Category: রাজণীতি

  • সন্তানের সঙ্গে মাকে বন্ধুত্বপূর্ণ হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    সন্তানের সঙ্গে মাকে বন্ধুত্বপূর্ণ হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মা-বাবাকে বিশেষ করে মায়েদের সন্তানকে বেগম রোকেয়ার আদর্শে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের নারীরা সুশিক্ষিত হবে এবং নিজের সন্তানকে উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। জঙ্গিবাদ ,সন্ত্রাস এবং মাদক থেকে ছেলে-মেয়েরা যেন দূরে থাকে সে জন্য মায়েদের বিশেষভাবে নজর দিতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রোববার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বেগম রোকেয়া দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত ‘রোকেয়া পদক-২০১৮’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে কোনো দূরত্ব না রেখে বরং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য মায়েদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘যাতে করে কোনো সমস্যা হলেই ছেলে-মেয়েরা তাদের নিজেদের মনের কথা মা’কে বলতে পারে। কারণ মা-বাবাই হচ্ছে সন্তানের সব থেকে বড় বন্ধু। কাজেই সেই ধরনের একটা পরিবেশ সৃষ্টির উদ্যোগ মাকেই নিতে হবে।’

    মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগম স্বাগত বক্তৃতা করেন।

    এ বছর নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের বিশিষ্ট পাঁচজন নারীকে বেগম রোকেয়া পদক -২০১৮ তে ভূষিত করা হয়। তাঁরা হলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী জেবুন্নেসা তালুকদার, কুমিল্লা মহিলা কলেজের সাবেক শিক্ষিকা অধ্যাপক জোহরা আনিস, সুনামগঞ্জের বিশিষ্ট সমাজ ও সাংস্কৃতিক কর্মী শিলা চৌধুরী, বিশিষ্ট লেখিকা এবং সমাজকর্মী রমা চৌধুরী এবং ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার লেখিকা ও সমাজকর্মী রোকেয়া বেগম।

    এর মধ্যে সাবেক প্রতিমন্ত্রী জেবুন্নেসা তালুকদার অনুষ্ঠানে পদক বিজয়ীদের পক্ষে নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বেগম রোকেয়াকে নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং সত্যিকারের প্রগতিশীল ব্যক্তিত্ব আখ্যায়িত করে বলেন, ‘বেগম রোকেয়া আমাদের যে শিক্ষা দিয়ে গেছেন এবং তাঁর যে স্বপ্ন ছিল আজকে কিন্তু পৃথিবী সেদিকেই এগিয়ে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশকে এইদিকে আমরা অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছি।

    তিনি এ সময় নারী জাগরণে বেগম রোকেয়ার একটি বাণী প্রণিধানযোগ্য উল্লেখ করে বলেন, ‘পুরুষের সক্ষমতা লাভের জন্য আমাদের যাহা করিতে হয় তাহাই করিব। যদি এখন স্বাধীনভাবে জীবিকা অর্জন করিলে স্বাধীনতা লাভ হয় তবে তাহাই করিব।’

    ‘কাজেই তাঁর এই কথাটা আমাদের মনে রাখতে হবে এবং আজকে যদি আমরা বাংলাদেশের দিকে তাকাই তাহলে আমরা দেখবো তাঁর এই আহ্বানটা বৃথা যায়নি,’ যোগ করেন তিনি।

    সরকার প্রধান এ সময় নারীর প্রগতির জন্য বেগম রোকেয়া পদাঙ্ক অনুসরণ করেই তাঁর সরকার দেশ পরিচালনা করছে এবং করবে বলেও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • পাকিস্তান হাইকমিশনে গোপন বৈঠক করেছেন ফখরুল

    পাকিস্তান হাইকমিশনে গোপন বৈঠক করেছেন ফখরুল

    লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সঙ্গে আইএসআইয়ের (পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থা) গোপন বৈঠক হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে আওয়ামী লীগ। দলটি আরও অভিযোগ করেছে, পাকিস্তান হাইকমিশনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গোপন বৈঠক হয়েছে। আর একে ‘নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের অংশ’ হিসেবে দেখছে ক্ষমতাসীন দলটি।

    আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে আজ রোববার দুপুরে দলের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান। তিনি বলেন, একটি রাষ্ট্রের সঙ্গে আরেকটি রাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের কারণে দূতাবাসের সঙ্গে যাতায়াত থাকতে পারে। তবে বিজয়ের এই মাসে আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে পাকিস্তান হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ জনমনে প্রশ্নের সঞ্চার করে।

    আবদুর রহমান বলেন, একদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে আইএসআইয়ের সঙ্গে গোপন বৈঠক, অন্যদিকে পাকিস্তান হাইকমিশনে মির্জা ফখরুলের গোপন বৈঠক ষড়যন্ত্রের আভাস দেয়। দুই বৈঠক একই সূত্রে গাঁথা। এই সাক্ষাৎ আসন্ন নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের অংশ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রাজনীতিকে বিনষ্ট করার দুরভিসন্ধি।

    বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে আবদুর রহমান বলেন, ইতিমধ্যে গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে বিএনপি নির্বাচনে মনোনয়ন নিয়ে কী ধরনের বাণিজ্য করেছে। একটি রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন নিয়ে এ ধরনের বাণিজ্য হতে পারে না। তিনি অভিযোগ করেছেন, বিএনপির মনোনয়ন–বাণিজ্য নিয়ে সারা দেশে দলটির নেতা-কর্মীরা যে সন্ত্রাস ও অগ্নিকাণ্ড চালাচ্ছে, তারই অংশ হিসেবে গতকাল ও আজ বিএনপির গুলশান ও পল্টন কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এই হামলা আসন্ন নির্বাচনের পরিবেশকেই বিঘ্নিত করে না, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির সুষ্ঠু ধারাকেও ব্যাহত করে।

    আবদুর রহমান বলেন, বিএনপির এ ধরনের আচরণ, সামাজিক পরিবেশ নষ্ট করে। ‘আদর্শবিবর্জিত’ একটি দলের প্রধান যখন দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হন এবং দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি দুর্নীতির দায়ে যখন পালিয়ে বিদেশে অবস্থান করেন, তখন বিএনপি নেতা-কর্মীদের এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের আস্ফালন শুধু রাজনৈতিক পরিবেশকে নয়, সামাজিক পরিবেশকেও বিনষ্ট করে।

    আবদুর রহমান বলেন, মনোনয়ন–বাণিজ্যের কারণে বিএনপি তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভ এবং এর মাধ্যমে দলের নেতৃত্বের ওপর আস্থাহীনতার প্রকাশ পায়। এমন মনোনয়ন–বাণিজ্যের নেতৃত্বে আছেন মির্জা ফখরুল ও রুহুল কবির রিজভী। যার নেপথ্যের নায়ক সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি তারেক রহমান। একটি নীতিভ্রষ্ট, দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে দেশের জনগণ এর বেশি কিছু প্রত্যাশা করতে পারে না।

    জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্কের বিষয়ে আবদুর রহমান আরও বলেন, আওয়ামী লীগ বারবার বলে আসছে বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের জোট কোনো রাজনৈতিক জোট নয়, এটা আদর্শিক জোট। বিএনপির প্রধান শরিক ঐক্যফ্রন্ট নয়, জামায়াত। গতকাল মনোনয়ন ভাগাভাগির মধ্য দিয়ে আবারও সেটা প্রমাণিত। শরিক দল হিসেবে জামায়াত আসন পেয়েছে ২৩টি এবং ঐক্যফ্রন্ট পেয়েছে ১৭ টি। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়, জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি গাঁটছড়া সম্পর্ক, যা অবিচ্ছেদ্য।

    আওয়ামী লীগের শরিক দল জাতীয় পার্টি কতগুলো আসন পাচ্ছে— এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবদুর রহমান বলেন, ‘আজকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। এই বিষয়টি আমরা পরিষ্কার করতে পারব আজকে বিকেল নাগাদ। ব্যাপারটা জানার জন্য আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে।

    কত আসনে জাতীয় পার্টির সঙ্গে মীমাংসা হয়েছে, জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রহমান বলেন, ‘এই মুহূর্তে আনুমানিক কিছু সংবাদমাধ্যমে বলা উচিত হবে না। আমরা আশা করি সন্তোষজনক একটি মীমাংসা হবে।

    আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর বিষয়ে আবদুর রহমান বলেন, ‘কয়েকজন বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী দুই থেকে তিনজন মনোনয়ন প্রত্যাহারের বাকি আছেন। আশা করছি বাকিগুলো আজকে প্রত্যাহার হয়ে যাবে। আমাদের দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খোলা চিঠির আহ্বানে সবাই সাড়া দিয়েছেন। যে দুই-একজন বাকি আছে, তাদের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী থাকবে না।

    আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক আফজাল হোসেন প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

  • ‘মুজিব কোট কোনো দলের নয়’: সুলতান

    ‘মুজিব কোট কোনো দলের নয়’: সুলতান

    মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া উপজেলা) আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ বলেছেন, জয় বাংলা স্লোগান, বঙ্গবন্ধু ও মুজিব কোট একক কোনো দলের নয়। সুলতান মনসুর ‘মুজিব কোট পরে পার পাবেন না’—কুলাউড়া আওয়ামী লীগের এক সভায় এমন বক্তব্য আসার পর এ কথা বললেন তিনি।

    সুলতান মনসুর সাবেক সাংসদ ও আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা। তবে তিনি বর্তমানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আছেন। গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে এই ঐক্যফ্রন্ট। নির্বাচনী এই জোটে আছে বিএনপিসহ বেশ কটি দল।

    গতকাল শনিবার বিকেলে কুলাউড়া পৌর শহরের বিছরাকান্দি এলাকার একটি বাসায় গণমাধ্যমের কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন সুলতান মনসুর। এ সময় তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় সবার স্লোগান ছিল জয় বাংলা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি। আর মুজিব কোট যে কেউ পারতে পারেন। কিন্তু একটি রাজনৈতিক দল দলীয় স্বার্থে সেগুলো ব্যবহার করে থাকে। জয় বাংলা স্লোগান, বঙ্গবন্ধু ও মুজিব কোট একক কোনো দলের নয়। কারও ব্যক্তিগত সম্পদও নয়।

    বিকেল সাড়ে চারটায় সভা শুরু হয়। সভার শুরুতে সুলতান মনসুর বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা এ আসনে আমাকে একক প্রার্থী মনোনীত করেছিলেন। কিন্তু কেন্দ্র থেকে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। এরপর ১২টি বছর কেটে গেছে। ওই সময়ে রাজনৈতিকভাবে কোনো ভূমিকা রাখার সুযোগ পাইনি। এখন পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দলেও যোগ দিইনি।

    নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করছি মাত্র।’ বর্তমানে ভোটারবিহীন নির্বাচনের সরকার দেশ চালাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই। বাক্‌স্বাধীনতা নেই। টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে। পাচারকারীদের দলীয় মনোনয়নও দেওয়া হচ্ছে।  দুর্নীতিতে দেশ ছেয়ে গেছে। মানুষ এ অবস্থার পরিবর্তন চায়।

  • প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ইমরান এইচ সরকার

    প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ইমরান এইচ সরকার

    প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার। আজ রোববার হাইকোর্টের নির্দেশনায় প্রার্থিতা ফিরে পান তিনি।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইমরান এইচ সরকার বলেন, ‘প্রথমে রিটার্নিং কর্মকর্তা আমার প্রার্থিতা বাতিল করে। আপিল করলে নির্বাচন কমিশনও (ইসি) আমার প্রার্থিতা বাতিল করেছিল। পরে আমি হাইকোর্টে আপিল করলে হাইকোর্ট আমার প্রার্থিতা গ্রহণের জন্য ইসিকে নির্দেশ দেন ও আমাকে প্রতীক বরাদ্দেরও নির্দেশনা দিয়েছেন। এখন আমি আমার নির্বাচনী এলাকায় (কুড়িগ্রাম-৪) গিয়ে গণসংযোগে মনোযোগ দেব।

    এর আগে ২ ডিসেম্বর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিনেই ইমরান এইচ সরকারের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। আপিল করলে নির্বাচন কমিশন শুনানির পর তা বাতিল করে। মনোনয়নপত্রে ভোটারের স্বাক্ষরের ক্রমিক নম্বরে ভুল থাকায় আপিলেও তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল।

  • মেয়র পদে থেকেই করা যাবে সংসদ নির্বাচন : হাইকোর্ট

    মেয়র পদে থেকেই করা যাবে সংসদ নির্বাচন : হাইকোর্ট

    পৌর মেয়র পদে থেকেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন করা যাবে বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রবিবার দুপুরে হাইকোর্টের বিচারপতি হাসান আরিফের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

    আদেশে নীলফামারী-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী পৌর মেয়র আমজাদ হোসেন সরকার, নীলফামারী-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী পৌর মেয়র ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী পৌর মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, নওগাঁ-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী পৌর মেয়র নাজমুল হকের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেয়া হয়।

    এর আগে মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ে এসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে রিটানিং কর্মকর্তা।
    পরে তারা হাইকোর্টে আপিল করেন। আজ শুনানি শেষে হাইকোর্ট এই রায় দেন।

  • ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলের ২৫ জনকে ধানের শীষ দিতে ইসিকে বিএনপির চিঠি

    ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলের ২৫ জনকে ধানের শীষ দিতে ইসিকে বিএনপির চিঠি

    বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের ২৫ জন প্রার্থীকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি)চিঠি দিয়েছে দলটি।

    চিঠিতে সই করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    আজ বিকাল সাড়ে ৩টায় এই চিঠি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে জমা দেন দলটির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের গণমাধ্যম শাখার কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান।

    চিঠিতে জোটের আটটি দলের ২৫ জন প্রার্থীর নামে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অনুরোধ করা হয়।

    এই আটটি দল হল ঐক্যফ্রন্টের শরিক ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীণ গণফোরাম, আ স ম রবের নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসপি), বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ।

    ২০ দলের শরিক কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফতে মজলিস, বাংলাদেশ কল্যান পার্টি এবং ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থের দল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি।

    আজকের তালিকায় গণফোরাম থেকে সাত জনের নাম দেয়া হয়েছে। তারা হলেন- কুড়িগ্রাম-২ আমসা আমিন, পাবনা-১ আসনে অধ্যাপক আবু সায়িদ, ময়মদসিংহ-৮ আসনে এইচ এন খালেকুজ্জামান, ঢাকা-৬ আসনে সুব্রত চৌধুরী, ঢাকা-৭ মোস্তফা মহসীন মন্টু, মৌলভীবাজার-২ সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহম্মদ এবং হবিগঞ্জ-১ আসনে রেজা কিবরিয়া।

    জেএসডির (রব) চার জনকে ধানের শীষ প্রতীক দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। তারা হলেন- কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের প্রফেসর ড. মো. সাইফুল ইসলাম, ঢাকা-১৮ শহীদ উদ্দিন মাহমুদ, কুমিল্লা-৪ আসনে আবদুল মালেক রতন এবং লক্ষ্মীপুর-৪ আ স ম আব্দুর রব।

    কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের তিন জনকে ধানের শীষ দিতে ইসিকে অনুরোধ করা হয়েছে। এরা হলেন- টাঙ্গাইল-৪ মোহাম্মদ লিয়াকত আলী, টাঙ্গাইল-৮ কুঁড়ি সিদ্দিকী এবং গাজীপুর-৩ আসনে ইকবাল সিদ্দীকী।

    ২০ দলের শরিক এলডিপি পাঁচটি আসনে জোটের মনোনয় পেয়েছে। তবে চার জন ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন। তারা হলেন ময়মননিংহ-১০ আসনে সৈয়দ মাহবুব মোরশেদ, কুমিল্লা-৭ রেদোয়ান আহমেদ, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন এবং চট্টগ্রাম-৭ আসনে মোহাম্মদ নুরুল আলম। এলডিপি সভাপতি অলি আহমদ ছাতা প্রতীকে নির্বাচন করবেন।

    ২০ দলের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের তিন জনকে ধানের শীষ দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। এরা হলেন- নারায়ণগঞ্জ-৪ মনির হোসাইন, সুনামগঞ্জ-৩ মো. শাহীনুর পাশা চৌধুরী এবং সিলেট-৫ উবাইদুল্লাহ ফারুক।

    খেলাফত মজলিস থেকে হবিগঞ্জ-২ আসনের আব্দুল বাসিত আজাদ ও হবিগঞ্জ-৪ আসনের আহমদ আব্দুল কাদের।

    বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি চট্টগ্রাম-৫ আসনে সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহীম। ঢাকা ১৭ আসনে নির্বাচন করবেন বিজেপির প্রধান আন্দালিব রহমান পার্থ।

  • জাতীয় পার্টিকে ২৯টি আসন দিল মহাজোট

    জাতীয় পার্টিকে ২৯টি আসন দিল মহাজোট

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে ২৯টি আসন ছেড়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট। এছাড়া ১৩২ আসনে জাতীয় পার্টির জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে, সেখানে মহাজোটেরও প্রার্থী থাকবে। রবিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    মহাজোটের ২৯ প্রার্থী হলেন:
    নীলফামারী-৩ আসনে মেজর অব. রানা মোহাম্মদ সোহেল, নীলফামারী-৪ আহসান আদেলুর রহমান, লালমনিরহাট-৩ গোলাম মোহাম্মদ কাদের, রংপুর-১ মো. মসিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর-৩ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, কুড়িগ্রাম-১ একেএম মোস্তাফিজুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২ পনির উদ্দিন আহমেদ, গাইবান্ধা-১ ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বগুড়া-২ শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, বগুড়া-৩ নুরুল ইসলাম তালুকদার, বগুড়া-৬ মো. নুরুল ইসলাম ওমর, বগুড়া-৭ এ্যাড. আলতাফ আলী, বরিশাল-৩ গোলাম কিবরিয়া টিপু, বরিশাল-৬ নাসরিন জাহান রতনা, পিরোজপুর-৩ ডা. রুস্তম আলী ফরাজী, টাঙ্গাইল-৫ শফিউল্লাহ আল মুনির, ময়মনসিংহ-৪ বেগম রওশন এরশাদ, ময়মনসিংহ-৮ ফখরুল ইমাম, কিশোরগঞ্জ-৩ মজিবুল হক চুন্নু, ঢাকা-৪ সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, ঢাকা-৬ কাজী ফিরোজ রশীদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ লিয়াকত হোসেন খোকা, নারায়ণগঞ্জ-৫ সেলিম ওসমান, সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান মিজবাহ, সিলেট-২ ইয়াহ ইয়া চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ জিয়াউল হক মৃধা, ফেনী-৩ লে. জে. (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, লক্ষ্মীপুর-২ মো. নোমান, চট্টগ্রাম-৫ ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

    জাতীয় পার্টির উন্মুক্ত প্রার্থীরা হলেন:
    রংপুর-২ আসাদুজ্জামান চৌধুরী শাবলু, কুড়িগ্রাম-৩ আক্কাস আলী সরকার, কুড়িগ্রাম-৪ মেজর (অব.) আশরাফ উদ দৌলা, গাইবান্ধা-৩ ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার শিল্পী, খুলনা-১ সুনীল শুভরায়, সাতক্ষীরা-১ সৈয়দ দিদার বখত্, সাতক্ষীরা-২ শেখ মাতলুব হোসেন লিয়ন, সাতক্ষীরা-৪ আব্দুস সাত্তার মোড়ল, জামালাপুর-৪, মোখলেছুর রহমান, শেরপুর-১ আলহাজ্ব ইলিয়াস উদ্দিন, শেরপুর-৩ মো. আবু নাসের, সিলেট-৫ সেলিম উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ কাজী মামুনুর রশীদ, পঞ্চগড়-১ আবু সালেক, পঞ্চগড়-২ লুৎফর রহমান রিপন, ঠাকুরগাঁও-৩, হাফিজ উদ্দিন, দিনাজপুর-১ মো. শাহীনুর ইসলাম, দিনাজপুর-২ মো. জুলফিকার হোসেন, দিনাজপুর-৪ মো. মোনাজাত চৌধুরী, দিনাজপুর-৫ সোলায়মান সামী, দিনাজপুর-৬ মো. দেলোয়ার হোসেন, নীলফামারী-১ জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, লালমনিরহাট-১ মো. খালেদ আখতার, রংপুর-৪ মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল, রংপুর-৫ মো. ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, গাইবান্ধা-৪ কাজী মো. মশিউর রহমান, গাইবান্ধা-৫ এএইচএম গোলাম শহীদ রঞ্জু, জয়পুরহাট-১ আ.স.ম. মোক্তাদির তিতাস, জয়পুরহাট-২ কাজী মো. আবুল কাশেম, বগুড়া-৪ হাজী নুরুল আমিন বাচ্চু, বগুড়া-৫ তাজ মোহাম্মদ শেখ, নওগা-১ আকবর আলী কালু, নওগা-২ মো. বদিউজ্জামান, নওগাঁ-৩ এ্যাড. তোফাজ্জল হোসেন, নওগাঁ-৪ মো. এনামুল হক, রাজশাহী-২ খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, রাজশাহী-৫ মো. আবুল হোসেন, ৫৭ রাজশাহী-৬ মো. ইকবাল হোসেন, নাটোর-১ মো. আবু তালহা, নাটোর-২ মো. মুজিবুর রহমান সেন্টু, নাটোর-৩ ইঞ্জিনিয়ার আনিসুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৩ মো. আলমগীর হোসেন, পাবনা-১ সরদার শাহজাহান, পাবনা-৫ মো. আব্দুল কাদের খান, মেহেরপুর-১ আব্দুল হামিদ, মেহেরপুর-২ মো. কেতাব আলী, কুষ্টিয়া-১ মো. শাহারিয়ার জামিল, কুষ্টিয়া-৪ মো. আশরাফুল সোলাইমান, চুয়াডাঙ্গা-১ এ্যাড. মো. সোহরাব হোসেন, যশোর-২ এবিএম সেলিম রেজা, যশোর-৩ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, যশোর-৪ মো. জহুরুল হক, যশোর-৫ এমএ হালিম, যশোর-৬ মো. মাহাবুব আলম, মাগুরা-১ মো. হাসান সিরাজ, নড়াইল-১ মো. মিল্টন মোল্যা, নড়াইল-২ খন্দকার ফায়েকুজ্জামান, বাগেরহাট-৩ মো. সেকেন্দার আলী মনি, বাগেরহাট-৪ সোমনাথ দে, খুলনা-৪ হাদিউজ্জামান, খুলনা-৫ মো. শহীদ আলম, খুলনা-৬ শফিকুল ইসলাম মধু, বরগুনা-২ মিজানুর রহমান মল্লিক, পটুয়াখালী-৩ মো. সাইফুল ইসলাম, পটুয়াখালী-৪ আনোয়ার হোসেন, ভোলা-১ কেফায়েত উল্লাহ নজিব, ভোলা-৩ নুরুন্নবী সুমন, বরিশাল-২ সোহেল রানা, বরিশাল-৫ একেএম মর্তুজা আবেদীন, ঝালকাঠি-১ এমএ কুদ্দুস খান, ঝালকাঠি-২ এমএ কুদ্দুস খান, পিরোজপুর-১ মো. নজরুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-৪ সৈয়দ মোস্তাক হোসেন রতন, টাঙ্গাইল-৭ মো. জহিরুল ইসলাম জহির, জামালপুর-১ আব্দুস সাত্তার, জামালপুর-২ মোস্তফা আল মাহমুদ, জামালপুর-৩ লে. কর্নেল (অব,) মঞ্জুর আহাদ হেলাল, ময়মনসিংহ-৫ মো. সালাউদ্দিন আহমেদ মুক্তি, ময়মনসিংহ-৬ ডা. কেআর ইসলাম, ময়মনসিংহ-৭ বেগম রওশন এরশাদ, ময়মনসিংহ-৯ হাসনাত মাহমুদ তালহা, নেত্রকোণা-৩ মো. জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, কিশোরগঞ্জ-৬ নুরুল কাদের সোহেল, মানিকগঞ্জ-৩ জহিরুল আলম রুবেল, মুন্সিগঞ্জ-১ শেখ সিরাজুল ইসলাম, মুন্সিগঞ্জ-৩ গোলাম মোহাম্মদ রাজু, ঢাকা-২ শাকিল আহমেদ শাকিল, ঢাকা-৭ তারেক আহমেদ আদেল, ঢাকা-৮ মো. ইউনুস আলী আকন্দ, ঢাকা-১০ মো. হেলাল উদ্দিন, ঢাকা-১১ এস.এম. ফয়সল চিশতী, ঢাকা-১২ নাসির উদ্দিন সরকার, ঢাকা-১৩ শফিকুল ইসলাম সেন্টু, ঢাকা-১৪ মোস্তাকুর রহমান, ঢাকা-১৫ মো. শামসুল হক, ঢাকা-১৭ এইচ.এম. এরশাদ, ঢাকা-১৯ কাজী আবুল কালাম আজাদ, ঢাকা-২০ খান মো. ইস্রাফিল, গাজীপুর-৩ আফতাব উদ্দিন আহমেদ, গাজীপুর-৫ রাহেলা পারভীন শিশির, নরসিংদী-১ মো. শফিকুল ইসলাম, নরসিংদী-২ মো. আজম খান, নরসিংদী-৩ আলমগীর কবির, নরসিংদী-৪ মো. নেওয়াজ আলী ভূঁইয়া, নরসিংদী-৫ এমএ সাত্তার, নারায়ণগঞ্জ-১ আজম খান, রাজবাড়ী-১ আক্তারুজ্জামান হাসান, রাজবাড়ী-২ এবিএম নুরুল ইসলাম, শরিয়তপুর-৩ মো. আবুল হাসান, সুনামগঞ্জ-৫ নাজমুল হুদা।

    এছাড়া সিলেট-১ মাহাবুবুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ মো. ওসমান আলী, সিলেট-৪ আহমেদ তাজ উদ্দিন তাজ রহমান, মৌলভীবাজার-২ এ্যাড. মাহাবুবুল আলম শামীম, হবিগঞ্জ-১ মো. আতিকুর রহমান, হবিগঞ্জ-২ শংকর পাল, হবিগঞ্জ-৩ মো. আতিকুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ তারেক এ আদেল, কুমিল্লাা-১ মো. আবু জায়েদ আল মাহমুদ, কুমিল্লা-২ মো. আমির হোসেন, কুমিল্লাা-৩ মো. আলমগীর হোসেন, কুমিল্লা-৪ মো. ইকবাল হোসেন রাজু, কুমিল্লা-৫ মো. তাজুল ইসলাম, কুমিল্লাা-৭ মো. লুৎফর রেজা, কুমিল্লা-৮ নুরুল ইসলাম মিলন, কুমিল্লা-৯ এটিএম আলমগীর, কুমিল্লা-১১ খায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, চাঁদপুর-১ এমদাদুল হক, চাঁদপুর-২ এমরান হোসেন মিয়া, চাঁদপুর-৪ মো. মাইনুল ইসলাম, নোয়াখালী-১ আবু নাসের ওয়াহেদ ফারুক, নোয়াখালী-২ হাসান মঞ্জুর, নোয়াখালী-৩ ফজলে এলাহী সোহাগ, নোয়াখালী-৪ মোবারক হোসেন, নোয়াখালী-৫ সাইফুল ইসলাম, নোয়াখালী-৬ নাসিম উদ্দিন মো. বায়জিদ, লক্ষীপুর-১ আলমগীর হোসেন, লক্ষীপুর-৪ আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ জহুরুল ইসলাম রেজা, চট্টগ্রাম-৪ দিদারুল কবির, চট্টগ্রাম-৮ ফাতেমা খুরশীদ সোমাইয়া, চট্টগ্রাম-১২ মো. নুরুচ্ছফা সরকার, চট্টগ্রাম-১৪ আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালি উল্লাহ, খাগড়াছড়ি সোলায়মান আলম শেঠ, রাঙ্গামাটি এএকে পারভেজ তালুকদার।

  • অনিয়মের কারণে বিএন‌পি থে‌কে মনির খানের পদত্যাগ

    অনিয়মের কারণে বিএন‌পি থে‌কে মনির খানের পদত্যাগ

    বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সংগীত শিল্পী মনির খান দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। রবিবার বিকালে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    প্রাথমিকভাবে দলের মনোনয়নের চিঠি পেয়ে জমাও দিয়েছিলেন। আসনটিতে জামায়াতের ভোট বেশি হওয়ায় জামায়াতকে ছেড়ে  দেওয়া হয়েছে। এখানে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মতিয়ার রহমান।

    মনির খান বলেন, এতো অনিয়মের মধ্যে থাকা যায় না। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি দল থেকে পদত্যাগ করবো।

    ঠিক কেমন অনিয়ম জানতে চাইলে মনির খান বলেন, আমরা শিল্পীরা আসলে সম্মান চাই। যেটা দল  থেকে পাইনি। তাই এই সিদ্ধান্ত।

    উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর- কোটচাঁদপুর) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন মনির খান।

  • ইজতেমা ময়দানে সংঘর্ষের সময় প্রশাসনের কেউ প্রস্তুত ছিল না

    ইজতেমা ময়দানে সংঘর্ষের সময় প্রশাসনের কেউ প্রস্তুত ছিল না

    টঙ্গীতে ইজতেমা ময়দানে সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলো তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। শনিবার বিকেলে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দান পরিদর্শন ও তাবলিগের মুরব্বিদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইজতেমায় মুসল্লিরা আসেন ইবাদতের জন্য, ধর্মীয় কাজে, তাবলিগের মেহনতের জন্য। এরা কীভাবে মারামারি করে? এজন্য প্রশাসনের কেউ প্রস্তুত ছিল না। প্রশাসনের লোকজনের সামনে জোর করে একটি পক্ষ ইজতেমা ময়দানে প্রবেশ করে। আমরা ভেবেছিলাম তারা ইজতেমা ময়দানে প্রবেশ করে প্রস্তুতি সভা করবে। কিন্তু তারা তা না করে ভাঙচুর করেন এবং এখানে যারা ছিলেন তাদের আহত করেন। এটা সত্যিই দুঃখজনক ঘটনা।

    তিনি আরও বলেন,যেহেতু এখানে একটি হত্যাকাণ্ড হয়েছে, তিনজন সাথী মৃত্যুশয্যায় রয়েছে এবং বেশ কয়জন আহত হয়েছেন। এ জন্য থানায় ও আদালতে তিনটি মামলা হয়েছে। মামলাগুলো তদন্তের পরে যারা দোষী ব্যক্তি, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, যারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই ইজতেমা হবে। দুই পক্ষ আবার বসে তাদের মধ্যে যে ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে তা ক্লিয়ার করবে এবং ইজতেমা আবার হবে এটা আমরা বিশ্বাস করি।

    এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল, জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, সিটি মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম, পুলিশের মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার ওয়াই এম বেলালুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, গত ১ ডিসেম্বর টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে তাবলিগ জামাতের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় এক মুসল্লি নিহত ও দুই শতাধিক মুসল্লি আহত হন। এরপর থেকেই ইজতেমা ময়দান আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

  • মুন্সীগঞ্জে শাহ মোয়াজ্জেমের গাড়িবহরে গুলি

    মুন্সীগঞ্জে শাহ মোয়াজ্জেমের গাড়িবহরে গুলি

    মুন্সীগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান-শ্রীনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনের গাড়িবহরে হামলা-ভাঙচুর চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।

    শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার কুচিয়ামোড়া এলাকায় কিছু মোটরসাইকেল আরোহী এ হামলা চালায়।

    শাহ মোয়াজ্জেমের ভাই ওমর ফারুক বলেন, হামলাকারীরা সাত রাউন্ড গুলি ছুড়েছে ও পাঁচটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে। তবে কেউ গুলিবিদ্ধ হননি, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনও অক্ষত আছেন।

    Photo-munshiganj02

    শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম কানন অভিযোগ করেন, সিরাজদিখান থেকে পাথরঘাটায় কর্মীসভায় যাওয়ার পথে কুচিয়ামোড়া এলাকায় আসলে মহাজোট মনোনীত প্রার্থী মাহী বি চৌধুরীর লোকজন অতর্কিত এ হামলা চালায়।

    সিরাজদিখান থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে হামলাকারী কাউকে পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এই হামলা হয়েছে। তবে আমরা বিস্তারিত খতিয়ে দেখছি।