Category: রাজণীতি

  • চুক্তি : বিটিভি দেখা যাবে ভারতে, বাংলাদেশে ডিডি ইন্ডিয়া

    চুক্তি : বিটিভি দেখা যাবে ভারতে, বাংলাদেশে ডিডি ইন্ডিয়া

    বাংলাদেশের সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বিটিভি ভারতে সম্প্রচারিত হতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে এর বিনিময়ে বাংলাদেশে ভারতের সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম দূরদর্শন (ডিডি) ইন্ডিয়া সম্প্রচারিত হবে। এ নিয়ে দুই দেশের মাঝে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

    বুধবার নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী প্রকাশ জাবেদকার এই চুক্তির ব্যাপারে জানান। তিনি বলেন, ঢাকার সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে নয়াদিল্লি। শিগগিরই ডিডি ইন্ডিয়া বাংলাদেশে দেখা যাবে।

    মন্ত্রী প্রকাশ জাবেদকার বলেন, এর বিনিময়ে ভারতে ডিডি ফ্রি ডিশে বাংলাদেশের সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বিটিভি দেখা যাবে।

    দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গেও ডিডি ইন্ডিয়ার সম্প্রচার নিয়ে একটি চুক্তি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতের এই মন্ত্রী। তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ায়ও ডিডি ইন্ডিয়া দেখা যাবে। একই সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল কেবিএস ভারতে দেখা যাবে।

    তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে এ ধরনের পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদার হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পূর্ব এশীয় নীতির আওতায় সাংস্কৃতিক বিনিময়ের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে এই চুক্তি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রকাশ।

    ভারতীয় সম্প্রচার মাধ্যম প্রসার ভারতীর সঙ্গে বাংলাদেশ টেলিভিশন গত ৭ মে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।সেই চুক্তি অনুযায়ী উভয় দেশের সরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার শুরু হচ্ছে।

    ভারতীয় প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও পরিচালক শ্যাম বেনেগালের নির্দেশনায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে দুই দেশের সরকারের অর্থায়নে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ হবে।

    কয়েক মাস আগে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরের পর উভয় দেশের সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল প্রতিবেশী এ দুই দেশের মাঝে সম্প্রচারের চুক্তি সম্পন্ন হলো।

  • আন্দোলন করে নয়, আইনগত প্রক্রিয়াতেই বেগম জিয়ার মুক্তি

    আন্দোলন করে নয়, আইনগত প্রক্রিয়াতেই বেগম জিয়ার মুক্তি

    তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া একমাত্র আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কারাগার থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

    তিনি বলেন, তিনি দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে আছেন। কোনো আন্দোলনের মাধ্যমে নয়, কেবলমাত্র আইনগত প্রক্রিয়াতে শুধু তার মুক্তি সম্ভব।

    আজ বুধবার রাজধানীর বারিধারাতে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন।

    নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করায় সাফল্য উদযাপন করতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সময় সময় আন্দোলনের ভয় দেখায়। কিন্তু দেশবাসী কখনো জানতে পারে না আন্দোলন কবে করবে তারা। তাই তথ্যমন্ত্রী বিএনপিকে অযথা এ ধরনের সস্তা কথা না বলার জন্য আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, খালেদা জিয়া ইতোমধ্যে আদালতের মাধ্যমে কয়েকটি মামলায় জামিন লাভ করেছেন। তাই, অন্য কোনো পথে নয়, একমাত্র আদালতের মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত হতে হবে বেগম জিয়া মুক্তি পাবেন কি না।

    এ সময় ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ছাত্রদের শিখতে হবে কিভাবে স্বপ্ন দেখতে হয়। একজন মানুষের জন্য স্বপ্ন দেখা খুব জরুরি। স্বপ্ন ব্যতিত কেউ সামনের দিকে ধাবিত হতে পারে না। স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টাও দরকার।

    তিনি বলেন, তুমি যদি প্রচেষ্টা না নাও তা হলে তোমার স্বপ্ন সত্য হবে না। শুধুমাত্র নিজের জন্য স্বপ্ন না দেখে ছাত্রসমাজকে সমাজের জন্য স্বপ্ন দেখার আহবান জানান। মন্ত্রী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে আরো বেশি বৃত্তি প্রদানের আহ্বান জানান।

    বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এ হাশেম অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন।

  • ‘পানিসংকট মোকাবিলায় ৮০ প্রকল্প’

    ‘পানিসংকট মোকাবিলায় ৮০ প্রকল্প’

    পানি সঙ্কট মোকাবিলায় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির কারণে পানি সঙ্কট মোকাবিলাসহ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মহাপরিকল্পনার আওতায় বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক।

    মঙ্গলবার (১৮ জুন) একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে টেবিলে উত্থাপিত এম. আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে সংসদকে এসব তথ্য জানান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য ৮০টি প্রকল্প নেবে সরকার, এতে ব্যয় হবে প্রায় ২ লাখ ৯৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

    নাছিমুল আলম চৌধুরীর অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ এর আওতায় প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় দেশের সব জেলার অভ্যন্তরস্থ ছোট নদী, খাল ও জলাশয় পুনঃখনন প্রকল্প (১ম পর্যায়) গৃহীত হয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। দেশের ৬৪ জেলার অভ্যন্তরস্থ ছোট নদী, খাল ও জলাশয় পুনঃখনন প্রকল্পের ২য় পর্যায়ের আওতায় নতুন নতুন খাল অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে যাচাই-বাছাই কাজ চলমান রয়েছে।

    বেগম লুৎফুন নেসা খানের প্রশ্নের জবাবে জাহিদ ফারুক বলেন, দেশের বিভিন্ন নদীর ভাঙন থেকে জেলা, উপজেলা, পৌর, শহর, বাজার, হাট এবং ঐতিহাসিক ও জাতীয় জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহ রক্ষার্থে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে আসছে। এ লক্ষ্যে একটি মহাপরিকল্পনা গ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে। ৩টি প্রধান নদী যমুনা, গঙ্গা ও পদ্মার ভাঙন রোধকল্পে সর্বমোট ৫৭ কি. মি. নদী তীর প্রতিরক্ষা কাজ, ৮৯ কি.মি. বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করা হবে। বর্তমানে ৮৬৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নাধীন রয়েছে; যা ২০১৪ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে এবং ২০২০ সালের জুনে সম্পন্ন হবে।

    বাংলাদেশের ভূ-খণ্ড রক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশের মানচিত্রে সদ্য স্থান পাওয়া লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলাধীন সাবেক পাটগ্রাম ছিটমহল এবং পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলাধীন সাবেক নাজিরগঞ্জ ও দইখাতা ছিটমহল এলাকায় নদী তীর ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে ২টি প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে।

  • বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন সেলিমা রহমান

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন সেলিমা রহমান

    ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও সেলিমা রহমানইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও সেলিমা রহমানকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যান থেকে তাদের এই পদোন্নতি দেওয়া হলো। বুধবার (১৯ জুন) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর নয়পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    রিজভী বলেন, ‘পদোন্নতি দিয়ে আমাদের স্থায়ী কমিটির শূন্য পদে তাদের দু’জনকে নিয়ে আসা হয়েছে।’

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হান্নান শাহ, এম কে আনোয়ার ও তরিকুল ইসলাম মারা যাওয়ায় কয়েকটি পদ শূন্য হয়। সেই শূন্য পদে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও সেলিমা রহমানকে নিয়ে আসা হলো। এখনও স্থায়ী কমিটির তিনটি পদ খালি আছে।

    ইতোমধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের মেয়াদ শেষ হয়েছে। কিন্তু কাউন্সিল কবে হবে, তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারছেন না দলটির নেতারা।

  • এটা মিঠুন চক্রবর্তীর সংলাপ নয় যে, মারবো এখানে লাশ পড়বে সেখানে: মমতা

    এটা মিঠুন চক্রবর্তীর সংলাপ নয় যে, মারবো এখানে লাশ পড়বে সেখানে: মমতা

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসে চোরেদের কোন জায়গা নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দলনেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যনার্জি। তিনি বলেন, যারা ডেডিকেটেড একমাত্র তাদেরকেই জায়গা দেওয়া হবে।

    মঙ্গলবার দক্ষিণ কলকাতার নজরুল মঞ্চে দলীয় কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠক থেকে দলের বিধায়কদের উদ্দেশ্যে মমতা এই বার্তা দেন। সাম্প্রতিকালে তৃণমূল ছেড়ে দলের নেতা-কর্মীদের বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে মমতার বার্তা, ‘যারা যারা যাবেন তাড়াতাড়ি যান। আগে আগে চলে যান। তার কারণ আমাদের কাজগুলো শুরু করতে দিন। আমরা সব জায়গায় নতুন কর্মী তৈরি দিয়ে দিয়েছি। একজন যাবে, আমি ৫০০ জন তৈরি করবো। তবু আমি চোরেদের রাখবো না।’

    মমতা বলেন, ‘যদি তৃণমূল কংগ্রেসের সাথে থাকতে চান তবে বলবো, তৃণমূল কংগ্রেস এতো দুর্বল দল নয়। ১৫ জন বা ২০ জন কাউন্সিলর রুপি নিয়ে কোথাও চলে গেল, তাতে আমার বয়েই গেল। আমি নতুন লোককে টিকিট দেবো। কোথাও একটা গ্রামসভা চুরি করে পলিয়ে গেল, আমার কিছু যায় আসে না।’

    তৃণমূলের কাউন্সিলরদের দল পরিবর্তন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আপনারা এখানে পঞ্চায়েত ও মিউনিসিপ্যালিটি চালাবেন আর দিল্লির সরকার রুপি দেবে-এ রকম হয় নাকি? কাজ করবেন এখানে আর রুপি আসবে ওখান থেকে-তা কি কখনও হয়? এটা মিঠুন চক্রবর্তীর সংলাপ নয়, যে মারবো এখানে লাশ পড়বে সেখানে। এটা হল বাস্তব পরিস্থিতি। মিউনিসিপ্যালিটি, পঞ্চায়েত সবই রাজ্য সরকারের অধীন। এটা মাথায় রাখতে হবে।’

    কাউন্সিলদের আচরণ, জনসংযোগ ও লাইফস্টাইল নিয়ে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে তার কাছে। আগামী দিনে তাদের কীভাবে চলা উচিত বা জনসংযোগ বাড়ানো উচিত সে ব্যাপারে পরামর্শ দিতে গিয়ে মমতা বলেন, ‘আজকাল একটা নতুন স্টাইল হয়েছে-চুরি করার পর যেই তারা ধরা পড়ছে, সাথে সাথেই অন্য একটি রাজনৈতিক দলে নাম লেখাচ্ছে। ভাবছে বেঁচে যাবে। তা হবে না। সরকারের কাছে তার প্রত্যেকটির হিসাব আছে। আমি যদি সরকারের রুপি তছনছ করি-আমিও যেমন দায়ী, তেমনি অন্য কেউ করলেও তারা দায়ী হবে। এটা এতো সহজ নয় যে অন্য দলে গিয়ে বেঁচে গেলাম। আরও বরং ফাঁসবেন। অনেকে আছেন যারা সরকারি সম্পত্তি নিজের বা তার পরিবারের নামে করে নিয়েছেন। মনে রাখতে হবে সরকারের সম্পত্তি জনগণের সম্পত্তি। এটা দখল করার অধিকার কারও নেই।’

    মমতার অভিমত, ‘কাউন্সিলর বা পঞ্চায়েতের সদস্যদের কাজ হচ্ছে মানুষের কাজ করা। কিন্তু এলাকায় যদি ভাল কাজ না হয় তবে তার দোষ এসে পড়ে দলের ওপর। আবার কাজ করলে তাতে দলের সুনাম বৃদ্ধি পায়। আমি নিজেও দেখেছি যে অধিকাংশ জায়গায় কাজ হয় না। কেবলমাত্র বাড়ি ও প্রমোটিং-এর সাথে সম্পর্ক। এটা ঠিক নয়।’

    সাম্প্রতিক লোকসভার নির্বাচনে অপ্রত্যাশিত ফল করেছে বিজেপি। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে ১৮টিতে জয় পেয়েছে তারা। তৃণমূল জয় পেয়েছে ২২টি আসনে। একাধিক কেন্দ্রে তার দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে। এরপর থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকেই বিজেপিতে যোগদান করার হিড়িক পড়েছে। এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত তৃণমূল। তাদের একাধিক বিধায়ক, কাউন্সিলর, পঞ্চায়েত সদস্য ঘাসফুল ছেড়ে যোগ দিয়েছে বিজেপি শিবিরে। এমন এক পরিস্থিতিতে দলের কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে অন্যদিকে বিভিন্ন দুর্নীতিতে যাদের নাম জড়িয়েছে-তাদের উভয়কেই বার্তা দিলেন মমতা।
    বক্তব্য চলাকালীন সময়ে রাজ্যটির নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও দলের সভাপতি সুব্রত বক্সিকে উদ্দেশ্য করে মমতা বলেন, ‘একটা কথা বলে রাখবো যারা দল ছেড়ে চলে যাবে, তারা যদি দুইদিন বাদে পায়ে ধরে ফেরত আসতে চাইবে তা হবে না। এটাকে বন্ধ করতে হবে। আজকে চলে যাবে আর আগামীকাল পায়ে ধরে ফেরত আসতে চাইবে-এই জিনিস বন্ধ করুন। যারা আমাদের পুরনো কর্মী ভুল বুঝে চলে গেছেন-তারা যদি আসেন তাদেরটা বিবেচনা করুন। অন্যথায় হবে না।’

    নাম না করে তৃণমূলের এক সময়ের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মুকুল রায় ও তার পুত্র শুভ্রাংশ রায়ের উদ্দেশ্যে মমতা বলেন, ‘বাবা দল করতো, বাবার ছেলেকে আমরা টিকিট দিয়ে দিয়েছি। পকেট প্যাকেজ! যে বাবা-ছেলে ডেডিকেটেড তাদের দিতে হবে। যারা দল ছেড়ে যাবেন না, যারা দলকে মন্দির-মসজিদ-গুরদোয়ারার মতো ভালবাসবেন। কিন্তু যারা আজকে এই পা, কালকে ওই পা-তোমাদের জন্য দলে অনেক বদনাম সহ্য করেছি, আর নয়।’

  • নগরবাসীকে যানজটমুক্ত করতে করণীয় সবকিছু করা হবে: কাদের

    নগরবাসীকে যানজটমুক্ত করতে করণীয় সবকিছু করা হবে: কাদের

    ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরসনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নগরবাসীকে যানজট থেকে মুক্ত করতে যা যা করণীয় তার সব করা হবে।

    নগর ভবন দক্ষিণের সভাকক্ষে বুধবার দুপুরে ঢাকা যানবাহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) বোর্ড সভা শেষে তিনি একথ বলেন।

    সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, গাজীপুর সিটির মেয়র জাহাঙ্গীর আলম ও নারায়ণগঞ্জ সিটির মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভি উপস্থিত ছিলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ঢাকার বাইরে থেকে অবৈধ যানবাহন মহানগরীতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া ফুটপাত পথচারীদের ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে শিগগিরই অভিযান চালানো হবে বলেও তিনি জানান।

    এখন থেকে দুই মাস পর পর যানবাহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) বোর্ড সভা হবে বলেও জানান সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেন, সভায় সিদ্ধান্ত হবে কিন্তু বাস্তবায়ন হবে না এটা হতে পারে না। নগরবাসীকে যানজট থেকে মুক্ত করতে যা যা করণীয় তা করা হবে। সভায় ঢাকা মহানগরীকে যানজটমুক্ত করতে যেসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে তা বাস্তবায়নে আগামী দুই মাস সাঈদ খোকনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি কাজ করে যাবে। এ দুই মাসে তারা সব সমস্যার সমাধান করবেন এমন না, তবে যতটুকু করতে পারেন তার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী সভায় আবার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

  • ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের পদ স্থগিত

    ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের পদ স্থগিত

    ঝালকাঠি জেলা বিএনপির উপদেষ্টাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা এবং দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডের আভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নুপুরের পদ স্থগীত করা হয়েছে।
    বুধবার (১৯ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক পত্রে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পদকের পদ স্থগিত করা হয়।

    কেন্দ্র থেকে প্রেরিত বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক পত্রে উল্লেখ করা হয়, গত ১৬ এপ্রিল জেলা বিএনপির সাধারন সভা শেষে হাঙ্গামা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আপনি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। এ বিষয়ে কেন্দ্র কর্তৃক গঠিত তদন্ত টিমের প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে আপনাকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেয়া হয়। আপনার জবাব প্রাপ্তির পর জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক পদ পরবর্তি নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

    এর আগে গত ১ জুন জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নুপুরকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কারণ দর্শানো নোটিশ দেয় কেন্দ্রীয় বিএনপি। এতেউল্লেখ করা হয়েছিলো, গত ১৬ এপ্রিল ১৯ তারিখে ঝালকাঠি জেলা বিএনপির এক সাধারন সভা শেষে জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম গিয়াসকে সকলের সামনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। যা তদন্তে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ইহা সম্পুর্ণভাবে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকান্ড। সে ক্ষেত্রে কেন আপনার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার কারণ দর্শিয়ে আগামী ১০ দিনের মধ্যে একটি লিখিত প্রতিবেদন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বরাবরে নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রেরণ করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।

    জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম গিয়াসকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার পর নুপুরের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীরা। তারা নুপুরের হাত থেকে জেলা বিএনপিকে রক্ষা করার জন্য কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতাদের প্রতি দাবীও জানান।

  • তথ্য অধিকার আইনে ৯৫ হাজার তথ্য সরবরাহ হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য অধিকার আইনে ৯৫ হাজার তথ্য সরবরাহ হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্যমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ সংসদকে জানিয়েছেন, জনগণের ক্ষমতায়ন ও প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি কর্তৃপক্ষের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকার ২০০৯ সালের ২৯ মার্চ জাতীয় সংসদে ‘তথ্য অধিকার আইন ২০০৯’ পাস করে।

    একই বছরের ৬ এপ্রিল গেজেট আকারে আইনটি প্রকাশিত হয়। সে অনুযায়ী ১ জুলাই তথ্য কমিশন গঠন করা হয়। এরপর থেকে ৯৯ হাজার ২৩৮টি তথ্য প্রাপ্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে সর্বমোট ৯৫ হাজার ২৩৩টি তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে।

    এছাড়া ৩ হাজার ৮৩টি দায়েরকৃত অভিযোগের মধ্যে ২ হাজার ৯৭২টি অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছে এবং ১১১টি অভিযোগ নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

    স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বাজেট অধিবেশনে আজকের বৈঠকে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের মহিলা এমপি হাবিবা খানের লিখিত প্রশ্নে জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

    জাতীয় পার্টির সদস্য সালমা ইসলামের তারকা চিহ্নিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিটিভিকে আরো আধুনিকায়নে ইতোমধ্যে ১ হাজার ৮৬৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ৪টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

  • ‘সংশোধিত বাজেটে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাজেট বাড়বে’

    ‘সংশোধিত বাজেটে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাজেট বাড়বে’

    সংশোধিত বাজেটে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনেকখানি বাড়বে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি-বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। তা ছাড়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপনের জন্য এ মন্ত্রণালয় বিশেষ বরাদ্দ পাবে।

    আজ বুধবার দুপুরে যোগাযোগ করা হলে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আগামী অর্থবছরে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনেক বেশি বাড়বে যা সংস্কৃতিকর্মীদের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে।

    বাজেটে সংস্কৃতি খাতে এবারের বরাদ্দ নিয়ে সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা ছিল। রীতিমতো প্রতিবাদ সভা করে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছিলেন সংস্কৃতিকর্মীরা। সংস্কৃতিকর্মীরা মনে করেন, গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত সাংস্কৃতিক জাগরণের প্রণোদনা হিসেবে এই বাজেট অপ্রতুল। তাঁদের প্রস্তাব ছিল, জাতীয় বাজেটের ন্যূনতম ১ শতাংশ সংস্কৃতি খাতে বরাদ্দ দেওয়া হোক। সেটা না হলে সাংস্কৃতিক জাগরণ সম্ভব হবে না।

    প্রসঙ্গত ১৩ জুন জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এবারের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৮ দশমিক ১ শতাংশ। এর মধ্যে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জন্য বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে ৫৭৫ কোটি টাকা। এই বাজেট দেশের সংস্কৃতিচর্চার জন্য মোটেও সন্তোষজনক নয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশের বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। গত বছর এ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত বাজেট ছিল ৫১০ কোটি টাকা, সংশোধিত বাজেট ছিল ৬২৫ কোটি টাকা।

    এবারের প্রস্তাবিত বাজেটকে হতাশাজনক মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতিজনেরা। তাদের মতে, একটি সুস্থ সমাজ বিনির্মাণে, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে, জঙ্গিবাদ ও মাদকের ভয়াবহতা দূর করতে সংস্কৃতি খাতে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো অত্যাবশ্যক ছিল। কিন্তু বাজেটপ্রণেতারা সে পথে না হেঁটে, হেঁটেছে ভিন্ন পথে। সংস্কৃতি খাতকে মোটেও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। অবশেষ আজ সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আশ্বাসে তারা আশার আলো দেখছেন।

    বাজেটে সংস্কৃতি খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবিতে ১৫ জুন সংস্কৃতি কর্মীদের প্রতিবাদ সভা।বাজেটে সংস্কৃতি খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবিতে ১৫ জুন সংস্কৃতি কর্মীদের প্রতিবাদ সভা।আজ সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার ২০১৯-২০ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর হয়। মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনার বিবরণ তুলে ধরে সংস্কৃতি-বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রায় ৭০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা অপেরা হাউস নির্মাণ প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রতি উপজেলায় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র/কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ৪০০ আসনবিশিষ্ট মিলনায়তন, ২৫০ আসনবিশিষ্ট সিনেপ্লেক্স, মুক্তমঞ্চ ও ক্যাফেটেরিয়া নির্মিত হবে যার নকশা প্রণয়নের কাজ ইতিমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক ভূঞা, আরকাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দিলীপ কুমার সাহা, বাংলা একাডেমির সচিব আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এর আওতাধীন ১৭টি দপ্তর বা সংস্থার বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর বা সংস্থার পক্ষে স্ব স্ব দপ্তর প্রধানেরা চুক্তিতে সই করেন।

  • নির্বাচন নিয়ে মানুষ আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে, সংসদে মেনন

    নির্বাচন নিয়ে মানুষ আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে, সংসদে মেনন

    আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, নির্বাচন নিয়ে জনগণ আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। উপজেলা নির্বাচনেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। মসজিদে মসজিদে ঘোষণা দিয়েও ভোটারদের আনা যায় না। এটা নির্বাচনের জন্য শুধু নয়, গণতন্ত্রের জন্যও বিপজ্জনক।

    আজ বুধবার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন মেনন। তিনি আর্থিক খাতের দুরবস্থা, কালোটাকা সাদা করার সুযোগ রাখা ও উন্নয়ন বৈষম্যের কঠোর সমালোচনা করেন।

    মেনন বলেন, রোগ এখন উপজেলা নির্বাচন পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। পাঁচ দফা উপজেলা নির্বাচনে তাঁর দল, এমনকি আওয়ামী লীগের নিজ দলের প্রার্থীদের অভিজ্ঞতা করুণ। নির্বাচন কমিশন, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বলেও কোনো লাভ হচ্ছে না। বরং তাঁদের যোগসাজশ রয়েছে। এর ফলে নির্বাচন ও সামগ্রিক নির্বাচনী ব্যবস্থা সম্পর্কে জনমনে অনাস্থা সৃষ্টি হয়েছে। ভোট দেওয়ার ব্যাপারে জনগণ আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে।