Category: রাজণীতি

  • রোহিঙ্গা নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা চীনকে জানাবে বাংলাদেশ

    রোহিঙ্গা নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা চীনকে জানাবে বাংলাদেশ

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন চীন সফরে রোহিঙ্গারা দীর্ঘ দিন অবস্থান করলে এ অঞ্চলে মৌলবাদের উত্থানসহ নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো চীনকে জানাবে বাংলাদেশ।

    রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া পুনরায় সক্রিয় করার ব্যাপারে মিয়ানমারকে চাপ দেবে চীন- বাংলাদেশ এমন প্রত্যাশা করছে বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।

    রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা জানিয়েছেন তিনি।

    উল্লেখ্য, আগামী ১ জুলাই পাঁচ দিনের সরকারি সফরে চীন যাবেন প্রধানমন্ত্রী। ৫ জুলাই তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যদি দীর্ঘ দিন ধরে রোহিঙ্গা সঙ্কটের কোনো সমাধান না হয়, তাহলে এ অঞ্চলে মৌলবাদের উত্থান হতে পারে। আর এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেলে পুরো অঞ্চল জুড়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। তখন চীন এ অঞ্চল নিয়ে যে লক্ষ্যের দিকে যাচ্ছে, তা অর্জনে সমস্যায় পড়তে পারে।’

    প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফরে রোহিঙ্গা ইস্যুর পাশাপাশি বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়গুলোও অগ্রাধিকার পাবে বলে জানান তিনি।

    ড. মোমেন বলেন, ‘চীন মিয়ানমারে অনেক বিনিয়োগ করছে। বাংলাদেশেও বিনিয়োগ করছে। কিন্তু এ অঞ্চলে শান্তি-শৃঙ্খলা না থাকলে বিনিয়োগ কোনো কাজে আসবে না। আমরা সেটা চীনকে বোঝাব।’

    তিনি জানান, মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি অনুসারে দুই বছরের মধ্যে রোহিঙ্গাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফেরানোর ব্যাপারে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর এবারের চীন সফরের গুরুত্ব তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দুই দেশ নিজেদের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায়।

    ২০১৬ সালের অক্টোবরে চীনের প্রধানমন্ত্রী শি জিংপিং ঢাকা সফর করেন। এ সময় চীনের নেয়া উদ্যোগ বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে (বিআরআই) আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয় বাংলাদেশ। বিআরআই কাঠামোর মাধ্যমে চীন সেই সঙ্গে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার সাথে যোগাযোগ বাড়াতে চায়।

  • ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ জীবনযাত্রার গতি ফিরে পেয়েছে: বিসিসি মেয়র

    ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ জীবনযাত্রার গতি ফিরে পেয়েছে: বিসিসি মেয়র

    এরপর রোববার (২৩ জুন) সকাল নয়টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি নগরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিন করে। এদিকে জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের আয়োজনে শোভাযাত্রা বের হওয়ার শুরুতে সংক্ষিপ্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    যে সভায় বরিশাল সিটি করপোরেশেনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর উপস্থিতিতে বক্তরা বলেন, দেশ এখন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। তার নেতৃত্বে অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের মানুষে জীবনযাত্রার গতি ফিরে পেয়েছে।

    এই অগ্রযাত্রায় সামিল হতে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সর্বস্তরের জনতাকে সামিল হওয়ার আহবান করেন। এখানে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামালীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুচ, মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর হোসেনসহ ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা।

    এরপর বের হওয়া বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

  • স্বাধীনতার সূর্য আওয়ামী লীগের হাতেই উদিত হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী

    স্বাধীনতার সূর্য আওয়ামী লীগের হাতেই উদিত হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আওয়ামী লীগ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের সঙ্গে সঙ্গে যে স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল সেই স্বাধীনতার সূর্য আওয়ামী লীগের হাতেই উদিত হয়েছিল।

    রোববার রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির আইন ও প্রশাসন কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তান এক অদ্ভুত রাষ্ট্র। সে সময় তাদের সঙ্গে আমাদের জুড়ে দেয়া হলো। তাদের সঙ্গে আমাদের সংস্কৃতি থেকে শুরু করে কোনও কিছুরই মিল ছিল না। আজ আমরা তাদের থেকে অনেক এগিয়ে গেছি। বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই স্বাধীনতা এসেছিল বলেই বাংলাদেশের মানুষ আজ স্বাধীন। তিনি দেশকে স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন বলেই বাঙালিরা আজ সর্বক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে পেরেছে।

    সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু চাকরি করলেই হবে না। একটা দায়িত্ববোধ থেকেই দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে হবে। জাতির পিতার যে নির্দেশনা সরকারি চাকরিজীবীদের দিয়ে গেছেন তা মান্য করলে দেশ এগিয়ে যাবে।

    ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের হাত ধরেই দেশ স্বাধীন হয়েছে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় থেকেছে দেশ এগিয়েছে। বাংলাদেশ এখন পাকিস্তান থেকেও এগিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া আমরা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি।

    তিনি বলেন, এক সময় ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছিল। নীতির বিরোধিতা করা হয়েছিল। ১৯৯৮ সালে আমাদের সরকার খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করলেও তখন বিরোধী দল বিএনপি বিরোধিতা করেছিল।

    এখন দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের কথা তুলে ধরেন।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দেন। দেশের জন্য মানুষের জন্য কাজ করতে তাদের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্যসহ সচিবালয়েরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

  • আজ আওয়ামী লীগের ৭০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

    আজ আওয়ামী লীগের ৭০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

    আজ ২৩ জুন। মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের গৌরবোজ্জ্বল ৭০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। উপমহাদেশের রাজনীতিতে প্রায় সাত দশক ধরে নিজেদের অপরিহার্যতা প্রমাণ করেছে গণতান্ত্রিক-ভাবে জন্ম নেওয়া এ দলটি। এদেশের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী প্রচীনতম রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগের ভূমিকা প্রত্যুজ্জ্বল।

    এবার দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আজ বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ৪৭’র দেশ বিভাগ, ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬২’র ছাত্র আন্দোলন, ৬৬’র ছয় দফা, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, ৭০’র যুগান্তকারী নির্বাচন আর ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা আন্দোলন সবখানেই সরব উপস্থিতি ছিল আওয়ামী লীগের। মহান স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্রসেনানী ছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৪৯ সালে দেশের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দল আওয়ামী লীগের যাত্রা শুরু। এ বছরের ২৩ জুন পুরান ঢাকার কেএম দাস লেনের ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনে তত্কালীন পাকিস্তানের প্রথম প্রধান বিরোধী দল হিসেবে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

    প্রথম কাউন্সিলে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং শামসুল হককে দলের যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। তখন তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কারাগারে বন্দি। বন্দি অবস্থায় তাকে সর্বসম্মতিক্রমে প্রথম কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। ১৯৫৩ সালে ময়মনসিংহে দলের দ্বিতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি এবং শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক হন।

    ১৯৬৬ সালের কাউন্সিলে দলের সভাপতি পদে নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান। তার সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তাজউদ্দীন আহমদ। এর পরে ১৯৬৮ ও ১৯৭০ সালের কাউন্সিলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অপরিবর্তিত থাকেন। এ কমিটির মাধ্যমেই পরিচালিত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রথম কাউন্সিলে সভাপতি হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লর রহমান।

    ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু স্বেচ্ছায় সভাপতির পদ ছেড়ে দিলে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় এএইচএম কামরুজ্জামানকে। সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল থাকেন মো. জিল্লর রহমান। ১৯৮৭ সালের কাউন্সিলে শেখ হাসিনা সভাপতি ও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক হন। সাধারণ সম্পাদক পদে পরিবর্তন হলেও এ পর্যন্ত শেখ হাসিনাই দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

  • ৩০ জুনের মধ্যে‌ ’বালিশ দুর্নীতির’ তদন্ত প্রতিবেদন  : শ ম রেজাউল করিম

    ৩০ জুনের মধ্যে‌ ’বালিশ দুর্নীতির’ তদন্ত প্রতিবেদন : শ ম রেজাউল করিম

    পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন ভবনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য বিছানা, বালিশ, আসবাবসহ আনুষঙ্গিক কাজে অনিয়মের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আগামী ৩০ জুনের মধ্যে জমা হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

     রোববার দুপুরে সচিবালয়ে শুদ্ধাচার পুরস্কার ২০১৭-১৮ সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

    মন্ত্রী বলেন, রূপপুরে দুর্নীতির ঘটনায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে, অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রতিবেদনের ভেতরই তদন্ত প্রতিবেদন সীমাবদ্ধ থাকবে না।

    শ ম রেজাউল করিম বলেন, বিষয়টি একটু গভীরে গিয়ে আমরা তদন্ত করতে চাচ্ছি, দায়সারাভাবে নয়। আমরা ৩০ দিন সময় বাড়িয়েছি। প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা রিপোর্ট প্রকাশের প্র্যাকটিস করছি। আশা করি, ৩০ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন পেয়ে যাব। এর পর এফআর টাওয়ারের মতো তদন্ত প্রতিবেদনটা সবার সামনে প্রকাশ করব। কিছুই গোপন থাকবে না।’

    রূপপুরের ঘটনায় অভিযোগ তদন্তে মন্ত্রণালয় ও গণপূর্ত অধিদফতর আলাদা দুটি কমিটি গঠন করে। একই সঙ্গে অভিযোগ যাচাইয়ে দুই তদন্ত কমিটির কোনো প্রতিবেদন না দেয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে সব ধরনের অর্থ দেয়া বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়।

    প্রসঙ্গত দেশের অন্যতম মেগাপ্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের জন্য নির্মিত গ্রিন সিটিতে আসবাব ও অন্যান্য জিনিসপত্র ক্রয়ে লাগামছাড়া দুর্নীতির অভিযোগ এনে বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করে। একটি বালিশের পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা। এর মধ্যে এর দাম বাবদ ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা আর সেই বালিশ নিচ থেকে ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ ৭৬০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

    সারা দেশে এই কেলেঙ্কারি ‘বালিশ দুর্নীতি’ হিসেবে আলোচিত হয়। পরে একজন অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

  • প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আওয়ামী লীগ মানুষের জন্যই কাজ করে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আওয়ামী লীগ মানুষের জন্যই কাজ করে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আওয়ামী লীগ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের সঙ্গে সঙ্গে যে স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল সেই স্বাধীনতার সূর্য আওয়ামী লীগের হাতেই উদিত হয়েছিল।

    রোববার রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির আইন ও প্রশাসন কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তান এক অদ্ভুত রাষ্ট্র। সে সময় তাদের সঙ্গে আমাদের জুড়ে দেয়া হলো। তাদের সঙ্গে আমাদের সংস্কৃতি থেকে শুরু করে কোনও কিছুরই মিল ছিল না। আজ আমরা তাদের থেকে অনেক এগিয়ে গেছি। বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই স্বাধীনতা এসেছিল বলেই বাংলাদেশের মানুষ আজ স্বাধীন। তিনি দেশকে স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন বলেই বাঙালিরা আজ সর্বক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে পেরেছে।’

    সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘শুধু চাকরি করলেই হবে না। একটা দায়িত্ববোধ থেকেই দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে হবে। জাতির পিতার যে নির্দেশনা সরকারি চাকরিজীবীদের দিয়ে গেছেন তা মান্য করলে দেশ এগিয়ে যাবে।’

    ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের হাত ধরেই দেশ স্বাধীন হয়েছে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় থেকেছে দেশ এগিয়েছে। বাংলাদেশ এখন পাকিস্তান থেকেও এগিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া আমরা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি।’

    তিনি বলেন, ‘এক সময় ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছিল। নীতির বিরোধিতা করা হয়েছিল। ১৯৯৮ সালে আমাদের সরকার খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করলেও তখন বিরোধী দল বিএনপি বিরোধিতা করেছিল।’

    এখন দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের কথা তুলে ধরেন।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দেন। দেশের জন্য মানুষের জন্য কাজ করতে তাদের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্যসহ সচিবালয়েরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

  • বিসিসি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ ৭০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

    বিসিসি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ ৭০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ ৭০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে পালন করা হয়েছে।

    সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বরিশাল নগরীর সোহেল চত্বরের আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কার্যক্রম শুরু হয়।

    সকাল ৮ টা ৩০ মিনিটের সময় দলীয় কার্যালয় চত্বরে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পন করে শ্রদ্ধা জানান, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও নগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস,বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সাধারন সম্পাদক অ্যাডডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর।

    পর্যায়ক্রমে বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ ও অংগ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পূস্পার্ঘ্য অর্পন করে বিনম্র শ্রদ্ধা জানায়।

    এরপর সকাল ৯ টায় দেশের ন্যায় বরিশাল নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীতে অংশ গ্রহন করেন কয়েক হাজার নেতা-কর্মী।

    এরপর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে র‌্যালীর আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধন করেন, সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ ও জেলা আওয়ামীলীগ সম্পাদক, সাবেক এমপি তালুকদার মোঃ ইউনুস।

    এরপর বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এর নেতৃত্বে র‍্যালী বের হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিক করে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

    এসময় বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ সকল নেতা কর্মীদের সাথে কুশালাদি বিনিময় করেন।

  • রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি: অর্থমন্ত্রী

    রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি: অর্থমন্ত্রী

    অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংসদে জানিয়েছেন, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বাজেটে নির্ধারিত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। তিনি জানান, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লাখ ৮০ হাজার ৬৩ কোটি টাকা।

    লক্ষ্যমাত্রার এই পর্যন্ত আহরিত হয়েছে (মে, ২০১৯ পর্যন্ত) ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৫৮ দশমিক ৫ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার ৬৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

    স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে একাদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের শনিবারের বৈঠকে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরীর (রংপুর-২) প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।

    আবার মো. শহীদুজ্জামান সরকারের (নওগাঁ-২)  লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে দেশে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ৮০ হাজার ৬৩ কোটি টাকা (সংশোধিত)। বিগত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল দুই লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা।

    আহরণ হয়েছে দুই লাখ দুই হাজার তিনশ’ চৌদ্দ দশমিক নয় চার কোটি টাকা অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।

    সুদ মওকুফ হয়েছে ১  হাজার ২০০ কোটি টাকা

    ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংসদে জানিয়েছেন, দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ৮টি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক এক বছরে (২০১৮ সালে) প্রায় এক হাজার দুইশো কোটি টাকা সুদ মওকুফ করেছে।

    সংসদে অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক থেকে গত বছরে (জানুয়ারি ২০১৮-ডিসেম্বর ২০১৮) ছয় হাজার ১৬৩টি ঋণ হিসাবের বিপরীতে এক হাজার ১৯৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা সুদ মওকুফ করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুদ মওকুফ করেছে অগ্রণী ব্যাংক। এই ব্যাংকটি ২ হাজার ৮টি ঋণের বিপরীতে ৪৯৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা সুদ মওকুফ করেছে।

    আর বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক কোনও সুদ মওকুফ করেনি। অন্য ব্যাংকগুলোর মধ্যে কৃষি ব্যাংক ৬৬টি ঋণ হিসাবের বিপরীতে ৪৩৫ কোটি ৯৬ লাখ, রূপালী ব্যাংক ২০৩টি ঋণ হিসাবের বিপরীতে ১৩৪ কোটি ২৬ লাখ, সোনালী ব্যাংক ১৪টি ঋণ হিসাবের বিপরীতে ৭৩ কোটি ৭৩ লাখ, জনতা ব্যাংক ২ হাজার ৪৭৩টি ঋণ হিসাবের বিপরীতে ৫৩ কোটি ৮১ লাখ, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক এক হাজার ৩৮০টি ঋণ হিসাবের বিপরীতে ৪ কোটি ৩৫ লাখ এবং বেসিক ব্যাংক ১৯টি ব্যাংক হিসাবের বিপরীতে এক কোটি ৬৯ লাখ টাকা সুদ মওকুফ করেছে।

  • ‘আইনের ফাঁক গলে পালাতে পারবেন না ডিআইজি মিজান’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ‘আইনের ফাঁক গলে পালাতে পারবেন না ডিআইজি মিজান’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি মিজান আইনের ফাঁক গলে পালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

    শনিবার রাজধানীর ধানমণ্ডিতে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। খুব শিগগিরই জানা যাবে তদন্ত প্রতিবেদন।

    আইনের ফাঁক গলে যাতে তিনি (ডিআইজি মিজান) বের হয়ে যেতে না পারেন সেজন্য সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

    প্রসঙ্গত ‘তুলে নিয়ে বিয়ে করলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার!’ শিরোনামে ৭ জানুয়ারি যুগান্তরে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে বহুল আলোচিত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়।

    ‘এক সংবাদ পাঠিকার জীবনও বিষিয়ে তুলেছেন ডিআইজি মিজান’ শিরোনামে পর দিন ৮ জানুয়ারি আরও একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় বইতে শুরু করে।

    এর পর নানা জল্পনা-কল্পনা শেষে বিতর্কিত এই ডিআইজি মিজানকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়।

    এদিকে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত বিতর্কিত ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বিপুল অঙ্কের অবৈধ সম্পদের খোঁজ পায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    অনুসন্ধান শেষে সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির।

    ডিআইজি মিজান ছাড়াও তার এক ভাই ও ভাগ্নের নামে করা সম্পদসহ ৪ কোটি ২ লাখ ৮৭ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য তুলে ধরা হয়।

    এদিকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির তার (মিজান) কাছ থেকে রিপোর্ট পরিবর্তনের জন্য ৪০ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

    এছাড়া ‘ডিআইজি মিজানকে এখনও কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না’ মর্মে গত ১৬ জুন এ বিষয়ে জানতে চেয়েছেন আদালত।

  • রাজশাহী র‌্যাবের শীর্ষ পদে যোগ দিলেন বিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার

    রাজশাহী র‌্যাবের শীর্ষ পদে যোগ দিলেন বিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার

    বরিশাল মেট্রোপলিটন সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মাহ্ফুজুর রহমান রাজশাহী র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব ৫) শীর্ষ পদে যোগদান করেছেন। সম্প্রতি সরকারের উচ্চ মহলের নির্দেশনার আলোকে তিনি রাজশাহীতে যোগদানের পরে ওই অঞ্চলে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস দমন ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

    মাহ্ফুজুর রহমান আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এসএসসি, নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি, এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজী সাহিত্যে বিএ (অনার্স) ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ঢাকাস্থ আঁলিয়ান্স ফ্রঁসেজ থেকে ফরাসী ভাষায় উচ্চতর কোর্স সম্পন্ন করেন।

    মাহ্ফুজুর রহমান ১৮ তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ২৫ জানুয়ারি ১৯৯৯ তারিখে সহকারী পুলিশ সুপার হিসাবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। তিনি বান্দরবান জেলা, এপিবিএন ঢাকা, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, মুন্সিগঞ্জ জেলা ও টাংগাইল জেলায় সুনামের সাথে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ইন্সপেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ পুলিশ মহোদয়ের স্টাফ অফিসার ও পিএস এর দায়িত্ব পালন করেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে এআইজি (এনসিবি-ইন্টারপোল), এআইজি (ক্রাইম-৩) পদেও দায়িত্ব পালন করেন।

    তিনি এআইজি (কনফিডেন্সিয়াল) পদে ২০১১ সাল থেকে ২০১৫’ মে পর্যন্ত অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি প্রায় ৩ বৎসর সফলতা ও সুনামের সাথে মানিকগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের দায়িত্ব পালন করেন। পদোন্নতি সূত্রে তিনি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ এর অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন।

    তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, চীন, তুরষ্ক, মালয়শিয়া ও ফ্রান্সে গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন আইভরি কোষ্টে (UNOCI) দুই বছর গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।বাংলাদেশ পুলিশে বিশেষ অবদান রাখায় ২০১৩ সালে তিনি বিপিএম-সেবা পদকে ভূষিত হন।

    ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন সন্তানের জনক। তাঁর সহধর্মিণী শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত আছেন। তিনি রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট ও নওগাঁ জেলাবাসীসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।’