ৩৬০ দশমিক সাত লাখ মেট্রিক টন থেকে হয়েছে ৪২৯ দশমিক ৯৩ মেট্রিক টন।

    জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ থেকে ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ (২০১৭), দরিদ্র জনসংখ্যার হার ৩৮ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে ২১ দশমিক ৮ শতাংশ এবং অতি-দরিদ্র জনসংখ্যার হার ২৪ দশমিক ২ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৩ শতাংশে।

  • বরিশালে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত বধ্যভূমি ও টর্চার সেলের ডিজাইন হস্তান্তর

    বরিশালে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত বধ্যভূমি ও টর্চার সেলের ডিজাইন হস্তান্তর

    অনলাইন ডেস্ক:

    ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত বরিশাল বধ্যভূমি ও মুক্তিযুদ্ধের টর্চার সেল রক্ষার চূড়ান্ত ডিজাইন বুঝে নিয়েছেন বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    মুক্তিযোদ্ধা ট্রাস্টি মফিজুল হক, স্থপতি রবিউল হোসাইন, মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর ও বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের ট্রাস্টি আরকিটেকচার আবু সাইদ মেয়রকে ডিজাইন বুঝিয়ে দেন।

    ডিজাইন হস্তান্তরকালে সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র সাথে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও নাট্যজন সৈয়দ দুলাল উপস্থিত ছিলেন।

  • রাষ্ট্রপতি এবার হজ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন

    রাষ্ট্রপতি এবার হজ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতি বছর হজ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। কিন্তু এবার তিনি দেশের বাইরে থাকায় হজ কার্যক্রম- ২০১৯ এর উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

    আগামী ২ জুলাই দুপুর ২টায় রাষ্ট্রপতি আনুষ্ঠানিকভাবে হজ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    আগামী ৪ জুলাই থেকে চলতি বছরের হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৪ ও ৫ জুলাই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চারটি ফ্লাইটের যাত্রীদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের ১ ও ২ জুলাই আশকোনা হজ ক্যাম্পে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।

    বছর ঘুরে ফের হজ কার্যক্রম উদ্বোধন উপলক্ষে আশকোনা হজ ক্যাম্পে এখন চলছে সাজ সাজ রব। আগামী ৩০ জুন হজ মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন হবে। পরের দিন থেকে হজ ক্যাম্পে হজযাত্রীদের আগমন শুরু হবে।

    চলতি বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজে যাবেন। তাদের মধ্যে সাত হাজার ১৯৮ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং এক লাখ ২০ হাজার জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ করবেন।

    গত ১৬ জুন থেকে রাজধানীসহ সারাদেশে হজে গমনেচ্ছুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং তাদের ইনফ্লুয়েঞ্জা ও ম্যানেনজাইটিস টিকা দেয়া হচ্ছে। গতকাল (২৭ জুন) বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৭৭ হাজার ৭০০ জনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকাদান সম্পন্ন হয়।

    সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অনলাইনে প্রথমবারের মতো ভিসা প্রদান শুরু করেছে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় তিন হাজার ৮০০ হজযাত্রীর ভিসা দেয়া হয়েছে।

    প্রতি বছরের মতো এবারও রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স মোট হজযাত্রীর শতকরা ৫০ শতাংশ (৬৩ হাজার ৫৯৯ জন) পরিবহন করবে। বাকি ৫০ শতাংশ সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইন্স পরিবহন করবে।

    বিমান সূত্রে জানা গেছে, এ বছর শিডিউল ফ্লাইটসহ মোট ৩৬৫টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। এর মধ্যে ৩০৪টি ডেডিকেটেড ও ৬১টি শিডিউল ফ্লাইট। ৪ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত হজের আগে ১৮৯টি (ডেডিকেটেড ১৫৭ ও শিডিউল ৩২টি) এবং হজ-পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ ১৭ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১১৫টি ফ্লাইট (ডেডিকেটেড ৮৬ ও শিডিউল ২৯টি) পরিচালিত হবে। এসব ফ্লাইটের মধ্যে বাংলাদেশে থেকে মদিনা ১৮টি এবং মদিনা থেকে বাংলাদেশে ১৫টি ফ্লাইট সরাসরি পরিচালিত হবে। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৯টি ও সিলেট থেকে তিনটি ফ্লাইট পরিচালিত হবে।

    প্রত্যেক হজযাত্রী দুটি লাগেজে ৪৬ কেজি ওজনের মালামাল এবং কেবিন লাগেজে সাত কেজি মালামাল সঙ্গে নিতে পারবেন।

    চলতি বছর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি হজযাত্রীদের একটি বড় অংশের ইমিগ্রেশন (সৌদি আরব অংশের) শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সম্পন্ন হবে। ফলে হজযাত্রীদের এবার জেদ্দা বিমানবন্দরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে না।

  • বরগুনায় রিফাতকে কুপিয়ে হত্যায় জড়িত ১৩ জন শনাক্ত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    বরগুনায় রিফাতকে কুপিয়ে হত্যায় জড়িত ১৩ জন শনাক্ত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক :: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, বরগুনায় স্ত্রীর সামনে প্রকাশ্যে স্বামী রিফাতকে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত আমরা ১৩ জন শনাক্ত করেছি। এর মধ্যে চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদেরও শিগগিরই গ্রপ্তার করা হবে। যে দলেরেই হোক, কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। সবাইকে আইনের আওয়তায় আনা হবে।

    শুক্রবার (২৮ জুন) পুরান ঢাকার পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের ইতিহাস ঐতিহাসিক ভবন সংরক্ষণ ও পারিপার্শ্বিক উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, আমাদের পুলিশ ও গোয়েন্দা সসদস্যরা অত্যন্ত দক্ষ। আমাদের নজর এড়িয়ে কেউ পার পায়নি। রিফাত হত্যায় যারা জড়িত, তাদের অধিকাংশই ধরা পড়েছে। বাকি যে কয়েকজন আছে, তারা অচিরেই ধরা পড়বে— এটা নিশ্চচিত থাকুন।

    তিনি বলেন, বরগুনায় যে ঘটনা ঘটেছে, সেটি কেন ঘটেছে তদন্ত করে জানানো হবে। তবে এটি দুঃখজনক। এ ঘটনায় পুলিশ বসে নেই। যতগুলো ঘটনাই ঘটুক বাংলাদেশে, পুলিশের দক্ষতা-সক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ফেনীর মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণের ঘটনাতেও আমি বলেছি, আমরা কাউকে ছাড় দেবো না। সেখানে দেখেছেন, আমাদের দলের যারা ওই ঘটনায় জড়িত ছিল, তাদেরও আমরা ছাড় দিইনি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছেন। তাই আপনারা যারা সন্দেহ করছেন, আমাদের দলের কেউ জড়িত থাকলে ছাড় পাবে— আপনাদের এই ধারণা ভুল।

    এর আগে, বুধবার (২৬ জুন) সকালে বরগুনা কলেজের সামনের সড়কে প্রকাশ্যে স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির সামনেই তার স্বামী রিফাত শরীফকে চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করেন নয়ন বন্ডসহ তার সহযোগীরা। মিন্নি চেষ্টা করেও তাদের নিবৃত করতে পারেননি।

  • কথা দিচ্ছি, আগামী মৌসুম থেকে ধানের ন্যায্যমূল্য

    কথা দিচ্ছি, আগামী মৌসুম থেকে ধানের ন্যায্যমূল্য

    কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘আমি কথা দিচ্ছি, আগামী মৌসুম থেকে কৃষক তার ধানের ন্যায্যমূল্য পাবে। এছাড়া বাংলাদেশের মানসম্পন্ন সবজি যাতে বিদেশে রপ্তানি হতে পারে এবং কৃষক যেন সবজির দামও পান সে ব্যবস্থা করা হবে।

    শুক্রবার বিকেলে ফার্মগেটের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) চত্বরে আয়োজিত বীজমেলা- ২০১৯ এর উদ্বোধনের পর মন্ত্রী বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন।

    কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক বলেন, আমরা কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণ করছি। এজন্য কৃষকদের ভর্তুকি দিয়ে উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতি দেয়ার ব্যবস্থা করছি। এছাড়া যারা অবস্থাসম্পন্ন তারা অনেকেই কৃষি ক্ষেত্রে যন্ত্রের ব্যবহার করছে। যারাই যন্ত্রের ব্যবহার করছে তারাই কৃষিতে লাভবান হচ্ছে। আগামীতে কৃষিযন্ত্র যাতে সমবায় ভিত্তিতে কৃষকের কাছে পৌঁছাতে পারে, সে প্রচেষ্টা আমরা করছি।

    তিনি বলেন, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ হলে কৃষক অবশ্যই লাভবান হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রাম ও শহরের মধ্যকার পার্থক্য দূর করার যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন তার মূল বিষয় হলো কৃষককে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করা। সে ব্যবস্থা সরকার করছে।

    এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, রাজধানীর পূর্বাচলে দুই একর জমির ওপর আধুনিক একটা ল্যাবরেটরি স্থাপন হবে। সেখানে দেশে উৎপাদিত সবজি ভালোভাবে পরীক্ষা করে বিদেশ পাঠানো হবে। কৃষক সরাসরি এখানে তাদের ফসল সরবরাহ করবে। এতে কৃষকও লাভবান হবে।

    তিনি বলেন, কৃষির উন্নয়নে বীজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভালো বীজে ভালো ফলন। ভালো বীজ বাছাইয়ে ভালো করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কোন কোম্পানির বীজ ভালো তা বাছাই করে বীজ কিনতে হবে।

    মন্ত্রী বলেন, উৎপাদন বাড়ানোর জন্য নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন হচ্ছে। এজন্য উৎপাদনও বেড়ে যাচ্ছে। আমরা এখন বীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পন্ন। খুব সামান্য বীজই এখন আমাদের বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।

  • বরগুনার নৃশংস খুন নিয়ে যা লিখলেন স্থানীয় এমপি শম্ভুর ছেলে

    বরগুনার নৃশংস খুন নিয়ে যা লিখলেন স্থানীয় এমপি শম্ভুর ছেলে

    বরগুনার নৃশংস খুন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে যা লিখলেন স্থানীয় এমপি শম্ভু দেবনাথের ছেলে সুনাম দেবনাথ। যা পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে দেয়া হলো-

    প্রথমেই আমরা স্পস্ট হবো নাম নিয়ে, কারণ যে মারা গেছে আর যারা মেরেছে তাদের নাম এক হওয়াতে আমরা গুলিয়ে ফেলছি। কাকতালীয়ভাবে দুই জনের বাবার নামও এক। যে ছেলেটিকে হত্যা করা হলো তার নাম রিফাত শরীফ, পিতার নাম দুলাল শরীফ, সাং ৬ নং ইউনিয়ন।

    আর হত্যাকারীদের মধ্যে প্রধান হচ্ছে নয়ন,এবং তার সহযোগীরা হচ্ছে রিফাত ফরাজী, পিতা দুলাল ফরাজী, সাং বরগুনা ধানসিড়ি রোড। এবং রিফাতের ছোট ভাই রিসান ফরাজী, পিতাঃ ও সাংঃ ঐ

    এই রিফাত ও রিশানের অন্য একটি পরিচয় রয়েছে, তারা দুজনই সাবেক সাংসদ ও বর্তমান জেলা চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের ভায়রার ছেলে। যারা আদর করে তাকে বাবা বলেই সম্মোধন করে।

    রিফাত ও নয়নদের আরো একটি পরিচয় আছে, তারা অত্র এলাকায় এমন কোন ছাত্রাবাস নাই যেখান থেকে ছাত্রদের ল্যাপটপ, মোবাইল, টাকা ইত্যাদি ছিনতাই এবং চুরি করে নিয়ে আসেনাই। এ নিয়ে বহুবার মামলা হয়েছে, বহুবার জেল খেটেছে, কিছুদিন পর আবার ছাড়াও পেয়েছে। তাদের নামে কতোগুলো মামলা রয়েছে তা থানা কর্তৃপক্ষ ভালো বলতে পারবেন।

    নয়ন (নয়ন বন্ড) সবথেকে বেশি নজরে এসেছে তখন যখন নয়ন একটি বড় ধরনের মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়েছিল প্রায় ১২ লক্ষ টাকার মাদক পুলিশ উদ্ধার করে নয়নের কাছথেকে। রিফাত ফরাজীর বিভিন্ন অপকর্মের নালিস থানায় দেয়ার পাশা পাশি তার খালু জেলা চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের কাছেও দেয়া হয়েছিল, কিন্তু বারবার নালিশ কারিদের সেখান থেকে অপমান, অপদস্ত হয়ে ফিরেআসতে হয়েছে।

    ভুক্তভোগীদের মধ্যে একজনার নাম তরিকুল ইসলাম ২০১৭ সালে একবার এই রিফাত আর রিসান ফরাজী সামান্য কথাকাটিতে তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছিল, এনিয়ে তরিকুলের বাবা বাদি হয়ে থানায় মামলাও করেছিলো। বিচার নিয়ে গিয়েছিলো তার খালু দেলোয়ার হোসেনের কাছে। কিন্তু অপমান হয়ে ফিরতে হয় তাদের। এর পরে ভয়ে সে তার ছেলেকে বরিশালে পড়ালেখা করতে পাঠিয়ে দেয়। বর্তমানে তরিকুল বরিশালে পড়া লেখা করছে।

    আর একজন ভুক্তভোগী হচ্ছেন বরগুনা পৌরসভার একজন কাউন্সিলর, নান্না কমিশনার। তার বাসায় কিছু ছাত্ররা ভাড়া থাকে, সেখান থেকে এই রিফাত ফরাজী ৫টা মোবাইল ছিনতাইকরে, এবং তার প্রতিবাদ করায় এই রিফাত ফরাজী তার সামনে রামদা নিয়ে আসে। নান্না কমিশনার দেলোয়ার হোসেনের একজন প্রধান কর্মি হওয়াতে তারকাছে নালিস দিলে, তাকেও সেখান থেকে অপমান হয়ে আসতে হয়। এবং এরকম ঘটনা রিফাত করতেই পারেনা বলে তাকে সেখানথেকে অপমান করে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

    ডিকেপি রোডের ডাঃ আলাউদ্দিন এর ভাড়া বাসায় কিছু ছাত্ররা ভাড়া থাকতো সেখান থেকে এই রিফাত প্রায় ২০টি মোবাইল ও ল্যাপটপ ছিনতাই করে নিয়ে আসে, পরে তখনকার ওসি রিয়াজের হস্তক্ষেপে রিফাত ফরাজীর বাবাকে থানায় এনে সেই সকল মোবাইল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন সময় তারা অন্যান্ন ছাত্রাবাস থেকে মোবাইল, ল্যাপটপ ছিনতাই করে নিয়ে আসতো।
    এরকম আরো অনেক ঘটনা আছে, যা বলে শেষ করা যাবেনা।

    যে ছেলেটির ঘটনা প্রথমেই বলেছি (তারিকুলের) সে বর্তমান ঘটনার প্রেক্ষিতে ফেসবুকে লিখেছে “ ২০১৭ তে আমার ঘটনার বিচার হলে আজ রিফাতের প্রাণ হারাতে হতো না”। লেখাটি কতোটা গুরুত্ববহন করে তা এখন আমরা বুঝতে পারছি।

    রিফাত শরিফ আমাদের খুব কাছের ছোট ভাই ও কর্মী ছিলো, এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের সাথে থেকেই নির্বাচনী প্রচারণা করেছে। নিজের কাছে খুব খারাপ লাগছে, রিফাতের মৃত্যু সংবাদে। তবে এ খুনের পেছনে আরো অনেক রহস্য আছে। বিভিন্ন খবর ও মিডিয়াতে যাকে এখন হিরো বানানো হচ্ছে মূল ভিলেন সে নিজেও হতে পারে, রিফাত শরিফের বন্ধুদের থেকে এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে তাতে এটাই বুঝা যায়। আর একটু সময় পার হলে হয়তবা আরো ক্লিয়ার হওয়া যাবে।

    কারোর অত্মীয় হওয়া কোন অপরাধ না। তবে পূর্বের ঘটনা গুলোর সঠিক বিচার হলে কিংবা ঠিকঠাক শাসন করা হলে আজ রিফাত শরিফকে মরতে হতো না।