Category: রাজণীতি

  • রিকশাচালককে পেটানো সেই সুইটিকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার

    রিকশাচালককে পেটানো সেই সুইটিকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার

    রিকশাচালককে পেটানোর অভিযোগে ঢাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সুইটি আক্তার শিনুকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তাকে বহিষ্কার করা হয় বলে জানা গেছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বুধবার এক রিকশা চালককে প্রকাশ্যে মারধর করেন আওয়ামী লীগের নেত্রী সুইটি আক্তার শিনু। মারধরের ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠে। এরই প্রেক্ষিতে তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় সংগঠনটি।

    ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আব্দুল হাই হারুন ও সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন তালুকদার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সুইটি আক্তার শিনুর সাম্প্রতিক আচরণ সংগঠনের সুনাম নষ্ট করছিল। তাকে এর আগে বারবার সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু তিনি সংশোধন হননি। বরং একই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েই যাচ্ছিলেন। তাই ১১ ডিসেম্বর নির্বাহী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্তে সুইটিকে মহিলা সম্পাদিকা ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন তালুকদার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে সুইটি আক্তার শিনুর সংগঠনের সুনাম নষ্ট করে আসছিলেন। এ বিষয়ে বারবার সতর্ক করা হলেও তিনি সংশোধন হননি। পরে রিকশাচালককে মারধরের ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে ১১ ডিসেম্বর নির্বাহী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্তে সুইটিকে মহিলা সম্পাদিকা ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

    গত বুধবার বিকেলে ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায় রিকশাচালকের ওপর চড়াও হয়েছেন এক নারী। তিনি ওই রিকশার যাত্রী ছিলেন। দ্রুত রিকশা না চালানোর কারণে তিনি চটে যান। ভিডিওতে রিকশাচালকের ওপর মারমুখী অবস্থায় দেখা যায় তাকে।

    এক পর্যায়ে প্রকাশ্য দিবালোকে সবার সামনে রিকশা থেকে নেমে চালকের গায়ে হাতও তোলেন  ওই নারী। আবারো রিকশায় উঠে হাতের ব্যাগ দিয়ে চালককে মারতে উদ্যত হন। ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে লাথি ছুঁড়তেও দেখা যায়।

    ভিডিওতে আরও দেখা যায়, পথচারীরা ওই নারীর আচরণের প্রতিবাদ করেন। তবে কোনো প্রতিবাদেই নিজের অবস্থান থেকে সরেননি তিনি। উল্টো পথচারীদের সঙ্গেও ঝগড়ায় লিপ্ত হয়ে পড়েন তিনি।

    ওই নারী ঢাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সুইটি আক্তার শিনু বলে পরিচয় পাওয়া যায়।

  • বাম জোট ৯৯ ভাগ মানুষের স্বার্থে কাজ করে: সেলিম

    বাম জোট ৯৯ ভাগ মানুষের স্বার্থে কাজ করে: সেলিম

    বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি ও বাম গণতান্ত্রিক জোটের অন্যতম নেতা মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, নির্বাচনে দুটি পক্ষ রয়েছে। বাম জোট শতকরা ৯৯ ভাগ মানুষের স্বার্থে কাজ করে। মানুষের স্বার্থ দেখেই তারা ইশতেহার করেছে।

    আজ বুধবার সকালে রাজধানীর পল্টনে মুক্তি ভবনে বাম গণতান্ত্রিক জোট সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে। সেখানে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটিয়ে এ ইশতেহার করা হয়েছে। এ নির্বাচনে দুটি পক্ষ। এক ভাগ লুটেরাদের পক্ষে। সে পক্ষে দুটি গোষ্ঠী-‘নৌকা’ ও ‘ধানের শীষ’। ৯৯ ভাগ মানুষের আরেকটি পক্ষ হলো বাম গণতান্ত্রিক জোট। আমরা ৯৯ ভাগের স্বার্থে আছি।

    বাম জোটের ইশতেহারে ৩২ দফা রয়েছে। জোটের সমন্বয়ক মো. শাহ আলম ইশতেহার পাঠ করেন। তাদের ৩২টি দফা হলো—মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সংবিধান, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ও রাজনীতির সংস্কার সাধন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ ও স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়ন, নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কার, বিকল্প অর্থনৈতিক নীতি ও ব্যবস্থা, চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো-টলারেন্স, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা, মজুরের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও জীবনমান উন্নয়ন, দেশীয় শিল্পের বিকাশ, শিক্ষার প্রসার ও মানোন্নয়ন, স্বাস্থ্যখাতের মানোন্নয়ন, যুবসমাজকে কাজে লাগানো, নারী অধিকার ও সম্পত্তিতে সম-অধিকার প্রতিষ্ঠা, জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ বাস্তবায়ন, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, বিভিন্ন জাতিসত্তার অধিকার প্রতিষ্ঠা, বস্তিবাসী ও হকারদের জীবনমান উন্নয়ন, প্রতিবন্ধীদের সুযোগ সৃষ্টি ও অধিকার রক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তিকে সর্বজনীন করা, পরিবেশ রক্ষা, বিকল্প জ্বালানি নীতি, বন্যা সমস্যার প্রতিকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও যানজট রোধ, জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করা, সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশ, মাদক ও পর্নো ছবি নিয়ন্ত্রণ, ক্রীড়া ও বিনোদনের সুযোগ নিশ্চিত করা, গণপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা ও তরুণদের সামরিক প্রশিক্ষণ প্রদান এবং স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি।

    ইশতেহার ঘোষণা শেষে সিপিবির সভাপতি বলেন, চলতি রাজনীতিতে ‘নৌকা’ ও ‘ধানের শীষের’ নীতি আদর্শ নেই। তাঁরা এ অবস্থার পরিবর্তন করতে চান। সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী না হয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দাবি করলে তা প্রতারণা হবে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে সমাজতন্ত্র।

    ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে বড় রাজনৈতিক দল সঙ্গে নেওয়ায় মুজাহিদুল ইসলাম সমালোচনা করে বলেন, বাস্তব অবস্থার অজুহাত দেখিয়ে জামায়াতে ইসলামীকে জোটে নেওয়া হয়েছে কিংবা হেফাজতে ইসলামের কাছে আত্মসমর্পণ করা হয়েছে। দেশকে বিদেশের গোলামে পরিণত করা হয়েছে। ক্ষমতায় এলে বাম জোট দেশকে গোলামি থেকে মুক্ত করবে।
    নির্বাচনী প্রচারকাজে বাধা পাওয়ার অভিযোগ জানিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের অন্যতম নেতা সাইফুল হক বলেন, ‘নির্বাচন শেষ পর্যন্ত করতে পারব কি না, তা সরকার ও ইসির আচরণের ওপর নির্ভর করবে।

    বাম গণতান্ত্রিক জোট এবার ১৩১টি আসনে ১৪৭ জন প্রার্থী দিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাম জোটের নেতা বজলুর রশীদ ফিরোজ, আবদুস সাত্তার, হামিদুল হক মোশরেফা মিশুসহ প্রমুখ।

  • বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা অর্পণের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম শুরু শেখ হাসিনার

    বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা অর্পণের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম শুরু শেখ হাসিনার

    আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাঁর নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম শুরু করেছেন। আজ বুধবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী এর আগে রাজধানী থেকে সড়কপথে বেলা ২টা ১০ মিনিটে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান। এরপরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ সময় বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা উপস্থিত ছিলেন। তিনি সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এবং ’৭৫-এর ১৫ আগস্টের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতে শরিক হন। মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সাংসদ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এবং জ্যেষ্ঠ ও স্থানীয় নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে আটটায় গণভবন থেকে সড়কপথে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে যাত্রা করেন।

     

  • প্রার্থী বৈধ অস্ত্র বহন করতে পারবেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    প্রার্থী বৈধ অস্ত্র বহন করতে পারবেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, এখন থেকে বৈধ অস্ত্র বহন ও প্রদর্শন করা যাবে না। তবে সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী বৈধ অস্ত্র বহন করতে পারবেন, কিন্তু প্রদর্শন করতে পারবেন না। আজ (বুধবার) থেকে নির্বাচন পর্যন্ত এই নির্দেশ কার্যকর থাকবে। যে কেউ প্রয়োজনে থানায় অস্ত্র জমা দিয়ে রাখতে পারেন।

    আজ বুধবার বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    গতকাল মঙ্গলবার নির্বাচনী প্রচারণার সময় সংঘর্ষে দুজন নিহত হওয়ার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে অস্থিরতা থাকবে। তবে এই ঘটনা দুঃখজনক। তিনি বলেন, ‘যারা সন্ত্রাসে বিশ্বাস করে, তারা এসব করছে। আমাদের দল থেকে এসব হচ্ছে না। আশা রাখি নির্বাচন উৎসবে পরিণত হবে। নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করে যারা অস্থিরতা করছে। তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

    নির্বাচন কমিশন থেকে বুধবার অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের নির্দেশনা ও বৈধ অস্ত্র ব্যবহারের নীতিমালা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসে। মন্ত্রী বলেন, ‘আজ বা কালের মধ্যেই অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের নির্দেশনা ও বৈধ অস্ত্র ব্যবহারের নীতিমালা বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। নির্বাচনের সময় সীমান্তেও আমরা সতর্ক রয়েছি।

  • খালেদার প্রার্থিতা বিষয়ে রিট শুনতে বেঞ্চ গঠন

    খালেদার প্রার্থিতা বিষয়ে রিট শুনতে বেঞ্চ গঠন

    তিনটি আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা পৃথক রিট শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ ঠিক করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। বুধবার এ বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

    সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও স্পেশাল অফিসার মো. সাইফুর রহমান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • সিংহ মার্কা চাইলেন হিরো আলম

    সিংহ মার্কা চাইলেন হিরো আলম

    সিংহ মার্কা চাইলেন হিরো আলম। তিনি বগুড়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে সিংহ মার্কা চেয়ে আবেদন করেছেন। জেলা রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক) মো. ফয়েজ আহম্মদ ঢাকায় অবস্থান করার কারণে আজ বুধবার তাকে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া সম্ভব হয়নি- এমনটি জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুব আলম শাহ।

    এদিকে, হিরো আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যাবার কারণে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন তিনি। হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনকে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করার নির্দেশ দেন।

    উল্লেখ্য, হিরো আলমের মনোনয়নপত্র বগুড়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ গত ২ ডিসেম্বর যাচাই বাছাই শেষে অবৈধ ঘোষণা করেন। এতে বলা হয়, শতকরা এক ভাগ ভোটারের স্বাক্ষরে অনিয়ম রয়েছে। এরপর হিরো আলম প্রার্থীতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। কিন্তু সেখানেও অবৈধ হলে তিনি উচ্চ আদালতে যান। সেখানে তিনি প্রার্থীতা ফিরে পান।

    হিরো আলমের সমর্থক হোসেন আলী বলেন, প্রতীক না পাওয়ার কারণে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করা যাচ্ছে না। এতে হিরো আলম প্রচারে পিছিয়ে পড়ছেন। এ ব্যাপারে তিনি নির্বাচন কমিশনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

    বগুড়া-৪ আসনে হিরো আলমসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মো. মোশাররফ হোসেন (ধানের শীষ) ও মহাজোটের হয়ে জাসদ (ইনু) প্রার্থী রেজাউল করিম তানসেন ( নৌকা) এবং আরও ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

  • ইসির কোনো কথা শুনছে না পুলিশ : অভিযোগ মাহবুবের

    ইসির কোনো কথা শুনছে না পুলিশ : অভিযোগ মাহবুবের

    পুলিশের ওপর ইসির কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই দাবি করে অপরাধী পুলিশদের বদলি ও গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

    নোয়াখালী-১ আসনের এই প্রার্থী বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য পুলিশ অফিসারকে ট্রান্সফার করতে হবে, যারা অপরাধ করে তাদের গ্রেফতারের ব্যবস্থা করতে হবে।

    মঙ্গলবার দুপুরে চার নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী এবং নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদের সঙ্গে দেখা করে লিখিতভাবে অভিযোগ করার পর সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। কমিশন এসব বিষয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান মাহবুব উদ্দিন খোকন।

    তিনি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় কয়েক দিন ধরে গণগ্রেফতার চলছে। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে নৌকার পক্ষে মহড়া দিচ্ছে। পুলিশ এসব অপরাধের কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। বিএনপি নেতাকর্মীদের অপহরণ ও গুলি করা হয়েছে। আহত হয়ে এসব নেতাকর্মী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তারপরও পুলিশ কোনো মামলা নিচ্ছে না।

    আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর প্রথম দিন থেকেই চাটখিল-সোনাইমুড়ি এলাকায় পুলিশ আগ্রাসী হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    খোকন বলেন, বিনা কারণে পুলিশ বাড়ি বাড়ি তল্লাশি করছে। পাশাপাশি, সারাদেশেও পুলিশ গণগ্রেফতার অব্যাহত রেখেছে। নোয়াখালীর রিটার্নিং কর্মকর্তাকেও এসব অভিযোগের বিষয়ে জানানো হয়েছে। বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশ আগ্রাসী ভূমিকা পালন করছে।

    পুলিশ কমিশনের কোনো কথা শুনছে না। ইসি গণগ্রেফতার বন্ধ করতে বললেও পুলিশ এসব আমলে নিচ্ছে না। নতুন নতুন মামলায়, মাদক দিয়ে কর্মীদের ফাঁসানো হচ্ছে। চাটখিলের ওসি এক বিএনপি নেতাকে আটক করে তার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, প্রচারণার শুরুর দিন থেকেই পুলিশের ওপর কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। পুলিশ, সরকারি অফিসার, আওয়ামী লীগের নেতারা বিএনপি ও ফ্রন্টের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে একাট্টা হয়েছেন। রিটার্নিং অফিসাররা চেষ্টা করেও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বজায় রাখতে পারছেন না।

    এসব অনিয়ম বন্ধে কমিশনকে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান মাহবুব উদ্দিন খোকন।

  • কাল সিলেট থেকে প্রচার শুরু ড. কামালের

    কাল সিলেট থেকে প্রচার শুরু ড. কামালের

    আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন কাল বুধবার সিলেটে যাবেন। সিলেটে পথসভার মধ্য দিয়ে ঐক্যফ্রন্টের জ্যেষ্ঠ নেতারা নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন ।

    ঐক্যফ্রন্টের মিডিয়া ও প্রচার সেলের কর্মকর্তা মেহেদী মাসুদ বলেন, ড. কামাল হোসেন কাল দুপুরের ফ্লাইটে সিলেট যাবেন। সেখানে বেলা তিনটার পরে মাজার জিয়ারত করে পথসভায় অংশ নেবেন।
    বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান জানান, কামাল হোসেনের সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালের ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বেলা দেড়টার ফ্লাইটে সিলেট যাবেন।

    আগের নির্বাচনগুলোতে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হতো দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সিলেট মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে। কিন্তু এবার তিনি দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দী।জাতীয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা কামাল হোসেন এবার মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে প্রচার শুরু করবেন।

  • ইসির আইন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অন্যায় আচরণের অভিযোগ

    ইসির আইন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অন্যায় আচরণের অভিযোগ

    নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আইন কর্মকর্তা সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে অন্যায় আচরণের অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন বাতিল হওয়া এক ব্যক্তি। সাদাকাত খান ফাক্কু নামের এই ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন, তিনি মনোনয়নপত্র বাতিলের প্রত্যয়নপত্র চাইতে গেলে সেলিম মিয়া তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালি দেন ও র‍্যাব-পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার হুমকি দেন।

    এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে আজ মঙ্গলবার সাদাকাত খান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার কাছে চিঠি দিয়েছেন। অভিযোগে সাদাকাত বলেছেন,৮ ডিসেম্বর তিনি ইসির রায়ের প্রত্যয়িত কপির জন্য আবেদন করেন। রাত ১০টার দিকে তিনি কপির জন্য গেলে ইসির আইন শাখা থেকে জানানো হয় পরদিন সকাল ১০টায় পাওয়া যাবে। পরদিন ৯ ডিসেম্বর সকালে যাওয়ার পর আইন শাখা থেকে জানানো হয় রাতে পাওয়া যাবে।

    সাদাকাত খান জানান, সারা দিন অপেক্ষার পর রাত ১০টার দিকে তিনি মুখ্য সচিব সেলিম মিয়ার কাছে যান। তখন সেলিম মিয়া বলেন, ‘আমরা কি বসে আছি?
    সাদাকাত বলেন, ‘স্যার, আমিও ২৪ ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছি।
    সেলিম মিয়া বলেন, ‘সারা রাত অপেক্ষা করেন।’
    সাদাকাত বলেন, ‘এ কেমন কথা স্যার?
    তখন সেলিম মিয়া রেগে গিয়ে বলেন, ‘আপনি কি ১০টাও ভোট পাবেন?’

    তখন আত্মপক্ষ নিয়ে নিয়ে সাদাকাত বলেন, ‘ভোট পাই বা না পাই, রায়ের কপি পাওয়াটা আমার অধিকার।
    সাদাকাত বলেন, ‘অধিকারের কথা বলায় সেলিম মিয়া ক্ষেপে গিয়ে বলেন, “বেশি কথা বলবেন না।এই কথা বলে তিনি তেড়ে এসে আমাকে থাপ্পড় মারার চেষ্টা করেন। এ সময় ওনার সহকর্মীদের অনুরোধে আমি রুম ছেড়ে বেরিয়ে আসি। কিন্তু উনি আমার পিছু পিছু বেরিয়ে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং র‍্যাব-পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।

    সিইসির উদ্দেশে সাদাকাত খান আরও বলেন, তিনি ঢাকা-১৬ আসনে বিহারিদের অধিকার নিয়ে কাজ করেন। এই আসনে বিহারি ভোটারের সংখ্যা ৭০-৮০ হাজারের মতো। তাই তিনি এই আসনে প্রার্থী হতে চান। কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসি তার মনোনয়নপত্র বাতিল বলে গণ্য করেছে। এ অবস্থায় তিনি আদালতের শরণাপন্ন হতে চান। কিন্তু ইসির যুগ্ম সচিব উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাঁকে প্রত্যয়নপত্র দিচ্ছেন না। যে কারণে তিনি আদালতে যেতে পারছেন না।

    এ বিষয়ে জানতে আজ ইসিতে একাধিকবার সেলিম মিয়ার কক্ষে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। টেলিফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, সভার কাজে ব্যস্ত আছেন।

    ইসি গত ৬,৭ ও ৮ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিলের ওপর শুনানি গ্রহণ করে। আপিলে যাঁরা হেরেছেন, তাঁদের অনেকই ইসি থেকে প্রত্যয়নপত্র নিয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়ে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

    ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, তাদের আইন শাখা যথাসময়ে আবেদনকারীদের প্রত্যয়নপত্র দিতে পারছে না, যে কারণে আবেদনকারীদের অনেককে আজও দিনভর অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

  • ঐক্যফ্রন্টের নামে যারা জড় হয়েছে তারা আগুন সন্ত্রাসী: ইনু

    ঐক্যফ্রন্টের নামে যারা জড় হয়েছে তারা আগুন সন্ত্রাসী: ইনু

    তথ্যমন্ত্রী ও সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু  বলেছেন, ঐক্যফ্রন্টের নামে যারা বিএনপি পাশে জড় হয়েছে তারা আগুন সন্ত্রাসী, রাজাকারদের ঘাটি তৈরি করেছে। নির্বাচনকে আপনারা অপরাধীদের হালাল করার জন্য ব্যবহার করবেন না।

    মঙ্গলবার বিকেলে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের খয়েরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    ইনু বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দেশের উন্নয়ন, ‘জঙ্গিবাদ দূরীকরণ ও দেশ থেকে সন্ত্রাস দূর করতে মহাজোটের সরকার আরও একবার দরকার। জঙ্গি-সন্ত্রাসী পৃষ্ঠপোষকদের দূরে রাখতে হবে। এজন্য নৌকার কোনো বিকল্প নেই। আপনারা ভুল করবেন না।’

    এসময় উপস্থিত ছিলেন- জাসদ কেন্দ্রীয় নেতা মহাম্মদ আব্দুল্লাহ, জেলা জাসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান, মিরপুর উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কারশেদ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব উদ্দিনসহ স্থানীয় জাসদ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।