Category: রাজণীতি

  • হয় জেলে যাব, না হয় খালেদাকে মুক্ত করব

    হয় জেলে যাব, না হয় খালেদাকে মুক্ত করব

    স্টাফ রিপোর্টার/ শামীম ইসলাম:

    বরিশাল-১ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার বলেছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩০ ডিসেম্বর হয় জেলে যাব, না হয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব।

    তিনি বলেন, শুধু আমি নয়, বিএনপির সকল নেতাকর্মী হয় জেলে যাবে, না হয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে। আমরা কঠিন আন্দোলনে নেমেছি। ৩০ ডিসেম্বর ভোট হবে।

    বাংলার মানুষকে রক্ষার জন্য যে ধরনের প্রস্তুতি নেয়া দরকার সে ধরনের প্রস্তুতি বিএনপি নেতাকর্মীদের নিতে হবে। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের এমন সিদ্ধান্ত নেয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

    একাদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বরিশাল মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে এমন বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার। সোমবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর পশ্চিম কাউনিয়ার মজিবর রহমান সরোয়ারের বাসভবনে এ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    তিনি বলেন,দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হচ্ছে। ক্ষমতাসীনরা সুযোগ নিচ্ছে, আরও নিতে চাইবে। তাই মানুষ যাতে সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারে সেজন্য যা যা করা দরকার তাই করতে হবে। বরিশাল সদর আসনের প্রতিটি কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি গঠন করতে হবে। কমিটিগুলোতে সর্বাধিক নেতাকর্মীকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

    সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদার ও সহ-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক তারিন প্রমুখ।

  • বরিশাল সিটির সাবেক মেয়রের ছেলের ওপর দুর্বৃত্তদের হামলা

    বরিশাল সিটির সাবেক মেয়রের ছেলের ওপর দুর্বৃত্তদের হামলা

    স্টাফ রিপোর্টার/ শামীম ইসলাম:

    বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামালের ছেলে কামরুল আহসান রূপনের ওপর সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। এতে রূপন ও তার বন্ধু রুবেল গুরতর আহত হয়েছেন। তাদেরকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর কালিজিরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    কামরুল আহসান রূপন জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার বন্ধু রুবেলকে নিয়ে তিনি বাসা থেকে বের হন। এসময় দু’জন যুবক তাদের অনুসরণ করছিলেন। কিছুক্ষণ পর নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে তার মাছের ঘেরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। বেলা ১১টার দিকে কালিজিরা এলাকায় পৌঁছলে ওঁঁৎপেতে থাকা কয়েকজন সন্ত্রাসী তাদের পথরোধ করে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। একপর্যায়ে মারধর শুরু করে দুর্বৃত্তরা। হামলায় তিনি (রূপম) ও তার বন্ধু রুবেল গুরতর আহত হন। মারধরের পর সন্ত্রাসীরা তাকে নানা ধরনের হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    কামরুল আহসান রূপন আরও জানান, হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানান তিনি।

    তবে একটি সূত্র জানায়,নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে দলীয় প্রতিপক্ষরা এ হামলা চালিয়ে থাকতে পারে।

    কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. নুরুল ইসলাম জানান,হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হলে কাউকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • ৪০ বছর পর নির্বাচনে নেই সাকা পরিবার

    ৪০ বছর পর নির্বাচনে নেই সাকা পরিবার

    প্রায় ৪০ বছর পর সালাহউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর পরিবারের কোনো সদস্য সংসদ নির্বাচনে থাকছেন না। মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসি কার্যকর হওয়া সাকা চৌধুরীর ভাই গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী (গিকা) এবং তাঁর ছেলে সামির কাদের চৌধুরী মনোনয়নপত্র জমা দিলেও গতকাল তা বাতিল হয়েছে।

    গিয়াস উদ্দিন কাদের চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) ও চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বিএনপির হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তিনি দলীয় মনোনয়নপত্রের চিঠি জমা দিতে পারেননি। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন ব্যাংকের ঋণখেলাপি। তাই তাঁর মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তাঁর ছেলে সামির কাদের একই দলের হয়ে চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তিনিও ঋণখেলাপির জন্য প্রার্থিতার বৈধতা পাননি।

    বাবা-ছেলের হয়ে তাঁদের আইনজীবীরা বিভিন্ন বক্তব্য তুলে ধরলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা সেগুলো আমলে নেননি। তিন আসনে এখনো বিএনপির বিকল্প প্রার্থী রয়েছেন। চট্টগ্রাম-৬ আসনে বিএনপির বর্তমান প্রার্থী উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য জসিম উদ্দিন সিকদার ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন বলে জানান।

    তিনি বলেন, ’৭৯ সালের পর এই প্রথম পরিবারতন্ত্রের বাইরে বিএনপির প্রার্থী পেতে যাচ্ছে রাউজান। এতে দলীয় নেতা–কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বেড়েছে। দলের মধ্যে প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, প্রতিযোগিতামূলক রাজনীতির প্রসার ঘটবে।

    ৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের সময় রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া থেকে মুসলিম লীগের প্রার্থী হিসেবে সাকা চৌধুরী প্রথম সাংসদ নির্বাচিত হন। পরে রাউজান আসন ছেড়ে দিয়েছিলেন গিয়াস উদ্দিন কাদেরকে। কিন্তু গিয়াস উদ্দিন উপনির্বাচনে জিততে পারেননি। এরপর ’৮৬ সালে সাকা চৌধুরী জাতীয় পার্টির হয়ে নির্বাচন করেন। সেবার তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এরপর ’৯১ সালে এনডিপি থেকে ও ’৯৬ সালে বিএনপি থেকে সাকা চৌধুরী পুনরায় সাংসদ নির্বাচিত হন।

    ’৯৬ সালে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বিএনপির হয়ে রাউজান থেকে সাংসদ হন। ২০০১ ও ২০০৮ সালে তিনি একই আসনে চাচাতো ভাই আওয়ামীলীগের বর্তমান সাংসদ এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর কাছে হেরে যান। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি। তাই তাঁদের পরিবারের কেউও নির্বাচন করেননি। এর পরের বছর ২২ নভেম্বর সাকা চৌধুরীর ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হয়। স্বাধীনতার আগে সাকা চৌধুরীর বাবা ফজলুল কাদের চৌধুরী গণপরিষদের সদস্য ছিলেন।

  • পার্বত্য এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিপূরণ বাড়ছে

    পার্বত্য এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিপূরণ বাড়ছে

    পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় সরকারি কাজে ভূমি অধিগ্রহণ করলে ক্ষতিগ্রস্তরা বাজার মূল্যের পাশাপাশি অতিরিক্ত আরও ২০০ শতাংশ ক্ষতিপূরণ পাবেন। বেসরকারি কাজে অধিগ্রহণ করলে ক্ষতিপূরণ পাবে বাজারমূল্যের সঙ্গে আরও ৩০০ শতাংশ। বর্তমানে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয় বাজার মূল্যের সঙ্গে আরও মাত্র ১৫ শতাংশ।

    এসব সুবিধা রেখে দ্য চিটগং হিল ট্র্যাকস (ল্যান্ড একুজিয়েশন) রেগুলেশন ১৯৫৮ সংশোধন করার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সংশোধনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। তিনি বলেন, সমতলে ৬১টি জেলার সঙ্গে মিল রেখে এই ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণটা বাড়ানো হয়েছে।

    এ ছাড়াও আজকের সভায় বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ শ্রম আইন অনুযায়ী ইপিজেডেও শ্রমিকদের কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন করা, ধর্মঘট করার ক্ষেত্রে নমনীয়তার সুযোগ রাখা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিদ্যমান শ্রম আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ আইনটি করা হচ্ছে।

    পাশাপাশি আজকের সভায় সংবাদপত্রের কর্মীদের জন্য ‘নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড ২০১৮’ এর সুপারিশ মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়েছিল। তবে মন্ত্রিসভা সুপারিশ পর্যালোচনার জন্য পাঁচজন মন্ত্রীর সমন্বয়ে একটি কমিটি করে দিয়েছে। এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক।

    সচিব বলেন, এই কমিটি যে সুপারিশ দেবে তা গেজেট আকারে জারি করা হবে। আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে গেজেট প্রকাশের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

  • সরকারি চাকরিতে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য নীতিমালা হচ্ছে

    সরকারি চাকরিতে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য নীতিমালা হচ্ছে

    সরকারি চাকরিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠীসহ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছিল। কিছুদিন পর পরই এই আন্দোলন হয়। সে জন্য আমরা কোটা পদ্ধতি বাতিল করে দিয়েছি এটা ঠিক। তবে, একটা নীতিমালা আমরা তৈরি করছি।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রতিবন্ধী, সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠী বা অনগ্রসর জাতি- তারা যেন যথাযথভাবে চাকরি পায় এবং চাকরিতে তাদের অধিকার নিশ্চিত হয় নীতিমালায় সেই ব্যবস্থাটা অবশ্যই করা হবে।

    আজ সোমবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২৭তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস এবং ২০তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

    ১৯৯৬ সালে সরকারে আসার পর থেকেই প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষায় তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,মানুষ হিসেবে তাদের প্রাপ্য অধিকারটা আমরা যেন দিতে পারি এবং তাদের ভেতরে যে শক্তি আছে সেটাকে আমরা যেন কাজে লাগাতে পারি, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

    প্রতিবন্ধীদের জন্য কল্যাণ ফাউন্ডেশন তৈরি এবং তাদের মধ্যে যারা খেলাধুলায় সম্পৃক্ত তাদের বিশেষ অলিম্পিকে সম্পৃক্ত করাসহ আরও নানা ধরনের সুযোগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,তারাই আমাদের জন্য স্বর্ণ জয় করে আনছে, এর মাধ্যমেই বোঝা যায় তাদের সুপ্ত প্রতিভাটা। কাজেই আমাদের দেশের কাজেও তারা লাগতে পারে।

    ‘সাম্য ও অভিন্ন যাত্রায় প্রতিবন্ধী মানুষের ক্ষমতায়ন শীর্ষক প্রতিপাদ্য দিয়ে সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন সভাপতিত্ব করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জিল্লার রহমান এবং জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরামের সভাপতি সায়েদুল হকও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

    সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩’ এবং ‘নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট আইন, ২০১৩’ নামে দুটি আইন পাস করে। ইতিমধ্যে এর বিধিমালাও প্রণয়ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, যত স্থাপনা হবে প্রতিটি জায়গায় প্রতিবন্ধীদের যাতায়াতের এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যেন থাকে, সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ টয়লেটের ব্যবস্থাসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সব স্থানে তাদের জন্য যেন সুযোগ-সুবিধা থাকে, সেই নির্দেশনা দেওয়া আছে।

    প্রধানমন্ত্রী এ সময় দুই ঈদ, বাংলা ও ইংরেজি নববর্ষ এবং বড়দিন উপলক্ষে যে শুভেচ্ছা কার্ড পাঠান, তা এই প্রতিবন্ধীদের আঁকা ছবি দিয়েই করা হয় বলেও উল্লেখ করেন।

  • আপিল করবেন বিএনপির প্রার্থীরা

    আপিল করবেন বিএনপির প্রার্থীরা

    যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বিএনপির প্রার্থীরা। কাল মঙ্গলবার তাঁরা আবেদন করতে পারেন। এ জন্য আজ সোমবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করেছেন তাঁরা। তবে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়া আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেননি।

    গতকাল রোববার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ৪৬ প্রার্থীর ৪৭টি মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এর মধ্যে ৯ আসনে বিএনপির ১২ প্রার্থীর ১৩টি মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়। বাকি প্রার্থীরা স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দলের। চট্টগ্রামের আসনগুলোতে মোট ১৮০ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। যাচাই-বাছাইয়ের পর ১৩৩টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা ৩-৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আবেদন করতে পারবেন। ইসি ৬-৮ ডিসেম্বর আপিলগুলোর শুনানি করে রায় দেবে।

    সাজার কারণে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ও তাঁর ছেলে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। দুজনই প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার জন্য আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের ব্যক্তিগত সহকারী নুরুল আমিন।

    ঋণ খেলাপের দায়ে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও কারাগারে থাকা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তবে এর বিরুদ্ধে নির্বাচনে কমিশনে মঙ্গলবার আপিল করা হবে বলে জানান তাঁর ভাই ও বিএনপির আরেক প্রার্থী ইছহাক চৌধুরী।

    চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনে বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ বলেন, ছোট্ট একটি কারণে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তাই তিনি আপিল করবেন।

    মনোনয়নপত্রের বৈধতা ফিরে পাওয়ার জন্য মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও উপজেলা পরিষদের বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যান নুরুল আমিন। তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে লাভজনক পদ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। পদত্যাগপত্র দিলেও তা গ্রহণ করেননি রিটার্নিং কর্মকর্তা। তাই কমিশনে আপিল করবেন।

    তবে মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও আপিলের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানান চট্টগ্রাম-৪ আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়া। তিনি বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় যাচাই-বাছাই করে নাকি এর সত্যতা পায়নি। কিন্তু ঠিক তথ্য দিয়েছিলেন তিনি।

    রোববার বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খান, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও তাঁর ছেলে সামির কাদের চৌধুরী, সন্দ্বীপের সাবেক সাংসদ মোস্তফা কামাল পাশা, বিএনপির নেতা সামসুল আলম, আবু আহমেদ হাসনাত ও আবদুল আলিমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

  • মনোনয়ন বাণিজ্যের বিষয়টি তদন্ত করবে জাতীয় পার্টি : রাঙা

    মনোনয়ন বাণিজ্যের বিষয়টি তদন্ত করবে জাতীয় পার্টি : রাঙা

    জাতীয় পার্টির সদ্য নিযুক্ত মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙা বলেছেন, জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে ‘মনোনয়ন বাণিজ্যের’ অভিযোগ তদন্ত করবে জাতীয় পার্টি। সোমবার বিকালে রাজধানীর বনানীতে পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন এ কথা জানান দলটির সদ্য নিযুক্ত মহাসচিব।

    মনোনয়ন নিয়ে বাণিজ্যের প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, এবিষয়ে সত্যতা, অসত্যতা রয়েছে। নানা বক্তব্য আছে। আমরা জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্যরা গত রাতে আলোচনা করেছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্যদের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। জাতীয় পার্টির মনোনয়নপত্র বিতরণের শেষে বেশ কজন নেতা অভিযোগ করেন, সিনিয়র কয়েকজন নেতা টাকার বিনিময়ে মনোনয়ন দিয়েছেন।

    মসিউর রহমান রাঙা বলেন, মনোনয়ন নিতে এসে যারা লাঞ্চিত হয়েছেন, যারা টাকা-পয়সা নেওয়ার অভিযোগ এনেছেন, তারা যদি আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান, তবে আমরা ব্যবস্থা নেব। আমরা একটা কমিটি করে দেব। তারপর প্রেসিডিয়াম সদস্যরা তদন্ত করবে। দোষী হলে আমরা গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।

    এর আগে সকালে জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্র মোতাবেক এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারকে সরিয়ে মসিউর রহমান রাঙাকে জাতীয় পার্টির মহাসচিব পদে নিযুক্ত করেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

    হাওলাদারকে ঠিক কোন কারণে মহাসচিবের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে কিছু না বললেও রাঙা বলেন, আপনারা জানেন, ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না। তার মনোনয়ন গৃহীত হয়নি।তবে মাননীয় চেয়ারম্যান তাকে কেন অব্যাহতি দিয়েছেন, তা তিনি বলবেন। হয়তোবা তিনি (হাওলাদার) পদ থেকে অব্যাহতি চাইতে নিজেও বলেছেন।

  • পার্বত্য শান্তিচুক্তি ২১তম পূর্তি উপলক্ষে দোয়া মিলাদ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    পার্বত্য শান্তিচুক্তি ২১তম পূর্তি উপলক্ষে দোয়া মিলাদ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    স্টাফ রিপোর্টার/শামীম ইসলাম:

    ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২১তম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে, ২রা ডিসেম্বর পার্বত্য শান্তিচুক্তি দিবস উপলক্ষে জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের  ও কালী রোডস্থ সেরনিয়াবাত ভবনে দোয়া ও মোনাজাত এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়,উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখেন, বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন,তালুকদার মো: ইউনুছ এমপি, পংকজ দেবনাথ এমপি,মহানগর আওয়ামীলীগ সভাপতি এ্যাড: গোলাম আব্বাস চৌধুরী (দুলাল) সাধারন সম্পাদক এ্যাড: এ.কে.এম জাহাঙ্গীর,সহসভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু, ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ্যাড: রফিকুল ইসলাম খোকন সহ আরো অন্যান্যর মধ্যে, যুবলীগ,ছাত্রলীগ সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ।

  • পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২১বছর পূর্তিতে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান মহানগর আ.লীগ নেতৃবৃন্দ

    পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২১বছর পূর্তিতে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান মহানগর আ.লীগ নেতৃবৃন্দ

    স্টাফ রিপোর্টার/শামীম ইসলাম:

    ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২১তম বার্ষিকীতে পার্বত্য শান্তি চুক্তির রূপকার পার্বত্য শান্তি চুক্তির বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী), স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ,মহানগর আওয়ামীলীগ সভাপতি এ্যাড: গোলাম আব্বাস চৌধুরী (দুলাল) সাধারন সম্পাদক এ্যাড: এ.কে.এম, সহসভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু, ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ্যাড: রফিকুল ইসলাম খোকন সহ আরো অন্যান্যর মধ্যে, যুবলীগ,ছাত্রলীগ ও আইনজীবী পরিষদ এর সদস্যরা।

  • যেসব আসনে কোনো প্রার্থী নেই বিএনপির

    যেসব আসনে কোনো প্রার্থী নেই বিএনপির

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ঢাকার একটিসহ সারাদেশের কয়েকটি আসনে আপাতত বিএনপির প্রার্থীশূন্য হয়ে পড়েছে।

    বিএনপির প্রার্থীশুন্য আসনগুলো হলো বগুড়া-৭, সুনামগঞ্জ -৩, খুলনা-৬, ঢাকা-১, মানিকগঞ্জ-২। এছাড়াও আরও কয়েকটি আসনে প্রার্থীশূন্য হয়েছে বিএনপি।

    জানা গেছে, বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির দুই প্রার্থীর উভয়ের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এই আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাশাপাশি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন গাবতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোরশেদ মিলটন। কিন্তু তাদের দুজনেরই মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

    ঢাকা-১ আসনেও বিএনপির দুই প্রার্থীর উভয়ের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তারা হলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু আশফাক ও নবাবগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান ফাহিমা হোসাইন জুবলি।

    খুলনা-৬ আসনে ঋণ খেলাপী হিসেবে বিএনপির প্রার্থী শফিকুল আলম মনার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এছাড়া যাচাই বাছাইতে বাদ পড়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল কাদের ও সুব্রত কুমার বাইন।

    সুনামগঞ্জ -৩ (জগন্নাথপুর-দক্ষিণ সুনামগঞ্জ) আসনে বিএনপির দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটানিং কর্মকর্তা। আসনটিতে বিএনপি মনোনোয়ন নিয়ে যুক্তরাজ্য বিএনপির কোষাধক্ষ্য আব্দুস ছাত্তার প্রার্থী হলেও বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় নামই নেই তার। যে কারণে মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়েছে। হলফনামানায় নিজেকে জগন্নাথপুর উপজেলার খাগাউরা গ্রামের বাসিন্দা উল্লেখ করেছেন তিনি। বিএনপির অপর প্রার্থী আশরাফুল হক সুমন মনোনয়নপত্রের সাথে হলফনামা সংযুক্ত করে না দেওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

    মানিকগঞ্জ-২ আসনেও বিএনপির দুই প্রার্থীর উভয়ের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। জানা গেছে, এই আসনের বিএনপি মনোনিত প্রার্থী ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য মঈনুল ইসলাম খান শান্ত ও সিংগাইর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবিদুর রহমান রোমান। এর মধ্যে দলীয় মনোনয়ন ফরমে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষরে অমিল থাকায় মঈনুল ইসলাম খান শান্তর মনোনয়নপত্র এবং উপজেলা পরিষদ থেকে পদত্যাগ না করায় আবিদুর রহমান রোমানের মনোনয়নপত্রটি বাতিল করেছে জেলা রির্টানিং অফিসার।

    এই আসনগুলো ছাড়াও আরও কয়েকটি আসনে বিএনপির প্রার্থী শূন্য হয়েছে। বাতিল হওয়া আসনগুলো ফিরে পেতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আপিল করার সুযোগ এখনও রয়েছে। সেখানে আপিলে মনোনয়ন ফিরে না পেলে সর্বশেষ আদালতেও যেতে পারবেন প্রার্থীরা।