Category: রাজণীতি

  • ভোটের দিন মোবাইল নেটওয়ার্ক ‘টু-জি’ করার পরামর্শ

    ভোটের দিন মোবাইল নেটওয়ার্ক ‘টু-জি’ করার পরামর্শ

    ভোটের দিন মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক ‘টু-জি’ করা এবং ভোটের তিন দিন আগে থেকে মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধ রাখার পরামর্শ এসেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সভায় এসব পরামর্শ ওঠে আসে।

    রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবন মিলনায়তনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় সভা করে নির্বাচন কমিশন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সব জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) ও রিটার্নিং কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

    বৈঠক সূত্র জানায়, সভায় একটি গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অনেককে ভোটের কাজে সম্পৃক্ত করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। এ বিষয়ে সতর্ক থাকার কথা বলে তারা। এ ছাড়া ভোট সামনে রেখে কোনো কোনো জঙ্গিগোষ্ঠীও সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। রাজনৈতিক নেতাদের ওপর হামলার আশঙ্কার কথাও বলেন একজন কর্মকর্তা।

    সভা সূত্র জানায়, সভায় নির্বাচনী প্রচারে হামলা-সংঘাতের বিষয়ে খুব বেশি আলোচনা হয়নি। মাঠ পর্যায়ের বেশির ভাগ কর্মকর্তা বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্তত ১০ জন কর্মকর্তা ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ন্ত্রণ আরোপের প্রস্তাব করেন। কেউ কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে কাউকে ঢুকতে না দেওয়া এবং ভিডিও করতে না দেওয়ার প্রস্তাব করেন। শীর্ষস্থানীয় একজন কর্মকর্তা সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের পরিচয়পত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট যাচাই-বাছাই করার পরামর্শ দেন। তিনি যুক্তি দেখান, অনেক নামমাত্র পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক নিজস্ব এজেন্ডা নিয়ে কাজ করেন। এ ছাড়া নির্বাচনের সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করার প্রস্তাবও গুরুত্ব পায় বৈঠকে।

    এসব প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে একজন নির্বাচন কমিশনার বৈঠকে বলেন, পর্যবেক্ষকদের জন্য নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা আছে। সাংবাদিকদের জন্যও পরিচয়পত্রে নির্দেশনা দেওয়া থাকে তাঁরা কী করতে পারবেন আর কী করতে পারবেন না। সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেওয়া যাবে না। তবে ভোটকেন্দ্রের ভেতর থেকে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো যাতে সরাসরি সম্প্রচার না করে, সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করার সামর্থ্য কমিশনের নেই।

  • ইসির কাছে লঞ্চে ওঠার নিরাপত্তা চাইলেন বিএনপির হাফিজ

    ইসির কাছে লঞ্চে ওঠার নিরাপত্তা চাইলেন বিএনপির হাফিজ

    ভোলা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ নির্বাচন কমিশনের কাছে লঞ্চে ওঠার নিরাপত্তা চেয়েছেন। গতকাল তিনি নিরাপত্তাহীনতার মুখে জীবন নিয়ে সদরঘাট থেকে ফিরে এসেছেন বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, আজ তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে থাকতে পারতেন।

    আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া পাঁচটার দিকে হাফিজ উদ্দিন নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে গিয়ে কমিশনার শাহাদত হোসেন চৌধুরীর কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। এরপর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

    বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, গতকাল বুধবার তাসরিফ-৪ নামের লঞ্চে করে তাঁর নির্বাচনী এলাকা ভোলার লালমোহনে যাওয়ার কথা ছিল। সাড়ে ছয়টার দিকে তিনি সদরঘাটে যান। গিয়ে জানতে পারেন, ছাত্রলীগ–যুবলীগ লঞ্চের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। তারা লঞ্চটিকে মাঝনদীতে নিয়ে যায় এবং ৪০টি কেবিন ভাঙচুর করে। তাঁর কর্মীদের মারধর করে। তিনি জীবন নিয়ে ফিরে আসেন। ছয়বারের এমপি তিনি, জীবনে কখনো হারেননি উল্লেখ করে তিনি ইসির কাছে লঞ্চে ওঠার নিরাপত্তা দাবি করেন।

    হাফিজ উদ্দিন বলেন, লঞ্চে উঠতে পারলে তিনি এলাকায় যেত পারবেন। এলাকায় যেতে পারলে ইসির নিরাপত্তা লাগবে না। এলাকাবাসীই তাঁর নিরাপত্তা দেবে। তিনি জনগণের জানমালের নিরাপত্তার জন্য এখনই সেনা মোতায়েনের দাবি জানান।

  • বিএনপির জন্য কি পাহাড় কেটে সমান করে দেব আমরা: ফারুক শামীম

    বিএনপির জন্য কি পাহাড় কেটে সমান করে দেব আমরা: ফারুক শামীম

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বরিশালে চলছে প্রার্থীদের প্রচারণা। জেলার ৬টি আসনে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা এ প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।

    প্রচারণা শুরুর পর থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা নির্বিঘ্নে প্রচারণা চালালেও গ্রেফতার আতঙ্ক ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের হামলার ভয়ে প্রথম তিনদিন মাঠে নামতে পারেনি বিএনপি প্রার্থী ও নেতাকর্মীরা। ফলে নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ করতে দেখা যায়নি তাদের।

    তবে প্রচারণার চতুর্থ দিন বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা প্রচারণা নেমেছেন। বাড়ি বাড়ি, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে ঘুরেছেন তারা। ভোট চেয়ে করা হচ্ছে মাইকিং। প্রার্থীদের পক্ষ থেকে এলকাবাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে মিছিল করছেন তাদের সমর্থকরা। সবমিলিয়ে নির্বাচনী হওয়া বইছে জেলার ৬টি আসনে।

    barishal-Election-2

    বরিশাল সদর আসনে বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগসহ লিফলেট বিতরণ করেছেন।

    তবে প্রচারণায় নেমে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে অসন্তোষের কথা জানিয়েছেন মজিবর রহমান। বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর সদর রোডের আগরপুর রোডে গণসংযোগসহ লিফলেট বিতরণকালে সরোয়ার গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বেগম জিয়ার মুক্তি এবং বরিশালের উন্নয়নের জন্য ধানের শীষে ভোট চান।

    সরোয়ার বলেন, আমাদের ৭ দফা দাবির অন্যতম ছিল লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড। কিন্তু কোথাও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। প্রশাসনসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্তৃত্ব প্রধান নির্বাচন কমিশনের কাছে অর্পণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই। পরে তিনি বরিশাল প্রেস ক্লাবে সদর আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।

    barishal-Election-1

    এদিকে, একই আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম দিনভর নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেছেন। সকাল ১০টার দিকে নগরীর নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে গণসংযোগসহ নৌকা প্রতীকের পক্ষে লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় তিনি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারও নৌকা প্রতীকে ভোট চান।

    পরে তিনি নগরীর কাশীপুরে নব আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এবং চড়বাড়িয়া ইউনিয়নের তালতলী বাজারে উঠান বৈঠক করেন।

    এ সময় জাহিদ ফারুক শামীম বলেন, যেখানেই যাচ্ছি জনগণ আমাদের সাদরে গ্রহণ করছেন। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে জনগণ আবারও নৌকায় ভোট দেবে।

    প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাহিদ ফারুক শামীম বলেন, বিএনপি প্রার্থী কোনো বাধা ছাড়াই নির্বিঘ্নে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাকে আওয়ামী লীগের কেউ বাধা দিচ্ছেন না। বিএনপি প্রার্থীর জন্য কি পাহাড় কেটে সমান করে দেব আমরা? তা না হলে এত অভিযোগ কেন?। আমরাও প্রচারণা চালাচ্ছি, তারাও চালাচ্ছেন, আমরা তো কোনো অভিযোগ করছি না।

  • বিএনপি তৈরি করেছে জঙ্গিবাদ আর সন্ত্রাস: শেখ হাসিনা

    বিএনপি তৈরি করেছে জঙ্গিবাদ আর সন্ত্রাস: শেখ হাসিনা

    আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির সময়ে দেশে কোনো উন্নয়ন হয়নি। তারা তৈরি করেছে জঙ্গিবাদ আর সন্ত্রাস। তাদের সময়ে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দেশ। আর আওয়ামী লীগের সময়ে দেশে শিক্ষা-স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রে উন্নয়ন হচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মানিকগঞ্জ বাসটার্মিনালে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত পথসভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. গোলাম মহীউদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. আব্দুস সালামসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা পথসভায় উপস্থিত ছিলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, দেশের মানুষ আজ মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে। উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। কাজেই দেশের উন্নয়নের কথা চিন্তা করে, সাধারণ মানুষের উন্নয়নের কথা চিন্তা করে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

  • ঢাকা-১ আসনে ধানের শীষ প্রার্থী আবু আশফাক গ্রেফতার

    ঢাকা-১ আসনে ধানের শীষ প্রার্থী আবু আশফাক গ্রেফতার

    নির্বাচনী গণসংযোগের সময় ঢাকা-১ আসনের (দোহার-নবাবগঞ্জ) বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাককে আটক করেছে পুলিশ। আজ বুধবার বিকেল পাঁচটার দিকে তাঁকে আটক করে দোহার থানা- পুলিশ। তবে পুলিশের বক্তব্য, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁকে থানায় নেওয়া হয়েছে।

    বিএনপির নেতা-কর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা দুইটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত দোহারের বাঁশতলা মোড় থেকে করম আলী মোড় হয়ে জয়পাড়া পর্যন্ত তাদের প্রার্থীর নির্বাচনী গণসংযোগ ছিল। কিন্তু বিকেল পাঁচটার দিকে এই প্রচারণা থেকে পুলিশ তাঁকে আটক করে নিয়ে যায়।

    আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে ঝামেলা হওয়ার আশঙ্কা ছিল বলে প্রার্থীর নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁকে থানায় নেওয়া হয়েছে।’ তবে খন্দকার আবু আশফাককে ছেড়ে দেওয়া হবে কি না, এমন প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি ওসি।

    নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার কালাম বলেন, ‘আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিয়েছে এবং অন্যায়ভাবে আমাদের নেতাকে তুলে নিয়েছে।

    দোহার উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিন অভিযোগ করেন, ‘সরকার দলীয় প্রার্থী দিন–রাত প্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু তাদের কোন ধরনের বাধা দেওয়া হচ্ছে না। আর আমরা মাঠেই নামতে পারছি না।’ তিনি দাবি করেন, পুলিশ বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হয়রানি করছে।

  • আরেকবার সুযোগ চাইলেন শেখ হাসিনা

    আরেকবার সুযোগ চাইলেন শেখ হাসিনা

    বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে পিতা-মাতা, ভাই হারা আমি। আপনারা দায়িত্ব নিয়েছেন আর প্রতিবার সেই দায়িত্ব আপনারা পালন করেন। আপনারাই ভোট দেন, আপনারাই নির্বাচিত করেন। আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আমি সরকার প্রধান হয়ে দেশের সেবা করার সুযোগ পাই।

    জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আপনারা যে দায়িত্ব পালন করছেন তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এখনো আমি আপনাদের কাছে সেই দায়িত্ব দিয়ে যাচ্ছি। আমার আপনজন বলতে আছে একটা ছোট বোন আর আছেন আপনারা। আপনারাই আজকে আমার আপন জন হয়ে সেই নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে আরেকটি বার দেশ সেবার সুযোগ করে দিবেন। আপনাদের কাছে সেটাই চাই।

    বুধবার বিকালে গোপলগঞ্জের কোটালীপাড়ায় নির্বাচনী প্রচারণা উপলক্ষে আয়োজিত জনসভা এসব কথা বলেন তিনি। আর এই জনসভার মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলো আওয়ামী লীগ।

    শেখ হাসিনা বলেন, বাংলার মানুষের ভাগ্যন্নোয়নে প্রতিজ্ঞা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। সারাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিক গড়ে তুলেছি। প্রতিটি উপজেলায় একটি স্কুল-কলেজ সরকারিকরণ করা হয়েছে। বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গীপাড়া) আসন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করছেন শেখ হাসিনা। এখান থেকে বেশ কয়েকবার প্রতিনিধিত্বও করেছেন তিনি।

    এর আগে সকালে ঢাকা থেকে সড়ক পথে টঙ্গীপাড়ায় যান বঙ্গবন্ধু কন্যা। সেখানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান এবং দোয়ায় অংশ নেন শেখ হাসিনা। ফেরার পথে বেশ কয়েকটি নির্বাচনী পথসভায় অংশ নেবেন তিনি।

  • ভাষণ দিয়ে লাভ নেই, অ্যাকশনে যেতে হবে: কাদের

    ভাষণ দিয়ে লাভ নেই, অ্যাকশনে যেতে হবে: কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নিজ দলের কর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন, এখন আর ভাষণ দিয়ে লাভ নেই, অ্যাকশনে যেতে হবে। অনেক কাজ, অনেক ক্যাম্পেইন করতে হবে।

    আজ বুধবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভা হয়। সভা শুরু হওয়ার আগে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

    গণমাধ্যমকে নিরপেক্ষে ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, গণমাধ্যমের একটি অংশ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেইন করছে। মনে হচ্ছে, তারাই ঐক্যফ্রন্ট। এগুলো করে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। এমন করলে গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হবে।

    ওবায়দুল কাদের দাবি করেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী প্রচারের সময় গতকাল আওয়ামী লীগের দুই নেতা-কর্মীকে হত্যা করেছে বিএনপি। এর প্রমাণ আছে। তিনি বলেন, সহিংসতা কারা করছে? দুজন কালকে মারা গেছে, একজন নোয়াখালীতে, আরেকজন ফরিদপুরে।

    বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলামের উদ্দেশে মন্ত্রী কাদের বলেন, ফখরুল সাহেব, সহিংসতার কথা বলছেন, নাশকতার কথা বলছেন, সরকারি দলের নিপীড়নের কথা বলছেন—এই নিপীড়ন কারা করছে? গতকাল দুটি খুন হয়েছে, দুটি খুনেই বিএনপি আওয়ামী লীগের কর্মীদের হত্যা করছে। এটার প্রমাণ আছে, এটা কোনো সাজানো, বানানো কথা নয়।

    নেতিবাচক রাজনীতির জন্য বিএনপি দিনে দিনে সংকুচিত হচ্ছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, পল্টনে সহিংসতা দিয়ে নির্বাচনে সহিংসতা শুরু করেছে বিএনপি। পল্টনের যে তাণ্ডব, সেই তাণ্ডব এখন বিএনপি চালাচ্ছে। বিএনপি আবারও প্রমাণ করল তারা সন্ত্রাসী দল।

    মওদুদ আহমদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মওদুদ কিন্তু জমাতে পারছেন না। বিএনপির ভাঙা হাট কোথাও জমছে না। অথচ তাঁরা বলছেন গণজোয়ার। আমি বলছি এটাকে গণভাটা। বিএনপির এখন গণভাটা চলছে।’

    দলের নির্বাচন পরিচালনার কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমামের সভাপতিত্বে সভায় দলের প্রচার উপকমিটির আহ্বায়ক হাছান মাহমুদসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ময়মনসিংহ-৭; মাদানীকে সমর্থন দিলেন রওশন এরশাদ

    ময়মনসিংহ-৭; মাদানীকে সমর্থন দিলেন রওশন এরশাদ

    ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রুহুল আমীন মাদানীকে সমর্থন দিয়ে ভোটের মাঠ থেকে সড়ে দাঁড়ালেন বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম রওশন এরশাদ।

    বুধবার বিকেলে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাসের কাছে দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এমন খবরে ওই নির্বাচনী এলকায় আওয়ামী নেতা-কর্মীদের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে।

    জানা যায়, গত ২৫ নভেম্বর আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন পান হাফেজ মাওলানা রুহুল আমীন মাদানী। কিন্তু বেগম রওশন এরশাদ ময়মনসিংহ-৪ (সদর) থেকে মহাজোটের একক প্রার্থী থাকার পরও ত্রিশাল থেকে মনোনয়ন কিনেছিলেন। আর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনেও তিনি ত্রিশাল থেকে প্রত্যাহার করেননি।
    জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস জানান, রওশন এরশাদ আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, মহাজোটের চূড়ান্ত প্রার্থী হাফেজ মাওলানা রুহুল আমীন মাদানীকে সমর্থন দেবার কথা। তবে ওই নির্বাচনী আসনে লাঙ্গল মার্কা থেকেই যাবে।

  • মোরেলগঞ্জে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে ওলামা মাশায়েখদের সমর্থন

    মোরেলগঞ্জে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে ওলামা মাশায়েখদের সমর্থন

    বাগেরহাটের-৪, মোরেলগঞ্জ শরণখোলা আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডা. মোজাম্মেল হোসেনকে সমর্থন জানিয়েছেন স্থানীয় ওলামা মাশায়েখরা।

    বুধবার বিকেল ৫টায় কাপুড়িয়াপট্টিতে ওলামা মাশায়েখ ও পেশাজীবীদের এক সভায় নেতৃবৃন্দ তাদের সমর্থনের কথা জানান। ডা. মোজাম্মেল হোসেন এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন।

    আওয়ামী লীগের উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান জনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আ. লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাড. আমিরুল আলম মিলন, আ. লীগ নেতা অ্যাড. শাহ্-ই-আলম বাচ্চু, আব্দুর রহিম খান, লিয়াকত আলী খান, শফিকুর রহমান লাল, অধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন তালুকদার ও এম এমদাদুল হক।

    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ মাওলানা আবু বকর মো. আব্দুল্লাহ্, অধ্যক্ষ ড. রুহুল আমীন, ঈমাম মতিউর রহমান, রফিকুল ইসলাম, মাওলানা ফখরুল ইসলাম, চেয়ারম্যান মাহমুদ আলী, এনামুল হক রিপন, যুবলীগ আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক মোজাম ও মাওলানা আব্দুস সালাম।

    ঈমাম ও ওলামা নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যাবস্থার আরো উন্নয়নের স্বার্থে কওমী জননী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করা জরুরি। তাই আসছে জাতীয় নির্বাচনে আমরা সকলে আবারও নৌকায় ভোট দেব’।

  • শামীম ওসমানের প্রতিদ্বন্দ্বী কাসেমীকে চেনেন না ৯৮ শতাংশ ভোটার

    শামীম ওসমানের প্রতিদ্বন্দ্বী কাসেমীকে চেনেন না ৯৮ শতাংশ ভোটার

    প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। প্রতিদ্বন্দ্বী মুফতি মনির হোসেন কাসেমী। নাম শুনে চমকে ওঠেন ভোটার তথা জেলার রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা। কাসেমী! কে এই কাসেমী? কেউ তাকে চিনতে পারছেন না। কোথা থেকে এলেন তিনি। আর লড়বেন কিনা শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে। বড় বড় হেভিওয়েট নেতা শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে নির্বাচন করা নিয়ে নানা চিন্তা-ফিকির করেন। কিন্তু কাসেমী কী করবেন। স্থানীয়দের মতে, প্রার্থী কাসেমীকে সংসদীয় এলাকার ৯৮ শতাংশ মানুষ চেনেনই না।

    উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামীম ওসমানের বিপরীতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি মনির হোসেন কাসেমীকে। এ নিয়ে পুরো সংসদীয় এলাকায় চলছে ব্যাপক আলোচনা।

    আলোচনা শামীম ওসমানকে নিয়ে নয়, হচ্ছে কাসেমীকে নিয়ে। ইতিমধ্যে জমিয়তের প্রার্থী কাসেমী হুঙ্কারও দিয়েছেন সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন।

    নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের কাছে অপরিচিত প্রার্থী কাসেমী বলেন, আমি আগন্তুক নই। আমি এই মাটির মানুষ, আমার বাড়ি এইখানে, আমার সাত পুরুষ এইখানে বাস করে। আমি একজন আলেম, আলেম হিসেবে সব আলেম- ওলামার সঙ্গে সব সময় ভালো সম্পর্ক ছিল। বিগত প্রায় ৮ বছর ধরে আমি নারায়ণগঞ্জে কাজ করে যাচ্ছি আমাদের পরিসরে আলেম-ওলামার সঙ্গে, বিভিন্ন নেতার সঙ্গে; ২০-দলীয় জোটের সঙ্গে বিশেষ করে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে এবং ওঠা-বসা আছে।