Category: রাজণীতি

  • যে-ই ক্ষমতায় আসুক, উন্নয়নে বাধা দিতে পারবে না

    যে-ই ক্ষমতায় আসুক, উন্নয়নে বাধা দিতে পারবে না

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী নির্বাচনে যে-ই ক্ষমতায় আসুক না কেন, কেউ দেশের উন্নয়নে বাধা দিতে পারবে না। বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়াকে আর কেউ থামাতে পারবে না।

    রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আজ রোববার সকালে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি ২০১৫-১৬ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

    আসন্ন নির্বাচনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘যদিও সময় এখন সীমিত। আগামীতে ইলেকশন, কী হবে বলতে পারি না! যতক্ষণ আছি ততক্ষণে যা যা প্রয়োজন সেটা করে দিতে পারব, সেইটুকু কথা দিতে পারি।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘আগামী ইলেকশনে কী হবে তা বলতে পারি না, তবে আমরা যে একটা সিস্টেম করে রেখেছি, এরপর যে-ই ক্ষমতায় আসুক না কেন, কেউ দেশের উন্নয়নে বাধা দিতে পারবে না। বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়াকে আর কেউ থামাতে পারবে না।

    ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উত্তরণের সুযোগ গ্রহণ করে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের প্রতি রপ্তানি বাণিজ্য জোরদার করার আহ্বান জানান।প্রধানমন্ত্রী বলেন,উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমরা যে সুযোগটা পেয়েছি,তাতে আমাদের ঋণ গ্রহণের সুবিধা হবে, ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধা হবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে বিশাল সুযোগ আমাদের সৃষ্টি হবে রপ্তানি বাণিজ্য করার, সেই সুযোগটা আমাদের গ্রহণ করতে হবে। আর তার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।শেখ হাসিনা বলেন,এলডিসিভুক্ত দেশ হিসেবে অন্য যে সুযোগগুলো আমরা পাই সেগুলো হয়তো পাব না, তাতে আমাদের কোনো অসুবিধা হবে না।কারণ,সেভাবেই আমরা আমাদের নীতিমালাসহ সবকিছু প্রণয়ন করেছি।

    দল-মতনির্বিশেষে তাঁর দরজা ব্যবসায়ীদের জন্য সব সময় খোলা, এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,আপনারা দেশ-বিদেশে ঘোরেন, আপনারাও খুঁজে বের করুন কোন দেশে আমাদের দেশের কোন কোন পণ্য রপ্তানি করা যায়।তিনি বলেন,বাজারকে খুঁজে নেওয়া এবং পণ্যটাকে তৈরি করা, সেটাও কিন্তু আপনাদের একটা দায়িত্ব। সেই ক্ষেত্রে যদি কোনো রকম সহযোগিতা লাগে,অবশ্যই সরকার হিসেবে আমরা তা করব।

    রপ্তানি বাণিজ্য দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান নিয়ামক, উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার অব্যাহতভাবে রপ্তানিতে উচ্চ প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, ‘২০০৫-০৬ সালে যেখানে রপ্তানি আয় ছিল ১০ দশমিক ৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০১৭-১৮ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৩৬ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার হয়েছে।রপ্তানি খাতে গতিশীলতা আনয়ন ও রপ্তানি বাণিজ্যে আমাদের শিল্পকে প্রতিযোগিতা-সক্ষম করার লক্ষ্যে আমরা রপ্তানি নীতি ২০১৮-২১ প্রণয়ন করেছি, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    শিল্পায়ন ছাড়া কোনো জাতির অর্থনৈতিক উন্নতি হয় না, উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইপিজেড তৈরি করা হচ্ছে। সমগ্র বাংলাদেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করা হচ্ছে। ইপিজেড ও বিসিক স্টেটগুলোকে পুরোপুরি কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় বিসিক শিল্পনগরীগুলোতে রপ্তানিমুখী পণ্য উৎপাদনের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। সেখানে বিদেশি বিনিয়োগ আসবে ও মানুষের কর্মসংস্থান হবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গোটা বাংলাদেশ যাতে উন্নত হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই কাজ করে যাচ্ছি। আমরা সব সময় চাই, আমাদের দেশটা এগিয়ে যাক।’ তাঁর সরকার ব্যবসাবান্ধব, তবে, নিজেরা ব্যবসায়ী নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সব সময়ই বলে এসেছি, আমার সরকার ব্যবসা করবে না। ব্যবসা করবেন ব্যবসায়ীগণ। আমরা সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করব। আমরা আপনাদের সৃজনশীল প্রয়াসে সহায়তাকারীর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছি।

    প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩৫টি পণ্যে ২ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ সহায়তা প্রদান এবং রপ্তানি শিল্পের কাঁচামাল আমদানির জন্য স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়ার জন্য ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ‘এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের (ইডিএফ)’ সংস্থান করা হয়েছে। এ বিষয়ে বর্তমান সরকারের টানা দুই মেয়াদে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইতিমধ্যে অনেকে আমাদের শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে, জিএসপি সুবিধা দিয়েছে। অন্তত আমি এইটুকু দাবি করতে পারি, যেখানেই আলাপ করেছি সাথে সাথে এই সুযোগগুলো পেয়ে গেছি।

    বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনাকালে তিনি সব সময়ই দেশের পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার লাভের বিষয়টি তুলে ধরেন, উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এর ফলে আমরা চিলি, ভারত, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে শুল্কমুক্ত পণ্যের প্রবেশাধিকার লাভ করেছি। জাপান ও রাশিয়ায় জিএসপি সুবিধার পরিধি বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছি। বাজার বহুমুখী করার জন্য লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকা ও মধ্য এশিয়ার দেশসমূহে রপ্তানি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছি।

    দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলায় প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মেয়েরা তো এখন বেশি এগিয়ে এসেছে। তাই আরও ভালোভাবে শিক্ষিত করে, ট্রেনিং দিয়ে একটা শক্তিশালী জনগোষ্ঠী সৃষ্টি করে তাদের শ্রম ও মেধা কাজে লাগিয়ে দেশকে আরও উন্নত করতে পারব। সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিচ্ছি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা ছিল। ইতিমধ্যে আপনারা জানেন এলএনজি আমদানি শুরু করে দিয়েছি। ফ্লোটিং এলএনজি টার্মিনাল করা হয়েছে। কিন্তু আমরা এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছি ল্যান্ড বেইজ এলএনজি টার্মিনাল করব। যাতে গ্যাসের আর কোনো সমস্যা কোথাও না থাকে। যাতে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের আরও সুবিধা হয়।’

    শেখ হাসিনা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের খণ্ডচিত্র তুলে ধরে বলেন, ‘আমি শুধু এইটুকুই বলব, আজকে আমাদের অর্থনীতি যথেষ্ট মজবুত। আমাদের যে উন্নয়ন প্রকল্প তার ৯০ ভাগ নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করার সক্ষমতা অর্জন করেছি এবং উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। উন্নত দেশের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ২০২১, ২০৪১ এবং ২১০০ ডেলটা প্ল্যান হাতে নিয়েছি। এই ডেলটা প্ল্যান নেদারল্যান্ডস সরকারের সাথে যৌথভাবে বাস্তবায়ন করব, যার ফলে বাংলাদেশের এই এগিয়ে যাওয়া আর কেউ থামাতে পারবে না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিজুল ইসলাম অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন।

    অনুষ্ঠানে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য ও খাতভিত্তিক সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়ের জন্য ৫৬টি প্রতিষ্ঠানকে ‘জাতীয় রপ্তানি ট্রফি’ প্রদান করা হয়।

  • আ.লীগের পালানোর অভ্যাস নেই, আছে বিএনপির: হাছান মাহমুদ

    আ.লীগের পালানোর অভ্যাস নেই, আছে বিএনপির: হাছান মাহমুদ

    আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের পালানোর ইতিহাস নেই। দেশ ছেড়ে পালানোর অভ্যাস আছে বিএনপির।

    আজ রোববার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ের পাশে দলের নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে দলের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে হাছান মাহমুদ এ মন্তব্য করেন।

    হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজনীতি করবেন না, এই কথা বলে মুচলেকা দিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। এখন পর্যন্ত মামলার আসামি হওয়ার পরে মামলা মোকাবিলাও করেননি। বিএনপির আরও বহু নেতা ২০০৬-২০০৮ সাল থেকে পলাতক। এবার ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের পর জনগণ বিএনপির নেতাদের পালাতে দেবে না। বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীসহ বিএনপির নেতাদের অনুরোধ করব, আপনারা দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করবেন না।

    ইচ্ছাকৃতভাবে বিএনপি নেতাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হচ্ছে—দলটির নেতা রুহুল কবির রিজভীর এ অভিযোগের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি, দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও ঋণখেলাপিদের।

    প্রতিটি মনোনয়নপত্র রিটার্নিং কর্মকর্তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যেগুলো বৈধ, সেগুলোকে বৈধ ঘোষণা করেছেন। যেগুলো বাতিলযোগ্য সেগুলোকে বাতিল করেছেন। বাতিল কী কারণে করা হচ্ছে, সেটিও সুনির্দিষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বিএনপি চায় তাদের দণ্ডিত আসামিদের মনোনয়নপত্র বৈধ হোক। বিভিন্ন কারণে অন্যান্য দলেরও মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বিএনপি দুর্নীতিবাজদের মনোনয়ন দিয়ে স্লোগান দিচ্ছে দুর্নীতির বিরুদ্ধে।

    সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির রাজনীতি অপপ্রচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তারা প্রতিনিয়ত সংবাদ সম্মেলন করে অপপ্রচার করার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করে সরকারের বিরুদ্ধে, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে এবং নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে আসছে। নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি অপপ্রচার আরও বাড়িয়েছে। এসব অপপ্রচার বিভিন্ন ভুয়া ফেসবুক আইডি, ভুয়া নিউজ পোর্টাল ও দেশের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যমের হুবহু নিউজ পোর্টাল খুলে তারা সেই অপপ্রচার চালাচ্ছে।

    তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়া জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পীদের নামে বিএনপি নিউজ পোর্টাল খুলেও অপপ্রচার চালাচ্ছে। এভাবে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চরম অপচেষ্টা বিএনপি চালিয়ে আসছে। এসব অপপ্রচার চালানোর ক্ষেত্রে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ইউআরএল (ওয়েব ঠিকানা) ব্যবহার করে। একটি বন্ধ করলে আরেকটি দিয়ে শুরু করে। লন্ডন, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এসব কর্মকাণ্ড বেশি করে চালানো হচ্ছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে ধর্মকে ব্যবহার করেও অতীতের মতো অপপ্রচার চালানো শুরু করেছে।

    বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘নিজেরা যে অপকর্মগুলো করছেন, সেগুলো বন্ধ করুন। অন্যদের ওপর নিজেদের অপকর্ম চাপানোর চেষ্টা থেকে বিরত থাকুন। আওয়ামী লীগ অপপ্রচার করে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যেভাবে বদলে গেছে, আমরা সেটাই প্রচার করি।

  • বগুড়াতেও খালেদার মনোনয়ন বাতিল

    বগুড়াতেও খালেদার মনোনয়ন বাতিল

    ফেনী-১ আসনের মতো বগুড়া-৬ ও ৭ আসনেও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার। তবে বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    এছাড়া বগুড়া-৬ আসনেই খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও পৌর মেয়র অ্যাড. মাহবুবুর রহমান পদত্যাগ না করে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ায় তার মনোনয়নও বাতিল করা হয়েছে।

    রোববার দুপুরে মনোনয়পত্র বাছাইয়ের পর এ ঘোষণা দেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার ফয়েজ আহমেদ।

    সম্প্রতি বিচারিক (নিম্ন) আদালতে দুই বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত হলে আপিলে বিচারাধীন অবস্থায় কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না বলে আদেশ দেন হাইকোর্ট। এ আদেশের প্রেক্ষিতেই খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

    এদিকে সকালে একই কারণে ফেনী-১ (ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী ও পরশুরাম) আসনেও খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

    উল্লেখ্য, বিএনপির চেয়ারপারসন দুটি দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় নিম্ন আদালতের রায় স্থগিত, সাজা ভোগ বাতিল ও জামিন চেয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করেছেন। আর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় উচ্চ আদালত সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

  • বরিশাল-২ আসনে বাদ পড়লেন চিত্রনায়ক সোহেল রানা

    বরিশাল-২ আসনে বাদ পড়লেন চিত্রনায়ক সোহেল রানা

    বরিশাল-২ আসনে জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক মাসুদ পারভেজ ওরফে সোহেল রানা মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শের-ই-বাংলার নাতি ফাইয়াজুল হকেরও মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

    রোববার বরিশালের ৬টি সংসদীয় আসনে ৫২ জন প্রার্থীর মধ্যে সর্বমোট নয় জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। রোববার দিনভর বরিশাল জেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের উপস্থিতিতে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলে।

     

  • মাশরাফির মনোনয়নপত্র বৈধ

    মাশরাফির মনোনয়নপত্র বৈধ

    জাতীয় ওয়ান ডে ক্রিকেট দলের সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার মনোনয়ন বৈধ্য ঘোষণা করেছেন জেলা প্রশাসক ও নড়াইল জেলা রিটার্নিং অফিসার আনজুমান আরা।

    রোববার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের হলরুমে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হয়।

    এসময় নড়াইল-২ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মাশরাফিসহ একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে কোনো গড়মিল বা সমস্যা না থাকায় সেগুলো বৈধ্য বলে ঘোষণা করা হয়।বাকিদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই চলছে। সারাদিন যাচাই-বাছাই চলবে।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার আনজুমান আরাসহ জেলা প্রশাসন ও জেলা নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারা।এসময় মনোনয়ন প্রত্যাশী ও প্রার্থীর পক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন।

    উল্লেখ্য, নড়াইল-২ আসনে মোট ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র কিনেছেন।

  • নির্বাচনের ন্যূনতম পরিবেশ নেই : কর্নেল অলি

    নির্বাচনের ন্যূনতম পরিবেশ নেই : কর্নেল অলি

    এলডিপির সভাপতি ও ২০ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, সরকারি দলের লোকজন বিভিন্ন এজেন্সির নামে প্রতিনিয়ত বাড়িতে গিয়ে হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। প্রার্থীসহ নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। বর্তমানে নির্বাচনের ন্যূনতম লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ও পরিবেশ নেই। তাই যেভাবে জুলুম নির্যাতন করা হচ্ছে, শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে টিকে থাকা সম্ভব নাও হতে পারে।

    আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে জোটের বৈঠক শেষে একথা বলেন তিনি।

    অলি আহমদ বলেন, আমরা নির্বাচনে থাকতে চাই। প্রধানমন্ত্রী সুষ্ঠু নির্বাচনের যে কথা বলেন, সেটার বাস্তবায়ন চাই। ইতোমধ্যে ২০ দলীয় জোটের ৮০ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। যেভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে, তা বরদাশত করা হবে না। আমরাও বসে থাকবো না।

    ২০ দলীয় জোটকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে মন্তব্য করে অলি আহমদ বলেন, সরকারের মন্ত্রীরা বসে আছেন হিমালয়ের উপর, আর আমরা বসে আছি পাদদেশে। এটাকে কোনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলে না।

  • ধানের শীষ কার, মা না ছেলের?

    ধানের শীষ কার, মা না ছেলের?

    উৎকণ্ঠা ছিল মনোনয়নপত্র বাতিল নিয়ে। তাই সিলেটের প্রতিটি আসনে দেয়া হয়েছিল ২৩ দলীয় জোটের  একাধিক প্রার্থী। ব্যতিক্রম যায়নি আলোচিত সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনও।

    বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ‘নিখোঁজ’ এম. ইলিয়াস আলীর এই আসনেও এবার দেয়া হয়েছিল দুইজনকে দলীয় মনোনয়ন। তবে এই মনোনয়ন ছিল ইলিয়াস পরিবারেই সীমাবদ্ধ।

    স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা ও ছেলে ব্যারিস্টার আবরার ইলিয়াস অর্ণবের হাতেই তুলে দেয়া হয় দলীয় মনোনয়ন। কোনো কারণে একজনের মনোনয়ন বাতিল হলে যাতে অন্যজন নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন মূলত এই কৌশল থেকেই তাদেরকে দেয়া হয়েছিল মনোনয়ন।

    কিন্তু শঙ্কা কাটিয়ে আজ জেলা রিটার্নি অফিসার এম কাজী এমদাদুল ইসলাম বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তাহসিনা রুশদীর লুনা ও আবরার ইলিয়াস দু’জনের প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করেছেন। তাই এখন প্রশ্ন ওঠেছে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ইলিয়াসের এই আসনে কে হচ্ছেন ধানের শীষের কান্ডারি। শেষ পর্যন্ত মা না ছেলে কে হাল ধরবেন এ আসনের?

    তবে জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের শামীম মনে করেন এ আসন থেকে ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনাই নির্বাচন করবেন। ইলিয়াস আলী ‘নিখোঁজ’র পর থেকে তিনি এ আসনে বিএনপির রাজনীতি দেখাভাল করছেন। খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা লুনা সিলেট সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণা ও জনমত গঠনে কাজ করেছেন। দলীয় কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশ নিয়েও তিনি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নিজের জনপ্রিয়তা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।

  • ফেক নিউজ হলে ডিজিটাল আইনে মামলা : ইসি

    ফেক নিউজ হলে ডিজিটাল আইনে মামলা : ইসি

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফেক বা ভুয়া নিউজ ও অপপ্রচার ঠেকাতে আরও কঠোর হচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে ফেক নিউজ হলে বা অপপ্রচার হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মামলা দায়েরসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    রবিবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

    তিনি বলেন, প্রশাসন ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং শুরু করেছে। আমরাও আগামীকাল থেকে মনিটরিং করবো। এজন্য আমাদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শাখার (আইসিটি) কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি নিজস্ব মনিটরিং টিম করা হবে। এই টিমও প্রশাসনের টিমের পাশপাশি কাজ করবে। এছাড়া থাকবে গোয়েন্দা নজরদারিও।

    অপপ্রচার ও ফেক নিউজ রুখতে করণীয় নির্ধারণে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ইসি সচিবের বৈঠক তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ার যেন নির্বাচন কেন্দ্রিক অপব্যবহার না হয়, কোনো প্রোপাগান্ডা যেন কেউ না চালাতে পারে, সে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে।

    ‘কেউ যদি প্রোপাগান্ডা চালায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে আমরাও দেখবো, তারাও দেখবে। ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন ও অন্যান্য আইনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব বিষয় না করতে সচেতনতা সৃষ্টির ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য আমরা বিজ্ঞাপনও প্রচার করবো।

    হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি কেউ যেন নির্বাচন নিয়ে কোনো ফেক নিউজ না করতে পারে। জাতীয় –আন্তর্জাতিকভাবে কেউ যেন ফেক নিউজ না করে। ফেক নিউজের বিরুদ্ধেও আমরা ব্যবস্থা নেবো।

  • বরিশালে শেরে-ই বাংলার নাতিসহ ৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল

    বরিশালে শেরে-ই বাংলার নাতিসহ ৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল

    বরিশাল জেলার ৬টি নির্বাচনী আসনের ৫২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। রবিবার পূর্ব নির্ধারিত দিনে বরিশাল জেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের উপস্থিতিতে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে সমর্থক ভোটারের অস্তিত্ব ও সাক্ষর যথাযথ না হওয়ায় মোট ১১ জনের মনোনয়নপত্রে ত্রুটিবিচ্যুতি পান রিটার্নিং কর্মকর্তা।

    তাদের ত্রুটি শোধরানোর জন্য সময় বিকেল ৫টা পর্যন্ত সময় বেধে দেন তিনি। সন্ধ্যা পৌঁনে ৬টায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ৫২ জনের মধ্যে ৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল এবং ৪৩ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। এদের মধ্যে ৬ জনই বরিশাল-২ আসনের প্রার্থী ছিলেন।

    বরিশাল-১ আসনে জাকের পার্টির প্রার্থী মো. বাদশা মিয়ার ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে গৌরনদী পৌরসভার ৮ হাজার ২শ’ ৭৯ টাকার গৃহ কর বকেয়া থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

    ৪ হাজার ১শ’ ৪৭ টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় বরিশাল-২ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী চিত্রনায়ক মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা, একজন সমর্থন ভোটার মৃত হওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) শিল্পপতি ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেনের, একই কারনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) সৈয়দা রুবিনা আক্তার মীরার, সমর্থক ভোটারের তথ্য ভুল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) শের-ই বাংলার নাতি এ কে ফাইয়াজুল হকের, সমর্থক ভোটার ভ‚য়া হওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী (জাসদ-ইনু) মো. আনিসুজ্জামান এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক সমর্থক ভোটারের নাম ও সাক্ষর না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম মিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

    বরিশাল-৩ আসনে হলফনামা অসম্পূর্ণ থাকায় ঐক্য ন্যাপের মো. নুরুল ইসলাম মাস্টারের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

    বরিশাল-৪ এবং বরিশাল-৫ আসনে কোন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়নি।
    সমর্থক ভোটার ভুয়া হওয়ায় বরিশাল-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ওচমান হোসেন মনিরের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। বৈধ প্রার্থীদের তালিকা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা এসএম অজিয়র রহমান।

    যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তারা যথাযথ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে ৩ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপীল করতে পারবেন বলে রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

  • আলোচিত যেসব প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল

    আলোচিত যেসব প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের দাখিল করা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করছে নির্বাচন কমিশন। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে সময়ের কয়েকজন আলোচিত প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

    এদের মধ্যে রয়েছেন:

    খালেদা জিয়া

    দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত করাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র তিনটি আসন থেকে বাতিল করা হয়েছে। আসনগুলো হলো, ফেনী-১ , বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসন।

    কাদের সিদ্দিকী

    ঋণখেলাপির অভিযোগে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

    আফরোজা আব্বাস

    টেলিফোন বিল বকেয়া ও ঋণ খেলাপি হওয়ায় প্রায় তিনঘণ্টা স্থগিত রেখে ঢাকা-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

    গোলাম মাওলা রনি

    হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় আওয়ামী লীগ থেকে সদ্য যোগদান করা পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গোলাম মাওলা রনির মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং অফিসার।

    রেজা কিবরিয়া

    ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের পাওনা বাকি থাকায় হবিগঞ্জ-১ আসন থেকে গণফোরাম মনোনীত প্রার্থী সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এমএস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

    ইমরান এইচ সরকার

    কুড়িগ্রাম-৪ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন নেয়া গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে।

    কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক পারভিন সুলতানা জানান, মনোনয়ন পত্রের সাথে ১% সমর্থকের সমর্থনের প্রমাণ দাখিল করতে না পারায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।