Category: রাজণীতি

  • গ্রেপ্তারের ক্ষমতা নিয়েই নামছে সেনাবাহিনী

    গ্রেপ্তারের ক্ষমতা নিয়েই নামছে সেনাবাহিনী

    আসন্ন নির্বাচনে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে সেনাবাহিনী। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯ ও ১৩০ ধারা অনুযায়ী। এবার মোতায়েন করা হচ্ছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭, ১২৮, ১২৯, ১৩০, ১৩১ ও ১৩২ ধারায়।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯ থেকে ১৩২ ধারার মধ্যে ১৩১ ধারায় সেনাবাহিনীর কোনো কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারকে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুপস্থিতিতেও জননিরাপত্তা বিপদগ্রস্ত হওয়ার মতো সমাবেশ ভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা দেওয়া আছে।

    ইসির খসড়া পরিপত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক সভার পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তাও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার ওই বৈঠক হয়েছে।

    নির্বাচন নিয়ে তৃতীয় কোনো শক্তির ষড়যন্ত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকেও এ বিষয়ে সতর্ক নজরদারি রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গতকাল আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক সমন্বয় সভায় সিইসি ওই নির্দেশ ও পরামর্শ দেন।

    সভায় বক্তব্যে সিইসি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মতো ভয়াবহ পরিবেশ সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে কি না, তা-ও নজরে রাখতে বলেন। ২০১৪ সালের সহিংস অবস্থার কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তার ছক তৈরি করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেন তিনি।

    ইসির আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক সভার কার্যপত্রে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ভোটগ্রহণের আগে, ভোটগ্রহণের দিন ও পরে শান্তি-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার জন্য ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে ১ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত (যাতায়াত সময় ব্যতীত) সশস্ত্র বাহিনী নিয়োগের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগকে এরই মধ্যে অনুরোধ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখ হতে নির্বাচনী এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা, ভৌত অবকাঠামো এবং নির্বাচনী পরিবেশ-পরিস্থিতির ওপর প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার জন্য প্রতি জেলায় সশস্ত্র বাহিনীর ছোট আকারের টিম পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্ব পালন সম্পর্কে কার্যপত্রে বলা হয়েছে, ‘(ক) সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ প্রতিটি জেলা/উপজেলা/মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট এবং অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত থাকবে। (খ) রিটার্নিং অফিসারের সাথে সমন্বয় করে প্রয়োজন অনুসারে উপজেলা/থানায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োগ করা হবে। (গ) রিটার্নিং অফিসার সহায়তা কামনা করলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহায়তা প্রদান অথবা ফৌজদারি কার্যবিধির, অন্যান্য আইনের বিধান ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা নির্দেশনা অনুসারে সশস্ত্র বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। (ঘ) রিটার্নিং অফিসার বা প্রিসাইডিং অফিসারের চাহিদা ব্যতিরেকে ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরে কিংবা ভোট গণনা কক্ষে কোনো প্রকার দায়িত্ব গ্রহণ করবে না। (ঙ) ইনস্ট্রাকশন রিগার্ডিং এইড টু দি সিভিল পাওয়ার এবং সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। (চ) উপকূলবর্তী এলাকায় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নৌবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। (ছ) ঝুঁকি বিবেচনায় প্রতিটি জেলায় নিয়োজিত সেনা সদস্যের সংখ্যা রিটার্নিং অফিসারের সাথে সমন্বয় করে কমবেশি করা যাবে। (জ) সেনা সদরের বিবেচনায় প্রতিটি স্তরে প্রয়োজনীয়সংখ্যক সেনা সদস্য সংরক্ষিত হিসেবে মোতায়েন থাকবে। (ঝ) গুরুত্বপূর্ণ সড়ক/মহাসড়কসমূহের নিরাপদ যান চলাচল এবং স্বাভাবিক আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করবে।

    এতে আরো বলা হয়েছে, ‘নির্বাচনী এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিয়োজিত সশস্ত্র বাহিনী তাদের আওতাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকার মধ্যে যেসব কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হবে, সেসব কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। এ ছাড়া ইভিএম কেন্দ্রে যেসব সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য থাকবে তাদের নিরাপত্তা বিধানসহ প্রয়োজন অনুসারে আনুষঙ্গিক বিষয়াদির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। (ণ) নির্বাচনী এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিয়োজিত সশস্ত্র বাহিনীর টিম ওই ছয়টি নির্বাচনী এলাকায় ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণসংক্রান্ত নিরাপত্তা বিধানে নিবিড় ও অধিকতর গুরুত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। (ত) রিটার্নিং অফিসার ও প্রিসাইডিং অফিসারের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে দায়িত্ব পালন করবে।’

    জানা যায়, গত বছর ২৪ অক্টোবর ইসির সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে একজন সাবেক নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারায় সেনা নিয়োগ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সংলাপে কয়েকজন সাবেক নির্বাচন কমিশনার বলেছিলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯ থেকে ১৩০ ধারায় এবং সেনা বিধিমালা ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় নির্বাচনে ম্যাজিস্ট্রেটের আওতায় সেনাবাহিনী মোতায়েনে কোনো কাজ হবে না। এ ছাড়া দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর উপজেলা নির্বাচনে ইসি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা অনুসারে সেনাবাহিনী নিয়োগ করলে কয়েকটি নির্বাচনী এলাকায় ওই বাহিনী অনিয়ম রোধে কার্যকর ভূমিকা রেখেছিল। ওই সময় একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল, ইসি সেনাবাহিনীকে ‘ম্যাজিস্ট্রেরিয়াল ক্ষমতা’ দিয়েছে। এর জবাবে ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ইসি সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ‘উপজেলা নির্বাচনে কমিশন সশস্ত্র বাহিনী বা সেনাবাহিনীকে ম্যাজেস্ট্রিয়াল বা বিচারিক ক্ষমতা দেয়নি। এ নির্বাচনে কোনো সহিংসতা রোধে তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্ট্রাইকিং হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর উপস্থিতি নির্বাচনী এলাকায় দৃশ্যমান করার জন্য নির্বাচন কমিশন বিশেষভাবে নির্দেশনা প্রদান করে। এ নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো প্রকার দাঙ্গা-হাঙ্গামা বা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নজরে আসামাত্র সংশ্লিষ্ট সামরিক কর্মকর্তা দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (ফৌজদারি কার্যবিধি), ১৮৯৮-এর ধারা ১৩১ অনুসারে তাত্ক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে মর্মে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনকে জানিয়ে দেওয়া হয়।’

    ফৌজদারি কর্যবিধির ১৩১ ধারায় বলা হয়েছে, ‘যখন এইরূপ কোনো সমাবেশ দ্বারা জননিরাপত্তা সুস্পষ্টভাবে বিপদগ্রস্ত হয় এবং কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা যায় না, তখন সেনাবাহিনীর কোনো কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে এইরূপ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং এইরূপ ছত্রভঙ্গ করার অথবা আইনানুসারে শাস্তি দেওয়ার জন্য ওই সমাবেশে অংশগ্রহণকারী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার বা আটক করতে পারেন। তবে এই ধারা অনুসারে কাজ করার সময় তাঁর পক্ষে যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হয়, তাহলে তিনি (কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক অফিসার) তা করবেন এবং অতঃপর কাজ চালিয়ে যাওয়া না বা না যাওয়া সম্পর্কে তাঁর (ম্যাজিস্ট্রেটের) পরামর্শ অনুসরণ করবেন।

  • প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত নতুন ঘর পেলেন ৪০ পরিবার

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত নতুন ঘর পেলেন ৪০ পরিবার

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত নতুন ঘর পেলেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় হতদরিদ্র গৃহহীন ৪০ পরিবার। গতকাল শুক্রবার সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত গুচ্ছগ্রাম-২য় পর্যায়ে (সিভিআরপি) প্রকল্পের আওতায় পুরাতন লক্ষণশ্রী গুচ্ছগ্রাম-২ এর ৪০টি পরিবারের জন্য নির্মিত নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়।

    নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইয়াছমিন নাহার রুমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ। অনুষ্ঠান শেষে জেলা প্রশাসক পরিবারগুলোর হাতে ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন।

    এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ সফিউল আলম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব প্রদীপ সিংহ, সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত ফাতিমা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মানিক মিয়া, গৌরারং ইউপি চেয়ারম্যান জনাব ফুল মিয়া। অনুষ্ঠান শেষে দুঃস্থদের মধ্যে শীতবস্ত্র ও দেয়াল ঘড়িও প্রদান করা হয়।

  • প্রধানমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন: ঐক্যফ্রন্ট

    প্রধানমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন: ঐক্যফ্রন্ট

    জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন এবং নির্বাচন থেকে তিনি পালিয়ে যেতে চান। ঐক্যফ্রন্টের প্রথম রোডমার্চ থেকে এসব কথা বলেন নেতারা।

    আজ শনিবার ঢাকা থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা রোডমার্চ করেন। রোডমার্চের অংশ হিসেবে দুপুরে তাঁদের প্রথম পথসভাটি হয় টঙ্গীর ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী সালাউদ্দিন সরকারের বাড়ি প্রাঙ্গণে। যদিও এ সভাটি হওয়ার কথা ছিল শফিউদ্দিন সরকার একাডেমি মাঠে। কিন্তু এ মাঠের লাগোয়া টঙ্গী সরকারি কলেজে আওয়ামী লীগেরও একটি কর্মসূচি থাকায় ঐক্যফ্রন্টের সভা একাডেমি মাঠে হয়নি। তবে আওয়ামী লীগের কর্মসূচিও হয়নি।

    জেএসডির সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা আ স ম আবদুর রব বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন। নির্বাচন বন্ধ করার সুযোগ খুঁজছেন। তিনি নির্বাচন থেকে পালিয়ে যেতে চান।’ ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় এলে প্রধানমন্ত্রীকে নিরাপত্তা দেওয়ার নিশ্চয়তা দেন তিনি। এমনকি প্রধানমন্ত্রী বিদেশে যেতে চাইলেও দেওয়া হবে বলে জানান। রব বলেন, বিরোধী দলকে নিয়েই তাঁরা রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন।
    নির্বাচনী প্রচারে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা প্রটোকল নিয়ে চলছে অভিযোগ করে রব বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির জন্য তাঁদের প্রটোকল দিতে হবে। ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সব ধরনের মামলা-হামলা বন্ধ করার আলটিমেটাম দিয়ে বলেন, এসব বন্ধ না হলে জনগণ রুখে দাঁড়াবে। তখন সবকিছুর দায় প্রধানমন্ত্রীকে নিতে হবে।

    ঐক্যফ্রন্টের আরেক নেতা ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘যুদ্ধে নেমেছি। ওদের কাছে অস্ত্র আছে, আমাদের নেই। আমাদের আছে ব্যালট। এ লড়াইয়ে আমরাই জিতব।’

    নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঘরে ঘুমানোর দরকার নেই। মার খেলেও জবাব না দেওয়ার জন্য বলেন। সব জবাব ৩০ ডিসেম্বর দেওয়া হবে উল্লেখ করে বলেন, ‘এমন জবাব দেব যে আওয়াজও করতে পারবে না।’

    এ পর্যন্ত বিএনপির ৮ জন প্রার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, অপকর্মের জবাব দেওয়ার ভয়ে সরকার ক্ষমতা ছাড়তে চায় না। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশের অস্তিত্বের, দুঃশাসন হটানোর ও খালেদা জিয়ার মুক্তির নির্বাচন বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, জেতার কোনো বিকল্প নেই। ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাটি কামড়ে পড়ে থাকার আহ্বান জানান এই বিএনপি নেতা।

    নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পাঁচ দিনেই প্রধানমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন বলে জানান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনের মতো এত সহিংসতা আগে কখনো ঘটেনি। প্রধানমন্ত্রী সব জায়গায় হামলার জন্য লোক লাগিয়ে দিয়েছেন। তিনি আগামীকালের মধ্যে সেনাবাহিনী নামানোর আহ্বান জানান। বলেন, আগামী ২ জানুয়ারি ন্যায়বিচারের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে।

    ঐক্যফ্রন্টের এ রোডমার্চে জোটের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের উপস্থিত থাকার কথা জানানো হলেও তিনি রোডমার্চে অংশ নেননি। এরপর গাজীপুর চৌরাস্তা, ময়মনসিংহের ভালুকা, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ, ফুলপুর ও শেরপুরে বেশ কয়েকটি পথসভা হওয়ার কথা রয়েছে।

    টঙ্গীর পথসভায় গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি হাসানউদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, এ জেড এম জাহিদ হাসান, স্থানীয় প্রার্থী সালাউদ্দিন সরকার প্রমুখ।

  • বিএনপি প্রার্থীর বাড়িতে গিয়ে কোলাকুলি করলেন তোফায়েল আহমেদ

    বিএনপি প্রার্থীর বাড়িতে গিয়ে কোলাকুলি করলেন তোফায়েল আহমেদ

    ভোলা-১ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বিএনপি প্রার্থী গোলাম নবী আলমগীরের বাড়িতে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় ও কোলাকুলি করেছেন।

    এ সময় তিনি বিএনপি প্রার্থীকে অভয় দিয়ে বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সকলেই প্রচার-প্রচারণা চালাবে এতে কোনো বাধা নেই। এখানে রাজনৈতিক কোনো হানাহানি নেই।

    শনিবার সকালে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ভোলা শহরের মহাজনপট্টি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় বিএনপি প্রার্থী গোলাম নবী আলমগীরের বাসায় গিয়ে এসব কথা বলেন। এ সময় বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী আলমগীরও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

    এ সময় তোফায়েল আহমেদের সাথে ভোলা পৌরসভার মেয়র ও জেলা যুবলীগ সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকিব, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল হোসেন বিপ্লবসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে তোফায়েল আহমেদ ভোলা শহরের প্রধান সড়ক বাংলা স্কুল মোড, সদর রোড, মহাজনপট্রি, কালিনাথ রায় বাজার এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন।

    প্রচারণাকালে তোফায়েল আহমেদ ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ভোলার প্রধান সমস্যা ছিল নদী ভাঙ্গন। তা আমি রোধ করেছি। এখন আমার স্বপ্ন ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ করা। তাও করবো। এখানে কোনো রাজনৈতিক হানাহানি নেই। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। অন্যের প্রচারণায় কেউ বাধা সৃষ্টি করছে না।

  • বরিশালে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    বরিশালে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    অনলাইন ডেক্স:

    ঐতিহাসিক ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারানোর দিন। বাঙ্গালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে বেদনাদায়ক দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে মহান মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় যখন নিশ্চিত, ঠিক তখনই পাকিস্তান হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বরেণ্য শিক্ষাবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের রাতের আঁধারে চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। স্বাধীনতাবিরোধী চক্র বুঝতে পেরেছিল, পরাজয় তাদের অনিবার্য।

    জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীরা বেঁচে থাকলে এ মাটিতে ওরা বসবাস করতে পারবে না। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশ আবার ফুলে ফলে ভরে উঠবে। তাই পরিকল্পিতভাবে জাতিকে মেধাহীন ও পঙ্গু করতে দেশের বরেণ্য সব ব্যক্তিদের রাতের অন্ধকারে পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করা হয়। জাতির এই সূর্যসন্তান শহীদের প্রতি আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা।

    মহান স্বাধীনতা অর্জনের দুইদিন পূর্বে পাক হানাদার বাহিনী বাংলার মেধা শুণ্য করতে এদেশের বুদ্ধিজীবীদের বেছে বেছে হত্যা করে।

    শহীদ বুদ্বিজীবী দিবস উপলক্ষে, গতকাল শুক্রবার সকাল ৯ টায় জেলা প্রশাসক দপ্তর সম্মুখে স্থাপিত শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি (মন্ত্রী), আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ।

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক ও সংসদ সদস্য এ্যাড. তালুকদার মোঃ ইউনুস, বরিশাল সদর (৫) আসনের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী কর্ণেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীমসহ জেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ।

    এরপরে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পক্ষথেকে শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর বৃন্দ।

    এছাড়া আরো শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের পক্ষথেকে যুগ্ম সম্পাদক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, সভাপতি এ্যাড. গোলাম আব্বাস চৌধুরী, সম্পাদক এ্যাড, এ.কে.এম জাহাঙ্গির হোসাইন।

    মহানগর যুবলীগ

    এরপর বরিশাল মহানগর যুবলীগরে পক্ষথেকে ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর,মহানগর যুবলীগ নেতা এ্যাড: রফিকুল ইসলাম খোকন,মহানগর যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক মেজবা উদ্দিন জুয়েল ও যুবলীগ নেতা শেখ আরাফাত জামান বাবু, ১৯নং ওয়ার্ড যুবলীগ আহবায়ক ইব্রাহীম কামাল,মহানগর যুবলীগ সদস্য শহিদুল্লাহ রিজভীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    এরপর বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের পক্ষে ,সভাপতি সুমন সেরনিয়াবাত, সাধারন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক,সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীব খানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধান্জলী অর্পন করেন।

  • জামায়াতকে নিয়ে প্রশ্ন করায় ক্ষেপে গেলেন ড. কামাল

    জামায়াতকে নিয়ে প্রশ্ন করায় ক্ষেপে গেলেন ড. কামাল

    রাজধানীর মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় জামায়াতকে নিয়ে প্রশ্ন করায় ক্ষেপে যান জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা গণফোরাম সভাপতি ড.কামাল হোসেন। এসময় তিনি প্রশ্নকারী সাংবাদিকের নাম পরিচয় জানতে চান এবং তাকে ‘খামোশ’ বলে ধমক দেন। প্রশ্নকারী সাংবাদিকদের ‘চিনে রাখার’ কথাও বলেছেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ।

    গণফোরাম সভাপতি কামালের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে গিয়ে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা জানান।

    জোটের নেতাদের মধ্যে জেএসডির আসম আবদুর রব, গণফোরামের জগলুল হায়দার আফ্রিক ও রেজা কিবরিয়া, বিএনপির আবদুস সালাম এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন।

    শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কামাল বলেন, “স্বাধীনতার স্বপ্নকে বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে যারা কাজ করছে, লোভ লালসা নিয়ে লুটপাট করছে, তাদের হাত থেকে এই দেশকে মুক্ত আমরা করবই। যত শক্তিধর হোক তারা, দেশের মালিক জনগণের কাছে তাদের নত হতে হবে, তাদের পরাজয় হবেই।”

    সাংবাদিকরা এ সময় স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী দল জামায়াতে ইসলামীর বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে কামাল বলেন, শহীদ মিনারে এসব বিষয়ে কোনো কথা তিনি বলবেন না।

    এরপরও সাংবাদিকরা প্রশ্ন করতে থাকেন। একজন বলেন, জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হয়েছে। তারপরও তারা ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে নির্বাচন করছে।

    ৮১ বছর বয়সী কামাল এসময় ক্ষেপে ওঠেন। তিনি বলেন, “প্রশ্নই ওঠে না। বেহুদা কথা বল। কত পয়সা পেয়েছ এই প্রশ্নগুলো করতে? কার কাছ থেকে পয়সা পেয়েছ? তোমার নাম কি? জেনে রাখব তোমাকে। চিনে রাখব। পয়সা পেয়ে শহীদ মিনারকে অশ্রদ্ধা কর তোমরা। আশ্চর্য!

    পাশে থাকা দুই একজন নেতা এ সময় কামাল হোসেনকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু আরেকজন সাংবাদিক এ সময় প্রশ্ন চালিয়ে গেলে ধমকে ওঠেন কামাল।

    “শহীদদের কথা চিন্তা কর। হে হে হে হে করছে! শহীদদের কথা চিন্তা কর। চূপ কর। চুপ কর। খামোশ।”

    পরে তিনি হাপাতে হাপাতে প্রশ্ন করেন, “আশ্চর্য! তোমার নাম কি?… কোন পত্রিকার?… টেলিভিশন, জেনে রাখলাম।

    নির্বাচন সামনে রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিরোধিতায় বিএনপিকে নিয়ে যখন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়, আওয়ামী লীগ নেতারা তখন একে ‘সাম্প্রদায়িক জোট’ আখ্যায়িত করেছিলেন জোটের সবচেয়ে বড় দল বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের সখ্যের কারণে।

    তবে কামাল সে সময় সাংবাদিকদের বলেছিলেন, জামায়াতে ইসলামীকে সঙ্গে নিয়ে কোনো ‘বৃহত্তর ঐক্যে’ তিনি যাবেন না।

    সারা জীবন যেটা করেননি, শেষ জীবনে তা কেন করতে যাবে- সেই প্রশ্ন তখন রেখেছিলেন সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা কামাল।

    তবে এবারের নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের চেয়ে জামায়াতই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে বিএনপি কাছে। নিবন্ধন হারানোয় জামায়াতের ২২ জন প্রার্থী এবার ভোট করছেন বিএনপির মনোনয়নে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে। এই হিসেবে তারা কামাল হোসেনের জাতীয় ঐক্যফ্রন্টেরও প্রার্থী।

  • বিএনপির বেশিরভাগ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি : ইসি সচিব

    বিএনপির বেশিরভাগ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি : ইসি সচিব

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, এখন পর্যন্ত বিএনপির পক্ষ থেকে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তার বেশিরভাগেরই সত্যতা পাওয়া যায়নি। দলটির নেতা-কর্মী যাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে তাদের অনেকের বিরুদ্ধেই আগে থেকেই মামলা ছিলো।

    নির্বাচন ভবনে শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

    বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, যদি কোনো পেন্ডিং ওয়ারেন্ট থাকে এবং আদালতের কোনো তাগিদ থাকে তা তামিল করতে হবে। কমিশনাররা এরইমধ্যে এ ধরনের নির্দেশনা দিয়েছেন। দেখা গেছে, যাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে তাদের অনেকের বিরুদ্ধেই আগে থেকে অভিযোগ ছিলো। যারা এতোদিন আত্মগোপনে ছিলেন। এখন ভোটের মাঠে প্রকাশ্যে চলে এসেছেন। পুলিশ তাদের ধরছে বা ধরার চেষ্টা করছে।

    সচিব বলেন, ৩০০টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রায় ১৮৪৬ জন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। তারসঙ্গে আরো অনেক লোক প্রচারে অংশগ্রহণ করছেন। বিপুল জনগোষ্ঠীর এ দেশে এ ধরনের একটি বা দু’টি ঘটনা ঘটতে পারে।

  • খামোশ’ বললেই জনগণ চুপ হবে না : প্রধানমন্ত্রী

    খামোশ’ বললেই জনগণ চুপ হবে না : প্রধানমন্ত্রী

    ড. কামাল হোসেনের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খামোশ বললেই জনগণ চুপ হবে না।

    শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, এরা কীভাবে বিএনপির সঙ্গে, অপরাধীদের সঙ্গে, দুর্নীতিবাজদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।

    ‘বিএনপি যুদ্ধাপরাধী, তাদের স্বজন, দুর্নীতিবাজদের স্বজনদের ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দিয়েছে। জনগণকে এদের বিষয়ে সচেতন হতে বলবো। এ অপরাধীরা যাতে ভোট না পায়’।

  • বরিশালে প্রচার-প্রচারণার সরগরম হয়ে উঠছে নির্বাচনী মাঠ

    বরিশালে প্রচার-প্রচারণার সরগরম হয়ে উঠছে নির্বাচনী মাঠ

    অনলাইন ডেক্স:

    ভোটের দিন যতোই ঘনিয়ে আসছে, বরিশালে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার মাঠ ততোই সরগরম হয়ে উঠছে। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত প্রার্থীরা যাচ্ছেন ভোটারদের বাড়ি বাড়ি, নানান প্রতিশ্রুতি দিয়ে চাইছেন ভোট। পাশাপাশি উঠান বৈঠক,দলীয় নেতাকর্মী সমর্থকদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন প্রার্থীরা।

    শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় নগরের ডিসি রোড, ফজলুল হক অ্যাভিনিউ রোডে গণসংযোগ করেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম। এসময় তিনি ভোটারদের কাছে উন্নয়নের স্বার্থে ভোট প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, বরিশালের পরিবেশ সম্পূর্ণ শান্ত।

    এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহসহ দলের নেতাকর্মীরা।

     

  • নির্বাচনে ট্রাম্প-প্রশাসনের আনুকূল্য পেতে জামায়াতের আরেকটি লবিং ফার্ম ভাড়া

    নির্বাচনে ট্রাম্প-প্রশাসনের আনুকূল্য পেতে জামায়াতের আরেকটি লবিং ফার্ম ভাড়া

    মার্কিন প্রশাসনের আনুকূল্য লাভের মাধ্যমে বাংলাদেশে রাজনৈতিক নিরাপত্তা প্রত্যাশায় জামায়াতে ইসলামী আবারো বিপুল অর্থে লবিং ফার্ম ভাড়া করেছে ওয়াশিংটনে।

    বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘হাডসন ইন্সটিটিউট’ নামক একটি থিঙ্কট্যাংকের উদ্যোগে ‘স্ট্যাবিলিটি, ডেমক্র্যাসি এ্যান্ড ইসলামিজম ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনায় লবিং ফার্ম ভাড়ার এ তথ্য প্রকাশ করেন ‘লিবার্টি সাউথ এশিয়া’র প্রতিষ্ঠাতা সেথ ওল্ডমিক্সন।

    এ আলোচনার সূত্রপাত ঘটিয়ে মার্কিন কংগ্রেসম্যান জিম ব্যাঙ্কস বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীসহ ধর্মীয় উগ্রপন্থিদের দমনে বাংলাদেশ সরকার যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তাকে সর্বাত্মক সমর্থন দেয়া জরুরী হয়ে পড়েছে মার্কিন প্রশাসনের। কারণ, মুসলিম অধ্যুষিত দেশ হলেও বাংলাদেশের ৭৬% মানুষই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছে।

    পিউ রিসার্চ সেন্টার পরিচালিত সাম্প্রতিক এক জরিপে এ তথ্য উদঘাটিত হয়েছে।’ ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং গণতন্ত্র থামিয়ে দিতে জামায়াতে ইসলামী নানা অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। ওদেরকে শক্তহাতে প্রতিহত করতে সকলের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত। আসন্ন নির্বাচনেও ওরা নাশকতার মত ভয়ংকর কাজ করতে পারে’-আশংকা এই কংগ্রেসম্যানের।

    উল্লেখ্য, গতমাসেই মার্কিন কংগ্রেসে (এইচআর ১১৫৬) একটি প্রস্তাব উঠিয়েছেন এই কংগ্রেসম্যান। যেখানে জামায়াতে ইসলামকে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের জন্যে হুমকি হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।