Category: রাজণীতি

  • আগামী মাসে যেকোনো দিন থেকে ভারতে দেখা যাবে বিটিভি: তথ্যমন্ত্রী

    আগামী মাসে যেকোনো দিন থেকে ভারতে দেখা যাবে বিটিভি: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, আগামী মাসের যেকোনো দিন থেকে বিটিভির অনুষ্ঠান ভারতের দূরদর্শনে সম্প্রচার শুরু হবে।

    এছাড়া বাংলাদেশ বেতারের অনুষ্ঠানমালাও শোনা যাবে।

    গতকাল রোববার (২৩ জুন) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

    তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ জানান, গেল ৭ মে বিটিভির অনুষ্ঠান ভারতের দূরদর্শনে সম্প্রচারের লক্ষ্যে বিটিভি ও প্রসার ভারতের মধ্যে একটি ওয়ার্কিং এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হয়।

    ভারত সরকার সম্প্রতি ওয়ার্কিং এগ্রিমেন্টের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।তিনি জানান, গত ২৫ মে বিটিভির একটি কারিগরি দল তিন দিনের সফরে নয়া দিল্লি যায়। ফিরে আসার পর জুলাই মাসের যেকোনো দিন আনুষ্ঠানিকভাবে বিটিভি ভারতে প্রচার শুরু হবে। তবে বেতার সম্প্রচার শুরু হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে জানান তিনি।

  • দেশের একটি মানুষও গরিব থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

    দেশের একটি মানুষও গরিব থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশের একটি মানুষও গরিব থাকবে না। একটি মানুষও ঘর ছাড়া থকবেন না।

    ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (২৪ জুন) বিকেলে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগকে সংগঠিত এবং শক্তিশালী করার জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত ঘুরে বেড়িয়েছেন।

    এ সময় তিনি মানুষকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করেন। যে মানুষগুলো খেতে পারতো না, পড়তে পারতো না, পরনের ছিন্ন কাপড় তাদেরকে একটু ভালো রাখতেই তিনি (বঙ্গবন্ধু) সারা জীবন সংগ্রাম করে গেছেন।

    তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল এ দেশের মানুষ যেন উন্নত জীবন পায়। জন্মলগ্ন থেকেই আওয়ামী লীগের ওপর বার বার আঘাত এসেছে। কিন্তু তিনি কখনও দমে যাননি। সকল ঘাত প্রতিঘাত পার হয়ে তিনি আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ এবং শক্তিশালী করেছেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ও ডাকে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। এ দেশের মানুষ স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাসস্থান এবং অন্ন ও বস্ত্র পাবে -এটাই ছিল তার মূল লক্ষ্য।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৫৭ সালে মাওলানা ভাসানী যখন পার্টি ভেঙে অন্য দল করলেন তখন বঙ্গবন্ধু আবার নতুন করে শুরু করলেন আওয়ামী লীগকে গড়ে তুলতে। তিনি দিনের পর দিন সারাদেশে মানুষের সঙ্গে কাজ করে এ দলকে আবার শক্তিশালী করে তুলেছিলেন। স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশ, একটা রিজার্ভ মানি ছিল না। গোলায় কোনো ধান ছিল না। একটি ধ্বংসস্তুপের ওপর দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ পরিচালনা করেছিলেন। প্রশাসনকে ঢেলে সাজিয়েছিলেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে একটি সংবিধান তিনি আমাদেরকে উপহার দিয়ে গেছেন। এত অল্প সময়ে একটি রাষ্ট্র পরিচালনা সহজ কথা নয়।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক শামসুল হকের ওপর অত্যাচার নির্যাতন কম হয়নি। নির্যাতনের ফলে একসময় তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। বঙ্গবন্ধুর কথা মতো কাজ করতে গিয়ে এ দেশের কত লোক যে আত্মহুতি দিয়েছে তার কোনো ইয়ত্তা নেই। এতো ত্যাগ-তিতিক্ষা অন্য কোনো দলের সদস্যদের নেই। সত্তর বছরে দেশের মানুষকে কিছু দিলে এ আওয়ামী লীগ’ই দিতে পেরেছে।

    শেখ হাসিনা আরও বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু যখন এ দেশকে গড়ে তুলতে ছিলেন তখনও পাকিস্তানি সমর্থকদের অত্যাচার নির্যাতন কম হয়নি। ষড়যন্ত্রের মধ্যে শেষ পর্যন্ত ৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর আবার অত্যাচার নির্যাতনের খড়গ শুরু হয়ে যায়। ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় থাকায় আওয়ামী লীগ দারিদ্র ২১ ভাগে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। আগামীতে এ দেশের মানুষকে দরিদ্র মুক্ত করা হবে। উন্নত দেশে যে দারিদ্র সীমা থাকে তার চেয়ে কমে নামিয়ে আনা হবে। বাংলাদেশে হতদরিদ্র বলে কিছু থাকবে না।

  • আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর নেতৃত্বে টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতার সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন

    আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর নেতৃত্বে টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতার সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সদস্য, পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী), আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপির নেতৃত্বে, টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের প্রতিনিধিরা।

    শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়া মোনাজাত করেন তারা।

    গতকাল (২৩ জুন) রবিবার বেলা ১১টায় দিকে তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধীতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন।

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সদস্য, পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী) আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপির নেতৃত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোঃ আবদুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

    এর আগে সূর্য উদয় ক্ষণে কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

    এ ছাড়াও ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    এবার জমকালো আয়োজনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে আওয়ামী লীগ। এ উপলক্ষে আজ রবিবার থেকে শুরু হয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি চলবে।

    রাজধানী ঢাকাসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। সভা-সমাবেশ, সেমিনার ও র‌্যালি, প্রচার ও পুস্তিকা প্রকাশ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ থাকছে ব্যতিক্রমী আরো কিছু আয়োজন।

  • যেকোনো মূল্যে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হবে: ওবায়দুল কাদের

    যেকোনো মূল্যে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হবে: ওবায়দুল কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আজ আমাদের শপথ নিতে হবে যেকোনো মূল্যে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হবে। নেতৃত্বে সততা বজায় রেখে আমাদের দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে হবে।

    আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার বিকেলে আয়োজিত আলোচনা সভায় সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    ওবায়দুল কাদের নেতাকর্ম‌ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, মনে রাখবেন একজন রাজনীতিকের জীবনে মানুষের ভালোবাসার চেয়ে বড় কিছু নেই। সাহস ও সততা নিয়ে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলেছি। আমাদের নেত্রীর সততাকে সম্বল করে আমরা আগামী দিনেও এগিয়ে যাব। আমরা আজ শপথ নেব নির্বাচনের আগে দলের পক্ষ থেকে যে ইশতেহার দিয়েছি তা অক্ষরে অক্ষরে আমরা বাস্তবায়ন করব। আমরা ভিশন ২০২১ ও ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়ন করব। আমাদের দলকে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ এবং সুশৃঙ্খল দল হিসেবে আমরা এগিয়ে যাব। সময় উপযোগী সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ হারিয়ে যায়নি, আওয়ামী লীগ হারিয়ে যেতে পারে না। আওয়ামী লীগ সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করছে। ট্রেডিশনের সঙ্গে টেকনোলজির সমন্বয় ঘটিয়ে আগামীতে আমরা দেশের উন্নয়নের কাজ অব্যাহত রাখব। আমাদের মনে রাখতে হবে যে আদর্শের পতাকা আমাদেরই বহন করতে হবে।

  • চালু হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক

    চালু হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক

    মাতৃভাষা সংরক্ষণ-বিকাশে বিশেষ অবদানের জন্য আন্তর্জাতিক পদক দেবে বাংলাদেশ। এজন্য ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক নীতিমালা, ২০১৯’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

    সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

    বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক’ নামে নতুন পদক চালু করা হচ্ছে। প্রতি দুই বছরে এই পদক দেয়া হবে। জাতীয় ক্ষেত্রে দু’টি এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দু’টি পদক দেয়া হবে। পদকের মূল্যমান ধরা হয়েছে জাতীয় ক্ষেত্রে চার লাখ টাকা, আর আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার ডলার।

    পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মাতৃভাষা সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন, বিকাশ, চর্চা, প্রচার, প্রসারের জন্য এই পুরস্কার দেয়া হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

    তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালকের নেতৃত্বে একটি বাছাই কমিটি থাকবে। মনোনয়ন কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী।’

    একুশে ফেব্রুয়ারিকে সামনে রেখে এই পুরস্কার দেয়া হবে বলেও জানান শফিউল আলম।

    বিকেএসপি আইন চূড়ান্ত অনুমোদন

    ‘বাংলাদেশে ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইন, ২০১৯’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘১৯৮৩ সালের অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করা হচ্ছে। খসড়া বাংলাদেশে ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) আইন অনুযায়ী বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে এক তৃতীয়াংশ সদস্য উপস্থিত থাকলে কোরাম হবে, বছরে দুইবার সভা করতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, ‘যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রীর দায়িত্বে যিনি থাকবেন তিনি হবেন বোর্ডের চেয়ারম্যান। ২০ সদস্যের পরিষদ হবে। সদস্যদের মেয়াদ তিন বছর।

    এছাড়া বাংলাদেশ ও স্পেনের মধ্যে স্বাক্ষরের জন্য উপস্থাপিত সংস্কৃতি, শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা বিষয়ক চুক্তির খসড়া অনুমোদন সংক্রান্ত ইতোপূর্বে গৃহীত মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

    শফিউল আলম বলেন, ‘২০১৪ সালে একটি সিদ্ধান্ত হয় স্পেন সরকারের সঙ্গে এসব ক্ষেত্রে চুক্তি করতে চায়। পরে স্পেন জানায় তারা শুধু সংস্কৃতি বিষয়ে চুক্তি করতে চান, শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক বিষয়ে চুক্তি করবেন না। সংস্কৃতি বিষয়ের চুক্তিটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • সংসদে বরিশালের উন্নয়ন ফিরিস্তি তুলে ধরলেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    সংসদে বরিশালের উন্নয়ন ফিরিস্তি তুলে ধরলেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    নিউজ ডেস্ক:

    আওয়ামী লীগের বিগত ১০ বছরের শাসনামলে দেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটেছে। বিশেষ করে এই উন্নয়ন চিত্রে পাল্টে গেছে বরিশাল তথা গোটা দক্ষিণাঞ্চলের চিত্রপট।

    বরিশাল-কুয়াকাটা যোগাযোগ ব্যবস্থায় এসেছে আমুল পরিবর্তন। এছাড়াও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনসহ পুরো বরিশাল জেলা আধুনিক হিসেবে গড়ে তুলতে রয়েছে নানামুখী পরিকল্পনা।

    ইতিমধ্যে গৌরনদীসহ একাধিক উপজেলায় শিল্পপ্রতিষ্ঠানও গড়ে তোলা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে বরিশাল হবে দেশের তৃতীয় বাণিজ্যিক নগরী।

    গত শনিবার জাতীয় সংসদে বরিশাল ১ আসনের সাংসদ (মন্ত্রী মর্যাদা) আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ দক্ষিণাঞ্চলের এই উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেন।

    এছাড়া বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা তাদের সরকারের গত ১০ বছরের ক্ষমতার আমলের উন্নয়নের ফিরিস্তিও তুলে ধরেছেন।

    পরিশেষে তিনি প্রধানমন্ত্রী প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রীকে সময় উপযুগী বাজেট দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    বক্তব্যের শুরুতে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর সাথে নিহত তার পিতা তৎকালীন মন্ত্রী শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত, বোন আরজু মণি, বেবী সেরনিয়াবাত, ভাই আরিফ সেরনিয়াবাত, শহীদ সেরনিয়াবাত, ভগ্নিপতি শেখ ফজলুল হক মণি এবং তার ৪ বছরের শিশুপুত্র সুকান্ত বাবুকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

    এছাড়াও তিনি কারা অভ্যন্তরে নিহত বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চারনেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানসহ জাতীর বীর সন্তানদের স্মরণ করেছেন।

  • জামিনে মুক্ত জঙ্গিরা নিবিড় নজরদারিতে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    জামিনে মুক্ত জঙ্গিরা নিবিড় নজরদারিতে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, জঙ্গিবাদ নির্মূলে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির আলোকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। জঙ্গি হামলা প্রতিরোধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত, সাজাপ্রাপ্ত ও আটক জঙ্গিদের নিবিড় নজরদারির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    সোমবার জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশালাইজড ফোর্স গঠনের পাশাপাশি উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, অপারেশনাল ও লজিস্টিকস সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া গোয়েন্দা নজরদারি এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বল্পসময়ের মধ্যে জঙ্গি আস্তানা, জঙ্গিদের অবস্থান শনাক্তপূর্বক গ্রেফতার কার্যক্রম চলমান। জঙ্গিসংশ্লিষ্ট কাজের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত/শনাক্তকরণের সুবিধার্থে এলাকাভিত্তিক ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ এবং বিডি পুলিশ হেল্পলাইন, হ্যালো সিটি ও রিপোর্ট টু র‌্যাব এর অনলাইন অ্যাপস চালু এবং গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, জঙ্গি দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক এ যাবত অনেকগুলো সফল অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং যেকোনো ধরনের জঙ্গি-সংক্রান্ত বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা সদা তৎপর রয়েছে, পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে প্রচলিত আইন অনুযায়ী জঙ্গিদের গ্রেফতারপূর্বক বিচারের জন্য আদালতে সোপর্দ করার কার্যক্রম অব্যাহত আছে। জঙ্গি হামলা প্রতিরোধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ দমনের সফলতা বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

    বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মো. মুজিবুল হকের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ২০১৮ সালে এক লাখ ৬১ হাজার ৩২৩ জন মাদক কারবারির বিরুদ্ধে এক লাখ ১৯ হাজার ৮৭৮টি মামলা করেছে। ২০১৯ সালের জানুয়ারি-মে পর্যন্ত ছয় হাজার ৬৭১ জন মাদক কারবারির বিরুদ্ধে ছয় হাজার ১৫৬টি মামলা করা হয়েছে।

  • অর্জনের ইতিহাসে আওয়ামী লীগ উজ্জ্বল: প্রধানমন্ত্রী

    অর্জনের ইতিহাসে আওয়ামী লীগ উজ্জ্বল: প্রধানমন্ত্রী

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অর্জনের ইতিহাসে আওয়ামী লীগ উজ্জ্বল। আওয়ামী লীগ দেশের মানুষকে স্বাধীনতা দিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন অনুযায়ী এখন আমরা মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য কাজ করছি।

    তিনি বলেন, এ দেশের মানুষ যেন উন্নত জীবন পায় সে লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ কাজ করছে। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় থাকে তখন এ দেশের মানুষ কিছু পায়।

    আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার বিকেলে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কোনো অহমিকা করব না। মাটির সঙ্গে মানুষের সঙ্গে মিশে দেশের মানুষের জন্য কাজ করব। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু দেশকে স্বাধীন করে এ দেশের মানুষকে অর্থনৈতিক মুক্তি দিতে কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। একই সঙ্গে পরিবারের অন্য সদস্যদেরও হত্যা করে।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার জন্য জন্মলগ্ন থেকেই বার বার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন যতো বেশি হয়েছে আন্দোলনের গতিও তত বেড়েছে। শত আঘাতেও আওয়ামী লীগ ধ্বংস হয়নি।

    শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় থাকার কারণে এ দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এখন ১৯০৯ ডলার। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ। বাংলাদেশের মানুষ যেন উন্নত জীবন পায়, এ দেশের মানুষ যেন সুখে শান্তিতে থাকে সে জন্য আমরা কাজ করছি। মুজিব আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে দলের নেতাকর্মীদের মানুষের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

    বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, এ কে এম রহমতুল্লাহ ও হাজি আবুল হাসনাত।

    অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ও উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম।

  • প্রথমবারের মতো বরিশালে দু’দিনব্যাপী স্বর্ণমেলার উদ্বোধন করেন বিসিসি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ

    প্রথমবারের মতো বরিশালে দু’দিনব্যাপী স্বর্ণমেলার উদ্বোধন করেন বিসিসি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ

    নিউজ ডেস্ক:

    সারাদেশের মতো বরিশালেও প্রথমবারের মতো স্বর্ণমেলা শুরু হয়েছে। যেখানে ব্যবসায়ীরা অপ্রদর্শিত স্বর্ণ বৈধ করার সুযোগ পাবেন।

    সোমবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরিশাল নগরের বান্দরোডের হোটেল গ্রান্ড পার্কে বেলুন-ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে দু’দিনব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করেন সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    পরে তিনি হোটেল গ্রান্ড পার্কের সাউথ গেট হলের মেলা প্রাঙ্গণে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

    এ সময় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন, মেলার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব বাড়বে। পাশাপাশি সরকার থেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করা হয়েছে। আশা করি, তারাও সরকারের ডাকে সাড়া দেবেন।

    বরিশাল কর অঞ্চলের কর কমিশনার খাইরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- ঢাকার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (শুল্ক ও ভ্যাট প্রশাসন) সাইফুল ইসলাম, দি বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ও বরিশাল সদর উপজেলার চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু এবং বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি শঙ্কর কর্মকার।

    এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল কর অঞ্চলের যুগ্ম কর কমিশনার লুৎফর রহমান, উপ-কর কমিশনার আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আলী খান জসিমসহ স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

    খাইরুল ইসলাম জানান, এটির নাম স্বর্ণমেলা দেওয়া হলেও প্রকৃত পক্ষে ব্যবসায়ীদের অপ্রদর্শিত স্বর্ণ ও স্বর্ণালংঙ্কার, কাট ও পোলিশ ডায়মন্ড এবং রূপার মজুদের পরিমাণের ভিত্তিতে কর পরিশোধের পরে তা প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন।

    এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আলী খান জসিম বলেন, দীর্ঘদিনের চেষ্টার ফলে আমরা স্বর্ণ ব্যবসার স্বীকৃতি পাচ্ছি। সম্প্রতি সরকার আমাদের জন্য একটি নীতিমালা নিয়ে কাজ করছে। যার আওতায় এ স্বর্ণমেলার আয়োজন।

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আমাদের সহযোগিতা করছে। স্বর্ণমেলায় ভরিপ্রতি এক হাজার টাকা দিয়ে অপ্রদর্শিত স্বর্ণ বৈধ করা যাবে।

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর অঞ্চল বরিশালের আয়োজনে এ মেলায় সাতটি স্টল রয়েছে। যার তিনটি স্টলে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা ঘোষণাপত্র গ্রহণ করতে পারবেন।

    এছাড়া জনতা-সোনালী ব্যাংকের দু’টি আলাদা স্টল এবং একটি হেল্প ডেস্ক ও একটি স্টলে ১২ ডিজিট টিআইএন গ্রহণ করার জন্য ব্যবস্থা রয়েছে।

  • সরকারি দলে না থাকতে পেরে সুলতান মনসুরের আফসোস

    সরকারি দলে না থাকতে পেরে সুলতান মনসুরের আফসোস

    সরকারি দলে না থাকতে পেরে সংসদে আফসোস প্রকাশ করেছেন ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করা গণফোরাম নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর। সংসদে সরকারি দলের এমপিদের বসার জায়গা দেখিয়ে তিনি বলেছেন, আমার তো এখানে থাকার কথা নয়, ওইদিকে থাকার কথা ছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস ২০০৮ সাল থেকে আমি বাইরে।

    রোববার সংসদে ২০১৯-২০ সালের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি।

    তিনি বলেন, এ সংসদ নিয়ে যে সন্দেহ উদ্বেগের কথা বলা হয়েছিল, বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল, ঠিক তেমনিভাবে নির্বাচন নিয়েও সেরকম প্রচারণা থাকতো- যদি সেদিন আমি সংসদ সদস্য হিসিবে শপথ না নিতাম। গত ৭ মার্চ আমি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ না নিলে আজ বিএনপির এমপিরা শপথ নিতেন না। এজন্য আমি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম সেটা সঠিক ছিল।

    এতদিন সরকারের দলের হয়ে সংসদে না আসতে পারায় দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সেই অজানা ইতিহাস বলতে পারছি না। আজকের সংসদ নেত্রী তিনি আমাকে ছাত্রলীগের সভাপতি বানিয়েছিলেন। আমাকে ডাকসুর ভিপি বানিয়েছিলেন।

    দেশের এমন কোনো জেলা নেই বঙ্গবন্ধু রাজনীতির জন্য আমি যাইনি। এমনকি ৭০ ভাগেরও বেশি উপজেলায় বঙ্গবন্ধুর পক্ষে রাজনীতি করেছি। সেই অজানা তথ্য এখনও রয়ে গেছে । সঙ্গীত শিল্পী আব্দুল জব্বারের একটি গান আছে, এই যে দুনিয়া, কিসেরও লাগিয়া/ এত যত্নে বানিয়েছেন সাঁই/ তুমি হাকিম হইয়া হুকুম কর পুলিশ হইয়া ধরো / সর্প হইয়া দংশন করো/ ওঝা হইয়া ঝাড়।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্বাধীনতার পরে এই যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল আমি মনে করি ২০০৮ সালের পর থেকে আমিও সেই প্রক্রিয়া ও ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছিলাম। আমি জাতীয় ঐক্যের জন্য বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ড. কামাল হোসেনের ঐক্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আওয়ামী লীগ আমাকে বহিষ্কারও করেনি, আমি আওয়ামী লীগ ছাড়িওনি।

    ঘুষ লেনদেন সম্পর্কে তিনি বলেন, আসুন আমরা সবাই শপথ করি। একটা জায়গা থেকে বা যে কোন একটি মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করেন। আমরা সবাই শপথ নেব। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর নীতি বাস্তবায়ন করব। যে ঘুষ খাবে আর যে ঘুষ দেবে তার বিরুদ্ধে শাস্তি হবে। আসুন আমরা এটি শপথ গ্রহণ করি।