Category: রাজণীতি

  • ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীদের কাছে শেখ হাসিনার বিশেষ অনুরোধ

    ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীদের কাছে শেখ হাসিনার বিশেষ অনুরোধ

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ দলের যাঁরা বিভিন্ন আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন, তাঁদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারে ‘বিশেষ অনুরোধ’ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। এক চিঠিতে দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘আপনার কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ, ঐক্যবদ্ধ নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে মহাজোট প্রার্থীর পক্ষে আপনার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে মহাজোটকে বিজয়ী করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করবেন। আপনার ত্যাগ, শ্রম ও আন্তরিকতা সবকিছুই আমার বিবেচনায় আছে।

    আজ শনিবার দুপুরে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ গণমাধ্যমে একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠান। বিজ্ঞপ্তিতে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার স্বাক্ষর দেওয়া একটি চিঠি রয়েছে।

    দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে যাঁরা প্রার্থী হন, রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে তাঁরা ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত হন।

    চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীদের বলেছেন, ‘বিএনপি–জামায়াতের হিংস্র থাবা থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করে বাংলাদেশকে টেকসই গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে আমরা সমমনা অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের প্রাণপ্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে জয়লাভ করে আবারও বাংলাদেশের জনগণের সেবা করার সুযোগ পাবে। সেই বিজয়ের অংশীদার হবেন আপনিও। আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, আওয়ামী লীগ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তাহলে নৌকা মার্কাকে পরাজিত করার সাংগঠনিক শক্তি আর কারও নেই।

    ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আশা করি, আগামী নির্বাচনে আপনার নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগ ও মহাজোট মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে আপনার সকল সাংগঠনিক দক্ষতা, শক্তি ও সামর্থ্য আওয়ামী লীগের বিজয়কে সুনিশ্চিত করবে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশের গত এক দশকের অর্জিত উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে সংগঠনের একজন আদর্শবান, ত্যাগী ও বিশ্বস্ত নেতা হিসেবে সর্বস্তরের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা ও সার্বিক কর্মকাণ্ডে আপনার স্বতঃস্ফূর্ত ও সক্রিয় অংশগ্রহণ একান্তভাবে প্রত্যাশা করছি।

    এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রায় ৮০ জনের মতো বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচন কমিশনের যাচাই-বাছাইয়ে কয়েকজন বাদ পড়েছেন। এ ছাড়া কেউ কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারও করেছেন। এসব বাদ দিয়ে এখনো পর্যন্ত আওয়ামী লীগের প্রায় অর্ধশত বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচন করার জন্য মাঠে আছেন। তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়ে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা সবাইকে এই চিঠি দিয়েছেন।

  • টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা থাকছেন না: কাদের

    টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা থাকছেন না: কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, টেকনোক্র্যাট কোনো মন্ত্রী ৯ ডিসেম্বরের পর মন্ত্রিপরিষদে থাকছেন না।

    ওবায়দুল কাদের আজ শনিবার নিজ নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের ছুন্নার দীঘি মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের পদত্যাগপত্র প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জমা দেওয়া আছে। নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রিপরিষদের আকার ছোট বা বড় করার এখতিয়ার একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর।

    আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মনোনয়ন-বাণিজ্যের কোনো অভিযোগ নেই উল্লেখ করে কাদের বলেন, ‘মনোনয়নপত্র বাণিজ্যের কারণে মনোনয়নবঞ্চিতরা বিএনপির অফিসে হামলা করেছে।’ বিএনপির প্রার্থী মওদুদ আহমদ জনপ্রিয়তা হারিয়ে আচরণবিধি ভঙ্গ করছেন, অভিযোগ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন তিনি লাঠিসোঁটা নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নিজ দলের লোকজনকে দিয়ে বোমা ফাটিয়ে আমাদের ওপর দোষ দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দণ্ড মওকুফ করার জন্য দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের দাবি অবান্তর উল্লেখ করে কাদের বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে দণ্ডিত ব্যক্তি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন, এমন নজির নেই।

    এ সময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ বি এম জাফর উল্যাহ, কবিরহাট পৌরসভার মেয়র জহিরুল হক রায়হান, কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আমিন রুমি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • গুলশানে খালেদার কার্যালয়ে ভাঙচুর

    গুলশানে খালেদার কার্যালয়ে ভাঙচুর

    মনোনয়ন না দেওয়ার প্রতিবাদে বিএনপি নেতা এহছানুল হক মিলন, তৈমুর আলম খন্দকার ও সেলিমুজ্জামান সেলিমের অনুসারী কর্মী-সমর্থকেরা গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করছেন। এ সময় তারা কার্যালয়ের প্রধান ফটকে লাথি মারেন, ধাক্কা দেন, ইট-পাটকেল ছুড়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। রাতে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাঁদের এই বিক্ষোভ চলছিল। অনেকেই ফটকের সামনে শুয়ে বিক্ষোভ করছেন।

    এর আগে রোববার সকালে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের অনুসারী নেতা-কর্মীরা নয়াপল্টন কার্যালয়ের ফটকে তালা দেন। বিক্ষোভের পর ১২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়ে তাঁরা তালা খুলে দেন। এরপর বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে মিলনের কর্মী–সমর্থকেরা গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সামনে এসে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ ও ভাঙচুর করতে থাকেন।

    এর মধ্যেই নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে আবদুল মালেক রতনকে মনোনয়ন দেওয়ার প্রতিবাদে বঞ্চিত প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকারের কর্মী-সমর্থকেরা বিক্ষোভ করে ভাঙচুর চালান। তাঁরা বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ের ফটকে ধাক্কাধাক্কি করেন। একপর্যায়ে দুই-তিনজন কর্মী বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দ্বিতীয় তলায় ইট পাটকেল ছোড়েন।  এতে জানালার কাচ ভেঙে যায়। এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপকারীকে ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেন।

    এর সঙ্গে একই কারণে এহছানুল হক মিলনের সমর্থকেরা সাড়ে পাঁচটা থেকে তাঁর নামে স্লোগান দিতে থাকেন। গোপালগঞ্জের সেলিমুজ্জামান সেলিমের হাজারো সমর্থক শনিবার বিকেলে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে হামলা চালান। একপর্যায়ে সেলিমুজ্জামান সেলিমের কর্মী-সমর্থকেরা রাস্তায় শুয়ে পড়েন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খানসহ দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা কার্যালয়ের ভেতরে আছেন।

    পৌনে সাতটার দিকে তৈমুর আলমের সমর্থকেরা সরে যান। তবে এ সময় তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা মিছিল করে ‘আওয়ামী লীগের দালালেরা হুঁশিয়ারি-সাবধান’ স্লোগান দিতে থাকেন। এর পাশাপাশি বিএনপির ঢাকার নেতা-কর্মীরা সংগঠিত হচ্ছেন, তাঁরা মিলনের কর্মীদের সরে যেতে বলেছেন।

    এহছানুল হক মিলন চাঁদপুর-১, তৈমুর আলম খন্দকার নারায়ণগঞ্জ-১ এবং সেলিমুজ্জামান গোপালগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন চেয়েছিলেন।

  • সিপিবির এক পা ভোটে, এক পা আন্দোলনে: সেলিম

    সিপিবির এক পা ভোটে, এক পা আন্দোলনে: সেলিম

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনো উৎসব নয়, বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। তিনি বলেছেন, এই নির্বাচন শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, উৎসবও নয়। এই নির্বাচনের অন্যতম তাৎপর্য হলো, এই দেশ আগামী দিনে কীভাবে চলবে সে বিষয়ে জনগণের ম্যান্ডেড নেওয়া।

    আজ শনিবার দুপুরে পুরানা পল্টনের মুক্তিভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সিপিবির চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের সময় মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সিপিবির ৭৪ আসনে কাস্তে মার্কার চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি এই নির্বাচনকে আন্দোলনের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সিপিবির এক পা নির্বাচনে আর আরেক পা আন্দোলনে।

    মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘দেশ কীভাবে চলবে সে বিষয়ে এখনো আলোচনা দেখছি না। বরং তথাকথিত বড় দলগুলো ব্যস্ত দলছুট করে কাকে কীভাবে দলে আনা যায়, ফরম বিক্রি ও অন্য কীভাবে টাকা আয় করা যায়, তা নিয়ে। নৌকা ও ধানের শীষ লুটপাটের চলতি সিস্টেম বহাল রাখতে চায়। এই বিবেচনায় এরা একই পন্থার। এরা ১ শতাংশ মানুষের স্বার্থ রক্ষাকারী আর বাম জোট ৯৯ শতাংশ মানুষের স্বার্থ রক্ষায়। সেই সংগ্রামের অংশ হিসেবে এক পা নির্বাচনে, আরেক পা আন্দোলনে।’

    পরে সেলিম সিপিবি মনোনীত চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেন। এতে রংপুর বিভাগে পঞ্চগড়-২ আসনে আশরাফুল আলম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে প্রভাত সমীর শাজাহান আলম, দিনাজপুর-৩–এ বদিউজ্জামান বাদল, দিনাজপুর-৪ রিয়াজুল ইসলাম রাজু, রংপুর-৬ অধ্যাপক কামরুজ্জামান, কুড়িগ্রাম-২ উপেন্দ্র নাথ রায়, কুড়িগ্রাম-৩ দেলোয়ার হোসেন, গাইবান্ধা-২ মিহির ঘোষ ও গাইবান্ধা-৫ আসনে যজ্ঞেশ্বর বর্মণের নাম ঘোষণা করা হয়।

    রাজশাহী বিভাগে সিপিবির প্রার্থীরা হলেন—বগুড়া-৫ আসনে সন্তোষ পাল, বগুড়া-৬ আমিনুল ফরিদ, নওগাঁ-৪ ডা. ফজলুর রহমান, রাজশাহী-২ এনামুল হক ও সিরাজগঞ্জ-৩ শেখ মোস্তফা নূরুল আমিন।

    খুলনা বিভাগে কুষ্টিয়া-২ আসনে অধ্যাপক ওয়াহেদুজ্জামান পিন্টু, বাগেরহাট-২ খান সেকেন্দার আলী, বাগেরহাট-৪ শরীফুজ্জামান শরীফ, খুলনা-১ অশোক সরকার, খুলনা-২ এইচ এম শাহাদাৎ, খুলনা-৫ চিত্ত রঞ্জন গোলদার, খুলনা-৬ সুভাষ ছানা মহিম এবং সাতক্ষীরা-১ আসনে মো. আজিজুর রহমান দলীয় প্রার্থী ।

    বরিশাল বিভাগে পটুয়াখালী-১ মতলেব মোল্লা, পটুয়াখালী-২ শাহাবুদ্দিন আহমেদ, ভোলা-১ অ্যাড. সোহেল আহমেদ, পিরোজপুর-১ ডা. তপন বসু, পিরোজপুর-২ হাজি হামিদ, পিরোজপুর-৩ দিলীপ কুমার পাইককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

    ময়মনসিংহ বিভাগে জামালপুর-২ আসনে মনজুরুল আহসান খান, জামালপুর-৩ শিবলুল বারী রাজু, জামালপুর-৫ আলী আক্কাস, শেরপুর-১ আফিল শেখ, ময়মনসিংহ-৩ হারুন আল বারী, ময়মনসিংহ-৪ এমদাদুল হক মিল্লাত, নেত্রকোনা-১ আলকাছউদ্দিন মীর, নেত্রকোনা-২ মোশতাক আহমেদ, নেত্রকোনা-৩ অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন ও নেত্রকোনা-৪ আসনে জলি তালুকদার কাস্তে পেয়েছেন।

    ঢাকা বিভাগে টাঙ্গাইল-২ আসনে জাহিদ হোসেন খান, কিশোরগঞ্জ-১ আসনে এনামুল হক, কিশোরগঞ্জ-২ নূরুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-৩ এনামুল হক ইদ্রিছ, কিশোরগঞ্জ-৫ অধ্যাপক ফরিদ আহাম্মদ, মুন্সীগঞ্জ-১ সমর দত্ত, মুন্সীগঞ্জ-৩ শ ম কামাল হোসেন, ঢাকা-১ আবিদ হোসেন, ঢাকা-২ সুকান্ত শফী চৌধুরী কমল, ঢাকা-৬ আবু তাহের বকুল, ঢাকা-১৩ আহসান হাবিব লাবলু, ঢাকা-১৪ রিয়াজউদ্দিন, ঢাকা-১৫ ডা. সাজেদুল হক রুবেল, গাজীপুর-২ জিয়াউল কবীর খোকন, গাজীপুর-৪ মানবেন্দ্র দেব, নরসিংদী-৪ কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, নারায়ণগঞ্জ-১ মোঃ মনিরুজ্জামান চন্দন, নারায়ণগঞ্জ-২ হাফিজুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ-৩ আব্দুস সালাম বাবুল, নারায়ণগঞ্জ-৪ ইকবাল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ-৫ অ্যাড. মন্টু ঘোষ, ফরিদপুর-৩ রফিকুজ্জামান লায়েক, ফরিদপুর-৪ আতাউর রহমান কালু, শরীয়তপুর-১ মোদাচ্ছের হোসেন বাবুল (সমর্থিত) এবং শরীয়তপুর-৩ আসনে সুশান্ত ভাওয়াল মনোনয়ন পেয়েছেন।

    সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ-২–এ নিরঞ্জন দাশ খোকন ও হবিগঞ্জ-৩ আসনে পীযূষ চক্রবর্তীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

    চট্টগ্রাম বিভাগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ঈসা খান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ শাহরিয়ার মো. ফিরোজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ শাহীন খান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ অ্যাড. সৈয়দ মোহাম্মদ জামাল, কুমিল্লা-৫ আবদুল্লাহ আল ক্বাফী, নোয়াখালী-৩ মজিবুল হক মজিব, চট্টগ্রাম-৮ সেহাব উদ্দিন সাইফু, চট্টগ্রাম-৯ মৃণাল চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১৪ আসনে আব্দুল নবী সিপিবির চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছেন।

    আজ সংবাদ সম্মেলনে সূচনা বক্তব্য দেন সিপিবির সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। এ সময় প্রার্থীদের মধ্যে কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, আবদুল্লাহ আল ক্বাফী, আহসান হাবীব লাবলু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • জগাখিচুড়ি ঐক্যের পরিণতি ভোগ করছে বিএনপি: কাদের

    জগাখিচুড়ি ঐক্যের পরিণতি ভোগ করছে বিএনপি: কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি ঘর গোছাতে পারেনি, জগাখিচুড়ি ঐক্যের পরিণতি তারা পদে পদে অনুভব করছে। যার কারণে তাদের সেক্রেটারি জেনারেলের অফিসে গিয়ে মনোনয়নবঞ্চিত ব্যক্তিরা হামলা চালাচ্ছেন। যাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে, যাঁরা মনোনয়ন পাননি, তাঁরাই হামলা চালাচ্ছেন। এ ধরনের অভিযোগ আওয়ামী লীগে নেই।

    আজ শনিবার দুপুরে ওবায়দুল কাদের তাঁর নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালী-৫ ( কবিরহাট-কোম্পানীগঞ্জ) আসনের কবিরহাট উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের কাছারিরহাট বাজারে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি সকালে একই ইউনিয়নের ওটারহাট ও নাছিরেরটেক এলাকায় দলীয় নেতা-কর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির ভাঙা হাট, এ হাট জমছে না। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই তাদের এ এলোমেলো অবস্থার জন্য তাদের এই জগাখিচুড়ি ঐক্য আজকে ভঙ্গুর অবস্থায় নিপতিত হয়েছে। তারা এখন জনসমর্থন হারিয়ে নিজেদের মিটিং-মিছিলে বোমা ফাটিয়ে আওয়ামী লীগের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।

    এ সময় তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১০ বছরে পুরো দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে, সাধারণ মানুষ সে উন্নয়নের কারণেই পুনরায় আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করবেন। তিনি নিজ নির্বাচনী এলাকার নানা উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরে বলেন, কবিরহাট-কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় যে উন্নয়ন হয়েছে তা এসব এলাকার মানুষ বিএনপির সময় সিকিভাগও চোখে দেখেনি।

    মতবিনিময় সভা চলাকালীন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াত খান, কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক ও কবিরহাট পৌর মেয়র জহিরুল হক রায়হান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • আপিলে আফরোজার মনোনয়নপত্র বৈধ, অবৈধ আমানের

    আপিলে আফরোজার মনোনয়নপত্র বৈধ, অবৈধ আমানের

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমানের মনোনয়নপত্র বাতিলের আদেশ বহাল রেখেছে কমিশন।

    মনোনয়নপত্র বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে আফরোজা ও আমানের আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন আজ শনিবার এই আদেশ দেয়। নির্বাচন কমিশনের এই আদেশের ফলে মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের ঢাকা-৯ আসন থেকে নির্বাচন করতে আর কোনো বাধা থাকল না।

    আমান উল্লাহ আমান ঢাকার-২ আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাইবাছাই শেষে ঢাকার রিটার্নিং কর্মকর্তা আমানের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন। দণ্ড থাকার কারণে আমানের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে ঋণ খেলাপির কারণে ঢাকা-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা আব্বাসের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন ঢাকার বিভাগীয় রিটার্নিং কর্মকর্তা।

    ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে শুনানি শেষে আজ নির্বাচন কমিশন আফরোজার মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করে।

    ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

  • ৪-১ এ খালেদার প্রার্থিতা বাতিল

    ৪-১ এ খালেদার প্রার্থিতা বাতিল

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আপিল শুনানিতেও বাতিল হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন এ তথ্য জানায়।

    খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার কেবল কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন বলে মত দেন। তবে ভিন্ন মত পোষণ করেন কমিশনার রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সাহাদাত হোসেন। এরপর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা তিন নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। ফলে ৪-১ ব্যবধানে খালেদা জিয়ার আপিল খারিজ হয়ে যায়।

    তিন আসনেই আপিল খারিজ হওয়ায় নির্বাচন করতে পারছেন না বিএনপি চেয়ারপারসন। তবে উচ্চ আদালতে যাওয়ার সুযোগ আছে তার।

    শনিবার দুপুরে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল আবেদনের শুনানি পেন্ডিং (স্থগিত) রাখেন নির্বাচন কমিশনের আপিল বিভাগ। আদালতে দণ্ডিত হওয়ায় এর আগে খালেদার জিয়ার ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও ৭ আসনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। পরে প্রার্থিতা ফেরত পেতে আপিল করেন খালেদা জিয়া।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে যারা আপিল করেছেন তাদের বিষয়ে আজ (শনিবার) শেষ দিনের মতো নির্বাচন কমিশনে শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    আজ মোট ২৩৩ জনের আপিল আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আপিল শুনানিতে খালেদা জিয়ার ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও ৭ আসনের প্রার্থিতা ফেরতের আবেদন যথাক্রমে ৩৮৫, ৪৪০ ও ৪৭৮ নম্বর শুনানির তালিকায় ছিল। শুনানির তালিকায় আসার পর নির্বাচন কমিশনের আপিল বিভাগ এ বিষয়ে বিকেল ৫টায় শুনানি হবে বলে পেন্ডিং রাখে।

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দুদকের দায়ের করা দুর্নীতির দুই মামলায় একটিতে ১০ বছর ও অন্যটিতে ৭ বছরের দণ্ড নিয়ে কারাগারে রয়েছেন। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কারাদণ্ড বহাল থাকায় তার এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের পুনঃতফসিল অনুযায়ী আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার পর থেকে প্রার্থী ও তার সমর্থকরা নির্বাচনী এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন।

  • রাজনীতিতে এসে সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টির অঙ্গীকার শেখ তন্ময়ের

    রাজনীতিতে এসে সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টির অঙ্গীকার শেখ তন্ময়ের

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে মহাজোট থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে বঙ্গবন্ধু পরিবারের তৃতীয় প্রজন্ম শেখ সারহান নাসের তন্ময় এলাকায় তারুণ্যের আইকন হিসেবে পরিণত হয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচতো ভাই ও বাগেরহাট-১ আসনের এমপি শেখ হেলালের ছেলে শেখ তন্ময় শুধু তার সংসদীয় এলাকাতেই নয়, দেশের সংবাদ মাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় সাড়া ফেলে দিয়েছেন।

    বঙ্গবন্ধুর নাতি তরুণ সুদর্শন শেখ সারহান নাসের তন্ময় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আসায় দলের নেতাকর্মী সমর্থকরা যেমন উজ্জ্বীবিত, তেমনি বাগেরহাটের সাধারণ মানুষও দারুণ উৎফুল্ল। আসন্ন নির্বাচনে শেখ পরিবারের সদস্য শেখ তন্ময় অংশ নেয়ায় তিনি যেখানেই যাচ্ছেন দলমতের উর্দ্ধে থেকে সবাই তাকে এক নজর দেখার জন্য ভিড় করছেন দলমতের উর্ধ্বে সব শ্রেণীপেশার মানুষ।

    প্রথমবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে শেখ তন্ময় হেভিওয়েট প্রার্থীর তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনা শুরু হবার আগেই দলীয় সভা, ধর্মীয় ও সামাজিক কোন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাগেরহাট শহরের বাসা থেকে বের হলেই শেখ তন্ময়কে ঘিরে ধরে সাধারন মানুষ। কোন রকম বিরক্ত না হয়েই খুব সহজেই সাধারন মানুষের সাথে একাকার হয়ে যান তিনি।

    তরুন-তরুনীসহ সর্বশ্রেনীর ভোটারদের মুখেমুখে এখন শেখ তন্ময়ের জয়গান। তার রাজনীতিতে আসা, ভবিষ্যতে দেশ নিয়ে তার ভাবনা কী তা জানতে তরুণ প্রজন্মের প্রার্থী শেখ তন্ময় একান্তে মুখোমুখি হয়েছিল।

    পারিবারিক সিদ্ধান্তেই কি রাজনীতিতে এসেছেন ?এমন প্রশ্নের উত্তরে শেখ তন্ময় বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে বড় হয়েছি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (বড় ফুফু) অনুপ্রেরণায় রাজনীতি করতে আগ্রহী হয়েছি। তাছাড়া আমার ছোট ফুফু শেখ রেহানা রাজনীতিতে আসতে আমাকে সাহস যুগিয়েছেন। আর বাবা শেখ হেলাল উদ্দীন তো রাজনীতিতে দুই যুগ থেকে আছেনই। শৈশব থেকে পরিবারের মধ্যে দেখে আসা রাজনীতির চর্চা আমাকে রাজনীতিতে আসতে উদ্বুদ্ধ করেছে।

    তিনি আরও বলেন, প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পর দলের মধ্যে একতা শক্তিশালী হয়েছে। আমি নিজে যে কোনদিন রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়ব বুঝতে পারিনি। রাজনীতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এসে দলের নেতাকর্মী সমর্থকদের ভালবাসা পেয়ে আমি সত্যিই আনন্দিত। আমাকে পেয়ে তারা অনেক প্রত্যাশা নিয়ে কাজ করছেন। বাগেরহাটে আমি যেন সুস্থ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করতে পারি এমনটাই আমার অঙ্গিকার থাকবে।

    আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ গত কয়েকটি নির্বাচনের থেকে অনেক ভাল দাবি করে বলেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনের জন্য সুন্দর একটা পরিবেশ তৈরি করেছেন। উদাহরণ হিসেবে যদি বলি আমার প্রতিপক্ষ প্রার্থীরা আসন্ন নির্বাচনে নির্বিঘ্নে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন, জনসংযোগ করছেন। তাদের আমরা কোন বাধা দিচ্ছিনা।

    নির্বাচিত হলে আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি হবে জানতে চাইলে? এই প্রশ্নের উত্তরে শেখ তন্ময় বলেন, আমি তরুণ প্রজন্মের একজন প্রতিনিধি। প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগ আমাকে বাগেরহাট-২ (সদর-কচুয়া) আসনে মনোনয়ন দিয়েছে। তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনেক উদ্যোগ নিয়েছেন। তথ্য প্রযুক্তিতে তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে তরুণদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

    গ্রামের কিশোর তরুণীরা যাতে উচ্চতর ডিগ্রি নিতে পারে সেজন্য আগামীতে প্রত্যেক জেলায় একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী এই সরকার আবার ক্ষমতায় গেলে অর্থনীতির অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে তরুণদের বেকারত্ব ঘুচাতে তাদের নতুন নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে নানামূখি পদক্ষেপ নেয়া হবে।

    তিনি বলেন, আমি ছাত্রজীবনে সাংবাদিকতা বিভাগের একজন ছাত্র ছিলাম। আমি সাংবাদিকতা বিভাগে ছাত্র থাকা অবস্থায় কলাম লিখতাম। আমি আমার উচ্চতর ডিগ্রীটাও সাংবাদিকতার উপর করেছি। আধুনিক গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গনমাধ্যম জাতির চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের (মিডিয়া) গুরুত্ব অপরিসীম।

    তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমে যারা কাজ করেন তাদের সবারই একটি দায়িত্ব আছে, আমি যদি ভুল করি তা ধরিয়ে দেয়া। ভাল কাজ জনগনের মাঝে তুলে ধরা। আজকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু আমাদের কিছু মত পার্থক্য থাকতে পারে, বিরোধীদল আছে, স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি আছে। আজকে দেশকে সাম্প্রদায়িক শক্তি থেকে বের করে নিয়ে এসে তরুণদেরকে সাথে নিয়ে  সুন্দর সম্ভবনাময় দেশ উপহার দিতে চাই। আমাকে দল এখানে মনোনয়ন দিয়েছে। আমার দায়িত্ব কিভাবে বাগেরহাটকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় এবং এখানকার মানুষ শান্তিতে থাকতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখা। তাছাড়া কিভাবে নির্বাচিত হয়ে তরুণ প্রজন্মের জন্য বাংলাদেশের ভাল প্রতিনিধি হতে পারি সেই চেষ্টা করা।

    শেখ তন্ময় জানান, আমার এই পথচলায় কিছু ভুলত্রুটি হতে পারে, হবে। তাই আমি চাই আপনারা আমাকে সহযোগিতা করবেন। সরকারের নির্বাচিত জনপ্রনিধিরা বিগত দিনে যেমন কাজ করেছেন, আমিও নির্বাচিত হয়ে সেই সকল ভাল কাজে নিজেকে যুক্ত করতে। আমার পরিবারের সদস্যরা রাজনীতির বাইরে এসে সাংবাদিকতা, খেলাধুলায় অবদান রেখেছেন। রাষ্ট্র পরিচালনা বা ভাল সমাজ গড়তে যেসব গুনবলি প্রয়োজন। আমি হয়ত রাজনীতি করিনা বা মাঠে ভাল স্লোগান বক্তব্য দিতে পারিনা। কিন্তু আমার পরিবার থেকে শেখানো হয়েছে যে যা জানো তা দিয়ে তুমি তোমার দায়িত্ব পালন কর।

    বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয়ভাবে দলের নেতাকর্মীরা মনে করেছেন আমার রাজনীতিতে আসা উচিৎ তাই আমি রাজনীতিতে এসেছি। রাজনীতিতে না আসলে হয়ত আমি সাংবাদিকতায় থাকতাম অথবা ক্রিকেটার বা সংগীত শিল্পী হতে পারতাম। যেহেতু আমি রাজনীতিতে এসেছি আমার ভুল ত্রুটি হলে তা ধরিয়ে দেবেন আমি আমার সাধ্য অনুযায়ি দায়িত্ব পালন করে যাব।

    তিনি বলেন, বাগেরহাটের মানুষ কিভাবে শান্তিতে থাকতে পারে, স্থানীয় জনগন যেন তাদের উন্নয়নটা বুঝে নিতে পারে তার জন্য সাংবাদিকদের সহযোগিতা নিয়ে সামনে এগোতে চাই। আপনারা বাগেরহাটের মানুষ আপনারা জানেন এখানকার মানুষের কি প্রয়োজন আছে কি প্রয়োজন নেই। আমি আসন্ন নির্বাচনে বিজয়ী হই বা না হই আপনাদের সাথে নিয়ে আগামীতে বাগেরহাটবাসীর পাশে থাকতে চাই।

  • মির্জা আব্বাসের বিপক্ষে মেননের আপিল নামঞ্জুর

    মির্জা আব্বাসের বিপক্ষে মেননের আপিল নামঞ্জুর

    ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেননের করা আপিলটি নামঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    এদিকে বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার আবেদন মঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে নাজমুল হুদা একাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় করতে পারবেন।

    শনিবার (০৮ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে  শুনানি শেষে তাদের দু’জনকেই নির্বাচনে থাকার আদেশ দেয় নির্বাচন কমিশন।

    এর মাধ্যমে নাজমুল হুদা ঢাকা-১৭ আসনে স্বতন্ত্র থেকে ও মির্জা আব্বাস ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী হলেন।

  • বিসিসি থেকে ঘড়ে শুয়ে বসে টাকা নেয়ার দিন শেষ: মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বিসিসি থেকে ঘড়ে শুয়ে বসে টাকা নেয়ার দিন শেষ: মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বরিশাল মহানগর যুবলীগ সাধারন সম্পাদক,মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্ বলেছেন, এখন থেকে ঘড়ে বসে বিসিসি থেকে টাকা নেয়ার দিন শেষ হয়ে গেছে।

    এখন থেকে নগরবাসীর সেবা করেই স্ব স্ব কর্মচারীদের বেতন নিতে হবে। মিথ্যা আশ্রয়-প্রশ্রয়ে কোন টাকা তসরিফ ভূয়ামী করে খাওয়া যাবেনা।
    নগরবাসী জন সাধারনের টাকা খেতে হলে তাদের সেবা আর কাজ করেই তাদের বেতন নিতে হবে।

    আগামীতে কোন অস্থায়ী কর্মচারীদের বেতনের টাকার জন্য বিসিসি কার্যালয়ে ধর্ণা দিতে হবে এখন থেকে তাদের বেতনের টাকা তাদের নিজস্ব ব্যাংক হিসাবের খাতায় প্রদান করা হবে।

    যে সকল কর্মচারীদের ব্যাংক একাউন্ট নেই তাদেরকে দ্রুত ব্যাংকে একাউন্ট খোলার নির্দেশ দেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    শুক্রবার নগরীর কালিবাড়ি রোডস্থ জগদিশ স্বারশত বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে সিটি কর্পোরেশনের দৈনিক মজুরী ভিত্তিক কর্মচারীদের সাথে,বরিশাল সিটি কর্পারেশনের নির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বিসিসি সদ্য যোগদানকারী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খায়রুল হাসানের সভাপতিত্বে,মতবিনিময় সভা ও বিসিসি’র অস্থায়ী কর্মচারীদের মাঝে পরিচয় পত্র((আইডি কার্ড ) বিতরন অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত বিসিসি সচিব মোঃ ইসরাইল হোসেন।

    বিসিসি অস্থায়ী কর্মচারীদের মাঝে (আইডি কার্ড) পরিচয় পত্র বিতরন তাদেরকে ব্যাংক একাউন্ট খোলায় বিসিসি এ থেকে কি সফলতা অর্জন করবে বলে এ বিষয়ে মেয়রের কাছে জানতে চাইলে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

    তিনি এসময় আরো বলেন,ইতি পূর্বে যারা বিসিসি কর্ম পরিষদ পরিচালনা করে গেছেন,তাদের সময়ে বিপুল পরিমান অর্থ বেহাত হয়েছে সে তুলনায় নগরবাসী তেমন কোন নাগরীক সুবিধা পায়নি।

    আমার সময়ের কাজ করেই তাদের ন্যায্য বেতন নিতে হবে,কারন এ টাকা সাদিক আবদুল্লাহ’র পকেটের টাকা না,এ টাকা নগরবাসীর টাকা,সে টাকা আমি ও আমার কাউন্সিলর পরিষদ বেহাত হতে দিব না।

    উল্লেখ ইতি পূর্বের মেয়র ও তার কাউন্সিলর পরিষদ গত ৫টি বছর দায়ীত্ব পালন কালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বকেয়া-বেতনের জন্য বেশ কয়েকবার বিসিসি কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয়া সহ সভা-সমাবেশ বিক্ষোভের কারনে নগরবাসী নাগরীক সুবিদা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

    তাই বর্তমান মেয়র সে সমস্যা দূর করেই বিসিসি’র ঝিমিয়ে পড়া ও অচল অবস্থা দূর করে কর্ম চাঞ্চল্যতায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।

    তারই ধারাবাহিকতায় অংশ ও বিসিসি’র অস্থায়ী কর্মচারীদের একটি শৃঙখলায় ফিরিয়ে আনতে এ পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।তারই আলোকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আনুমানিক ১৫শত অস্থায়ী কর্মচারীদের এক মাসের বেতন বাবদ ৮০ থেকে ৯০ লক্ষ টাকা প্রদান করা হবে বলে সিটি মেয়র,সাদিক আবদুল্লাহ্ ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খায়রুল হাসান এ তথ্য প্রদান করেন।