Category: রাজণীতি

  • কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তায় ‘গ্রাম হবে শহর’

    কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তায় ‘গ্রাম হবে শহর’

    বাংলাদেশকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ডেল্টা প্ল্যান বা বদ্বীপ পরিকল্পনা প্রাধান্য পাচ্ছে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে। একই সঙ্গে বিপুলসংখ্যক তরুণ ভোটারকে আকৃষ্ট করার জন্য তাদের কর্মসংস্থান এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার থাকছে।

    খসড়া ইশতেহারে কয়েকটি স্লোগান প্রস্তাব করা হয়েছে, যার মধ্যে আছে ‘সমৃৃদ্ধ বাংলাদেশ’ ও ‘গ্রাম হবে শহর’। এ খসড়াটি খতিয়ে দেখছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। খসড়া ইশতেহারের কিছু অংশ দেখে সংযোজন-বিয়োজনের জন্য তিনি ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির কাছে ফেরত পাঠিয়েছেন। একটি স্লোগান নির্ধারণ করার পাশাপাশি খসড়ার বাকি অংশ চূড়ান্ত করে তিনি তা কমিটির কাছে ফেরত দেবেন।

    আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের পর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনী ইশতেহার ২০১৮। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

    ওই সদস্যরা জানান, তাঁদের নির্বাচনী ইশতেহারে ডেল্টা প্ল্যান ২১০০, ব্লু-ইকোনমি, সারা দেশের গ্রামগুলোকে শহরে পরিণত করার অঙ্গীকার থাকছে। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হবে শতভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুত্ সুবিধা পৌঁছানোর। গ্রামগুলোয় শহরের মতো নাগরিক সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার থাকছে। এ ছাড়া দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ, বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইট উেক্ষপণসহ ২১০০ সাল পর্যন্ত ৮১ বছরের ডেল্টা পরিকল্পনা, শুকনো মৌসুমে পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নদীর পানির প্রবাহ ঠিক রাখা, দেশের বিভিন্ন স্থানে জেগে ওঠা নতুন চরগুলোকে কাজে লাগানো, নদীভাঙন ঠেকানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা থাকছে নির্বাচনী ইশতেহারে।

    আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার তৈরির কাজ একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আমরা একটি সমৃদ্ধ দেশ গঠনের পথে এগিয়ে যাচ্ছি। বিগত নির্বাচনে আমাদের যে ইশতেহার ছিল তার আলোকে আমরা মধ্যম আয়ের দেশ গঠনের কাজে সফল হয়েছি। এবারের ইশতেহারে উন্নত দেশ গঠনের কাজ বেগবান করার নানা ঘোষণা থাকবে।’

    আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন বলেন, ‘ইশতেহারের খসড়া নেত্রীর (শেখ হাসিনা) কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। গত ১০ বছরের ব্যাপক উন্নয়নের ফিরিস্তি দিতে গিয়ে এই ইশতেহারের কলেবর বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি দেখে নেত্রী এর দালিলিক মূল্যের প্রশংসা করে বলেছেন, আওয়ামী লীগের জন্য এটা একটা সুন্দর দলিল। তবে মানুষের দৃষ্টিগোচর ও আরো আকর্ষণীয় করতে এর কলেবর ছোট করার জন্য তিনি পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি ইশতেহারের পুঙ্খানুপুঙ্খ দেখছেন এবং তাঁর পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন। নেত্রীর উপদেশ মতো কমিটি ইশতেহারের কলেবর একটু ছোট করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য তাঁর কাছে উপস্থাপন করবে।’

    জানা গেছে, ইশতেহারে তরুণদের ক্ষমতায়ন, নতুন ভোটারদের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থানের অগ্রাধিকার, ঘোষিত ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি থাকবে। পররাষ্ট্র নীতিতে নতুন কৌশল, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর আশ্বাস, নারীবান্ধব কর্মসূচি, বয়স্ক পুনর্বাসন ও বিশ্বব্যাপী ব্যবসা সম্প্রসারণ নীতি, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণের রোডম্যাপ স্থান পাবে ইশতেহারে। এ ছাড়া এতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী ব্যাপকভাবে উদ্যাপন করার ঘোষণা থাকবে।

    সংশ্লিষ্ট নেতারা জানান, উৎপাদনমুখী ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকার মান উন্নয়ন, পুষ্টিকর নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা, গ্রামাঞ্চলের অর্থনীতির উন্নয়ন, চরাঞ্চলের মানুষ ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি, গুণগত শিক্ষা এবং রাজস্ব খাত থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে শহরাঞ্চলের মতো গ্রামীণ এলাকায়ও পরিকল্পিত ঘরবাড়ি নির্মাণ, গ্যাস, বিদ্যুত্, পানি সরবরাহ, স্বাস্থ্যসম্মত পয়োনিষ্কাশন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার থাকছে ইশতেহারে। এর প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে জিডিপির প্রবৃদ্ধি দুই ডিজিটে উন্নীত করা। এতে দারিদ্র্য হার কমানো, সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠনের পরিকল্পনা, পুলিশ বাহিনীকে আধুনিক-জনবান্ধব করার প্রতিশ্রুতি থাকবে। দেশ পরিচালনার সঙ্গে তরুণদের কিভাবে সম্পৃক্ত করা যায় সেটি তুলে ধরা হবে ইশতেহারের মাধ্যমে। ব্যাংকিং খাতে দুর্নীতি রোধে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থার উল্লেখ থাকবে এতে।

    দলের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে আওয়ামী লীগ। তাই দলের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রাধান্য পাচ্ছে ৮১ বছর মেয়াদি বদ্বীপ পরিকল্পনা। গত ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে পাস হওয়া বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যানে যেসব পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, সেখান থেকে দলিলের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো স্থান পাচ্ছে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে।

    ইশতেহার প্রণয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত একাধিক ব্যক্তি জানান, স্বাধীন বাংলাদেশের ৪৭ বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো সরকার জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেনি। এবার আওয়ামী লীগ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতে যেকোনো নীতি-পরিকল্পনা প্রণয়নের সময় ডেল্টা প্ল্যানকে ভিত্তি হিসেবে ধরা হবে।

    ইউনেসকো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের স্থান সুন্দরবনকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ডেল্টা প্ল্যানে। সোয়া ছয় হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত সুন্দরবন অঞ্চলে ঘসিয়াখালী চ্যানেলসহ অন্যান্য চ্যানেলে নিয়মিত ড্রেজিং করার পাশাপাশি সুন্দরবন রক্ষায় নানামুখী পদক্ষেপের কথা বলা আছে বদ্বীপ পরিকল্পনায়। নির্বাচনী ইশতেহারেও সুন্দরবন রক্ষায় পরিকল্পনার কথা থাকছে।

    জানা যায়, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ৫৭টি অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা সম্পর্কে পরিকল্পনার কথা থাকছে। নকশা পরিবর্তন করে কিভাবে গঙ্গা ব্যারাজ নির্মাণ করা যায়, সে বিষয়েও অঙ্গীকার থাকার কথা রয়েছে। আওয়ামী লীগের একাধিক নীতিনির্ধারক বলেন, বদ্বীপ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হলে ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপির প্রবৃদ্ধি দেড় শতাংশ বাড়বে।

    পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য ড. শামসুল আলম বলেন, সারা বিশ্ব জানে বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ। বদ্বীপ পরিকল্পনা এক বছরের জন্য নয়, পাঁচ বছরের জন্যও নয়। এই পরিকল্পনাটি শতাব্দীর জন্য করা হয়েছে। পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে পরিকল্পনাটি করা হয়েছে। আগামী দিনের নীতি পরিকল্পনার ভিত্তি হবে এই বদ্বীপ পরিকল্পনা। তিনি বলেন, ডেল্টা প্ল্যানের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর তথ্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তার কাছে চাওয়া হয়েছিল। নদী ভাঙন রোধ, শুকনো মৌসুমে পানির নিশ্চয়তা, নতুন চর কাজে লাগানো, অভিন্ন নদীর পানির হিস্যা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন দিক থাকছে দলটির নির্বাচনী ইশতেহারে।

    পানি বিশেষজ্ঞ ইনামুল হক বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে যদি বদ্বীপ পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ কিছু দলিল সংযোজন করা হয়, তা নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ। কারণ বদ্বীপ পরিকল্পনা শুধু নদী-নালা, খাল-বিল নিয়ে নয়, এটি পুরো বাংলাদেশ ঘিরে পরিকল্পনা। তবে এত সুন্দর পরিকল্পনাকে শুধু কাগজের মধ্যে দেখতে চাই না। এর বাস্তবায়ন দেখতে চাই।’

    ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক আইনুন নিশাত বলেন, বাংলাদেশে এর আগে কখনো এত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছিল না। সে ক্ষেত্রে বদ্বীপ পরিকল্পনা একটি ভালো উদ্যোগ। তিনি বলেন, পরিকল্পনায় অনেক কিছু লেখা যায়। বাংলাদেশে এর আগে অনেক বিষয়ে পরিকল্পনা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবায়ন দেখা যায়নি। কারণ বাস্তবায়ন খুবই কঠিন কাজ।

    জানা গেছে, গত মাসে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার এক বৈঠক শেষে অনির্ধারিত আলোচনায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে ইশতেহারের বিষয়ে কিছু দিকনির্দেশনা দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে নির্বাচনী ইশতেহারে। প্রধানমন্ত্রী সারা দেশ থেকে নির্বাচিত কিছু তরুণের সঙ্গে ‘লেটস টক’ নামে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে তাদের ভাবনার কথা শুনেছেন। সেসব ভাবনার বেশ কিছু অংশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ইশতেহারে।

    জানা গেছে, নির্বাচনী ইশতেহারে বেশ কয়েকটি স্লোগান প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগ সভাপতি এখনো কোনো স্লোগানই চূড়ান্ত করেননি। প্রতিটি গ্রামকে শহরে পরিণত করার ঘোষণা, উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয়, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে স্লোগানগুলো প্রস্তাব করা হয়েছে। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের স্লোগান ছিল ‘দিন বদলের সনদ’। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচন উপলক্ষে ঘোষিত ইশতেহারের শিরোনাম ছিল ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’।

  • বরিশাল-২ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীতা ফিরে পেলেন নায়ক সোহেল রানা

    বরিশাল-২ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীতা ফিরে পেলেন নায়ক সোহেল রানা

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিনে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন বরিশাল-২ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী চিত্রনায়ক মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।

    জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানরীপাড়া) আসনের প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু ৪১৪৭ টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে রিটার্নিং কর্মকর্তা।

    বকেয়া থাকা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছিলেন সোহেল রানা। শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন তা মঞ্জুর করায় আশির দশকের জনপ্রিয় এই চিত্রনায়ক প্রার্থিতা ফিরে পান।

    শুনানি শেষে সোহেল রানা সাংবাদিকদের বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তা আইন মেনেই আমার মনোনয়ন বাতিল করেছিল। কেননা আমার বিলের কিছু টাকা বাকি ছিল। সেটি আমি পরিশোধ করে দিয়েছি। আদালতের ওপর শ্রদ্ধা আছে বলেই আমি আবেদন করেছি এবং প্রার্থীতা ফিরে পেলাম।

  • আওয়ামী লীগের প্রার্থী হওয়ায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে স্পিকারের পুষ্পার্ঘ্য

    আওয়ামী লীগের প্রার্থী হওয়ায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে স্পিকারের পুষ্পার্ঘ্য

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে  রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

    আজ শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে নিজের নির্বাচনী এলাকার নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন তিনি। এ সময় স্পিকারসহ উপস্থিত নেতৃবৃন্দ কিছুক্ষণ নীরবতা পালনের মাধ্যমে জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, রংপুর-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী গত ২৭ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নিজের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি মনোনয়নপত্র জমা দেন। বৃহস্পতিবার গণভবনে পীরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, দলীয় ইউপি চেয়ারম্যানরা, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, ১৫টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা আওয়ামী লীগ এবং ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি-সম্পাদককে নিয়ে বৈঠক করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    ওই বৈঠকেই তিনি স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ওই আসনে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করেন। শুক্রবার দুপুরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্পিকারের বাসায় গিয়ে তাঁকে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠিটি হস্তান্তর করেন।

    রংপুরের পীরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শ্বশুরবাড়ি ও তাঁর নির্বাচনী আসন। ১৯৯৬ সাল থেকেই তিনি ওই আসনে প্রার্থী হয়ে আসছেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি ওই আসনে নির্বাচিত হওয়ার পর আসনটি ছেড়ে দিলে উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হন শিরীন শারমিন। পরে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

  • গণভবনে অবসরপ্রাপ্ত ৩২১ বেসামরিক কর্মকর্তা, শেখ হাসিনার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ

    গণভবনে অবসরপ্রাপ্ত ৩২১ বেসামরিক কর্মকর্তা, শেখ হাসিনার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ

    আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ৩২১ জন বেসামরিক কর্মকর্তা।

    আজ শুক্রবার সন্ধ্যার পর প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে তাঁরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করবেন।

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা আজ শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির প্রতি সমর্থন জানাতে অবসরপ্রাপ্ত ৩২১ জন বেসামরিক কর্মকর্তা শেখ হাসিনার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করবেন।

    অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে সাবেক মুখ্য সচিব, জ্যেষ্ঠ সচিব, সচিব ও বিভিন্ন কমিশনের চেয়ারম্যান-সদস্য আছেন ৬৫ জন। এ ছাড়া ৯ জন সাবেক রাষ্ট্রদূত, সাবেক অতিরিক্ত ও যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার ৭৫ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারের ১৪ জন, শিক্ষা ক্যাডারের ১৫ জন, ২৭ জন প্রকৌশলী, ১১ জন বন ও ডাক বিভাগের, ১৪ জন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা, কর ও তথ্য বিভাগের ১৩ জন, টেলিকম, শুল্ক, অডিট, রেল ও খাদ্য বিভাগের ১১ জন এবং কৃষি বিভাগের সাবেক ঊর্ধ্বতন ৬৭ জন কর্মকর্তা রয়েছেন।

    এর আগে গত ২৭ নভেম্বর ১৪৭ জন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাঁরা বর্তমান সরকারের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন।

  • জয়ী হতে পারে এমন প্রার্থীকেই মনোনয়ন দিয়েছি: কাদের

    জয়ী হতে পারে এমন প্রার্থীকেই মনোনয়ন দিয়েছি: কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হতে পারে এমন প্রার্থীদেরকেই আমরা মনোনয়ন দিয়েছি।

    শুক্রবার মহাজোটের শরীক দলগুলোর মধ্যে আসন বণ্টন উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি। আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা মনোনয়ন দেওয়া সমাপ্ত করেছি, যারা পেয়েছে তাদেরকে চিঠি দেয়া হয়েছে। ১৭টি আসনে ডাবল প্রার্থী ছিল, আমরা সিঙ্গেল করে নিয়ে এসেছি।

    তিনি বলেন, বেশিরভাগ একক প্রার্থীকেই চিঠি দিয়ে দেয়া হয়েছে। যারা এখনও বাকি আছেন, তারা জাহাঙ্গীর কবির নানক সাহেবের কাছে থেকে চিঠি নিয়ে যাবেন।

    মন্ত্রী বলেন, বিকল্পধারাকে ৩টি আসন দেওয়া হয়েছে। শরিকদের যদি কেউ আরও আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায়, তারা নিজেদের প্রতীকে করতে পারবেন। আমরা শুধু নৌকা প্রতীকের কয়েকটা আসন দিলাম।

    সবারই আকাঙ্ক্ষা বেশি পেতে চায়, তবে আমরা এর বেশি দিতে পারছি না। আশা করি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হবে, যোগ করেন ওবায়দুল কাদের।

    পূর্ণাঙ্গ তালিকা নির্বাচন কমিশনে আগামীকাল পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

    তিনি আরও বলেন, নৌকা দিয়েছি ওয়ার্কার্স পার্টিকে ৫টি, জাসদ ৩টি, তরিকত ফেডারেশন ২টি, জাসদ (আম্বিয়া) ১টি, বিকল্পধারা ৩টি এবং জেপি মঞ্জু ২টি। সব মিলিয়ে শরিকদের ৫৫-৬০টি আসন দিয়েছি। জাতীয় পার্টি ৪০-৪২টি আসন পাবে। তারা যেকোন প্রতীক নিয়েই নির্বাচন করতে পারে। ২৪০ জন মোটামুটি আওয়ামী লীগের চূাড়ান্ত প্রার্থী, দুই একজন এদিক ওদিক হতে পারে। জয়ী হতে পারে এমন প্রার্থীকেই আমরা মনোনয়ন দিয়েছি।

    আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে থেকে বেরিয়ে জাসদ সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার বলেন, আমরা নৌকা মার্কায় তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো। এছাড়া আমাদের জাসদের দলীয় প্রতীকে ৩৯ জন প্রার্থী দেওয়া হয়েছে।

    তবে বিকল্পধারা মহাসচিব মেজর (অব.) আব্দুল মান্নান কার্যালয় থেকে বেরিয়ে কোনও কথা বলেননি।

  • বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যারা

    বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যারা

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০৬ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করছে বিএনপি।

    শুক্রবার বিকেলে বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    যারা বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন, তারা হলেন:-

    ঢাকা-২ ইরফান ইবনে আমান, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৪ সালাহউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস, ঢাকা-১০ আব্দুল মান্নান, ঢাকা-১২ সাইফুল আলম নিরব, ঢাকা-১৩ আব্দুস সালাম, ঢাকা-১৯ দেওয়ান মো. সালাহউদ্দিন, ঢাকা-২০ তমিজউদ্দিন, গাজীপুর-১ চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী, ফরিদপুর-২ শামা ওবায়েদ, ফরিদপুর-৩ চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, টাঙ্গাইল-২ সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইল-৫ মাহমুদুল হাসান, টাঙ্গাইল-৬ গৌতম চক্রবর্তী, ময়মনসিংহ-১১ ফখরুদ্দিন আহমেদ বাচ্চু, নেত্রকোণা-১ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

    চট্টগ্রাম-৪ ইসহাক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৬ জসিমউদ্দিন শিকদার, চট্টগ্রাম-৭ কুতুবউদ্দিন বাহার, চট্টগ্রাম-৯ ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১০ আব্দুল্লাহ আল নোমান, চট্টগ্রাম-১১ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৩ সরওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৬ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, কক্সবাজার-১ হাসিনা আহমেদ, কক্সবাজার-২ আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজার-৩ লুৎফর রহমান কাজল, কক্সবাজার-৪ শাহাজাহান চৌধুরী; খাগড়াছড়িতে শহীদুল ইসলাম ভুইয়া, রাঙ্গামাটিতে মনি স্বপন দেওয়ান, বান্দরবানতে সাচিং প্রু জেরি।

    ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিরাজগঞ্জ-১ কনকচাঁপা, মাগুরা-২ নিতাই রায় চৌধুরী, খুলনা-৪ আজিজুল বারী হেলাল, পটুয়াখালি-৩ গোলাম মাওলা রনি, ভোলা- ৩ মেজর (অব) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভোলা-৪ নাজিমউদ্দিন আলম, নরসিংদী-২ ড. আব্দুল মঈন খান, নোয়াখালী-১ মাহবুবউদ্দিন খোকন।

    ঠাকুরগাঁও-৩ জাহিদুর রহমান, দিনাজপুর-২ সাদিক রিয়াজ, দিনাজপুর-৪ আখতারুজ্জামান ভূইয়া, নীলফামারি-১ রফিকুল ইসলাম, লালমনিরহাট-১ হাসান রাজিব, লালমনিরহাট-৩ আসাদুল হাবিব দুলু।

    রংপুর-২ মোহাম্মদ আলী সরকার, রংপুর-৩ রিটা রহমান, রংপুর-৪ মো. এমদাদুল হক, রংপুর-৬ মো. সাইফুল ইসলাম, বগুড়া-১ কাজী রফিকুল ইসলাম, চাপাইনবাবগঞ্জ-১ শাহজাহান মিয়া।

    নোয়াখালী-২ জয়নুল আবদিন ফারুক, নোয়াখালী-৩ বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৪ মো: শাজাহান, নোয়াখালী-৫ মওদুদ আহমদ, নাটোর-২ সাবিনা ইয়াসমিন, নাটোর-৪ আব্দুল আজিজ, কিশোরগঞ্জ-৫ মজিবর রহমান ইকবাল, সিরাজগঞ্জ-৩ আব্দুল মান্নান তালুকদার, পাবনা-৩ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম, পাবনা-৪ হাবিবুর রহমান হাবিব।

    পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার মো. নওশাদ জামিল, পঞ্চগড়-২ ফরহাদ হোসেন আজাদ, দিনাজপুর-২ মোহাম্মদ সাদি, দিনাজপুর-৪ মো. আখতারুজ্জামান মিঞা, দিনাজপুর-৫ আলহাজ্ব এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, নীলফামারি-১ রফিকুল ইসলাম, লালমনিরহাট-১ মো. হাসান রাজীব প্রধান, লালমনিরহাট-২ মো. রোকন উদ্দিন বাবুল, লালমনিরহাট-৩ আসাদুল হাবিব দুলু, কুড়িগ্রাম-১ সাইফুর রহমান রানা, কুড়িগ্রাম-৩ তাসভীর উল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪ মো. আজিজুর রহমান, গাইবান্ধা-৪ ফারুক আহমেদ, গাইবান্ধা-৫ ফারুক আলম সরকার।

    জয়পুরহাট-১ ফজলুর রহমান, জয়পুরহাট-২ আবু ইউসুফ মো. খলিলুর রহমান, বগুড়া-১ কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৪ মোশাররফ হোসেন, বগুড়া-৫ জি এম সিরাজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ মো. শাহজাহান মিঞা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ মো. আমিনুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ মো. হারুনুর রশীদ, নওগাঁ-১ মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-২ মো. সামসুজ্জোহা খান, নওগাঁ-৩ পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি, নওগাঁ-৪ সামসুল আলম প্রামাণিক, নওগাঁ-৫ জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁ-৬ আলমগীর কবির, রাজশাহী-১ আমিনুল হক, রাজশাহী-২ মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩ শফিকুল ইসলাম মিলন, রাজশাহী-৪ আবু হেনা, রাজশাহী-৫ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী-৬ আবু সাঈদ চাঁদ, নাটোর-১ কামরুন্নাহার শিরীন, নাটোর-২ সাবিনা ইয়াসমিন, নাটোর-৩ দাউদার মাহমুদ, নাটোর-৪ আবদুল আজিজ, সিরাজগঞ্জ-১ রোমানা মোর্শেদ কনক চাঁপা, সিরাজগঞ্জ-৩ আব্দুল মান্নান তালুকদার, সিরাজগঞ্জ-৫ আমিরুল ইসলাম খান আলিম, সিরাজগঞ্জ-৬ কামরুদ্দিন ইয়াহিয়া মজলিশ, পাবনা-২ এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা-৩ কেএম আনোয়ারুল ইসলাম, পাবনা-৪ হাবিবুর রহমান হাবিব।

    মেহেরপুর-১ মাসুদ অরুণ, মেহেরপুর-২ জাভেদ মাসুদ মিল্টন, কুষ্টিয়া-১ রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা, কুষ্টিয়া-৩ ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার, কুষ্টিয়া-৪ সৈয়দ মেহেদী আহম্মেদ রুমি, চুয়াডাঙ্গা-১ শরিফুজ্জামান শরিফ, চুয়াডাঙ্গা-২ মাহমুদ হাসান খান বাবু, ঝিনাইদহ-২ আব্দুল মজিদ, ঝিনাইদহ-৪ সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, যশোর-১ মফিকুল হাসান তৃপ্তি, যশোর-৩ অনিন্দ্য ইসলাম অনিক, যশোর-৪ টি এস আইয়ুব, যশোর-৬ মো. আবুল হোসাইন আজাদ, মাগুরা-১ মনোয়ার হোসেন খান, মাগুরা-২ নিতাই রায় চৌধুরী, নড়াইল-১ কর্নেল (অব.) এস এম সাজ্জাদ হোসেন, বাগেরহাট-১ মো. শেখ মাসুদ রানা, বাগেরহাট-২ এম এ সালাম, খুলনা-১ আমীর এজাজ খান, খুলনা-২ নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৩ রকিকুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪ আজিজুল বারী হেলাল, সাতক্ষীরা-১ হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

  • বিকল্পদের মধ্যে চূড়ান্তভাবে যাদের বেছে নিল আওয়ামীলীগ

    বিকল্পদের মধ্যে চূড়ান্তভাবে যাদের বেছে নিল আওয়ামীলীগ

    আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে যেসব আসনে আওয়ামী লীগ বিকল্প প্রার্থী রেখেছিল, সেগুলোর সিংহভাগেই একজনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বিকল্প প্রার্থীরা সিংহভাগ ক্ষেত্রেই বাদ পড়েছেন। ১৭ জনের মধ্যে চূড়ান্ত মনোনয়ন জুটেছে কেবল চার জনের।

    গত ২৫ থেকে ২৭ অক্টোবর আওয়ামী লীগ ২৬৬ আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। তবে ১৭টি আসনে দেওয়া হয় একাধিক প্রার্থী। যাচাইবাছাইয়ের সময় আইনি জটিলতায় প্রার্থিতা টেকে কি না, এ নিয়ে সংশয় থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে যাদের নিয়ে শঙ্কা ছিল, তাদের কারো প্রার্থিতা বাতিল হয়নি। আর বিকল্প ১৩ জনের মনোনয়ন জোটেনি।

    বিকল্পকে বাদ দিয়ে যে ১৩ জন পেয়েছেন চূড়ান্ত মনোনয়ন

    নওগাঁ-৫ আসনে আওয়ামী লীগের প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিলের ছেলে নিজাম উদ্দিন জলিল জনের হাতে উঠেছে মনোনয়নের চূড়ান্ত চিঠি। বর্তমান সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সদর আসনের সংসদ সদস্য আবদুল মালেক বাদ পড়েছেন।

     নাটোর-১ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন শহিদুল ইসলাম বকুল। বাদ পড়েছেন বিকল্প প্রার্থী রমজান আলী সরকার।

    নড়াইল-১ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন বি এম কবিরুল হক মুক্তি। বাদ পড়েছেন বিকল্প প্রার্থী শরীফ নুরুল আম্বিয়া।

    বরগুনা-১ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু। বাদ পড়েছেন বিকল্প জাহাঙ্গীর কবির।

    পটুয়াখালী-২ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন আ স ম ফিরোজ। এখানে বিকল্প ছিলেন শামসুল হক রেজা।

    টাঙ্গাইল-২ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির। বাদ পড়েছেন বিকল্প মশিউজ্জামান রুমেল।

    জামালপুর-১ আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন আবুল কালাম আজাদ। নিরাশ হতে হচ্ছে বিকল্প নুর মোহাম্মদকে।

    কিশোরগঞ্জ-১ আসনে নৌকা পাচ্ছেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। প্রার্থী হতে পারছেন না বিকল্প মশিউর রহমান হুমায়ুন।

    ঢাকা-৫ আসনে হাবিবুর রহমান মোল্লাকেই চূড়ান্তভাবে বেছে নিল আওয়ামী লীগ। বিকল্প ছিলেন মনিরুল ইসলাম মনু পেলেন না মনোনয়ন।

    ঢাকা-৭ আসনে হাজী মো. সেলিম লড়বেন নৌকা নিয়ে। বিকল্প ছিলেন আবুল হাসনাতকে এটি জানিয়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

    ঢাকা-১৭ আসনে চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুক লড়বেন ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী হিসেবে। বিকল্প প্রার্থী আবদুল কাদের খান পাননি মনোনয়ন।

    চাঁদপুর-১ আসনে মহীউদ্দীন খান আলমগীরই হচ্ছেন নৌকার মাঝি। এখানে বিকল্প ছিলেন গোলাম রহমান।

    লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে এ কে এম শাহজাহান কামাল ভোটে লড়বেন দলের হয়ে। এখানে বিকল্প ছিলেন গোলাম ফারুক টিংকু।

    বিকল্পদের মধ্যে যারা পাচ্ছেন নৌকা

    রংপুর-৬ আসনে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার বদলে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী লড়বেন নৌকা নিয়ে।

    জামালপুর-৫ আসনে মূল প্রার্থী রেজাউল করিম হীরার জায়গায় বিকল্প প্রার্থী মোজাফফর হোসেন পেয়েছেন চূড়ান্ত মনোনয়ন।

    চাঁদপুর-২ আসনে মূল প্রার্থী ছিলেন মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াকে বাদ দিয়ে বিকল্প নুরুল আমিনকে দেওয়া হচ্ছে নৌকা।

    চাঁদপুর-৪ আসনে আওয়ামী লীগ বেছে নিয়েছে শফিকুর রহমানকে। তিনি প্রথমে মনোনয়ন পাননি। মূল প্রার্থী ছিলেন শামসুল হক ভুঁইয়া। পরে শফিকুরকেও দেওয়া হয় মনোনয়ন।

  • ২৪০ আসনে আ’লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত

    ২৪০ আসনে আ’লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৪০ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত করে মহাজোটের শরিকদের মাঝে বাকি আসন বণ্টন করা হয়েছে। তবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ পর্যায়ে শরিকদের মধ্যে দুই-একটি আসনে পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    মহাজোটের শরিকদের চূড়ান্ত আসন বরাদ্দের ঘোষণা দিয়ে শুক্রবার (০৭ ডিসেম্বর) সকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে মহাজোটের শরিক দলের নেতাদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আব্দুল মান্নান, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আকতার, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ ও জাহাঙ্গীর কবির নানক প্রমুখ।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের যারা শরিক তারা ইচ্ছে করলে তাদের দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে পারবেন। তবে শরিকদের যেসব আসনে নৌকা প্রতীক দিয়েছি সেসব আসনের প্রার্থীদের আজ চিঠি দিয়ে জানিয়েদিলাম। এরমধ্যে মহাজোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির ৫ আসন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ৩ আসনে, বিকল্পধারা ৩ আসনে, বাংলাদেশ জাসদ ১ আসনে, তরিকত ফেডারেশন ২ আসনে এবং জাতীয় পার্টি-জেপি (মঞ্জু) ২টি আসনের চিঠি দেওয়া হয়েছে। ফলে মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টি বাদে অন্য দলের জন্য ১৬টি আসনের চিঠি দেওয়া হয়েছে।

    এবারের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির জন্য ৪৪ আসন রাখা হয়েছে। যদিও এই ৪৪টি আসনের মধ্যে থেকে দুই-একটি এদিক-সেদিক হওয়ার আভাস দিয়ে রেখেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, আমাদের বড় শরিক জাতীয় পার্টির জন্য ৪২-৪৪টি আসন বরাদ্দ করা হয়েছে।

    কাদের বলেন, আমাদের শরিকরা ইচ্ছে করলে নিজেদের প্রতীকে আরো বেশি আসনে নির্বাচন করতে পারবেন। শরিক দলের নিজেদের শক্তিমত্তার পরিচয় জানান দিতে তাদেরও সুযোগ দিয়েছি।

    এ সময় পাশে বশা বিকল্পধারার মহাসচিব নিচু স্বরে আরো আসনের বিষয়ে বলতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, মান্নান ভাই আপনি চাইলে কুলা মার্কায় আরো প্রার্থী দিতে পারেন। আমরা তিনটার বেশি দিতে পারবো না। শ্রদ্ধেয় বি. চৌধুরী সাহেবের সাথে আমাদের নেত্রী আলাপ করবেন। আমি জানি আপনাদের আরো প্রার্থীর প্রত্যাশা আছে। তবে আমরা নৌকা প্রতীকে এর বেশি দিতে পারব না। আমাদের অন্য শরিকরা সবাই একমত হয়েছেন, আশা করি আপনিও একমত হবেন।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, আমরা উন্মুক্ত করে দিয়েছি বিকল্পধারা চাইলে কুলা মার্কায় নির্বাচন করবে, জাসদ মশাল মার্কা, তরিকত ফুলের মালা মার্কায় তাদের প্রার্থী দিয়ে নির্বাচন করতে পারবে। তবে আমরা যাদের নৌকা প্রতীক দিয়েছি তাদের চূড়ান্ত তালিকা এটাই। আমরা দফায় দফায় আলাপ-আলোচনা করে দলের এবং জোটের মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছি। শনিবার আমাদের সভানেত্রীর স্বাক্ষর সম্বলিত তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দেব। সেখান থেকে আওয়ামী লীগের কে কোথায় ভোট করছেন তার তালিকা পাওয়া যাবে।

    জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি তার সঙ্গে কথা বলে জানাবো তার আসলে কী সমস্যা। আমাদের শরিকদের মাঝে মান অভিমান হবে, আবার একসাথে নির্বাচন করব।

    দশম সংসদে মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির এমপি ছিল ৩৪ জন, জাতীয় পার্টি (জেপি) দু’জন, ওয়কার্স পার্টির ৬ জন, জাসদের ৫ জন, তরিকত ফেডারেশনের ২ জন। একাদশ সংসদ নির্বাচনে জাপার প্রার্থী বেড়েছে, কমেছে ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাসদের।

  • আপিলেও রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়নপত্র বাতিল

    আপিলেও রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়নপত্র বাতিল

    জাতীয় পার্টির (জাপা) সদ্য সাবেক মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়নপত্র আপিলেও বাতিল হয়েছে। শুক্রবার ইসির আপিল শুনানিতে ঋণখেলাপির দায়ে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

    শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ১১তলায় দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে মনোনয়ন প্রার্থিদের আপিল শুনানি। ৪ ডিসেম্বর জাতীয় পার্টির রুহুল আমিন হাওলাদারের পক্ষে তার আইনজীবী নির্বাচন কমিশনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে আবেদন করেছিলেন। এর আগে ঋণখেলাপির দায়ে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল।

    এদিকে গত ৩ ডিসেম্বর জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারকে সরিয়ে দিয়ে নতুন মহাসচিব হিসেবে জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য মসিউর রহমান রাঙাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

    আপিল আবেদনের ক্রমিক নম্বর ১ থেকে ১৬০ পর্যন্ত গতকাল বৃহস্পতিবার শুনানি শেষ হয়েছে। আজ শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) ১৬১ থেকে ৩১০ নম্বর পর্যন্ত এবং ৩১১ থেকে ৫৪৩ নম্বর পর্যন্ত ৮ ডিসেম্বর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

    গত ২৮ নভেরের মধ্যে ৩ হাজার ৬৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বাছাইয়ে বাদ পড়েছে ৭৮৬টি, বৈধ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র রয়েছে ২ হাজার ২৭৯টি। তাদের মধ্যে ৫৪৩ জন প্রার্থিতা ফেরত পেতে আপিল করেন। যার অধিকাংশই মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার ১৬০ জনের মধ্যে ৮০ জন তাদের প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন।

    ইসির তফসিল অনুযায়ী আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার পর থেকে প্রার্থী ও তার সমর্থকরা নির্বাচনী এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন।

  • বিসিসির বেতন সমস্যা সমাধানে ব্যতিক্রমী পথ বেচে নিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বিসিসির বেতন সমস্যা সমাধানে ব্যতিক্রমী পথ বেচে নিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    স্টাফ রিপোর্টার/শামীম ইসলাম:

    কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে নগর ভবনে। কিন্তু বেতন সমস্যা সমাধানে এবার ব্যতিক্রমী পথ বেচে নিয়েছেন যুবরত্ন খ্যাত মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    সেই লক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় নগরীর জগদীশ স্বারস্বত বালিকা স্কুলে কর্মচারীদের নিয়ে এক আলোচনায় মিলিত হন তিনি। এমনটাই জানিয়েছেন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন’র প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন দাস। তিনি আরও বলেন,দীর্ঘ অপেক্ষার পর বিসিসি’র কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মুখে এবার আনন্দের হাসি ফুঁটবে।

    নগর ভবনের শ্রমিক থেকে শুরু করে কর্মকর্তা পর্যন্ত সকলের মন জয় করার দিন আজ। এমনটাই আশা করছেন নগর ভবনের কর্মরতরা ও নগরবাসী । এমন সমাধানের পথ আনন্দের সাথে গ্রহন করেছেন বলেও জানিয়েছেন অস্থায়ী কর্মচারীরা।

    বেতন সমস্যার এসব সমাধান কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জিবনে আর্থিক উন্নয়নের চাকা আরও সচল করবে। এভাবে নগরবাসী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে সেতুবন্ধন হয়ে কাজ করবেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    দীর্ঘ ৪ মাস বেতন না পাওয়ার পরও কোন আন্দোলন অথবা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কেউ অভিযোগও করেনি। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মুখের পানে তাকিয়ে তিনিই হঠাৎ এমন প্রশংসনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর এ কারনে সকলেই মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে শ্রদ্ধানন্দ মনে করেন। নগর ভবনে ১ম ও ২য় শ্রেনীর মিলিয়ে মোট ৫২ জন কর্মকর্তা এবং ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনী মিলিয়ে মোট ৮০৩ জন কর্মচারি কর্মরত আছেন। এছাড়াও রয়েছে ১৪৫৬ জন অস্থায়ী নিয়োগে কর্মরত।

    বেতন ভাতা নিয়ে আন্দোলন, অফিস ত্যাগ, বিক্ষোভ, অন্তর্দ্বন্দ, অফিসের মধ্যে গ্রুপ তৈরি করার মত ঘৃণিত ঘটনা না ঘটে এখন এক টেবিলে আলোচনা চলছে।

    যে কারনে মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ এখন শুধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে নয়, নগরবাসীর কাছেও একজন সফল অভিভাবকের নাম।কারণ ঢাক-ঢোল পিটিয়ে তিনি খাল উদ্ধার করতে না গিয়ে শাসক ও শাসিতদের ন্যায্য প্রাপ্য নিয়ে আলোচনা করবেন।