Category: রাজণীতি

  • কর্মস্থল ও বাসস্থানে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    কর্মস্থল ও বাসস্থানে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

     নাগরিকদের প্রত্যেককে কর্মস্থলে ও বাসস্থানে গাছ লাগানোর আহ্বান এবং সন্তানদের এই পরিবেশবাদি কাজ শেখানোর কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ পরামর্শ দেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, সভ্যতার ক্রমবিকাশ অব্যাহত রাখতে হবে, তবে পরিবেশের দিকে লক্ষ্য রেখেই এটি করতে হবে।

    পরিবেশ দূষণে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা নিজেরা আর ক’দিন থাকবো। কিন্তু আমাদের বংশধররা যেন সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে, টিকে থাকতে পারে, সেজন্য শতবর্ষব্যাপী ডেল্টা প্ল্যান নিয়ে কাজ করছি।

    প্রধানমন্ত্রী সবাইকে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রত্যেকেই নিজের কর্মস্থল ও বাসস্থানে গাছ লাগাবেন। বনজ, ফলজ, ভেষজ গাছ লাগাবেন। ছেলে-মেয়েদেরও বৃক্ষরোপণ শেখাতে হবে। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, পরিচর্যাও করতে হবে। প্রত্যেকে নিজের এলাকায় যতো ইচ্ছে গাছ লাগাবেন। এতে কয়েকবছর পর টাকাও পাওয়া যায়, বছর বছর ফল পেলেও খুশি লাগে।

  • সংসদ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রধানমন্ত্রীর আম উপহার

    সংসদ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রধানমন্ত্রীর আম উপহার

    জাতীয় সংসদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মৌসুমি ফল আম উপহার পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার জাতীয় সংসদে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আম পাঠান তিনি। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

    সংসদের কর্মকর্তারা জানান, রাজশাহী অঞ্চল থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় আমগুলো কিনে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে রাখা হয়। সেখান থেকে সবার মধ্যে বিলি করা হয়। সকাল থেকে এ কর্মযজ্ঞ শুরু হয়।

    জানা যায়, সংসদে প্রায় ১ হাজার ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত। প্রধানমন্ত্রী বরাবরের মতো এবারও উন্নতজাতের হিমসাগর আম উপহার হিসেবে সংসদ সচিবালয়ে পাঠান। সচিবালয়ের কমন ও সমন্বয় শাখার মাধ্যমে এ আম বিতরণ করা হয়।

    জাতীয় সংসদের কমন ও সমন্বয় শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব ওয়ারেছ হোসেনের তত্ত্বাবধানে সবার মাঝে আম বিতরণ করা হয়।

    তিনি সাংবাদিকদের জানান, প্রধানন্ত্রীর এ উপহার আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবাই আম কেনেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বরাবরের মতো অত্যন্ত স্নেহভরে আম উপহার দেন। সবার মাঝে তাই অন্যরকম এক উদ্দীপনা কাজ করছে। একদিনে সবার মধ্যে আম বিতরণ সম্ভব হয় না বলে আগামীকালও বিতরণ করা হবে।

  • যারা কৃষকদের হত্যা করেছে, তারা এই সরকারকে অবৈধ বলে

    যারা কৃষকদের হত্যা করেছে, তারা এই সরকারকে অবৈধ বলে

    খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, আজ দুঃখ হয় যারা কৃষকদের সার, বীজ, তেল দিতে পারেনি, কৃষক হত্যা করেছে তারা বলে এই সরকার অবৈধ। বিএনপির সদস্যরা এই সংসদে এসেছেন, শপথ নিয়েছেন, বক্তব্য দিচ্ছেন, প্লট, ফ্ল্যাট চাচ্ছেন, নিজের এলাকার উন্নয়ন চান, আবার এই সংসদকে অবৈধ বলেন, সরকার অবৈধ বলেন, বাজে কথা বলেন। আসলে মানুষ বুঝে গেছে আপনারা চোর ছিলেন। যার জন্য দৌড়ে পালিয়ে গেছেন, আপনারা আন্দোলন করতে সাহস পাচ্ছেন না।

    বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে খাদ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, মানুষ মনে করে সকাল থেকে ঘুমানো পর্যন্ত যা খায় সবই খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায়, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। আসলে তা নয়। আমরা শুধু রেশনিংয়ের জন্য বিশেষ করে, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবিসহ বিভিন্ন সেক্টরে যে রেশন, ভিজিডি, ভিজিএফ বরাদ্দ দেওয়া হয় সেই পরিমাণ খাদ্য কিনতে পারি। এছাড়া আপদকালীন দুর্যোগের জন্য ১০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য কেনার বিধান রয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘দেশে মোট চাল উৎপাদন হয় ৩ কোটি ৫৬ লাখ মেট্রিক টন। আর আমাদের ধারণক্ষমতা ২ কোটি ৭৮ লাখ মেট্রিক টন। ধান কেনা অব্যাহত থাকলে কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবে। আমরা স্থায়ী সমাধানের জন্য আরও সাইলো নির্মাণের চিন্তা-ভাবনা করছি। শুধু ধান রাখার জন্য ৫ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন পেডি সাইলো নির্মাণ করা হবে।

  • রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণচেষ্টার মামলা খারিজ

    রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণচেষ্টার মামলা খারিজ

    জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে করা মামলা খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

    মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় বুধবার তা খারিজ করে দেন জেলা জজ নিতাই চন্দ্র সাহা।
    পরে আইনজীবী জানান, মামলার বাদী মামলার আবেদন, জবানবন্দি ও দাখিল করা কাগজপত্রে তার বয়স ৪৫ বছর উল্লেখ করেছেন।

    কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী বর্তমান বয়স ৫৩ বছর। তিনি তার প্রকৃত বয়স গোপন করেন। মামলায় তিনি নিজের এবং আসামিদের স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করেননি। এসব কারণে আদালত মামলা খারিজ করে দেন।

  • ১৬ গুন বাড়লো বিসিসি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর হোল্ডিং ট্যাক্স

    ১৬ গুন বাড়লো বিসিসি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর হোল্ডিং ট্যাক্স

    বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর পৈত্রিক নিবাসের হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ানো হয়েছে। আগে সিটি করপোরেশনকে মাত্র ১ হাজার ৩শ’ ৫০ টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স দিলেও এখন হোল্ডিং ট্যাক্স ১৬.৬ ভাগ বৃদ্ধি করে ২২ হাজার ৪শ’ ১০ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

    আজ বৃহস্পতিবার নগর ভবনে গ্রাহক হিসেবে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র উপস্থিতিতে প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সচিব মো. ইসরাইল হোসেন এই শুনানি করেন।

    বরিশাল সিটি করপোরেশনে (বিসিসি) যথাযথভাবে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় হতো না। আগে ১৪ কোটি টাকা দাবির বিপরীতে বছরে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় হতো ১১ প্রায় কোটি টাকা। কিন্তু যথাযথভাবে মূল্যায়ন হলে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় হতো প্রায় ৪০ কোটি টাকা। এ কারণে আর্থিকভাবে অনেকটাই দুর্বল ছিল সিটি করপোরেশন। কিন্তু গত বছর দায়িত্ব নেওয়ার পর সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ যথাযথভাবে হোল্ডিং ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণের মাধ্যমে করে রাজস্ব বাড়ানোর উদ্যোগ নেন।

    এ লক্ষ্যে প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তাকে অব্যাহতি দিয়ে সচিব ইসরাইল হোসেনকে রাজস্ব কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদানসহ রাজস্ব বিভাগকে ঢেলে সাঁজান তিনি। এরপর নতুন করে হোল্ডিং ট্যাক্স পুনমূল্যায়নের জন্য সকল গ্রাহককে নোটিশ করে কর্তৃপক্ষ। গ্রাহককে নোটিশ করে বাড়ি মাপজোকের পর শুনানি শেষে নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স ধার্য্য করা হচ্ছে চলমান প্রক্রিয়ায়।

    এরই ধারাবাহিকতায় মেয়রের পৈত্রিক বাড়ি (হোল্ডিং নং- ৫০৫) নোটিশ করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার নগর ভবনে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। বাড়ির মালিক সাবেক মন্ত্রী ১৫ আগস্টে নিহত আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের উত্তরসূরি হিসেবে শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন তার নাতনি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    এ সময় প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সচিব ইসরাইল হোসেন শুনানিতে মেয়রের পৈত্রিক নিবাসে ২২ হাজার ৪শ’ ১০ টাকা নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করেন।

    বিসিসি’র জনসংযোগ কর্মকর্তা বেলায়েত বাবলু জানান, আগে সিটি মেয়রের পৈত্রিক নিবাসের বাড়ির ৫ হাজার টাকা মূল্যায়নের বিপরীতে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় হতো ১ হাজার ৩শ’ ৫০ টাকা। নতুন করে পুনমূল্যায়নে তার বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স দাঁড়ায় ৩৯ হাজার ৯শ’ ৬০ টাকা। কিন্তু বাড়ির মালিক শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত মুক্তিযোদ্ধা হওয়ায় ১ হাজার ৫শ’ স্কয়ার ফিট পর্যন্ত হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ এবং মালিকের পরিবার বসবাস করলে ২০ ভাগ ছাড় দেওয়ার বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ী সিটি মেয়রের উপস্থিতিতে প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ইসরাইল হোসেন শুনানি করে তার বাড়ির নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স ২২ হাজার ৪শ’ ১০ টাকা পুনর্নির্ধারণ করেন।

    তিনি আরও বলেন, সিটি মেয়রের বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধির বিষয়টি দেখে নগরীর প্রায় ৫৫ হাজার গ্রাহকও যথাযথভাবে সময় মতো হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদান করবে বলে নগর ভবন আশা করে।

  • ভোট পরবর্তী সহিংসতায় ফের উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ, নিহত ২

    ভোট পরবর্তী সহিংসতায় ফের উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ, নিহত ২

    ভোট পরবর্তী সহিংসতায় ফের উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার জগদ্দল থানার অন্তর্গত ভাটপাড়ায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ছয়জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা।

    বৃহস্পতিবার সকাল দশটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    হঠাৎ করেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাটপাড়া। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে একে অপরকে লক্ষ্য করে শুরু হয় বোমা ও গুলি বর্ষণ। এরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ বাহিনী। পুলিশকে লক্ষ্য করে শুরু হয় বোমা বর্ষণ। এরপর পুলিশও পাল্টা গুলি ও টিয়ার গ্যাসের সেল ছুঁড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই গোটা এলাকা রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে। রাস্তাঘাট, দোকান-বাজার মানুষ শূন্য হয়ে পড়ে।

    এরই মাঝে পড়ে মৃত্যু হয় রামবাবু শাহু নামে এক যুবকের। তার মাথায় গুলি লাগে বলে জানা গেছে। আহতদের ব্যারাকপুর বিএনবোস মহুকুমা হাসপাতাল এবং কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    পরে বিকালে অ্যাপোলো হাসপাতালে ধরমবীর সাউ নামে আরও এক আহত ব্যক্তির মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে সন্তোষ সাউ নামে আরও এক ব্যক্তি।

    পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে বিকালে ভাটপাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে বিক্ষোভ দেখান এলাকার নারীরা।

    একসময় উত্তেজিত হয়ে পুলিশের গাড়িও ভাঙচুড় করে বলে অভিযোগ।

    পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে এদিন দুপুরেই ভাটপাড়া পুলিশ আউটপোস্টকে পূর্ণাঙ্গ থানায় উদ্বোধন করার কথা ছিল রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্র’এর। কিন্তু সহিংসতার কারণে বাতিল করতে হয় সেই অনুষ্ঠান। মাঝ পথ থেকেই কলকাতায় ফিরে যেতে হয় ডিজিপি-কে। যদিও পরে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বিকালে ভাটপাড়ায় যান তিনি।

    এদিকে ভাটপাড়ার পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে নবান্নে মুখ্যসচিব মলয় কুমার দে’এর নেতৃত্বে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক বসে।

    বৈঠক শেষে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দোপাধ্যায় বলেন, ‘কিছু অপরাধী ও সমাজবিরোধী মানুষ ওই সমস্ত অঞ্চলে সক্রিয় হয়েছেন। বহিরাগত উপাদানকে স্থানীয় উপাদানের সাথে সংযুক্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এর ফলে স্বাভাবিক জনজীবন ও আইন-শৃঙ্খলা ব্যহত হচ্ছে। সমস্ত বিষয়টি রাজ্য সরকার কঠোর দৃষ্টিতে দেখছে।

    এরপর বিকালেই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ভাটপাড়া থানায় আসেন ডিজিপি বীরেন্দ্র। সেখানে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনার তন্ময় রায় চৌধুরী, আইজি দক্ষিণ বঙ্গ সঞ্জয় সিং সহ পুলিশের অন্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন।

    ঘটনার পরই ওই ভাটপাড়া জুড়ে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে, পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে নামানো হয়েছে পুলিশ বাহিনী, র‌্যাফ (র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স) বাহিনীকেও। সেইসাথে দুর্বৃত্তদের ধরতে চলে অভিযান। এসময় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় তাজা বোমা ও একটি রিভলবার।

    ঘটনার পরই কঠোর বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। পুলিশকে রং না দেখে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিন দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে শান্তি ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    এদিকে দুই ব্যক্তির মৃত্যুর পরই তাদেরকে ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনীতি। তৃণমূলের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক দাবি করেছেন ‘বিজেপি পরিকল্পনা করে এই জায়গায় সহিংসতা তৈরি করেছে। নতুন ও পুরোনো বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষেই তাদের দুইজন কর্মী নিহত হয়েছেন।

    যদিও বিজেপির দাবি নিহত দুইজন তাদের সক্রিয় কর্মী। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কৈলাশ বিজয়বর্গীয় এ সহিংসতায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করে বলেন, লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই মমতা ব্যনার্জি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন। রাজ্য জুড়েই অশান্তি তৈরি হয়েছে।

    দলের তরফে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এ ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠানো হবে বলেও জানান বিজয়বর্গীয়।

  • এতিমের টাকা চুরি করায় খালেদার সাজা দিয়েছেন আদালত : ভোলায় আইনমন্ত্রী

    এতিমের টাকা চুরি করায় খালেদার সাজা দিয়েছেন আদালত : ভোলায় আইনমন্ত্রী

    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, এতিমের টাকা চুরি করার জন্য খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়েছেন আদালত। বিচারিক আদালত তার পাঁচ বছরের সাজা দিয়েছিল। আপিল আদালত সেই সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেছেন। এখন আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। দেখেন, আইনের গতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোলার চরফ্যাশনে অতিরিক্ত জেলা ও দায়ারা জজ আদালত উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    এর আগে আইনমন্ত্রী চরফ্যাশন বজ্রগোপাল টাউন হলে জেলা ও দায়ারা জজ আদালত আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি এবং আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা ও দায়ারা জজ ফেরদৌস আহমেদ।

  • প্রত্যেক উপজেলা থেকে বছরে এক হাজার কর্মী বিদেশে পাঠানো হবে

    প্রত্যেক উপজেলা থেকে বছরে এক হাজার কর্মী বিদেশে পাঠানো হবে

    অভিবাসনে পিছিয়ে পড়া জেলাসমূহকে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় উৎসাহিত করতে প্রত্যক উপজেলা থেকে বছরে গড়ে এক হাজার কর্মী বিদেশে পাঠানোর কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমেদ।

    আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এতথ্য জানান।

    সরকারি দলের আনোয়ারুল আবেদীনের প্রশ্নের জবাবে জানান, বাংলাদেশ থেকে এ পর্যন্ত ১৭৩টি দেশে কর্মী প্রেরণ করা হচ্ছে। উপজেলা ভিত্তিক বিদেশে গমন করা বা ফেরত কর্মীদের সঠিক সংখা নির্ধারণ করতে ভবিষ্যতে পৃথক ডাটাবেজ প্রণয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, বিদেশে কর্মী গমনের ক্ষেত্রে দেশের সকল অঞ্চল থেকে বিদেশে যাবার সুযোগ সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। তবে পিছিয়েপড়া জেলাসমূহের ক্ষেত্রে নতুন কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    আওয়ামী লীগের মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের প্রশ্নের জবাবে বলেন, অধিকহারে দক্ষ কর্মী বিদেশে প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়াধীন বিএমইটির কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সংখ্যা ৩৮ থেকে ৭০টিতে উন্নীত করা হয়েছে। এসব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ৫৫টি কর্মসংস্থান উপযোগি স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি কোর্সে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

    সরকারি দলের নূর মোহাম্মদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ জানান, বাংলাদেশের জন্য অন্যতম প্রধান শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মালয়েশিয়ায় ব্যাপকহারে কর্মী প্রেরণের জন্য সরকারের প্রচেষ্ট অব্যাহত আছে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছেন। বাংলাদেশি কর্মী প্রেরণের বিষয়ে দ্বি-পাক্ষিক জয়েন্ট ওয়ার্কি গ্রুপে ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে। সরকারের নানামুখী কুটনৈতিক তৎপরতায় বিশ্বে বিভিন্ন দেশের শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছে।

    আওয়ামী লীগের সৈয়দা রুবিনা আক্তারের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিরীহ মানুষজনকে দালালদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সরকার বদ্ধপরিকর। এজন্য কিছু কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এগুলোর মধ্যে দালালদের দৌরাত্ম কমাতে জেলা পর্যায়ে শাখা অফিস খুলতে রিক্রুটিং এজেন্টদের নির্দেশনা প্রদান, নিরীহ মানুষদের প্রতারণার হাত থেকে বাঁচাতে প্রত্যেক জেলা ও উপজেলায় নিরাপদ অভিবাসন সংক্রান্ত সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে। যেসব বাংলাদেশি প্রতারিত হয়ে বিদেশ থেকে ফিরে আসেন সেসব বাংলাদেশিদের নিকট থেকে বিমান বন্দরে সংশ্লিষ্ট প্রতারকদের তথ্য সংগ্রহ করে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • ৭০ বছরের আ.লীগ, কেমন আছে শেখ হাসিনায়?

    ৭০ বছরের আ.লীগ, কেমন আছে শেখ হাসিনায়?

    ২৩ জুন প্রতিষ্ঠার ৭০ বছরে পা রাখছে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম রাজনৈতিক দল ‘আওয়ামী লীগ’। বাংলাদেশ সৃষ্টির নেতৃত্বে থাকা আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে গণমানুষের রাজনীতিতে বিশেষ পরিবর্তন এনেছে। অংশীদারিত্বের রাজনীতিতে সমালোচনার জন্ম দিলেও আওয়ামী লীগই এখন বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল।

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে থাকা আওয়ামী লীগকে এখন কেমন দেখছেন? জানতে চাওয়া হয় বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেনের কাছে।

    এ বিশ্লেষক বলেন, আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা পেয়েছে বিশেষ প্রেক্ষাপটে এবং আদর্শের ভিত্তিতে। আওয়ামী লীগ আদর্শচ্যুত হয়েছে আগের জায়গা থেকে এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু দলটি গণমানুষের দল, সেটাও তো অস্বীকার করার উপায় নেই। বিশেষ করে বারবার হোঁচট খেয়ে দলটি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এখন যতটুকু শক্তিশালী, তা যে কোনো রাজনৈতিক দলের জন্য ঈর্ষণীয়।

    ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠার পর থেকে আওয়ামী লীগ বাঙালির প্রতিটি আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়। সে সময় আওয়ামী লীগ ও শেখ মুজিবুর রহমান একে অপরের পরিপূরক বনে যায়। যেমন পরিপূরক হয় স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ আর বঙ্গবন্ধুর নাম।

    ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ সাল। ঘাতকরা ওইদিন শুধু জাতির জনকের জীবনের প্রদীপই নিভিয়ে দেয়নি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গেও গাদ্দারি করে। ’৭৫-এর পর সামরিক ফরমান আর ধর্মান্ধতার ছায়ায় রাষ্ট্র পরিচালিত হতে থাকে পাকিস্তানি ভাবধারায়। এমনই ক্রান্তিকালে দীর্ঘ ছয় বছর নির্বাসিত থাকার পর জীবনবাজি রেখে বাবার হাতে গড়া দেশে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনা। ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরেই দলের সভাপতির দায়িত্ব পান। যদিও তিনি দেশে ফেরার আগে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। এ সময় দল ভেঙেছে কয়েকবার, দল ছেড়ে অন্য দলে ভিড়েছেন অনেকেই।

    প্রত্যাবর্তনের দিন বিমানবন্দরে নেমেই শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘সব হারিয়ে আজ আমি এসেছি বাংলার মানুষের মুক্তির সংগ্রামে অংশ নিতে। আমার আজ হারানোর কিছু নেই।’ প্রায় চার দশকে নেতৃত্বে থাকা শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ হারিয়েছে অনেক কিছু, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট যার ভয়ঙ্কর উদাহরণ।’

    দেশ-বিদেশের ষড়যন্ত্রের সিঁড়ি মাড়িয়ে শেখ হাসিনাই আজ আওয়ামী লীগের কাণ্ডারি। দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখে এগিয়ে নিচ্ছেন বাংলাদেশকেও।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এখন যে কোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী এবং গণমুখী। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাই পেয়েছে তৃণমূলের রাজনীতির মধ্য দিয়ে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু বাঙালির আবেগ ধারণ করেই আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা করেন। একটি দল জন্মের দুই দশকের মাথায় একটি দেশ প্রতিষ্ঠা দিতে পারা, এরই নাম আওয়ামী লীগ।

    অধ্যাপক আরেফিন বলেন, আওয়ামী লীগে দীর্ঘকাল নেতৃত্ব দিয়ে শেখ হাসিনা বৈশ্বিক রাজনীতিতেও বিশেষ অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন। দলের মধ্যেও তিনি নিরঙ্কুশ জনপ্রিয়, যার বিকল্প নেই বললেই চলে।

    অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বিশেষ পরিবর্তনও এসেছে। যদিও তারা (আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ) বলে থাকেন বাস্তবতার নিরিখেই এ পরিবর্তন। কিন্তু হেফাজতে ইসলামের মতো দলের সঙ্গে আপস করে বাস্তবতা আর আদর্শের মধ্যে ভারসাম্য কতটুকু রক্ষা করা যায়, তা অবশ্যই ভাবনার বিষয়! যে ‘আপস’ আমরা শেখ হাসিনার সময়ই দেখতে পেলাম!

  • বাণিজ্য ঘাটতি ১৬২৮৪৮ কোটি মার্কিন ডলার

    বাণিজ্য ঘাটতি ১৬২৮৪৮ কোটি মার্কিন ডলার

    বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী বলেছেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৬২ হাজার ৮৪৮ দশমিক ৩ কোটি মার্কিন ডলার। এসব দেশের সংখ্যা প্রায় ১০০টি। বাণিজ্য ঘাটতি থাকা উল্লেখযোগ্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে- চীন, ভারত, কোরিয়া রিপাবলিকান, পাকিস্তান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সুইজারল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও কুয়েত।

    বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সংসদে লিয়াকত হোসেন খোকার এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

    পাকিস্তানের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি

    সংরক্ষিত আসনের এমপি বেগম হাবিবা রহমান খানের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী বলেন, পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে পণ্য আমদানি হয়। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৭ হাজার ৭২০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি হয়েছে। আমদানি হওয়া উল্লেখযোগ্য পণ্যগুলো হচ্ছে- কাপড়, হিমায়িত মাছ, চামড়াজাত পণ্য, মেশিনারিজ, প্লাস্টিক, রাবার, সবজিজাত পণ্য, সুগন্ধি চাল, গোলাপ ফুল, বেবি ফুড, মসলা, চিপস ও খেজুর।

    সংশ্লিষ্ট অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে মোট রফতানির পরিমাণ ছিল ৭৩৮ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। মন্ত্রী বলেন, ভারত ও পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে বিভিন্ন পণ্য আমদানি করা হয়। সে কারণে দেশ দুটির পণ্য এখানের বাজারে থাকাটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্ডার হাট রয়েছে ১৬টি।

    ৩৮টি দেশে জিএসপি সুবিধা

    মো. মামুনুর রশীদ কিরণের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ ৩৮টি দেশে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে। এসব দেশের মধ্যে ইউরোপিয়ানভুক্ত ২৮টি এবং অন্য দেশের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড, জাপান, তুরস্ক, রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, কানাডা ও চিলি।

    জিএসপি সুবিধার আওতায় রুলস অব অরজিন শিথিলসহ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে বিদ্যমান শুল্ক সুবিধা অব্যাহত রাখার বিষয়ে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলো সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে সক্রিয় যোগাযোগ রক্ষা করে।