গল্প নয়, সত্যি। ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৮ফুট প্রশস্তের নির্মিত রাস্তার কার্পেটিং (ঢালাই) হাত দিয়ে টেনে তুলছেন স্থানীয় জনগন। নি¤œমানের কাজ করতে গিয়ে জনতার তোপের মুখে ঠিকাদারারের লোকজন লাঞ্ছিত, কাজ বন্ধ করে দিয়েছে জনগন। পুণঃরায় সড়ক নির্মানের জন্য জাতির পিতার ভাগ্নে স্থানীয় এমপি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ সড়ক ও সেতু মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকার ভুক্তভোগী জনগন।
সংশ্লিষ্ঠ সূত্র মতে, বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতায় আগৈলঝাড়া উপজেলা সদর থেকে রাজিহার হয়ে ঘোষেরহাট পর্যন্ত বরিশাল অংশে ৩০কোটি টাকা ব্যায়ে দুটি কালভার্টসহ ১৮ফুট প্রশস্তের ১২ দশমিক ৭০ কিঃ মিঃ সড়ক নির্মানের কাজ বাস্তবায়ন করছে বরিশালের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এমএম এন্টারপ্রাইজ এর সত্বাধিকারী মাহফুজ খান।
সওজ বিভাগের একই কার্যাদেশে ওই প্রতিষ্ঠান আগৈলঝাড়া উপজেলায় বিভিন্ন সড়ক উন্নয়নে আরও প্রায় ৫৮ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পর কাজ বাস্তবায়ন করছে।
বরিশাল এলাকার উত্তরে ২০ কিলোমিটার অংশে ১নং খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের বাকাই সুধীর মেম্বরের বাড়ির সামনের ব্রীজ থেকে বাকাই ফিরোজার মোড় পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কের কাজ অত্যান্ত নি¤œমানের হয়েছে বলে জানান ওই এলাকার ১নং খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড সদস্য সুধীর রঞ্জন ও ৩নং ওয়ার্ড সদস্য কাওসার আহম্মেদ মানিকসহ বিক্ষুব্ধ অর্ধশতাধিক লোকজন।
শুক্রবার সরেজমিনে দেখা গেছে স্থানীয় লোকজন সংবাদ কর্মীদের উপস্থিেিত রাস্তায় ঢালাই হাত দিয়ে টেনে তুলে দেখাচ্ছেন। এলাকাবাসী অভিযোগে বলেন, ওয়ার্ক এসিস্ট্যান্ট শামসুল হকের উপস্থিতিতে বুধবার রাস্তা ঢালাই করা হয়। তাকে ভাল করে প্রাইম করে কার্পেটিং ও সিলকোড করার অনুরোধ জানালেও তা কোন কাজে আসেনি। নি¤œ মানের কাজ করার এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধরা ঠিকাদারের লোজজনকে লাঞ্ছিত করে। আত্মগোপন করে ওয়ার্ক এসিস্ট্যান্ট শামসুল হক। এর পরে কাজ বন্ধ করে দেয় স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী জনগন অভিযোগে আরও বলেন, ঠিকাদারের এলএ-৩৫গ্রেডের পাথর ও সিলেট চান বালু সমপরিমান মিশ্রনে (অর্ধেক-অর্ধেক) যাকে বলে “বেষ্ট ওয়ান” দিয়ে ম্যাকাডাম দিয়ে সড়ক নির্মানের কথা। ম্যাকাডম শেষে লুচ পাথরে ঢেকে সিলেট চান বালু দিয়ে কমপ্যাকশন করে প্রাইম করার কথা। প্রাইম শেষে পুনরায় সিলেট চান বালু দিয়ে ঢেকে দিয়ে তা পরিস্কার করে ৪০ মিলি মিটার কার্পেটিং শেষে ১০ মিলি মিটার সিল কোড করার কথা রয়েছে।
কিন্তু ঠিকাদারের লোকজন সড়ক বিভাগের কর্মচারীদের ম্যানেজ করে তাদের উপস্থিতিতে সড়কে শুধু ৩ থেকে ৪ ইঞ্চি লোকাল বালু দিয়ে তার উপর কিছু মরা পাথর দিয়ে ম্যাকাডমের কাজ করেছে। সেই ম্যাকাডমে পাথরের পরিবর্তে ইটের খোয়াও রয়েছে। এভাবে ম্যাকাডম করে তার উপর লোকাল বালু দিয়ে নামকাওয়াস্তে প্রাইম করে তার উপর আবার লোকাল বালু ছিটিয়ে কমপ্যাকশন ও ভালভাবে পরিস্কার করা ছাড়াই কার্পেটিং করায় ওই ঢালাই সড়ক স্থায়ী করনের জন্য কোন কাজেই আসছে না। মাগুরা থকে ঘোষেরহাট পর্যন্ত সড়কের সব জায়গাই একই অবস্থা। সিডিউলের অর্ধেকও কার্পেটিং করা হচ্ছে না। সিলকোড করা হয়নি নির্মিত সড়কের কোথাও।
এছাড়াও সড়কের বিভিন্ন জায়গায় গাইড ওয়াল দিয়ে পাইলিং করার কথা থাকলেও তার পরিবর্তে বাঁশ ও ড্রাম সীট দিয়ে করা হয়েছে পাইলিং এর কাজ। যা সড়ক কার্পেটিংর পর পরই ধ্বসে পরেছে।
স্থানীয়রা নি¤œ মানের কার্পেটিং করা সড়কটি চাষ দিয়ে ভেঙ্গে পুনঃরায় সড়ক কার্পেটিং এর জন্য জাতির পিতার ভাগ্নে, স্থানীয় এমপি আলহাজ্ব আবুল হাসনানাত আবদুল্লাহ ও সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের আশু দৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রকল্প বাস্তবায়নকারি ঠিকাদার মাহফুজ খান বলেন, বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন। লেবাররা সাইট চুক্তিতে কাজ করে। সাইট বুঝিয়ে দিয়েই তাদের দ্বায়িত্ব শেষ হয়। কিন্তু, প্রতিষ্ঠানের সুনাম দুর্নাম নিয়ে তাদের মাথা ব্যাথা নেই। তারা ভুল করলেও তিনি নিজে প্রকল্প সাইট পরিদর্শন করে কাজের মান খরাপ হলে পুনরায় প্রাইম করে নতুন করে কাজ করবেন বলেও জানান তিনি।
প্রকল্পর কাজ তদারকির দায়িত্বে থাকা সড়ক বিভাগের এসও মো. আবু হানিফ মিয়া ফোনে এই প্রতিনিধিকে বলেন, কাজ নিয়ে সমস্যার কথা তিনি শুনেছেন। জুন মাসে ব্যস্ততার জন্য প্রতিদিন তিনি সাাইটে যেতে পারছেন না। কাজের মান খারাপের জন্য ওয়ার্ক এসিস্ট্যান্ট, ঠিকাদারের লোকজনকে তিনি ভর্ৎসনা করেছেন। সাইট লেবার সর্দার বাবুল কন্টাকে কাজ করে। তাকে এজন্য চরম অপদস্থ করেছেন তিনি। শিঘ্রই তিনি সাইটে এসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. গোলাম মোস্তফা জানান, বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন। কাজের কোয়ালিটির ব্যাপারে কোন আপোষ করা হবে না। কাজ খারাপ হলে ঠিকাদারকে পুনরায় কাজ করতে হবে। সময় সুযোগ করে তিনি সাইট পরিদর্শন করবেন বলেও এই প্রতিনিধিকে নিশ্চিত করেন তিনি।
Category: রাজণীতি
-

আগৈলঝাড়ায় ৩০কোটি টাকার সড়ক নির্মানে অনিয়ম হাত দিয়ে তুলে ফেলছে কার্পেটিং !
-

বরিশাল নগরীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন, বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ
বরিশালে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় নগরের চাঁদমারি কলোনী সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীর বেড়িবাধে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।
এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সিটি করপোরেশনের সচিব ডা. ইসরাইল হোসেন, ইউনিসেফের আঞ্চলিক প্রধান এ এইচ তৌফিত আহমেদ, সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. মতিউর রহমান, ডা. মো. ফয়সাল, ডা. মঞ্জুরুল আলম শুভ্র, ডা. নাহিদ, স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মজিবর রহমান, আয়শা তৌহিদা লুনা প্রমুখ।
এদিকে একই সময়ে বরিশাল জেনারেল (সদর) হাস্পাতালে সিভিল সার্জন ডা. মনোয়ার হোসেন জেলা ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন।
বরিশাল সিটি কপোরেশনসহ জেলায় ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৪৬৩ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এর মধ্যে বরিশাল জেলার ১০ উপজেলায় খাওয়ানো হবে ৩ লাখ ৬ হাজার ৯৬৩ জন ও সিটি এলাকায় ৪৯ হাজার ৫০০ শিশুকে।
-

শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা দুনিয়ায় দুর্নীতি আছে: কাদের
বিএনপি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ দল। তারা তাদের গঠনতন্ত্র থেকে ৭ নং ধারা বাদ দিয়ে এটা প্রমাণ করেছে।
তিনি বলেন, আন্দোলন করে যদি তারা বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে পারে, তাহলে করুক। ১০ বছর ধরে তো তাদের আন্দোলন দেখছি।
শনিবার দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের দলের ৭০ বছর উপলক্ষে সব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। আগামীকাল সকাল সাড়ে ৮টায় বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে। ঢাকা থেকে শুরু করে প্রতিটি উপজেলায় সাজসজ্জা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে তিনদিনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ৭০ বছরে আমাদের বড় অর্জন স্বাধীনতা ও মুক্তি। দেশের মানুষের মুক্তির জন্য বঙ্গবন্ধু কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু ’৭৫ এর ১৫ আগস্ট তাকে হত্যা করার পর বাঙালি জাতিকে মুক্তি দেয়ার আন্দোলন অনেকটা পিছিয়ে পড়ে। ’৮১ সালে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর আওয়ামী লীগের পথচলায় নতুন মাত্রা যোগ করে। শেখ হাসিনা নির্বাচনেও সফল, আন্দোলনেও সফল।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই বাংলাদেশ একসময় বিদেশিদের চোখে ছিল গলিত লাশ, তলাবিহীন ঝুড়ি আর অভাবের দেশ। সেই দেশকে এখন কোথায় নিয়ে গেছেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ আজ সারা দুনিয়ায় প্রশংসার দাবিদার।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুর্নীতি শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা দুনিয়ায় দুর্নীতি আছে। এ দেশ একসময় পর পর তিনবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এখন আমাদের বড় শক্তি শেখ হাসিনার মতো সৎ একজন নেত্রী। নানা সংকট থেকে দেশকে শৃঙ্খলার দিকে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি। আওয়ামী লীগ এত বড় একটি দল। কেন্দ্রের একজন নেতার বিরুদ্ধে বা নতুন মন্ত্রিসভার একজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ কেউ উত্থাপন করতে পারেনি।
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব-উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, এনামুল হক শামীম, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, মৃণাল কান্তি দাস, এস এম কামাল, মির্জা আজম, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
-

শীর্ষ ৩০০ ঋণখেলাপির কাছে ৫১ হাজার কোটি টাকা
দেশের শীর্ষ ৩০০ ঋণখেলাপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানাসহ তালিকা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এই ৩০০ জন বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে জমা দেননি। তারা সরকার থেকে ঋণ নিয়েছেন ৭০ হাজার ৫৭১ কোটি। এর মধ্যে খেলাপি রয়েছে ৫০ হাজার ৯৪২ কোটি টাকা। শ্রেণিকৃত ঋণ ৫২ হাজার ৮৩৭ কোটি টাকা।
শনিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. ইসরাফিল আলমের টেবিলে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, ১৪ হাজার ৭১৫টি প্রতিষ্ঠান প্রত্যেকে পাঁচ কোটির ঊর্ধ্বে ঋণ নিয়েছে। যাদের মোট ঋণের পরিমাণ ১৭ লাখ ৪১ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা। এদের কাছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ এক লাখ ১৮৩ কোটি টাকা।
শীর্ষ ঋণখেলাপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান
সামানাজ সুপার ওয়েল লিমিটেড ১ হাজার ৪৯ কোটি টাকা, গ্যালাক্সি সোয়েটার অ্যান্ড ইয়ার্ন ডাইং ৯৮৪ কোটি, রিমেক্স ফুডওয়্যার লিমিটেড ৯৭৬ কোটি, কোয়ান্টাম পাওয়ার সিস্টেম লিমিটেড ৮২৮ কোটি, মাহিন এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড ৮২৫ কোটি, রূপালি কম্পোজিট লেদার ওয়্যার লিমিটেড ৭৯৮ কোটি, ক্রিসেন্ট লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড ৭৭৬ কোটি, এসএ ওয়েল রিফাইনারি লিমিটেড ৭০৭ কোটি, সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড ৬১০ কোটি, গ্রামীণ শক্তি ৬০১ কোটি, সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেড ৫৮২ কোটি, কম্পিউটার সোর্স লিমিটেড ৫৭৫ কোটি, সিমরান কম্পোজিট লিমিটেড ৫৬৪ কোটি, ম্যাক্স ইস্পিনিং মিলস ৫২৬ কোটি, বেনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৫২৩ কোটি, আলফা কম্পোজিট টাওয়েলস লিমিটেড ৫২৩ কোটি, সিদ্দিক ট্রেডার্স ৫১১ কোটি, রুবাইয়া ভেজিটেবল ওয়েলস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৫০১ কোটি, রাইজিং স্টিল লি. ৪৯৫ কোটি টাকা।সুপ্রভ রোটোর স্পিনিং লিমিটেড ৪৬৫ কোটি টাকা, ইয়াছির এন্টারপ্রাইজ ৪৬৪ কোটি, চৌধুরী নিটওয়্যার লিমিটেড ৪৬২ কোটি, রানকা সোয়েল কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড ৪৪৯ কোটি, লেক্সকো লিমিটেড ৪৩৯ কোটি, জাকুয়ার্ড নিটেক্স লিমিটেড ৪৩০ কোটি, ইব্রাহিম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ৩৭৩ কোটি, ম্যাক ইন্টারন্যাশনাল ৩৭২ কোটি, বাংলা লায়ন কমিউনিকেশন্স লিমিটেড ৩৭১ কোটি, বাংলাদেশ সুগাার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ ৩৫২ কোটি, হলমার্ক ফ্যাশন লিমিটেড ৩৪১ কোটি, পদ্মা পলি কটন নিট ফেব্রিক্স লিমিটেড ৩৩১ কোটি, গ্রান্ড ট্রেডিং এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড ৩২৪, ফেয়ার টেড ফেব্রিক্স লিমিটেড ৩২২ কোটি, গ্রামবাংলা এনপিকে ফার্টিলাইজার অ্যান্ড এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ ৩১৮ কোটি, সাহারীজ কম্পোজিট টাওয়াল লিমিটেড ৩১৪ কোটি, ৭বি অ্যাসোসিয়েটস ৩০৯ কোটি, রুরালস সার্ভিসেস ফাউন্ডেশন ৩০৬ কোটি, সুরুজ মিয়া জুট ইস্পিনিং লিমিটেড ৩০৪ কোটি, ফেয়ার ইয়ার্ন প্রসেসিং লিমিটেড ২৯৬ কোটি, ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল ২৮৬ কোটি, রূপায়ন হাউজিং স্টেট লিমিটেড ২৮০ কোটি, এসকে স্টিল ২৭১ কোটি টাকা, মাবিয়া শিপ ব্রেকার্স ২৭১ কোটি, মুন্নু ফেব্রিক্স লিমিটেড ২৬৭ কোটি, হেল্প লাইন রিসোর্স লিমিটেড ২৫৮ কোটি টাকা, দি ঢাকা ডাইং অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড ২৫৮ কোটি টাকা, বিসমিল্লাহ টাওয়াল লিমিটেড ২৪৪ কোটি, রানকা ডেনিম টেক্সটাইলস মিলস ২২২ কোটি, তানিয়া এন্টারপ্রাইজ ২১২, এইচ স্টিল রি রোলিং মিলস ২০৯, কে আর স্পেশালাইজড হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার ২০৪ কোটি, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড ২০১, চিটাগাং সিন্ডিকেট ১৯৮ কোটি, টি অ্যান্ড ব্রাদার্স নিট কম্পোজিট লিমিটেড ১৯৭ গ্লোব এডিবল ওয়েল লিমিটেড ১৯৭ কোটি, এমএইচ গোল্ডেন জুটস মিলস লিমিটেড ১৯৪ কোটি, নর্থস এগ লিমিটেড ১৯৪ কোটি, সিম্যাট সিটি জেনারেল ট্রেডিং লিমিটেড ১৯৩ কোটি, ইব্রাহিম কনসোর্টিয়াম লিমিটেড ১৯২ কোটি, লামিসা স্পিনিং লিমিটেড ১৯১ কোটি, অ্যাপেল সিরামিকস প্রাইভেট লিমিটেড ১৮৯ কোটি, আরআই এন্টারপ্রাইজ ১৮৯ কোটি, এমকে শিপ বিল্ডার্স অ্যান্ড স্টিলস লিমিটেড ১৮৫ কোটি, মাহমুদ ফেব্রিক্স অ্যান্ড ফিনিশিং লিমিটেড ১৮৪ কোটি, কটন কর্পোরেশন ১৮৪ কোটি, এমবিএ গার্মেন্টস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড ১৮৩ সিক্স সিজনস অ্যাপার্টমেন্ট লিমিটেড ১৮৩ কোটি, ন্যাশনালস স্টিল ১৮৩ কোটি, ক্যাপিটাল বোর্ড লিমিটেড ১৮২ কোটি, ইউনাইটেড এয়ারওয়েস বিডি লিমিটেড ১৮০ কোটি, করলা কর্পোরেশন বিডি লিমিটেড ১৭৮ কোটি, এক্সপার টেক লিমিটেড ১৭৬ কোটি, ব্লু ইন্টারন্যাশনাল ১৭৫ কোটি, সাফারি ট্রেডার্স ১৭৪ কোটি, আমাদের বাড়ি লিমিটেড ১৭৩ কোটি, ওয়ালম্যাট ফ্যাশন লিমিটেড ১৭০ কোটি, এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিমিটেড ১৬৮ কোটি, শব মেহের স্পিনিং মিলস লিমিটেড ১৬৮ কোটি, সুপ্রভ মেলেং স্পিনিং মিলস ১৬৭ কোটি, হিমালয়া পেপার্সি অ্যান্ড বোর্ড মিলস ১৬৬ কোটি, লিবার্টি ফ্যাশনস ওয়্যার ১৬৪ কোটি, ক্রিসেন্ট ট্যানারিস লিমিটেড ১৬৩ কোটি, চৌধুরী টাওয়াল ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিমিটেড ১৬৩ কোটি, চৌধুরী লেদার অ্যান্ড কোম্পানি ১৬২ কোটি, ইসলাম ট্রেডিং কনসোর্টিয়াম লিমিটেড ১৫৬ কোটি, অ্যাপেক্স নিট কম্পোজিট লিমিটেড ১৫৬ কোটি, আব্দুল্লাহ স্পিনিং মিলস ১৫৫ কোটি, আনোয়ারা মান্নান টেক্সটাইল ১৫৩ কোটি, সাগির অ্যান্ড ব্রাদার্স ১৫৩ কোটি, মাস্টার্ড ট্রেডিং ১৫২ কোটি, ইসলাম ব্রাদার্স অ্যান্ড কোম্পানি ১৫২ কোটি হিন্দুল ওয়ালি টেক্সটাইল লিমিটেড ১৫২ কোটি, এরিয়ান কেমিক্যালস ১৫১ কোটি, ওয়ার্ন ডেনিম মিলস লিমিটেড ১৫১ কোটি, মুহিব স্পিনিং অ্যান্ড শিপ রিসাইকেলিং ১৫০ কোটি, গ্লোব মেটাল কম্পেক্লক্স লিমিটেড ১৫০ কোটি, এরশাদ ব্রাদার্স কর্পোরেশন ১৪৯ কোটি, জালাল অ্যান্ড সন্স ১৪৯ কোটি, বিশ্বাস গার্মেন্টস লিমিটেড ১৪৯ কোটি, সাইদ ফুড লিমিটেড ১৪৫ কোটি, এইচআরসি শিপিং লিমিটেড ১৪৪ কোটি, আলী পেপার্স মিলস লিমিটেড ১৪৩ কোটি, রহমান শিপ ব্রেকার্স লিমিটেড ১৪২ কোটি, ড্রেজ বাংলা (প্রা.) লিমিটেড ১৪২ কোটি, ফারইস্ট স্টোক অ্যান্ড ব্রন্ডস লিমিটেড ১৩৯ কোটি, ফিবার সাইন লিমিটেড ১৩৮ কোটি, অর্নেট সার্ভিস লিমিটেড ১৩৭ কোটি, মুজিবুর রহমান খান ১৩৬ কোটি, জাহিদ এন্টার প্রাইজ লিমিটেড ১৩৪ কোটি, তাবাসসুম এন্টাপ্রাইজ ১৩৩ কোটি, এপেক্স ওয়েবিংস অ্যান্ড ফিনিশিং লিমিটেড ১৩০ কোটি, মিশন ডেভেলপার লিমেটেড ১৩০ কোটি, তালুকদার ইউপিবিসি ফিটিংস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ১৩০ কোটি, এনোন নিট টেক্স লিমিটেড ১২৯ কোটি, দি ওয়েল টেক্স লিমিটেড ১২৯ কোটি, ডেলটা সিস্টেমস লিমিটেড ১২৮ কোটি, এফ আর জুট ট্রেডিং ১২৮ কোটি, গেট নিট টেক্স লিমিটেড ১২৮ কোটি, জেওয়াইবি টেজ লিমিটেড ১২৮ কোটি, জারা নিট টেক্স লিমিটেড ১২৭ কোটি, সোনালী জুট মিলস ১২৭ কোটি, সামানাজ কন্ডেন্সড মিল্ক ১২৭ কোটি, ঝুমা এন্টারপ্রাইজ ১২৬ কোটি, রেফকো ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড ১২৬ কোটি, স্ট্রিগার কম্পোজিট লিমিটেড ১২৫ কোটি, শফিকুল স্টিল ১২২ কোটি, স্টাইলো ফ্যাশন গামেন্টস লিমিটেড ১২১ কোটি, রাজশাহী সুগার মিলস লিমিটেড ১২১ কোটি, ইমারাল্ড অয়েল লিমিটেড ১২১ কোটি, লাকি শিপ বিলডার্স লিমিটেড ১২০ কোটি, মিম এন্টারপ্রাইজ ১২০ কোটি, আল আমীন বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ১২০ কোটি, এফ কে নিট টেক্স লিমিটেড ১১৯ কোটি, ম্যাপ পেপার বোর্ড মিলস লিমিটেড ১১৯ কোটি, অটোবি লিমিটেড ১১৮ কোটি, হিলফুল ফুজুল সমাজকল্যাণ সংস্থা ১১৮ কোটি, এ কে জুট ট্রেডিং কোম্পানি ১১৭ কোটি, মনোয়ারা ট্রেডিং ১১৭ কোটি, চিটাগাং ইস্পাত ১১৭ কোটি, টেকনো ডেসিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড ১১৬ কোটি, আলভি নিট টেক্স লিমিটেড ১১৬ কোটি, এফ আর জুট মিলস লিমিটেড ১১৪ কোটি, টেক্সটাইল ভিরটুসো ১১৪ কোটি, ম্যাক্স শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড ১১৪ কোটি, ওয়েস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড ১১৩ কোটি, এমবিইসি-পিবিএল-জেভি ১১৩ কোটি, সিমি নিট টেক্স লিমিটেড ১১৩ কোটি, এলাইন এপারের্স লিমিটেড ১১৩ কোটি, সাইনিং নিট টেক্স লিমিটেড ১১২ কোটি, প্রফিউশনস টেক্সটাইল লিমিটেড ১১২ কোটি, সাউথ স্ট্যার্ন ১১১ কোটি, মা টেক্স ১১১ কোটি, সিদ্দিক অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড ১১০ কোটি, কনফিডেন্স সুজ লিমিটেড ১০৮ কোটি, আহমেদ মুজতবা লিমিটেড ১০৮ কোটি, শাপলা ফ্লেওয়ার মিলস ১০৮ কোটি, আব্দুর রাজ্জাক লিমিটেড ১০৭ কোটি, হাবিব স্টিলিস লিমিটেড ১০৬ কোটি সর্দার অ্যাপারেলস লিমিটেড ১০৬ কোটি, ক্রিয়েটিভ ট্রেডস ১০৬ কোটি, ক্রিস্টাল স্টিল অ্যান্ড শিপ ব্রেকিংস ১০৫ কোটি, সুপার সিক্স স্টার শিপ ব্রেকিং ই্য়ার্ড ১০৫ কোটি, জেড অ্যান্ড জে ইন্টারন্যাশনাল ১০৫ কোটি, কক্স ডেভলপার্স লিমিটেড ১০৫ কোটি, এস শিপিং লাইনস ১০৪ কোটি, জবা টেক্সটাইলস লিমিটেড ১০৩ কোটি, সেন্টার ফর অ্যাসিটেড রিপ্রোডাকশন প্রাইভেট লিমিটেড ১০৩ কোটি, বৈতরণী ট্রেডার্স লিমিটেড ১০৩ কোটি, শিতল এন্টারপ্রাইজ ১০২ কোটি, প্রাইস ক্লাব জেনারেল ট্রেডিং লিমিটেড ১০২ কোটি, নিউ অটো ডিফাইন ১০২ অনিকা এন্টারপ্রাইজ ১০১, এআরএসএস এন্টারপ্রাইজ ১০১, গোল্ডেন হরিজন লিমিটেড ১০০ কোটি, জয়পুরহাট সুগার মিলস ১০০, ডুসাই হোটেল এন্ড রিসোর্টস লি ১০০, মোবারক আলী স্পিনিং মিলস লিমিটেড ৯৯ কোটি, কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড ৯৯ কোটি, রেজা জুট ট্রেডিং ৯৯ কোটি, আর কে ফুডস লি ৯৮ কোটি ম্যামকো জুট মিল ৯৮ কোটি, আরডেন্ট সিস্টেমস ৯৮ কোটি, টেক্স নিট ইন্টারন্যাশনাল ৯৬ কোটি, বেঞ্চ ইন্ডাস্ট্রিজ বিডি লিমিটেড ৯৬ কোটি, ম্যাস শিপ রিসাইকেলিং ৯৬ কোটি, বাংলাদেশ ড্রেস লিমিটেড ৯৬ কোটি, মোহাম্মদ ইলিয়াস ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেড ৯৫ কোটি, জয়নব ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড ৯৫ কোটি, ওয়েসিজ হাইটেক স্পোর্টস ওয়্যার ৯৪ কোটি, ক্রিউ অ্যান্ড কো বিডি লিমিটেড ৯৪ কোটি, ফিয়াজ এন্টারপ্রাইজ ৯৪ কোটি, এখলাস শিপিং মিলস লিমিটেড ৯৩ কোটি, ফাহামী নিট ওয়্যার লিমিটেড ৯২ কোটি, জে অ্যান্ড জে ফেব্রিক্স টেক্সটাইল লিমিটেড ৯২ কোটি, আর বি এন্টারপ্রাইজ ৯২ কোটি, অনলাইন প্রপার্টিজ লিমিটেড ৯২ কোটি, ফাহমি ওয়াশিং প্লান্ট ৯০ কোটি, রামিসা ট্রেডিং ৮৯ কোটি, ল্যান্ডমার্ক ফেব্রিক্স লিমিটেড ৮৮ কোটি, এস কে এন্টারপ্রাইজ ৮৮ কোটি টাকা।
এস কে এন্টারপ্রাইজ ৮৮, সাফিন শিপিং লাইন লিমিটেড ৮৮, সুপ্রিম জুট অ্যান্ড নিটেক্স লিমিটেড ৮৮, ফরচুন স্টিল ৮৭, মোস্তফা ওয়েল প্রোডাক্টস লিমিটেড ৮৬, এম এস হাবিবুল ইসলাম ৮৬, মাবিয়া স্টিল কমপ্লেক্স লিমিটেড ৮৬, পদ্মা এগ্রো ট্রেডার্স ৮৬, আমান ট্রেডিং কর্পোরেশন ৮৫, পলিমার নিটওয়ার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৮৫, ইমারাল্ড অটো ব্রিক্স লিমিটেড ৮৫, ম্যাজেস্টিক হোল্ডিং লিমিটেড ৮৫, ওয়াফা এন্টারপ্রাইজ ৮৪, দেশবন্ধু সুগার মিল লিমিটেড ৮৪, মনিকা ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল ৮৩, এস এ ট্রেডার্স ৮৩, দ্য অ্যারিস্টক্র্যাট এগ্রো লিমিটেড ৮৩, ইউরোপা বেভারেজ অ্যান্ড ফুডস লিমিটেড ৮৩, ফ্যাশন ক্রাফট নিটওয়ার লিমিটেড ৮৩, এটলাস গ্রিনপেক লিমিটেড ৮৩, ইমারাল্ড স্পেশালাইজড কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেড ৮৩, শাহনেওয়াজ জুট মিলস প্রাইভেট লিমিটেড ৮২, মার লিমিটেড ৮২, ড্রেস মি ফ্যাশনস লিমিটেড ৮২, মোহাম্মদ ইলিয়াস ব্রাদার্স পো ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান লিমিটেড ৮১, শাহিল ফ্যাশনস লিমিটেড ৮১, ফস্টার রিয়েল এস্টেট লিমিটেড ৮১, ইমাম ট্রেডার্স ৮১, স্মাহ লিমিটেড ৮০, গ্লোব জনকণ্ঠ শিল্প পরিবার লিমিটেড ৮০, ফিয়াজ এন্টারপ্রাইজ ৮০, এম নূর সোয়েটার্স লিমিটেড ৭৯, খান সন্স টেক্সটাইলস লিমিটেড ৭৯, ঝুমা এন্টারপ্রাইজ ৭৯, এন এইচ কে ফেব্রিক্স অ্যান্ড টেক্সটাইল ৭৮, গ্রান্ডেউর শিপিং লাইন্স লিমিটেড ৭৮, এস রিসোর্সেস শিপিং লাইন লিমিটেড ৭৮, নর্থপোল বিডি লিমিটেড ৭৮, অ্যাডভান্সড ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজিস লিমিটেড ৭৮, ইউরেকা হোল্ডিংস পিটিই লিমিটেড ৭৮, এসএফজি শিপিং লাইন লিমিটেড ৭৭, সোলারেন ফাউন্ডেশন ৭৭, এটলাস ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড ৭৭, এমএএফ নিউজপ্রিন্ট ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ৭৭, ফাস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ৭৭, ইনফরমেশন সলিউশনস লিমিটেড ৭৭, বিশ্বাস টেক্সটাইল লিমিটেড ৭৬, গ্লোব ইনসেক্টিড ৭৬, এশিয়ান ফুড ট্রেডিং অ্যান্ড কোম্পানি ৭৬, সারিয়াজ ওয়েল রিফাইনার লিমিটেড ৭৬, উয়াশান নিট বাংলাদেশ ৭৬, ব্রাদ্রার্স এন্টারপ্রাইজ ৭৬, নাবিল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ৭৬, ঢাকা ডেনিম লিমিটেড ৭৫, এম আর শিপিং লাইন ৭৫, এমএমএসবি টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ৭৫, বাইল্ডট্রেড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড ৭৫, কাবির এন্টারপ্রাইজ ৭৫, দেশ জুয়েলার্স ৭৪, লৌহজং ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ৭৪, বাঁধন ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৭৪, ইনফ্রেকটাকচার কনস্ট্রাকশন কোম্পানি ৭৪, প্রিটি সোয়েটার্স লিমিটেড ৭৪, ওয়েলপেক পলিমারিস লিমিটেড ৭৪, ঐশি ইন্টারন্যাশনাল ৭৪, ফস্টার ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ৭৪, সুরমা স্টিল অ্যান্ড স্টিল ট্রেডিং কোম্পানি ৭৪, ইব্রাহিম কম্পোজিট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ৭৪, নর্থ-সাউথ শিপিং মিলস লিমিটেড ৭৩, ইউসান নিট কম্পোজিট লিমিটেড ৭৩, এহসান স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেড ৭৩, ঢাকা অ্যালুমিনিয়াম ওয়ার্কস লিমিটেড ৭৩, শাহাদাত এন্টারপ্রাইজ ৭৩, এম কে ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ৭৩, হলমার্ক শিপিং মিলস লিমিটেড ৭২, এজাক্স জুট মিলস লিমিটেড ৭২, শাহেদ শিপ ব্রেকিং ৭২, রুম্মান অ্যান্ড ব্রাদ্রার্স ৭২, রোসেবুর্গ রাইস মিলস লিমিটেড ৭১, এএসটি বেভারেজ লিমিটেড ৭১, মিনটেক্স ফ্যাশন লিমিটেড ৭১, রংপুর জুট মিলস ৭১, রোসেবুর্গ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৭১, সিপিএম কম্পোজিট নিট প্রাইভেট লিমিটেড ৭০, হানজাল টেক্সটাইলস পার্ক লিমিটেড ৭০, ইস্ট্রার্ন কর্পোরেশন ৭০, ফিনকোলি অ্যাপারেলস লিমিটেড ৭০, জয়েন্ট ট্রেডার্স ৭০, ন্যাশনাল আইরন অ্যান্ড স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৬৯, ইকো ব্রিকস লিমিটেড ৬৯, তালুকদার প্লাস্টিক কোম্পানি লিমিটেড ৬৯, বিএনএস ইন্টারন্যাশনাল কোং ৬৯, অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড ৬৯, টেকো প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৬৯, ওশিয়ান শিপিং মিলস লিমিটেড ৬৯, ক্লাসিক সাপ্লাইস লিমিটেড ৬৯, সৈয়দ ট্রেডার্স ৬৯, ওয়েস্টারিয়া টেক্সটাইলস লিমিটেড ৬৯, নোবেল কটন স্পিনিং মিলস লিমিটেড ৬৮, আলী এন্টারপ্রাইজ ৬৮।
-

রাতারাতি সব দুর্নীতি-অনিয়ম থামাতে পারব না : গণপূর্তমন্ত্রী
গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, রাজউকের কোন অথরাইজ অফিসার কাজ করছে না, কোন ইন্সপেক্টর অনিয়ম করছে এটা যেমন আমার দেখার দায়িত্ব, ঠিক তেমনি যে বিল্ডিংয়ে অনিয়ম করছে, যেসব সুবিধা থাকার কথা কিন্তু নেই, নাগরিক হিসেবে সেই বিষয়ে সচেতন হওয়ার দায়িত্ব সাধারণ মানুষের। রাতারাতি সব অনিয়ম দূর করতে পারব না, তবে আমরা চেষ্টা করছি।
শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, নতুন ঢাকায় যারা যেমন ইচ্ছে বিল্ডিং করেছেন। যেসব বিল্ডিং একেবারেই নিয়ম মেনে করা হয়নি সেসব বিল্ডিং আমরা ভেঙে দেব। যেগুলো মোটামুটি অনিয়ম হয়েছে, যেগুলো আধুনিক ইমারত প্রযুক্তিতে টিকিটে রাখা যায় সে ব্যবস্থা করা হবে। আর যেগুলো একেবারেই নিয়ম মেনে করা হয়নি সেগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী উল্লেখ করে সিলগালা করে বেব।
তিনি আরও বলেন, ভবন নির্মাণে ১৬টি প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন লাগতো, সে কারণে সাধারণ মানুষকে টেবিলে টেবিলে ঘুরতে হতো। আমরা উদ্যোগ নিয়ে ১২টি বাদ দিয়েছি। আমরা আইন করে দিয়েছি ৫৩ দিনের মধ্যে প্ল্যান অনুমোদন হতে হবে, ভূমির ছাড়পত্র ৭ দিনের মধ্যে। জনগণের সেবার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
রেজাউল করিম বলেন, একটি বাড়িকেও আমরা আইনের বাইরে রাখতে চাইনা। হয়তো রাতারাতি পারব না, কারণ রাজউকের পরিসর অনেক বড়। পুরান ঢাকায় ৫০০ বছরের পুরনো বিল্ডিং আছে। এখন যদি চাই আজকে গিয়েই ভেঙে ফেলব, তাহলে তা সম্ভব না।
তবে এগুলোকে রিডেভলপমেন্ট করে বসবাস উপযোগী করতে চাই। সেজন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে বলেছি। কেউ দেড় কাঠা জমির ওপর ছয়তলা বিল্ডিং করেছে। আমরা বলেছি, আপনাদের সবাইকে নিয়ে প্রতিটি এলাকায় পরিবেশবান্ধব বসবাস উপযোগী বিল্ডিং করে দেব। প্রাপ্য অনুযায়ী আপনারা ফ্ল্যাট পাবেন। অনেকেই সম্মতি দিয়েছে, হয়তো একটু সময় লাগবে বলে জানান মন্ত্রী।
গণমাধ্যেমের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, যেখানে যে অনিয়ম দেখবেন তা তুলে ধরবেন। তাহলে সমস্যা চিহ্নিত করতে আমাদের সুবিধা হয়। আমার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়ে রেখেছি যে, কোনো গণমাধ্যমে কোনো অনিয়মের নিউজ হলেই সেটা আমার কাছে উপস্থাপন করতে। সেটা ধরেই আমরা তদন্ত করব।
এ পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় ১২টি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। রাতারাতি সব দুর্নীতি-অনিয়ম থামাতে পারব না। শতভাগের মধ্যে যদি ৫০ শতাংশ দূর করতে পারি, তাহলে আমি ভাববো কিছুটা তো করতে পেরেছি।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদ খানের সঞ্চালনায় মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠিত হয়।
-

যেখানেই নদী ভাঙন, সেখানেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
নদী ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে জানিয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক বলেন, আমি পাঁচ মাসে ৩৭টি উপজেলার ৯৭টি নদী ভাঙনের স্থান পরিদর্শন করেছি। যেখানেই ভাঙন দেখছি, তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। নদী ভাঙন নিয়ে আপনাদের চিন্তা করতে হবে না, যেটা প্রয়োজন আমরা করে দিবো। মন্ত্রী শুক্রবার সকালে ঝালকাঠির নদী ভাঙন ও খাল খনন কার্যক্রমের পরিদর্শন শেষে সার্কিট হাউসে আয়োজিত এক সমাবেশে এসব কথা বলেন।
কাজের প্রতি মন থাকলে একদিন লক্ষ্যে পৌঁছানো যায় মন্তব্য করে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে পানিসম্পদ মন্ত্রালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকে আমি নদী ভাঙন এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করছি। বাংলাদেশের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছি। যখন দেখি নদী ভাঙনে নিশ্ব ব্যক্তিরা ঢাকায় রিকশাচালায়, তাদের দেখে খুব দুঃখ লাগে। অনেক স্বাবলম্বি পরিবার নদী ভাঙনের কবলে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছে। তাই নদী ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকার মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব এলাকায় কাজ শুরু হচ্ছে।
খাল খননের কাজে কোথাও অনিয়ম পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা জানি কৃষকের সুবিধার্থে খাল খনন প্রয়োজন। দেশের মানুষ যাতে সব মৌসুমে পানি পায় সেজন্য খাল খনন করা হচ্ছে। তাই যেসব এলাকায় খাল খননের কাজ চলছে, তা সঠিকভাবে করতে হবে।
বর্তমান সরকারের দশ বছরের উন্নয়নে দেশের চেহারা পাল্টে গেছে দাবি করে জাহিদ ফারুক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি মানুষের কথা চিন্তা করেন। গ্রামকে শহরে রূপান্তরের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে, সারাদেশে উন্নয়ন হচ্ছে।
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নেতাকর্মীদের মন পরিস্কার রাখতে হবে। সৎভাবে মানুষের জন্য কাজ করলে সফলতা আসবেই।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঝালকাঠির নবগ্রাম বাজার, বিনয়কাঠি কলেজ, করাপুর স্টীলব্রীজ, সুগন্ধা নদীর মোহনা, গগণ হাট, বাউকাঠি বাজার, ভীমরুলী বাজার, গাবখান সেতু হয়ে শেখেরহাট বাজার পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকার খাল খনন ও নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন। এছাড়াও তিনি ঝালকাঠির নেছারাবাদ এনএস কামিল মাদ্রাসা পরিদর্শন শেষে নদী ভাঙন কবলিত এলাকা দেখতে যান। পরে তিনি দক্ষিণাঞ্চলের বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুরের কবর জিয়ারত করেন। এসময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পানিউন্নয়ন বোর্ডের দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. জুলফিককার হাওলাদার, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. শফী উদ্দিন, ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক দেলোয়ার হোসেন মাতুব্বর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম এম মাহামুদ হাসান, ঝালকাঠি পানিউন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আতাউর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমান ও আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমীন রিজভী।
পরে প্রতিমন্ত্রী ঝালকাঠি সার্কিট হাউসে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় করেন। সেখানেও তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মো. শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমানসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
-

দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে নিশানবাড়ীয়া বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
বরগুনার তালতলীতে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে নিশানবাড়ীয়ায় নির্মাণাধীন ৩০৭ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ। ইতোমধ্যে জমি অধিগ্রহন ও ভূমিহীনদের পূর্নবাসন , কাজ শেষ করে সার্ভিস পাইলের কাজ শুরু করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।
নিশানবাড়ীয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ শেষ হলে উপকূলীয় এলাকার ঘরে ঘরে পৌঁছাবে বিদ্যুতের আলো। আর এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র ঘিরে এ অঞ্চলে গড়ে উঠবে ভারি ও মাঝারি মানের শিল্প কারখানা, এমনটাই আশা স্থানীয়দের। ‘বরিশাল ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড’ ও আইসোটেক এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পটি নির্মানে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা।
নির্মানাধীন ৩০৭ মেগাওয়াট বিদ্যুত কেন্দ্র এলাকায় বসবাসকারীরা নিশাণবাড়ীয়া সলগ্ন পায়রা নদীর মোহনায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়ি বাধেঁর পাশেই ঘর তুলে বসবাস করতো ১৩৯ পরিবার। তাদের কারোই ছিলনা জমির কোনো মালিকানা। তাদের ই একজন জামাল বলেন আমাগো ওয়াপদা অফিস যায়গা ছেড়ে দেওয়ার নোটিশ দিয়েছে। মোগো তো এমনিতেই চইল্যা যাইতে হতো তারপরেও বিদ্যুত কেন্দ্র স্যারেরা মোগো দেড় লাখ কইর্যা টাহা দেছে। হেই টাকা দিয়া জমি কিন্যা এহন মোরা ঘর বানাই ছি। এহন আর মোগো ডর ও ভয় নাই।
সরেজমিনে দেখা যায় বিদ্যুত কেন্দ্র এলাকা থেকে চলে যাওয়া ভূমিহীনদের ৬০ জন একত্রে মিলে ৪০ বিঘা জমি ক্রয় করে তাদের বসবাসের জন্য বিদ্যুত কেন্দ্রের পূর্বদিকে একটি গ্রাম গড়ে তুলেছেন। নাম দিয়েছেন নতুন গ্রাম। তার পাশেই আরো ৭৯ জন একত্রে মিলে নতুন গ্রামের পাশেই আরেকটি গ্রাম করেছেন।
বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান আইসোটেক গ্রুপের মিডিয়া এ্যাডভাইজার ফিরোজ চৌধুরী জানান, আমরা সম্পূর্ণ মানবিক কারণে কোম্পানির পক্ষ থেকে তাদের পুর্নবাসনের উদ্যোগ নেই। তাদের জন্য বাড়ি করে দেওয়া প্রস্তাব দেওয়া হয়। তখন ভূমিহীন এই জেলে পরিবারগুলো ঘরের পরিবর্তে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করে। যাতে তারা সে টাকা নিয়ে নিজের সুবিধামতো জায়গায় বসতি গড়েছেন।
তথ্য সূত্রে আরো জানা গেছে, বরগুনা জেলা তালতলীর কয়লাভিত্তিক ৩০৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অগ্রগতি বেশ। ২০২২ সালের শুরু থেকেই উৎপাদনে যাবে বলে জানিয়েছে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ‘বরিশাল ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড’ নামের প্রকল্পটির ব্যাপারে ২০১৮ সালের ১২ এপ্রিল বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় সংক্রান্ত চুক্তি হয়। এটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করছে চীনের ‘পাওয়ার চায়না রিসোর্স লিমিটেড’ ও বাংলাদেশের আইসোটেক গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘আইসোটেক ইলেট্রিফিকেশন কোম্পানি লিমিটেড’। এই প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা। মোট ৩০০ একর জমির উপর নির্মিতব্য এই প্ল্যান্ট থেকে চুক্তি অনুযায়ী সরকারকে ২৫ বছর বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ধরা হয়েছে ৬.৭৭ টাকা। তবে কয়লার দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের সর্বনিম্ন দাম পড়বে ৪ টাকা।
আইসোটেক গ্রুপের মিডিয়া এডভাইজার ফিরোজ চৌধুরী বলেন, ‘ওই এলাকায় শুধু বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট নয়, সেখানে কর্মরতদের ও স্থানীয়দের জন্য ৫০ শয্যার হাসপাতাল হবে। স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা ও মন্দির করা হবে। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে সাড়ে তিন হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। সরোজমিনে দেথা যায় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে মধ্যে এই প্রকল্পটি শেষ হবে।
আইসোটেক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মঈনুল আলম বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণ এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য বিদ্যুৎ একটি প্রধান উপাদান। পরিবেশের যাতে কোনো ক্ষতি না হয় সেদিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পের অংশ হিসেবে নির্মিত হচ্ছে।
-

জেলা ছাত্রলীগ সভাপতির মুক্তির দাবিতে রাব্বানীর আবেগঘন স্ট্যাটাস
ভোলা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম চৌধুরী পাপনকে গ্রেফতারের পর তার মুক্তির দাবি করেছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। গতকাল রাতে তার ফেসবুক হ্যান্ডেলে পাপনের মুক্তির দাবিতে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন।
তার স্ট্যাটাসটি দি বাংলাদেশ টুডে অনলাইনের পাঠকদের জন্যে তুলে ধরা হলো-

“গতকাল রাতে ভোলা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পাপন সহসা ফোন করে অঝোরে কান্না করছিলো। কি হইছে জিজ্ঞেস করতেই ধরা গলায় জানালো, মিথ্যা সাজানো অভিযোগে তাকে সদর থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আমি সদরের ওসিকে ফোন করে কারণ জিজ্ঞেস করলাম, ওসি বললো… ভাই বোঝেনই তো, ইন্সট্রাকশন আছে। আমার কিছু করার নেই, আপনি লিডারের সাথে কথা বলেন, পাপনকে থানায় বসিয়ে রেখেছি, সকালে ছেড়ে দেবো।
গত রাতে, আজ সকালে অনেকবার ফোন করেও লিডারকে পেলাম না। ওসিও আর ফোন ধরলেন না। পাপনকে চাদাঁবাজি আর ছিনতাইয়ের মিথ্যা মামলা সাজিয়ে কোর্টে চালান করে দেয়া হয়েছে।

এভাবেই লোকাল গ্রুপিং রাজনীতির নির্মম বলি হয় ছাত্রলীগের নিরীহ কর্মীরা। রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়! আর ‘উলুখাগড়া’ হিসেবে ছাত্রলীগের চেয়ে বেটার অপশন আর কি হতে পারে

অনেক কিছু বলতে ইচ্ছে করছে, বললাম নাহ! একজন ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে আমি নিদারুণ ব্যথিত ও বিব্রত!!
অনতিবিলম্বে পাপনের নিঃশর্ত মুক্তি চাই। আর বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে মিথ্যা মামলা দায়ের করা অফিসারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।”
উল্লেখ্য যে, বুধবার (১৯ জুন) ভোরে ভোলা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম চৌধুরী পাপনকে (২৯) ভোলার কলেজ রোড এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছগির মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, একটি চাঁদাবাজির মামলায় পাপনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
তবে পাপনের পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ভোলা জেলা ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল চলছে। তারই জেরে গভীর রাতে পুলিশ তাকে আটক করেছে
-

বাংলাদেশ এখন আণবিক শক্তির দেশ
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে সারাবিশ্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। তিনি পদ্মা সেতু বানিয়েছেন, বাংলাদেশকে আণবিক শক্তির দেশ হিসেবে পরিচিত করিয়েছেন। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। এ উন্নয়নের ধারা থেকে কেউ বাদ যাবে না। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোলার চরফ্যাসনে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে ব্রজগোপাল টাউন হলে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সুধী সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে জ্যাকব বলেন, চরফ্যাসনে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম চালু হওয়ায় এখানকার দরিদ্র মানুষের বছরে অতিরিক্ত ২৪ কোটি টাকার খরচ সাশ্রয় হয়েছে। কমেছে দুর্ভোগ।
সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ফেরদাউস আহমেদের সভাপতিত্বে সুধী সমাবেশে অন্যদের মধ্যে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক, উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন আখন, মনপুরা উপজেলা চেয়ারম্যান সেলিনা আকতার, আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুজাম্মেল হক বক্তব্য দেন।
-

সুন্দরবনের যে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা-এটা সত্য নয় : বনমন্ত্রী
‘ঝুঁকিপূর্ণ বিশ্ব ঐতিহ্যে’র তালিকায় সুন্দরবনকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন দাবি করেছেন, সুন্দরবন নিয়ে যেটা বলা হচ্ছে, আমরা মনে করি সুন্দরবনের যে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা-এটা সত্য নয়।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৮ জুন) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন।
আজারবাইজনের বাকুতে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির ৪৩তম অধিবেশনের জন্য প্রস্তাবিত এজেন্ডায় সুন্দরবনকে ঝুঁকিপূর্ণ বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব তোলা হবে।
বনমন্ত্রী বলেন, আমরা এক মাস আগেও ভিজিট করে এসেছি, সুন্দরবনের এইরকম কোনো অবস্থা এখনও দেখা যায়নি। সুন্দরবনের আরো উন্নতি হচ্ছে। সুন্দরবন রক্ষার জন্য আমরা পরিকল্পনা করেছি। সুন্দরবন আরো সুন্দরভাবে ধরে রাখতে সক্ষম হবো। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হলে সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি হবে বলে আমরা মনে করি না।
মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী বলেন, তারা একই জিনিস বারবার টানছে। আমরা জানি না কোনো মহল থেকে তাদেরকে ইন্ধন দেওয়া হচ্ছে কিনা। যে জিনিসটা সেটেল হয়েছে সে জিনিসটাকে তারা পুনরায় উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে। এসইএ (কৌশলগত পরিবেশ সমীক্ষা) করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছি। প্রকল্প প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশনে দাখিল করেছি। প্রাথমিক কাজগুলো অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছি। এ বিষয়গুলো ইউনেস্কো অবগত আছে।
তিনি বলেন, সুন্দরবন নিয়ে আমাদের উদ্বেগের কারণে গাছ ও বাঘের সংখ্যা বেড়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।