Category: রাজণীতি

  • সিঙ্গাপুরে নেয়া হতে পারে এরশাদকে

    সিঙ্গাপুরে নেয়া হতে পারে এরশাদকে

    সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নিবিড় পর্যবেক্ষণে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

    শারীরিক অবস্থা বিবেচনা-সাপেক্ষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হতে পারে।

    এ বিষয়ে আজ (বুধবার) রাতে সিদ্ধান্ত হবে। এ তথ্য জানিয়েছেন জাপা মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা।

    বুধবার সকালে অসুস্থবোধ করায় সিএমএইচে ভর্তি করা হয় সাবেক এই রাষ্ট্রপতিকে। বিষয়টি ওই সময় নিশ্চিত করেন জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও তার ছোট ভাই গোলাম মোহাম্মদ কাদের।

    earsad

    জাতীয় পার্টির বিভাগীয় সাংগঠনিক সভায় দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শরীর আজ ভালো নেই। তিনি সকালে সিএমএইচে গেছেন।

    জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা জানান, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

    তবে এরশাদের ব্যক্তিগত এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে জানান, স্যার রুটিন চেকআপের জন্য নিয়মিত সিএমএইচে যান। সেখানে তার চিকিৎসা হয়। যখন খারাপ লাগে তখনই উনি সিএমএইচে যান।

    সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে চিকিৎসকরা জানাতে পারবেন বলেও জানান ওই ব্যক্তিগত কর্মকর্তা।

    সর্বশেষ গত ২০ জানুয়ারি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য যান এরশাদ। সেখান থেকে ফেরেন ৪ ফেব্রুয়ারি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে অর্থাৎ ২০১৮ সালের ১০ ডিসেম্বর চিকিৎসার জন্য সে দেশে যান এরশাদ। ভোটের মাত্র তিনদিন আগে ২৬ ডিসেম্বর ফেরেন তিনি।

  • মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ যায় কোথায়?

    মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ যায় কোথায়?

    সারাদেশে দেড় লক্ষাধিক ফার্মেসিতে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার ওষুধ বিক্রি হয়। নিয়ম অনুযায়ী ফার্মেসি থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংগ্রহ করে এর একটি তালিকা তৈরি করা। এরপর নির্দিষ্ট দিনে তা ধ্বংস করে এই রিপোর্ট ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরে জমা দিতে হয়। কিন্তু উৎপাদনকারী ও আমদানিকারকরা কখনই এ প্রতিবেদন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরে জমা দেন না।

    অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ আগুনে পুড়িয়ে ফেলা কিংবা এর কোনো তালিকা কখনই ওষুধ প্রশাসনে জমা পড়েনি বলে স্বীকার করেন।

    সারাদেশে ওষুধ প্রশাসনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত বৈধ ফার্মেসি সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। জনশ্রুতি রয়েছে, লাইসেন্সপ্রাপ্ত বৈধ ফার্মেসি সংখ্যার চেয়ে অবৈধ ফার্মেসির সংখ্যা বেশি। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে এসব ফার্মেসির মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ যায় কোথায়?

    সম্প্রতি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, রাজধানীর শতকরা ৯৩ ভাগ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রয়েছে। অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও ভীতিজনক এ তথ্য প্রকাশিত হলে সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে আদালতে রিট হয়। আদালত দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাজার থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ তুলে ফেলার নির্দেশ দেন।

    আদালতের নির্দেশের পর টনক নড়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের। বহুল আলোচিত এ বিষয়টি নিয়ে মহাখালী ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, আমদানিকারক ও কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নেতাদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

    বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেরত নেয়া না নেয়া নিয়ে উৎপাদনকারী ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নেতাদের বাগবিতণ্ডা হয়। কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নেতারা জানান, ওষুধের মেয়াদ ফুরানোর আগেই ফার্মেসির মালিকরা কোম্পানির কাছে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফিরিয়ে দিয়ে নতুন ওষুধ দেয়ার কথা সব সময় বলে আসছেন। কিন্তু ওষুধ ফিরিয়ে নেয়া কিংবা নতুন দেয়া কোনোটাই তারা করেন না।

    অন্যদিকে উৎপাদনকারী ওষুধ প্রতিষ্ঠান ও ওষুধ আমদানিকারকরা বলেন, অতিরিক্ত মুনাফা ও কমিশনের লোভে ফার্মেসিগুলো প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ওষুধ মজুত করে। ওষুধ কোম্পানির রিপ্রেজেনটেটিভরা বারবার নিষেধ করলেও তারা মানে না। এ কারণে ওষুধ ফিরিয়ে নেয়া অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না। তবে তারা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পৃথক স্থানে সরিয়ে ফেলা কিংবা ধ্বংস করে ফেলার পরামর্শ সব সময় দেন।

    অভিযোগ রয়েছে, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিভিন্ন ফার্মেসিতে নতুনভাবে মেয়াদের তারিখ বসিয়ে অবাধে বিক্রি হচ্ছে। এ ব্যাপারে কঠোরতা না থাকায় খুব সহজেই মানুষ প্রতারিত হচ্ছে।

    তবে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। ফার্মেসিতে ওষুধের মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে সেগুলো পৃথকভাবে রেখে সেখানে বিক্রয়ের জন্য নয় লিখে রাখতে হবে। পরবর্তীতে তা কোম্পানিকে ফেরত দিতে হবে।

    তিনি বলেন, ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি বন্ধে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর সব সময় অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। গত ছয় মাসে বিভিন্ন ফার্মেসিতে অভিযানকালে চারশ মামলা হয়েছে এবং ৮১ লাখের বেশি টাকা জরিমানা হয়েছে। এ সময় প্রায় ২৩ লাখ টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ও পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। তবে প্রচলিত নিয়ম অনুসারে কোম্পানিগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বাজার থেকে তুলে তা ধ্বংস করার কোনো তালিকা পর্যন্ত দেয়নি।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনগণের স্বাস্থ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না। তিনি এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের সহায়তা কামনা করেন।

  • রোহিঙ্গাদের কারণে নিরাপত্তা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর

    রোহিঙ্গাদের কারণে নিরাপত্তা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সরকার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমারে মৌলিক অধিকারবঞ্চিত এই বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা অধিবাসীরা অসন্তুষ্টিতে ভুগছে। তাদের রয়েছে অনেক অভাব-অভিযোগ। এদের দ্রুত ফেরত পাঠাতে না পারলে আমাদের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে কিশোরগঞ্জ-২ আসনের নূর মোহাম্মদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমারের এসব নাগরিক এখানে স্বেচ্ছায় আসেননি। সে দেশের সেনাবাহিনী তাদের জোর করে বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদ করেছে। নির্মম নির্যাতনের শিকার এসব মানুষের খাদ্য, বাসস্থান ও স্বাস্থ্যসেবাসহ মৌলিক মানবিক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি ছিল। এজন্য আমরা তাদের সাময়িকভাবে আশ্রয় দিয়েছি। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্থানীয় এনজিওর সঙ্গে সমন্বয় করে এই বিপুলসংখ্যক নাগরিককে আমরা আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা প্রদান করছি।

    তিনি বলেন, ‘রাখাইন রাজ্যে যথাযথ সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির জন্য বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক মহল মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে। আমরা বার বার বিভিন্ন ফোরামে বলেছি যে, এসব বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার জনগণকে ফেরত নেয়ার বিষয়টি মিয়ানমার সরকারের ওপর বর্তায় এবং তাদেরই উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য মিয়ানমার সরকারের অনড় অবস্থানের কারণে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।

    উপরন্তু মিয়ানমার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে এবং বলছে, বাংলাদেশের অসহযোগিতার কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিলম্ব হচ্ছে। বিশ্ব জনমত ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অব্যাহতভাবে আমাদের সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘ এ বিষয়ে মানবাধিকার কমিশনে একটি রিপোর্ট পাঠিয়েছে। কিন্তু মিয়ানমার সরকার তাদের এ বিষয়ে কাজ করতে দিচ্ছে না। মিয়ানমারের অসহযোগিতা সত্ত্বেও আমরা দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক দুটি পথই খোলা রেখেছি।

  • বিনামূল্যে বিতরণের জন্য ছাপা হচ্ছে ১৭ কোটি ১৯ লাখ বই

    বিনামূল্যে বিতরণের জন্য ছাপা হচ্ছে ১৭ কোটি ১৯ লাখ বই

    মাধ্যমিক স্তরে ২০২০ শিক্ষাবর্ষে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য প্রায় ১৭ কোটি ১৯ লাখ কোটি বই ছাপাচ্ছে সরকার। এ জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৩৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। ৩২০ লটে এসব বই সরবরাহের কাজ পেয়েছে দেশীয় বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

    এ সংক্রান্ত ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

    বুধবার (২৬ জুন) কমিটির আহ্বায়ক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল অসুস্থ থাকায় কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

    বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোসাম্মৎ নাসিমা বেগম এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, ২০২০ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক স্তরে (বাংলা ও ইংরেজি ভার্সন), ইবতেদায়ী, দাখিল, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যামিক এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং কারিগরি (ট্রেড বই) স্তরের বিনামূল্যে বিতরণের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাধাই ও সরবরাহে ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ১৭ কোটি ১৮ লাখ ৯৯ হাজার ৯৩৮ কপি বই ছাপাবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ। এতে ব্যয় হবে ৪৩৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। ৩২০ লটে এসব বই সরবরাহের জন্য দেশীয় বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

    নাসিমা বেগম বলেন, ঢাকা ওয়াসার ‘পদ্মা (যশলদিয়া) পানি শোধনাগার নির্মাণ (ফেজ-১) (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজের খরচ বৃদ্ধির একটি প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে কমিটি। এতে কাজে আগে ব্যয় ধরা হয়েছিল ২২ কোটি ২৬ লাখ টাকা। তিন কোটি ৮৮ লাখ টাকা বেড়ে বর্তমানে এর খরচ দাঁড়িয়েছে ২৬ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

    তিনি জানান, সাভারের ভাকুর্তায় গভীর নলকূপ নির্মাণ প্রথমপর্ব শীর্ষক প্রকল্পের জন্য কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান হোন্ডো রোটেন কোম্পনির সঙ্গে সরকারের চুক্তিতে ব্যয় ধরা হয়েছিল ২৯২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। তবে বর্তমানে এটির ব্যয় ২১ কোটি ১২ লাখ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১৪ কোটি টাকা। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

  • ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, দায়িত্ব চিরস্থায়ী : শ ম রেজাউল করিম

    ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, দায়িত্ব চিরস্থায়ী : শ ম রেজাউল করিম

    অনিয়ম, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদক, ইভ টিজিংয়ের বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশন করতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, দায়িত্ব চিরস্থায়ী।

     আজ বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের সেমিনার কক্ষে পিরোজপুর জেলার সাংবাদিকদের জন্য ‘সাংবাদিকতায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ’ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এ আহ্বান জানান।

    মন্ত্রী বলেন, সংবাদ এ সমাজব্যবস্থাকে সভ্য করার জন্য, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, ইভ টিজিংমুক্ত করার জন্য, মানবাধিকার ও সভ্যতাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য, অপরাধের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য। তিনি বলেন, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, দায়িত্ব চিরস্থায়ী। সবার জন্য কাজ করা হচ্ছে দায়িত্ববোধ। সততা, দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সবাইকে অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তথ্যের অবাধ প্রবাহে বিশ্বাস করেন। এ কারণে তিনি তথ্য অধিকার আইন করেছেন, যাতে যেকোনো মানুষ তথ্য পেতে পারে।

    সাংবাদিকদের উদ্দেশে শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘আপনারা নাগরিক দায়িত্বের বাইরে গিয়ে একটা বড় দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছেন। সংবাদমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। নানা রকম প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়ে আপনাদেরকে কাজ করতে হয়। সমাজব্যবস্থায় সাংবাদিকদের উল্লেখযোগ্য দায়িত্ব আছে। আপনারা সেটা পালন করে চলেছেন।’

    পূর্তমন্ত্রী বলেন, সংবাদপত্র, ইলেকট্রনিক মিডিয়া একটি শিল্পে পরিণত হয়েছে। অনলাইন পোর্টাল এখন সবচেয়ে জনপ্রিয়। মোবাইলে বসে সব সংবাদ এখন পাওয়া যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও এখন সংবাদমাধ্যমে পরিণত হয়েছে। এ রকম একটি ব্যাপ্তির জায়গায় আজ সংবাদমাধ্যম চলছে।

    বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পিআইবির পরিচালনা বোর্ডের সদস্য শেখ মামুনুর রশীদ বক্তব্য দেন

  • ছাত্রদলের কাউন্সিলে বরিশাল বিভাগে ভোটার যারা…..

    ছাত্রদলের কাউন্সিলে বরিশাল বিভাগে ভোটার যারা…..

    জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল-২০১৯ উপলক্ষে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।কাউন্সিল পরিচালনাকারীর আহ্বায়ক বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন এই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেন।

    আগামী ১৫জুলাই নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবার ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবে।

    খসড়া ভোটার তালিকায় যারা রয়েছেন-

    বরিশাল বিভাগ

    বরিশাল জেলা

    ১. মাহফুজুল আলম মিঠু সভাপতি

    ২. কামরুল আহসান সাধারণ সম্পাদক

    ৩. তারেক আল ইমরান সিনিয়র সহ-সভাপতি

    ৪. তৌফিকুল ইসলাম ইমরান যুগ্ম সম্পাদক

    ৫. মো. সোহেল রাঢ়ী সাংগঠনিক সম্পাদক

    বরিশাল মহানগর

    ১. রেজাউল করিম রনি সভাপতি

    ২. হুমায়ূন কবীর সাধারণ সম্পাদক

    ৩. তারিকুল ইসলাম তরিক সিনিয়র সহ-সভাপতি

    ৪. মাহমুদুল হাসান তানজিল যুগ্ম সম্পাদক

    ৫. এনামুল হক তসলিম সাংগঠনিক সম্পাদক

    ঝালকাঠি জেলা

    ১. আরিফুর রহমান খান সভাপতি

    ২. গিয়াস সরদার দিপু সাধারণ সম্পাদক

    ৩. শায়েদ রানা ভুইয়া সিনিয়র সহ-সভাপতি

    ৪. রাকিবুল হাসান সাকি যুগ্ম সম্পাদক

    ৫. মাইনুল ইসলাম রাজিব সাংগঠনিক সম্পাদক

    পিরোজপুর জেলা

    ১. হাসান আল-মামুন সভাপতি

    ২. বদিউজ্জামান শেখ রুবেল সাধারণ সম্পাদক

    ৩. তানজিদ হাসান শাওন সিনিয়র সহ-সভাপতি

    ৪. তানভীর রশিদ বাপ্পি যুগ্ম সম্পাদক

    ৫. সালাউদ্দিন কুমার সাংগঠনিক সম্পাদক

    ভোলা জেলা

    ১. নূরে আলম সভাপতি

    ২. আল আমিন সাধারণ সম্পাদক

    ৩. জসিম উদ্দিন সিনিয়র সহ-সভাপতি

    ৪. নিয়াজ মিয়াজী যুগ্ম সম্পাদক

    ৫. জাহাঙ্গীর আলম শরীফ সাংগঠনিক সম্পাদক

    পটুয়াখালী জেলা

    ১. শফিউল বাশার উজ্জ্বল সভাপতি

    ২. আল হেলাল নয়ন সাধারণ সম্পাদক

    ৩. জহিরুল ইসলাম শামীম সিনিয়র সহ-সভাপতি

    ৪. আল আমিন হাওলাদার যুগ্ম সম্পাদক

    ৫. খালিদ ইবনে হাসান সানী সাংগঠনিক সম্পাদক

    বরগুনা জেলা

    ১. ফয়জুল মালেক সজীব সভাপতি

    ২. নুরুল ইসলাম রনি সাধারণ সম্পাদক

    ৩. সানাউল্লাহ সানি সিনিয়র সহ-সভাপতি

    ৪. আকবর হোসেন প্রিন্স যুগ্ম সম্পাদক

    ৫. আব্দুল্লাহ আল-আরিফ সাংগঠনিক সম্পাদক

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

    ১. মোঃ রেজা শরিফ সভাপতি

    ২. হাসান আল হাসিব সাধারণ সম্পাদক

    ৩. মোঃ ফয়সাল খান সিনিয়র সহ-সভাপতি

    ৪. তানভীর রহমান তুলিব যুগ্ম সম্পাদক

    ৫. রওফুন রিশাদ হামিম সাংগঠনিক সম্পাদক

    পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

    ১. রাসেল মিয়া সভাপতি

    ২. মনিরুল হক জনি সাধারণ সম্পাদক

    ৩. মোঃ আল আমিন সিনিয়র সহ-সভাপতি

    ৪. রাসেল সিদ্দীকি অপু যুগ্ম সম্পাদক

    ৫. মোজাহিদুল ইসলাম রাতুল সাংগঠনিক সম্পাদক

  • বিএনপির হাল ধরবেন তারেক কন্যা

    বিএনপির হাল ধরবেন তারেক কন্যা

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পর দলের হার ধরবেন খালেদা জিয়ার পছন্দের নাতনি তারেক কন্যা জাইমা রহমান। জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠ এক নেতা গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, তবে এখনই জাইমা রহমান বিএনপির নেতৃত্বে আসছেন না। দলের চেয়ারপারসন চান না এখনই জিয়ার পরিবারের নতুন কোনো সদস্য রাজনীতিতে আসুক। তাই ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেই এ বিষয়ে চিন্তা করছেন।

    জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রটি আরো বলেন, খালেদা জিয়া চান না জিয়ার পরিবারের আর কেউ রাজনীতিতে এসে মামলা-হামলার মধ্যে পড়ুন। ভবিষ্যতে দেশে ‘সহনশীল’ রাজনীতির পরিবেশ ফিরে এলে তখনই তাকে দলের রাজনীতিতে আনা হবে। এর আগে নয়।

    এর আগে দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একাধিক মামলায় সাজা পেয়ে লন্ডনে অবস্থান করায় দলের হাল ধরতে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের নাম শোনা গেছে। দলের সিনিয়র নেতারাও জোবাইদার রাজনীতিতে আসাকে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে এখনও পর্যন্ত জিয়া পরিবারের কেউ এ বিষয়ে কিছুই বলেননি।

  • দেশের মানুষ কষ্ট পেলে আমার বাবার আত্মা কষ্ট পাবে : প্রধানমন্ত্রী

    দেশের মানুষ কষ্ট পেলে আমার বাবার আত্মা কষ্ট পাবে : প্রধানমন্ত্রী

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বারবার আঘাত আসা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ কখনও ভেঙে পড়েনি। আঘাতটা যে শুধু পাকিস্তান আমলে হয়েছে তা নয়, ৭৫’এ জাতির পিতাকে হত্যার পর থেকে এখন পর্যন্ত দলটিকে নিয়ে বারবার ষড়যন্ত্র হয়েছে।

    আওয়ামী লীগকে হীরা টুকরার সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, হীরা যত কাটা হয়, তত বেশি উজ্জ্বল হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আওয়ামী লীগের ওপর অনেক আঘাত এসেছে। আওয়ামী লীগের ওপর যত বেশি আঘাত এসেছে, আওয়ামী লীগ তত বেশি শক্তিশালী হয়েছে। আর এর পেছনে রয়েছে আওয়ামী লীগের মানুষের জন্য কর্তব্যবোধ, দায়িত্ববোধ, ভালোবাসা, ত্যাগ-তিতিক্ষা। এসব আছে বলেই আওয়ামী লীগ ৭০ বছর ধরে টিকে আছে।

    সোমবার বিকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

    আলোচনা সভা যৌথভাবে পরিচালনা করেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন।

    সভামঞ্চে উঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে জড়িয়ে ধরেন এবং সাজেদা চৌধুরীও আওয়ামী লীগ সভাপতির কপালে বাৎসল্যের চুমু দেন।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তার বক্তৃতায় ঐতিহাসিক আওয়ামী লীগের অর্জনকে বাংলাদেশের অর্জন উল্লেখ করেন। দেশের মানুষ যাতে উন্নত জীবন পায় সেজন্য কাজ করে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

    বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর নেমে আসা নির্মম অত্যাচারের বর্ণনা তুলে ধরে আবেগাপ্লুত বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশের ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে উদাত্ত আহ্বান জানান।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে যখন হত্যা করা হলো তারপর যারা এ দলটিকে ধরে রেখেছিল, তাদের ওপর যে অত্যাচার নির্যাতন হলো সেটা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করাই ছিল ষড়যন্ত্রকারীদের প্রধান লক্ষ্য। কিন্তু যতই এ দলটাকে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়েছে আওয়ামী লীগ তত বেশি শক্তিশালী হয়েছে।

    স্বাধীনতার পরও বারবার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পরীক্ষা দিয়ে যেতে হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের সব থেকে বড় গুণ হলো দেশের মানুষের প্রতি দলটির কর্তব্যবোধ-দায়িত্ববোধ এবং ভালোবাসা। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এত ত্যাগ-তিতিক্ষা করেছে বলেই এ দলটি ৭০ বছর টিকে আছে।

    ৭৫ পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আবারও সেই পাকিস্তানি হানাদারদের অত্যাচার সইতে হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, একাত্তরে যেমন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর লক্ষ্য ছিল গ্রামগঞ্জে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বাড়িঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া। প্রত্যেকের ওপর আঘাত এসেছে। দেশ যখন স্বাধীন হলো পঁচাত্তরের পর আবারও সেই একই আঘাত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জীবনে নেমে আসল। শুধু তাই নয়, স্বাধীনতার পরপরই আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যসহ ৭ জন নেতাকর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।

    শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়লে জানা যায়, আমাদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক, তিনি অত্যাচার-নির্যাতনে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন।

    আওয়ামী লীগের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস যদি দেখেন দেখবেন কত আত্মত্যাগ। আমার মনে হয় না কোনো রাজনৈতিক দল কোনো দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য এত আত্মত্যাগ করেছে কিনা?

    শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর যে সীমাহীন অত্যাচার করা হয়েছে। ওই সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসল। তার আগে তো ক্ষমতায় ছিল বিএনপি। যখন কোথাও ইমারজেন্সি আসে, কী হয়? তার ইমিডিয়েট পাস্ট অর্থাৎ তার আগে যারা ক্ষমতায় ছিল তাদের ওপর আঘাত আসে। কিন্তু আসল আওয়ামী লীগের ওপর। আমাকে দেশে আসতে দেবে না। আমি যখন জোর করে দেশে আসলাম, আমাকে গ্রেফতার করা হলো। আমার বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হলো।

    শেখ হাসিনা বলেন, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলা স্বাধীনতা হারিয়েছিল। নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত হয়েছিলেন মীরজাফরের ষড়যন্ত্রে। এই মীরজাফর তো গালিতেই পরিণত হয়েছে। এরপর দুইশ বছর ব্রিটিশ বেনিয়ারা শাসন করেছে এই ভ‚খণ্ড। দুইশ বছর পর ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। সেই দুইশ বছর আগে হারিয়ে ফেলা স্বাধীনতা, সেই স্বাধীনতাকে আওয়ামী লীগই আবার ফিরিয়ে এনেছে।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, এনামুল হক শামীম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত ও উত্তরের সভাপতি এ কে এম রহমত উল্লাহ এবং অধ্যাপক মুনতাসির মামুন। এছাড়াও সভা মঞ্চে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • দ্রুত বিচার আইনের মেয়াদ ৫ বছর বাড়ানোর বিল সংসদে উত্থাপন

    দ্রুত বিচার আইনের মেয়াদ ৫ বছর বাড়ানোর বিল সংসদে উত্থাপন

    দ্রুত বিচার আইনের মেয়াদ আরেক দফা বাড়ানোর জন্য সংসদে ‘আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) আইন-২০১৯’ বিল উত্থাপন করা হয়েছে।

    বিদ্যমান আইনে অপরাধ প্রমাণিত হলে দুই থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থন্ড হতে পারে। এ আইনে ১২০ দিনের মধ্যে বিচার কাজ নিষ্পত্তি করার বিধান আছে। এই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করা না গেলে আরও ৬০ দিন সময় পাওয়া যাবে।

    স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বাজেট অধিবেশনে আজ বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। পরে বিলটি অধিকতর যাচাই-বাছাই করে সাত দিনের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

    এরআগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান সংসদে বলেন, এই আইনটির অধীনে এক হাজার ৭০৩টি মামলা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আইনটির মেয়াদ বাড়ানো প্রয়োজন। এজন্য আইনটির মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়িয়ে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বহাল রাখার প্রস্তাব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    ২০০২ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ‘আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন-২০০২’ সংসদে পাস হয় এবং দুই বছরের জন্য তা কার্যকর করা হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে ৬ বারে এ আইনের মেয়াদ দুই বছর করে ১৫ বছর বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ২০১৪ সালে গত পাঁচ বছর আইনটির মেয়াদ বাড়ানো হয়। গত ৯ এপ্রিল আইনের মেয়াদ শেষ হয়েছে।

    বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা পালনের উদ্দেশে চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতিসাধন, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট করা, ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও অরাজকতা সৃষ্টি, দরপত্র কেনা, বিক্রি, গ্রহণ বা দাখিলে বাধা দেওয়া বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা, ভয়-ভীতি দেখানো ইত্যাদি গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অধিকতর উন্নতির জন্য আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ প্রণয়ন করা হয়েছিল। আইনটি করার সময় প্রথমে মেয়াদ দুই বছর করা হয়েছিল। পরে প্রয়োজনীয়তার নিরিখে ছয় বারে এর মেয়াদ ১৫ বছর বাড়ানো হয়। সবশেষ ২০১৪ সালের ৭ এপ্রিল পাঁচ বছর বাড়িয়ে ১৭ বছর করা হয়। যার মেয়াদ ২০১৯ সালের ৯ এপ্রিল শেষ হয়। আইনের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে এবং দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও আরও উন্নতির জন্য মেয়াদ বাড়ানো প্রয়োজন।

  • প্রমাণ হয়েছে ইভিএমে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব

    প্রমাণ হয়েছে ইভিএমে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব

    ইভিএমে যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়, তা বগুড়া উপ-নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

    আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভায় অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

    উপ-নির্বাচনে জয়লাভ করায় বিএনপিকে অভিনন্দন জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ইভিএম-এ যে সুষ্ঠু ও নিরাপেক্ষ নির্বাচন হয়, তা এই উপনির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে। বর্তমান সরকারের সময়ে অতীতের সকল নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। আশা করছি বিএনপি আর ইভিএম এর বিরুদ্ধে কথা বলবে না।

    বগুড়া-৬ (সদর) আসনে উপনির্বাচন সোমবার অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী গোলাম মো. সিরাজ জয়লাভ করেছেন। ইভিএমে ভোট শেষ হওয়ার সাড়ে তিন ঘণ্টার মধ্যে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহাবুব আলম শাহ ফলাফল ঘোষণা করেন।