Category: রাজণীতি

  • সরকার আর চায় না যে নির্বাচন হোক: মির্জা ফখরুল

    সরকার আর চায় না যে নির্বাচন হোক: মির্জা ফখরুল

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার আর চায় না যে নির্বাচন হোক। কারণ, তারা জেনে গেছে, জনগণ তাদের সঙ্গে নেই। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।

    আজ শুক্রবার বগুড়া-৬ (সদর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে কর্মিসভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, সারা দেশে সুষ্ঠ নির্বাচনে কোনো পরিবেশ নেই। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব সরকারের হাতে। সারা দেশে ধানের শীষের কর্মী-সমর্থকদের হামলা করে, মামলা করে অরাজক পরিস্থিত তৈরি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলাম। তিনি কথা দিয়েছিলেন, তফসিল ঘোষণার পর অন্যায়ভাবে কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না। তিনি কথা রাখেননি। এখন সারা দেশে বিএনপির প্রার্থী ও কর্মীদের মাঠে নামতে দেওয়া হচ্ছে না। আমার ওপর হামলা হয়েছে। অন্যান্য প্রার্থীর ওপর হামলা লেগেই আছে। আজকেও ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেনসহ অন্যান্য নেতার ওপর হামলা হয়েছে।

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বেলা ১১টায় বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে কর্মিসভার মধ্য দিয়ে তাঁর দুই দিনের নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচি শুরু করেছেন। সভার শুরুতেই সভাপতির আসনে বসা নিয়ে বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের একটি অংশের মধ্যে ব্যাপক হট্টগোল শুরু হয়। তাঁরা বিএনপির জেলা সভাপতি সাইফুল ইসলামের সভাপতির চেয়ারে বসার বিরোধিতা করে স্লোগান দিতে থাকেন। পরে সাইফুল মাইক্রোফোনে ঘোষণা দেন, তিনি সভাপতিত্ব করবেন না। তাঁর বদলে সভাপতিত্ব করবেন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও বগুড়া পৌরসভার মেয়র এ কে এম মাহবুবর রহমান।

    মির্জা ফখরুল কর্মী–সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তাঁর বক্তব্য বলেন, আমাদের সামনে এখন কঠিন চ্যালেঞ্জ। বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। নেত্রী কারাগারে। নেতা দেশের বাইরে। আমি এখানে ধানের শীষের প্রার্থী হয়ে আসিনি। নেত্রীর প্রতিনিধি হয়ে এসেছি। নেত্রী কারাগারে অসুস্থ অবস্থায় দুঃসহ জীবন যাপন করছেন। তাঁকে মুক্ত করতে হলে আপনাদের সামনে কোনো পথ খোলা নেই। নিজেদের মধ্যে কোন্দল রাখলে কোনো আসনে জেতার সম্ভাবনা নেই বলেও সতর্ক করেন তিনি।

    বিএনপির মহাসচিব বলেন, ধানের শীষের প্রার্থীকে জেতানো ছাড়া সামনে কোনো পথ খোলা নেই। ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে বুকে চেপে বসা দজ্জাল সরকারকে সরাতে হবে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতার জন্মভিটা বগুড়া। খালেদা জিয়া এই বগুড়ার পুত্রবধূ। প্রতিটি নির্বাচনে তিনি এখানে প্রার্থী হন। ধানের শীষ নিয়ে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ছুটে বেড়ান। এবার সরকার তাঁকে অন্যায়ভাবে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে, ফরমায়েশি সাজা দিয়ে কারাগারে আটকে রেখেছে। সরকার বুঝতে পেরেছে খালেদা জিয়া বাইরে থাকলে তাদের কোথাও জেতার সম্ভাবনা নেই।

  • দেশের মানুষ দুই ভাগে বিভক্ত: কাদের

    দেশের মানুষ দুই ভাগে বিভক্ত: কাদের

    আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের মানুষ দুই ভাগে বিভক্ত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অসাম্প্রদায়িক শক্তি বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ, আর সাম্প্রদায়িক স্বাধীনতাবিরোধী অশুভ শক্তি বিএনপির নেতৃত্বে একত্র হয়েছে।

    আজ শুক্রবার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের সকালে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে যে নির্বাচন হচ্ছে, সেই নির্বাচনে দেশের জনগণ সাম্প্রদায়িক শক্তির ধারক-বাহক বিএনপিকে প্রত্যাখ্যান করে মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করবে।

    ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক শুভ শক্তির কাছে স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি পরাজিত হবে।

    তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী আপামর জনতা আজ শ্রদ্ধাভরে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করছে। বিজয়ের মাত্র দুদিন আগে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনী দেশের কতিপয় কুলাঙ্গারের সহায়তায় ঘৃণ্য উদ্দেশ্যে জাতির শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল।

    ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানের দখলদার হানাদার বাহিনী ও তার দোসর রাজাকার, আলবদর, আল শামস মিলিতভাবে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ঠিক দুদিন পর ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং দেশ স্বাধীন হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

  • বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের হয়রানি না করতে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: ইসি সচিব

    বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের হয়রানি না করতে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: ইসি সচিব

    বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের হয়রানি না করতে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীতে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    ইসি সচিব ব্রিফিংয়ে নির্বাচনের নানা দিক নিয়ে কথা বলেন। মিরপুরে আজ সকালে ড. কামাল হোসেনের গাড়িবহরে হামলার বিষয়ে ইসি সচিব বলেন,তিন শ আসনে নির্বাচন হচ্ছে। যেসব নেতিবাচক ঘটনা ঘটছে তা তুলনামূলক কম।তারপরও পুলিশকে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে কেউ ইসিতে অভিযোগ করেনি।

    বিএনপির নেতা-কর্মীদের পুলিশ গণহারের গ্রেপ্তার করছে—ইসির কাছে বিএনপি এমন অভিযোগ করেছিল। এ ব্যাপারে সাংবাদিকেরা হেলালুদ্দীনের কাছে জানতে চান, বিএনপির অভিযোগ কতটা আমলে নেওয়া হয়েছে।

    জবাবে ইসি সচিব বলেন, বিষয়গুলো ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই কমিটি তদন্ত করে ইসিতে প্রতিবেদন পাঠাবে।কমিশন থেকেও পুলিশকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে,সিনিয়র কোনো নেতাকে যেন হয়রানি না করা হয়।কিছু অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। সেগুলোর ব্যাপারের ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।

    বিএনপির অভিযোগ সম্পর্কে ইসি সচিব আরও বলেন,যাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে তাদের অনেকের নামে আগেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।কিন্তু তারা আত্মগোপনে থাকায় তখন গ্রেপ্তার করা যায়নি। এখন নির্বাচন উপলক্ষে যারা প্রকাশ্যে আসছে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে।

    নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রসঙ্গে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এখনো বাকি। অন্য সবার প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশের কারণে প্রার্থী বাড়ছে। ইসিকে এসব প্রার্থী সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সম্পন্ন করতে হচ্ছে। প্রার্থীদের এসব কাজ শেষে হলে ব্যালট পেপার ছাপানোর কাজ শুরু হবে। তবে ভোটগ্রহণের সাত দিন আগেই ব্যালট নির্বাচনী এলাকাগুলোতে চলে যাবে।

    সেনা মোতায়েন প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, দশ দিনের জন্য সেনা মোতায়েন হবে। তাদের কাজ হবে সিভিল প্রশাসনকে সাহায্য করা। সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিচারের এই ক্ষমতা নির্বাহী ও বিচারিক হাকিমদের।

    ভোট কেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহার প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, শুধু প্রিসাইডিং অফিসার ও পুলিশ ব্যবহার করতে পারবে। অন্যরা বহন করতে পারবে কিন্তু ব্যবহার করতে পারবে না। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। মাঠ থেকে এই ধরনের প্রস্তাব এসেছে। আমরা তা কমিশনে পাঠাব।কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে।এবার ভিন্ন প্রেক্ষাপটে নির্বাচন হচ্ছে। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হচ্ছে। সব দল নির্বাচনে আসছে। তাই মোবাইল ব্যবহারের ব্যাপারে এমন প্রস্তাব এসেছে।

  • লাঙ্গলে ভোট চাইল আ.লীগ, মাঠে নামলেন সালাহউদ্দিন

    লাঙ্গলে ভোট চাইল আ.লীগ, মাঠে নামলেন সালাহউদ্দিন

    নির্বাচনের প্রচারণার সময় দলীয় নেতা-কর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমেদ। তবে এই আসনে নির্বাচনী সভা ও মিছিল করেছেন অাওয়ামীলীগ মিত্র মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির সৈয়দ আবু হোসেন। গতকাল বৃহস্পতিবার কদমতলী ও শ্যামপুর থানা এলাকায় পৃথক এই কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।

    সৈয়দ আবু হোসেন: জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা গত সোমবার লাঙ্গল প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। গতকাল তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন শ্যামপুর এলাকায়। এখানে বালুর মাঠে বেলা তিনটায় ছিল তাঁর নির্বাচনী সভা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন এবং দলটির মিত্র জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে ভোট চান।

    নির্বাচনী সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা-৪ আসনের সাংসদ সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা। তিনি বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে আমি নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নকাজ করেছি। ডিএনডি বাঁধ এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ চলছে। অনেক সড়কের উন্নয়ন করা হয়েছে। এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন ভবন নির্মাণসহ শিক্ষাসহায়ক উন্নয়নকাজ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এখনো অনেক উন্নয়নকাজ বাকি আছে। সবার সহযোগিতায় আবারও এই আসনে সাংসদ নির্বাচিত হতে চাই। এ জন্য সবার ভোট চাই।’

    সালাহ উদ্দিন আহমেদ: কদমতলী থানা বিএনপির নেতা–কর্মীরা জানান, গত সোমবার সালাহ উদ্দিন প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর গতকালের গণসংযোগটি সবচেয়ে বড় ছিল। বেলা ১১টার দিকে ডিএসসিসির ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিক্রমপুর প্লাজা এলাকা থেকে কয়েক শ দলীয় নেতা–কর্মী নিয়ে গণসংযোগ শুরু হয়। এ ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত।

    জানতে চাইলে সালাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে নেতা–কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হয়রানি করছে পুলিশ। জানতে চাইলে কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম এ জলিল বলেন, পুলিশ বিএনপির কাউকে হয়রানি করছে না।

  • ‘যুবরাজ অনেক বেশি বিষাক্ত, ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে’

    ‘যুবরাজ অনেক বেশি বিষাক্ত, ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে’

    যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান ও বিরোধী ডেমোক্র্যাট দলের প্রভাবশালী দুই সিনেটর বলেছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সু-সম্পর্ক চাইলে সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমানকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে। তারা বলেছেন, যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান “অনেক বেশি বিষাক্ত” হয়ে উঠেছেন।

    আগে থেকেই রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম ও ডেমাক্র্যাট দলের সিনেটর বব মেনেন্ডিজ সৌদি যুবরাজের সমালোচনা করে আসছেন তবে গতকাল তারা সবচেয়ে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন। দুই সিনেটর বলেছেন, সৌদি যুবরাজকে তারা ক্ষমতায় দেখতে চান না।

    রাজা সালমান বিন আবদুল আজিজ হচ্ছেন সৌদি আরবের শাসক তবে যুবরাজ হচ্ছেন ‘কার্যত’ শাসক। সৌদি সরকারের প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের এতদিন যে সমর্থন ছিল চলতি সপ্তাহে তাতে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ- দুই কক্ষই তাদের মনোভাবে পরিবর্তন এনেছে বলে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

    সিনেটর গ্রাহাম কংগ্রেসে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমাদের সৌদি আরবের বন্ধুরা কিছু জিনিসে পরিবর্তন না আনলে কখনই আপনারা আমাদের বন্ধুত্ব পাবেন না এবং কাকে পরিবর্তন করবেন তা আপনাদেরকেই ঠিক করতে হবে।

  • আ.লীগ নয় ধানের শীষের প্রতিদ্বন্দ্বী যেন পুলিশ : আলাল

    আ.লীগ নয় ধানের শীষের প্রতিদ্বন্দ্বী যেন পুলিশ : আলাল

    বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, এবারের নির্বাচনে ধানের শীষের প্রতিদ্বন্দ্বিতা যেন আওয়ামী লীগের সঙ্গে নয়, মনে হচ্ছে আমাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নামে যারা আছেন তারা। আক্রমণের পর আক্রমণ যা খুশি তাই করা হচ্ছে। সরকার দলীয় এমপি, মন্ত্রী ও প্রার্থীদের পুলিশ ঠিকই নিরাপত্তা দিচ্ছেন, প্রটোকল দিচ্ছেন আর আমাদের প্রার্থীদের ধরছেন, পেটাচ্ছেন ও গ্রেফতার করছেন

    বৃহস্পতিবার সোয়া ৪টার দিকে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে চিঠি নিয়ে আসেন জাতীয়বাদী দল ও ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে আসেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান ও ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

    প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী অপেক্ষার পর চিঠি না নেয়ায় ফিরে যাবার কালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

    মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, আজকে আমরা বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল তথা ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে এখানে এসেছি। সাবেক মন্ত্রী ও সরকারের সাবেক উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তাসহ এখানে এসেছি।

    ২৫ মিনিট দাঁড় করিয়ে আমাদের ডেস্ক থেকে নেয়ার ব্যাপারে নিষেধ করা হলো। আমরা এখানে প্রতিকার চেয়ে এসেছিলাম। আমাদের দেখা করতে দেয়া হয়নি। এর মধ্যদিয়ে আজ এটা স্পষ্ট হলো যে, আমাদের সাথে কী ধরনের আচরণ করা হচ্ছে।

    বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক গাজীপুরের প্রার্থী ফজলুল হক মিলন, কিছুক্ষণ আগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রচারণা চলাকালে। উত্তরায় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে একটি নির্বাচনী প্রচারণা সভা ছিল। যেখানে আ স ম আব্দুর রব ও মাহমুদুর রহমান মান্না যাচ্ছিলেন। সেখানে মঞ্চ ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। নেতাকর্মীদের মারধর করা হয়েছে।

    প্রচারণায় হামলা দেশের কম বেশি সবখানেই হচ্ছে উল্লেখ করে আলাল বলেন, ঢাকা-১, নরসিংদী-২, ময়মনসিংহ-২, ময়মনসিংহ-৩, ময়মনসিংহ-১১, মাগুরা-১, কুষ্টিয়া-৩, মাগুরা-১, মাগুরা-২, টাঙ্গাইল-৭, ফরিদপুর-২ ঢাকা-২, সিরাজগঞ্জ-৩, সিরাজগঞ্জ-২, পটুয়াখালী-১, মৌলভীবাজার -৩, বি.বাড়িয়া-২ ও ৩, নেত্রকোনা-৩, মানিকগঞ্জ-১ ও ৩, চাঁদপুর-৪, নওগাঁ-২ এবং রাজশাহী-৪ ও ৬ আসনে আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী আমাদের বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের নেতা কর্মীদের উপর হামলা করেছে। প্রার্থীদের বাধা দিচ্ছে, নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা ও সভা পণ্ড করে দিয়েছে।

    ঢাকায় আমাদের প্রার্থী আফরোজা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলার বিষয়টি সাংবাদিকরা দেখেছেন। আমাদের নির্বাচনী সভাগুলো পণ্ড করা হচ্ছে। আর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দাঁড়িয়ে দেখছেন।

    তিনি বলেন, অনেগুলো অনলাইন নিউজ পোর্টাল বন্ধ করা হয়েছে। একবার বন্ধের আদেশ আরেকবার খোলার আদেশ, আবার বন্ধের আদেশ দেয়া হয়েছে। এইসব পোর্টালের মধ্যে বিএনপি’র বিএনপিবাংলাদেশডটকম (bnpbangladesh.com) নামে ওয়েবসাইটও বন্ধ করা হয়েছে। ওয়েবসাইটটি খুলে দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বলে দেবার জন্য বলা হয়েছে।

    আলাল বলেন, আমরা জোটবদ্ধ নির্বাচন করছি। জোটবদ্ধ নির্বাচন করার কারণে আমাদের দলীয় নেত্রী গণপ্রতিনিধিত্ব ৭২ এর ২০ এর (১) ধারা অনুযায়ী জোটবদ্ধ দল হিসেবে নিজেদের পোস্টারে দলীয় প্রধানের ছবি ব্যবহার করার কথা বলেছি। যাতে করে বিএনপি’র বাইরের দলগুলোর পোস্টারেও খালেদা জিয়ার ছবি ব্যবহার করতে পারেন। কোনো সমস্যা না হয়।

    আলাল বলেন, আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার বন্ধের দাবি ফলদায়ক হচ্ছে না। আমাদের পেটানোর জন্য সব আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকেই দেখছি। সংলাপেও এসব বলা হয়েছে। কিন্তু তা দেখছি না। আমাদের দাবি ছিল ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা। প্রথমে বলা হলো ১৫ ডিসেম্বর, আবার বলা হলো ২৪ তারিখ। তা স্থির নয়। এখন বলা হচ্ছে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন করা হবে। আমরা বার বার বলেছি ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেন। মাঠে থাকার ও ভোট করার যে গণতান্ত্রিক অধিকার তা সময় যতো গড়াচ্ছে কঠিন হয়ে পড়ছে। এ জন্য সেনা মোতায়েন দরকার।

  • বরিশালে কনকনে শীতের মাঝে চলছে নির্বাচনী প্রচারণা

    বরিশালে কনকনে শীতের মাঝে চলছে নির্বাচনী প্রচারণা

    অনলাইন ডেস্ক:

    কনকনে শীতকে উপেক্ষা করে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল জেলার ছয়টি নির্বাচনী আসনের প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা আজ বৃহস্পতিবার দিনভর নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা এবং গণসংযোগ করেছেন। সকাল থেকে মধ্যরাতে পর্যন্ত প্রার্থীরা তাদের সমর্থকদের নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে যাচ্ছেন।

    বেলা দুইটার পর থেকেই মাইকবাহী গাড়িতে শুরু হয়েছে প্রচারণার কাজ। বরিশাল নগরীসহ জেলার প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার মুল সড়কসহ প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের সড়ক থেকে শুরু করে গুরুতপূর্ণ স্থানে পোষ্টারে পোষ্টারে ছেয়ে গেছে। নির্বাচনী মাঠ ঘুরে জানা গেছে, প্রতীক বরাদ্দের দিন গত সোমবার দুপুর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীরা প্রচারণা শুরু করেছেন। পাশাপাশি দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নেতাকর্মীরা আলাদাভাবেও প্রচারণা চালাচ্ছেন। একইসাথে প্রার্থীদের পক্ষে চলছে ভোট কেন্দ্র কমিটি গঠণ। তবে প্রচার প্রচারনায় ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পাটি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা কয়েকগুন এগিয়ে থাকলেও অনেকটাই পিঠিয়ে রয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা।

    বরিশাল-১ আসনে মঙ্গলবার দিনভর গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন ওই আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর কর্মী সমর্থকরা। একইদিন গৌরনদী পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের নিয়ে বিশেষ সভা করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ হারিছুর রহমান। এছাড়া উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে বিশেষ সভা করেছেন জেলা সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী। ওই সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার। নগরীর সদর রোডে বরিশাল-৫ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন। বরিশাল-৪ আসনের নৌকার প্রার্থী পঙ্কজ দেবনাথের পক্ষে দিনভর গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের প্রতি আহবান করেন।

    অপরদিকে বরিশাল-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী এ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার সদর উপজেলার কাগাশুরা ও মতাশা এলাকায় গণসংযোগ করে দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে মহানগর বিএনপির আয়োজনে নির্বাচন উপলক্ষে মহানগর ও কোতোয়ালী ওয়ার্ড কমিটি গঠণ উপলক্ষে নেতাকর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছেন।

    বরিশাল-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন তার বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করে নেতাকর্মীদের নিয়ে সরিকল এলাকায় গণসংযোগ করেছেন। বরিশাল-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু। বরিশাল-৩ আসনের প্রার্থী এ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের সমর্থনে তাদের সমর্থকরা দিনভর গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন। একইভাবে ওই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক তার নির্বাচনী প্রতীক ট্রাক এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু লাঙ্গল মার্কার পক্ষে গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ ও উঠান বৈঠক করেছেন। এছাড়া বরিশাল-১ আসনের জাকের পার্টির প্রার্থী বাদশা মুন্সী তার গোলাপ ফুল মার্কার পক্ষে এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থীরা প্রচার-প্রচরনা অব্যাহত রেখেছেন।

  • বিএনপির জনবিচ্ছিন্ন প্রার্থিরা ঢাকায় বসে বিবৃতি দিচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    বিএনপির জনবিচ্ছিন্ন প্রার্থিরা ঢাকায় বসে বিবৃতি দিচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, গত ১০ বছর বিএনপির প্রার্থিরা তাদের নির্বাচনী এলাকায় আসেনি। ভোটারদের সাথে তাদের কোন যোগাযোগ ছিল না। তা ছাড়া বিএনপির ক্ষমতার আমলের তারা মানুষের উপর যেসব অত্যাচার নির্যাতন করেছে, সেসব বিষয়ে মানুষ প্রশ্ন করলে বিএনপি নেতারা কী জবাব দিবে? তাই বিএনপির জনবিচ্ছিন্ন প্রার্থিরা ভোট চাইতে এলাকায় না গিয়ে ঢাকায় বসে বিবৃতি দিচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার বিকালে ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত পথসভায় বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    এ সময় মন্ত্রী বলেন, বিএনপির নেতারা এলাকায় ছিল না। কিন্তু আমরা প্রতিনিয়ত এলাকায় কাজ করেছি। মানুষের সুখে দু:খে তাদের পাশে ছিলাম। এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। তাই বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে সাধারণ মানুষ আগামী ৩০ ডিসেম্বর আবার মানুষ আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করবেন।

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল করেছে। তিনি আন্তর্জাতিক বিশ্বে মর্যাদাশীল নেতা হয়েছেন। তাকে মানবতার মা বলা হয়।

    পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছগির আহমেদ মাস্টারের সভাপতিত্বে পথসভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মমিন টুলু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো: মোশারেফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল ইসলাম বিপ্লব প্রমূখ।

  • উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

    উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

    আওয়ামীলীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার পাশাপাশি আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে আওয়ামী লীগকে ভোট দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

    সরকার গঠনে প্রতিটি ভোটকে মূল্যবান আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ভোট এবং আসনই মূল্যবান এবং আপনার একটি ভোটই আমাদের সরকার গঠনে সাহায্য করতে পারে। প্রয়োজনীয়সংখ্যক আসন থেকে একটি আসনও যদি কম হয়ে যায়, তাহলেই আমরা সরকার গঠন করতে পারব না।

    আজ বৃহস্পতিবার সকালে ভাঙ্গার মোড় এলাকায় একটি নির্বাচনী জনসভায় প্রদত্ত ভাষণে শেখ হাসিনা এ আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, ‘কাজেই আপনারা নৌকায় ভোট দিয়ে আমাদের বিজয় নিশ্চিতের সঙ্গে সঙ্গে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করুন।

    ফরিদপুর-৪ আসনের মহাজোট প্রার্থী (ভাঙ্গা, সদরপুর, চরভদ্রাসন) কাজী জাফর উল্যাও সমাবেশে বক্তৃতা করেন এবং বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

    শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়া থেকে রাজধানীতে ফেরার পথে তাঁর নির্বাচনী প্রচারণার দ্বিতীয় দিনে ভাঙ্গায় এই জনসভা করেন।

    তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যদি আগামী সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতায় আসতে না পারে, তাহলে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যাবে। কাজেই এই উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার জন্য একটি ভোটই আমাদের কাছে মূল্যবান।

    এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার ২০০১ সালে পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিল। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত সরকারে এসেই সে কাজ বন্ধ করে দেয়।

    আওয়ামী লীগের সভাপতি এ সময় ’৯৬–পরবর্তী সময়ে তাঁর সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো পরবর্তী বিএনপি-জামায়াত সরকার এসে বন্ধ করে দেওয়ার বিভিন্ন উদাহরণ টেনে বলেন, ‘বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ আপনাদের নানা কথায় বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে। কিন্তু আপনাদের সবাইকে যার যার নিজের ভোট দিতে হবে এবং জনমত সৃষ্টি করে ভোটকেন্দ্রগুলো পাহারা দিতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী পরে ফরিদপুরের কামারপুর আব্দুল আজিজ ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে আরেকটি জনসভায় ভাষণ দেন।

    শেখ হাসিনা রাজধানীতে ফেরার পথে আরও পাঁচটি এলাকায় নির্বাচনী জনসংযোগ এবং জনসভায় অংশগ্রহণ করবেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজবাড়ী মোড়, মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড, ধামরাইয়ে রাবেয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণ এবং সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকা।

    এর আগে শেখ হাসিনা সকাল নয়টায় টুঙ্গিপাড়া থেকে সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন।

    যাত্রা শুরুর আগে তিনি জাতির পিতার সমাধিসৌধে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

    গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাঁর নির্বাচনী প্রচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেন এবং সেদিন বিকেলে কোটালীপাড়ার শেখ লুৎফর রহমান সরকারি ডিগ্রি কলেজের মাঠে বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন।

  • নৌকার পোস্টার পোড়ানোর দায়ে জরিমানা

    নৌকার পোস্টার পোড়ানোর দায়ে জরিমানা

    জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনের আওয়ামীলীগের প্রার্থী মির্জা আজমের পোস্টার পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগে আয়শা খাতুন (৩২) নামে বিএনপির এক নারী সমর্থককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অনাদায়ে দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

    গতকাল বুধবার রাতে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তামীম আল ইয়ামিন এ দণ্ডাদেশ দেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের কর্মীরা এ উপজেলার বেতমারী এলাকায় মির্জা আজমের পোস্টার লাগাচ্ছিলেন। এ নিয়ে মির্জা আজমের সমর্থকদের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির কর্মীদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বিএনপির ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা মির্জা আজমের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন এবং পোস্টার পুড়িয়ে দেন আয়শা খাতুন।

    রাত আটটার দিকে খবর পেয়ে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তামীম আল ইয়ামিন অভিযান চালিয়ে আয়শা খাতুনকে আটক করেন।পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাঁকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে দুই মাসের কারাদণ্ড দেন। পরে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে তিনি মুক্ত হন।

    মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তামীম আল ইয়ামিন বলেন,আগুন দিয়ে পোস্টার পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়েছিল। ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাঁকে জরিমানা করা হয়েছিল। জরিমানা আদায় হওয়ায় তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।